আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ (২০/৮/১৪)

1.“জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”: মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধন

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিটি পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াড সহ বিভিন্ন বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, প্রোগ্রামিং, রবোটিক্সসহ ইঞ্জিনিয়ারিং ও উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
নতুন নতুন প্রতিযোগিতার সূচনা করা হবে।
দেশের ইন্ডাস্ট্রিগুলো জটিল নানা সমস্যা, ব্যবসায়ের নতুন আইডিয়া / ব্যবসা পরিকল্পনাকে  – শিক্ষার্থীদের জন্য মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় রূপান্তরিত করবেন। দেশে hackathon ধরণের আধুনিক প্রতিযোগিতা শুরু হবে। আমি এ ব্যাপারে সর্বাত্নক সহায়তা করবো।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

“ভারতের পুনেতে অনুষ্ঠেয় “রোবোকন ২০১৪” নামে রোবট প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) তিন ছাত্র।
অংশগ্রহণকারী ছাত্ররা হচ্ছেন চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র সাবির হুসাইন ও মানস চক্রবর্তী এবং তড়িত্ কৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রাজিব হাসান। দলের ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে রয়েছেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক সজল চন্দ্র বণিক।

– চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দলটির জন্য শুভকামনা রইল।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করা হবে।

“এবার এসিএম আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার বিশ্ব চ্যাপিয়নশিপে সারা পৃথিবীর ৪০টি আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ১২২টি দল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে যোগদানের যোগ্যতা অর্জন করেছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ১২টি সমস্যার মধ্যে তিনটির সমাধান করে ১৯তম স্থান দখল করে।

দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতিযোগিতায় যাতায়াতের ব্যয়ভার ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস ডার্টমাউথের প্রভোস্ট এবং এক্সিকিউটিভ ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আতাউল করিমের উদ্যোগে নর্থ আমেরিকান বাংলাদেশি ইসলামিক কমিউনিটি বহন করে আসছিল।

প্রযুক্তিজ্ঞানের দক্ষতায় আমাদের তরুণদের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে হলে প্রতিযোগিতার কোনো বিকল্প নেই।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের বিজয়ীদের সময় দিয়ে উৎসাহিত করে থাকেন। 

তথ্যপ্রযুক্তির এই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে আমাদের ছাত্র–ছাত্রীরা যাতে তাদের দক্ষতার প্রমাণ রাখতে পারে, সে জন্য তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ, আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কর্মযজ্ঞে এরা সৈনিক নয়, জেনারেলের ভূমিকা পালন করবে।” 

2.বর্তমান সংসদ বিচারক অপসারণে অভিসংশন প্রথা ফিরিয়ে আনতে যাচ্ছে।

একটি বেসরকারি চ্যানেলের টক শো তে দেখলাম –
একজন দর্শক প্রশ্ন করছেন –
যেহেতু সাংসদরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সেহেতু বিচারকদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকলেই কি পদ্ধতিটি বেশি গণতান্ত্রিক না?” 

এই প্রশ্নের উত্তর দিতে আমরা গণতন্ত্রের মূল ব্যাপারটির দিকে লক্ষ্য করি।
গণতন্ত্রের বিকল্প হল রাজতন্ত্র বা একনায়কতন্ত্র বা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা (China তে Communist Party একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করেছে)।
রাজতন্ত্র বা একনায়কতন্ত্র বা একদলীয় শাসন ব্যবস্থার মূল সমস্যা হল – “জবাবদিহিতার অভাব”। ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তি বা দল – যা খুশি করতে পারবে – কৃতকাজের জন্য কারও কাছে জবাবদিহি করতে হবে না।
এতে জনগণের চাওয়া পাওয়া, এমনকি অধিকার লঙ্ঘিত হয়।

গণতন্ত্রের মূলভিত্তি হল – “জবাবদিহিতা”
শাসকশ্রেণী কৃতকাজের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে – যা চায় করতে পারবে না।

“জবাবদিহিতা” প্রতিষ্ঠার একটি ভিত্তি – সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ। শাসকশ্রেণী জনগণের চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হলে – জনগণ ভোটের মাধ্যমে “জবাবদিহিতা” নিশ্চিত করবে।

কিন্তু সরকার পরিচালনা করার সময়ও “জবাবদিহিতা” চর্চার প্রয়োজন রয়েছে।
আর “সরকার পরিচালনা করার সময়” জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার  একটি উপায় স্বাধীন নিরপেক্ষ শক্তিশালী বিচারবিভাগ।

