The Secrets Of Happiness – 1

People aim for a goal.

When someone achieves it, he feels blissful – but only for a short period of time. The feeling of bliss fades with time. The achievement becomes normal. He forgets to feel happy for his current position. This makes people who are successful, and even a person of envy in the minds of a lot of people, actually be unhappy themselves.

But this is not ought to be the case. 


We can always go back in our minds to where we were. We can imagine life without some of the blessings, possessions, positions (even our spouse) we have and express gratitude and feel happy.



The secrets of happiness lay hidden in our minds! 

স্বপ্নের বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা (৩০.০৪.২০১৪)

আমাদের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এবং সর্বোপরি সাধারণ জনগণ অন্যায় – অপরাধ – দুর্নীতি দূর করতে তাদের কার্যকারিতা দেখাচ্ছেন।  


এবার ব্যবসায়ী সমাজের পালা। 

ব্যবসায়ীরা আরও বেশি বেশি পণ্য ও সেবা উৎপাদন করবেন। নতুন নতুন পণ্য রপ্তানি করবেন। রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি আসবে। 

আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় এনে ব্যবসায়ীদের কাজ সহজ করে দেবেন। 

চলমান অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭%+ দেখতে চাই। 

নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারকে ১০%+ এ উন্নীত করবে।

"মাদকমুক্ত বাংলাদেশ" গড়ার পথে অগ্রযাত্রা – ২

“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে এই কয়েকদিনে আমরা আরও অনেকটা এগিয়েছি।


“টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা সিন্ডিকেটে অভিযানের পর গোটা এলাকার দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। এর ধাক্কা এসে লেগেছে স্থানীয় বাজারেও। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দরপতন শুরু হয়েছে। ইয়াবার ‘তরতাজা টাকায়’ সীমান্ত শহরটির হাটবাজার, দোকানপাটে প্রধান ক্রেতা ছিল তারাই। বাজারের মাছ-মাংস থেকে শুরু করে সব কিছুর দাম ছিল আকাশছোঁয়া। এই আকাশছোঁয়া দামের পণ্যের ক্রেতারা অভিযানের ভয়ে লাপাত্তা। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ৩০০ টাকার দেশি মুরগি গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নেমে এসেছে ২০০ টাকায়। হাজার টাকার ইলিশ মাছের দামও নেমে এসেছে অর্ধেকে। এতে সীমান্তের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
সূত্র – ইয়াবা সাম্রাজ্যে পণ্যমূল্যে ধস নিখোঁজ দুজনের হদিস নেই

রাতারাতি পাল্টে গেছে টেকনাফ সীমান্তের দৃশ্যপট। বৈধ-অবৈধ জমজমাট ব্যবসার চেনা দৃশ্যে আকস্মিক যেন ধস নেমেছে। রাতভর নাফ নদীর তীরের চোরাই নৌঘাটগুলোতে বিজিবি সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইয়াবা লেনদেনের নিত্যদিনের সেই দৃশ্যপট চোখে পড়েনি। দামি মোটরসাইকেল নিয়ে ‘ইয়াবা তরুণ’দের ভোর থেকে রাত পর্যন্ত সীমান্ত জনপদজুড়ে ছোটাছুটির দেখাও মিলছে না। যেসব চিহ্নিত ব্যক্তি দিন-রাত ব্যস্ত সময় কাটাতেন মাদক পাচারে সেই ব্যক্তিদেরও দেখা যাচ্ছে না। গত দুদিন ধরে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান পাচারও বন্ধ রয়েছে বলে বিজিবি-১৭ ও বিজিবি-৪২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়কদ্বয় নিশ্চিত করেছেন।”
সূত্র – কারবারিরা হাওয়া, টেকনাফ থমথমে

মাদক মুক্তির আরও খবর



“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ”


“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে আমরা অগ্রযাত্রা শুরু করেছি। এখন সমান্তরালভাবে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হবে – মাদকসেবীদের পুনর্বাসন – যারা ভুল পথে গিয়েছিলেন, তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুনগত পরিবর্তনের গল্প – ৩

এপ্রিল-মে ২০১৩ তে প্রথম যখন আমরা নতুন একটা রাজনৈতিক দল নিয়ে কথা বলছিলাম তখন যারা শুনেছিল তাদের মাঝে কত আগ্রহ! 

