আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ (২৬/৬/১৪)

1.নাগরিক শক্তি: সংগঠন

সেক্রেটারিয়েট

জেনারেল সেক্রেটারি
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) এম সাখাওয়াত হোসেন: সাবেক নির্বাচন কমিশনার

কো-জেনারেল সেক্রেটারি
অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা
অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. আবুল বারাকাত: মুক্তিযোদ্ধা; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান; জনতা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান; বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি।

সিনিয়র জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি
জনাব আতিকুল ইসলাম: সভাপতি, বিজিএমইএ
জনাব মাহমুদুর রহমান মান্না: আহ্বায়ক, নাগরিক ঐক্য

“নাগরিক শক্তি”র আনুষ্ঠানিক আত্নপ্রকাশ ঘোষণার পর জেনারেল সেক্রেটারি, কো-জেনারেল সেক্রেটারিদ্বয় এবং সিনিয়র জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারিবৃন্দ নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবেন।

ন্যাশনাল মেম্বারস কাউন্সিল

মেম্বারস
জনাব রফিউর রাব্বি: সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব; সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক
ন্যাশনাল মেম্বারস কাউন্সিলের পাশাপাশি জনাব রফিউর রাব্বি নারায়ণগঞ্জ জেলা নাগরিক শক্তির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

নাগরিক শক্তির প্রতীক হবে “বই”।

মূলমন্ত্র হবে “জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”।

রেফরেন্স
নাগরিক শক্তি : সংগঠন (Organizaion of Nagorik Shakti)

2.“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ে তোলায় অগ্রগতি

মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন (banglanews24.com)

“ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ বলেন, মাদক নির্মূল করতে হলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে ডিএমপি ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির যৌথ আয়োজনে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় মাদকের ভয়াল রূপ নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়।”

– এমন একটা চমৎকার আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ তথা ডিএমপির ফরমালিন বিরোধী, মাদক বিরোধী, অপহরণ-গুম বিরোধী ভূমিকার কথা দেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। 
গত বছর “স্বপ্নের পুলিশ” নিয়ে আয়োজিত একটি সেমিনারে ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ বলেছিলেন, স্বপ্নের রাজনীতির জন্য স্বপ্নের মানুষ দরকার। – স্বপ্নের পুলিশ গড়ে তুলতেও আমাদের স্বপ্নের মানুষ দরকার।

বরগুনায় আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস পালিত (banglanews24.com)
আন্তজাতিক মাদক বিরোধী দিবসে রাজবাড়ীতে রালি – সভা (banglanews24.com)
নীলফামারীতে মাদক বিরোধী রালি (banglanews24.com)
মৌল্ভীবাজারে মাদক বিরোধী রালি (banglanews24.com)
পিরোজপুরে আন্তজাতিক মাদক বিরোধী দিবস পালিত (banglanews24.com)
নেত্রকোনায় মাদক বিরোধী রালি (banglanews24.com)

ভোলায় মাদক বিরোধী রালি ও আলোচনা সভা (banglanews24.com)
রাজশাহীতে মাদক বিরোধী দিবস উদযাপন (banglanews24.com)
সুনামগঞ্জে মাদক বিরোধী মানববন্ধন-আলোচনা সভা (banglanews24.com)

আন্তজাতিক মাদক বিরোধী দিবসে সারা দেশে জনসচেতনতামূলক আয়োজন অনুষ্ঠিত করায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সকল বাহিনী (পুলিশ, রাব, বিজিবি) এবং সর্বোপরি সচেতন জনগণকে অসংখ্য ধন্যবাদ!  

সারা বিশ্বে বাংলাদেশ হবে প্রথম মাদকমুক্ত দেশ – আন্তজাতিক মাদক বিরোধী দিবসে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
আর তারপর:
“এই পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়”।

সেই লক্ষ্য অর্জন পর্যন্ত সবার কর্মউদ্দীপনা অব্যাহত থাকুক।

অগ্রগতির অন্যান্য খবর
পঞ্চগড়ে ৩ মাদকসেবীর কারাদন্ড (banglanews24.com)

3.দেশের স্থানীয় সরকারগুলোর ভূমিকা জোরদার করা হচ্ছে।
নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে স্থানীয় সরকারগুলোর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করবে। স্থানীয় সরকারগুলোর জন্য বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

