আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ (৭/৮/১৪)

1.অর্থনীতি শিল্প বাণিজ্যে অগ্রগতি

রিজার্ভে নতুন রেকর্ড

– ২০১৪-১৫ অর্থবছরে শুভ সূচনা হল।
এখন থেকে বাংলাদেশ বিভিন্ন পরিসংখ্যান এবং সূচকে নতুন নতুন রেকর্ড স্থাপন করবে।

2.২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আব্বু বলেছিলেন, স্পীকারের দায়িত্ব প্রফেসর এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে দিলে সবচেয়ে ভালো হবে। উনি এত সুন্দর করে সংসদ চালাতেন!
প্রফেসর অফ মেডিসিন ডাঃ বদরুদ্দোজা চৌধুরী বিটিভিতে স্বাস্থ্য বিষয়ক একটা অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতেন। সেই অনুষ্ঠানের প্রশংসা শুধু আমার কার্ডিওলজিস্ট বাবা-ই করতেন না, আরও অনেকেই করতেন।

বাংলাদেশের ১৩তম রাষ্ট্রপতি প্রফেসর বদরুদ্দোজা চৌধুরী সৃজনশীলতা এবং উদ্ভাবনশীলতায় পূর্ণ একজন মানুষ।

সাহিত্য চর্চাও করেছেন তিনি।
মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সময় বিতর্ক চর্চা করতেন। (এসময় নাটকও লিখেছেন!)

২০০১ এর জাতীয় নির্বাচনের আগে টিভিতে একটি অনুষ্ঠান প্রচারিত হত। অনেকের ধারণা, ২০০১ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভরাডুবির পিছনে সেই অনুষ্ঠানের একটা বড় ভূমিকা ছিল। বাংলাদেশের রাজনীতিতে মিডিয়ার সফল ব্যবহারের সূচনাও সেখানে।
বিএনপি সরকার গঠনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী “আগামী ১০০ দিনের কর্মসূচী” ঘোষণা করেছিলেন।
নির্বাচনের আগে এবং সরকারের গঠনের পরের – দুটো উদ্যোগেরই মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রফেসর বদরুদ্দোজা চৌধুরী।      

সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রফেসর বদরুদ্দোজা চৌধুরী বিকল্প ধারা গঠনের পর দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের স্বপ্ন শুধু আমিই দেখিনি, আজকে যারা নাগরিক শক্তির সাথে আছেন – তাদের অনেকেই দেখেছিলেন।
বিকল্প ধারা এবং গণফোরাম সারা দেশে জনগণের মতামত জানতে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছিল।
অন্যরকম একটা উদ্যোগ।
রাজনৈতিক সমাবেশে যা হয় তা হল জনগণ গিয়ে নেতাদের বক্তব্য শুনে আসেন।
কিন্তু বিকল্প ধারা এবং গণফোরাম আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানগুলোতে জনগণ নিজেদের বক্তব্য প্রকাশ করার সুযোগ পেত।
এখনকার মত এতগুলো টিভি চ্যানেল তখন ছিল না। কাজেই এই ধরণের উদ্যোগ সেই সময়ের জন্য অনন্য।
এই অনুষ্ঠানগুলোর মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রফেসর বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং তার সুযোগ্য পুত্র সাবেক সাংসদ মাহী বি. চৌধুরী।

3.একজন ব্যর্থ মানুষের গল্প: ড. আসিফ নজরুল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেনের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা। 

4.“দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ে তোলায় অগ্রগতি

অর্থপাচার মামালায মোশাররফের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন 

এমপি আফজালকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

“কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ মোঃ আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।”

বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।
বাংলাদেশে জনগণের ক্ষমতা অধিষ্ঠিত হচ্ছে।
অন্যায় করে কেউ পার পাবে না।
দুর্নীতি যেই করুক না কেন – সরকার দলীয় সাংসদ হোক – তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

5.অন্যায় অপরাধ্মুক্ত উন্নত চট্টগ্রাম জেলা গড়ে তোলায় অগ্রগতি

আমার নিজের জেলা চট্টগ্রামকে নতুন করে গড়ে তোলা হবে। বন্দর নগরী চট্টগ্রাম হবে একবিংশ শতাব্দীর সব সুযোগ সুবিধা সম্বলিত আধুনিক একটি নগর।

