প্রিন্সেস শামিতা তাহসিনকে লেখা খোলা চিঠি – ৬


“ছুটির ঘন্টা”র গল্প

ছোট্ট বেলায় প্রতিদিন দুপুরে আম্মু যখন ঘুম পাড়াত, আমি একই গল্প প্রতিদিন শুনতে চাইতাম – বাংলা চলচিত্র “ছুটির ঘন্টা”র গল্প।

একটা ছোট ছেলে। রমজানের ১ মাসের ছুটি হওয়ার আগের দিন স্কুলে। সবাই খুশি – কিছুক্ষণ পর স্কুল ছুটি হবে আর তারপর ১ মাসের বন্ধ।

ছোট ছেলেটা বাথরুমে গেলো। আর স্কুলের কাজের লোক ভুল করে দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দিল।

একসময় স্কুল ছুটির ঘন্টা বাজল। কিন্তু ছেলেটা কিছুতেই বেরুতে পারল না।

৩০ দিনের ছুটি। কেউ নেই এসে খুলে দেবে।

ছেলেটা ৩০টা দাগ কাটল দেয়ালে। এক একটা দিন যায় আর এক একটা দাগ কাটে।

পাইপের পানি, কাগজ, টাকা খেয়ে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখল।

ছেলেটা স্কুলের ফাঙ্কশানে গেয়েছিল – “একদিন ছুটি হবে, অনেক দূরে যাব, নীল আকাশে সবুজ ঘাসে খুশিতে হারাব”। ছেলেটার আর ছুটি হল না।

তার আগেই বাথরুমেই মারা গেলো।

এই হল গল্প।

গল্প প্রতিদিন একই ছিল। গল্পের এক পর্যায়ে প্রতিদিন একই ঘটনা ঘটত – আমার চোখে পানি আসতো। তারপর প্রতিদিন আমি একইভাবে অন্যপাশে ফিরে একই কথা বলতাম – চোখে ময়লা লেগেছে, তাই পানি পড়ছে!

আম্মু গানটাও শোনাত – “একদিন ছুটি হবে”। ইউটিউবে আজকে গানটা প্রথমবারের মত শুনছি।

ফেইসবুক যেমন বহু বছরের পুরনো বন্ধুদের সাথে দেখা করিয়ে দেয়, ইউটিউব দেখছি শৈশবের সাথে দেখা করিয়ে দিল!

২/২৬/১৩

অনলাইনে নেতাদের জনপ্রিয়তার তুলনা

অনলাইনে নেতাদের জনপ্রিয়তার তুলনা।

ফেইসবুকে লাইক, কমেন্ট, শেয়ারের সংখ্যা।

পেইজ লাইকের চেয়ে পোস্ট কমেন্ট, লাইক, শেয়ার বেশি গুরুত্বপূর্ণ – এরা পড়েছে, আন্তরিকভাবে পছন্দ করে।

চোরদের কথা সবসময়ই বিবেচনায় রাখতে হয়। এখন অনলাইনে টাকা দিয়ে লাইক কেনা যায় – বিবেচনায় রাখতে হবে। টাকা দিলে ফেইক প্রোফাইল বানিয়ে লাইক দিয়ে আসে! প্রোফাইল চেক করলে ধরা পড়ে।

আমাদের দেশের নেতারা টাকা ছাড়া মিছিল সমাবেশে লোক জমাতেও পারেন না। নির্বাচনের আগে সংসদ সদস্য পদ প্রার্থীদের প্রত্যেক মিছিল-সমাবেশে অংশগ্রহণের জন্য ৫০ / ১০০ টাকা করে দেওয়ার কথা আমাদের কাছে আসে এবং এটিই দেশে স্বাভাবিক চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংসদ সদস্য পদ প্রার্থীরা কোটি কোটি টাকা খরচ করে নির্বাচনে জেতেন। সাধারণত কালো টাকার মালিকরাই এভাবে টাকা খরচ করতে পারেন এবং জেতার পর সুদে আসলে অনেক অনেক গুণ বাড়িয়ে নিয়ে আসেন।

রাজনীতি আজ হয়ে উঠেছে অবৈধ অর্থ উপার্জনের মাধ্যম। কুমিল্লার মন্ত্রী ও আট সাংসদের সম্পদ অনেক বেড়েছেসাংসদ হয়েছেন তাঁরা সম্পদ বেড়েছে স্ত্রীদেরআবু রেজা মুহাম্মদ নিজামুদ্দিন নদভি এক বিস্ময় মানববদির আয় বেড়েছে ৩৫১ গুণফুলে-ফেঁপে উঠেছে সম্পদ৫ বছরেই সম্পদের পাহাড়নূর-ই-আলমের আয় বেড়েছে ৩২ হাজার ৯৮৫ শতাংশ। কারও বিরুদ্ধে ৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তোলা হলে তিনি আক্ষেপ করে বলেন ৬০০ কোটি টাকার মালিক হতে পারতাম! (গোস্সা করবেন না হানিফ সাহেব!)

