আদর্শ রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন পরিকল্পনা

আদর্শ রাজনৈতিক দলটি নির্বাচনী ক্যাম্পেইন পরিকল্পনায় গতানুগতিকতা থেকে বেরিয়ে এসে সৃজনশীলতা দেখাবে।

জরিপ করে জনগণের মন, জনগণের আশাআকাঙ্ক্ষা বোঝার উদ্যোগ নেওয়া হবে – কারা “ক” দলকে ভোট দেবেন? কি কি কারণে? কারা “খ” দলকে ভোট দেবেন? কি কি কারণে? (এসব ভোট কিভাবে নিজেদের পক্ষে আনা যায়?) অতীতে কোনবার কোন দল বা প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন? কেন? ভিন্ন দলকে ভোট দিলে সমর্থন পালটানোর কারণ কি? এলাকার উন্নয়নে কি কি দেখতে চান? কি কি সমস্যার সমাধান চান? (প্রার্থী হিসেবে কাল টাকার মালিক থাকলে তিনি কিভাবে নির্বাচনকে প্রভাবান্বিত করতে পারেন? কতটা?)

জনগণের গঠনমূলক সমালোচনাকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে গ্রহণ করে প্রার্থীরা নিজেদের ভুলভ্রান্তি দূর করে কর্মকাণ্ড আরও উন্নততর করার কাজে ব্যবহার করবেন।

প্রতিটি নির্বাচনী সভায় জনগণকে তাদের আশা আকাঙ্ক্ষা প্রত্যাশার কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। আধুনিক প্রযুক্তি যেমন ভিডিও চিত্রের (বিভিন্ন এলাকার জন্য উপযোগী করে প্রয়োজনে স্থানীয় ভাষায়) মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নে জনগণ উজ্জীবিত হবে।

আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ভিডিও কনফারেন্সিং, ইন্টারনেট ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে।

সবাইকে নিয়ে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকার প্রতিষ্ঠিত বেক্তিরা এগিয়ে আসবেন, বাবসায়িরা সামাজিক এন্টারপ্রাইস প্রতিষ্ঠা করবেন। এলাকার জনগণ একতাবদ্ধ হয়ে নিজেরা নিজেদের সমস্যা সমাধান করবেন।

এভাবে রাজনীতিতে মেধার প্রয়োগ দেখিয়ে দলটি দেশে নতুন রাজনীতির শুভ সূচনা করবে।

আদর্শ রাজনৈতিক দলটি যেভাবে জনগণের কাছে পৌঁছাবে

আদর্শ রাজনৈতিক দলটি দ্রুত দলের মূলনীতি ঘোষণা দিয়ে জনগণের পাশে গিয়ে দাঁড়াবে।

উপস্থিতি প্রথম থেকেই জনগণের কাছে দৃঢ়তার সাথে জানানো হবে। বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

বাংলাদেশের মানুষ পরিকল্পনাবিহীন অপরাজনীতি দেখে অভ্যস্ত। জনগণ জানে না সুপরিকল্পিত সুশাসন দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশ সঠিকভাবে পরিচালিত হলে স্বপ্নের বাংলাদেশ কেমন হবে তার এবং সেই স্বপ্নের বাংলাদেশে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের জীবনের একটা চিত্র জনগণের সামনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তুলে ধরে জনগণকে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নে উজ্জীবিত করা হবে। দৃঢ়তার সাথে জনগণকে জানানো হবে স্বপ্নের বাংলাদেশের লক্ষ্যে পরিবর্তন এবারই আসছে।

জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে কারও উপর যাতে কখনও অন্যায় না হয়, জনগণকে এলাকায় এলাকায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে তা নিশ্চিত করতে আহ্বান জানান হবে এবং দলটি এক্ষেত্রে জনগণের পাশে থাকবে। এটি যেহেতু জনগণের দল হবে কাজেই জনগণ সব ধরণের মাধ্যম ব্যবহার করে যাতে দলটির কাছে প্রত্যাশা, মতামত, আশা আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরতে পারে সে বাবস্থা নেওয়া হবে।

দলটিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো (ফেইসবুক, ব্লগ, ওয়েব সাইট, মোবাইল ইত্যাদি) ব্যবহার করে জনগণের মতামত, আশাআকাঙ্ক্ষা বোঝার চেষ্টা করবে।