চশমা খাল থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
– দেশের ক্ষতিকারক অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হবে।
কিন্তু মনে রাখতে হবে – অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষরা যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হন। নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। 

চট্টগ্রামে গাঁজা বিক্রেতা নারীর কারাদণ্ড

মিরসরাইয়ে ৮ রেস্তোরাঁ মালিককে জরিমানা

6.“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে অগ্রগতি

বাংলাদেশ মাদকমুক্ত হওয়ার পথে।
বাংলাদেশের নাগরিকদের দেশ নিয়ে গর্ব করার মত অর্জনের ভান্ডারে আরেকটা অর্জন কিছুদিন পর যোগ হবে।
বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর প্রথম অবৈধ মাদকমুক্ত দেশ।

কুলাউড়ায় ২ লাখ ভারতীয় বিড়ি আটক

– ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জন্য ঘোষিত বাজেটে সিগারেট এবং তামাকজাত পণ্যের উপর শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। এতে বিরি-সিগারেটের দাম বাড়বে এবং ব্যবহারকারীরা নিরুৎসাহিত হবে।
এছাড়া দেশে তামাকের চাষ হত এমন জমিতে গার্মেন্টস শিল্পের উপযোগী তুলা উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়িত হওয়ার পর গার্মেন্টস শিল্পের জন্য ব্যবসায়ীদের আর বিদেশ থেকে তুলা আমদানি করতে হবে না।

তামাক চাষে অনীহা সৃষ্টিতে ১৪৯ উপজেলায় তুলাচাষ প্রকল্প
“নাগরিক শক্তির অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা”র অংশ ছিল উপরের দুটি উদ্যোগ।

টেকনাফে ইয়াবাসহ মা-মেয়ে আটক
সেনবাগে মাদকসহ আ’লীগ নেতা আটক

9.“অবৈধ অস্ত্রমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে অগ্রগতি

বাংলাদেশের কোন নাগরিকের কাছে অবৈধ অস্ত্র – মেনে নেওয়া হবে না।
দেশের প্রত্যেকটি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে কাজ করছেন।

খিলগাঁওয়ে অস্ত্রসহ আটক ২

10.অন্যায় অপরাধমুক্ত সিলেট জেলা গড়ে তোলায় অগ্রগতি

সিলেটে বিশেষ অভিযানে ৯৭ অপরাধী গ্রেফতার
“সিলেট মহানগর পুলিশ মিডিয়া সূত্র জানায়, বিশেষ অভিযানে ৬৩ জন ওয়ারেন্ট আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া মাদক মামলায় ১৫ জন এবং মাদকসহ ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
২৩ লিটার মদ, ৩৫ পিস ইয়াবা, ২০ পুরিয়া হেরোইন, ৫ কেজি গাঁজা এবং ৪ বোতল ফেনসিডিলও উদ্ধার করা হয়েছে।”

11.ভেজাল খাদ্য ও ওষুধ এবং ফরমালিনমুক্ত  বাংলাদেশ গড়ে তোলায় অগ্রগতি

খুলনায় ভেজাল শিশুখাদ্য বিক্রি মামলায় দুই ব্যবসায়ীর জরিমানা
মানিকগঞ্জে ৮ চাল ব্যবসায়ীর জরিমানা
রাজশাহীতে নকল ওষুধ কারখানার সন্ধান, আটক ২

12.অন্যায় অপরাধ্মুক্ত উন্নত কক্সবাজার জেলা গড়ে তোলায় অগ্রগতি

কক্সবাজারে ৪০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
– দেশের ক্ষতিকারক অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হবে।
কিন্তু মনে রাখতে হবে – অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে গিয়ে নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষরা যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হন। নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মানুষের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে।

13.বাংলাদেশের ৬০টি জেলা সফর করলেন মজীনা

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডান মজীনা বাংলাদেশে শুধুমাত্র একজন রাষ্ট্রদূতই নন, তিনি বাংলাদেশের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যকে নিজের মাঝে ধারণ করেছেন। বাংলাদেশের মাঝে, এদেশের মানুষের মাঝে অনন্য সম্ভাবনা তিনি দেখেন।
লুঙ্গি পরে রিকাশায় বসে আন্তরিক ডান মজীনা – ছবিটি বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে সবসময় থাকবে।  

