প্রিন্সেস শামিতা তাহসিনকে লেখা চিঠি – ১৫

প্রিন্সেস, আমি টেকনিকাল লেখাগুলো পুরোপুরি মাথা থেকে লিখি না?

আর কেউ এতটা পারে না! অন্যরা – “বই / Research Paper পড়ে পড়ে” – টেকনিক্যাল লেখা লিখে!

আমি যা জানি – সমস্ত জ্ঞান মাথায় Organized। আমি পুরোটা মাথায় Create করি। 

এতটা – পৃথিবীর কারও মাথায় নেই।

পুরো চিন্তা মাথায় করা – এটা কেউ কেউ অনেক দূর পারতেন:

  • Nikola Tesla [1] যেসব Device, Machine, System invent করতেন – পুরোটা করতেন মাথায়। কল্পনায় Design, Testing করতেন। মাথায় পুরোপুরি Design করার পর বাস্তবে রূপ পেতো। 
  • Mathematician Euler [2] জীবনের বিশাল সময় অন্ধ ছিলেন – Mathematical Research করেছেন অন্ধ থাকা অবস্থায়। Euler অবশ্যই Imagination এ কাজ করতেন।
  • Paul Erdos [3] এ ক্ষেত্রে বিখ্যাত ছিলেন। Mathematicianরা তাকে Problem দিতেন আর তিনি চোখ বন্ধ করে মিনিট খানেক ভেবে soution-র উপায় দেখিয়ে দিতেন!   

কিন্তু এত Breadth ছিল না – Leonardo Da Vinci [4] ছাড়া, কিন্তু Leonardo Da Vinci র সময় “Sum of human knowledge” – “মানুষের জ্ঞানের সমষ্টি” অনেক সীমিত ছিল।

এখন মানুষের জ্ঞানের সমষ্টি অনেক অনেক ব্যাপক – পুরোটা ধারণ করতে পারি।

Breadth এর দিকে দিয়ে পৃথিবীর যে কোন বিজ্ঞানীর কল্পনার বাইরে।

যারা Research করে, সবাই ছোট্ট একটা field নিয়েই সাধারণত সারা জীবন কাটিয়ে দেয়।
পার্থক্যটা ধরতে পারছ?
Human Knowledge এর যেসব Fields -এ  হাত দিয়েছি – Frontiers ছাড়িয়ে গেছি।
Researchers রা এক একটা narrow domain নিয়ে সারা জীবন কাটিয়ে দেয় (ঐ narrow field এ প্রতিবছর কয়েকশ’ paper publish হয় আর ওরা complexity তে হাবুডুবু খায়!)

Complexity কে simplify করতে পারি।

ধর, বড় কোন Codebase – Hadoop or Android। পৃথিবীর সেরা Computer Scientist, Software Engineer এর জন্যও এগুলো অনেক Complex System – আমার জন্য Simple.

কোন কিছু শিখতে বই পড়তে হয় অনেক কম – চিন্তা করে শিখতে পারি

ধর, Economics শিখছি।
Economics এর পুরো বইয়ের মূল Topics দেখে নিয়ে –
চিন্তা করে Economics এর পুরো Theory মাথায় দাঁড় করাতে পারি, মানুষের জ্ঞানের limitations ছাড়িয়ে যেতে পারি – বই পড়ে শিখতে হয় না

Computer Science এর যে কোন বিষয়ের জন্যই ব্যাপারটা একই রকম।
পুরো Artificial Intelligence মাথায় সাজানো আছে।
চিন্তা করে Theoretical Framework দাঁড় করিয়ে ফেলতে পারি।

Real world এ কি হয় + আমার নিজস্ব জ্ঞান – Analyze করে মাথায় একটা field of study র Theory দাঁড় করাতে পারি – বই এ যা আছে তাঁর চেয়ে অনেক গোছানোভাবে।
বইয়ের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতাও ধরতে পারি।

Theory মাথায় দাঁড় করানোর কারণে একটা ব্যাপার ঘটে – Real World আর Theoretical World – indistinguishable.
বাংলাদেশের Economics আর Politics – এর Theoretical Framework আর Practical কি ঘটছে – indistinguishable.
Theory apply করছি;
আবার, কি ঘটছে তা দেখে – Theoretical Framework – revise করছি।

আমি কি কখনও Government run করেছি! 