আদর্শ দলের নেতারা জানেন, জনগণের পাশে দাঁড়ালে, জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা বোঝার চেষ্টা করলে এবং সেই লক্ষ্যে কাজ করলে, জনগণও তাদের পাশে থাকবে।
দলটি দেশের জনসংখ্যাকে বিভিন্ন ডেমোগ্রাফিকে বিভক্ত করে ভিন্ন ভিন্ন ডেমোগ্রাফিকের কাছে আলাদা আলাদা ভাবে পৌঁছাবে।
তরুণদের কাছে পৌঁছাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করবে। তরুণদের জন্য প্লাটফর্ম তৈরি করে দেবে যাতে ওরা বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে পারে।
গ্রামের গরিব দুঃখী অসহায় মানুষগুলোর পাশে গিয়ে তাদের সমস্যা বোঝার চেষ্টা করবে। গ্রামের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সবাই মিলে সমাধানের উদ্যোগ নেবে।
শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে তাদের পাশে দাঁড়াবে।
বাবসায়িদের বাবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির উপায় নিরুপন করে উদ্যোগ নেবে।
সৎ বিনিয়োগকারিদের অভিযোগগুলো বোঝার চেষ্টা করবে।
দেশের সম্পদ রক্ষায়, দেশের বৃহত্তর কল্যাণে যারা কাজ করছে তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াবে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা অন্যায় করছে, দুর্নীতি করছে, সেই অন্যায়, দুর্নীতিগুলোর বিরুদ্ধে সবাইকে নিয়ে অবস্থান নেবে।

জনগণকে নিয়ে বিভিন্ন সমস্যা কিভাবে সমাধান করা যায় – তা সবাই মিলে নির্ধারণ করে সম্মিলিতভাবে বাবস্থা নেবে।

প্রতিটি কাজে জনগণকে সম্পৃক্ত করবে।

আমাদের রাজনীতি সচেতন জনগণও শুধুমাত্র চায়ের কাপে নেতানেত্রীদের আলোচনা – সমালোচনার মাঝে রাজনীতিকে সীমাবদ্ধ রাখবেন না, বরং তারাই হবেন রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ – তাদের কেন্দ্র করেই দেশের রাজনীতি পরিচালিত হবে – আদর্শ দল তা নিশ্চিত করবে।

আদর্শ রাজনৈতিক দলের নেতারা ইতিহাসের মহানায়কদের মত জানেন, ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির, ভিন্ন আদর্শ, মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষকে নতুন সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখাতে পারলে তারা তা গ্রহণ করবেন। তারা নিজেরাও নিজেদের সবজান্তা ভাবার ধৃষ্টতা না দেখিয়ে, নিজেদের পথই একমাত্র সঠিক পথ না ভেবে, ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, ভিন্ন মূল্যবোধ গভীরভাবে বোঝার এবং গ্রহণ করার মানসিকতা দেখাবেন। সমগ্র দেশের চেতনাকে ধারণ করতে তারা বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির মানুষদের দূরত্ব দূর করে একতাবদ্ধ করবেন।

পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে কেউ যেন মিথ্যা অপপ্রচার চালাতে না পারে, গুজব রটাতে না পারে – সেই লক্ষ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং দৃঢ় অবস্থান নেবে।

স্বপ্নের বাংলাদেশ কেমন হবে তা বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের জন্য উপযোগী করে, বিভিন্ন স্থানের উপযোগী করে ভিন্ন ভিন্ন ভিডিও চিত্রে (প্রয়োজনে আঞ্চলিক ভাষায়) ফুটিয়ে তোলা হবে।

পরবর্তীতে জনগণ কিভাবে সম্মিলিতভাবে সেই লক্ষ্যে কাজ করছে তাও চিত্রিত করে সবাইকে অনুপ্রাণিত করা হবে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারঃ কিছু প্রস্তাব – ২

রাজপথ থেকে সরে এসে সরকারি দল এবং প্রধান বিরোধী দলের নির্বাচনকালীন সরকার প্রস্তাবের মাঝে আমরা দেশের জনগণ নতুন রাজনীতির আলো দেখি।

তবে উভয়ে নিজ নিজ অবস্থানে থাকলে আমরা তৃতীয় একজনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি।

এই তৃতীয় একজনের ভূমিকা নিতে পারেন একজন নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য দৃঢ়চেতা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান।

ভোটের দিন ও ক্ষমতা হস্তান্তর পর্যন্ত নিরপেক্ষ পরিবেশ ধরে রাখার জন্য এবং একটি সুষ্ঠু , নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে আমরা স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপন এবং অন্যান্য স্পর্শকাতর মন্ত্রনালয়গুলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিরপেক্ষ উপদেষ্টাদের হাতে নাস্ত করার প্রস্তাব জানাই।

