প্রিন্সেসকে লেখা চিঠি – ৯

প্রিন্সেস এখন যা যা করতে পারে

Mr. and Mrs. তাহসিন

  • আমাদের বাড়িটা দেখতে কেমন হবে – ডিজাইন করতে পারে।
  • আমার Venture’র নাম ঠিক করতে পারে। (Catchy একটা নাম হতে হবে কিন্তু!)
  • আমাদের জীবন কেমন হবে – কল্পনা করতে পারে!
  • আমাদের ওয়েবসাইটে কি কি থাকবে (ব্লগ পোস্ট, ভ্লগ (Vlog), ইন্টারেক্টিভ কনটেন্ট, নিউজ লিঙ্কস, বুকমার্ক্স, আর?) আর আমার সোশ্যাল মিডিয়া আকাউন্টগুলো কিভাবে দুইজন মিলে ম্যানেজ করা যায় তা নিয়ে ভাবতে পারে।


Entertainment, Edutainment (Education + Entertainment)

  • বই পড়তে পারে।
  • গান শুনতে পারে।
  • বিভিন্ন বিষয় নিয়ে Documentary দেখতে পারে।


আর্কিটেকচার অ্যান্ড ডিজাইন

  • ডিজাইন করতে পারে।
  • Architecture, EECS – কি কি পড়ানো হয় details জানতে পারে।
  • Book 2.0 ডিজাইন করতে পারে। (আমাকে দেখাতে হবে কিন্তু!)
  • Wearable Device ডিজাইন করতে পারে।
  • SuperMarket কিংবা Smart Home এ মানুষের Experience ডিজাইন করতে পারে।


রাজনীতি

  • রাজনীতি নিয়ে ভাবতে পারে। (Nagorik Students Association [NSA], Nagorik Youth Association [NYA] আর Nagorik Women’s Rights Forum consider করতে পারো!)

ইন্টেলেকচুয়াল লাইফ (!) 

  • নতুন নতুন বিষয় শিখতে পারে।
  • সবকিছু নিয়ে ভাবতে পারে। (Intellectual হতে হবে না!)
  • ভাবনাগুলো লিখে রেখো।

Life skills শেখা

  • সবসময় কিভাবে Happy থাকা যায় – সেই Secret জানতে পারে!
  • Mindfulness practice করতে পারে।
 
 
এই লিস্টে আর কি কি অ্যাড করা যায় – ভেবে লিস্টাটাকে আরও বড় করতে পারে!

তোমাকে রোল মডেল হতে হবে – ভুলো না যেন! 

Leadership Secrets From President Bill Clinton

The “Explainer in Chief” (President Bill Clinton) believes that successful leadership starts by asking the right questions. But great leaders are good listeners too. And while they forge new paths, they also build consensus and “creative networks of cooperation”.

“Explain where we are and decide where we want to go. Figure out how to get there. Get good people and trust them to do the job as long as they’re competent, realistic, and flexible when change is required. Keep score – are people better off? How, and how many? That’s my approach to leadership. I think many of the successes of my presidency were due to the fact that we began by asking the right questions: How can we build a nation and a world of shared responsibilities and shared prosperity? How can government, the private sector, and civil society work together to solve the most pressing challenges of our time? How can we appreciate and benefit from our diversity in an increasingly interdependent world?”

“I’ve gotten a lot of good advice and wish I’d taken more of it! I once asked Nelson Mandela whether, when he walked out of prison for the last time, he didn’t feel anger and hatred again for having all those years stolen. He said that, briefly, he did feel old demons rise up until he realized that if he held onto his hatred after his release, he would still be a prisoner: “I wanted to be free, and so I let it go.”

On another occasion, I asked him how he found the inner strength to do that. He said the long years of confinement had taken a terrible toll. He had been abused physically and emotionally. His marriage didn’t survive. He didn’t see his kids grow up. Then he said that one day “I realized they could take everything from me, except my mind and my heart. Those things I would have to give away. I decided not to give them away.” Then he looked at me, smiled, and said, “And neither should you.” [1]

What does leadership mean to you?

“Leadership means bringing people together in pursuit of a common cause, developing a plan to achieve it, and staying with it until the goal is achieved. If the leader holds a public or private position with other defined responsibilities, leadership also requires the ability to carry out those tasks and to respond to unforeseen problems and opportunities when they arise. It is helpful to be able to clearly articulate a vision of where you want to go, develop a realistic strategy to get there, and attract talented, committed people with a wide variety of knowledge, perspectives, and skills to do what needs to be done. In the modern world, I believe lasting positive results are more likely to occur when leaders practice inclusion and cooperation rather than authoritarian unilateralism. Even those who lead the way don’t have all the answers.”

What attributes do leaders share?

“Steadfastness in pursuit of a goal, flexibility in determining how best to achieve it. The courage to make a hard decision, and the confidence to stay with it and explain it. The common sense to listen to others and involve them. And the strength to admit it when you make a mistake or when a given policy is not working. You have to be able to trust others, and trust your instincts as well as your intellect. Finally, if the objective is to get something done on a matter that is both important and controversial, you have to be able to compromise as well as know the lines you can’t cross.” [2]

References

What Makes Some Ideas Survive

The qualities of an idea that make them survive and stick to everyone’s mind according to “Made to stick: Why some ideas survive while other die”


  1. Simplicity
    • Simple = core + compact.
    • A successful defense lawyer says, “If you argue ten points, even if each is a good point, when they get back to the jury room they won’t remember any.”
    • We must create ideas that are both simple and profound. The Golden Rule is the ultimate model of simplicity: a one-sentence statement so profound that an individual could spend a lifetime learning to follow it.
  2. Unexpectedness
    • We can use surprise—an emotion whose function is to increase alertness and cause focus—to grab people’s attention.
    • For our idea to endure, we must generate interest and curiosity.
    • We can engage people’s curiosity over a long period of time by systematically “opening gaps” in their knowledge—and then filling those gaps.
  3. Concreteness
    • Naturally sticky ideas are full of concrete images—ice-filled bathtubs, apples with razors—because our brains are wired to remember concrete data.
    • Speaking concretely is the only way to ensure that our idea will mean the same thing to everyone in our audience.
  4. Credibility
    • We need ways to help people test our ideas for themselves—a “try before you buy” philosophy for the world of ideas. 
    • When we’re trying to build a case for something, most of us instinctively grasp for hard numbers. But in many cases this is exactly the wrong approach. In the sole U.S. presidential debate in 1980 between Ronald Reagan and Jimmy Carter, Reagan could have cited innumerable statistics demonstrating the sluggishness of the economy. Instead, he asked a simple question that allowed voters to test for themselves: “Before you vote, ask yourself if you are better off today than you were four years ago.
  5. Emotions
    • How do we get people to care about our ideas? We make them feel something.
    • Research shows that people are more likely to make a charitable gift to a single needy individual than to an entire impoverished region. 
    • Sometimes the hard part is finding the right emotion to harness. For instance, it’s difficult to get teenagers to quit smoking by instilling in them a fear of the consequences, but it’s easier to get them to quit by tapping into their resentment of the duplicity of Big Tobacco.
  6. Stories
    • How do we get people to act on our ideas? We tell stories.
    • Research shows that mentally rehearsing a situation helps us perform better when we encounter that situation in the physical environment. 

Reference

Outline of Reform and Development plan in Education Sector (শিক্ষা খাতে সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা)

শিক্ষা খাতে সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা

 
বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা (Universities & Higher Education)
  • বাংলাদেশে বিশ্বমানের কয়েকটা বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে। 
    • দেশে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়ে, বিনিয়োগ নিশ্চিত করে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে PhD ডিগ্রি প্রাপ্তদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
    • BUET এবং DU কে এখনই বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। পরিবর্তনের হাওয়া লাগলে সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে তা ছড়িয়ে পড়বে। একে একে CUET, MIST, NSU, CU, SUST, RU, KUET, RUET, KU এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো Ranking এ উপরের দিকে উঠে আসবে। ঠিক যেভাবে ICPC কিংবা TopCoder Ranking এ আমরা শীর্ষস্থানগুলো দখল করছি। 
    • বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সত্যিকারের গবেষণা শুরু হবে – বরাদ্দ বাড়বে, গবেষণা সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনা হবে। ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা শুধুমাত্র পদোন্নতি পাওয়ার জন্য নয়, বরং ইন্ডাস্ট্রির কোন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে, নতুন তত্ত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গবেষণা করবেন, পেপার পাব্লিশ করবেন।
    • বিশ্ববিদ্যালয় – ইন্ডাস্ট্রি এর মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তোলা হবে। 
      • ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনা হবে।
      • প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্ট এবং রিসার্চে বিশ্ববিদ্যালয় – ইন্ডাস্ট্রি একসাথে কাজ করবে। 
      • কোন শিক্ষার্থীর প্রজেক্ট হয়ে উঠবে আরেকটি ইন্ডাস্ট্রির প্রোডাক্ট। 
      • ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্ট এবং রিসার্চে ইন্ডাস্ট্রির কাছে ফান্ডিং এর আবেদন করবেন। 
    • প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং এদের শাখাগুলোর অনুমতি প্রদানে স্বচ্ছতা আনা হবে – ন্যূনতম মান নিশ্চিত করা হবে।
  • বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন রাঙ্কিং প্রথা প্রবর্তিত হবে। 
    • রাঙ্কিং প্রথায় বিভিন্ন objective measures ব্যবহার করা হবে – যেগুলো নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই। জার্নালে এবং কনফারেন্সে পেপার পাব্লিকেশানের উপর এত পয়েন্টস, পেপারের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টরের উপর এত, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সাফল্যের উপর এত, পাশ করার ৩ মাসের মধ্যে চাকরি প্রাপ্তির হারের উপর এত, শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও গবেষণা প্রোফাইলের উপর এত, ছাত্র – শিক্ষক অনুপাতের উপর এত পয়েন্টস – এরকম কিছু measures। 
    • প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের মাঝে এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে মেধাবী ছাত্র ভর্তির জন্য এক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করবে – ফলশ্রুতিতে সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বাড়বে। 
    • বিষয়ভিত্তিক রাঙ্কিং প্রথা চালু করা হবে। 
    • কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ত গর্বের সাথে বলবে, জান, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ দেশ সেরা! যাকে বলা হবে সে উত্তর দেবে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ দেশ সেরা আর এশিয়ার সেরা ১০টার একটা!  
  • বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী দেশের কিশোর গণিতবিদদের কাছে যে ৩টি স্বপ্নের কথা বলেছিলেন তাদের মধ্যে ছিল ২০২২ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী গনিতবিদের ফিল্ডস মেডল জয় এবং ২০৩০ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর নোবেল পুরষ্কার জয়। নাগরিক শক্তি ২০৩০ সালের মধ্যে ফিল্ডস মেডেল এবং নোবেল পুরস্কার জয়ের লক্ষ্যে গবেষণা সংস্কৃতিতে নতুন জাগরণ এবং বিশ্বমানের গবেষণা ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করবে।
  • উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম যাতে অপরাজনীতির কারণে বাঁধাগ্রস্থ না হয়, দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ (যেমন নিয়োগে অনিয়ম) না হয়, সে ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 
    • সেশন জটের কারণগুলো চিহ্নিত করে দূর করা হবে। আন্ডারগ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীরা ৪ বছরে বাচেলারস ডিগ্রী শেষ করবে। 
    • আমরা শিক্ষাঙ্গনে সুস্থ রাজনীতির চর্চা, উদ্ভাবনী উদ্যোগ দেখতে চাই – ছাত্রছাত্রীরা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দল বেঁধে কাজ করবে।
  • দেশের যেসব জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় নেই, সেসব জেলায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে।যেগুলো আছে ওগুলোর আসন সংখ্যা বাড়ানো হবে। 
    • সুযোগ দিলে অনেকেই সর্বোচ্চ চেষ্টার মাধ্যমে “কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে ভাল চাকরি” করতে চাইবে। কিছু কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি শুধুমাত্র এইচএসসি বা সমমানের শিক্ষার্থীদের মাঝে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার এটাই একমাত্র উপায় – অনেকে একটু বড় হওয়ার পর বুঝতে পারে!


 
 

শিক্ষা ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন (Fundamental changes in Education system)

  • শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটা মানুষের মাঝে লুকিয়ে আছে বিশাল সুপ্ত ক্ষমতা। শিক্ষার মাধ্যমে প্রত্যেকে তার সুপ্ত ক্ষমতাকে জাগিয়ে তুলে এক একটা বিশাল শক্তি হয়ে উঠতে পারে। জ্ঞান আর মেধা দিয়ে জীবনে সবকিছু অর্জন করা যায়। যে কেউ প্রায় যে কোন বয়সে সঠিকভাবে চেষ্টা করলে যে কোন কিছু হয়ে উঠতে পারে – এই বিশ্বাসটা সবার মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে। মানুষগুলোকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আর কিছু লাগবে না। এক একটা মানুষ যেখানে বিশাল শক্তি হতে পারে সেখানে ১৬ কোটি মানুষকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আমাদের আর পিছে ফিরে তাকাতে হবে না। 
    • শিক্ষা শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না, আমরা চাইলে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে চারপাশ থেকে শিখতে পারি। 
    • ইতিহাসের যে কোন সময়ের তুলনায় নিজেকে উপরে তোলার সুযোগও সবচেয়ে বেশি আমাদের প্রজন্মের। আধুনিক প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন আমাদের হাতে দিয়েছে অনন্য সব আবিষ্কার – মানুষ এখন যে কোন প্রান্তে বসে যে কোন কিছু শিখতে পারে, যে কারও সাথে যোগাযোগ করতে পারে, কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, কাজ করতে পারে, পারে আয় রোজগার করতে।
  • বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।
  • শিক্ষাবিদদের নিয়ে শিক্ষা কমিশন গঠন করা হবে। কমিশনের পরামর্শের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী – অভিভাবকদের মতামত নিয়ে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষাবাবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে আমূল সংস্কার আনা হবে। 
  • সৃজনশীল এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ নির্ভর শিক্ষা বাবস্থা চালু। 
    • বই থেকে শেখা জ্ঞান দিয়ে জগতটাকে দেখতে শেখানো। 
    • “লার্নিং বাই ডুইং” (হাতে কলমে শিক্ষা) চালু করা হবে। এতে বইয়ের জগত এবং বাস্তব জীবনের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি হবে। 
  • শিক্ষার্থীরা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেরা শিখবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে শিখবে।
  • তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রকৌশলী থেকে শুরু করে কৃষক পর্যন্ত সবার জন্য “লাইফলং লার্নিং” (জীবন ব্যাপী শিক্ষা) এর সুযোগ।
 
 
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা (Primary & Secondary Education)
  • দেশের প্রত্যেকটা স্কুলে আধুনিক লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে। 
    • লাইব্রেরিগুলো হবে জ্ঞান চর্চা ও জ্ঞান আদানপ্রদানের কেন্দ্র। 
    • বই, উচ্চগতির ইন্টারনেটসহ কম্পিউটার এবং কিছু যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে। 
    • স্কুল লাইব্রেরিগুলো সবসময় খোলা থাকবে। শিক্ষার্থীরা যতক্ষণ খুশি লাইব্রেরিতে সময় কাটাতে পারবে। 
  • সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পাঠ্যসূচীতে পরিবর্তন। নৈতিকতার শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
  • পরীক্ষা পদ্ধতি, মূল্যায়ন পদ্ধতিতে সংস্কার আনা হবে।
  • শিক্ষার্থীরা মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। বিভিন্ন অলিম্পিয়াড, প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে মেধাবী জাতি গড়ে তোলা হবে। 
    • ছাত্র – ছাত্রী, কিশোরকিশোরী, তরুণ-বৃদ্ধ সবাই অবসরে ধাধার সমস্যার সমাধান করবে। মেধা-বুদ্ধি শানিত করবে। সূচনা হবে নতুন সংস্কৃতির। প্রত্যেকে হয়ে উঠবেন চিন্তাশীল, মেধাবী, বুদ্ধিমান।  
    • গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত গণিত অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান প্রকল্প এর সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়া হবে।


 
 

মাদ্রাসা শিক্ষা  

  • মাদ্রাসা শিক্ষাবাবস্থার সংস্কার – আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান অন্তর্ভুক্তিকরন – যাতে মাদ্রাসা শিক্ষাবাবস্থায় শিক্ষিতরা মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, বাবসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও বেশি সুযোগ পায়।
 
 
শিক্ষা নিয়ে আরও (More on Education)
 
 
তোমাদের জন্য লেখা
 
 
শিক্ষাবিদরা কি ভাবছেন


– ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক; সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।



তরুণ প্রজন্ম এখন নেতৃত্ব নিতে সক্ষম
শিক্ষার্থীরাই দেশের সম্পদ
– ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। 


“আজ থেকে ৫০ বছর আগে পৃথিবীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে যদি র‌্যাংকিং করা হতো, নিশ্চয়ই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানজনক তালিকায় থাকত। কিন্তু এখন বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। তাতে আমাদের চৈতন্যোদয় হয়েছে বলে মনে হয় না। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে যে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করতে হবে, সে কথা কিন্তু শিক্ষাবিদেরা সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিটি ওয়ার্ল্ড ক্লাস ইউনিভার্সিটি কনফারেন্সে মনে করিয়ে দিচ্ছেন।”

দুষ্টচক্রে আবদ্ধ শিক্ষাব্যবস্থা part-2
ভর্তি, মান ও দক্ষ জনশক্তি

– ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।

 
 
 
শিক্ষায় বাংলাদেশী উদ্যোগ 

Application Of Data Analytics, Mining, Machine Learning & Network Science To Election Campaign Strategy

Application Of Data Analytics, Data Mining, Machine Learning & Network Science To Election Campaign Strategy


Analysis Of Political Survey Data

  • Rows contain data of each participant in the survey (Age, M/F, Area, Profession, Which candidate are you going to vote for, Why, Which party did you vote for in 2008 Election, Why did you vote for that candidate, Which party did you vote for in 2001 Election). 
  • Columns are features.
  • The goal of Data Analysis is to group voters together to determine strategies. 
    • Our candidate is weak in that particular area of his constituency.
      • How do we win votes using our network map?
    • Our candidate is weak among that particular age group of his constituency.
    • Our candidate is weak among people belonging to that particular profession of his constituency.
      • What social initiatives can we take for people belonging to that particular profession? 
    • Swing voters – x% of total voters. 
      • People who voted for candidates from different parties in 2001 and 2008 Elections.
    • For people belonging to that profession, the reason behind candidate preference is “X”.
      • From answers to our survey question – “Why did you vote for that candidate?” 
    • For people belonging to that age group (say, young generation), the reason behind candidate preference is “Y”.
      • What can we do to win the votes of this age group? Look at the reason
  • Usage of Machine Learning Algorithms for extraction of patterns from Data.
    • Decision Tree Learning can be utilized for predicting candidate preference of a particular voter from the voter’s features. 
      • A Decision Tree might learn, for example, if a voter 
        • 18 < age < 35
        • area = “X”
        • is a Male
      • Then, he will vote for “Nagorik Shakti”. 




Usage Of Network Map

How Facebook Got Big

Facebook is really really big. By the end of 2013, Facebook boasted 1.23bn monthly active users worldwide, adding 170m in just one year. [1]

So, how did Facebook get so big?

  • People started using a social network with their Real Identities. (“X” is on Facebook!)
  • Real identities were rare in the pre-Facebook era.
  • How?
    • Limited Access in the initial stage
      • Facebook started out only with Harvard students (you were supposed to have a Harvard University issued E-mail address to open an account) [2]; then limited only to College students. So when it was opened for all, people got used to having real identities.
    • Privacy Options
      • Before Facebook came along, Myspace, Hi5 were as ‘public’ as possible.
      • With Facebook, you could control privacy according to your tastes and socialize only among selected few.
  • Facebook Platform
  • Viral spread of Apps and Games (and farming in Farmville).
  • Only social interactions would have bored many of the users.
  • Facebook is popular because you can connect with all the people you ever knew: your classmates, your long forgotten neighbours, colleagues – many of whom you met years back.

 

References

নাগরিক শক্তির সোশ্যাল মিডিয়া স্ট্রাটেজি

নাগরিক শক্তির Website

  • মেম্বারশিপ ফর্ম – SMS verification; চাইলে ফেইসবুক আকাউন্ট লিঙ্ক জুড়ে দিতে পারেন। কোন কোন ক্ষেত্রে দক্ষতা-আগ্রহ, দেশের জন্য কোন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে চান, দলের সদস্য হিসেবে কিভাবে ভূমিকা রাখতে চান, দলের কোন অঙ্গ সংগঠনের সাথে যুক্ত হতে চান। কাগজের ফর্ম পূরণ করেও মেম্বার হিসেবে যোগ দেওয়া যাবে।
  • মতামত ফর্ম – দলের জন্য, দেশের কল্যাণে যে কোন মতামত।  
  • Blog (Anyone can submit; Moderation) সাইট ব্লগে প্রত্যেকের চিন্তা ভাবনা, প্রত্যাশা প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়া হবে।
  • Forum on different topics. বিভিন্ন বিষয়ে আলাদা আলাদা থ্রেডে আলোচনা। আপাতত ফোরাম হবে অনলাইনে মতামত জানানোর মূল মাধ্যম। পরবর্তীতে তরুণদের মতামত নিয়ে বিভিন্ন ফিচার সমৃদ্ধ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে।  
  • Video (Youtube API), Image Gallery
  • News, Links
  • Mobile Optimized (m.nagorikshakti.org) গ্রামে সবাই ফোন ব্যবহার করে এক্সেস করবে।
  • Facebook / Google+ / Twitter login for commenting, forums etc. সবাই পড়তে পারবে, কিন্তু সাইটে কমেন্ট করতে / মতামত দিতে ফেইসবুক লগইন। (তা নাহলে স্প্যাম, উদ্দেশ্য প্রণোদিত কমেন্ট – অ্যাডমিন মডারেশান এর পর পাবলিশ) 
  • Development: Drupal, WordPress, phpBB – (quick setup, bug-free code) 
  • স্বপ্নের বাংলাদেশের ভিডিও
  • সিকিউরিটি


Facebook

  • বাংলাদেশের ৫০ লক্ষের উপর মানুষ বর্তমানে Facebook ব্যবহার করে। তার চেয়েও বড় কথা – এই সংখ্যা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বাড়ছে। ব্যবহারকারীর সংখ্যা এক কোটিতে পৌঁছাতেও খুব বেশি সময় লাগবে না। 
  • Facebook Page
  • Facebook Groups: তরুণ তরুণীরা সবচেয়ে বেশি উৎসাহ নিয়ে কাজ করবে। তরুণ তরুণীদের মাঝ থেকেই ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে উঠবে। টীম গড়ে তুলতে হবে। সবাই একসাথে বসে মিটিং এর পাশাপাশি যাতে ভার্চুয়ালি একসাথে কাজ করতে পারে, সাজেশান দিতে পারে, যোগাযোগ দিতে পারে সে লক্ষ্যে বাবস্থা – “ফেইসবুক গ্রুপ”। 
  • Image with Quotes (বেশি User পড়ে); নাগরিক শক্তি, প্রতীক – বই trademarked। লেখাগুলো ভাগ করে ইমেইজ হিসেবে শেয়ার দেওয়া হবে (দলের নাম, প্রতীক থাকবে ইমেইজে) – সবাই পড়বে, লাইক – শেয়ার দিবে এবং এভাবে ছড়িয়ে পড়বে। বড় একটা লেখায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা থাকলে অনেক সময় কিছু না কিছু অমনোযোগের কারণে মিস হয়ে যায়। কারও মনে একটা অংশ দাগ কাটে, অন্য কারও মনে আরেকটা অংশ। দুচার লাইনের ছোট ছোট লেখা পুরোটা সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়ে।  
  • ডিজিটাল মিডিয়া / সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তারুণ্য। স্বপ্নের বংলাদেশের ভিডিও (দলের নাম, প্রতীক) -> লিংকঃ ফেইসবুক, ইউটিউব পেইজ, ওয়েব সাইট। দলটা আমাদের সবার। সবার মতামতের ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে দল এবং দেশ। স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে তারুণ্যের শক্তিতে। তরুণদের জন্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেওয়া হবে যাতে তারা বিভিন্ন কল্যাণমুখী, উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিতে পারে।
  • পরবর্তীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ Occasion এ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একই সময়ে সবাই একই Profile Pic এবং Status দিবেন।
  • তরুণরা সোশ্যাল মিডিয়ায় সকল অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন। মানুষের চাওয়া পাওয়া তুলে ধরবেন।  


Twitter

  • International Audience
  • Hashtag: #Nagorik


Youtube

  • Youtube Channel: স্বপ্নের বাংলাদেশের ভিডিও, দেশ নিয়ে ভিডিও, দলীয় কর্মকাণ্ডের ভিডিও
  • পুরো ভিডিও; ছোট ক্লিপ্স (বেশি মানুষ দেখবে)


Video Media

  • স্বপ্নের বাংলাদেশের ভিডিও, দেশ নিয়ে ভিডিও, দলীয় কর্মকাণ্ডের ভিডিও। 
  • সেল ফোনের মাধ্যমে সারা দেশের মানুষের কাছে ছরিয়ে পড়বে।
  • পুরো ভিডিও; ছোট ক্লিপ্স (বেশি মানুষ দেখবে)
  • তরুণরা ভিডিও তৈরি করে আপলোড করবে। 
    • দেশে এবং প্রবাসীদের মাঝে ২০১৪ ক্রিকেট বিশ্বকাপ উপলক্ষে ফ্ল্যাশ মব তৈরি নিয়ে আলোড়ন থেকে ধারণা করা যায় এটা সাড়া ফেলবে।
    • তরুণদের কাছে “স্বপ্নের বাংলাদেশ” এর ভিডিও চিত্র / শর্ট ডকুমেন্টারি আহবান করা যায়। আমরা জানতে চাই, দেশ নিয়ে তরুণদের ভাবনা। জানতে চাই, তরুণরা স্বপ্নের বাংলাদেশে কি কি দেখতে চান। তরুণরা টীম গঠন করে তাদের সৃজনশীলতা দিয়ে স্বপ্নের বাংলাদেশ কেমন হবে তার একটা চিত্র ফুটিয়ে তুলে প্রস্তাব দেবেন। সবচেয়ে ভাল প্রস্তাবগুলোকে টীমের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে স্পন্সরের মাধ্যমে ফান্ড দেওয়া হবে। ফান্ড দিয়ে বাছাইকৃত টিমগুলো ভিডিও চিত্র / শর্ট ডকুমেন্টারি তৈরি করবেন। সেরাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। সেরা ক্লিপ্স / ডকুমেন্টারিগুলো আমরা নাগরিক শক্তির ওয়েবসাইটে রাখব। ফেইসবুক, ইউটিউব, ফোন এর মাধ্যমে ছড়িয়ে দেব। আমাদের দলের নির্বাচনী ইশতেহারে কোন কোন প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা যায় তা পর্যালোচনা করা হবে। সবচেয়ে বড় কথা – আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে নতুন প্রজন্মের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে। [2] 


Google+

  • Google+ Page
  • Google+ Community


E-Mail

  • সবাই যাতে মতামত জানাতে পারে সেজন্য বেশ কয়েকটি ই-মেইল অ্যাড্রেস। 


Mobile

  • Quick polling; survey 
    • যে কোন বিষয়ে দ্রুত জনগণের মতামত নিতে ব্যবহার। 
  • SMS
    • SMS Server.
  • People should be given the opportunity to express their opinions.  
  • বেশ কয়েকটা নাম্বার। তথ্য দেওয়ার জন্য, মতামত নেওয়ার জন্য।  

Database, Data Analytics & Mining

  • জনগণের আশা আকাঙ্খা সমস্যা প্রত্যাশা লিপিবদ্ধ করতে হবে। আমরা এ লক্ষ্যে নিজস্ব ডেটাবেইস গড়ে তুলব। ডেটাবেইসে 
    • বাংলাদেশ বিষয়ক সব তথ্য 
    • জনগণের আশা-আকাঙ্খা সমস্যা মতামত 
    • বিভিন্ন সার্ভেই রেসাল্ট 
    • আমাদের বিভিন্ন নেটওয়ার্ক 
    • সোশ্যাল মিডিয়া ডেটা
    • প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় দলীয় অবস্থান, প্রার্থীর অবস্থান, নির্বাচনী ফান্ডের হিসাব ইত্যাদি থাকবে। 
  • ডেটা এর উপর ডেটা অ্যানালাইসিস (Data Analysis), স্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যানালাইসিস (Statistical Analysis) হবে, সার্চ (Search) করার বাবস্থা থাকবে। [3]
  • নেটওয়ার্ক ম্যাপ করা 
    • আমাদের নেটওয়ার্কে কারা আছেন 
    • যারা নেটওয়ার্কের বাইরে আছেন তাদের কিভাবে নেটওয়ার্কের মাঝে থাকাদের দিয়ে জয় করা যায়। (নাগরিক শক্তির প্রচার জনগণের মাধ্যমে হবে – যারা আমাদের উপর আস্থা রেখেছেন, তারাই বাকিদের ঐক্যবদ্ধ হতে অনুপ্রাণিত করবেন।) 
    • দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া।



    রেফরেন্স

    স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে অগ্রযাত্রা [March 27, 2014 পর্যন্ত]

     

    • তরুণদের মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি এবং স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ করা
    • সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিময় দেশ গড়া 
    • হরতাল সহিংসতামুক্ত দেশ
    • জঙ্গিবাদ ও চরমপন্থা মুক্ত দেশ
    • দেশের সম্মান সম্পদ রক্ষা 
    • নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা 
    • শাহবাগে আন্দোলনরত তরুণ এবং মাদ্রাসা ছাত্রদের মাঝে দূরত্ব দূরীকরণ  
    • বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার দাবিতে আন্দোলন 
    • বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অবস্থান 
    • ছাত্র রাজনীতিতে সুস্থ ধারা ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা  


    তরুণদের মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি এবং স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ করা
     

    রাজনীতি নিয়ে তরুণদের মাঝে যে অনীহা ছিল, হতাশা ছিল, নাগরিক শক্তির প্রচেষ্টায় আমরা তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি। আমরা কয়েক মাস আগেও দেখতাম, তরুণরা ফেইসবুকে “Political Views” এ লিখে রাখছে, “I hate politics” (“রাজনীতি ঘৃণা করি”)। “রাজনীতিবিদ” ভাবলেই তরুণরা ভাবত দুর্নীতিপরায়ণ বা সন্ত্রাসীদের গডফাদারদের কেউ। গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনে প্রথম যখন রাজনীতিবিদরা যোগ দিতে যান, তখন তাদের কথা বলতে দেওয়া হয়নি। তরুণদের সামনে সুস্থ ধারার রাজনীতি করেন এমন কোন রোল মডেল ছিল না। কিন্তু ২০১৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু করে মাত্র কয়েকমাসে আমরা লক্ষ লক্ষ তরুণের মানসিকতায় ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করছি। তরুণরা এখন সুখী সমৃদ্ধ স্বপ্নের বাংলাদেশ নিয়ে, উন্নত “innovative” রাজনীতি নিয়ে স্বপ্ন দেখছে। আমাদের আধুনিক তরুণরা এখন রাজনীতিতে আসতে চাইছে, রাজনীতিতে পরিবর্তন আনতে চাইছে। মানবতাবিরধী অপরাধীদের বিচার নিয়ে ২০১৩ সালে আমরা দেখেছি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তরুণরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পরস্পরকে আক্রমণ করছে এবং নিজেদের পক্ষে দল ভারি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু গত কয়েকমাসে আমরা লক্ষ্য করছি, তরুণরা সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের জন্য কাজ করতে চাইছে। 

     

     

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিময় দেশ গড়া 

    নাগরিক শক্তি বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে পূর্ণ এবং সবকিছুর উপর মানবতার অবস্থান দেখতে চায়। এ লক্ষ্যে সকল সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে নাগরিক শক্তি দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে কাজ করছে। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসকে ঘৃণা করবে এবং বাংলাদেশে আর কখনও সাম্প্রদায়িক হামলা হবে না। 

      



    হরতাল সহিংসতা মুক্ত দেশ 

    নাগরিক শক্তি সবসময়ই মানুষকে জোর করে হরতাল পালনে বাধ্য করার বিপক্ষে। হরতাল-অবরোধ সহিংসতা জানমালের ক্ষতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে, জনসচেতনতা তৈরি করে বিএনপির মত দল, যে দলটি বিরোধী দলে থাকলে কথায় কথায় হরতাল ডাকে, যাদের জোটে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বেসরকারি সশস্ত্র সংগঠন ছাত্রশিবির আছে, তাদের হরতাল-সহিংসতা থেকে দূরে রেখে দলকে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী করতে মনোযোগী হতে আনুপ্রানিত করেছে। হরতাল-সহিংসতা নয় বরং জনগণকে সম্পৃক্ত করে আন্দোলন করলেই আন্দোলন ফলপ্রসূ হয় – এই সত্য আমরা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি। গত ৩ মাসে আমরা দেশে হরতাল দেখিনি।

     

     

    জঙ্গিবাদ ও চরমপন্থা মুক্ত দেশ 

    নাগরিক শক্তি বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদ মুক্ত করতে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি ইসলাম ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদানকে উৎসাহিত করে।


    দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার রায় ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে নাগরিক শক্তি সকল 
    চরমপন্থার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেছে। 



    দেশের সম্মান সম্পদ রক্ষা 


    বিদেশী শক্তির সমর্থন লাভের লক্ষ্যে সরকার দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টেস্ট মর্যাদা বিসর্জন দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। নাগরিক শক্তি গনসচেতনতা সৃষ্টি করে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে তার মর্যাদা হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা থেকে রক্ষা করেছে।


    দেশের স্বার্থ বিরোধী রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

    নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা 

    নাগরিক শক্তি নারীর প্রাপ্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

     

    গ্রামীণ নারীদের ব্যাংক সরকারের কেড়ে নেওয়ার অপচক্রান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নাগরিক শক্তি স্পষ্ট করেছে। দেশবাসীর মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি এবং গ্রামীণ নারীদের তথা গ্রামীণ ব্যাংকের ৮৪ লক্ষাধিক গ্রাহককে এই ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ করেছে।

    শাহবাগে আন্দোলনরত তরুণ এবং মাদ্রাসা ছাত্রদের মাঝে দূরত্ব দূরীকরণ 


    শাহবাগে আন্দোলনরত তরুণ এবং মাদ্রাসা ছাত্রদের মাঝে পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝির কারণে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল – নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে সেই দূরত্ব মুছে গেছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার দাবিতে আন্দোলন 

    শ্রদ্ধেয় ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবালের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার দাবির আন্দোলনে নাগরিক শক্তি জনগণকে নেতৃত্ব দিয়েছে।

     
    বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অবস্থান  
     
    বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবির এবং ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নাগরিক শক্তি দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।    

     
    ছাত্র রাজনীতিতে সুস্থ ধারা ফিরিয়ে আনতে

    নাগরিক শক্তি দেশের ছাত্র রাজনীতিতে সুস্থ ধারা ফিরিয়ে আনতে চায়। দেশের আধুনিক তরুণ প্রজন্মের মাঝে নাগরিক শক্তির জনপ্রিয়তা প্রচলিত ছাত্র সংগঠনগুলোকে সুস্থ রাজনীতি প্রচলন করতে অনুপ্রাণিত করছে।

    পাকিস্তান ভারতকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ


    অর্থনীতির সূচকে পাকিস্তানকে টপকে বাংলাদেশ

    “রপ্তানি বাণিজ্যে বাংলাদেশের চেয়ে অনেকটাই পেছনে পড়েছে পাকিস্তান। দুই দেশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর হিসাবে দেখা যায়, ২০১২-১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ২৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে আর পাকিস্তানের রপ্তানির পরিমাণ ২৪ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। চলতি অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় পাকিস্তানের চেয়ে আরো অনেক বেশি হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

    কেবল রপ্তানি বাণিজ্যই নয়, দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতেও বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা আমদানি-নির্ভরতা অনেকটাই কমিয়েছে, যতটা পারেনি পাকিস্তান। শিল্পের কাঁচামালের জোগানদাতা ও আমদানি-বিকল্প শিল্প কারখানা বিকশিত হওয়ায় শিল্প খাতে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় কমছে। আবার খাদ্য উৎপাদন পাকিস্তান আমলের ৯৬ হাজার টন থেকে বেড়ে তিন কোটি টনে দাঁড়িয়েছে। ফলে খাদ্য আমদানি ব্যয়ও কমেছে। তাই রপ্তানি আয়ে পিছিয়ে থাকা পাকিস্তানের আমদানির পরিমাণও বাংলাদেশের চেয়ে বেশি হয়ে গেছে। গত অর্থবছরে পাকিস্তান ৪৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। সেখানে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৩৪ বিলিয়ন ডলার। রপ্তানি আয়ে এগিয়ে থাকার পাশাপাশি আমদানি ব্যয় কমে যাওয়ায় সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতিও পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের অনেক কম। ২০১২-১৩ অর্থবছরে পাকিস্তানের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ বিলিয়ন ডলার। সেখানে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি সাত বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের আরেকটি বড় খাত হলো প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। সেদিক থেকেও পাকিস্তানকে বহু পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। গত অর্থবছরে প্রবাসীদের কাছ থেকে পাকিস্তান রেমিট্যান্স পেয়েছে ৯ বিলিয়ন ডলার। সেখানে বাংলাদেশের প্রবাসীরা পাঠিয়েছে ১৪ বিলিয়ন ডলার।

    এসব সূচকে এত দূর এগিয়ে থাকার প্রভাবটা আরো বেশি স্পষ্ট করে দিয়েছে দুই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। গত ১৭ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ১৯ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। সেখানে তুলনামূলকভাবে বেশি আমদানি ব্যয়ের দেশ পাকিস্তানের রিজার্ভের পরিমাণ ৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, একটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ওই দেশের কমপক্ষে তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমান হতে হয়। সেই হিসাবে, পাকিস্তানের রিজার্ভ তার চেয়েও কম। দেশটির তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ১১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। আর বাংলাদেশের তিন মাসের আমদানি ব্যয় ৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার।

    অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতির কারণে সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হারও ছাড়িয়ে গেছে পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধিকে। গত অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.২ শতাংশ আর পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৬ শতাংশ। পাঁচ বছর ধরে বাংলাদেশ কম-বেশি ৬ শতাংশ হারে ধারাবাহিকভাবে প্রবৃদ্ধি অর্জন করে আসছে। সেখানে পাঁচ বছরে পাকিস্তানের গড় জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার বছরান্তে ২.৯ শতাংশ।

    অন্যান্য সূচকেও অনেক ক্ষেত্রেই পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশে মাথাপিছু সঞ্চয়ের হার প্রায় ২৮ শতাংশ, সেখানে পাকিস্তানের মাত্র ১৫ শতাংশ। সঞ্চয় কমে গেলে স্বাভাবিকভাবেই একটি দেশের জাতীয় মূলধন বিনিয়োগও কমে যায়। আর এর প্রভাবে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার কমাটাও স্বাভাবিক।

    পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা গেছে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়নেও পাকিস্তানকে হার মানিয়েছে বাংলাদেশ। ‘পাকিস্তান ইকোনমিক সার্ভে ২০১২-১৩’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১১-১২ অর্থবছরে দেশটির ১০ বছরের বেশি বয়স্কদের মধ্যে শিক্ষিতের হার ৫৮ শতাংশ। আর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে বাংলাদেশে শিক্ষিতের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। ১০ বছরের বেশি বয়স্কদের হিসাব নিলে এ হার আরো বাড়বে।


    পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর ওয়েবসাইটে ‘দুই অর্থনীতির গল্প ১৯৭১-বর্তমান বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের তুলনা’ শিরোনামে ১৯৮০ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই সব সূচকের আগামী কয়েক বছরের সম্ভাব্য অগ্রগতি ও পতনের দিকনির্দেশনাও রয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনীর ওয়েবসাইটটিতে। তুলনামূলক চিত্রে দেখানো হয়েছে যে বিভিন্ন সূচকে পাকিস্তানের অবস্থান বাংলাদেশের চেয়ে নিম্নমুখী। ওয়েবসাইটটিতে দুই দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার, জিডিপি অনুপাতে সামষ্টিক বিনিয়োগ, সঞ্চয়ের গতি-প্রকৃতি, মূল্যস্ফীতির হার তুলে ধরা হয়েছে। এসব সূচকের প্রতিটিতে বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের এই অগ্রগতি ও পাকিস্তানের পতনের কারণ সম্পর্কে সাইটটিতে সাধারণ মানুষের মন্তব্য চাওয়া হয়েছে।
    কারান নামের এক পাকিস্তানি মতামত দিতে গিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ শিগগিরই পাকিস্তানকে অর্থনৈতিকভাবে পেছনে ফেলবে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার ‘নতুন প্রিয় দেশ’ (নিউ ডার্লিং) হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর্যায়ে রয়েছে।

    বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশ স্বাধীনের আগ পর্যন্ত পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ আর শাসনের কারণে দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়েছিল পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনীতি। মূলত পূর্ব পাকিস্তানের আয় পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হতো। ফলে তখন পশ্চিম পাকিস্তান দ্রুত উন্নত হলেও পূর্ব পাকিস্তান নাজুক হয়ে পড়ছিল। ওই অবস্থা থেকে মুক্তির জন্যই আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। এখন অন্য কারো শোষণ-বঞ্চনা নেই। নিজেদের কর্মকাণ্ডের সুফল আমরা পাচ্ছি। ফলে কেবল পাকিস্তানই নয়, অনেক উন্নয়নশীল দেশের চেয়ে বাংলাদেশ নানা দিক দিয়ে ভালো করছে। গত অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি ভারতের প্রবৃদ্ধিকেও ছাড়িয়ে গেছে।’ [1]


    The economy expanded at an annual rate of 4.7% in the three months to December, down from 4.8% in the previous quarter. [2]



    The Gross Domestic Product (GDP) in Bangladesh expanded 6.01 percent in the fiscal year 2012/2013 from the previous year. GDP Annual Growth Rate in Bangladesh is reported by the Bangladesh Bank. From 1994 until 2013, Bangladesh GDP Annual Growth Rate averaged 5.6 Percent reaching an all time high of 6.7 Percent in June of 2011. [3]

    সামাজিক সূচকে ভারত পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ


    References

    1. পাকিস্তানকে টপকে গেছে বাংলাদেশ
    2. India’s economy grows slower than expected
    3. BANGLADESH GDP ANNUAL GROWTH RATE
    নাগরিক শক্তির পরিকল্পনা

    “ভারতের মাথাপিছু জিডিপি (পিপিপি) $3,991, পাকিস্তানের $3,144, আর বাংলাদেশের $2,083।