14.কৃষিতে নবজাগরণ

শিগগিরি কৃষক পাচ্ছে রোগ মুক্ত চারা উৎপাদন পদ্ধতি

15.১০ লাখ ভিওআইপি সরঞ্জামসহ আটক ২ (banglanews24.com)

16.বাংলা সাহিত্য শিল্প সংস্কৃতির অগ্রযাত্রা 

ফেসবুকে ভেরিফাইড হানিফ সংকেত (banglanews24.com)

17.বাংলায় কথা বলতে বাংলানিউজে আইইউবি (IUB)র তিন মার্কিন ছাত্র (banglanews24.com)

“যুক্তরাষ্ট্রের এই তিন শিক্ষার্থীসহ মোট ১৩ জন বিদেশী শিক্ষার্থী বিএলআই-এ বাংলা শিখছেন। প্রতি বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ক্রিটিকাল ল্যাঙ্গুয়েজ স্কলারশিপ নিয়ে দেশটির শিক্ষার্থীরা আসেন বাংলাদেশে।”  

18.বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে
দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি (যেমন – রামপাল)
বা
দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বিবেচনা না করে তড়িঘড়ি করে বড় চুক্তিতে যাওয়া (যেমন – নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন)
– না করে এখনই কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে।

আমাদের existing power plantsগুলোর efficiency বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ শুরু করতে হবে।
“বিদ্যুৎ চুরি”-র বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।  
“সিস্টেম লস” – কমানোর লক্ষ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে।
বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
নির্মাণাধীন প্ল্যান্টগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে।
গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর যন্ত্রপাতির সংস্কার করে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা ৫০% এর বেশি বাড়ানো সম্ভব। এজন্য এক হিসেব মতে খরচ হবে আনুমানিক ৫০০০ কোটি টাকা – যা বিশ্বব্যাংক এবং এডিবি (ADB) দিতে প্রস্তুত।

টেকনিক্যাল কাজগুলোতে বিদেশী Expertise এর উপর নির্ভরতা আমাদের কমাতে হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষম দেশী ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশান আমি গড়ে তুলবো।

কিছুদিন পর দেশে রিকশার চাকার ঘূর্ণনে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। বন্যার পানি রূপান্তরিত হবে বিদ্যুতে। Renewable Energy Sector এ বাংলাদেশ হবে বিশ্বের মডেল।

19.সবার মতামতের ভিত্তিতে পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে প্রণীত গ্রেডিং পদ্ধতির ত্রুটিগুলো দূর করে গ্রেডিং পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হবে।

বর্তমান পদ্ধতিতে হাজার শিক্ষার্থী কিংবা লক্ষ শিক্ষার্থী একই গ্রেইড পায়। ফলাফল দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মেধা যাচাইয়ের উপায় নেই।
আগে মেধা তালিকায় স্থান করে নেওয়ার জন্য ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশোনা করত। এখন সেই অনুপ্রেরণা নেই।
বিজ্ঞান এবং গণিতের বিষয়গুলোতে শুধু ৮০ নাম্বার পাওয়ার লক্ষ্য মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের মেধা বিকাশের অন্তরায়।
প্রাপ্ত নাম্বার প্রকাশ করা হয় না অথচ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে সবার অজান্তে ব্যবহার করা হয় – এখানে অস্বচ্ছতা রয়েছে।

20.বাংলাদেশের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত আছেন।
আমরা চাই পড়াশোনা শেষ করে তারা দেশে ফিরে আসবেন এবং স্বপ্নের আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করবেন।
আমরা দেশে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলবো। এই কর্মযজ্ঞে দেশের মেধাবী মানুষরাই নেতৃত্ব দেবেন।
দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার – কর্মী, পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ, উন্নত অবকাঠামো গড়ে তুলে বিশ্বের সেরা ব্র্যান্ডগুলোকে আমরা বাংলাদেশে নিয়ে আসবো।

প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের
“নাগরিক ছাত্র শক্তি”তে যোগ দেয়ার এবং এর মাধ্যমে দেশের সাথে একটা যোগসূত্র তৈরির আহ্বান জানাবো।
 
নাগরিক শক্তি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দল নয়, জনকল্যাণ এবং দেশ গঠনের প্ল্যাটফর্মও বটে।