মন্ত্রীসভা এবং উপদেষ্টা পরিষদ নিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।

বিরোধী দলীয় নেতার প্রতিশোধ – প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে দূরে থাকা, মেধাবী ও যোগ্য নাগরিকদের আগামী দিনের জাতীয় ঐক্যের সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগাম আমন্ত্রণ – এসব ঘোষণাকে আমরা ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখি।

তবে আমরা সচেতন নাগরিকরা অতীতেও উভয় দলের কাছে এমন অনেক প্রতিশ্রুতি শুনেছি যেগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন দেখিনি। আমরা আগামী নির্বাচনের আগেই সরকারি দল এবং প্রধান বিরোধী দলের ঘোষণার বাস্তবে প্রতিফলন দেখতে চাই, কথায় এবং কাজে সামঞ্জস্যতা দেখতে চাই।

প্রতিহিংসা – অপপ্রচার নয়, চাই উন্নয়নের রাজনীতি

একজন সম্মানিত মানুষ সারাজীবন তিল তিল করে একটি প্রতিষ্ঠানকে দাঁড় করিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটির উপর কাজের কারণে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটিকে এমনভাবে গড়ে তুলেছেন যে বাবস্থায় গ্রামের দরিদ্র মহিলারা প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় (প্রতিষ্ঠানের ৯৭ শতাংশ মালিকানা গরিব মহিলাদের হাতে) এসেছে। সেই প্রতিষ্ঠান – গ্রামীণ ব্যাংক থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া শুধুমাত্র অন্যায় নয়, এটি দেশে দারিদ্র্য দূরীকরণে, নারীর ক্ষমতায়নে বিশাল ভূমিকা রাখা, দেশের প্রায় ৮৪ লক্ষ মানুষ যে প্রতিষ্ঠানের সাথে নিজেকে যুক্ত করে লাভবান হয়েছেন এবং হচ্ছেন, অন্যান্য দেশেও যে প্রতিষ্ঠানটির আদলে প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে, সেই প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে সঠিকভাবে চলবে কিনা তা নিয়েও সংশয় তৈরি করে দিয়েছে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে অন্যায় করা, না বুঝে অপপ্রচার চালানো এবং দেশের ক্ষতি করা – এমন রাজনীতি দেশে চলতে পারে না।
ড. মুহম্মদ ইউনুস এর

  • মেধা (নোবেল শান্তি পুরষ্কার বিজয়ী, ২০০৬; বিশ্বব্যাপী ক্ষুদ্রঋণ এবং সামাজিক ব্যবসার প্রবর্তক)
  • সততা (বর্তমান সরকার সকল শক্তি ব্যবহার করেও কিছু খুঁজে পায়নি) 
  • প্রশাসনিক দক্ষতা (বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিজ মডেলের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন)

প্রশ্নাতীত।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার যে ব্যাপক সুপরিচিতি আছে তা ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্ক জোরদার করা, কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া (বিভিন্ন সুবিধা যেমন বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শুল্কমুক্ত প্রবেশ ইত্যাদি) – সরকার এসব করতে পারত।

তা না করে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে গ্রামীণ ব্যাংকে হাত দেওয়াকে আমরা চরম অন্যায় বলে মনে করি। যে দেশে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে অবাবস্থাপনা এবং হাজার হাজার কোটি টাকার লোপাট-দুর্নীতি চলে, সে দেশে গ্রামের অসহায় মানুষদের ব্যাংকটিকে রাষ্ট্রায়ত্ত করার প্রচেষ্টা আমাদের শঙ্কিত করে।

যে দেশের ৫০ ভাগ মানুষের বয়স ২৩ বা তার চেয়ে কম, যে বিশাল তরুণ প্রজন্ম কর্মক্ষেত্রের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে, যাদেরকে ঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলে দ্রুত দেশের চেহারা পাল্টে যাবে – সেই দেশে আজ উন্নয়নের রাজনীতি খুব বেশি জরুরী।

আরও

“… by dividing up and splitting up the Grameen Bank in 19 pieces only – you’ll destroy the bank. If somebody wants to destroy the bank, that’s the best way to do this – cut it up, chop it off and it’s gone.”

৮৪ লক্ষ ঋণগ্রহীতার প্রতিষ্ঠানকে ভেঙে ১৯ টুকরা করার প্রচেষ্টা – আমরা হাসব নাকি কাঁদব!