সরকারের
“নির্বাহী বিভাগ” (প্রধান মন্ত্রীসহ মন্ত্রী পরিষদ, সচিবালয়, স্থানীয় সরকারগুলোর নির্বাহী বিভাগ)
আর
“আইন বিভাগ” (আমাদের জাতীয় সংসদ)
আইনের বিরুদ্ধে, সংবিধানের মূলভিত্তির বিরুদ্ধে কিছু করলে
“বিচার বিভাগ”“জবাবদিহিতা” নিশ্চিত করবে।
যেমন সরকারের আইনবিভাগ সংবিধানের মূলনীতির বিরুদ্ধে যায় – এমন কোন আইন পাশ করলে – বিচার বিভাগ তার নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করবে।

উন্নত গণতন্ত্রের দেশ যেমন – যুক্তরাষ্ট্রে আমরা দেখি –

  • Executive Division – নির্বাহী বিভাগ (যার নেতৃত্বে US President),
  • Legislative Division – আইন বিভাগ (Senate এবং House of Representatives নিয়ে Congress) এবং
  • Judiciary Division – বিচার বিভাগ (যার সবচেয়ে উপরে US Supreme Court)

সরকারের এই তিনটি Division একটি অপরটির “জবাবদিহিতা” নিশ্চিত করে। 
কোন একটি Division যা ইচ্ছে তাই – করতে পারবে না – অপর একটি Division এর হাতে Constitution এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে – যাতে না করতে পারে।
United States র Constitution টি-ই এমনভাবে রচিত – যা “জবাবদিহিতা” নিশ্চিত করে।
US Government একটি Federated Government (অনেকগুলো States নিয়ে – যারা প্রত্যেকে অনেকখানি স্বাধীনভাবে নিজ নিজ State Government পরিচালনা করে) এ স্থানীয় সরকার প্রতিটিতেও অনুরূপ Executive, Legislative, Judiciary Division রয়েছে।

কাজেই –
“যেহেতু সাংসদরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সেহেতু বিচারকদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকলেই কি পদ্ধতিটি বেশি গণতান্ত্রিক না?”

এই প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে – না।

বরং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য “জবাবদিহিতা” অত্যাবশ্যক এবং “জবাবদিহিতা” প্রতিষ্ঠার জন্য বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অত্যাবশ্যক।
বিচারকদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকলে সংসদ বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করবে এবং এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হবে। সংসদ সংবিধানের মূলনীতি বিরোধী আইন প্রণয়ন করলেও বিচারবিভাগ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হবে।  

আমরা মনে করি – বিচারকদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে দেওয়ার প্রক্রিয়া –
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল,
একটি প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে রাখা,
সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন
– এসবের ধারাবাহিকতায় দেশে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক একদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার পথে আরেকটি ধাপ

বর্তমান সরকার এভাবে একের পর এক অগণতান্ত্রিক আইন প্রণয়ন করলে – শেষ পর্যন্ত জনগণ অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথে নামতে বাধ্য হবে এবং সরকার জনগণকে বাঁধা দিতে পারবে না কারণ তা হবে জনগণের মুক্তভাবে মত প্রকাশ এবং সমাবেশ করার সংবিধান স্বীকৃত অধিকার লঙ্ঘন।

নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে জনগণ, বিরোধী দলগুলো এবং নাগরিক সমাজের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশে আদর্শ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনবে।  

3.আমরা এক বছর আগে
১. অনুষ্ঠিত পাঁচটি সিটি কর্পোরেশান নির্বাচনে দেখেছি – আওয়ামী লীগের প্রত্যেক প্রার্থী বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন।
২. এক বছর আগের জরিপে দেখেছি – আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন এমন ভোটার – মোট ভোটারের ৩৫ ভাগের মত।

এক বছর আগে বদি, ওসমান, হাজারীসহ – দেশের গডফাদার, দুর্নীতিবাজরা – জনগণের অলক্ষ্যে বহাল তবিয়তে তাদের অপকর্ম করে বেড়াচ্ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জে নূর হোসেনরা অপকর্ম করে বেড়াতেন। খুন হত – কিন্তু প্রতিবাদ করার মত কেউ ছিল না।
সারাদেশে পরিস্থিতি ছিল এমনই।

এক বছরে অনেক কিছু পাল্টে গেছে। 
জনগণ এখন আর এসব গডফাদার, দুর্নীতিবাজদের মেনে নেবে না।