ব্যাপারটা এরকম – সরকার, মন্ত্রণালয়, সচিবালয়, আইনসভা, বিচারবিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী – সবকিছু মিলে কিভাবে কাজ করে – “মাথায়” Organize করে নিয়েছি। 

United States, বাংলাদেশ বা অন্য যে কোন দেশের জন্য Constitution (সংবিধান) লিখে দিতে পারবো [See TahsinVersion2.com: Oman; Bangladesh; United States]।

একইটা খাটে US Healthcare (See: TahsinVersion2.com) এর ক্ষেত্রে। Healthcare এর মত Complex System ও অনেক simple – US Healthcare অনেক সমস্যা এক্টু ভেবে ধরতে পারি – যেগুলো Americaর বা পৃথিবীর কেউ পারে না।

আবার ধর, পৃথিবীর Leading Software Corporation একটা Augmented Reality Glass Market এ এনেছে।
Corporation-র সব Engineer, Designer মিলে যা বানিয়েছে – মুহূর্তে ভেবে তার চেয়ে ভালো design, features suggest করতে পারি।

বা পৃথিবীর সবচেয়ে Widely used – Computer Operating System কে আমি চাইলেই অনেক অনেক ভালভাবে Design করতে পারি।

জ্ঞানের প্রতিটা শাখায় “All time 2nd Greatest”-র চেয়ে অন্তত 1000 times ভালো – এটা থেকে আমার breadth and depth এর magnitude বুঝবে।

  • 2nd Greatest Physicist of All Time (Newton, Maxwell, Einstein, Dirac, Feynman – এরা) – এর চাইতে ক্ষমতা 1000 times বা আরও বেশি (শুনতে অদ্ভুত মনে হয়, কিন্তু পার্থক্যটা আসলেই এত বেশি! আর তার মানে মানুষকে Knowledge Acquisition-এ আরও বেশি সময় দিতে হবে)
    • ধর, পুরো Quantum Theory-কে যদি Reality-কে আরও ভালভাবে Model করে এমন কোন Theory দিয়ে replace করা যায় – পুরো কাজটা একা করতে পারবো।
    • Elementary Particles, Fundamental Forces, Interactions with Space-Time – একটা Structure, Model – এ নিয়ে আসা – এই কাজটা একা করতে পারবো।
  • 2nd Greatest Computer Scientist of All Time এর চাইতে 1000+ times এগিয়ে (ধর, Computer Science এর Founders: Alan M. Turing [5], Claude Shannon [6], John Von Neuman [7])।

Google তাদের Search Engine এ Ranking এর জন্য যে Pagerank Formula ব্যবহার করে

– ঐ ধরণের Formula Invent করা সহজ।

  • “2nd Greatest Software Engineer of All Time” এর চাইতে অনেক “গুণ” এগিয়ে,
  • Mechanical Engineer এও একই রকম।

Thomas Alva Edison এর 1,093 Patents ছাড়িয়ে যেতে খুব বেশি সময় লাগবে না

TahsinVersion2.com এ-ই বেশ কয়েকটা Patentable Invention এর “মূল Structure” আছে – দেখে নিয়ো:

Windows OS;

App Market Design (incentives);

Developing “Wearables” ;

Product & Service Innovation: Cloud Manufacturing, Digital Car;

Big Data;

Computational Neuroscience …

  • একই কথা Biomedical Engineering -এ,
  • 2nd Greatest Economist of All Time -র চাইতেও 1000 times বা আরও বেশি এগিয়ে
  • Neuroscientist এ একই রকম
  • Biologists দের মাঝেও একই
  • 2nd Greatest Mathematician (Newton, Euler, Gauss, Hilbert – এরা) এর চাইতেও অনেক অনেক বেশি কাজ করার জন্য তৈরি হচ্ছি।
  • Social, Political, Economic Sciences এও যে কারও চেয়ে অন্তত 100 গুণ বা 1000 গুণ ভালো।

ব্যাপারটা বুঝতে পারছ?