“Making money is a happiness. Making other people happy is a superhappiness.”

“Within two years, more than 25,000 beggars stopped begging completely. Because they become such a successful door-to-door salesperson.”

“So you see, you give people a chance, they bring out their own ability. So that’s the message here.”

– Muhammad Yunus And ‘A Cinderella Moment’ At The Forbes Philanthropy Summit – Forbes

“গ্রামীণ ব্যাংক গরিব মহিলাদের নিজস্ব অর্থে গড়া সম্পদ। যে প্রতিষ্ঠানের ৯৭ শতাংশ মালিকানা গরিব মহিলাদের হাতে, সেখানে তদন্ত কমিশন কীভাবে প্রস্তাব করে যে এটার বৃহত্তর মালিকানা সরকারকে দিয়ে দিতে হবে। গরিব মানুষের মালিকানাকে গায়ের জোরে কেড়ে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে কেন?

যে ব্যাংক নাগরিকদের নিজের টাকায় চলে সেখানে সরকারকে কেন ৫১ শতাংশ বা তারও বেশি মালিকানা দিতে হবে এবং সরকারের আজ্ঞাবহদের হাতে এই ব্যাংক পরিচালনার (তথা লুটপাটের) ব্যবস্থা করে দিতে হবে, এর ব্যাখ্যা কি কমিশন জাতির সামনে উপস্থাপন করবে?

এই ব্যাংক সরকারের কাছ থেকে কোনো টাকা নেয় না, কোনো দাতা সংস্থা থেকেও টাকা নেয় না। এটা সম্পূর্ণরূপে স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠান। এটা গরিব মহিলাদের মালিকানায় এবং তাদেরই পরিচালনায় একটি ব্যাংক।

গ্রামীণ ব্যাংক চিরজীবী হোক। গরিব মহিলাদের ক্ষমতা চিরস্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত হোক।”

– দেশের মানুষ গ্রামীণ ব্যাংককে ছিনিয়ে নিতে দেবে না

Looking back and connecting the dots

Sometimes, it seems amazing when you look back at time and try to connect the dots. I returned to America last November with a newly found interest in Biology and Business

If I find a subject area or topic interesting, I usually try to learn as much as I can from books and the Web. Then while reading, whenever I come across another topic of interest, I start following the same procedure (learn from books and the Web) for the new topic of interest – serendipity in action!


I have always been fascinated by the prospects of improving health and brain power. Previously, my idea was to invent new technologies (e.g., stem cells, genetic engineering, engineered organs etc.) for better health and more brain power. Books and ideas (e.g., Human body version 2.0) of Ray Kurzweil always inspired me. 

My interest in Biology led me to books which helped me discover that both health and brain power can be improved dramatically by natural means. Reading those books, I became aware of the benefits that a sound health can bring into your life. I incorporated a lot of health practices to my life (a lot actually – aerobic exercises and strength training, mindfulness and deep breathing, lots of blueberries and strawberries and nuts and yogurt and a whole lot of other changes in my diet, plus supplements!).

My interest in Business led me to an advice “Isolation is dangerous”. So I made myself a lot more social than I was.

Then, being social and conversing with others, I found out that I could actually think a lot better than I thought I did and I was amazed.

I was amazed at how much I had managed to learn by myself. I have never had the opportunity of learning from very good teachers or very smart peers. I had no one to guide me. I learned to guide myself.

So when I went to Bangladesh in March 2012, my inspired self returned to unsocial life and I began spending time on nerdy stuffs!

Now, I am eagerly waiting to find out where my previous experiences take me next.



Life is never this simple. I have left out a lot of details. But this is surely an outline.


(Written sometime in May-June 2012; enhancements later)
Alia Bhatt’s take on Life enhancement:

 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারঃ কিছু প্রস্তাব

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সর্বদলীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাবকে আমরা স্বাগত জানাই।

দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে কিছু প্রস্তাবঃ

1. অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান হবেন সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য একজন। মাননীয় রাষ্ট্রপতি সব দলের পরামর্শ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান নিয়োগ দিবেন।

2. সংসদ ভেঙে দিতে হবে।

3. নির্বাচন কমিশন হতে হবে শক্তিশালী, স্বাধীন এবং সকল দলের কাছে গ্রহণযোগ্য।

4. অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান সকল দলের পরামর্শ নিয়ে ছোট কলেবরের অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রীসভা (এবং মন্ত্রীসভাকে সহায়তা করতে উপদেষ্টা পরিষদ) গঠন করবেন।