পার্বতীপুর পৌরসভার বাজেট ঘোষণা (banglanews24.com)
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদে ৪৫ কোটি টাকার বাজেট (banglanews24.com)
নোয়াখালী পৌরসভায় ৭৩ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা (banglanews24.com)

4.এককালে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজের দাপটে অতিশঠ নারায়ণগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট।
নারায়ণগঞ্জবাসীকে এখন নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় থাকতে হয় না।

ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, কক্সবাজার জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের উপর আমাদের ফোকাস থাকবে।

5.বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির খবর

রাজনৈতিক অস্থিরতায় গতি কমেনি বিদেশী বিনিয়োগের (prothom-alo.com)

– গত বছর দেশে প্রায় ১৬০ কোটি ডলারের বিদেশী বিনিয়োগ এসেছে।

a.উন্নত অবকাঠামো নির্মাণ (যেমন
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন,
গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ,
পদ্মা সেতু নির্মাণ,
মহাসড়কগুলোর প্রশস্থতা বাড়ানো),
[সবার জন্য:
ধরা যাক, সরকার ঢাকা – চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রশস্ততা বাড়ালো।
এতে যানজট কমবে।
যানজট কমলে পণ্য পরিবহনে পেট্রোল / ডিজেল খরচ কমবে।
পণ্য পরিবহণে খরচ কমলে পণ্যের দাম কমবে।
আবার, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হলে, সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ হলেও পণ্যের খরচ কমবে।
পাশাপাশি, ব্যবসায়ীদের আস্থা বাড়বে। লাভ নিয়ে অনিশ্চয়তা কমবে।
পণ্যের দাম কমলে দেশের মানুষের স্বস্তি ফিরবে।
আবার ব্যবসার পরিবেশ উন্নততর হলে দেশের অর্থনীতি, উৎপাদনশীলতা, জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে।
বিদেশী বিনিয়োগকারীরা, যারা সর্বোচ্চ লাভ চান, বিনিয়োগের সিধান্ত নিতে একটা দেশের পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থা, মহাসড়কগুলোর অবস্থা বিবেচনায় নেন।
নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কল্পনা করুন। আপনি যুক্তরাষ্ট্রের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের CEO। আপনি মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবেন। বিনিয়োগ বাংলাদেশে করবেন নাকি মায়ানমারে করবেন – তা নির্ধারণ করতে নিশ্চয়
দুই দেশের পণ্য পরিবহণ সুবিধা, মহাসড়কগুলোর অবস্থা বিবেচনায় নেবেন।

আমি যা দেখাতে চেয়েছি তা হল – সরকার উন্নত অবকাঠামো নির্মাণ করলে – তা একটা দেশের অর্থনীতিতে কিভাবে প্রভাব রাখে।

আবার, কেউ অফিসে কাজ করেন। মহাসড়কগুলোর প্রশস্ততা বাড়িয়ে যানজট কমাতে পারলে অফিসে কম সময়ে পৌঁছা যাবে।
মানুষের জীবন থেকে যে সময় যানজটের কারণে হারিয়ে যেত, সে সময় ফিরে আসবে। কেউ হয়ত আগে বই পড়ার সময় পেতেন না। যানজট কমার কারণে বই পড়তে পারবেন।]
b.প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ
(নতুন নতুন renewable source (রিকশা, নদী স্রোত) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন,
বঙ্গোপসাগরে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান, দেশের বিভিন্ন স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশীয় কোম্পানির মাধ্যমে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান (আমি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবো),
দেশের জন্য সবচেয়ে উপযোগী এবং দেশের স্বার্থের সাথে কোনরকম সংঘাত নেই [রামপাল কিংবা নিউক্লিয়ার বনাম – বাংলাদেশের স্বার্থ] বিদ্যুৎ উৎপাদন উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন,
বৈদ্যুতিক গ্রিডগুলোর efficiency বাড়ানো, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা ইত্যাদি),
c.প্রয়োজনীয় কর্মশক্তি গড়ে তোলা,
d.কূটনৈতিক উদ্যোগ,
e.ব্যবসা উপযোগী পরিবেশ,
f.ব্যবসার ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা
– নিশ্চিত করে দেশে বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ানো হবে।