21.বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং করবে ইউজিসি

ইউজিসির এই যুগোপযোগী সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই।

রাঙ্কিং প্রথায় objective measures, যেগুলো নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই – ব্যবহার করার প্রস্তাব রাখছি। যেমন – ছাত্রছাত্রীদের পাশ করার নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে
চাকরি প্রাপ্তির হার, শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সাফল্য, ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত, নিজস্ব ক্যাম্পাসের অবস্থা,
শিক্ষকদের গবেষণাপত্র প্রকাশের সংখ্যা, গবেষণাপত্রের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর ইত্যাদি।

এ ধরণের objective measures ব্যবহৃত হলে স্বচ্ছতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্র শিক্ষক অভিভাবক সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রাঙ্কিং এ নিজেদের
অবস্থান উন্নয়নে আন্তরিকতা দেখাবে।  

আমরা মনে করি, মানসম্পন্ন রাঙ্কিং প্রথা প্রবর্তিত হলে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মেধাবী ছাত্র ভর্তির লক্ষ্যে নিজেদের মান উন্নয়নে সচেষ্ট হবে।

নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে দেশের সরকারি, বেসরকারি সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য রাঙ্কিং প্রথা প্রবর্তন করবে। পাশাপাশি বিষয়ভিত্তিক রাঙ্কিং প্রথা প্রচলন করবে।

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর গর্বিত ছাত্র বলবে, জানো, আমাদের ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট দেশের সবগুলো ইউনিভার্সিটির মাঝে রাঙ্কিং এ সেরা!
যাকে বলা হবে সে সাথে সাথে উত্তর দেবে, আমাদের ইউনিভার্সিটির আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্ট রাঙ্কিং এ সারা দেশে শীর্ষে!

22.নাগরিক শক্তি সরকার গঠন করে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করবে।
স্থানীয় সরকারগুলোকে শক্তিশালী করা হবে।
স্থানীয় সরকারে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হবে।
স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিরা তাদের ক্ষমতা এবং বরাদ্দকৃত বাজেট দিয়ে স্থানীয় সমস্যার সমাধান করবেন, স্থানীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন।

23.উচ্চশিক্ষা

১.প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের জন্য নিজস্ব Ranking প্রথা প্রবর্তনের প্রস্তাব করছি। এতে শিক্ষকরা নিজেদের মান উন্নয়নে সদা সচেষ্ট থাকবেন।
আবার মানসম্পন্ন শিক্ষকদের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মেধাবী শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করতে সমর্থ হবেন।

  • ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া Points এর ভিত্তিতে; গবেষণাপত্র প্রকাশ ও একটা মানদণ্ড (Research Culture গড়ে তোলা)
  • ৩ মাস পরপর Ranking প্রকাশ – শিক্ষকদের নিজেদের অবস্থান উন্নত করার সুযোগ প্রদান;
  • শিক্ষকরা Online Resources যেমন Coursera, EdX, Udacity ইত্যাদি ব্যবহার করে নিজেদের সমৃদ্ধ করবেন।

২.বিশ্ববিদ্যালয় – ইন্ডাস্ট্রি Collaboration; বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজ্ঞান, ব্যবসা ইত্যাদি অনুষদের শিক্ষার্থী – শিক্ষক ইন্ডাস্ট্রির কাছে নতুন প্রকল্প প্রস্তাব করবেন – ইন্ডাস্ট্রি প্রকল্পটিকে নতুন প্রোডাক্ট হিসেবে বাজারে আনা যায় কিনা বিবেচনা করে দেখবে। কোন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর প্রজেক্ট হবে অপর একটি ইন্ডাস্ট্রির প্রোডাক্ট।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্সগুলোর পাঠ্যসূচি নির্ধারণে ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা বিবেচনায় নিতে হবে। ইন্ডাস্ট্রিতে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাক্টিকাল কোর্সগুলো পরিচালনার সুযোগ দেওয়া যায়।

৩.শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন Competition, Contest প্রচলন; শিক্ষার্থীরা এসব প্রতিযোগিতার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে নিজেদের মানোন্নয়ন ঘটাবেন।
দেশের ইন্ডাস্ট্রিগুলো যেসব সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে ব্যর্থ হচ্ছে, সেসব সমস্যা শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতা হিসেবে উপস্থাপন করার সংস্কৃতি চালু করতে হবে।  