5. প্রশাসন যাতে নিরপেক্ষ হয় এবং ক্ষমতা হস্তান্তর পর্যন্ত এই নিরপেক্ষতা বজায় থাকে – অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তা নিশ্চিত করবেন। কোন দল যাতে এক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে সে লক্ষ্যে বাবস্থা নেবেন।

6. ক্ষমতা হস্তান্তর পর্যন্ত সব প্রক্রিয়া যাতে সংবিধান সম্মতভাবে হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

On Mathematical Problem Solving

On Mathematical Problem Solving

[Equally Applicable To Scientific & Engineering Problem Solving]

In mathematical and scientific circles, a problem is defined as a situation where there is a difference between the desired or goal state and your current state. 

Usually most of us go about in a disorganized way when trying to solve a problem. 
 
But becoming organized can make you a much better problem solver.
 
There are certain ways of approaching problems which are followed mainly by Mathematicians and Scientists but can be applied to any branch.
 
Here are the Guidelines I usually follow.
 
 

Bright Idea / Intuition / Inspiration 

High level pattern matching: Use working memory + visualization + organization to hold the whole problem + solution (so far) at a time and rapidly move between its different portions. Change the representation if you can’t make progress. Take a break and then come back if you can’t make progress after thinking for a long time.

Zoom out for sketching the solution and zoom in to carry out each part with rigorous arguments. Work on parts of the problem and the problem as a whole.

Understanding the problem

Data? Unknown? Condition?

Organize the whole problem with a diagram: invent your own representations (It might be a mathematical structure: graph, network, lattice, matrix, number line, geometrical figure,…). Visualize it and Draw it. Find a structure that holds the problem and solution at once and completely. 

Get emotionally involved with the problem (Wow! How can this problem be solved? Is it a “to prove” problem? So, this theorem holds true? Wow! Is it a “to find” problem?

Guess the answer. (Good for exercising intuition / high level pattern matching.)

Extract from memory all the relevant information, theorems, problems (mobilization) and organize/connect/plan with them.

Planning

First make high level plans for solving the problem then carry out the plan with rigorous arguments. Make connections between Data, Unknowns and Conditions.

Does it get easier if I work backwards? What could be penultimate step? Related problems? Related Data? Related Unknowns? Related Conditions? Theorem? Structure? Imagine a more accessible related problem and solve it. What makes the given problem hard?

Try different strategies, tactics and tools. Don’t get stuck. Change the problem representation and change your perspective.

Generalization – Specialization: Logical Quantification.

Carrying out the plan

Rigorously prove and convince yourself that the solution / proof is correct. (The way to convince oneself is to visualize / imagine. Remember, “seeing is believing”. If you can see the arguments in your mind’s eyes, you believe it; in other words, you are convinced.)

Once you start to convince yourself, your “Mathematical Intuition” will grow. Otherwise, what is mathematically correct / logically consistent, won’t seem correct at a glance. (This is a problem almost all novices have – they know something is scientifically correct, but they get astonished when they see it in action / nature – their subconscious and conscious mind have different ideas – they have read it but haven’t reprogrammed their subconscious beliefs.)

Checking the result

Is it OK? Can you see the whole problem-solution (solution embedded in the problem) at a glance? Is it reusable in other problems? What have you learned that can be reused in developing solutions to other problems? If it’s a “to prove” problem, then the theorem can be reused.

Thinking harder and going to deeper levels of concentration (and mental performance)

Level 1, Level 2, Level 3 and so on. One might find it hard (feel fatigue, etc.) to cross a level but if once pushed enough and having crossed the mental barrier, your brain power will expand (with a bigger working memory).

Newton used to work on a problem until it was solved [5]. Try other methods to go to deeper level of concentration: try visualizing progressively more vividly; hearing, touching, smelling, tasting progressively more realistically (always visualizing in tandem).

Learning – Generalization & Organization

“Each problem that I solved became a rule, which served afterwards to solve other problems.” – Rene Descartes.

Generalize the problem, generalize your solution, generalize solutions by others and find out applications. Generalize strategies, tactics, tools and make more than one representations so that you can hold the strategies, tactics, tools completely in your head at a time.
Organize the strategy in your mental problem solving toolbox (hierarchically or in a graph-like structure).
Rather than solving a lot of problems without going deeper, concentrate on all the sub-problems, ideas, queries that arise while solving a problem.
Visualization

Visualize every problem solving strategy, tool, technique, algorithm, algorithmic paradigm, design pattern, computational abstraction as structures and processes.