আমি পৃথিবীর সেরা ব্র্যান্ডগুলোকে বাংলাদেশে নিয়ে আসবো।

রেফরেন্স
নাগরিক শক্তির অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা

6.চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দিতে পারে।

আমাদের দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য গার্মেন্টস মূলত চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই বাইরের দেশগুলোতে রপ্তানি হয়।
বর্তমানে একটি জাহাজ turnaround হতে গড়ে আড়াই দিন সময় লাগে। সিঙ্গাপুর বন্দরে সময় লাগে গড়ে ১২ ঘন্টা।
আমরা যদি চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ turnaround সময় কমিয়ে আনতে পারি তাহলে আমদানি – রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে।
একটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে, আমাদের আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য কিন্তু দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। McKinsey ধারণা করছে, বাংলাদেশের আগামী ১০ বছরে গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি দ্বিগুণ করার সুযোগ রয়েছে।
আমরা মনে করি, আগামী ৫ বছর বা তারও আগে গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি দ্বিগুণ করা সম্ভব।
এই রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে চট্টগ্রাম বন্দরের কনেটাইনার হান্ডলিং কাপাসিটি বাড়ানো এবং জাহাজ turnaround সময় কমিয়ে আনা। এই লক্ষ্যে আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং মানেজমান্ট চট্টগ্রাম বন্দরে
introduce করা হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের আন্তর্জাতিক গুরুত্ব অনেক বেশি।
নেপাল আর ভুটানের পণ্য আমদানি রপ্তানির জন্য নিজস্ব কোন নদী বা সমুদ্র বন্দর নেই।
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন করলে নেপাল, ভুটান পণ্য আমদানি রপ্তানির জন্য চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করবে।
আবার ভারত তার উত্তরপূর্ব প্রদেশগুলোর সাথে পণ্য আদান প্রদান করতে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে চাইবে।

এক্ষেত্রে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী মায়ানমারের নির্মাণাধীন Sittwe Port। ভারত নিজেদের সুবিধার্থে এই “গভীর সমুদ্র বন্দর” নির্মাণে মায়ানমারকে সহায়তা করছে।

একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল – চট্টগ্রাম বন্দর একটি নদী বন্দর। কাজেই দীর্ঘ পণ্যবাহী জাহাজ (৬১৭ ফিট এর চেয়ে দীর্ঘ) চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশ করতে পারে না।

দীর্ঘ পণ্যবাহী জাহাজ প্রবেশের সুযোগ দিতে আমাদের একটি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ করতে হবে। সোনাদিয়ায় একটি গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ে তোলার পরিকল্পনা আছে।
তবে গভীর সমুদ্র বন্দর আমরা নিজেরা নির্মাণ করবো।
এই লক্ষ্যে আমি দেশে ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবো।

আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত efficient গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ করতে পারলে চায়না, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ সেই বন্দর ব্যবহার করবে। আর এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবে।

এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ হবে দ্রুত নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল চালু।

7.বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতি দূর হচ্ছে।
ভয়ানক অপরাধী সাকার মতই বাংলাদেশের মাটিতে বদি, ওসমান, হাজারীদের বিচার হবে।

9.২০১৩ সালের নভেম্বরে হিসেব করেছিলাম:
যেহেতু ৩টি পক্ষের (নাগরিক শক্তি, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট) মাঝে ভোট distribution হবে,
তাই মোট প্রদত্ত ভোটের ৩৩% এর চেয়ে কম ভোট নিয়ে – এমনকি ৩০% এর মত ভোট নিয়েও – একটি দল ১৫১+ আসন পেতে পারে।

একটি আসনে ৩৫-৪০% ভোট নিয়েই একজন প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারেন।

১% ভোট is roughly equivalent to ৯ লক্ষ ভোট। মোট ভোটার ৯ কোটির কিছু বেশি যার ৭৫-৮০% ভোট পড়ে।

রেফরেন্স
আদর্শ রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী পরিকল্পনা – ১ (November 17, 2013)
আদর্শ রাজনৈতিক দলের রূপরেখা (October 16, 2013)
আদর্শ রাজনৈতিক দলটি যেভাবে জনগণের কাছে পৌঁছাবে (October 21, 2013)
আদর্শ রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন পরিকল্পনা (October 25, 2013)
আদর্শ রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী পরিকল্পনা – ২ (November 19, 2013)

(নাগরিক শক্তি নামটিও যখন চূড়ান্ত হয়নি – লেখাগুলো তখনকার।)

10.দেশের সমস্ত সম্পদ রক্ষায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা হবে। সবকিছুর উপর জাতীয় স্বার্থকে স্থান দেওয়ার মাধ্যমে গড়ে উঠবে স্বপ্নের স্বদেশ।

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s