৪.বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রত্যেক Course এ শিক্ষার্থীদের অন্তত একটা মানসম্পন্ন Project সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনে Project অন্য একজন শিক্ষক তদারক করবেন। শিক্ষার্থী নিজে Project করেছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।

৫.প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগকৃত শিক্ষক – উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মান ইউজিসি কর্তৃক তদারকির প্রস্তাব করছি।

(রেফরেন্স: নাগরিক শক্তির শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা)


24.প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি এজুকেশান (১ম শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণী) এ পরিবর্তন আনা হবে। 

৩টি বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হবে
১. গাণিতিক দক্ষতা
২. ইংরেজি দক্ষতা
৩. কম্পিউটার দক্ষতা
       সার্চ করে, ওয়েব ব্যবহার করে যে কোন তথ্য খুঁজে বের করা;
       কম্পিউটারে হিসেবনিকেশ / কম্পিউট করতে শেখা; 
       ScratchAlice ধরণের শিশুতোষ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রোগ্রামিং এ হাতেখড়ি; 

আমরা জানি, দেশে গণিত, ইংরেজি এবং কম্পিউটারে দক্ষ শিক্ষকের অভাব রয়েছে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে।
এই তিনটি দক্ষতা গড়ে তুলতে দেশের সব স্কুলে ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটার এবং প্রজেক্টার সরবরাহ করা হবে। স্ক্রিনে শিক্ষার্থীদের lessons পরিবেশিত হবে। শিক্ষার্থীরা কম্পিউটারে পাঠ নেবে। 

প্রজেক্টার সাশ্রয়ী করতে প্রয়োজনে আমিই দেশে প্রজেক্টার উৎপাদন করবো।


25.গার্মেন্টস শিল্পে কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি (যেমন অগ্নি নির্বাপক ইত্যাদি) সাশ্রয়ে উৎপাদন করবো।
গার্মেন্টস শিল্পে অটোমেশানের মাধ্যমে তুলনামূলকভাবে কম খরচ করে প্রোডাক্টিভিটি বাড়ানো যায় কিনা – দেখবো।
গার্মেন্টস শিল্পে কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের সকল গার্মেন্টসের মালিকদের সেইফটি কোড মেনে চলার আহ্বান জানাই। গার্মেন্টস মালিকদের উদ্যোগ
বিদেশী অর্ডারের পরিমাণ এবং এক্সপোর্ট অনেকখানি বাড়িয়ে দিবে।

26.a.উন্নত অবকাঠামো নির্মাণ (যেমন
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন,
গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ,
পদ্মা সেতু নির্মাণ,
মহাসড়কগুলোর প্রশস্থতা বাড়ানো),
[সবার জন্য:
ধরা যাক, সরকার ঢাকা – চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রশস্ততা বাড়ালো।
এতে যানজট কমবে।
যানজট কমলে পণ্য পরিবহনে পেট্রোল / ডিজেল খরচ কমবে।
পণ্য পরিবহণে খরচ কমলে পণ্যের দাম কমবে।
আবার, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হলে, সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ হলেও পণ্যের খরচ কমবে।
পাশাপাশি, ব্যবসায়ীদের আস্থা বাড়বে। লাভ নিয়ে অনিশ্চয়তা কমবে।
পণ্যের দাম কমলে দেশের মানুষের স্বস্তি ফিরবে।
আবার ব্যবসার পরিবেশ উন্নততর হলে দেশের অর্থনীতি, উৎপাদনশীলতা, জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে।
বিদেশী বিনিয়োগকারীরা, যারা সর্বোচ্চ লাভ চান, বিনিয়োগের সিধান্ত নিতে একটা দেশের পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থা, মহাসড়কগুলোর অবস্থা বিবেচনায় নেন।
নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কল্পনা করুন। আপনি যুক্তরাষ্ট্রের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের CEO। আপনি মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবেন। বিনিয়োগ বাংলাদেশে করবেন নাকি মায়ানমারে করবেন – তা নির্ধারণ করতে নিশ্চয়
দুই দেশের পণ্য পরিবহণ সুবিধা, মহাসড়কগুলোর অবস্থা বিবেচনায় নেবেন।

আমি যা দেখাতে চেয়েছি তা হল – সরকার উন্নত অবকাঠামো নির্মাণ করলে – তা একটা দেশের অর্থনীতিতে কিভাবে প্রভাব রাখে।