Learning by organizing Mathematics

Organize all the problem solving strategies, techniques, tools, areas of Mathematics, theorems, identities, structures in your ontology.

References:

1. “How to solve it” – Mathematician George Polya.

2. The art and craft of problem solving – Paul Zeitz.

Source of many concepts, for instance, the concept of working backwards and penultimate step.

3. Books on Mathematical Problem Solving.

4. Mind Power – Reader’s Digest

“Think harder and go to deeper levels of concentration” ….. from “How to increase energy” –

“Usually we make a practice of stopping an occupation as we meet the first layer of fatigue…… But if an unusual necessity forces us onward, a surprising thing occurs. The fatigue gets worse up to a certain point, when, gradually or suddenly, it passes away and we are fresher than before!….We have evidently tapped a new level of energy. There may be layer after layer of this experience, a third and a fourth ‘wind’. We find amounts of ease and power that we never dreamed ourselves to own……habitually we never push through the obstruction of fatigue.”

5. “Newton used to work on a problem until it was solved.”

Source: উন্নত জীবন – ডাঃ লুতফর রহমান। “নিউটন বলেছেন, আমার আবিষ্কারের কারণ আমার প্রতিভা নয়। বহু বছরের পরিস্রম ও নিরবিচ্ছিন্ন চিন্তার ফলেই আমি আমাকে সার্থক করেছি, যা যখন আমার মনের সামনে এসেছে, শুধু তারই মীমাংসায় আমি বাস্ত থাকতাম। অস্পষ্টতা থেকে ধীরে ধীরে স্পষ্টতার মধ্যে উপস্থিত হয়েছি।”

6. The concepts of working memory, subconscious mind – from books on Psychology and Cognitive Science.

7. “Each problem that I solved became a rule, which served afterwards to solve other problems.”

– 17th Century Philosopher and Mathematician Rene Descartes.

8. The Emotion Machine & The Society of Mind – Marvin Minsky.

I own hard copies of both the books. I used to look upon Marvin Minsky as one of the “guru”s during my College years. 

9. Books on Artificial Intelligence

Chapters on Problem Solving, Planning, Machine Learning. Inspiration for “hierarchically or in a graph-like structure”.

10. “Get emotionally involved with the problem.” – from “You And Your Research” by Dr Richard Hamming.

Crime in Psycho-Social Context

Crime is doing something that harms others or doing something that hurts others or that might hurt others if they ever become aware. If someone harms another, then the harmed is also hurt, so “hurt” is more general but “hurt” is not a measurable quantity. (Related – the principle of karma) 


Why do people commit crime? 

Personal gain and revenge.

Suppose A feels that B has not obeyed the orders of A in a particular instance and that has hurt A. If A punishes B, then that action might include both: personal gain (subordinates get scared and follow A) and revenge. Psychopaths are an exceptional breed. They take pleasure in hurting others. Same thing happens to those who are obsessed with all their life events in which they have been mistreated. People also transfer anger / revenge from one person to another, from one situation to another. We find angry people showing anger (being unable to show anger to superiors or equals) to subordinates, family members who can’t defend themselves from the wrath of the angry person. Revenge can lead to other revenges. (A hurting B or A feeling that B has hurt him, then B taking revenge, then A taking revenge in return.)

Unhappiness, mistreat makes us revengeful. The world is not perfect. Almost everyone is mistreated (or more correctly, almost everyone “feels” that he / she is mistreated) someway someday – no one gets what he / she deserves everyday. But you can still be happy – external conditions don’t make you unhappy, it’s how you interpret your external conditions, what you expectations are, that make you feel happy / unhappy. If you don’t brood how you were mistreated, but instead think of how much fortunate you are in comparison to others and count on God’s blessings you can be happy. Unhappy, revengeful people get more easily inclined towards crime. We need more happy, fulfilled people and less unhappy people. 

Children from broken families don’t get the guidance, love they need in the initial stage. If they are mistreated, or if they feel that they are mistreated, they become revengeful. We need more of loving stronger families, more of stable marriages. Children need the guidance, love and economic support, which gets bolstered by joined efforts of both the parents. 

Like all other affairs of life, committing crime can also become a habit. (Thinking patterns are habit too.) Concentrating on a particular aspect of life e.g., how much everyone around makes a person suffer can also become his / her habit. Punishing / torturing others for anything someone doesn’t like can also become a habit. (For behavior modification, finding out the “habits” that are the root cause of crime of a criminal could be one of the first steps.) So, if a child doesn’t get guidance from the family, feels that he / she is mistreated, becomes revengeful, commits crime and if not taken into account, makes it a habit. – An example of how things might go awfully wrong gradually if unchecked.

The law enforcement agencies should include psychologists / psychiatrists / sociologists to look for abnormal, obsessive behavior among people in all walks of life. Technological solutions e.g., data mining, sentiment analysis, emotion detection etc. might help us in this regard. Lots of research and investigation into psychology, psychiatry, sociology would shed more light. Abnormalities can be brought back to normal (by applying principles and practices from Psychology, Psychiatry, Religious Principles / Eastern philosophies) before things get worse. 

People want to feel good about themselves and they want others (especially people they care about) to feel good about themselves. It is so much more satisfying when you feel that you have earned something yourself. And if you love others deeply, help others earnestly, try to make others happier, you receive love, respect, help in return. This is the greatest reward a man / woman can have. (Look around you. People who are loved by others are usually very nice people, at least better than others that make them stand out.) Whenever you feel an irresistible urge to do something that might hurt others / do harm to others someway someday, remind yourself again and again that someday all your sins would be public, and imagine – feel the shame, hatred (in others’ minds), imagine – feel how people you care about would react / feel. It will help you resist the urge / temptation. (Have you ever had this experience? Feeling of shame, guilt etc.? Always keep it in mind. Has anyone praised you for doing something good (that made you feel really happy)? Keep it in mind too. Make the experiences and the associated feelings guide you. But don’t brood too much in the past. Just help it guide you. You can’t change your past, but you can “always” make the future beautiful.) Imagine-feel how life could have been if you didn’t have some of the things, some of the blessings you have. Now, feel happy and express gratitude. Sincerely believe that whatever you want in life can be achieved without hurting others / doing harm to others. You can even go one step further and begin to shape your desires so that the outcome is desirable to others. Then you can pull off together with others’ help, with greater force than if you were alone! Imagine a life full of mutual love and respect with people you care about! Find love! (It’s not just our romantic partners that we want to feel good about ourselves. We want our parents {Parents start off the process. During our childhood, when they say “Never do it”, we refrain from it and when they encourage us, we make it a habit.}, children, respected people, nice people, relatives and others to feel good about ourselves.) Your loved ones will inspire you!

In a society where people from all walks of life are treated equal and can pursue the life of their dreams, where law and order is strictly maintained, where everyone is held accountable for their deeds, people won’t hurt / harm others for personal gain and people would rely on law enforcement authority for judgment instead of taking revenge. Moreover, in a society where anyone can become anyone he / she wants to be, people are happier, more satisfied and more fulfilled and happier people are more empathetic, compassionate – people who care not only about themselves but also others.

Measuring Intelligence: Pitfalls and Fallacies

“Top performing IT professionals outperform their peers not by a factor of 2 times or 10 times or even 100 times, but by 10,000 times.”

– Nathan Myhrvold, former Chief Technology Officer at Microsoft [1]



The currently accepted IQ scale does not seem reasonable if we look a little bit more closely

The scale measures intelligence in terms of age. An IQ of 150 indicates a 10 year old boy’s general intelligence is equal to the general intelligence of a 15 year old boy. People have a life expectancy of around 70. So there is an upper limit to how much intelligent a person can be! Beyond that, we are sorry, intelligence is not measurable! If we continue with this line of argument, then the whole process of going through the works of geniuses and labeling them with some IQ score is questionable.  


Here is an excerpt I found in one of my books:
Good programmers are up to 28 times better than mediocre programmers, according to individual differences research. Given that their pay is never commensurate, they are the biggest bargains in the software field.—Robert Glass (Fact 2 of Facts and Fallacies of Software Engineering [2002])

Is this claim reasonable? Let’s think.

A genius can’t be just 1.5 times or 2 times better in performance (and worse yet, only compared to his / her age!) as the IQ scale shows. Reading speed can vary 3, 4 (or more) times. Learning capability can vary several times. Someone who knows how to organize the newly learned knowledge and store it as a model by modifying and augmenting his previous knowledge (More background knowledge leads to more understanding which leads to more effectivelearning.) can learn several times quicker. Intellectuals are persons who by definition enjoy intellectually satisfying tasks. So they naturally spend a lot more time on learning and applying knowledge than others. They have more background knowledgewhich makes it easier for them to learn new concepts faster and go deeper. 