  • নাগরিক সমাজের পাশাপাশি ব্যবসায়ী সমাজও দেশে অর্থনীতি ফোকাসড রাজনীতি সূচনার সম্ভাবনা দেখছিল।    
  • ১৬ কোটি মানুষকে এক করার ধারণাটা তখনকার! 
  • “হেফাজতে বাংলাদেশ চাই” [1] তখন লেখা হয়েছিল – এমন একটা রাজনৈতিক দল যে দলটি বাংলাদেশের সব মানুষের হেফাজত করবে।
  • যেসব রাজনীতিবিদ বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে হতাশায় ছিলেন – তারাও আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন। “এককেন্দ্রিক শাসনব্যস্থা আর নয়” [2] তখন লেখা হয়েছিল। 



অক্টোবর ২০১৩ থেকে ধীরে ধীরে আমরা আজকের পর্যায়ে আসি! আমার লেখাগুলোর মাধ্যমে আমাদের ভিশনটা ফুটে ওঠে।  

  • ডিসেম্বর ২০১৩ তে তরুণদের তুমুল আগ্রহ! ছোট বড় সবাই বাংলাদেশের আম আদমি চাইছে!
  • ২০১৪ তে আমরা আস্থা অর্জনের মত অনেক কিছু করেছি।  
    • মাদকমুক্ত বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা 
    • সন্ত্রাসীদের গডফাদারদের নির্যাতন কেন্দ্র বন্ধ করা  
    • সনাতনী সম্প্রদায়ের উপর হামলার প্রতিবাদ 
    • দুর্নীতিবিরোধী দৃঢ় অবস্থান। দুর্নীতিবাজদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা।
    • সবরকম অন্যায় অপরাধ অবিচার দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান।    


কিন্তু সত্যি বলতে – আমাদের পুরো সম্ভাবনার কিছুই এখনও হয়নি! কিছুদিন পর নাগরিক শক্তি আত্মপ্রকাশ করবে আর তারপর পুরোপুরি শুরু হবে! 


সামনের দিনগুলোর কথা কল্পনা করি! 

যতই দিন যাবে – বাংলাদেশ পুরোটা ধীরে ধীরে নাগরিক শক্তি হয়ে উঠবে!


রেফরেন্স

  1. হেফাজতে বাংলাদেশ চাই
  2. এককেন্দ্রিক শাসনব্যস্থা আর নয়

দেশের সন্ত্রাসীদের গডফাদার দুর্নীতিবাজদের ভয়াবহতার চিত্র – ১৩ [লক্ষ্মীপুরের গডফাদার আবু তাহের]

লক্ষ্মীপুরের তাহের বাহিনীর প্রধান গডফাদার আবু তাহের   #SayNoToCorruption

লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র আবু তাহেরের তিন ছেলেই একাধিক খুনের মামলার আসামি তাহেরও খুনের মামলার আসামি ছিলেন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে (১৯৯৬-২০০০) তাহের-পরিবারের সদস্যদের নানা অপরাধের কারণে লক্ষ্মীপুর সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত হয়। ওই সময় বিএনপির নেতা আইনজীবী নুরুল ইসলামকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হয়।

নুরুল ইসলাম হত্যা মামলায় তাহেরের ছেলে এ এইচ এম বিপ্লবের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত। কিন্তু তাহেরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি তাঁর মৃত্যুদণ্ডাদেশ মওকুফ করেন। নুরুল ইসলাম হত্যা মামলা ছাড়াও বিপ্লব আরও চারটি হত্যা মামলার আসামি। এর মধ্যে দুটিতে তাঁর যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, নুরুল ইসলাম হত্যা ছাড়াও বিপ্লবের বিরুদ্ধে চারটি হত্যা মামলা হলো: বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ফিরোজ আলম। পাঁচটি হত্যা মামলায় তাহেরের পালিত ছেলে আবদুল জব্বার লাভলু ওরফে লাবুও আসামি।

