Let hateful crime of question paper leak be stopped (বন্ধ হোক দেশে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘৃণ্য অপরাধ)

 

প্রশ্নপত্র ফাঁস করে অযোগ্য ব্যক্তিদের সুযোগ করে দেওয়ার মাধ্যমে দেশের যোগ্য, মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।

মেধাবী, যোগ্যদের মূল্যায়ন না হলে আমাদের দেশ মেধাশুন্য হয়ে যাবে।

ইতিপূর্বে মেডিক্যাল কলেজ ভর্তি পরীক্ষার মত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। একজন ছাত্র বা ছাত্রী স্কুল কলেজে ১২ বছর পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নেয় মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির জন্য। তাদের এবং তাদের পরিবারের সারা জীবনের স্বপ্নকে দুর্নীতির মাধ্যমে রুদ্ধ করার অধিকার কারও নেই।

প্রশ্নপত্র ফাসেঁর দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

লালমনিরহাটে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাসেঁর অভিযোগে ঘৃণ্য অপরাধীদের আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের অভিনন্দন।

 

সারা দেশে শুরু হোক গোয়েন্দা নজরদারি। বন্ধ হোক দেশে এই ঘৃণ্য অপরাধ।

“লালমনিরহাটে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাসেঁর অভিযোগে আটককৃতরা হচ্ছেন- প্রাথমিক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেনের এপিএস আবু বকর সিদ্দিক শ্যামলের ভগ্নিপতি সাফি, পাটগ্রাম উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি দেবাশিষ, বড়খাতা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আহসান হাবিব লাভলু ও পরীক্ষার্থী শারমিন আফরোজ। আটককৃতদের কাছ থেকে ২৩টি মোবাইল সেট ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

এসব ঘৃণ্য অপরাধীদের আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলা শহরে দোয়েল নামে একটি আবাসিক হোটেলের কয়েকটি রুমে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।” [1]

প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আরও খবর

 

 

“মেয়েটি বলল, আমরা এতো কষ্ট করে পড়াশোনা করি আর কিছু মানুষ বাজার থেকে প্রশ্ন কিনে এনে পরীক্ষা দেয়, পরীক্ষায় ভালো করে, ভালো জায়গায় সুযোগ পায়। তাহলে এটাই কী নিয়ম- এই দেশটা দুর্বৃত্তদের? আমরা কিছু না?

মেয়েটি বলল, ‘আমার কাছে যে প্রশ্ন আছে আমি আপনাকে এখনই পাঠিয়ে দিই। দু’দিন পর পরীক্ষা হয়ে গেলে আপনি মিলিয়ে নেবেন।’ আমি বললাম, ‘ঠিক আছে।’ মেয়েটি সাথে সাথে আমাকে হাতে লেখা কিছু প্রশ্ন পাঠিয়ে দিল।”

 

 

“এই দেশের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে আমাদের দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, আমরা সেটা নিয়ে কতো স্বপ্ন দেখি। আমাদের ছেলেমেয়েরা এই স্বপ্নকে ধারণ করে, লেখাপড়া করে, তারপর দেখা যায়- এই দেশের সরকার একটা পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা দিতে পারে না!” 


সূত্র – কেউ কি আমাকে বলবেন? – প্রফেসর মুহম্মদ জাফর ইকবাল

রেফরেন্স

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

w

Connecting to %s