কিছুদিন আগে অবশ্য জাতীয় সংসদের চিফ উইপকে সমাবেশে আমরা “ক্যাশ” এর জন্য মাইকে হাত পাততেও দেখেছি! কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন – “নির্বাচন করতে গেলে অনেক লাগে”!

“যদি কেউ উপঢৌকন দেয়ার ইচ্ছা থাকে তবে… ক্যাশ চাই ক্যাশ… টাকায়। কথাটা বোঝেন নাই, নির্বাচন করতে গেলে অনেক লাগে। কাজেই ক্যাশ দিয়েন… খুব ভাল হবে”।

– জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ [1]

গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনে কোন “ক্যাশ” ছাড়া শুধুমাত্র অনলাইনে তরুণদের একে অন্যকে আহ্বান জানানোর মাধ্যমে শাহবাগে লক্ষ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি নেতাদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। এটিই অনলাইনে প্রকৃত জনপ্রিয়তা।

রেফরেন্স

  1. দেশের সন্ত্রাসীদের গডফাদার দুর্নীতিবাজদের ভয়াবহতার একটি চিত্র – ৩

বিশ্বের বেসরকারি সশস্ত্র সংগঠনের তালিকায় তৃতীয় স্থানে শিবির




“২০১৩ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সবচেয়ে সক্রিয় অরাষ্ট্রীয় সশস্ত্র সংগঠনগুলোর তালিকায় তৃতীয় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ইসলামী ছাত্র শিবির।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএইচএস জেইন টেরোরিজম অ্যান্ড ইনসার্জেন্সি সেন্টার তাদের জরিপের ভিত্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

তাদের জরিপ অনুযায়ী, এধরনের অরাষ্ট্রীয় সশস্ত্র সংগঠনের মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে থাইল্যান্ডের বারিসান রেভোলুসি নাসিওনাল এবং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তালিবান। এরপরেই রয়েছে বাংলাদেশের ইসলামী ছাত্রশিবির।

আইএইচএস’র ওয়েবসাইটে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। বিভিন্ন দেশের উন্মুক্ত সূত্র থেকে প্রাপ্ত উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতিবছর আইএইচএস জেইন টেরোরিজম অ্যান্ড ইনসার্জেন্সি সেন্টার সূচক অনুযায়ী এ তালিকা প্রস্তুত করা হয় প্রতিষ্ঠানটির ভোক্তাদের জন্য।

১৯৯৭ সাল থেকে আইএইচএস জেইন এ ধরনের উপাত্ত সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে আসছে বলে জানানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে।

স্বাধীনতার আগে জামায়াতে ইসলামী এই ছাত্রসংগঠনটির নাম ছিলো ইসলামী ছাত্রসংঘ। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ‘ইসলামী ছাত্রশিবির’ নাম নিয়ে পুনরায় আত্নপ্রকাশ ঘটে সংগঠনটির।

২০১২ সালের শেষদিকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতাদের বিচার প্রক্রিয়া শুরুর পরপরই পুলিশের ওপর ঝটিকা মিছিল থেকে হামলা চালানো শুরু করে ইসলামী ছাত্র শিবির।
এরপর বিভিন্ন সময়ে নাশকতা ও চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা ও আহত করার জন্য সংগঠনটিকে দায়ী করে আসছে সরকার ও পুলিশ।”

সূত্র – ‘তৃতীয় বৃহত্তম সশস্ত্র সংগঠন ছাত্রশিবির’

“২০১৩ সালে বিশ্বের ১০টি সক্রিয় বেসরকারি সশস্ত্র সংগঠনের তালিকার যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী-সমর্থিত ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক তথ্য ও মতামত সরবরাহকারী ওপেন সোর্স সংস্থা হিসেবে পরিচিতআইএইচএসের ‘আইএইচএস জেনস ২০১৩ গ্লোবাল টেরোরিজম অ্যান্ড ইনসারজেন্সি অ্যাটাক ইনডেক্স’-এ বাংলাদেশের এ সংগঠনটির নাম উঠে আছে।

বিশ্বব্যাপী জঙ্গি ও অন্যান্য হামলার ভয়াবহতা বিশেষ করে আরব বসন্ত আন্দোলনের ছোঁয়া লাগা দেশগুলোর ওপর হামলা, আত্মঘাতী হামলা, আল-কায়েদার আরও পাঁচ বেসরকারি সশস্ত্র সংস্থার আত্মপ্রকাশ এবং আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চলে সন্ত্রাসের ভয়াবহতা বাড়াকে প্রাধান্য দিয়ে আইএইচএস এই সূচকটি তৈরি করেছে। এই তালিকার তিন নম্বরে এসেছে ছাত্রশিবিরের নাম।”