তাহেরের আরেক ছেলে এ কে এম সালাউদ্দিন ওরফে টিপু নুরুল ইসলাম, ফিরোজ আলম ও কামাল হোসেন হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। আর তাঁদের বাবা আবু তাহের নুরুল ইসলাম ও কামাল হোসেন হত্যা মামলার এবং মা নাজমা নুরুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।

ফিরোজ আলম হত্যা: দক্ষিণ মজুপুর গ্রামের আবুল কাশেম জানান, ১৯৯৮ সালের ২ অক্টোবর বিপ্লবের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা তাঁর ছেলে পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ আলমকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। সেদিন রাতেই ফিরোজকে শহরের শহীদ স্মৃতি বিদ্যালয়ের পেছনে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে বিপ্লব, টিপু, পালিত ছেলে লাবুসহ ২৪ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

বিপ্লবের মৃত্যুদণ্ডাদেশ মওকুফের কথা শুনে হতভম্ব হয়ে পড়েন আবুল কাশেম। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের কাছে আমরা বারবার পরাজিত।’

নুরুল ইসলাম হত্যা মামলার প্রথম বাদী লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি তারেক উদ্দিন মাহমুদ চৌধুরীর কাছে বিপ্লবের মৃত্যুদণ্ডাদেশ মওকুফের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি রাগে-ক্ষোভে কোনো কথা বলেননি। সমিতির বর্তমান সভাপতি সৈয়দ মো. শামছুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা হত্যা করবে, আর রাষ্ট্রপতি তাদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ মওকুফ করে দেবেন, এটা ন্যায়বিচার হতে পারে না।’

শহরের ওষুধ ব্যবসায়ী বিজয় দেবনাথ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘পাঁচটি হত্যা মামলার আসামি বিপ্লবকে মুক্ত করে দিলেন। বিপ্লবের কথা মনে পড়লেই গা শিউরে ওঠে।’

কামাল হত্যা: বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন হত্যা মামলার বাদী তাঁর ভাই আবদুর রহিম মুঠোফোনে বলেন, কামালকে ১৯৯৯ সালের আগস্টে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তিনি আবু তাহের, তাঁর ছেলে বিপ্লব, টিপু ও লাবুসহ ছয়জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল বিপ্লবের দুই ভাই টিপু ও লাবুকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। এই মামলায় আবু তাহের ও তাঁর ছেলে বিপ্লবের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। 

সূত্র – তাহেরের তিন ছেলেই খুনের মামলার আসামি

গডফাদার আবু তাহেরের আরও কুকীর্তি

এসব খুনি সন্ত্রাসীদের গডফাদারদের সমস্ত ঘৃণ্য কার্যকলাপ পত্রপত্রিকার রিপোর্ট এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা পৃথিবীর সামনে উন্মোচিত হবে, মানুষ তাদের ঘৃণা করবে এবং তাদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দেওয়া হবে।