  • নারায়ণগঞ্জের নূর হোসেন, আজমেরি ওসমানরা ভারতে পালিয়ে গিয়েছেন। তাদের টর্চার সেলসহ অপরাধ সাম্রাজ্য বন্ধ হয়েছে। সহযোগীরা গ্রেপ্তার হয়েছেন।
  • ইয়াবা সম্রাট কক্সবাজারের-৪ আসনের সাংসদ বদি ভয়ে লুকিয়ে থাকেন হসপিটালে। বদির ভাইদের কেউ মধ্যপ্রাচ্যে পালিয়ে গেছেন, কেউ ঢাকায় আত্নগোপনে। বদির সহযোগী ইয়াবা ব্যবসায়ীরা গ্রেপ্তার হয়েছেন।
  • অস্ত্র মামলার আসামী ফেনী-২ আসনের সাংসদ নিজাম হাজারী মামলা সামলাতে হিমশিম খান। ফেনী আওয়ামী লীগের অনেক স্থানীয় নেতা একরাম হত্যার অভিযোগে এখন কারাগারে।

আদিবাসীরা সহ যাদের ভোট আওয়ামী লীগ নিজেদের বলে ধরে নিয়েছিল – গত এক বছরে সবাই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন – নেতারা কি লক্ষ্য করেননি?
শেয়ারবাজারে সর্বস্ব হারানো বিনিয়োগকারী (সর্বস্ব হারিয়ে যাদের কেউ কেউ আত্নহত্যা করেছেন) ভোটের মাধ্যমে অন্যায়ের জবাব দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।

“শেয়ারবাজারে কেলেঙ্কারির পর একজন প্রভাবশালী আমাদের কাছে এলেন। বললেন, সার, আমাদের ঘাটায়েন না। কিছু করতে পারবেন না।  … আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে আমরা সামনে থাকি আর বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে
অন্যরা সামনে আসবে, আমরা পিছনে থাকবো।
সরকারের ওপর এই মাফিয়া চক্রের প্রভাব খুব বেশি।”]  


আমাদের ডেমোগ্রাফি কিন্তু তারুণ্য নির্ভর। ১৮-৩৫ বছর এই রেইঞ্জে মোট ভোটারের ৪৫%।
আমাদের তরুণরা কি আওয়ামী লীগকে আর ভোট দেবেন?

আওয়ামী লীগের সেই এক বছর আগে যদি ৩৫ ভাগ সমর্থন থাকে – এখন সেটি কমে কত ভাগে গিয়ে দাঁড়িয়েছে – তা কি নেতারা খেয়াল করেছেন?

কাজেই আমরা সরকারকে বাস্তবতা অনুধাবন করে জনগণের আশাআকাঙ্ক্ষা পূরণে মনোযোগী হতে আহ্বান জানাই।

4.সম্পাদক পরিষদের বিবৃতি: সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে (prothom-alo.com)

“ঘোষিত জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালাসহ সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও অবাধ তথ্যপ্রবাহে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হবে বলে মনে করে সম্পাদক পরিষদ। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে বলেও মনে করে সম্পাদক পরিষদ।”

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মূলভিত্তি – মুক্তভাবে মত প্রকাশের উপর চরম এবং অযাচিত হস্তক্ষেপ। 
আমরা গ্রেপ্তারকৃত সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করছি।  

আমরা মনে করি, বর্তমান সরকারের – নিজেদের জনপ্রিয়তায় ভাটা – নজরে নেওয়া উচিত।
বর্তমানে দেশে চরম অজনপ্রিয় সরকার যদি মনে করে – এভাবে দমন নিপীড়ন চালিয়ে জনগণের মুখ বন্ধ রাখা যাবে – তবে তার পরিণতি ভালো হবে না।

5.দ্রুত তামাক নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা প্রণয়ন দাবি (banglanews24.com)

২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে তামাকজাত পণ্য আমদানির উপর শুল্ক বাড়ান হয়েছে।
তামাক চাষের জমিতে গার্মেন্টস শিল্পের জন্য তুলা চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এবার তামাক নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা প্রনয়ন করতে হবে।

6.“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে অগ্রগতি

বাংলাদেশ মাদকমুক্ত হওয়ার পথে।
বাংলাদেশের নাগরিকদের দেশ নিয়ে গর্ব করার মত অর্জনের ভান্ডারে আরেকটা অর্জন কিছুদিন পর যোগ হবে।
বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর প্রথম অবৈধ মাদকমুক্ত দেশ।


“বিজিবি-৩ জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুর রাজ্জাক তরফদার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাদকদ্রব্য ধ্বংস কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বগুড়া অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল কবির, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৫ (র‌্যাব) জয়পুরহাট ক্যাম্পের উপ-পরিচালক (ডিএডি) রফিকুল ইসলাম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসনাত। 

এ সময় দুই কোটি চার লাখ ২৬ হাজার ৯৫৩ টাকা মূল্যের ফেনসিডিল, মদ, গাঁজা, বিয়ার, ইনজেকশন, সিরাপ ও বিস্ফোরক দ্রব্য ধ্বংস করা হয়।” 

7.অন্যায় অপরাধমুক্ত উন্নত ফেনী জেলা গড়ে তোলায় অগ্রগতি

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s