সূত্র – বিশ্বের বেসরকারি সশস্ত্র সংগঠনের তালিকায় শিবির

Top 10 most active non-state armed groups in 2013

1. Barisan Revolusi Nasional (Thailand)

2. Taliban

3. Islami Chhatra Shibir (Bangladesh)

4. Communist Party of India – Maoist

5. Al-Qaeda in Iraq

6. Harakat al-Shabaab al-Mujahideen (Al-Shabaab)

7. FARC (Colombia)

8. New People’s Army (Philippines)

9. Jabhat al-Nusra (Syria)

10. Unified Communist Party of Nepal – Maoist

জঙ্গিবাদ দমনে চাই জাতীয় ঐক্য

“ময়মনসিংহের ত্রিশালে আজ রোববার সকালে প্রকাশ্যে প্রিজনভ্যানে গুলি চালিয়ে ও বোমা মেরে জঙ্গি মামলার তিন আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ সময় গুলিতে এক পুলিশ সদস্য নিহত হন। এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) আহত হন প্রিজনভ্যানে থাকা পুলিশের তিনজন সদস্য। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কে ত্রিশালের সাইনবোর্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, ছিনিয়ে নেওয়া তিন আসামিই নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সঙ্গে যুক্ত।”

সূত্র – জেএমবির তিন দুর্ধর্ষ জঙ্গি প্রকাশ্যে ছিনতাই

আয়মান আল-জাওয়াহিরির বক্তব্য কি জঙ্গিদের উত্তেজিত করেছে?

ইসলাম শান্তির ধর্ম। হজরত মুহম্মদ (সঃ) মক্কা বিজয়ের পর শান্তি ও সংযমের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, আজকের দিনের মুসলিমদের কাছ থেকেও আমরা একই আচরণ প্রত্যাশা করি। শান্তির ধর্ম ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে সন্ত্রাস এবং অন্যান্য ঘৃণ্য কার্যকলাপ সংগঠিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।

“জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করতে হলে এর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিক পদক্ষেপ নিতে হবে এবং তাতে দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে একত্র করা জরুরি।

সরকার জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে, এটি অবশ্যই ভালো দিক। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক যে, এর সঙ্গে রাজনৈতিক মতৈক্য প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেই; বরং দোষারোপের রাজনীতি চলছে। সম্প্রতি পুলিশের গাড়ি থেকে জঙ্গি ছিনতাইয়ের যে ঘটনা ঘটল, তা নিয়েও অভিযোগের তির ছুড়ছে একে অপরের বিরুদ্ধে। এর অর্থ, জঙ্গিবাদের বিষয়টি কেউ-ই গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে না। এ থেকে দলীয় ফায়দা লোটার চেষ্টা চালাচ্ছে উভয় পক্ষ।

আমাদের সমাজটি মারাত্মকভাবে বিভাজিত। রাজনৈতিকভাবে যেমন, তেমনি মতাদর্শিকভাবেও। যেসব গোষ্ঠী বা সংগঠন ধর্ম নিয়ে কাজ করে, তাদের মধ্যে একধরনের বিচ্ছিন্নতাবোধ কাজ করে। এর কারণ যা-ই হোক, রাষ্ট্র বা সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সেই বিচ্ছিন্নতা বাড়তে না দেওয়া এবং তাদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনা। কেননা, সামাজিক সংঘবদ্ধতাই রাষ্ট্রের নিরাপত্তার পূর্বশর্ত। এর অর্থ এই নয় যে যারা সন্ত্রাস করছে বা জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ, সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে না।

বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ হলেও ধর্মান্ধ নন। তবে ধর্মপ্রাণ মানুষ আহত হন এমন কিছু করলে জঙ্গিবাদীরা সেই সুযোগ নিতে পারে। অন্যদিকে শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিভাজনটি অনেক বেশি প্রকট। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই এই বৈষম্য দূর করতে হবে, শিক্ষার বিস্তার ঘটাতে হবে।

আয়তনে বাংলাদেশ ছোট হলেও এর রয়েছে বিশাল জনগোষ্ঠী। এত বড় সমাজে কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে জঙ্গি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এর জন্য রাজনৈতিক, শিক্ষাগত, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

সর্বোপরি জঙ্গিবাদ নির্মূলে চাই রাজনৈতিক ঐকমত্য। বিরোধী দলের সঙ্গে যতই মতবিরোধ থাকুক না কেন, এ ব্যাপারে সরকারের উচিত হবে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসা।”

সূত্র – জঙ্গি দমনে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন

এরপর

প্রিন্সেস শামিতা তাহসিনকে লেখা চিঠি – ৫

শাম নামের গল্প

আমার নানি আমার ডাকনাম ঠিক করেছিলেন শাম। আমাকে আদর করে ডাকতেন “শাম বাদশাহ”।

নামের বই এ “শাম” নামের অর্থ খোঁজা হল। পাওয়া গেলো না। কেউ কেউ বলল, এটা সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের নাম। নাম আরবি হওয়া ভাল। তাই শাম নামটারও আমার ডাকনাম হয়ে ওঠা হল না।

হারিয়েই গিয়েছিল নামটা।

অনেক অনেক বছর পর একদিন নর্থ সাউথে একটা মেয়ের সাথে কথা হল।

তাকে বললাম, তোমার নাম জানা হয়নি।

সে বলল, শামিতা।

আমি ঠিকমত শুনতে পাইনি। কি নাম বলল? শামিতা নাকি শামরিতা?