আবার, কেউ অফিসে কাজ করেন। মহাসড়কগুলোর প্রশস্ততা বাড়িয়ে যানজট কমাতে পারলে অফিসে কম সময়ে পৌঁছা যাবে।
মানুষের জীবন থেকে যে সময় যানজটের কারণে হারিয়ে যেত, সে সময় ফিরে আসবে। কেউ হয়ত আগে বই পড়ার সময় পেতেন না। যানজট কমার কারণে বই পড়তে পারবেন।]

b.প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ
(নতুন নতুন renewable source (রিকশা, নদী স্রোত) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন,
বঙ্গোপসাগরে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান, দেশের বিভিন্ন স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশীয় কোম্পানির মাধ্যমে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান (আমি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবো),
দেশের জন্য সবচেয়ে উপযোগী এবং দেশের স্বার্থের সাথে কোনরকম সংঘাত নেই [রামপাল কিংবা নিউক্লিয়ার বনাম – বাংলাদেশের স্বার্থ] বিদ্যুৎ উৎপাদন উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন,
বৈদ্যুতিক গ্রিডগুলোর efficiency বাড়ানো, অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা ইত্যাদি),

c.প্রয়োজনীয় কর্মশক্তি গড়ে তোলা,

d.কূটনৈতিক উদ্যোগ,

e.ব্যবসা উপযোগী পরিবেশ,

f.ব্যবসার ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করা

– নিশ্চিত করে দেশে বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ানো হবে।

আমি পৃথিবীর সেরা ব্র্যান্ডগুলোকে বাংলাদেশে নিয়ে আসবো।

27.গত ১৯ জুলাই ছিল শ্রদ্ধেয় লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী।

কিছুদিন আগে ভাবছিলাম – নাগরিক শক্তি যেদিন আত্নপ্রকাশ করবে সেদিন দুজন মানুষের জন্য কষ্ট হবে – প্রয়াত বিচারপতি হাবিবুর রহমান আর লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ। বেঁচে থাকলে এই দুজন নিশ্চয় সেদিন অসম্ভব খুশি হতেন।
প্রয়াত বিচারপতি হাবিবুর রহমান আর লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ এর জন্য শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা।

প্রয়াত লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদের অনবদ্য সৃষ্টিগুলোর মাঝে অন্যতম
অসাধারণ তীক্ষ্ণ Abnormal Psychologist মিসির আলি (ড. হুমায়ূন আহমেদ একটি বই – সম্ভবত “আমিই মিসির আলী” – তে উল্লেখ করেছিলেন প্রথম আলোর সম্পাদক শ্রদ্ধেয় মতিউর রহমানকে তাঁর মিসির আলী মনে হয়),
অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন হিমু এবং
পৃথিবীর শুদ্ধতম মানুষ শুভ্র।

লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদের অসংখ্য প্রিয় বই এর মাঝে দুটি:
হিমু এবং হার্ভার্ড PhD বল্টু ভাই
হলুদ হিমু কালো রাব

প্রয়াত লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ ২০১২ সালে ক্যান্সার চিকিৎসার মাঝে যখন দেশে এসেছিলেন, আমাকে দেখতে চিটাগং এ এসেছিলেন। নিজের অসুস্থতার মাঝেও আমাকে দেখে গিয়েছিলেন।
সৃষ্টিকর্তা কেন উনাকে আর কিছুদিন বাঁচিয়ে রাখলেন না? আমাকে কেন উনাকে দেখতে যাওয়ার সুযোগ দিলেন না?

28.নিয়ন্ত্রণমূলক সম্প্রচার নীতিমালা: সুমিত গালহোত্রা
“সরকারের বিরুদ্ধে যায় এমন কিছু সম্প্রচার করা যাবে না, বিজ্ঞাপনও না।”

দেশে একটি প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকার ক্ষমতা দখল করে রেখেছে।
এর উপর যদি গণমাধ্যমের বাকরোধ করা হয় – তাহলে দেশে গনতন্ত্র আর জবাবদিহিতা বলে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।

আমরা সরকারকে “জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা” প্রত্যাহার করে নেওয়ার আহ্বান জানাই।

29.তথ্যপ্রযুক্তিতে বিশ্বজয়

প্রতিবন্ধীদের জন্য ইলেকট্রনিক পাঠ্যবই (prothom-alo.com)  
অ্যালুমিনিয়ামের পাল্লায় থ্রিজি (prothom-alo.com)

30.কম্পিউটিং এর নতুন যুগ: Physical Digital Computing

সিলিকন ভ্যালীতে এখন একটা কথা প্রচলিত হচ্ছে আর তা হল “Hardware is the new Software.”
আশেপাশের সব যন্ত্রপাতিতে মাইক্রোপ্রসেসর, ওয়াইফাই সংযোগ এবং সেন্সর যুক্ত হয়ে সূচীত হতে যাচ্ছে কম্পিউটিং এর ইতিহাসে নতুন একটা যুগ – Physical Digital Computing.