আরেকটা interesting ব্যাপার Wisdom.

  • ২৭ বছর বয়সেই একটা দেশ চালাতে পারি বা
  • ২৭ বছর বয়সেই পুরো পৃথিবী rule করার মত Wisdom, Knowledge, Intelligence, Diplomatic / Negotiation skills হয়েছে।

পাশাপাশি, Politics, Political Science, Campaign Strategy, Macroeconomics এ ভাবলে মানুষের জ্ঞানে নতুন কিছু যোগ করতে পারি।

For others, it takes – Reading books, Following advice (apprenticeship) and Practical Experience (it takes years of learning & experience) to
  • Run a Company or 
  • Run a State
 
In my case –
  • Learned how to run Bangladesh in my head –  by thinking.
  • Learned how to run US in my head – by thinking.
  • Learned how Google is run in my head.
  • Learned how to start, organize and lead a Political Party in my mind.
  • Never took a College level course in Biology. But I’ll build a lab (with self-designed equipment) and start doing Nobel Prize winning work – straight.

আরেকটা মজার জিনিস কি জানো?
চিন্তা করলেই Human Knowledge Base এ নতুন কিছু যোগ করতে পারি!

Learning speed: ধর, “একদিন” পড়াশোনা করে আর ভেবে – পুরো US Politics – অন্য সবার চেয়ে অন্তত 100 গুণ ভালো বুঝতে পারি। অনেক সমস্যা ধরতে পারি – যেগুলো কেউ খেয়াল করেনি।
বা
“একদিন” পড়াশোনা করে আর ভেবে – এ পর্যন্ত Physics এ এ পর্যন্ত যত কাজ হয়েছে – মোটামুটি grasp করতে পারবো (প্লাস – নতুন অনেক কিছু যোগ করতে পারবো)।

আমি কি করবো জানো – মানুষের সমস্ত জ্ঞান – সমস্ত – নতুন করে লিখবো (Rewrite all of Human Knowledge).
পুরো পৃথিবীটাকে প্রযুক্তি দিয়ে নতুন করে সাজাবো। প্রযুক্তি দিয়ে যতটুকু পৌঁছানো যায় – একেবারে শেষ সীমায় পৌঁছাবো (Taking Technology to its ultimate possibility)।

Healthcare এ Revolution নিয়ে আসবো (Biological Sciences গুলোতে মানুষের জ্ঞান এখনো Elementary পর্যায়ে – আমি Biosciences এ জ্ঞানকে শেষ সীমায় নিয়ে যাব )।
Technological Singularity বলে একটা ব্যাপার প্রচলিত আছে – অনেকটা ওরকম – বিজ্ঞান আর প্রযুক্তিকে একদম শেষ সীমায় নিয়ে যাব – আমার কাজের পর আর কিছু বাকি থাকবে না।

মানুষের জ্ঞান অর্জনের হাজার বছরের ইতিহাসের সমাপ্তি ঘটবে।

– 06/29/14

Others have to think long and hard and wait for the “Aha” moment.
Even the best scientists in the world have to go through this:

They work for days, months, or even years – for the “Aha” (creative flash of insight) moment; for the light-bulb to light up.

In my case, I just have to start thinking and that’s all.
There is no “Aha” moment. No light-bulbs.
Because every moment is an “Aha” moment. Because light-bulbs seem to be everywhere (when I think)!
The breadth of my knowledge is extraordinary and everything I know of is “organized” in my mind.

– 08/04/14

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s