বললাম, মেজর?

সিএসই (CSE – Computer Science & Engineering)।

নর্থ সাউথে প্রথম দুই দিন ক্লাস করতে এসে ওকে খেয়াল করেছিলাম জানালাম।

“খেয়াল করে” ভবিষ্যৎ নিয়ে ভেবেছিলাম তা অবশ্য বলা হয়নি!

পরদিন ভোরে উঠে মনে পড়ে গেলো আমার ছোট্টবেলার সেই নাম – “শাম”।

অনেক অনেক বছর পর আবারও ছোট্টবেলার নামটা ফিরে এলো – এবার “তুমি” হয়ে ।

পরে অবশ্য দেখেছি, শাম নামটা Arabic. অর্থ Damascus.

শাম – শামিতাহসিন

[24.02.14]

দেশের সন্ত্রাসীদের গডফাদার দুর্নীতিবাজদের ভয়াবহতার একটি চিত্র – ৫

“১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের বিষয়ে সবকিছু তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী অবগত ছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছিলেন সাবেক শিল্পসচিব শোয়েব আহাম্মদ। তিনি ২০১০ সালের ১০ জুলাই আদালতে ১৬৪ ধারায় ওই জবানবন্দি দেন।

একপর্যায়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের হাইয়েস্ট অথরিটিও এ বিষয়ে অবগত আছে। সরকার সব ব্যবস্থা নিচ্ছে। আপনি কি মনে করেন, আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলি নাই।’ প্রসঙ্গত, ওই সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন না, প্রধানমন্ত্রী ওই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।”

সূত্র – নিজামী সবকিছু অবগত ছিলেন

“চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান মামলায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবরসহ ১৪ জনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া অস্ত্র আটক মামলার দুটি ধারায় এই ১৪ জনকে যাবজ্জীবন ও সাত বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষ্যে উঠে এসেছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে উলফার জন্য বাংলাদেশের জলসীমা ব্যবহার করে অস্ত্রগুলো নিয়ে এসেছে।”

সূত্র – নিজামী-বাবরসহ ১৪ জনের ফাঁসি

“১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের কথা শুনে নীরব ছিলেন তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদ জিয়া। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক সাদিক হাসান রুমী তাঁকে অস্ত্র আটকের কথা জানিয়েছিলেন। রায় ঘোষণার সময় চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এসএম মজিবুর রহমান তাঁর পর্যবেক্ষণ আজ বৃহস্পতিবার এসব কথা বলেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিচারক রায়ের পর্যবেক্ষণে আরও বলেন, সাক্ষীদের জবানবন্দির ভিত্তিতে এ মামলায় হাওয়া ভবনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুর রহিমকে টাকা দিতে উইং কমান্ডার (অব.) সাহাব উদ্দিনের মাধ্যমে টাকা দেন এআরওয়াই গ্রুপ। এ গ্রুপের আবদুর রাজ্জাক ইউসুফের সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআইয়ের যোগাযোগ ছিল বলেও পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে।

বিচারক আরও বলেন, ডিজিএফআইয়ের তত্কালীন মহাপরিচালক সাদিক হাসান রুমী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় জানিয়েছিলেন, তিনি তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে এ ঘটনা জানিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এ কথায় তখন নীরব ছিলেন। এ ঘটনাও মামলায় এসেছে।”

সূত্র – নীরব ছিলেন খালেদা, হাওয়া ভবন সম্পৃক্ত

“আইনের হাত অনেক দীর্ঘ। সেই দীর্ঘ হাত এখন ক্রমেই খালেদা জিয়াকে আঁকড়ে ধরছে।

খালেদার আমলে অনেক অঘটনই ঘটেছে, তবে যে দুটি ঘটনা আর সব ঘটনাকে ছাপিয়ে যায় তা হলো ২০০৪ সালের এপ্রিলে ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা এবং সে বছরের ২১ আগস্টের রক্তাক্ত গ্রেনেড হামলা। শেষের ঘটনাটি এখনো রহস্যাবৃত, কিন্তু প্রথমটির অবগুণ্ঠন খুলে গেছে। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার-প্রক্রিয়া শেষে রায় হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৪ জনের ফাঁসির রায় ঘোষিত হয়েছে। তাঁরা খালেদা জিয়ার আমলে মন্ত্রিসভার সদস্য ও গোয়েন্দা বিভাগের হর্তাকর্তা ছিলেন। সেই সরকারের যিনি প্রধান, যাঁর নাকের ডগায় এমন ঘটনা ঘটেছিল, সেই খালেদা জিয়া এখনো অভিযুক্ত হননি।