If we want to measure someone’s general intelligence, numeric measures representing skills should be multiplied. Someone with 2 times the reading speed and 2 times the learning abilities of me, who spends 2 times more time on studying and who has 5 times more background knowledge than me which makes him 2 times more effective at learning newer concepts, should be able to learn 2*2*2*2 = 16 times more thanme in a time frame of, say, several days. 

Next comes the question of applying the learned knowledge. Problem solving capability variesgreatly, though there is no standard way of measuring problem solving capability. We can look at different problem solving competitions held regularly. If one problem at a certain competition can be solved by 200 contestants  a second problem by 20 and a third problem by only 2, then we can reasonably conclude that the third problem is at least 10 times or more (maybe 100 times) as hard as the first problem. In this case those 2 solvers are at least 10 times better than those who could only solve the easiest one. Whoa! Now, who doesn’t want to become a genius given it’s true that one can become a genius if he / she is willing to put the required efforts?

Sometimes we underestimate geniuses. A genius can make mistakes in a field in which he / she doesn’t have much interest and / or knowledge. He / she might perform poorly under mental pressure/ tension / inattentiveness as mental pressure and tension can take up parts of his / her working memory (which acts as the temporary memory for holding intermediate steps during problem solving) which is probably one of the most crucial factors in abilities that are tested in IQ. Among many other faulty judgments we make, one iswhat I call superset-subset faulty judgement: we believe that if X is more knowledgeable than Y in subject S, then knowledge of X in subject S is a superset of Y, which is rare as the breadth and depth of knowledge in almost any subject area is so huge that its impossible for a single person to know everything in a subject. So knowledge of one person is rarely the superset of knowledge of anotherperson in a particular subject.

There are other factors like Emotional Intelligence, Personality traits (e.g., perseverance) that playequal or more important role in success. Someone who is 10 times more intelligent than another person, and 2 times better at handling stress, plus 2 times more goal directed, focused and well planned, overall might be 10*2*2 = 40 times more effective.

So it seems reasonable to conclude that an intellectually gifted person might probably be 10 to 50 (or maybe more) times better performer in intellectual tasks combined than the average. So next time you meet an intellectually gifted person, don’t forget to show some respect! 


References

  1. The Human Side of IT

Studying Medicine [Letter to Younger Siblings]

I have always spent a great deal of time on learning “how to learn” and studying “how to study”. #MetaCognition
These days I am jotting my ideas down. I thought about messaging some advice to my brother and sister both of whom are studying Medicine. This is what the advice looked like.


1.  Imagine your Dream coming true. Feel happy! Think how becoming a great Physician can help turn your dreams into reality. (Say to yourself: Yes! I can turn all of my dreams into reality!) Now stop doing everything else and start studying! Motivate yourself regularly.

2. Ignite curiosity. (Say to yourself: hey I understand only a few isolated concepts about how we see things [with eyes]! Now, I really want to understand the Visual System as a whole thoroughly!)
As you read, never lose sight of the concepts you wanted to know and the questions you had in mind – when you started out. As you learn, pose questions to yourself and study-think to find out answers to those questions. Write the questions down if necessary. (Say to yourself: So now I understand how Image forms on the retina, but how does the signal reach the brain?)
Get excited! (Wow! I never knew that there was a primary visual area and a secondary visual area!) Feel proud of yourself! (Say: Yeah! Now I understand the visual system better!) Become passionate!

3. Just as we build model of a person (he is such and such), build Model of each of the systems of Human body and integrate “every” fact and concept you learn to those models.

4. Build models of Systems and Subsystems: Cardiovascular system (subsystem: heart), Nervous system (subsystems: spinal cord, eyes-vision, brain, etc.). Integrate whatever you learn about a system in that system’s model. Visualize – try to see everything in your mind’s eyes. As you learn new concepts, integrate them into respective models. Draw Pictures, Diagrams. Write on those pictures, diagrams.

5. Consider Hierarchy of Systems (how cells make different tissues, tissues make different organs).

6. Learn how Systems Interact (e.g., stress triggers hormonal responses {endocrine system}). Visualize – draw – use graphs/networks (diagrams with lines connecting different systems).

7. While learning pathology, build Models of Diseases. Now model how different systems (cardiovascular, immune) work/dysfunction (as a result of e.g., a particular class of virus / bacteria) to give rise to diseases and the treatment plan. (Say, so this is why the treatment plan for this disease is that!)

8. Can’t find answer to one of your questions? Can’t understand something clearly enough? “Google”!  

9. Never forget to Visualize! When you visualize / draw diagrams, you can take in a lot of information at a time, organize all the knowledge and all the facts you learn seem real.