Programming Languages I Am Learning – Focusing On

Programming Languages I Am Learning – Focusing On And The Reasons Behind Choice

  1. C/C++
    • Systems (Linux, Android, Chrome) Programming 
    • Efficiency. Memory manipulation. Complete control over the environment. 
  2. Go 
    • Systems, Concurrent and Networked Programming 
    • Static Typing
    • Faster compilation 
  3. Java 
    • Managed Code
    • Android Application Development
    • Open Source Libraries and Frameworks
  4. Scala 
    • A blend of all the features you ever saw in different languages! 
    • Tries to answer “So, if we want to let programmers implement this feature as language library rather than language syntax, what features do we need to introduce in the language?” 
      • Features: 
        • Actors Library 
        • Operators as Functions 
        • Flexible syntax (Prefix, Infix, Postfix mixing) 
      • Makes Scala DSL friendly and “scalable”.
      • Makes the core language small (rest of the features are implemented in the library). Lisp Philosophy. 
    • What happens when you try to fuse OOP and Functional Programming on JVM? 
    • Static Typing and Terse syntax
    • Concurrent and Distributed Programming
  5. Clojure 
    • Lisp on JVM
    • Metaprogramming (Programmable Language) 
    • Functional Programming
    • Concurrent Programming
  6. Python 
    • Rapid Development
    • Open Source Libraries and Frameworks
  7. Ruby
    • Object Oriented, Dynamic, Scripting Language
    • Metaprogramming Facilities
    • Ruby on Rails
  8. JavaScript 
    • Web Front-end (with HTML5 & CSS)
    • Object-based Programming 
    • Node.JS
    • Statistical, Numerical Computing 
  9. Haskell
    • Purely Functional Programming
  10. Erlang
    • Fault-tolerant Real-time Parallel Distributed Computing
    • Modifiable without downtime


Current Preference

    If you need complete control over the environment, go down to C++. Otherwise, use Scala, Java. 

    প্রিন্সেস শামিতা তাহসিনকে লেখা খোলা চিঠি – ১২

    নাগরিক শক্তির সামনের দিনগুলোর কথা ভাবলে দারুণ লাগে!

    কত কত মানুষ প্রাণ দিয়ে অপেক্ষা করছে!

    আমাদের মত তরুণরা, গ্রামে থাকা মানুষরা, শহরের নাগরিকরা – এত এতগুলো মানুষ সমস্ত আবেগ দিয়ে নাগরিক শক্তিকে ছড়িয়ে দেবে!

    আমি যখন ছোট ছিলাম, হৃদয় দিয়ে, আবেগ দিয়ে চাইতাম – বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন আসুক। এখন সেই আবেগটা এত এতগুলো মানুষের ভেতর!

    সবাই প্রাণ দিয়ে চাইছে!

    যারা নাগরিক শক্তি করবে তারা হৃদয় থেকে, ভালবাসা থেকে করবে। আমার মনে হয় না পৃথিবীর অন্য কোন দেশে একটা রাজনৈতিক দল এত মানুষের ভালবাসায় প্রতিষ্ঠিত হবে। 

    আমি নাগরিক শক্তির সম্ভাবনাকে ভোটারের সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করি। কিন্তু সংখ্যা মানুষের ভালবাসাকে ধারণ করতে পারে না।

    আমাদের দুই প্রধান দলের দিকে তাকাও। কয়জন মানুষ হৃদয় থেকে দুই দল করে? বিকল্প নেই বলে করতে বাধ্য – এই। যতটা দল করে তার চেয়ে বেশি করে অপর দলের প্রতি ঘৃণা থেকে। সমর্থন করলে অন্যায় কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। আর দুই দলের নেতারা যে কি করে বেড়ান – লুকিয়ে রাখতেন। এখন আমরা সব জানছি। 

    মানুষ হৃদয় থেকে দুই দলের একটাকে সমর্থন করবেই বা কেন? নেতারা কি আমাদের কথা ভাবেন? ভালবাসা পেতে চাইলে ভালবাসা দিতেও হয়।  

    রাজনীতি যে অন্য রকম হতে পারে, চমৎকার একটা ব্যাপার হতে পারে, জনগণের সমস্যাগুলো আন্তরিকভাবে সমাধান করতে পারে, সারা দেশের মানুষকে এক করতে পারে – আমাদের দেশের মানুষ ভুলেই গিয়েছিল! 

    ক্রিকেটে এক একটা সাফল্যে আমাদের আবেগের বহিঃপ্রকাশ দেখো না? নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মাঝে ওরকম স্পিরিট গড়ে তোলা হবে। 

    যতই দিন যাবে – বাংলাদেশ পুরোটা ধীরে ধীরে নাগরিক শক্তি হয়ে উঠবে!