তদন্ত ও বিচারের রায়ে দুটি জিনিস স্পষ্ট।

এক. ১০ ট্রাক অস্ত্র অবৈধভাবে পাচারের ঘটনাটি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) সাদেক হাসান রুমী নিজে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন। তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী, যিনি এই মামলার অন্যতম অপরাধী, তাঁর সাক্ষ্য থেকেও জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ত্র ধরা পড়ার ঘটনাটি নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন।

দুই. খালেদা জিয়া ঘটনার কথা জেনেছিলেন, অথচ এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। প্রমাণিত হয়েছে যে তাঁর সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশেই অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চট্টগ্রামের স্থানীয় পুলিশ এ নিয়ে থানায় মামলা করেছিল, কিন্তু পরে মামলাটি গোয়েন্দা বিভাগের কাছে হস্তান্তরিত হয়। তারা এ নিয়ে কার্যত কিছুই করেনি। খালেদার আমলে এ বিষয়ে মামলা করা হয় এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়—এ কথা ঠিক। কিন্তু সেই কমিটির কোনো প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশিত হয়নি, কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া হয়নি। উল্টো পুরো ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা হয়।

অপরাধের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না হলেও সেই ঘটনার প্রতিকার করেননি—এ জন্য খালেদা জিয়াকে অভিযুক্ত করা যায়। সব দেশের অপরাধ আইনেই অপরাধের সাথিকে—আইনের ভাষায় অ্যাকমপ্লিস ও অ্যাকসেসরি—বিচারের সম্মুখীন করার বিধান রয়েছে। ১৮৭২ সালের ভারতীয় সাক্ষ্য আইন (এভিডেন্স অ্যাক্ট) অনুসারে, যেকোনো ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধ বিষয়ে জ্ঞাত থাকেন, সংঘটিত অপরাধ বিষয়ে জানা সত্ত্বেও এ বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত না করেন, বিচার ও তদন্তকাজে বাধা সৃষ্টি করেন, অথবা বিচার ধামাচাপা দিতে চান বা তা বিলম্বিত করার চেষ্টা করেন, তাহলে তেমন ব্যক্তি অপরাধী বলে বিবেচিত হবেন।

একই কথা ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনা নিয়ে। সেই ঘটনায় আওয়ামী লীগের প্রথম সারির এক নেত্রীসহ মোট ২৩ জন নিহত হন। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর তখনো নিজ দায়িত্বে সমাসীন। হাওয়া ভবনে বসে খালেদা-পুত্র তারেক তখনো সমান্তরাল সরকার পরিচালনা করছেন, তাঁর মায়ের জ্ঞাতসারে, সম্ভবত তাঁর সমর্থনে। এই হাওয়া ভবনেই আওয়ামী লীগের সভায় গ্রেনেড হামলাকারীরা বৈঠক করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী, তাঁর সরকার সে সময় নানাভাবে চেষ্টা করেছে গ্রেনেড হামলার সব দায়-দায়িত্ব উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে। একদম নিরীহ একজন জজ মিয়াকে সেই হামলায় জড়িয়ে নাটকের চেষ্টাও হয়েছে।

একটা সময় ছিল, যখন দেশের রাজা যা খুশি করতেন, যাকে খুশি তাকেই শূলে চড়াতে পারতেন। মানবসভ্যতা সেই সামন্ততান্ত্রিক স্বেচ্ছাচারের যুগ অতিক্রম করেছে গণতান্ত্রিক দায়বদ্ধতায় প্রবেশের মাধ্যমে। আইনের চোখে সবাই সমান, এটি কেবল কথার কথা নয়, এটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম মৌল ভিত্তি। আমরা সেই রকম দায়বদ্ধ আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নির্মাণ করতে চাই।
এ কথা প্রমাণের একটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ হবে সাবেক এই সরকারপ্রধানকে এক বা একাধিক অপরাধের দোসর হিসেবে আইনের দাঁড়িপাল্লায় টেনে তোলা।”