কম্পিউটার এখন শুধু স্ক্রিনযুক্ত ডিভাইসের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সব ধরণের যন্ত্রপাতির অংশ হয়ে এতদিনকার একঘেয়ে  যন্ত্রগুলোকে বুদ্ধিমান এবং Responsive করে তুলবে।  

Open Source Software যেমন সফটওয়্যার তৈরিকে সহজ করে দিয়েছে – একইভাবে Open Hardware Platforms (যেমন – Arduino, Raspberry Pi, Open 3D Printing Platforms),
মাইক্রোপ্রসেসর, ওয়াইফাই সংযোগ এবং সেন্সর প্রযুক্তির ক্রমহ্রাসমান খরচ Physical Digital Computing এর আগমনকে অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছে।

আমাদের ছেলেরা Software Development এর পাশপাশি আশেপাশের সব যন্ত্রপাতিতে Computing  by Gigantic Savings”>TECHNOLOGYembed করে যন্ত্রপাতিগুলোকে আরও বুদ্ধিমান, Adaptable, Internet-enabled করে তুলবেন।
কম্পিউটিং এর নতুন যুগ Physical Digital Computing এ নেতৃত্বস্থানীয়ে থাকবে বাংলাদেশ।    

31.অন্যায় অপরাধমুক্ত বগুড়া জেলা গড়ে তোলায় অগ্রগতি

বগুড়ায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৬ পুলিশ পুরস্কৃত

“বগুড়ার পুলিশ সুপার মোঃ মোজাম্মেল হক পিপিএম এ পুরষ্কার তুলে দেন।
প্রতিটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের জন্য ২০ হাজার টাকা এবং মাদক উদ্ধারের জন্য ১০ হাজার টাকা ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়।”
– বগুড়ার পুলিশ সুপার মোঃ মোজাম্মেল হক পিপিএম এর এই উদ্যোগ বাংলাদেশকে মাদকমুক্ত ও অবৈধ অস্ত্রমুক্ত করতে ভূমিকা রাখবে।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন!

32.বিমানবন্দরগুলোতে স্বর্ণ চোরাচালান রোধে অগ্রগতি

শাহজালাল এবং চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দর দীর্ঘদিন স্বর্ণ চোরাচালানের রুট হিসবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। গত কয়েক মাসের কঠোর অবস্থানে স্বর্ণ চোরাচালান রোধে অনেকখানি অগ্রগতি হয়েছে।

শাহজালালে এবার ৭০ লাখ টাকার সোনা উদ্ধার (kalerkantho.com)

33.যে যেখানে জীবনের যে পর্যায়ে থাকুন না কেন – প্রত্যেকটা মানুষের মাঝে লুকিয়ে আছে অনন্য ক্ষমতা।
প্রত্যেকের মাঝে সুপ্ত ক্ষমতা বিকাশের উপায় আমি দেখিয়ে দেবো।
ছেলেবেলার স্বপ্নগুলো বাস্তবতার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে হারিয়ে গেছে?
আমি খুঁজে দেবো! 

২০১৩ সালের জানুয়ারির দিকে নিজেকে প্রশ্ন করেছিলাম, আমি যদি রাজনীতিতে আসি তাহলে সবচেয়ে বড় কি Contribute করতে পারবো যা অন্য কেউ করতে পারবে না?
উত্তরটা ছিল, প্রত্যেকটা মানুষের যে বিশাল শক্তি সুপ্ত হয়ে আছে – তা বিকাশের পথ করে দিতে পারবো। আর ১৬ কোটি মানুষ মানে বিশাল ব্যাপার – ১৬ কোটি অনন্য শক্তি! সেই শক্তির সামনে কোন কিছুই বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না! কাজেই ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। একটা শক্তিকেও হারাতে দেওয়া যাবে না। 

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s