    আর কিছুদিনের অপেক্ষা!

    দেশের সন্ত্রাসীদের গডফাদার দুর্নীতিবাজদের ভয়াবহতার একটি চিত্র – ১২

    নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা শিল্পাঞ্চলের চাঁদাবাজ কাউসার আহমেদ ওরফে পলাশ

    চাঁদাবাজির কারণে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা শিল্পাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ রপ্তানিমুখী সোয়েটার কারখানা পাইওনিয়ার সোয়েটারস লিমিটেড অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কারখানাটিতে ২৫৫০ শ্রমিক কাজ করতেন।


    শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও ইউনাইটেড ফেডারেশন অব গার্মেন্টস ওয়ার্কসের কেন্দ্রীয় কার্যকরি সভাপতি কাউসার আহমেদ ওরফে পলাশের ভয়ে কারখানাটি বন্ধ করতে হয়েছে বলে দাবি করেছেন কারখানার মালিক, শ্রমিক ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। কাউসার আওয়ামী লীগের স্থানীয় একজন প্রভাবশালী নেতার ছত্রচ্ছায়ায় চলেন।
    কারখানার মালিক পরিস্থিতির নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রতিকার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শ্রম, বাণিজ্য, স্বরাষ্ট্র ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে দুই দফা চিঠি দিয়েছেন। কারখানার কর্মকর্তাদের টেলিফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় থানায় সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেএমইএর সভাপতিকে চিঠি দিয়ে পরিস্থিতি জানানো হয়। গত ৫ এপ্রিল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
    জানা গেছে, বছর দেড়েক আগে ফতুল্লায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের মালিকানাধীন হামিদ ফ্যাশনও কাউসার আহমেদের চাপে বন্ধ করে দিতে হয়েছিল।

    সূত্রগুলো বলছে, ফতুল্লার রপ্তানিমুখী টাইম সোয়েটারস, র‌্যাডিকেল, মেট্রো, মাইক্রোফাইবার, পলমল, লিবার্টি, মিশওয়্যারের মতো বৃহৎ কারখানাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। র‌্যাডিকেল ছাড়া বাকি কারখানাগুলো গত নভেম্বর থেকে আবার চালু করা হয়েছে। কাউসার আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘শ্রমিকদের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে এগুলো চালু করা হয়।’
    ফতুল্লার বন্ধ হওয়া চারটি কারখানার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সব ঘটনার সঙ্গে কাউসার আহমেদের সংশ্লিষ্টতা আছে। প্রতিটি কারখানা বন্ধ ও চালুর ঘটনাও প্রায় একই রকম। প্রথমে চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না পেলে শ্রমিকদের উসকে দেওয়া হয়। বহিরাগত শ্রমিকদের কারখানায় ঢুকিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়। কারখানার নিয়মিত শ্রমিকদের পরিচয়পত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরিচয়পত্র ছাড়া শ্রমিকেরা বেতন তুলতে পারেন না। শুরু হয় ক্ষোভ-বিক্ষোভ ও দরকষাকষি। সমঝোতা না হলে একপর্যায়ে মালিক কারখানা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন।

    জানতে চাইলে হামিদ ফ্যাশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইন্তেখাবুল হামিদ গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘শুধু যদি চাঁদা চাইতো, তবে তো রক্ষা পেতাম। আমাদের বলেছিল একেবারেই হামিদ ফ্যাশনস কারখানাটি কাউসার আহমেদের তত্ত্বাবধানে দিয়ে দিতে। এ না করায় শুরু হয় উৎপাত, কারখানার ভেতরে গিয়ে নৈরাজ্য। বহিরাগতদের কারখানার ভেতরে ঢুকিয়ে কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়। পরে আমরা কারখানাটি আবু বকর সিদ্দিকের কাছে হস্তান্তর করি।’