সূত্র – বিচারপতি, এবার হবে তোমার বিচার

“১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলা, কিবরিয়া হত্যা মামলা, সিলেটে ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরীর ওপর হামলা, যশোরে উদীচীর সম্মেলনে বোমা হামলা, পল্টনে সিপিবির জনসভায় বোমা হামলা কিংবা পয়লা বৈশাখে রমনার বটমূলে বোমা হামলা মামলাগুলোর ব্যাপারে তারা কেন নিশ্চুপ ছিল, সেই প্রশ্নের জবাব নেই। এ ঘটনাগুলো হয় আগের আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ দিকে অথবা বিএনপি সরকারের আমলেই ঘটেছে। এসব অঘটনের হোতা হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি আবদুল হান্নান ও তাঁর সহযোগীরা। সেই সহযোগীদের সঙ্গে বিএনপির কার কী সম্পর্ক ছিল, কোন মন্ত্রী বা মেয়র বাংলা ভাইয়ের সঙ্গে গোপন বোঝাপড়া করেছেন, বিএনপির নেতৃত্বের কাছে দেশবাসী সেসব প্রশ্নেরও জবাব চাইবে।
হরকাতুল জিহাদ বা জেএমবি ঘোষিত সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংগঠন। তাদের কোনো জবাবদিহি নেই। কিন্তু বিএনপি তো একটি গণতান্ত্রিক দল। তাদের নেতা-কর্মীরা কীভাবে এই ভয়ংকর সংগঠনের সঙ্গে হাত মেলান, এসব অঘটনের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করেন?

বিচারিক দায়িত্ব বিএনপি সরকার সঠিকভাবে পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারও কিবরিয়া হত্যাসহ অনেক হত্যা মামলার বিচার করতে পারেনি। সেটি তাদের প্রশাসনিক ব্যর্থতা। কিন্তু সন্ত্রাসী বা জঙ্গি সংগঠনগুলোর সঙ্গে বিএনপি নিজেদের বিযুক্ত করতে না পারা বিএপির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ব্যর্থতা বলে মনে করি। একজন লুৎফুজ্জামান বাবর কিংবা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পাপ দলটির গায়ে স্থায়ী কালিমা লেপন করে দিয়েছে। সন্ত্রাসী ও নাশকতার ঘটনার সঙ্গে বিএনপির যেসব নেতা-মন্ত্রী-সাংসদ বা উপদেষ্টা জড়িত বলে খবর বের হয়েছিল, বিএনপি নেতৃত্ব তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দূরে থাক, তদন্ত পর্যন্ত করেননি।

তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে (বেগম খালেদা জিয়া) পিডব্লিউ-৩৭ মেজর জেনারেল (অব.) সাদিক হাসান রুমি ডিজিএফআইয়ের প্রধান হিসেবে এই মামলাসংক্রান্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদ আটকের ঘটনা টেলিফোনে অবহিত করলে তিনি কোনোরূপ প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে ঘটনাটি অবগত আছেন এবং একটি কমিটি করে দেবেন বলে পিডব্লিউ-৩৭-কে জানান। এত বড় একটি ঘটনার বিষয়ে অবহিত হয়ে কোনোরূপ কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত না করে তৎকালীন সরকারপ্রধানের এরূপ নীরব ভূমিকা পালনও রহস্যজনক বলে প্রতীয়মান হয়। একইভাবে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ঘটনার প্রায় এক বছর পর ঘটনাস্থলের চাক্ষুষ সাক্ষী পিডব্লিউ-৯ সার্জেন্ট আলাউদ্দিন ও পিডব্লিউ-১০ সার্জেন্ট হেলাল উদ্দিনকে অস্ত্র মামলায় জড়িয়ে এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে তাঁদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছেন বলে তাঁরা আদালতে এসে সাক্ষ্য দিয়েছেন।’

এতে বলা হয় ‘দোষ স্বীকারোক্তি প্রদানকারী আসামি এনএসআইয়ের কর্মকর্তাদের স্বীকারোক্তিতে এসব তথ্যও বেরিয়ে এসেছে যে তাঁরা আরও কিছু দেশের দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে হাজার হাজার ডলার ও আকর্ষণীয় উপহারসামগ্রী গ্রহণ করেছেন এবং উলফা নেতা পরেশ বড়ুয়াসহ অন্য দেশের আতিথেয়তা গ্রহণপূর্বক দেশ-বিদেশে একাধিক গোপন মিটিংয়ে উপস্থিত থেকেছেন। তাঁদের এসব উক্তি থেকে বোঝা যায় যে তাঁরা নিজ দেশের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়ে গোটা জাতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন।”

সূত্র – যে প্রশ্নের জবাব খালেদাকে দিতে হবে

১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা নিয়ে আরও

Java Development Skills

Java Language & Standard Library

  • Language features
    • Class, Object; Garbage Collection; Inheritance, Polymorphism, Interface; Nested Type; Package; Assertion; Generics; Enum; Exception; Annotation; Reflections;
  • Data Manipulation API 
    • Math; Random number; BigDecimal; BigInteger; String, Character, Regular Expression; Primitive Wrapper; Array; Collections; XML Processing;
  • Development API 
    • Internationalization; Preferences; References; JMX; JNI. 
  • Systems and Network Programming API 
    • System; GUI, Swing, AWT; File; JDBC; Threading (Thread & Lock); Concurrency; Networking – Protocols; Servlet, JSP; Web Services; JMS. 


Java Vital Techniques

  • Concurrency
  • Software Engineering: Maintainable, Replaceable Codebase, Modules
    • Design Patterns
    • Dependency Injection, Inversion Of Control
    • AOP 
      • AspectJ
    • Modular Java 
      • OSGi
    • Software Oriented Architecture (SOA)
  • Classfiles & Bytecodes
  • Performance Tuning


Java Libraries & Frameworks

  • Spring 
    • Dependency Injection framework 
    • Distributed Application Development
  • Android 
    • Mobile Application Development
  • Play 
    • Highly concurrent & distributed Rapid Web Application Development Framework

  • Google Guice
    • Dependency Injection framework.
  • ActiveMQ
    • Message broker. JMS Client. 

  • Hadoop 
    • Mapreduce framework for distributed data processing.
    • Hive
    • Pig
    • HBase
  • Mahout
  • Hama
  • Zookeeper
  • Lucene


Java Software Development Tools

  • Java Code Conventions
  • Software Development Processes
  • Automation: Productivity Increase
  • Testing
    • Unit Testing
    • Integration, Functional, Load, Performance Testing
  • Build 
    • Maven
  • Continuous Integration
    • Jenkins
  • Version Control
    • Git
  • Logging
    • SLF4J
  • Quality Metrics
  • Issue Management
    • Bugzilla
  • Technical Documentation Tools

Polyglot Programming on JVM
  • Scala
  • Clojure

দুই দল এখন কোথায়

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে বিএনপি জামায়াত ৫৫টি এবং ব্যাপক কারচুপি, জাল ভোট দিয়েও আওয়ামী লীগ ৩৪টি আসনে জিতেছে।

৫ মাস আগের সার্ভেইতে বিএনপি – ৫০%, আওয়ামী লীগ – ৩৬%। [2]

এই ৫ মাসে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা ৩৬% থেকে আরও অনেক কমেছে। বর্তমানে জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।

জনগণের কাছে বিকল্প নেই বলে দেড় শতাধিক খুনের সহিংস আন্দোলনের বিএনপি-জামায়াতকে ভোট দিচ্ছে।

গত ৪ মাসে আওয়ামী লীগের দুষ্কৃতকারিদের খুন, টর্চার সেলে নিয়ে নির্যাতন, সাইবার অপরাধ, মাদক চোরাচালানের সাথে সম্পৃক্ততা, “মাইকে চাঁদাবাজি”, দুর্নীতিসহ সব ঘৃণ্য কার্যকলাপ; নেতাদের অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়া, শেয়ারবাজারে লক্ষ লক্ষ বিনিয়োগকারিকে নিঃস্ব করে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া, গ্রামের অসহায় মহিলাদের ব্যাংক কেড়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা, ছাত্র সংগঠনগুলোর সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, ক্ষমতা ধরে রাখতে দেশের স্বার্থ ও সম্পদ বিকিয়ে দেওয়ার ঘৃণ্য প্রক্রিয়া, দমন – নিপীড়ন – সংবিধান লঙ্ঘনের মাধ্যমে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে প্রহসনের একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠান করে স্বৈরতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা – নাগরিক শক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট আমরা সবাই জনগণের কাছে পৌঁছে দিয়েছি।

সবচেয়ে বড় কথা, নাগরিক শক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট আমরা সবাই সবরকম অন্যায় – অপরাধ – দুর্নীতি – সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়ে গত ২ মাসে সব ধরণের অপরাধ কমিয়ে আনতেও প্রাথমিকভাবে সফল। আমাদের প্রচেষ্টা সামনের দিনগুলোতে জোরদার হবে। জনগণ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পরিসংখ্যান আমাদের সফলতা বিচার করবে।

আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা উক্ত সার্ভেই এর সময় থেকে গত ৫ মাসে ১০%+ কমলে বিএনপির জনপ্রিয়তা একই সময়ে ১০%+ এর চেয়েও অনেক বেশি কমেছে। ৫ মাস আগে কোন কোন সংগঠন, গোষ্ঠী বিএনপির সাথে ছিলেন, যারা গত ৪ মাসে বিএনপি থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

সবচেয়ে বড় কথা, মানুষ প্রাণ থেকে বিএনপি করে না। এমনকি বিএনপির নেতাদেরও দলটির উপর আনুগত্য অনেক কম। সবাইকে এক করার মত তেমন কোন চেতনা বা নেতৃত্ব বিএনপির নেই। মানুষ বিএনপি করে আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে অতিষ্ঠ হয়ে।

কাজেই আওয়ামী লীগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবহার করে গ্রেপ্তার – দমন – নিপীড়ন চালালে বিএনপির জনগণকে নিয়ে বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলা কঠিন। বিএনপি হরতাল ডাকতে পারে, জামায়াত কক্টেল দিয়ে খুন-জ্বালাও-পোড়াও দিয়ে সহিংস আন্দোলন গড়তে পারে, সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের উপর নির্মম হামলা চালাতে পারে এবং বিএনপিও সেই সহিংস আন্দোলনে যোগ দিতে পারে। দেশের অর্থনীতি, শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করতে পারে।

কিন্তু জনগণ ভাবে, নিজের জীবন বাজি রেখে মাঠে নামব – এই বিএনপি আমাকে কি দেবে? বিকল্প যতদিন আসছে না ততদিন বিএনপিকে ভোট দিয়ে আসতে পারি – যদি সেই সুযোগ থাকে!

কাজেই জনসমর্থনহীন বর্তমান সরকার যদিও সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা ধরে রেখেছে কিন্তু বিএনপি-জামায়াতের সরকার পতন করা বা নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা দিতে আওয়ামী লীগকে বাধ্য করার মত ক্ষমতা নেই।

রেফরেন্স

Solving Programming Problems

  • Visualization.
    • Organize the whole problem with a diagram: invent your own representations. It could be a mathematical structure: graph, network, lattice, matrix, number line, geometrical figure, etc.
    • Zoom in, zoom out 
      • Work on parts, always keeping an eye on the whole. See how changes in part affect the whole.
    • Think in terms of abstractions to reduce complexity.
    • Learn Computational Abstractions. “Explanation Based Learning (EBL)” – once you design an abstraction that might prove useful in other problems, generalize and learn it.
      • Control Abstractions
        • Iteration
        • Recursion
        • Recursive Backtracking
      • Data Structures
      • Algorithms
    • Once a problem is solved, look back and learn new strategies, tools, techniques. Ask questions. Generalize. 
    • Learn by organizing knowledge in domain ontology.
      • Organization of 
        • Problem Solving Toolbox
        • Computational Abstractions
      • Visualize every problem solving strategy, tool, technique, algorithm, algorithmic paradigm, design pattern, computational abstraction as structures and processes.
    • Learn common mistakes. Avoid them. Develop Test cases that break the code.
    • Speed up.
      • Typing speed. 
      • IDE.

    নাগরিক শক্তির সাংগঠনিক কর্মোদ্যোগ – ১

    ১.
    সারা দেশের আইনজীবীদের সংগঠিত করার কাজ বেগবান করতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশান নির্বাচনে “নাগরিক আইনজীবী শক্তি”র প্রার্থীদের সবগুলো প্যানেলে জয়ী হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে।

    সাংসদরা আইন প্রণয়ন করেন। আইনজীবীদেরই সাংসদ হিসেবে বেশি মানায়!

    নাগরিক শক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট দেশের সিনিয়ার “রোল মডেল” আইনজ্ঞরা তরুণ আইনজীবীদের অনুপ্রাণিত করবেন, পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করবেন। তরুণ আইনজীবীরা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনি লড়াই চালাবেন।

    ২.
    প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখা আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। কাজেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অনিয়ম, কারচুপি করে সরকার জনগণের কাছে তাদের বৈধতা প্রমাণের চেষ্টা করবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সব অনিয়ম, জাল ভোটের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনে বিচার বিভাগের শরণাপন্ন হতে হবে।

    ৩.
    সেক্রেটারিয়েটের পক্ষ থেকে প্রত্যেক পার্টি উইংগসের আহ্বায়কদের মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে যাতে তারা সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারে।

    ৪.
    সবাইকে নাগরিক শক্তি এবং বাংলাদেশ সম্পর্কিত ব্লগপোস্টগুলো পড়তে recommend করতে হবে। এতে ওয়েব – মানুষের অর্জিত প্রায় সমস্ত জ্ঞান যেখানে সঞ্চিত আছে – ব্যবহারের অভ্যাস বাড়বে।


    ৫.
    নাগরিক শক্তির এলাকাভিত্তিক সংগঠকদের দায়িত্ব নির্ধারণ করে দিতে হবে। যেমন –

    নারায়ণগঞ্জ জেলা নাগরিক শক্তি আহ্বায়ক কমিটি
    কক্সবাজার জেলা নাগরিক শক্তি আহ্বায়ক কমিটি

    টাঙ্গাইল জেলা নাগরিক শক্তি আহ্বায়ক কমিটি
    মুন্সিগঞ্জ জেলা নাগরিক শক্তি আহ্বায়ক কমিটি
    চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশান নাগরিক শক্তি আহ্বায়ক কমিটি

    এভাবে জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশান, গ্রাম পর্যায়ের আহ্বায়ক কমিটি।