    বাংলাদেশের জিডিপির মোট আকার – $324.628 বিলিয়ন। ধরা যাক, শীর্ষ দুর্নীতিবাজদের কালো টাকা দেশে ফিরিয়ে এনে বিনিয়োগ করা হল এবং তাতে ১ বছরে পণ্য এবং সেবার আকার বাড়ল $108 বিলিয়ন। তাহলে মাথাপিছু জিডিপি হবে $2,776।

    আমাদের হিসাবে মতে ২০১১ সালের শেয়ারবাজার ধ্বসে ৪০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বা প্রায় ৩ লক্ষ কোটি টাকার উপর অর্থ কারসাজির মাধ্যমে সরানো হয়েছে।

    কালো টাকা ফিরিয়ে আনতে পারলে এবং দুর্নীতি রুখে দিতে পারলে, সেই সাথে বাবসা-বিনিয়োগ-উদ্যোক্তা-শিল্প বান্ধব পরিকল্পনা হাতে নিয়ে বাস্তবায়ন করতে পারলে মাথাপিছু আয়ের দিক দিয়ে কয়েক বছরে ভারত-পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।” [1]



    “জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারকে বর্তমান ৬% থেকে যত দ্রুত সম্ভব ১০% এ উন্নীত করা হবে। জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৮% হলে মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হতে ৯ বছর (rough estimate)লাগবে। হার ১০% হলে দ্বিগুণ হতে ৭ বছর (rough estimate) লাগবে। ১২% হলে দ্বিগুণ হতে ৬ বছর লাগবে। {(1+ 0.08)^x = 2, x = 9} {(1.10)^x = 2, x = 7.27} {(1.12)^x = 2, x = 6.12}

    মাথাপিছু আয়ের দিক দিয়ে কয়েক বছরে প্রতিবেশী দেশগুলোকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্য থাকবে। ভারতের মাথাপিছু জিডিপি (পিপিপি) $3,991, পাকিস্তানের $3,144, আর বাংলাদেশের $2,083; হিসাবটি খুব সহজ। মাথাপিছু জিডিপির দিক দিয়ে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে যেতে দেশে উৎপাদিত মোট পণ্য ও সেবার পরিমাণ দেড়গুণ করতে হবে আর ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে দেশে উৎপাদিত মোট পণ্য ও সেবার পরিমাণ দ্বিগুণ করতে হবে। অন্যভাবে বললে, দেশে এখন যেসব প্রতিষ্ঠান আছে, প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান যদি পণ্য / সেবা উৎপাদন দ্বিগুণ করতে পারে তবে সম্মিলিতভাবে আমরা প্রতিবেশী দেশগুলোকে ছাড়িয়ে যেতে পারবো।” [2]




    Bangladesh As An Emerging Country

    Bangladesh As An Emerging Country As Identified By International Economic & Financial Research Institutes 


    Next Eleven

    “The Next Eleven (known also by the numeronym N-11) are the eleven countries – Bangladesh, Egypt, Indonesia, Iran, Mexico, Nigeria, Pakistan, the Philippines, Turkey, South Korea, and Vietnam – identified by Goldman Sachs investment bank and economist Jim O’Neill in a research paper as having a high potential of becoming, along with the BRICs, the world’s largest economies in the 21st century.

    The criteria that Goldman Sachs used were macroeconomic stability, political maturity, openness of trade and investment policies, and the quality of education.”

    Reference
    Next Eleven – Wikipedia

    10 New Emerging Countries


    The Philippines, Indonesia, Bangladesh and Ethiopia are among 10 countries set to take over as emerging economies from the powerful BRICS nations, a French credit body said.

    “After 10 years of frenetic growth” the big 5 emerging economies of Brazil, Russia, India, China and South Africa – the BRICS – “are slowing down sharply,” the French trade credit and insurance group Coface said.

    But “at the same time, other emerging countries are accelerating their development,” it said.

    Coface broke the 10 new emerging economies it has identified into two groups.

    The first comprises Peru, the Philippines, Indonesia, Colombia and Sri Lanka, which it named the PPICS.

    They had “strong potential confirmed by a sound business environment,” Coface said.

    The second group comprises Kenya, Tanzania, Zambia, Bangladesh and Ethiopia.

    But these countries are marked by “very difficult or extremely difficult business environments which could hamper their growth prospects,” Coface said.


    Reference

    নাগরিক শক্তির প্রতীক্ষায় দেশের নাগরিক সমাজ, রাজনীতিবিদরা ও জনগণ

    নাগরিক শক্তি আমাদের দেশের নাগরিক সমাজের অনেক বছরের ভিশনের বাস্তবায়ন।

    অর্থনীতি ও ভোটের রাজনীতি
    – ড. আকবর আলি খান: সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা।

    দশম জাতীয় নির্বাচন ইলেকশন নয় সিলেকশন
    – ব্যারিস্টার রফিক-উল হক: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। 

    মধ্যমেয়াদি সংকটের পথে বাংলাদেশ?
    – ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য : অর্থনীতিবিদ, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

    সুস্থ অর্থনীতিকে ধ্বংস করছে অসুস্থ রাজনীতি
    – সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, ব্যবসায়ী নেতা ও এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা।

    বাংলাদেশ একদিন বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পাবে
    – ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক; সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি। 


    “এখন দেশে চলছে নগ্ন ক্ষমতার লড়াই। মূল্যহীন, অর্থহীন, আদর্শহীন, দেশপ্রেমহীন ক্ষমতার লড়াই।
    একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে গণতন্ত্রের এই অবস্থা আমি কোনোক্রমেই আশা করিনি।

    তৃতীয় গনতান্ত্রিক শক্তির দিকে নজর দেওয়ার সময় এসেছে।
    নাগরিকদের গনতান্ত্রিক অধিকার সম্পর্কে আরও সোচ্চার হতে হবে।
    আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ এর জন্য দুইদলের কাছে যেন নির্ভরশীল না থাকি।”
    – ‘গণতন্ত্র’ শব্দটাই আর ব্যবহার করা উচিত নয়: মাহফুজ আনাম (ভিডিও)

    আমরা এই রাজনীতির তীব্র নিন্দা জানাই
    প্লিজ, এ নির্বাচন করবেন না
    – মাহফুজ আনাম: সম্পাদক, দ্য ডেইলি স্টার।

    যে নির্বাচনে সবাই হারবে
    একাদশ সংসদই এখন লক্ষ্য
    – ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন: সাবেক নির্বাচন কমিশনার।

    নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠর কথা
    সমঝোতার ভিত্তিতে টেন্ডার ভাগাভাগির মতো
    – ড. হোসেন জিল্লুর রহমান: সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ।

    ব্যবসা উপযোগী পরিবেশ দরকার
    – আতিকুল ইসলাম: সভাপতি, বিজিএমইএ।

    তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হতে চায় নাগরিক ঐক্য
    নাগরিক ঐক্য 
    – মাহমুদুর রহমান মান্না: আহ্বায়ক, নাগরিক ঐক্য।

    দেশটা শুধু রাজনীতিবিদদের নয়
    দূষিত রাজনীতি তরুণদেরই পাল্টাতে হবে 
    রাজনীতিতে তৃতীয় শক্তির আবছা রেখা
    – মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর: মিডিয়া ও উন্নয়নকর্মী।



    “স্বাধীনতার পর দেশের সমগ্র জনগোষ্ঠীকে এক করার, সবার পক্ষে কথা বলার, সবার হয়ে কাজ করার মতো কোনো দল আসেনি। সবাই নিজ নিজ স্বার্থে চলেছে, এখনো চলছে। যারা বাঙালিদের স্বার্থের কথা বলেছে, তারা পাহাড়িদের কথা ভুলে গেছে। যারা মুসলমানের স্বার্থ রক্ষার কথা বলেছে, তারা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানদের স্বার্থের কথা মনে রাখেনি। যারা জনগণতান্ত্রিক বিপ্লব করবে বলে বুলন্দ আওয়াজ তুলেছিল, তাদের চিন্তায়-কর্মেই জনগণের জায়গা ছিল না। আর সাধারণ মানুষের অবোধগম্য এসব অচেনা স্লোগান দিতে দিতে তারা একসময় জনগণ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
    ফলে বাংলাদেশে গরিব-দুঃখী মানুষের পক্ষে কথা বলার রাজনীতিটাই হারিয়ে গেল।

    আসলে কোনো রাজনৈতিক দলই গোটা দেশকে ধারণ করতে পারছে না। তারা কেউ আওয়ামী লীগকে ধারণ করে, কেউ বিএনপিকে, কেউ বা জাতীয় পার্টি বা জামায়াতকে। সবাই গোষ্ঠীগত স্বার্থে মগ্ন। ব্যক্তিস্বার্থে মশগুল। ৪২ বছর ধরেই আমরা নীতি-আদর্শের চেয়ে ক্ষমতাকেই বড় করে দেখছি।

    আমরা এমন একটি রাজনৈতিক দল চাই, যে দলটি সব ভেদাভেদ ভুলে বাংলাদেশের সব মানুষকে হেফাজত করবে। কারও নাগরিক অধিকার ও মানবাধিকার হরণ করবে না। ধর্ম ও জাতিগত পরিচয়ে কারও প্রতি বৈষম্য দেখাবে না। আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান সুযোগ ও অধিকার ভোগ করবে। যে দলটি আইনের শাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী হবে, এবং ব্যক্তি, দল ও গোষ্ঠীর ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে স্থান দেবে।

    হেফাজতে ইসলাম বা অন্য কোনো ধর্ম নয়, কোনো বিশেষ জনগোষ্ঠী নয়, যে দলটি বাংলাদেশের সব মানুষের অধিকার ও স্বার্থ দেখবে, আমরা সেই দলের অপেক্ষায় আছি।“
    – হেফাজতে বাংলাদেশ চাই

    নির্দলীয় সরকারের দাবি মেনে নিন : আল্লামা শফী
    সংকট সমাধানে দুদলকে সমঝোতার আহ্বান
    – হেফাজতে ইসলামের আমীর আহমদ শফি।

    দেশ ও জাতি এক গভীর সংকটময় মুহূর্ত অতিক্রম করছে
    – হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী। 

    আমাদের আম-আদমিরা কোথায়?

    চাই অহিংস নৈতিক শক্তির উত্থান

    কৃষি ও খাদ্যচিন্তাই জন্ম দেয় দেশনায়ক
    – শাইখ সিরাজ: পরিচালক ও বার্তাপ্রধান, চ্যানেল আই।

    “শাহবাগের সমাবেশকে অভিনন্দিত করি একটি কারণে। তা হলো, এটি দেখিয়ে দিল যেকোনো পুঞ্জীভূত পাপের বিরুদ্ধে, জঘন্য পাপীদের বিরুদ্ধে অথবা অন্যায়-অবিচার- অত্যাচারের বিরুদ্ধে কিংবা দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের ফুঁসে ওঠার ক্ষমতা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন অনেক বেশি। তবে প্রতিবাদকে সৃষ্টিশীলতার দিকে নিয়ে যেতে দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব দরকার।
    যে রাষ্ট্র আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি সীমাহীন রক্তের বিনিময়ে, সেই রাষ্ট্রযন্ত্রটিতে মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটছে না। শাসকশ্রেণী ৪০ বছর যাবৎ পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে ক্ষমাহীন ব্যর্থতার। বর্তমান আইন প্রণয়নব্যবস্থা, শাসন বিভাগ ও বিচারব্যবস্থা মানুষের কাছে আর গ্রহণযোগ্য নয়। শাহবাগে সমাবেশে যোগদানকারীদের চোখমুখ থেকে যে বিষয়টি বিচ্ছুরিত হচ্ছে তা হলো, বাংলাদেশের মানুষ আজ চায় না এই রাষ্ট্রব্যবস্থা। তারা চায় বর্তমান রাজনৈতিক ধারার পুনর্গঠন। তারা ভেঙে দিতে চায় এই নষ্ট ব্যবস্থা। কিন্তু উপায়টি খুঁজে পাচ্ছে না। তবে আমরা বলতে পারি, ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়েই যায়।
    পূর্ণ হোক সাধারণ মানুষের ইচ্ছা। জয় হোক নিপীড়িত মানুষের।”
    জেগে উঠলেই জয় হয় মানুষের
    – সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।


    গণজাগরণ মঞ্চ কি রাজনৈতিক দল হয়ে উঠছে

    দেশের সবচেয়ে প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন
    – ড. শাহদীন মালিক, আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট এবং অধ্যাপক, স্কুল অব ল, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি।

    মিথ্যা, মিথ্যাচার, অপপ্রচার
    – ড. আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

    “আমার ব্যক্তিগত ধারণা এই মুহুর্তে সারা পৃথিবীর সাথে সাথে বাংলাদেশও একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পৌঁছেছে। আমরা দিল্লীর নির্বাচনে দেখেছি, আম আদমী পার্টি নামে একটা তরুণদের রাজনৈতিক দল সব হিসেব ওলট-পালট করে ক্ষমতায় চলে এসেছে। যেহেতু বাংলাদেশে বিশাল একটা তরুণদের দল আছে, অনেক হিসেবে তারা ভারতবর্ষের তরুণদের থেকে বেশি রাজনীতি সচেতন। তাই তারা চাইলেই কী এই দেশের রাজনীতির জগতেও একটা ওলট-পালট করে ফেলার ক্ষমতা রাখে না?

    আমাদের এতো কষ্টের এতো ভালোবাসার দেশকে আমরা যেভাবে চাই, যদি সেভাবে গড়ে তোলা না হয় তাহলে কী এই দেশেও নতুন একটা রাজনৈতিক শক্তি গড়ে উঠতে পারে না? যার চালিকা হবে নতুন প্রজন্ম।”

    – এক দুই এবং তিন: মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ঐক্যবদ্ধ থেকে ষড়যন্ত্র মোকাবেলার আহ্বান জানিয়েছে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা

    তরুণ সমাজকেই রাস্তায় নেমে আসতে হবে: মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    তরুণ প্রজন্মের কাছে প্রার্থনা: মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    তরুণ প্রজন্ম এখন নেতৃত্ব নিতে সক্ষম
    – ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। 

    ভর্তি, মান ও দক্ষ জনশক্তি
    – ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।

    বিষচক্রের ফাঁদে বাংলাদেশ
    মুক্তিযুদ্ধ ও ইসলাম কারও একার নয়
    – আনু মুহাম্মদ: অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

    নির্বাচনে জিততে চাইলে জনগণের পক্ষ নিন
    – রফিউর রাব্বি, সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক।



    রাজনীতিবিদরা
    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সবার ঐক্য কামনা
    – জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ: সাবেক রাষ্ট্রপতি, সাবেক সেনাপ্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।

    ঐকমত্যের সন্ধানে
    দেশের ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান
    – ড. কামাল হোসেন: বাংলাদেশের সংবিধানের প্রণেতা, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও গনফোরাম সভাপতি।

    তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান
    – অধ্যাপক এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, FRCP (Glasgow), FRCP(Edin.).: সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট।

    ৫ জানুয়ারী ইলেকশন হয়নি- হয়েছে সিলেকশন

    – বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী: সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ।

    জনগণ তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি চায়
    – আ স ম আবদুর রব: সভাপতি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)।


    এককেন্দ্রিক শাসনব্যস্থা আর নয়
    জাতীয় পার্টি নির্বাচনে নেই : জি এম কাদের
    – গোলাম মোহাম্মদ কাদের: সংসদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী।

    “বঙ্গবন্ধু মানুষকে ভালবাসা দিয়ে সম্মান দিয়ে কাছে টানতেন কিন্তু (বর্তমান নেতৃত্ব) জানে কেমন করে প্রদীপ্ত প্রতিভাকে দমিয়ে রাখা যায়। 
    বঞ্চিত মানুষের বিজয় হবেই – কেউ রুখতে পারবে না।”
    পতাকা দিবস।
    বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ ও আমার অন্তর্দ্বন্দ্ব
    – নুরে আলম সিদ্দিকী: মুক্তিযুদ্ধের সময়কার স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদের অবিসংবাদিত নেতা।

    সংসদ থেকে গ্রাম পর্যন্ত পুরো দেশ ইজারা নিয়েছে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি
    – মাহী বি চৌধুরী: বিকল্পধারা বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব। 

    তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি নিয়ে রাজনীতিবিদরা
    হাসিনাকে পদত্যাগের আহ্বান বি চৌধুরী, রব, কাদের সিদ্দিকীর



    নাগরিক শক্তির প্রতীক্ষায় তরুণ প্রজন্ম

    তরুণরাই নাগরিক শক্তির প্রাণ। 

    রাজনীতি নিয়ে তরুণদের মাঝে যে অনীহা ছিল, হতাশা ছিল – আমরা তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি। তরুণরা এখন সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নিয়ে, আদর্শের রাজনীতি নিয়ে স্বপ্ন দেখছে, রাজনীতিতে আসতে চাইছে।

    “সহমত হব আমরা সবাই একবাক্যে যে সাধারণ মানুষ বড় নিরুপায় ঠিকই, কিন্তু দিন বদলায়ও। ভেতরে ভেতরে ধূমায়িত হচ্ছে ক্ষোভ। কার্যকারণ আবিষ্কার করতেও শিখছে মানুষ। আমাদের এখানে রাজা নেই বহুকাল। রানিরা আছেন। এসব দুর্দশার কারণ তাঁরা। তাঁদের দম্ভ। ক্ষমতার লোভ। ইদিপাসেরও তাই ছিল। নিয়তির চেয়েও ভয়ংকর হলো মানুষের সম্মিলিত শক্তি। মানুষ তার পক্ষের শক্তিকে ঠিক খুঁজে নেয়। পাতা উল্টে দেখুন। ইতিহাস সাক্ষী।”
    – প্রিয় নাগরিকবৃন্দ, শুনুন…, মাহমুদুজ্জামান বাবু: গায়ক ও সংস্কৃতিকর্মী।

    গণজাগরণ মঞ্চের পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট
    – ডাঃ ইমরান এইচ সরকার: মুখপাত্র, গণজাগরণ মঞ্চ।

    “লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সত্য ও সৎ থাকলে সবকিছুই সম্ভব। আর আমি যে কাজই করি না কেন আত্মবিশ্বাস থাকে প্রচুর। আমি মনে করি নতুনরা কাজ করলে যে কোন জায়গাতেই পরিবর্তন আসে। এটা প্রমাণিত। সেই বিশ্বাস থেকেই পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে আমি রাজনীতিতে আসতে চাই।”
    – জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, ছোট ও বড়পর্দার সামপ্রতিক সময়ের আলোচিত মুখ।

    “সারা দেশের মানুষ দুই দলের কাছে জিম্মি হয়ে আছি। আমার কাছে বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে এটাই প্রধান বাধা হিসেবে মনে হয়।”
    – ইব্রাহীম

    “আমরা এখনও যদি চিহ্নিত করতে পারি কারা আমাদেরকে পিছনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে তাহলে আমরা আরও সচেতন হতে পারবো “
    – নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাবিল আহমেদ

    “প্রত্যেক দলের মধ্যে যদি দেশপ্রেম জাগ্রত হয় তাহলেই এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব।”
    – মাদ্রাসা ছাত্র শামিম আহমেদ

    “দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার পালাবদল যে দুটি দলের মধ্যে হচ্ছে তাদের বাদ দিয়ে গণতান্ত্রিক উপায়ে নতুনদের হাতে দেশ পরিচালনা করার সুযোগ করে দিতে হবে।”
    – শম্পা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী


    সূত্র – বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিয়ে কি ভাবছে তরুণ প্রজন্ম? বিবিসি বাংলা



    “আমার মনে হয় আমাদের পৃথিবীতে যে change আসে – আমাদেরই সেই change আনতে হয়। Be the change you want to see.”

    “যে কোন Change এর জন্য Revolutionary Character লাগে। Charismatic কোন Leader থাকলে তার পিছনে এমনিতেই তরুণরা যাবে। কারণ আমরা ৫০% এর উপরে। আমাদের দেশে তো আমাদেরই Power বেশি। আমরা যদি এমন কোন তরুণ পাই – সে হতে পারে নতুন কোন বঙ্গবন্ধু , নতুন একজন জিয়া – এরকম একজন মানুষ হতে হবে। যে Actually আমাদের Move করাতে পারে।”

    “বাংলাদেশের যে দুইটি রাজনৈতিক দল আছে, তাতে তরুণদের অংশগ্রহণ দেখতে পাই না। নতুন একটি রাজনৈতিক দল দেখতে চাই।”

    “আমি রাজনীতি করতে চাই। আমার মনে হয়, আমরা যদি না আসি – আমার মনে হয় না এটা বদলাবে। এখন যেসব existing দল আছে আমার মনে হয় না তারা আমাদের চাওয়া পাওয়ার কোন খেয়াল রাখে। আমি চাই যোগ্য কোন দল আসুক। নতুন কেউ আসুক। নতুন ধারার রাজনীতি।”

    “আমি রাজনীতি আসতে চাই, কারণ আমি যদি কাঁদা পরিস্কার করতে চাই, তাহলে অবশ্যই কাঁদায় নামতে হবে এবং গাঁয়ে কাঁদা লাগাতে হবে।”

    “আমরা যারা সচেতন, আমরা যারা পরিবর্তন চাই, আমরা কেন এগুই না? আমরা সবাই – সুশীল সমাজ, তরুণ সমাজ সবাই মিলে কেন একটা প্ল্যাটফর্মে আসতে পারছি না?”

    “যতদিন পর্যন্ত না আমরা নতুন একটা দল না করবো, নতুন Political culture তৈরি করবো – ততদিন পর্যন্ত আমার মনে হয় না প্রচলিত দলগুলো আমাদের সাথে compete করার জন্য change আনবে।”

    সূত্র – মাক্সিমাস তরুণকণ্ঠ | ১ম পর্ব

     

    “আমি নিজেও একসময় রাজনীতিতে বিশ্বাস করতাম না। রাজনীতিকে গালাগালি করতাম, ঘেন্না করতাম। কিন্তু খুব recently আমিও নিজস্ব উপলব্ধি থেকে মানুষের জন্য কিছু করার জন্য Politics এর সাথে কিছুটা হলেও involved হয়েছি।”

    “তরুণদের কারনেই আজকে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা সফল।”

    “একটা চেতনা আসা দরকার আমরাও কিছু করতে পারি। আমরা যতই ব্লগিং করি, ফেইসবুকিং করি, At the end of the day আমাদের একটা প্ল্যাটফর্মে আসতে হবে। আমাদের রাজনীতিতে যেতে হবে শেষ পর্যন্ত একটা innovative কিছু করার জন্য। আমরা যতদিন না রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেব, আমরা যে পরিবর্তনটা চাই বাংলাদেশের জন্য সেই পরিবর্তনটা আনা সম্ভব না।”

    “তরুণরা এখন innovative কিছু চায়। innovative কিছু চিন্তা ধারা তারা প্রকাশ করতে চায় এবং তারা চাই যে একটা different কিছু হোক দেশের মধ্যে। দেশটা যাতে সুন্দরভাবে এগিয়ে যায়। কিন্তু তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না কারণ পুরনোরা ভাবে তাতে আগের মত দেশ চলবে না।”

    “তরুণ প্ল্যাটফর্মের অংশ হিসেবে তরুণরা নাগরিক সমাজে অংশগ্রহণ করতে পারে।”
    সূত্র – মাক্সিমাস তরুণকণ্ঠ | ২য় পর্ব



    যেসব মূলনীতির ভিত্তিতে নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে সবাই ঐক্যবদ্ধ হবেন:

    ১. সবকিছুর উপর জাতীয় স্বার্থ

    ২. মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

    ৩. জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে সবার একতা, সবার স্বার্থ সংরক্ষণ; সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ

    ৪. গণতন্ত্রমনা – দলের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে জনগণের মতামত, আশা আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে

    ৫. সকল অন্যায়, অপকর্ম, অত্যাচার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান

    নাগরিক শক্তির মূলমন্ত্র: “জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”

    নাগরিক শক্তির গ্র্যান্ড ভিশনঃ সারা দেশের ১৬ কোটি বাংলাদেশীকে ঐক্যবদ্ধ করা।

    সংগঠন
    নাগরিক শক্তিঃ সংগঠন

    নাগরিক সমাজ পথ দেখিয়ে দেয়।
    কিন্তু স্থায়ী এবং সত্যিকারের পরিবর্তনের জন্য জনগণের মাঝ থেকেই পরিবর্তন আসতে হয়।
    বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনগণ এবার নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হতে প্রস্তুত।

    আর আওয়ামী বাংলাদেশ – জাতীয়তাবাদী বাংলাদেশের নামে দেশ বিভক্তি নয়, এবার নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াডের সংস্কৃতি

    বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াডের সংস্কৃতির সূচনার পর বেশকিছু ব্যাপার আমরা লক্ষ্য করছি।

    আমরা লক্ষ্য করছি, অনেকগুলো ছেলেমেয়ে গভীর আগ্রহ নিয়ে গাণিতিক সমস্যা সমাধানে প্রতিদিনের একটা বড় অংশ ব্যয় করে।

    স্কুল কলেজে আমরা গণিত বলতে exercise করি – কিছু নির্দিষ্ট ধাপ বা কম্পিউটার বিজ্ঞানের ভাষায় অ্যালগরিদম মেনে চলি মাত্র। কিন্তু গণিত অলিম্পিয়াডের সমস্যাগুলো সমাধানে ধাপগুলো বা অ্যালগরিদমটা নিজেকে দাঁড় করাতে হয়। অন্যকথায়, গণিত সৃষ্টি করতে হয়।

    একটা উদাহরণ দেই।

    দুটা সংখ্যাকে গুণ করতে আমরা না বুঝেই কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলি – প্রথমে দুটি সংখ্যার সবচেয়ে ডানের অঙ্ক দুটিকে গুণ করি, তারপর হাতে রাখি ইত্যাদি।

    কিন্তু গণিত অলিম্পিয়াডের সমস্যাগুলো সমাধানে এই ধাপ বা নিয়মগুলো – কোন ধাপের পর কোন ধাপ হবে – নিজেকে চিন্তা করে বের করতে হয় – অর্থাৎ গণিত সৃষ্টি করতে হয়।

    আমরা বলি, স্কুল কলেজে তোমরা exercise কর, আর আমরা গণিত অলিম্পিয়াডে problem solve করি। কাজেই এখনও যারা Problem Solving কর না, আশা করি, তোমরাও দ্রুত আমাদের দলে যোগ দেবে!

    যারা Problem Solving করে তাদের অনেক ভাবতে হয়। ভাবতে গিয়ে তাদের “নিউরনে অনুরনন” হয় এবং তারা অনেক ভালভাবে চিন্তা করতে, বিশ্লেষণ করতে শেখে। গণিত অলিম্পিয়াড সূচনার পর একটা প্রজন্ম গড়ে উঠছে যাদের গড় IQ আগের প্রজন্মগুলোর তুলনায় বেশি। নতুন প্রজন্মের এই ছেলেমেয়েরা অনেক ভালভাবে চিন্তা করতে পারে। আমাদের দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দৈনিক এ নিজের ছবি দেখা, বিশ্ব প্রতিযোগিতায় নিজ দেশকে represent করা – অনেক বড় inspirationএই মেধাবী ছেলেমেয়েগুলো যখন দেশ ও সমাজের দায়িত্ব নেবে, তখন আমরা নতুন একটা দেশ গড়ে তুলবো।

    আমরা লক্ষ্য করেছি, গণিত অলিম্পিয়াডের অনুষ্ঠানগুলোতে অনেক ভাল ভাল কথা হয়। আলোকিত মানুষ হওয়ার, দেশকে ভালবাসার অনুপ্রেরণা পায় ছেলেমেয়েরা। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা দেশের গুণী মানুষদের কাছ থেকে দেখার সুযোগ পায়, প্রশ্ন করতে পারে, কথা বলতে পারে এবং এমনকি চাইলে অটোগ্রাফও নিতে পারে!

    দুটা চমৎকার ব্যাপারের

    • একটা হল “গণিত শেখো, স্বপ্ন দেখো” থিম – অনেকগুলো ছেলেমেয়ে নিজের জীবন নিয়ে দেশ নিয়ে বড় বড় স্বপ্ন দেখছে এবং তার চেয়েও বড় কথা স্বপ্নগুলোকে বিশ্বাস করছে। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী দেশের শিশুকিশোর গণিতবিদদের কাছে যে ৩টি স্বপ্নের কথা বলেছিলেন তাদের মাঝে ছিল ২০২২ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী গনিতবিদের ফিল্ডস মেডল জয় এবং ২০৩০ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর নোবেল পুরষ্কার জয়। আমাদের ক্ষুদে গণিতবিদরাও এই স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে নিজেদের তৈরি করছে। 
    • আরেকটা হল একেবারে ক্লাস থ্রি – ফোরের ছেলেমেয়েরা ড. জাফর ইকবালের ভাষায় “পেন্সিল কামড়ে” অঙ্ক করতে আসে!

    আমরা লক্ষ্য করেছি, বাংলা মাধ্যমের বেশ কিছু ছেলেমেয়ে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেল এ পড়ার সুযোগ পেয়েছে। মুন পড়ছে Harvard University তে [1], নাজিয়া MIT তে [2] (তা নাহলে “MIghTy” শব্দটা এভাবে লেখা আমরা কোত্থেকে শিখতাম!), ইশফাক Stanford University তে [3], তানভির Caltech এ [4] (আমাদের শ্রদ্ধেয় প্রফেসর ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এই বিশ্ববিদ্যালয়ে Post-Doctoral Researcher হিসেবে কর্মরত ছিলেন) [5], সামিন Cambridge University তে [6]।

    আগে অ্যামেরিকা, ইউরোপ, এশিয়া বা অস্ট্রেলিয়ার গ্রাজুয়েট স্কুলগুলোতে আমরা এমএস বা পিএইচডি করতে যেতাম। ইংরেজি মাধ্যমের অবস্থাসম্পন্ন ছেলেমেয়েরা পড়তে পারত আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলে। কিন্তু “বাংলা মাধ্যম” থেকে “স্কলারশিপ নিয়ে” “আন্ডার গ্রাজুয়েট” লেভেলে “বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে” পড়তে যাওয়াটা নতুন!

    “বাংলা মাধ্যম” থেকে “স্কলারশিপ নিয়ে” “আন্ডার গ্রাজুয়েট” লেভেলে “বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে” পড়ার পথ দেখানোর কৃতিত্বের একক দাবিদার বাংলাদেশ গণিত দলের কোচ ড. মাহবুব মজুমদার  [7]; যিনি নিজে MIT থেকে Electrical Engineering এ আন্ডারগ্রাড, Stanford University থেকে Civil Engineering এ মাস্টার্স এবং Cambridge University থেকে Theoretical Physics এ PhD করে Imperial College এ [8] Post Doctoral করছিলেন। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের সাথে সম্পৃক্ত হন এবং স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশে থেকে যান। বিদেশী ও ইঞ্জিনিয়ারিং আন্ডারগ্রাড ডিগ্রি থাকা এবং আরও কিছু হাস্যকর কারণ দেখিয়ে তাকে Dhaka University র Physics Department এ যোগ দিতে দেওয়া হয়নি [9]। তিনি স্বপ্ন দেখেন বাংলাদেশে একটা বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার। তার মত ভাল মানুষ সচরাচর দেখা যায় না। আমরা তার পাশে থাকবো।

    ১৯০৫ এ আইনস্টাইনের “Miracle Year” [10] স্মরণে ২০০৫ সালের বাংলাদেশ জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াডে আইনস্টাইন এবং পদার্থবিজ্ঞানের উপর একটা প্রশ্ন উত্তর পর্ব ছিল। সেখানে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলাম। তাই গণিত ক্যাম্পে ড. মাহবুব মজুমদার আগ্রহের সাথে পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করতেন। মেক্সিকোতে যাওয়ার আগে প্রেস কনফারেন্সে দেখি তিনি স্ট্রিং থিউরি (String Theory) র [11]  একটা জটিল পেপার নিয়ে হাজির!

    আরেকটা ব্যাপার লক্ষ্য করার মত। আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে আমাদের সাফল্যের মাত্রা দ্রুত বাড়ছে। আমাদের কিশোর – তরুণ গণিতবিদরা ২০০৬ সালে প্রথমবারের মত অনারেবাল মেনশান, ২০০৯ সালে প্রথমবারের মত ব্রোঞ্জ মেডেল, ২০১২ সালে প্রথমবারের মত সিলভার মেডেল জয় করে এনেছে। আমরা আশা করছি, এই ধারা অব্যাহত রেখে বাংলাদেশ গণিত দল ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড থেকে গোল্ড মেডেল নিয়ে ফিরবে! গোল্ড মেডেল জয়ী সেই গণিতবিদ হতে পারো তুমিই!

    গণিত অলিম্পিয়াড সূচনা এবং সাফল্যের পর বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে অলিম্পিয়াড শুরু হয়েছে।

    • পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড 
    • রসায়ন অলিম্পিয়াড
    • জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড 
    • প্রাণরসায়ন অলিম্পিয়াড
    • ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াড 
      • কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। আমাদের স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েরা এখন আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় মেডেল জয় করে আনছে! ভাবা যায়!  

    গণিত অলিম্পিয়াডের এই সংস্কৃতি সম্ভব হয়েছে কিছু তরুণ – তরুণীর স্বেচ্ছা কর্মোদ্যোগে। আমরা তাদের “মুভারস” (MOVERS – Math Olympiad Volunteers) বলে জানি। একটা শুভ উদ্যোগে দেশের তরুণ তরুণীদের উৎসাহী অংশগ্রহণ আমাদের প্রাণশক্তিতে ভরপুর তরুণ প্রজন্মকে সংজ্ঞায়িত করে।

    নাগরিক শক্তি গণিত অলিম্পিয়াডের এই সংস্কৃতিকে দেশে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেবে।

    – ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক; সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।

    তরুণ প্রজন্ম এখন নেতৃত্ব নিতে সক্ষম
    – ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

    ভর্তি, মান ও দক্ষ জনশক্তি
    – ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।



    তোমাদের জন্য লেখা

    আরও কিছু লেখা

    বাংলাদেশে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড

    রেফরেন্স

    1. Harvard University
    2. MIT
    3. Stanford University
    4. California Institute Of Technology
    5. Dr. Muhammed Zafar Iqbal
    6. Cambridge University
    7. Dr. Mahbub Majumdar
    8. Imperial College
    9. A painful funny story
    10. Einstein’s Miracle Year
    11. String Theory

    Distributed Data Processing Frameworks

    Distributed Data Processing Frameworks

    নাগরিক শক্তির প্রতীক্ষায় তরুণ প্রজন্ম – ২

    তরুণদের মত প্রকাশের মাধ্যম 

    ৯৫.১৫% তরুণ মনে করেন – বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্ব পূর্ণ সিধান্তে তরুণদের মতামত গুরুত্ব দেওয়া উচিত।৮১.৭৬% তরুণ মনে করেন – বাংলাদেশের বিভিন্ন গুরুত্ব পূর্ণ সিধান্তে তরুণদের মতামত গুরুত্ব দেওয়া হয় না। ৯১% তরুণ মনে করেন – তরুণদের মতামত জানার ও জানানোর যথোপযুক্ত মাধ্যম বাংলাদেশে নেই।

    “৫ বছর পর পর নির্বাচন কিভাবে হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে মতভেদ আছে। তরুণরা কি চাই – তা নিয়ে কারও মাথাবাথা নেই। প্রকাশ করার কোন মঞ্চ নেই।”

    “নির্বাচন তরুণদের মতামত প্রকাশের একটা মাধ্যম। নির্বাচন যদি ঠিকভাবে না হয়, সবাই যদি participate না করে তরুণদের মতামত উপেক্ষিত হল।”
    প্রচলিত রাজনীতি 

    “মূল সমস্যা আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি কখনই একবিংশ শতাব্দীর রাজনৈতিক সংস্কৃতি না।”

    “ভোটের সময় আমাদের তরুণদের মনে করা হয় দ্রুত গতির ইন্টারনেট আর সহজ লভ্য সার্টিফিকেট দিয়ে কিনে ফেলা যাবে।” 

    “আমি নিজেও একসময় রাজনীতিতে বিশ্বাস করতাম না। রাজনীতিকে গালাগালি করতাম, ঘেন্না করতাম। কিন্তু খুব recently আমিও নিজস্ব উপলব্ধি থেকে মানুষের জন্য কিছু করার জন্য Politics এর সাথে কিছুটা হলেও involved হয়েছি।”
    মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে বাঁধা

    “কোন কিছুর দোহাই দিয়ে হোক, সংবিধানের দোহাই দিয়ে হোক আমাদের বাঁধা আছে।”

    [‘কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল, বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন, অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র বা ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি প্রদান করা হয়, তাহা হইলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ।’
    কোনো ব্যক্তি এমন অপরাধ করলে ‘তিনি অনধিক ১৪ বৎসর এবং ন্যূনতম সাত বৎসর এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’ এ ধরনের আইন কোনো দেশে বলবৎ থাকলে সে দেশের নাগরিকেরা, বিশেষত ইলেকট্রনিক সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কতটা স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে? এমন আইন যে সরকার প্রণয়ন ও বলবৎ করে, সেটা কেমন সরকার?] 


    “তরুণ কোন representative নেই। আমি যদি আমার বাবা বা মাকে বলতে যাই, বাবা মা আমি Politics করবো, আমার বাবা মা আঁতকে উঠবেন।” 

    “মতামত প্রকাশের চ্যানেলগুলো তৈরি হয় democratic society তে। মনে রাখতে হবে আমাদের একটা গনতান্ত্রিক সমাজ আছে কিনা।”

    “তরুণরা যা চাই, আমাদের যারা বৃদ্ধ – মনের দিক দিয়ে – তারা এটাকে সহজে মেনে নেবেন না। তাদের যে existing system তাতে আমাদের বাঁধা থাকবে নিজেদের express করার। তাই আমাদের unorthodox way ব্যবহার করতে হয়।”




    তরুণদের সাফল্য

    “স্বাধীনতার সময় থেকে ছাত্রছাত্রীদের অবদান আছে। কিন্তু আমাদের এখন সেই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। সুযোগ দেওয়া হলে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীদের অবদান আরও গুরুত্ব পূর্ণ হতে পারে।”

    “তরুণদের কারনেই আজকে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা সফল।”

    “ব্লগ, সোশ্যাল নেটওয়ার্ক আছে। Organized way তে গণজাগরণ মঞ্চ করে দেখিয়ে দিয়েছে কি সম্ভব।”

    তরুণরা innovation পছন্দ করেন, নতুন কিছু চান

    “একটা চেতনা আসা দরকার আমরাও কিছু করতে পারি। আমরা যতই ব্লগ করি, ফেইসবুকিং করি, At the end of the day আমাদের একটা প্লাটফরমে আসতে হবে। আমাদের রাজনীতিতে যেতে হবে শেষ পর্যন্ত একটা innovative কিছু করার জন্য। আমরা যতদিন না রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেব, আমরা যে পরিবর্তনটা চাই বাংলাদেশের জন্য সেই পরিবর্তনটা আনা সম্ভব না।”

    “তরুণরা এখন innovative কিছু চায়। innovative কিছু চিন্তা ধারা তারা প্রকাশ করতে চায় এবং তারা চাই যে একটা different কিছু হোক দেশের মধ্যে। দেশটা যাতে সুন্দরভাবে এগিয়ে যায়। কিন্তু তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না কারণ পুরনোরা ভাবে তাতে আগের মত দেশ চলবে না।”

    তরুণরা মতামত প্রকাশের জন্য নাগরিক সমাজের অংশ হতে চান 

    সিভিল সোসাইটি তে তরুণদের অংশগ্রহণ সিভিল সোসাইটির ভুমিকাকে আরও অর্থবহ করে তুলতে পারে – ৯৭%।

    “অভিজ্ঞ যারা সিভিল সোসাইটিতে আছেন তারা যদি তরুণদের আনেন – তাহলে তরুণরা সিভিল সোসাইটির অংশ হিসেবে মতামত প্রকাশ করতে পারবে।”

    “বাংলাদেশে সুশীল সমাজের সদস্য হতে হলে একটু বয়স্ক হতে হবে, অভিজ্ঞ হতে হবে – ধারণাটা তৈরি হয়ে আছে। আসলে নাগরিক সমাজের যে ধারণা পুজিবাদি সমাজে তৈরি হয়েছে সেটি আসলে মতামত প্রকাশের চ্যানেল তৈরি হওয়া। এখানে আসলে বৃদ্ধ – যুবক এরকম কোন identity নেই। সিভিল সোসাইটির সদস্যরা গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে মতামত প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু তরুণরা সেই নাগরিক সমাজের অংশ হয়ে মতামত জানাতে পারবে তার প্রধান প্ল্যাটফর্ম ছিল ছাত্র ইউনিয়নগুলো। যতদিন পর্যন্ত না ছাত্র ইউনিয়নগুলো নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে ততদিন পর্যন্ত তরুণরা তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে না।”

    “তরুণ প্ল্যাটফর্মের অংশ হিসেবে তরুণরা নাগরিক সমাজে অংশগ্রহণ করতে পারে।”

    “নাগরিক সমাজের একটা existing প্লাটফর্ম আছে, কিন্তু তরুণদের মতামত জানানোর প্লাটফর্ম নেই।”

    “নাগরিক সমাজের অনুষ্ঠানগুলোতে কোন তরুণকে দেখা যায় না।”

    “নাগরিক সমাজের মূল ব্যাপার হল – নাগরিক মতামত তৈরি হওয়ার প্ল্যাটফর্ম তৈরি হওয়া। মূল ব্যাপার হল, নগরের লোকজন তাদের মতামতটা রাজনৈতিক পাইপ লাইনে দিতে পারছে কিনা।”

    মত প্রকাশের নতুন মাধ্যম

    “আমাদের তরুণদের মত প্রকাশের প্ল্যাটফর্ম নেই। আমরা অনলাইনে আক্টিভ হচ্ছি।”

    “ব্লগের মত আমাদের যেন একটা প্ল্যাটফর্ম থাকে – ওখানে গিয়ে আমরা দাবি দাওয়া জানাতে পারবো।”

    “মিডিয়াতে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগ করে দিতে হবে।”

    “তরুণদের আরও competent হতে হবে, আরও জানতে হবে, সজাগ হতে হবে।”

    “তরুণরা এখন volunteering করছে বিভিন্ন Organization এর সদস্য হিসেব। সরকার যদি এসব Organization কে recognize করে তাহলেও Platform তৈরি হবে।”

    “Politics is all about Power. And power comes from Organization. তাই আমার suggestion হবে তরুণরা যত দ্রুত সম্ভব বিভিন্ন মাধ্যমে যাতে সংগঠিত হয়। তাহলে তারা তাদের মতামতকে সবার কাছে পৌঁছে দিতে পারবে।”  

    “আমাদের Structured Organized একটা প্লাটফর্ম দরকার। আমাদের আরও elementary level থেকে grow up করতে হবে।”

    “Participation দুইভাবে হয়- formal ভাবে আর informal ভাবে। formal ভাবে বলতে যে democratic institution গুলো আছে। আরেকটা হচ্ছে থানা ভিত্তিক, জেলা ভিত্তিক, পেশা ভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তৈরি করে নেওয়া।

    ৩য় বিশ্বে জনগণ তাদের মতামত জানায় ethnic group এর মাধ্যমে। ethnic group গুলো কোন একটা কিছুর reaction হিসেবে তাৎক্ষনিক ভাবে সৃষ্টি হয়। হাজার হাজার লাখ লাখ জনতা ঐক্য বদ্ধ হয়। এটা তৃতীয় বিশ্বে একটা common phenomena.

    ডেভেলাপড দেশগুলোতে তরুণরা মতামত দিচ্ছে – তাদের identity ভিত্তিক গোষ্ঠীর মাধ্যমে। সরকারকে বাধ্য করছে – যে না তুমি আমার স্বার্থ লঙ্ঘন করতে পারো না। তরুণরা যতদিন না গোষ্ঠীবদ্ধ হবে ততদিন তরুণরা আবাল বৃদ্ধ বনিতার মত Justice থেকে বঞ্চিত হবে।”

    “গণতন্ত্রমুখী সমাজ না হলে তরুণরা কেন, বৃদ্ধরাও পলিসি মেইকিং এ অংশ নিতে পারবে না।”

    “প্রত্যেক মন্ত্রী বা ওই পর্যায়ের কারও under এ তরুণ একজন representative থাকতে হবে। তাতে আমাদের চিন্তা ভাবনার reflection থাকবে।”

    “রাজনৈতিক নেতাদের available Mail ID থাকা উচিত যেখানে আমরা আমাদের বক্তব্য পৌঁছে দিতে পারবো।”

    “আদিবাসী বা সংখ্যালঘুদের উপর যখন আক্রমণ হয় তখন কিছু কিছু Organization আছে যারা আমাদের সাপোর্ট করে।”  

    “ফেইসবুকে কেউ যখন একটা স্টেইটাস দিচ্ছে, তখন নিজের তাড়না থেকেই দিচ্ছে। আমরা নতুন নতুন এভিনিউ তৈরি করতে পারি মত প্রকাশের জন্য।”



    নাগরিক শক্তিঃ গনজোয়ারের মাধ্যমে পরিবর্তন

    নাগরিক শক্তির শক্তিঃ

    • মুক্তিযোদ্ধা সমাজ 
    • নাগরিক সমাজ
    • তরুণ প্রজন্ম
    • ব্যবসায়ি সমাজ
    • গ্রামীণ নারী
    • মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট, আলেমসমাজ
    • ক্ষুদ্র ও মাঝারী ব্যবসায়ী 
    • পাহাড়ি জনগোষ্ঠী
    • কৃষক সমাজ
    • রাজনৈতিক দল, নেতাকর্মীরা
    • ঘোষণা দেওয়ার পর আমাদের “স্টার-প্যাকড” নেতৃত্ব


    আমাদের অত্যন্ত শক্তিশালী তিনটি নেটওয়ার্ক আছে – তিনটি নেটওয়ার্কের প্রতিটির আওতায় মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ আছেন।

    আরও দুটি ডেমোগ্রাফিক আছে – প্রত্যেকটি কয়েক মিলিয়ন মানুষের।

    গ্রামীণ নারী – ৫০ লক্ষ +

    মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট, আলেমসমাজ – ৩০ লক্ষ +

    গার্মেন্টস কর্মী – ৪০ লক্ষ

    শেয়ারবাজারে ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারী – ৩০ লক্ষ +

    তরুণ ভোটার – (১৮ – ৩৫ বছর) – মোট ভোটারের ৪৫%, অর্থাৎ ৯ কোটি + ভোটারের মধ্যে প্রায় ৪ কোটি+।
    এদের overwhelming majority (প্রায় সবাই- ৯০% +) নাগরিক শক্তির সাথে থাকবে।

    ফেইসবুক ব্যবহারকারি – ৫০ লক্ষ +। এই সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। ব্যবহারকারীর সংখ্যা এক কোটিতে পৌঁছাতেও খুব বেশি সময় লাগবে না। এদের overwhelming majority (প্রায় সবাই – ৯০% +) নাগরিক শক্তির সাথে থাকবে।

    নারী ভোটার – ৪ কোটি ৫০ লক্ষ +।
    মেডিক্যাল কলেজগুলোতে আনুমানিক ৬০ ভাগ ছাত্রী। গ্রামীণ ব্যাংক – ৮৪ লক্ষ গ্রাহক, ৯৭% নারী। গার্মেন্টস – ৪০ লক্ষ কর্মীর মধ্যে প্রায় ৮৫% নারী কর্মী।

    নাগরিক শক্তির পরবর্তী লক্ষ্য 


    কৃষক সমাজ
    আমাদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এদের সংগঠিত করা হবে।
    (প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)

    ভিন্ন ধর্মাবলম্বী, জাতিগোষ্ঠী (প্রায় ৮০ লক্ষ ভোটার)
    বিএনপি-জামায়াত জোট সুযোগ পেলে ঝাপিয়ে পড়বে। আওয়ামী লীগের পক্ষে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব না। একমাত্র নাগরিক শক্তির পক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে ২০০১ নির্বাচন উত্তর সংখ্যালঘু নির্যাতন, রামু, পটিয়া, অন্যান্য হামলা এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনকালীন হামলাগুলোর সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশে চিরদিনের জন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত করবে। এখন জনগণকে সংগঠিত করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী, জাতিগোষ্ঠীর মন জয় করতে হবে।
    (প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)

    প্রবাসে কর্মরতদের পরিবার
    প্রবাসে প্রায় ১ কোটি কর্মী কর্মরত আছেন। তাদের পাঠানো ফরেইন রেমিটেন্সের অর্থ আমাদের অর্থনীতিতে একটা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তারা একটা নতুন ডেমগ্রাফি গড়ে তুলছে। তাদের কারও কারও পরিবারের একটা অংশ গ্রামে থাকলেও ছেলেমেয়েরা শহরে পড়াশোনা, কাজ করছে। এই ডেমগ্রাফির আশা আকাঙ্ক্ষা স্বপ্ন বোঝার চেষ্টা করতে হবে। প্রবাসে কর্মরতদের বিভিন্ন সমস্যা যেমন উন্নত কাজের পরিবেশ, থাকার পরিবেশ এবং সর্বোপরি স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে ক্ষমতায় গিয়ে বাংলাদেশ এম্বেসিগুলোর ভূমিকা বাড়ানো হবে এবং এখন সবাইকে সাথে নিয়ে সরকারকে যথাযথ উদ্যোগ নিতে চাপ দেওয়া হবে। এক একটি দেশে কর্মরতদের পরিবারদের নিয়ে এক একটি সংগঠন গড়ে তোলা যায়। এভাবে শুরু করতে পারলে যারা সংগঠনে আছেন তারাই নিজেদের শক্তিশালী করতে, অধিকার দাবি দাওয়া আদায় করতে অন্যদের অন্তর্ভুক্ত করবেন।
    (প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)

    এলাকাভিত্তিক ভোটার জয় 
    (প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)
    আগামী নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার ৮০% + ভোটার নাগরিক শক্তির সাথে থাকবেন।

    এরা সবাই যখন পরিবার, পরিচিতদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়বে!

    সাথে যোগ দেবেন প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদরা।

    আমাদের “স্টার-প্যাকড” নেতৃত্বের পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো!

    সবার উপরে আমাদের ভিশন এবং জনগণের পাশে থেকে জনগণের জন্য উন্নয়নের রাজনীতি করার অভিপ্রায়। আর মেধা – নেটওয়ার্ক এবং উন্নত ইলেকশান ক্যাম্পেইন স্ট্রাটেজি

    মানুষ সমাজসেবকদের ভোট দেবেন নাকি সন্ত্রাসীদের গডফাদার, দুর্নীতিবাজদের ভোট দেবেন?

    সন্ত্রাসীদের গডফাদাররা, দুর্নীতিবাজরা কালো টাকা, পেশি শক্তি ব্যবহার করতে না পারলে (নির্বাচনী আচরণবিধি সঠিকভাবে প্রয়োগ হলে) তাদের কে ভোট দেবে? অভিজ্ঞতা থেকে জানি, এসব নির্যাতনকারী, খুনি সন্ত্রাসীদের গডফাদারদের বিরুদ্ধে মানুষের চরম ক্ষোভ – কাউকে পেলে ছাড়বেন না – প্রাণের ভয়ে চুপ করে থাকেন।

    আর আওয়ামী বাংলাদেশ – জাতীয়তাবাদী বাংলাদেশের নামে দেশ বিভক্তি নয় – এবার নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ।

    গণজোয়ার উঠবে!

    তরুণদের ভাবনা


    ৮৯% তরুণ দেশের প্রচলিত রাজনীতিতে সন্তুস্ট নন।

    ৯৮% তরুণ মনে করেন মেধাবী তরুণদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের জন্য প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন।

    ৯১% তরুণ মনে করেন – প্রচলিত রাজনীতি গনতন্ত্রামনা রাজনীতি বিকাশের উপযুক্ত নয়।




    আগামী নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের হিসাবে আওয়ামী লীগ ১০% এর চেয়ে কম ভোট পাবে। গোপালগঞ্জে একটি আসন পেতে পারে। তবে ৩০০ আসনের মাঝে ০টি আসন থাকার সম্ভাবনা বেশি। 



    আগামী নির্বাচনে নাগরিক শক্তির লক্ষ্য মোট প্রদত্ত ভোটের ৭৫%+ ভোট নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার।


    নাগরিক শক্তি

    Smart Home With Physical Digital Integration: What The Future Holds

    So, how does your “Sweet Home” gonna look like in a few years?

    I tell you what, lots and lots of Automation!


    Imagine

    • Your Automated Cook downloads a recipe from Web
    • Searches for the lowest price of ingredients deliverable on time and orders ingredients on a shopping site.
    • The shopping site delivers your product via a drone (Saw the Amazon Prime Air?) and transmits a message to your Home Robot.
    • Your Home Robot picks up the delivery and passes it to your Automated Cook.
    • Automated Cook cooks food according to the recipe.


    Imagine

    • A Baby Care-taker Sleeping Bed
    • Responds to baby’s screams (detection by using sensors) with movements of the bed, music etc. (to soothe the baby)
    • Automatically feeds the baby (at pre-defined time).
    • Automatically cleanses your baby (detection by using sensors; delicate actuators). (Obviously, your Baby can’t go to toilet by itself, can it?)
    • Integrated Web-cam for parents. Watch your baby on your Smartphone, swipe on your touchscreen and the Baby care-taker sleeping bed responds to the instruction.
    • Customizable Sleeping Bed with off-the-shelf “Components”. Your baby likes toys? Buy the toy “Component”!

    Sounds futuristic?

    Not at all!

    These are some of the Products and Services you shall see in your coming Smart Home!

    Meet this home Robot from iRobot.


    Still not impressed? 


    How about this!

     

    Just as people today have pets, Baxter makes me feel that people will soon consider Home Robots as their pets.

    Companies Working In Smart Home Space

    Meet the Nest Learning Thermostat!


    একটি গদ্যকার্টুন (!), পতাকা দিবস এবং আমাদের রাজনীতি

    ১.
    ছোটবেলায় (২০০২/০৩ হবে, যখন তাহসিন কাঁধে ব্যাগ নিয়ে স্কুলে যেত) রম্য ম্যাগাজিন আলপিনে একটা গল্প পড়েছিলাম!

    গল্পটা মোটামুটি এরকম।
    একটা ছেলেকে স্কুলে টিচার হোমওয়ার্ক দিয়েছে – “রাজনীতি কি” শিখে আসতে।সে বাসায় ফিরে বাবাকে জিজ্ঞেস করল, বাবা, রাজনীতি কি?

    বাবা ভেবে বললেন, উদাহরণ দিয়ে বোঝাই। আমাদের বাসায় আমি টাকা রোজগার করে আনি। আমি হচ্ছি “পুঁজিপতি” শ্রেণী। তোমার মায়ের কথামত সবকিছু চলে। তোমার মা হচ্ছে “সরকার”। তুমি আমাদের কথামত চল। তুমি হচ্ছ “জনগণ”। আমাদের বাসায় যে ছেলেটা কাজ করে ও হচ্ছে “শ্রমিক শ্রেণী”। আর তোমার ছোট ভাই হচ্ছে “ভবিষ্যৎ প্রজন্ম”

    তুমি সবার মাঝে সম্পর্কগুলো বোঝার চেষ্টা কর। তাহলেই “রাজনীতি কি” বুঝতে পারবে।

    ছেলেটা এতটুকু জেনে দুপুরে ঘুমাতে গেলো।

    হঠাত ছোট ভাইয়ের কান্না শুনে ঘুম ভেঙে গেলো।

    ঘুম থেকে উঠে দেখল, ছোট ভাইটা বিছানায় বাথরুম করে ফেলেছে। কাজেই সে মা কে ডাকতে গেলো।

    দেখা গেলো, মা নাক ডেকে ঘুমাচ্ছেন। বাবা নেই।

    এবার সে বাবাকে ডাকতে গেলো।

    অনেক খুঁজে দেখা গেলো, বাবা রেগে কাজের ছেলেটাকে মারছেন।

    ছেলেটা আর কি করবে। নিজের রুমে ফিরে এলো।

    বিকেলে নাস্তার টেবিলে আবার বাবা ছেলের দেখা।

    এবার ছেলে বলল, বাবা, “রাজনীতি কি” আমি বোধহয় বুঝতে শুরু করেছি।

    বাবা বললেন, কি বুঝলে বল।

    ছেলে বলল, যখন “পুঁজিপতি শ্রেণী” “শ্রমিক শ্রেণী”র উপর অত্যাচার চালায়, “সরকার” তখন নাক ডেকে ঘুমায়। “জনগণ” সবকিছু দেখেও না দেখার ভান করে। আর আমাদের “ভবিষ্যৎ প্রজন্ম” আছে খুব খারাপ একটা জায়গায়। এই হচ্ছে রাজনীতি।

    আমি রাজনীতির এই গল্পটা সুযোগ পেলেই সবাইকে বলতাম।

    যা বলা হত না তা হল, আমাদের দেশের রাজনীতির অবস্থা আরও খারাপ – সরকার সরকারি দায়িত্ব পালনের মাঝে নিজেদের সীমাবদ্ধ না রেখে একইসাথে পুঁজিপতি শ্রেণীর ভূমিকা নিয়ে শ্রমিক শ্রেণীর উপর অত্যাচার চালাচ্ছে। দুর্নীতিতে সর্বোচ্চ স্থান নিয়ে আমাদের দেশের খেটে খাওয়া মানুষের মাথা নিচু করেছে।

    জনগণ এতদিন “সবকিছু দেখেও না দেখার ভান” করছিল।


    এভাবে আর কতদিন?
    ২.



    আজ ২৩ মার্চ। পতাকা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সারা বাংলাদেশ জুড়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়েছিল।

    মুক্তিযুদ্ধের সময়কার স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদের অবিসংবাদিত নেতা নুরে আলম সিদ্দিকী বঙ্গবন্ধুর হাতে পতাকা তুলে দিয়েছিলেন।

    তিনি বলেছেন, “বঙ্গবন্ধু মানুষকে ভালবাসা দিয়ে সম্মান দিয়ে কাছে টানতেন কিন্তু (বর্তমান নেতৃত্ব) জানে কেমন করে প্রদীপ্ত প্রতিভাকে দমিয়ে রাখা যায়।

    বঞ্চিত মানুষের বিজয় হবেই – কেউ রুখতে পারবে না।”

     

    বাংলাদেশের বঞ্চিত মানুষ অবশেষে জেগে উঠেছে। আমরা এবার বিজয় দেখার অপেক্ষায়।

    সম্ভাবনা যখন স্বপ্নকে ছাড়িয়ে

    #StoriesOfMyLife পড়ার সময় Date বিবেচনায় নেওয়া উচিত – আমি কিন্তু ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছি!

    [03.23.14] তারিখের চিন্তা ভাবনাগুলো কেমন ছিল?

    সম্ভাবনা (Possibilities) যখন স্বপ্ন (Dream) কে ছাড়িয়ে [03.23.14]

    আমি সবসময়ই অনেক অনেক বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী (Ambitious)। আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন সবসময় ছিল। 

     
    কিন্তু এখন ভাবলে মনে হয়, সম্ভাবনাগুলো (Possibilities) স্বপ্নকে (Dreams) ছাড়িয়ে অনেক অনেক দূর গেছে
    1.
    চিটাগং কলেজে যখন পড়তাম, যখন বিজ্ঞান-গনিত চর্চা শুরু করি, ব্রেইনের ক্ষমতা – Intelligence – Creativity বাড়ানো যায় – ব্যাপারটা প্রথম যখন বুঝতে পারি – তখন অনেক স্বপ্ন দেখতাম:
    বিজ্ঞান প্রযুক্তিতে নতুন অনেক কিছু করবো, এলিয়েন (Alien) টাইপ বুদ্ধিমত্তা হবে আমার (Other Worldly Intelligence – এত বেশি High IQ আর এত বেশি creative – পৃথিবীর  কারও সাথে তুলনা হয় না) – এই ধরণের!

    কিন্তু এখন মনে হয়, স্বপ্নগুলোকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব

    স্বপ্নগুলো যেন অনেক অনেক বেশি আলোকিত হয়ে, অনেক অনেক বেশি তেজ নিয়ে হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

    কলেজে পড়ার সময় আমার স্বপ্ন ছিল Einstein, Newton দের পর্যায়ে পৌঁছা বা তাদেরও ছাড়িয়ে যাওয়া। তবে আমার কাজের Breadth হবে অনেক ব্যাপক। Physics এর Ultimate Laws, Artificial Intelligence এ বড় breakthrough, Neuroscience এ deeper understanding – এমন কিছু কাজ।

    Einstein, Newton পর্যায়ের কেউ হওয়া বা তাদেরও ছাড়িয়ে যাওয়া – অতটুকু ভাবা যায়।

    কিন্তু আমি এখন যে পর্যায়ে পৌঁছেছি – Einstein, Newton আর Contemporary Leading Scientists দের কাজগুলো শিশুর মত মনে হয়।

    এতটা আমার স্বপ্ন-কল্পনার বাইরে ছিল। এই ধরণের Ultra পর্যায়ে পৌঁছাবো – কখনও ভাবিনি।

    2.  

    দেশ নিয়েও স্বপ্ন দেখেছি!

    ইউনিভার্সিটিতে যখন পড়তাম তখন স্বপ্ন ছিল – বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষেত্রে কোন একটা বড় সাফল্য দেখাবো – তারপর বাংলাদেশ সরকার আমাকে উপদেষ্টা ধরণের কিছু করবে!

    গণিত অলিম্পিয়াডে ছিলাম। বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলবো, নেতৃত্ব দেবো – এমন একটা ইচ্ছা ছিল।

    কিন্তু এত এতগুলো মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যেতে পারবো, Political একটা ক্ষেত্র তৈরি হবে, আর তার মাধ্যমে আমি দেশের জন্য অনেক অনেক কাজ করতে পারবো – আমার ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময়কার ভাবনাগুলোর চাইতে অনেক বেশি কিছু!

    এখানেও সম্ভাবনাগুলো স্বপ্নকে ছাড়িয়ে অনেক দূর গেছে।

     
    3.
    পৃথিবীর সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী দেশটির কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবো, বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা আমাকে এত দ্রুত জানবেন – এসব স্বপ্ন ছাড়ানো বলব নাকি রূপকথা বলবো?  
     
     
    আমি যাতে সবার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারি – সৃষ্টিকর্তা আমাকে সেই ক্ষমতা দিন। 

    Larry Page: Where’s Google Going Next?

    Larry Page wants to change the world.


    “Organizing The World’s Information”, Search, Artificial Intelligence & Machine Learning

    • 15 years of work on search and organizing the world’s information but it is not at all done.
    • Future of search – contextual, personal. Current: Google Now.
    • Google’s focus on Artificial Intelligence and Machine Learning led it to buying DeepMind. Combines Neuroscience and Machine Learning (AI’s European flavor!) to develop Video Game playing Softwares. 
    • More Machine Learning: Speech Recognition (Google Now), automatically forming the concept of “Cat” from Youtube Videos (“Deep Learning” Algorithm [1]) are in this line.

    Google Improves Lives Of People

    • How a Kenyan farmer finds his crop’s problems with Google Search and how people use Google search to solve problems in their lives.
    • Google Loon – providing internet access to two-third population of the world who do not have it. World wide mesh of balloons that can cover and provide Internet access to the whole world.

    Security and Privacy

    • Wants to be notified about the surveillance program.
    • Thinks of providing anonymous access to patient records to Doctors for improving Healthcare.
    • View on Privacy – sharing information with the right people in the right way lead to great things.

    Transportation

    • Super excited about the prospects of Self driving car and transportation system to come. Autonomous Self driving Cars save lives, save space. 
    • “Bikes above the street!” – Bikes moving on strings hanging in the air. 

    Technology & Future

    • The more you know about technology, the more possibilities you see.
    • In technology, we need revolutionary change, not incremental change.
    • Lots of companies don’t succeed over time. What do they fundamentally do wrong? They miss the future. What is the future gonna be and how do we create it? So Larry tries to focus on that – what is the future gonna be and how do we create it and how do we focus our organization on that. So the most important trait – curiosity – looking at things that no one else is looking at, working on stuffs that no one else is working on and taking the risk to make it happen.
    Previous Articles


    Reference

    In determining tariff in the Budget, top priority should be given to factors related to development of Economy and Commerce-Industry (বাজেটে শুল্ক নির্ধারণে অর্থনীতি এবং ব্যবসা-শিল্প বিকাশে সহায়ক চাহিদাগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হোক)

     
     
    বাজেটে শুল্ক নির্ধারণে দেশের অর্থনীতি এবং ব্যবসা-শিল্প বিকাশে সহায়ক চাহিদাগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

    ব্যবসায়ীদের উপর করের বোঝা কমিয়ে এনবিআরের কর আদায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা উচিত।

    নাগরিক শক্তি কর আদায়ে স্বচ্ছতা আনবে। বাজেটে শুল্ক নির্ধারণে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে। যেমন সিগারেট আমদানির উপর শুল্ক বাড়ানো, কম্পিউটার এবং অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তি, ব্যবসার কাঁচামাল ইত্যাদি পণ্যের আমদানির উপর শুল্ক কমানো ইত্যাদি। [1]

    “তিন বছর ধরে একই দাবি
    বৈদ্যুতিক যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ তৈরির মূল কাঁচামাল ‘ইউরিয়া রেজিনস’ আমদানিতে শুল্ক ২৫%। একই শুল্কে আমদানি করা যায় সম্পূর্ণ তৈরি বৈদ্যুতিক যন্ত্রও
    ফটো স্টুডিওগুলোর দাবি আরোপিত ৪.৫% মূসক প্রত্যাহার
    রং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় দাবি ৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার

    ‘‘ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর অনেক দাবি বাস্তবায়নযোগ্য থাকে। কিন্তু যেহেতু তাদের অনেকেই প্রভাব বিস্তার করতে পারে না, তাই তাদের দাবিও পূরণ হয় না
    আবদুল হক
    পরিচালক, এফবিসিসিআই

    সূত্র – প্রাক-বাজেট ২০১৪-১৫: দাবি পূরণ হয় না, পরিবর্তনও নেই

    রেফরেন্স

    নাগরিক শক্তির প্রতীক্ষায় তরুণ প্রজন্ম – ১

    নতুন রাজনীতি

    “আমার মনে হয় আমাদের পৃথিবীতে যে change আসে – আমাদেরই সেই change আনতে হয়। Be the change you want to see.”
    “যে কোন Change এর জন্য Revolutionary Character লাগে। Charismatic কোন Leader থাকলে তার পিছনে এমনিতেই তরুণরা যাবে। কারণ আমরা ৫০% এর উপরে। আমাদের দেশে তো আমাদেরই Power বেশি। আমরা যদি এমন কোন তরুণ পাই – সে হতে পারে নতুন কোন বঙ্গবন্ধু , নতুন একজন জিয়া – এরকম একজন মানুষ হতে হবে। যে Actually আমাদের Move করাতে পারে।” 

    “আমাদের সবাই যখন voice raise করবে তখন সবার মধ্যে এই ভাবনা আসবে – কিছু করা দরকার।”

    “প্রাইমারিলি যা দরকার তা হচ্ছে একটা প্লাটফর্ম যেখানে লিডারশীপ ট্রেইনিং দেওয়া হবে, Ethics ট্রেইনিং দেওয়া হবে।”

    “মন্ত্রী যদি দুর্নীতি গ্রস্থ হন, আমরা পারবো তাদের বাই ফোরস চেইঞ্জ করাতে। তরুণরা এটা পারবো।”

    “বাংলাদেশের যে দুইটি রাজনৈতিক দল আছে, তাতে তরুণদের অংশগ্রহণ দেখতে পাই না। নতুন একটি রাজনৈতিক দল দেখতে চাই।”

    “দেশের জন্য contribute করতে চাই আমরা সবাই – আমি যাদের সাথে কথা বলেছি।”

    “আমি রাজনীতি করতে চাই। আমার মনে হয়, আমরা যদি না আসি – আমার মনে হয় না এটা বদলাবে। এখন যেসব existing দল আছে আমার মনে হয় না তারা আমাদের চাওয়া পাওয়ার কোন খেয়াল রাখে। আমি চাই যোগ্য কোন দল আসুক। নতুন কেউ আসুক। নতুন ধারার রাজনীতি।”

    “এখন যে অবস্থা আছে তাতে রাজনীতিতে involved হওয়া সম্ভব না, কিন্তু যদি নতুন একটা dimension created হয় তাহলে অবশ্যই।”

    “আমি রাজনীতি আসতে চাই, কারণ আমি যদি কাঁদা পরিস্কার করতে চাই, তাহলে অবশ্যই কাঁদায় নামতে হবে এবং গাঁয়ে কাঁদা লাগাত হবে।”

    “আমরা যারা সচেতন, আমরা যারা পরিবর্তন চাই, আমরা কেন এগুই না? আমরা সবাই – সুশীল সমাজ, তরুণ সমাজ সবাই মিলে কেন একটা প্ল্যাটফর্মে আসতে পারছি না?”

    “যতদিন পর্যন্ত না আমরা নতুন একটা দল না করবো, নতুন Political culture তৈরি করবো – ততদিন পর্যন্ত আমার মনে হয় না প্রচলিত দলগুলো আমাদের সাথে compete করার জন্য change আনবে।” 




    প্রচলিত রাজনীতি, নির্বাচন এবং নির্বাচনপূর্ব সহিংসতা


    ৮৯% তরুণ দেশের প্রচলিত রাজনীতিতে সন্তুস্ট নন।

    ৯৮% তরুণ মনে করেন মেধাবী তরুণদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের জন্য প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন।

    ৯১% তরুণ মনে করেন – প্রচলিত রাজনীতি গনতন্ত্রামনা রাজনীতি বিকাশের উপযুক্ত নয়।

    “যারা রাজনীতিতে আসছেন তারা নির্দিষ্ট সময়ে কিছু Earn (রোজগার) করতে আসছেন।”

    “একজনকে মন থেকে ভোট দেব এমন কেউ নেই।”

    “এবার যে ইলেকশান হল এটা গনতান্ত্রিক কোন ইলেকশান না। গনতান্ত্রিক কোন প্র্যাকটিস হচ্ছে না।”

    “বর্তমান প্রধান মন্ত্রী বলেছেন গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থেই এই নির্বাচনটা করতে হয়েছে। কিন্তু আমরা দেখেছি বিরোধী দলকে দমন – নিপীড়ন। Where is Democracy যেখানে বিরোধী দলকে কোন সভা সমাবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না?”

    “শাহবাগে যে গণজাগরণ হয়েছিল, যুদ্ধাপরাধীদের রায়ের বিরুদ্ধে মানুষ যে প্রতিবাদ করেছিল, এই সহিংসতার (নির্বাচনের আগে) বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আসেনি।”

    “ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে।”

    “সংসদেই যেখানে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কোন বিলে ভোট দিলে সদস্য পদ বাতিল হয়, সেখানে আমরা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কি গণতন্ত্র দেখবো?”
    – মাক্সিমাস তরুণকণ্ঠ | ১ম পর্ব

    বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০-১ ধারা

    ৭০। (১) “কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী রুপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোট দান করেন, তাহা হইলে সংসদে তার আসন শুন্য হইবে।” [1]