    পাইওনিয়ারও বন্ধ: সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কারখানামালিকের দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, বহিরাগত সন্ত্রাসীদের কাছে কারখানার সব কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকেরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। তাই আইন মেনে কারখানা বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়, বহিরাগত ও কিছু উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিক সাধারণ শ্রমিকদের বেতন নিতে বাধা দেন এবং তাঁদের পরিচয়পত্র ছিনিয়ে নিয়ে তাঁদের জিম্মি করেন। এ কারণে সব প্রস্তুতি থাকলেও মার্চের বেতন এখনো শ্রমিকদের দেওয়া সম্ভব হয়নি। পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা পেলে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করার উদ্যোগ নেবে মালিকপক্ষ।
    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দেওয়া চিঠিতে কারখানার মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. বাদশা মিয়া জানান, ‘এক বছর ধরে স্থানীয় বহিরাগত চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা বেআইনিভাবে অস্ত্র নিয়ে কারখানায় প্রবেশ করে কারখানার কিছু উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিককে দিয়ে বেআইনি দাবিদাওয়া তুলে কারখানার ভেতরে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে। এ সময় তারা মেশিন ভাঙচুর, মারধর, উৎপাদন বন্ধ করার মতো কর্মকাণ্ড করে। এতে প্রতিষ্ঠানের ৬০ কোটি টাকা আর্থিকভাবে ক্ষতি হয়েছে। …ইতিমধ্যে বিপুল অঙ্কের রপ্তানি আদেশ বাতিল হয়েছে।’
    বাদশা মিয়া প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, ‘আমার কারখানায় কোনো শ্রমিকের কোনো রকম পাওনা বকেয়া থাকে না। বরং সরকারের ধার্য করা নিম্নতম মজুরির চেয়ে বেশি বেতন-ভাতা দেওয়া হয়।’ তিনি আরও বলেন, প্রায় ৪০ বিঘা জমির ওপর আধুনিক স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে এবং শ্রমসহ সব আইন মেনে দীর্ঘদিন ধরে ২৫৫০ জন শ্রমিক নিয়ে এ কারখানা পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু চাঁদাবাজদের অত্যাচারে আর টেকা যাচ্ছে না।
    কারা চাঁদা চাইছে জানতে চাইলে বলেন, নারায়ণগঞ্জ এলাকায় যাঁরা প্রভাবশালী, তাঁদের ভয় দেখিয়ে অনেক সন্ত্রাসী এমন নৈরাজ্য করছে। তিনি নির্দিষ্ট করে কারও নাম বলতে রাজি হননি। বাদশা মিয়া বলেন, ‘আজ নাম বললে কাল আমার ওপর আরও অত্যাচার নেমে আসবে।’ তিনি এদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
    তবে কারখানার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা ও শ্রমিকেরা চাঁদাবাজির জন্য শ্রমিক লীগের নেতা কাউসার আহমেদের দিকে আঙুল তুলেছেন।”
    সূত্র – চাঁদাবাজদের ভয়ে রপ্তানিমুখী সোয়েটার কারখানা বন্ধ – ২৫৫০ শ্রমিক বেকার



    দেশের অর্থনীতিকে জিম্মি করে রাখা এসব চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের সমস্ত ঘৃণ্য কার্যকলাপ পত্রপত্রিকার রিপোর্ট এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা পৃথিবীর সামনে উন্মোচিত হবে, মানুষ তাদের ঘৃণা করবে এবং তাদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দেওয়া হবে।

    "যৌতুক প্রথামুক্ত বাংলাদেশ" গড়ার পথে অগ্রযাত্রা

    একবিংশ শতাব্দীতে এসেও যৌতুকসহ বিভিন্ন কারণে দেশে নারী নির্যাতনের হার এখনও আশঙ্কাজনক পর্যায়ে। দেশে এখনও অহরহ বাল্যবিবাহ ঘটে।নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গ্রামে গ্রামে নারীদের মাঝে ঐক্য গড়ে উঠবে – এই লক্ষ্যে কাজ করার সময় এসেছে।

    নাগরিক শক্তি নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। আমরা প্রত্যাশা করি, নারীরাই দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসবেন।

    আমরা কি পারি না, যেসব বৃদ্ধ বাবা অর্থাভাবে মেয়ের বিয়ে দিতে পারছেন না – তাদের চোখের অশ্রু মুছে পাশে গিয়ে দাঁড়াতে?
     
    যুবকরা কেন পিছিয়ে থাকবে? গ্রামের যেসব যুবক আড্ডা দিয়ে সময় কাটাত, তারা কি চাইলেই পারে না এক হয়ে নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে সবার চোখে “হিরো” হয়ে উঠতে? পারে না যৌতুক, বাল্যবিবাহ এবং এসব থেকে উদ্ভূত বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা, যেমন নারী নির্যাতন, এর বিরুদ্ধে সবাই মিলে অবস্থান নিতে? 

    “যৌতুক প্রথামুক্ত বাংলাদেশ” – এই লক্ষ্য নিয়ে এখনই কাজ শুরু হোক। নারীরা ঐক্যবদ্ধ হলে এক একটি ইস্যুতে তারা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। নাগরিক শক্তি এক্ষেত্রে সবরকম সহায়তা করবে।
     
     
    আজকের পত্রিকায় 
     
    “ময়মনসিংহে দুস্থ, অস্বচ্ছল ও গরিব পরিবারের ১০ জোড়া বর-কনের যৌতুকবিহীন বিয়ে সম্পন্ন করেছে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ইসলাহুল মুসলিমিন পরিষদ বাংলাদেশ।যৌতুকবিহীন এ বিয়ে পড়ান ওই সংগঠনের সভাপতি ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের খতিব আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ।

    এদের মধ্যে লিলি নামের এক মেয়ের যৌতুকের অভাবে বিয়ে হচ্ছিল না। যৌতুকের কারণে দুই দফায় দু’টি ভালো সম্বন্ধ ছুটে যায়। এ কারণে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলেন লিলি’র বাবা-মা, এমনকি লিলিও। যৌতুক ছাড়া বিয়ে হওয়ায় খুশি হয়েছেন লিলি ও তার বাবা-মা।

    যৌতুকবিহীন বিয়ে উপলক্ষ্যে সালতা গ্রামে ছিল অন্য রকম আমেজ। পাঞ্জাবি আর টুপি পড়ে বর আর লাল বেনারশি পড়ে কনেদের বিয়ের আসরে আনা হয়।

    বিয়ের উপহার হিসেবে নতুন দম্পত্তিরা পেয়েছেন একটি করে ভ্যান ও সংসার সাজানোর যাবতীয় উপকরণ।

    বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ইসলাহুল মুসলিমিন পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসুদ বলেন, ‘আমাদের দেশে যৌতুক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি হিসেবে দেখা দিয়েছে। শুধুমাত্র যৌতুকের কারণেই অনেক অস্বচ্ছল পরিবারের মেয়েদের বিয়ে হয় না।”

    বাংলাদেশের নারীরা

    স্বপ্নের বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা (২৬.০৪.২০১৪)

    বাংলাদেশ দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে।


    প্রতিদিন নতুন নতুন ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রযাত্রার খবর প্রকাশিত হচ্ছে। 

    আজকের (২৬.০৪.২০১৪) পত্রিকায় আমাদের অগ্রযাত্রার খবর



    অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথে অগ্রযাত্রা 


    তথ্য প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে উন্নত বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা 
    বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করবে। 


    নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা
    বাল্যবিবাহ রোধ, “যৌতুক প্রথামুক্ত বাংলাদেশ”, নারী নির্যাতন রোধ, ইভটিজিং রোধ 




    অন্যায়-অপরাধ-দুর্নীতি-সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা