বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন

বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে
 

  • দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি (যেমন – রামপাল)

বা

  • দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বিবেচনা না করে তড়িঘড়ি করে বড় চুক্তিতে যাওয়া (যেমন – নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন)

– না করে এখনই কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে।
 

  • আমাদের existing power plantsগুলোর efficiency বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ শুরু করতে হবে।
  • “বিদ্যুৎ চুরি”-র বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।   
  • “সিস্টেম লস” – কমানোর লক্ষ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে। 
  • বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
  • নির্মাণাধীন প্ল্যান্টগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। 
  • গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর যন্ত্রপাতির সংস্কার করে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা ৫০% এর বেশি বাড়ানো সম্ভব। এজন্য এক হিসেব মতে খরচ হবে আনুমানিক ৫০০০ কোটি টাকা – যা বিশ্বব্যাংক এবং এডিবি (ADB) দিতে প্রস্তুত।


 

টেকনিক্যাল কাজগুলোতে বিদেশী Expertise এর উপর নির্ভরতা আমাদের কমাতে হবে।
 

প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষম দেশী ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশান আমি গড়ে তুলবো।
 

কিছুদিন পর 

  • দেশে রিকশার চাকার ঘূর্ণনে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। 
  • বন্যার পানি রূপান্তরিত হবে বিদ্যুতে। 

Renewable Energy Sector এ বাংলাদেশ হবে বিশ্বের মডেল।

Reform in Financial Sector: Outline of Development Plans (ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমে সংস্কার: উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা)

Area of Expertise: # Finance And Banking

ফাইনান্সিয়াল সিস্টেম (Financial System) এ সংস্কার

 
দেশের পুরো ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমকে ঢেলে সাজানো হবে। 
 
ফাইনান্সিয়াল সিস্টেম (Financial System) বলতে কিছু শর্তের ভিত্তিতে এবং নিয়মকানুন মেনে অর্থ (Money) এক পক্ষ থেকে অপর পক্ষে হস্তান্তর করে এমন সব সিস্টেম। 
ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমের মাঝে রয়েছে 
  • ব্যাংক, 
  • ক্ষুদ্রঋণ (Micro-credit) প্রতিষ্ঠান,  
  • স্টক মার্কেট, 
  • ভেঞ্চার ক্যাপিটাল শিল্প,
  • ইন্টারন্যাশনাল এক্সচেঞ্জ (ফরেইন রেমিটেন্স ম্যানেজমেন্ট), 
  • ইনস্যুরেন্স।   
শেয়ার মার্কেটে সংস্কার: 
 
এক শেয়ার বাজারেই ২০১১ সালে বিলিয়ন ডলারের উপর অর্থ কারসাজির মাধ্যমে সরানো হয়েছে।
শেয়ার বাজারেই ২০১১ সালের scam এর পুরোটা ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। 
প্রথমে সবাইকে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগে লাভের লোভ দেখিয়ে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করা হয়। (ঠিক যেভাবে এমএলএম কোম্পানিগুলো লাভের লোভ দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।)
বক, বিভিন্ন পেশার মানুষ লাভের আশায় শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করেন। অনেকেই বিনিয়োগ করতে গ্রামে নিজেদের সহায় সম্পত্তি বিক্রি করেন। 
তারপর কারসাজি করে কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়। 
 
আমরা বিদেশে পাচার করা কালো টাকা ফিরিয়ে আনবো। 
 
নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে স্টক মার্কেটে কোম্পানির মূল্যমান নির্ধারণ করার প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং মানসম্পন্ন করবে। (আমাদের দেশে কিছু কোম্পানির বাস্তবে অস্তিত্ব নেই, কিন্তু শেয়ার মার্কেটে শেয়ার বিক্রি করে।)
 
ব্যাংকিং সেক্টরে সংস্কার: 
 
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে স্বচ্ছতা আনতে আমরা কাজ শুরু করেছি। 
 
দেশের রাস্ট্রায়ত ব্যাংকগুলো চরম অব্যবস্থাপনা এবং সীমাহীন দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। 
রাজনীতিবিদরা এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহারকারীরা দেশের রাস্ট্রায়ত ব্যাংকগুলো থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট-দুর্নীতি-ঋণ খেলাপি করেছেন। 
 
দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। 
 
রাস্ট্রায়ত ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, দুর্নীতিবাজদের বিচারের মুখোমুখি করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
“১৪০ কোটি টাকা আত্নসাতের গুরুতর অভিযোগে মামলা হয়েছে।”
 
 
বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রস্তাব: 
– ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ: অর্থনীতিবিদ; সাবেক গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক 
– খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদঃ ব্যাংকার; সাবেক ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক 
 
নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে রাস্ট্রায়ত ব্যাংকগুলোকে প্রাইভেটাইজেশনের (privatization) প্রক্রিয়া শুরু করবে। 
 
 
হুন্ডির মাধ্যমে প্রবাসীদের অর্থ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান: 
হুন্ডির মাধ্যমে প্রবাসীদের অর্থ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আমরা কাজ শুরু করেছি। পুরোপুরি কার্যকর করতে পারলে ফরেইন রেমিটেন্স (Foreign Remittance) প্রায় দ্বিগুণ করা সম্ভব।

হুন্ডি ব্যবসায়ীরা মাদকসহ নানা অপকর্মে তাদের অর্থ ব্যবহার করেন। 

 
হরতালের বিপক্ষে দৃঢ় অবস্থান: 
দেশে আমরা কোন রাজনৈতিক দলকে জোর করে হরতাল পালন করতে দেবো না।
 
 
 
  • ফরেইন রেমিটেন্স এবং কালো টাকা – বিলিয়ন ডলার দেশে ফিরে আসবে।
  • ব্যবসার পথে আমলাতান্ত্রিক জটিলতাগুলো দূর করবো।
    দেশের ব্যাংকগুলোতে যদি বিলিয়ন ডলার থাকে আর ব্যবসা করার প্রক্রিয়া যদি সহজ হয়, তাহলে দেশে বাণিজ্য এবং শিল্পের একটা নবজাগরণ ঘটবে। 
 
 
সবকিছু পরিকল্পনামত এগুলে বাংলাদেশ শুধু 
  • “দুর্নীতিমুক্ত”, 
  • “মাদকমুক্ত”, 
  • “ফরমালিনমুক্ত” এবং 
  • “সন্ত্রাসমুক্ত”ই হবে না, 

২০১৪-১৫ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। 

 
 
 বাংলাদেশে হরতাল – জ্বালাও – পোড়াও এর সংস্কৃতি বন্ধ হয়েছে।
একদিনের হরতালে দেশে ২ হাজার কোটি টাকার উপর ক্ষতি হয়। 
এভাবে হিসেব করলে ২-৩দিনের হরতালে দেশের জিডিপি থেকে ১ বিলিয়ন ডলার হারিয়ে যায়।
হরতাল সংস্কৃতি বন্ধের ফলে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে জিডিপিতে ঊর্ধ্বগতি আমরা দেখবো। 
 
২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ১০% ছাড়িয়ে যাবে।  
সহজভাবে বলতে গেলে ব্যাপারটা হল, আগের ১ বছরে দেশে মোট যে পরিমাণ পণ্য ও সেবা উৎপাদিত হয়েছে, আগামী ১ বছরে তার চেয়ে ১০% এর বেশি পণ্য ও সেবা উৎপাদন।
 ধরি, বাংলাদেশের বর্তমান জিডিপি আনুমানিক ১৫০ বিলিয়ন ডলার। তাহলে, ১০% প্রবৃদ্ধির জন্য ২০১৪-১৫ অর্থবছরে জিডিপি ১৬৫ বিলিয়ন ডলার (১৫ বিলিয়ন ডলার বেশি) হতে হবে।  
 
১৫ বিলিয়ন ডলারের উপর জিডিপি প্রবৃদ্ধি কিন্তু খুবই সম্ভব: 
 
  • আগের অর্থবছরের মত দিনের পর দিন হরতাল নেই। পোশাক শিল্পে রপ্তানি অনেকখানি বাড়বে। ব্যবসা ভালো চলবে। 
  • অন্যায় – অপরাধ – মাদকের প্রকোপ নেই। জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে আগের মত অনিশ্চয়তা নেই। 
  • দুর্নীতি অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে। 
  • স্থানীয় সরকারগুলো তাদের দায়িত্ব পালন করবে। 
  • ব্যবসা – উদ্যোগের পথে সমস্যাগুলো দূর করা হবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা (যেমন নিবন্ধন ইত্যাদি) দূর করা হবে। 
  • হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠানো বন্ধ হলে ফরেইন রেমিটেন্স অনেকখানি বাড়বে – বেশ কয়েক বিলিয়ন ডলার। 
  • নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে স্টক মার্কেটে কোম্পানির মূল্যমান নির্ধারণ করার প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং মানসম্পন্ন করবে। (আমাদের দেশে কিছু কোম্পানির বাস্তবে অস্তিত্ব নেই, কিন্তু শেয়ার মার্কেটে শেয়ার বিক্রি করে।)
  • ব্যাংক, স্টক মার্কেট এ শৃঙ্খলা আসলে শিল্প মালিক এবং উদ্যোক্তাদের নতুন ব্যবসা শুরু করতে অর্থের যোগান পেতে সমস্যা হবে না।
  • আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ হবে – বাইরে পাচার হওয়া কালো টাকা ফিরিয়ে আনা। আমরা পাচার হওয়া অনেক বিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে এনে প্রকৃত মালিক জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেবো।  
 
 
সবাই দায়িত্ব ভাগ করে নিলে ১০% এর অধিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যটা সহজ হয়ে যায়। 
  • গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির এক্সপোর্ট গত ১ বছরে ২০ বিলিয়ন ডলার হলে, আগামী ১ বছরে ২২ বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্ট করতে হবে।    
  • আবার, কোন মাঝারি আকারের ব্যবসা গত ১ বছরে ১০ লক্ষ টাকার পণ্য ও সেবা উৎপাদন করলে, আগামী ১ বছরে ১১ লক্ষ টাকার পণ্য ও সেবা উৎপাদন করতে হবে। 
  • এভাবে আমরা যে যেখানেই আছি না কেন, প্রত্যেকে যদি পণ্য বা সেবায় নিজের contribution আগের ১ বছরের তুলনায় ১০% বাড়াতে পারি তবে আমরা ১০% জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারবো। 
 
বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের লক্ষ্য হোক আগের বছরের তুলনায় ১০% বেশি উন্নতি। 
 
[ছাত্রছাত্রীরাও এই প্রক্রিয়ার সাথে নিজেদের যুক্ত করতে পারে। কোন ছাত্র বা ছাত্রী আগের ১ বছর প্রতিদিন গড়ে ৬ ঘন্টা পড়াশোনা করলে আগামী ১ বছর প্রতিদিন গড়ে ৬ ঘন্টা ৩৬ মিনিট পড়াশোনা করতে হবে এবং প্রত্যেক বিষয়ে ১০% বেশি নাম্বার পেতে হবে। পারবে না?]  
 
উল্লেখ্য, গত ১০ বছরে নিয়মিতভাবে আমরা আগের বছরের তুলনায় ৬ – ৬.৭% জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। 
অন্যভাবে বলতে গেলে, গত ১০ বছরে – প্রতিবছর আগের বছরের তুলনায় দেশে উৎপাদিত মোট পণ্য ও সেবার পরিমাণ ৬ – ৬.৭% বৃদ্ধি পেয়েছে।
 


সবকিছু পরিকল্পনামত এগুলে আমরা খুব দ্রুত মাথাপিছু আয়ের দিক দিয়ে প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা আর ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে যাব! 
বাংলাদেশ কয়েক বছরের মাঝে Emerging Economyগুলোর মাঝে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল এবং শক্তিশালী হিসেবে আবির্ভূত হবে।   
 
 
স্বপ্নের বাংলাদেশের দিকে আমাদের দৃষ্টি নিবদ্ধিত।
 


Progression

“All major economic indicators of Bangladesh have been showing a sign of improvement for the past several months, according to ADB’s update report launched yesterday at its Dhaka office.”






 

Entrepreneurship (উদ্যোক্তা) Development

 
 ১.উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সংক্রান্ত সব তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ওয়েবসাইট 
 
 ২.উদ্যোক্তাদের কমিউনিটি গড়ে তোলা; পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে শেখা এবং সম্মিলিতভাবে নতুন উদ্যোগ নেয়া;  
 
 ৩.দেশে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল শিল্প গড়ে তোলা 
 
 ৪.ব্যবসার ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন; দ্রুততম সময়ে উদ্যোক্তারা যাতে ব্যবসা শুরু করতে পারেন সে লক্ষ্যে সমস্ত বাঁধাগুলো দূর করা;  
 
 ৫.ব্যাংক ঋণ শর্ত সহজীকরণ; রাস্ট্রায়ত ব্যাঙ্কগুলোকে প্রাইভেটাইজেশনের উদ্যোগ নেওয়া 
 
 ৬. তথ্যপ্রযুক্তিতে Entrepreneurship উৎসাহিত করতে Incubator প্রতিষ্ঠান, Hackathon প্রতিযোগিতা ইত্যাদি আধুনিক নানা উদ্যোগ চালু করা 
 
 
 
রেফরেন্স: 

বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিকভাবে দৃঢ় অবস্থান তৈরি করার লক্ষ্যে কাজ করবে

বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিকভাবে দৃঢ় অবস্থান তৈরি করার লক্ষ্যে কাজ করবে।


  • গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের মাধ্যমে নেপাল, ভুটান এবং ভারতের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হয়ে ওঠা,
  • সমুদ্রে তেল ও গ্যাস আবিষ্কার,
  • পলিটিকাল স্টাবিলিটি, দক্ষ কর্মশক্তি এবং প্রয়োজনীয় Infrastructure নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিদেশী বিনিয়োগ,
  • নতুন নতুন শিল্প স্থাপন,
  • আইসিটি, জাহাজ নির্মাণ এ অগ্রগতির পাশাপাশি Construction, Medical Device, Automobile, Biotech এবং অন্যান্য প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিল্প গড়ে তোলা, 
  • নতুন নতুন Market কে লক্ষ্য করে নতুন Product আনা এবং রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি,  


 

– এসবের মাধ্যমে বাংলাদেশ হয়ে উঠবে দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার Regional Powerhouse.

Achieving Five billion Dollar export target in IT Industry (তথ্যপ্রযুক্তি খাতে পাঁচ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন)

1.

দেশে সফটওয়্যার ডেভেলাপমেন্ট এখনও মূলত ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট, মোবাইল অ্যাপস ডেভেলাপমেন্ট এবং ছোট আকারের ERP (Enterprise Resource Planning) সফটওয়্যারের মাঝে সীমিত।
আমাদের ভালো কাজের মাঝে Pageflakes আছে।


একটা ব্যাপার আমাদের দেশের ডেভেলাপারদের জানতে হবে আর তা হল এখন Open Source Tools, Cloud Computing ব্যবহার করে উন্নত মানের সফটওয়্যার সহজেই ডেভেলাপ করা যায়।
আর উন্নত মানের সফটওয়্যার ডেভেলাপ করে মিলিয়ন ডলারের Market ধরা সম্ভব।


ভারতের কোম্পানিগুলো কিন্তু Hadoop, MongoDB, অন্যান্য NoSQL Database ইত্যাদি Open Source Tools ব্যবহার করে এবং Amazon Web Service এর মত Cloud Computing Infrastructure ব্যবহার করে Big Data স্পেইসে কাজ করছে।


Hadoop, HBase, MongoDB, অন্যান্য NoSQL Database ইত্যাদি Open Source Tools ব্যবহার করে এবং Amazon Web Service, Microsoft Cloud এর মত Cloud Computing Infrastructure ব্যবহার করে আমাদের ছেলেরাও Big Data অ্যাপ্লিকেশান দাঁড় করাতে পারে।


আমাদের ছেলেদের মাঝে Open Source Library / Framework ব্যবহার করে Software Development এর culture ছড়িয়ে দিতে হবে।
শুধু CakePHP, jQuery দিয়ে Web Development না, সাথে Cassandra, Hadoop, Pig ব্যবহার করে Distributed Application ডেভেলাপ করাও জানতে হবে।
   

Open Source Tools, Cloud Computing ব্যবহার করে সফটওয়্যার ডেভেলাপমেন্ট স্কিলস কিভাবে গড়ে তোলা যায়?
দেশে বিভিন্ন Open Source Framework / Library, Cloud Computing Infrastructure এসবের users’ group গড়ে তুলতে হবে।

সবাই মিলে ডিসকাস করে, প্রজেক্টে কাজ করে শিখবে।কিছুদিন আগে অনুষ্ঠিত Pycon Dhaka এর  মত অন্যান্য Software Development Tools এর উপর নিয়মিত কনফারেন্স আয়োজন করতে হবে।





University তে 1st year এ Basic Programming, 2nd-3rd year এ Programming Contest, 4th year এ বিভিন্ন Open Source Tools ব্যবহার করে সফটওয়্যার ডেভেলাপমেন্ট – এর উপর জোর দেওয়া যায়।  
Coursera, Udacity, MITx, EdX থেকে সবাই সেরা University গুলোর Course বাসায় বসে নিতে পারে।
ইন্টারনেট সংযোগ খরচ কমিয়ে আনতে হবে।


আমাদের দেশে মূলত Outsourcing কাজগুলো হয় – বাইরের customer দের product আমরা ডেভেলাপ করে দেই।
আমাদের নিজস্ব প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্ট এর দিকে যাওয়ার সময় এসেছে।


নিজেদের startup company গড়ে জন্য তোলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
প্রথমে দরকার ডেভেলাপারদের মাঝে skills গুলো ডেভেলাপ করা।
Software Development শেখার পাশাপাশি International Market এ কি কি ধরণের Software product তৈরি হচ্ছে – সবসময় নজরে রাখতে হবে।
readwrite.com,
techcrunch.com বা
আমাদের tech.priyo.com
থেকে নিয়মিত ঘুরে আসা কি খুব কঠিন?

Venture Capital Firm, Start-up incubator, Hackathon ইত্যাদি introduce করতে হবে।
Entrepreneurial culture গড়ে তুলতে হবে।


বর্তমান সময়টাই Entrepreneurial culture বিকাশের সময়।
সত্যি বলতে, ১০-১৫ বছর আগেও যে অ্যাপ্লিকেশান Government বা বড় কোম্পানি – বিশাল লোকবল ছাড়া develop করা সম্ভব ছিল না, বর্তমানে কিন্তু ছোট একটা startup ওরকম অ্যাপ্লিকেশান develop করতে পারে।
Open Source Tools আর Cloud Computing এর মাধ্যমে startup দাঁড় করানো এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে, খরচ অনেকাংশে কমে গেছে।
যেমন – একটা Cluster (অনেকগুলো connected computer) এ run করবে – এমন computation intensive কোন processing এর code লেখা অনেক কঠিন। কিন্তু Hadoop ব্যবহার করে খুব সহজেই কাজটা আমরা করতে পারি।
আবার অনেকগুলো কম্পিউটারের Cluster নিজেদের কিনে run করাতে হবে না, সামান্য খরচে Amazon Web Service এ সেই কোড Mapreduce Job হিসেবে run করানো যাবে।


Mark Zuckerberg যদি বন্ধুদের নিয়ে বর্তমানে ১০০ বিলিয়ন ডলার valuation এর Facebook প্রতিষ্ঠা করতে পারে – আমাদের ছেলেদের একটা startup কেন পারবে না?


পাঁচ বিলিয়ন ডলার আইটি ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলতে আমাদের

  • BPO (Business Process Outsourcing),  
  • ITO (Information Technology Outsourcing) 

এর উপর জোর দিতে হবে।

এক্ষেত্রে Expertise, skills গড়ে তুলতে হবে। সাথে প্রয়োজন হবে বাংলাদেশকে Outsourcing destination হিসেবে International Marketing.



Egypt কিন্তু BPO (Business Process Outsourcing), ITO (Information Technology Outsourcing) তে এই কাজটাই করেছে [1]

  • Skills development,
  • Institution গড়ে তোলা আর
  • International Marketing.


আমাদের BBA গ্রাজুয়েটদের নিয়ে দেশে Business Process Outsourcing (BPO) industry গড়ে তোলার যায়।


তথ্যপ্রযুক্তিতে স্বল্প মেয়াদী পরিকল্পনা ফ্রিলান্সিং কে ঘিরে করা উচিত।

  • ফ্রিলান্সিং এর বিভিন্ন স্কিলস, 
  • ইংরেজিতে দক্ষতা শেখানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান 
    • (ব্যক্তিগত উদ্যোগেও হতে পারে) গড়ে তোলা,  
  • কম্পিউটার-ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ঋণসুবিধা দেওয়া জরুরী।
  • সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ : ফ্রিলান্সিং করে ঘরে বসে যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করা যায় – এ ব্যাপারে সারা দেশে সচেতনতা সৃষ্টি

লক্ষ টাকা ব্যয় করে মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে একজন বাংলাদেশী যে পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারে, ঘরে বসে ফ্রিলান্সিং করে একজন শিক্ষিত তরুণ তার চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারে।  

“ঘরে বসে বড়লোক” – এমন দৃষ্টান্ত আরও আরও দেখতে চাই!

সবাই মিলে একসাথে কাজ করলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে পাঁচ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন – খুব দ্রুতই সম্ভব।




2.

নাগরিক শক্তি আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবাইকে সাথে নিয়ে দেশের এক একটি সমস্যা সমাধান করবে। 

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি সামাজিক যোগাযোগ সাইট ডেভেলাপ করা হবে। 
দেশের নাগরিকরা দেশের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরবেন। যারা সমস্যাটি সম্পর্কে অবহিত তারা সমস্যাটি আরও বিস্তারিত করে তুলে ধরবেন।
আবার কেউ চিহ্নিত করবেন – এক ক্ষেত্র যেখানে অনেক উন্নতির সুযোগ রয়েছে।  
অন্যরা সমস্যাটির বিভিন্ন সমাধান suggest করবেন। 
তারপর সবাই মিলে সমস্যা সমাধানে একটা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। সাথে টাইমলাইন থাকবে – এই সময়ের মাঝে এতটুকু করা হবে। 
সবাই যে যার অবস্থান থেকে সমস্যাটি সমাধানে ভূমিকা রাখবেন। 
আর এভাবে এক একটি সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে, এক একটি ক্ষেত্রে উন্নতির মাধ্যমে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। 
[
আজকে সারা দেশে ফরমালিন আর ভেজাল খাদ্য আর ওষুধ বিরোধী যে অভিযান চলছে – তার শুরুটা কিভাবে?
  • ফেইসবুকে ফরমালিন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে “Stop poisoning us” নামে একটি গ্রুপ করা হয়।  
  • গ্রুপটি ঢাকায় মানববন্ধন করে।
  • আমরা ব্যাপারটি সম্পর্কে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এবং দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেটদের সৃষ্টি আকর্ষণ করি। 
  • চ্যানেল আইতে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন এবং একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়ে কৃষি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ “তৃতীয় মাত্রা”য় একটি বিশেষ পর্ব করেন। 
  • দেশের কয়েকটি এলাকায় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং ম্যাজিস্ট্রেটরা ভেজাল খাদ্য এবং ফরমালিন বিরোধী অভিযান পরিচালনা শুরু করেন। 
  • ডিএমপি (ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশ) কমিশনার বেনজীর আহমেদ ঢাকাকে ফরমালিন মুক্ত করতে ঢাকায় বিশেষ অভিযান শুরু করেন।   
  • ঢাকার ভেতরে এবং বাইরে – দেশের বিভিন্ন স্থানে ফরমালিন এবং ভেজাল খাদ্য বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। 
  • দেশের বিভিন্ন স্থানে সচেতন জনগণ ফরমালিন এবং খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টিতে মানববন্ধন করে।    
  • এই অভিযান এখনো চলছে। 
  • ফলমূলে ফরমালিনের পাশাপাশি ভেজাল খাদ্য, ফরমালিনযুক্ত মাছ এবং সবচেয়ে ভয়ানক – ভেজাল ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।     

 

 
কিছুদিন আগে সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর নীলফামারির একটি বাজারকে “ফরমালিনমুক্ত” হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। বাংলাদেশের আরও অনেক বাজার আজকে “ফরমালিন্মুক্ত”।  
ফরমালিন কিন্তু মোটেই ছোট কোন ব্যাপার না – দেশের মানুষের গড় আয়ু অনেকখানি কমিয়ে দিতে, ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে এর ভূমিকা রয়েছে।  
বাংলাদেশ কিছুদিন পর ফরমালিন মুক্ত হবে। তখন মানুষ পিছে ফিরে তাকালে – উপরের গল্পটি বলবে।
]
কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পনা করা হলে – দেশের সমস্যা সমাধানে এবং উন্নয়নে – এই ধরণের কর্মপরিকল্পনা আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব।    
সবাই মিলে কাজ করলে কি না হয়?



3. 


দেশে আমরা আর Pirated Software ব্যবহার করবো না – ওগুলো illegal.
আমরা ব্যবহার করবো Open Source Software এবং Web Apps – যেগুলো বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
আমরা Pirated Microsoft Office ব্যবহার করবো না, তার পরিবর্তে ব্যবহার করবো Google Apps (Google Docs ইত্যাদি) বা Open Office.
আমরা Pirated Windows Operating System ব্যবহার থেকেও সরে আসবো। আজকেই বন্ধুদের নিয়ে Linux Operating System install করে ফেলুন। কয়জনই বা Linux ব্যবহার করে! হয়ে উঠুন সবার চেয়ে আলাদা!
এখন তো প্রায় কাজই Web এ , Cloud এ করে নেওয়া যায় – Operating System – Windows কি Linux – তাতে খুব বেশি কিছু আসে যায় না – Browser Chrome হলেই হল!





4.


কম্পিউটিং এর নতুন যুগ: Physical Digital Computing
সিলিকন ভ্যালীতে এখন একটা কথা প্রচলিত হচ্ছে আর তা হল “Hardware is the new Software.” [2]


আশেপাশের সব যন্ত্রপাতিতে মাইক্রোপ্রসেসর, ওয়াইফাই সংযোগ এবং সেন্সর যুক্ত হয়ে সূচীত হতে যাচ্ছে কম্পিউটিং এর ইতিহাসে নতুন একটা যুগ – Physical Digital Computing.
কম্পিউটার এখন শুধু স্ক্রিনযুক্ত ডিভাইসের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সব ধরণের যন্ত্রপাতির অংশ হয়ে এতদিনকার একঘেয়ে  যন্ত্রগুলোকে বুদ্ধিমান এবং Responsive করে তুলবে।
Open Source Software যেমন সফটওয়্যার তৈরিকে সহজ করে দিয়েছে – একইভাবে Open Hardware Platforms (যেমন – Arduino, Raspberry Pi, Open 3D Printing Platforms),
মাইক্রোপ্রসেসর, ওয়াইফাই সংযোগ এবং সেন্সর প্রযুক্তির ক্রমহ্রাসমান খরচ Physical Digital Computing এর আগমনকে অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছে।
আমাদের ছেলেরা Software Development এর পাশপাশি আশেপাশের সব যন্ত্রপাতিতে Computing Technology embed করে যন্ত্রপাতিগুলোকে আরও বুদ্ধিমান, Adaptable, Internet-enabled করে তুলবেন।
কম্পিউটিং এর নতুন যুগ Physical Digital Computing এ নেতৃত্বস্থানীয়ে থাকবে বাংলাদেশ।    






5.

Gaming Industry


“বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৭৪ কোটি ৭০ লাখ গেমার রয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র মোবাইল ডিভাইসে গেম খেলেন ১২০ কোটি মানুষ।” 

২০১৩ সালে বিশ্বব্যাপী Game Market ছিল $70.4 Billion বা ৭ হাজার কোটি ডলারের বেশি – যা সামনের দিনগুলোতে আরও বাড়বে [3]। 

“প্রতিদিন যে পরিমাণ অ্যাপস ডাউনলোড হয় তার ৭০ শতাংশের বেশি গেম। 

শুধু স্থানীয় মার্কেটকে লক্ষ্য না করে আন্তর্জাতিক বাজার নিয়ে কাজ করার কথাও বলেন বক্তারা।”

গেম তৈরি ও ব্যবসার সঙ্গে অর্থ লেনদের বিষয়টিও যুক্ত থাকে। এ ক্ষেত্রে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে প্রয়োজন।

দেশে গেইমিং ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলতে ডেভেলাপারদের দক্ষতা গড়ে তোলা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ Game Designer [4] গড়ে তোলা। উপন্যাস রচয়িতার মত একজন Game Designer গেইমে কি থাকবে না থাকবে, Game World কিরকম হবে, কোনটার পর কোনটা ঘটবে, Player কিভাবে interact করবে, feedback (points, badges etc.) কিরকম হবে – এসব Design করেন।

সাথে Marketing এ দক্ষ ব্যক্তিদেরও প্রয়োজন হবে।

আমরা “ডিজিটাল বাংলাদেশ” এর স্বপ্নদ্রষ্টা বর্তমান সরকারের কাছে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে” এর ব্যাপারে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নেওার আহবান জানাই।
[এতদিনেও হয়নি!!]


 

6.
ICT Usecases For Government


তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা হল যে কোন তথ্যকে Digitize করলে (ডেটাবেইসে স্টোর করে রাখলে) পরবর্তীতে তথ্য খুঁজে পাওয়া সুবিধা হয়। 
  কাগজে লেখা থাকলে খুঁজে বের করা সময়াসাপেক্ষ ব্যাপার – কম্পিউটারে কয়েকটি key টিপেই তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়।

·         আবার সারা দেশের তথ্য Digitize করলে যে কোন স্থানীয় অফিস থেকে Web ব্যবহার করে দেশের সমস্ত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
  কাগজে লেখা তথ্য দেশের বিভিন্ন অফিসে ছড়িয়ে থাকে।

 


“ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে ভূমি জরিপের প্রাচীন ও জটিল পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল জরিপ প্রবর্তনের জন্য সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।    
আগে একটি পর্চা তুলতে এক হাজার থেকে পনেরশ” টাকা লাগত। সেখানে এখন মাত্র ২৭ টাকায় পর্চা ও নকশা উত্তোলন করা যাচ্ছে।”

·        
·      
   কিছুদিন আগে রাব দেশের সকল অপরাধীদের Database তৈরি করেছে। এবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো ভূমি মন্ত্রনালয়। সরকারের অন্যান্য বিভাগও তথ্য Digitize করার এই ধারা অনুসরণ করবে।     






References

  1. The Global Information Technology Report 2008-2009 
  2. Joi Ito’s Trends to Watch in 2013 
  3. Global Games Market Report Infographics 
  4. Game design

 

Development and modernization of Chittagong Port can change the economic direction of nation (চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন ও উন্নয়ন দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দিতে পারে)

চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দিতে পারে।

আমাদের দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য গার্মেন্টস মূলত চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই বাইরের দেশগুলোতে রপ্তানি হয়।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে একটি জাহাজ turnaround হতে গড়ে আড়াই দিন সময় লাগে। তুলনামূলকভাবে, সিঙ্গাপুর বন্দরে সময় লাগে গড়ে ১২ ঘন্টা।
আমরা যদি চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ turnaround সময় কমিয়ে আনতে পারি তাহলে আমদানি – রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে।

একটা ব্যাপার মনে রাখতে হবে, আমাদের আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য কিন্তু দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
McKinsey ধারণা করছে, বাংলাদেশের আগামী ১০ বছরে গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি দ্বিগুণ করার সুযোগ রয়েছে। আমরা মনে করি, আগামী ৫ বছর বা তারও আগে গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি দ্বিগুণ হবে।
এই রপ্তানি কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করেই হবে।

এই রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে চট্টগ্রাম বন্দরের কনেটাইনার হান্ডলিং কাপাসিটি বাড়ানো এবং জাহাজ turnaround সময় কমিয়ে আনা। এই লক্ষ্যে আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং Management চট্টগ্রাম বন্দরে
introduce করা হবে।


চট্টগ্রাম বন্দরের আন্তর্জাতিক গুরুত্ব অনেক বেশি।
নেপাল আর ভুটানের পণ্য আমদানি রপ্তানির জন্য নিজস্ব কোন নদী বা সমুদ্র বন্দর নেই।
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন করলে নেপাল, ভুটান পণ্য আমদানি রপ্তানির জন্য চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করবে।
আবার ভারত তার উত্তরপূর্ব প্রদেশগুলোর সাথে পণ্য আদান প্রদান করতে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে চাইবে।


গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হল – চট্টগ্রাম বন্দর একটি নদী বন্দর। কাজেই দীর্ঘ পণ্যবাহী জাহাজ (৬১৭ ফিট এর চেয়ে দীর্ঘ) চট্টগ্রাম বন্দরে প্রবেশ করতে পারে না।
কাজেই আমাদের রপ্তানি বাণিজ্য পণ্য প্রথমে সিঙ্গাপুর, শ্রীলংকা এবং মালয়েশিয়ার ৪টি বন্দরে পৌঁছানো হয় এবং সেসব বন্দর থেকে দীর্ঘ পণ্যবাহী জাহাজের মাধ্যমে বাইরের দেশগুলোতে যায়।


দীর্ঘ পণ্যবাহী জাহাজ প্রবেশের সুযোগ দিতে আমাদের একটি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ করতে হবে। সোনাদিয়ায় একটি গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ে তোলার পরিকল্পনা আছে।

এক্ষেত্রে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী মায়ানমারের নির্মাণাধীন Sittwe Port। ভারত নিজেদের সুবিধার্থে এই “গভীর সমুদ্র বন্দর” নির্মাণে মায়ানমারকে সহায়তা করছে।

আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত efficient গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণ করতে পারলে চায়না, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ সেই বন্দর ব্যবহার করবে। আর এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করবে।

টেকনিক্যাল কাজগুলোতে বিদেশী এক্সপারটাইসের উপর নির্ভরতার ট্রেন্ডটিতে পরিবর্তন আনা হবে।
আমাদের গভীর সমুদ্র বন্দর আমরা নিজেরা নির্মাণ করবো।
এই লক্ষ্যে আমি দেশে ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবো।

এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ হবে দ্রুত নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল চালু। শুধুমাত্র সিধান্ত নিতে দেরি হওয়ায় নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল চালু আটকে রয়েছে।

Education development plans (শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনা)

1.
উচ্চশিক্ষা (Higher Education)

১.প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের জন্য নিজস্ব Ranking System প্রবর্তনের প্রস্তাব করছি। এতে শিক্ষকরা নিজেদের মান উন্নয়নে সদা সচেষ্ট থাকবেন। আবার মানসম্পন্ন শিক্ষকদের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মেধাবী শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করতে সমর্থ হবেন।

  • ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া Points এর ভিত্তিতে; গবেষণাপত্র প্রকাশ-ও একটা মানদণ্ড (Research Culture গড়ে তোলা)
  • ৩ মাস পরপর Ranking প্রকাশ – শিক্ষকদের নিজেদের অবস্থান উন্নত করার সুযোগ প্রদান;
  • শিক্ষকরা Online Resources যেমন Coursera, EdX, Udacity ইত্যাদি ব্যবহার করে নিজেদের সমৃদ্ধ করবেন।


২.বিশ্ববিদ্যালয় – ইন্ডাস্ট্রি Collaboration; বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং, বিজ্ঞান, ব্যবসা ইত্যাদি অনুষদের শিক্ষার্থী – শিক্ষক ইন্ডাস্ট্রির কাছে নতুন প্রকল্প প্রস্তাব করবেন – ইন্ডাস্ট্রি প্রকল্পটিকে নতুন প্রোডাক্ট হিসেবে বাজারে আনা যায় কিনা বিবেচনা করে দেখবে। কোন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর প্রজেক্ট হবে অপর একটি ইন্ডাস্ট্রির প্রোডাক্ট। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্সগুলোর পাঠ্যসূচি নির্ধারণে ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা বিবেচনায় নিতে হবে। ইন্ডাস্ট্রিতে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাক্টিকাল কোর্সগুলো পরিচালনার সুযোগ দেওয়া যায়।

৩.শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন Competition, Contest প্রচলন; শিক্ষার্থীরা এসব প্রতিযোগিতার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে নিজেদের মানোন্নয়ন ঘটাবেন। দেশের ইন্ডাস্ট্রিগুলো যেসব সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে ব্যর্থ হচ্ছে, সেসব সমস্যা শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতা হিসেবে উপস্থাপন করার সংস্কৃতি চালু করতে হবে।  
 

 ৪.বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রত্যেক Course এ শিক্ষার্থীদের অন্তত একটা মানসম্পন্ন Project সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনে Project অন্য একজন শিক্ষক তদারক করবেন। শিক্ষার্থী নিজে Project করেছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।
 

 ৫.প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগকৃত শিক্ষক – উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মান ইউজিসি কর্তৃক তদারকির প্রস্তাব করছি।
 


রেফরেন্স: 

  1. নাগরিক শক্তির শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা





2.
Primary & Secondary Education – প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি এজুকেশান (১ম শ্রেণী থেকে ৮ম শ্রেণী) এ পরিবর্তন আনা হবে। 
 

৩টি বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হবে
১. গাণিতিক দক্ষতা
২. ইংরেজি দক্ষতা
৩. কম্পিউটার দক্ষতা
       সার্চ করে, ওয়েব ব্যবহার করে যে কোন তথ্য খুঁজে বের করা;
       কম্পিউটারে হিসেবনিকেশ / কম্পিউট করতে শেখা; 
       ScratchAlice ধরণের শিশুতোষ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রোগ্রামিং এ হাতেখড়ি; 

আমরা জানি, দেশে গণিত, ইংরেজি এবং কম্পিউটারে দক্ষ শিক্ষকের অভাব রয়েছে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে।
এই তিনটি দক্ষতা গড়ে তুলতে দেশের সব স্কুলে ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটার এবং প্রজেক্টার সরবরাহ করা হবে। স্ক্রিনে শিক্ষার্থীদের lessons পরিবেশিত হবে। শিক্ষার্থীরা কম্পিউটারে পাঠ নেবে। 

প্রজেক্টার সাশ্রয়ী করতে প্রয়োজনে আমিই দেশে প্রজেক্টার উৎপাদন করবো।






3.

বাংলাদেশের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত আছেন।
আমরা চাই পড়াশোনা শেষ করে তারা দেশে ফিরে আসবেন এবং স্বপ্নের আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করবেন।
আমরা দেশে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলবো। এই কর্মযজ্ঞে দেশের মেধাবী মানুষরাই নেতৃত্ব দেবেন।
দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার – কর্মী, পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ, উন্নত অবকাঠামো গড়ে তুলে বিশ্বের সেরা ব্র্যান্ডগুলোকে আমরা বাংলাদেশে নিয়ে আসবো।

প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের “নাগরিক স্টুডেন্টস এসোসিয়েশান (NSA)”তে যোগ দেয়ার এবং এর মাধ্যমে দেশের সাথে একটা যোগসূত্র তৈরির আহ্বান জানাবো।

নাগরিক শক্তি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক দল নয়, জনকল্যাণ এবং দেশ গঠনের প্ল্যাটফর্মও বটে।



দেশে একটা Research Institute গড়ে তোলা হবে।

  • বিজ্ঞান এবং গণিতের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান হবে। 
  • Published হবে High Impact সব Paper. 
  • Industry তে applicable Technology উদ্ভাবিত হবে। 
  • DNA sequencing, Microarray Analysis [1], Functional Genomics [2] নিয়ে কাজ হবে।
  • PhD, Post Doctorate করতে দেশ সেরা মেধাবীরা আসবেন। 
  • পৃথিবীর সেরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে PhD ডিগ্রী প্রাপ্ত এবং সেরা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বাংলাদেশীদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। 
  • বাইরে পড়াশোনা শেষ করে যোগ দেবেন আমাদের গণিত এবং অন্যান্য অলিম্পিয়াডের সোনার ছেলেমেয়েরা। 
এমন একটা Research Institute. 
(এটা আমার ছোটবেলার স্বপ্ন!) 
ড. মাহবুব মজুমদার, প্রফেসর ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, প্রফেসর ড. মাকসুদ আলম, ড. আবেদ চৌধুরী [3] – সহ অনেকেরই পরিকল্পনা (এবং স্বপ্ন!) রয়েছে। 
সামনের দিনগুলোতে প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে।






References

  1. Research Institute নিয়ে স্বপ্ন
  2. জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জ্ঞানের বিকাশ 
  3. কৃষিতে নবজাগরণ  
  4. Knowledge Based Economy 






4.

যে যেখানে জীবনের যে পর্যায়ে থাকুন না কেন – প্রত্যেকটা মানুষের মাঝে লুকিয়ে আছে অনন্য ক্ষমতা।
প্রত্যেকের মাঝে সুপ্ত ক্ষমতা বিকাশের উপায় আমি দেখিয়ে দেবো।

ছেলেবেলার স্বপ্নগুলো বাস্তবতার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে হারিয়ে গেছে?
আমি খুঁজে দেবো!

২০১৩ সালের জানুয়ারির দিকে নিজেকে প্রশ্ন করেছিলাম, আমি যদি রাজনীতিতে আসি তাহলে সবচেয়ে বড় কি Contribute করতে পারবো যা অন্য কেউ করতে পারবে না?
উত্তরটা ছিল, প্রত্যেকটা মানুষের যে বিশাল শক্তি সুপ্ত হয়ে আছে – তা বিকাশের পথ করে দিতে পারবো। আর ১৬ কোটি মানুষ মানে বিশাল ব্যাপার – ১৬ কোটি অনন্য শক্তি! সেই শক্তির সামনে কোন কিছুই বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না! কাজেই ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। একটা শক্তিকেও হারাতে দেওয়া যাবে না।  





5.

স্বাক্ষরতার হার ১০০% এ উন্নীত করতে বাধ্যতামূলক Adult Education প্রচলন করা হবে।
 

দেশের প্রতিটি মানুষ 

  • লিখতে (Writing), 
  • পড়তে (Reading), 
  • প্রাথমিক অংকের হিসেব করতে (Basic Arithmetic) এবং 
  • তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার (Basic Computer skills) 

করতে পারবে।     




6.

আমরা অন্যের কাছে যাই শুনেছি – তা-ই নিজের মত (Opinion) করে নেবো না। 

নিজের বিচার বিশ্লেষণ দিয়ে নিজস্ব মতামত তৈরি করবো।
এতে কারও সাথে দ্বিমত থাকলে – নিজস্ব যুক্তি দিয়ে আলোচনা – বিতর্ক করতে পারবো – নিজের মতামত প্রতিষ্ঠিত করতে পারবো।
অন্যের কাছে যা শুনেছি – তাকেই বিচার বিশ্লেষণ ছাড়া নিজের মতামত করে নিলে – সেই Opinion এ ভুল বা সীমাবদ্ধতা থাকলেও ধরতে পারবো না।

“Believe nothing. No matter where you read it or who said it, even if I had said it, unless it agrees with your own reason and your common sense.”
– Buddha.

বেশিরভাগ মানুষ যাপন করে অন্যের দ্বারা defined জীবন। আশেপাশের মানুষ, সংস্কৃতি যেভাবে বলে – সেভাবে যাপিত জীবন। অন্যে যা ভালো বলে – তাই ভালো; যা খারাপ বলে তা-ই খারাপ – এমন জীবন।

আমরা এমনটা হব না। আমরা প্রত্যেকে আলাদা হব। প্রত্যেকে নিজেদের বিচার বিশ্লেষণ দিয়ে নিজেদের জীবন গড়ে তুলবো।

"নাগরিক ঐক্য" থেকে "নাগরিক শক্তি"

“নাগরিক ঐক্য” থেকে “নাগরিক শক্তি”


  • নাগরিক ঐক্য জোট আনুষ্ঠানিক ঘোষণা (দল এবং সংগঠন)  
    • ৬৪ জেলায় সমাবেশের তারিখ ঘোষণা 
  • একই দিনে ৬৪ জেলায় নাগরিক ঐক্যের সমাবেশ (জোট ঘোষণার ২১ দিনের মাঝে
  • মানবতাবিরোধী অপরাধীদের প্রাপ্য বিচার নিশ্চিত করতে নাগরিক গণজাগরণ মঞ্চের সমাবেশ, উদ্যোগ

  • একই দিনে ৪৮৮ উপজেলায় নাগরিক ঐক্যের মাদকবিরোধী রালী, সমাবেশ (জেলা সমাবেশের ২১ দিনের মাঝে)

  • একই দিনে ৪৮৮ উপজেলায় নাগরিক ঐক্যের নারী অধিকার রক্ষায় রালী, সমাবেশ
  • একই দিনে ৪৮৮ উপজেলায় নাগরিক ঐক্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় রক্ষায় রালী, সমাবেশ
  • একই দিনে ৪৮৮ উপজেলায় জোটের সমাবেশ
  • ঢাকায় শাহবাগে তরুণদের মহাসমাবেশ 
    • P { margin-bottom: 0.08in; }
      একইদিন : দেশের ৪৮৮ উপজেলায় তরুণদের সমাবেশ। 
     
    নাগরিক স্টুডেন্টস এসোসিয়েশান [NSA – এন এস এ] 
    নাগরিক ইয়ুথ এসোসিয়েশান [NYA – এন ওয়াই এ] এবং 
    নাগরিক গণজাগরণ মঞ্চ
     
  • নাগরিক শক্তির আনুষ্ঠানিক আত্নপ্রকাশ (নাগরিক ঐক্য ঘোষণার ৭১৪ দিনের মাঝে) 
    • স্থানীয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিজেদের আয়োজনে অনুষ্ঠান – (কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদের মত করে অনুস্থান আয়োজন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে)

নাগরিক ঐক্যের আলোচনা সভা – সমাবেশ – উদ্যোগ (30.09.14)

 
  • “নাগরিক ছাত্র ঐক্য” রূপ নেবে “নাগরিক স্টুডেন্টস এসোসিয়েশান (NSA)” এ।
ছাত্রদল ইতিমধ্যে বিলুপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। 
বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ও ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাবে।

 

আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান 

কক্সবাজার-৪ আসনের সাংসদ আব্দুর রহমান বদি (দুর্নীতি দমন কমিশন ইতিমধ্যে মামলা করেছে) 

ফেনী-২ আসনের সাংসদ নিজাম হাজারী (অস্ত্র মামলায় সংসদ সদস্য পদ বাতিল হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে) সহ


আওয়ামী লীগের চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসীদের গডফাদার এবং ৭১র মানবতাবিরোধী অপরাধীদের দল থেকে বহিষ্কারের আবেদন জানাই। তা নাহলে একদিন এসব অপরাধীর কারণেই আওয়ামী লীগের পতন হবে।
যাদের আগে পরে একদিন গ্রেপ্তার করা হবে এবং বিচারের মুখোমুখি করা হবে – তাদের আগে থেকেই দল থেকে বহিষ্কার করা আওয়ামী লীগের জন্য ভালো।


  • “দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ”
বাংলাদেশকে দুর্নীতি শুন্য করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
 

“বিএনপির নীতি-নির্ধারকদের একজন ও সাবেক মন্ত্রী মোশাররফকে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার বাসা থেকে আটক করা হয়।
তার ছেলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, রাতে পুলিশ ও দুদক কর্মকর্তারা এসে তার বাবাকে আটক করে নিয়ে যায়।
দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে খন্দকার মোশাররফ ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা পাচার করেছেন।
অনুসন্ধানে একটি অভিযোগের প্রমাণ পেয়ে মামলার পর বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে আরো শতাধিক কোটি টাকা পাচারের তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক এই মন্ত্রী ইউরোপের বিভিন্ন ব্যাংকে এই টাকা পাচার করেছেন বলে দুদক তথ্য পেয়েছে।” [1]

 
References
  1. কোটি টাকা পাচারকারী বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন  
 
 
 
২০১৩ সালের অক্টোবরে ত্বকী হত্যা এবং নারায়ণগঞ্জের শামীম ওসমান, অয়ন ওসমান, নাসিম ওসমান, আজমেরি ওসমানদের নির্যাতন কেন্দ্র (Torture Cell) নিয়ে পত্রিকায় পড়ার পর পরিকল্পনা করেছিলাম, জনগণকে সাথে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের সবগুলো টর্চার সেল দখল করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেব। 
দেশের তরুণ সমাজকে মাদক এবং ইয়াবার সর্বনাশা ছোবল থেকে বাঁচাতে কক্সবাজারের আবদুর রহমান বদি এবং তার সহযোগীদের নিয়ন্ত্রণে আনব এবং বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাবো।


দেশের কয়েকটি এলাকার সন্ত্রাসীদের গডফাদারদের নির্যাতন সেল, খুন, মাদক চোরাচালান ইত্যাদি অপরাধ বন্ধ করতে নাগরিক শক্তি প্রাথমিকভাবে সফল। সাংসদ বা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় দেশের শীর্ষ গডফাদারের (বদি, নারায়ণগঞ্জের শামীম ও নাসিম ওসমান, খুলনার মিজানুর রহমান) সবগুলো নির্যাতনকেন্দ্র (Torture Cell) আমরা গত কয়েক মাসের প্রচেষ্টায় বন্ধ করতে সফল হয়েছি। আমাদের প্রচেষ্টায় কক্সবাজার-৪ আসনের সাংসদ আবদুর রহমান বদি এবং তার ৫ ভাই সীমান্তে মাদক এবং ইয়াবা চোরাচালান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। ঘৃণ্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পর বেশ কয়েকজন অপরাধী ভয়ে দেশ ছেড়েছে (ত্বকী হত্যাকারী নাসিম ওসমান পুত্র আজমেরি ওসমান, তারেকের মামলার বিচারক মোতাহার হোসেন)। তাদের যথাসময়ে দেশে ফিরিয়ে এনে বাকি সব ঘৃণ্য অপরাধীর মত বিচারের মুখোমুখি করা হবে। আমাদের সফলতা প্রমাণ করে ভাল কাজ করলে, জনগণের পাশে থাকলে সবাই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।
 
 
রাজনৈতিক নেতাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অন্যান্য মিডিয়ায় নেতাদের দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকাণ্ড প্রকাশ করে নাগরিক শক্তি নেতাদের দুর্নীতি পরিহার করে সৎ পথে আসতে বাধ্য করছে।
 
 
 
শেয়ার বাজারে রাঘব-বোয়াল দুর্নীতি লক্শ্ল ষণ করে নাগরিক শক্তি লক্ষাধিক ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারীর পাশে দাঁড়িয়েছে। দেশের দুর্নীতিবাজদের সম্পদের পরিমাণ সম্পর্কে বাস্তব সম্মত একটি বিশ্লেষণ তুলে ধরেছে।
 
 
জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারিদের বিচারে জনমত গঠনে কাজ করছে।
 
 
আমরা জানি, অন্যায়-অপরাধ-দুর্নীতি-সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের অনেক অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। ২০১৪ সাল থেকে শুরু করে নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিসংখ্যান ব্যবহার করে দেখা হবে – আগের ১০ বছরের তুলনায় অন্যায়-অপরাধ-দুর্নীতি-সন্ত্রাস কমিয়ে আনতে আমরা কতটুকু সফল।
 
 
 
  • দেশের বিভিন্ন দল এবং সংগঠনের যেসব সদস্য আমাদের সাথে যোগ দিতে চান – সবাইকে একসাথে বসার উদ্যোগ নিতে হবে। এতে সংগঠনের অন্যান্য সদস্যদের প্রভাবিত করা সহজ হবে।

আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ (30.09.14)

1. রাজনীতি – দেশজুড়ে

“মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ বিবৃতির মাধ্যমে এ অভিনন্দন জানান।”
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফিরতি ফ্লাইটে হাজিগণ ৩০ কেজির পরিবর্তে ৪৭ কেজি মালামাল পরিবহণ করতে পারবেন।
মঙ্গলবার মক্কায় অবস্থানরত বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন হাজিদের মালামাল পরিবহণের সর্বোচ্চ সীমারেখা বাস্তবায়নের জন্য এ নির্দেশনা দিয়েছেন।
নির্দেশনা বাস্তবায়নে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাৎক্ষনিক এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
– See more at: http://www.priyo.com/2014/09/30/110408.html#sthash.6P0ESr1k.dpuf

P { margin-bottom: 0.08in; }

“বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফিরতি ফ্লাইটে হাজিগণ ৩০ কেজির পরিবর্তে ৪৭ কেজি মালামাল পরিবহণ করতে পারবেন।

মঙ্গলবার মক্কায় অবস্থানরত বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন হাজিদের মালামাল পরিবহণের সর্বোচ্চ সীমারেখা বাস্তবায়নের জন্য এ নির্দেশনা দিয়েছেন।” 



2. P { margin-bottom: 0.08in; }Tourism: Beautiful Bangladesh – রূপসী বাংলা

3. Others

“পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাংলাদেশে ১ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে ৮২ লাখ পুরুষ এবং ২২ লাখ নারী রয়েছেন। শুধু ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সীর সংখ্যাই ৭৪ লাখ।”

    America In Realization [09.29.14]

    Foreign Policy – International Relations – Diplomacy

    Gun Laws

    Physical Digital Computing In America
    Violence Against Women
    Technology

    নাগরিক ছাত্র ঐক্য -> নাগরিক স্টুডেন্টস এসোসিয়েশান (NSA)

    আমি দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ এবং মাদ্রাসায় “নাগরিক ছাত্র ঐক্য”র আহ্বায়ক কমিটি গঠনের আহ্বান জানাই।

    নাগরিক শক্তির আনুষ্ঠানিক আত্নপ্রকাশ ঘোষণার পর “নাগরিক ছাত্র ঐক্য” – “নাগরিক স্টুডেন্টস এসোসিয়েশান (NSA)”এ রূপ নেবে।



     


    • নাগরিক ছাত্র ঐক্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্রাঞ্চ 
    • নাগরিক ছাত্র ঐক্য, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ব্রাঞ্চ 
      • এটি পরিবর্তীতে রুপান্তরিত হবে – নাগরিক স্টুডেন্টস এসোসিয়েশান (NSA), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ব্রাঞ্চ  
    • নাগরিক ছাত্র ঐক্য, চট্ট্রগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ব্রাঞ্চ 
    • নাগরিক ছাত্র ঐক্য, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ব্রাঞ্চ
    • Nagorik Students Association, MIT Branch (MIT BSA)


    যাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ নেই – তাদের জন্য P { margin-bottom: 0.08in; }আমার লেখা প্রিন্ট করে দেওয়া অব্যাহত রাখতে হবে।









    “ড. কামাল হোসেন বলেছেন, জাতির স্বার্থে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নামতে হবে।
    সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ভাষাসৈনিক অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদের স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি। স্মরণসভায় আরো বক্তব্য দেন সাবেক আইন প্রতিমন্ত্রী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম, গবেষক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, কবি আসাদ চৌধুরী, সাংবাদিক কামাল লোহানী প্রমুখ।”




    ১৭ সেপ্টেম্বর ছিল ঐতিহাসিক শিক্ষা দিবস।
    নবগঠিত নাগরিক ছাত্র ঐক্য এই দিনকে স্মরণ করে শিক্ষাঙ্গনে পরিস্থিতি ও ছাত্র রাজনীতি শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করেছিল।
    সেখানকার আলোচনায় বোঝা গেল কেন ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস হিসেবে তার গুরুত্ব হারাচ্ছে।”
    নবগঠিত নাগরিক ছাত্র ঐক্য এই দিনকে স্মরণ করে শিক্ষাঙ্গনে পরিস্থিতি ও ছাত্র রাজনীতি শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করেছিল। – See more at: http://www.priyo.com/blog/2014/09/29/109925.html#sthash.IfBZXSvC.dpuf









      
    তরুণদের মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি এবং স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ করা

    রাজনীতি নিয়ে তরুণদের মাঝে যে অনীহা ছিল, হতাশা ছিল, নাগরিক শক্তির প্রচেষ্টায় আমরা তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি। আমরা কয়েক মাস আগেও দেখতাম, তরুণরা ফেইসবুকে “Political Views” এ লিখে রাখছে, “I hate politics” (“রাজনীতি ঘৃণা করি”)। “রাজনীতিবিদ” ভাবলেই তরুণরা ভাবত দুর্নীতিপরায়ণ বা সন্ত্রাসীদের গডফাদারদের কেউ। গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনে প্রথম যখন রাজনীতিবিদরা যোগ দিতে যান, তখন তাদের কথা বলতে দেওয়া হয়নি। তরুণদের সামনে সুস্থ ধারার রাজনীতি করেন এমন কোন রোল মডেল ছিল না। কিন্তু ২০১৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু করে মাত্র কয়েকমাসে আমরা লক্ষ লক্ষ তরুণের মানসিকতায় ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করছি। তরুণরা এখন সুখী সমৃদ্ধ স্বপ্নের বাংলাদেশ নিয়ে, উন্নত “innovative” রাজনীতি নিয়ে স্বপ্ন দেখছে। আমাদের আধুনিক তরুণরা এখন রাজনীতিতে আসতে চাইছে, রাজনীতিতে পরিবর্তন আনতে চাইছে। মানবতাবিরধী অপরাধীদের বিচার নিয়ে ২০১৩ সালে আমরা দেখেছি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তরুণরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পরস্পরকে আক্রমণ করছে এবং নিজেদের পক্ষে দল ভারি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু গত কয়েকমাসে আমরা লক্ষ্য করছি, তরুণরা সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের জন্য কাজ করতে চাইছে। 




    নাগরিক শক্তির প্রতীক্ষায় তরুণ প্রজন্ম

    তরুণরাই নাগরিক শক্তির প্রাণ। 


    রাজনীতি নিয়ে তরুণদের মাঝে যে অনীহা ছিল, হতাশা ছিল – আমরা তা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি। তরুণরা এখন সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নিয়ে, আদর্শের রাজনীতি নিয়ে স্বপ্ন দেখছে, রাজনীতিতে আসতে চাইছে।

    • “সহমত হব আমরা সবাই একবাক্যে যে সাধারণ মানুষ বড় নিরুপায় ঠিকই, কিন্তু দিন বদলায়ও। ভেতরে ভেতরে ধূমায়িত হচ্ছে ক্ষোভ। কার্যকারণ আবিষ্কার করতেও শিখছে মানুষ। আমাদের এখানে রাজা নেই বহুকাল। রানিরা আছেন। এসব দুর্দশার কারণ তাঁরা। তাঁদের দম্ভ। ক্ষমতার লোভ। ইদিপাসেরও তাই ছিল। নিয়তির চেয়েও ভয়ংকর হলো মানুষের সম্মিলিত শক্তি। মানুষ তার পক্ষের শক্তিকে ঠিক খুঁজে নেয়। পাতা উল্টে দেখুন। ইতিহাস সাক্ষী।”

    – প্রিয় নাগরিকবৃন্দ, শুনুন…, মাহমুদুজ্জামান বাবু: গায়ক ও সংস্কৃতিকর্মী।

    – ডাঃ ইমরান এইচ সরকার: মুখপাত্র, গণজাগরণ মঞ্চ।

    – ডঃ ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী: বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক; বিজ্ঞান লেখক।  

    • “লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সত্য ও সৎ থাকলে সবকিছুই সম্ভব। আর আমি যে কাজই করি না কেন আত্মবিশ্বাস থাকে প্রচুর। আমি মনে করি নতুনরা কাজ করলে যে কোন জায়গাতেই পরিবর্তন আসে। এটা প্রমাণিত। সেই বিশ্বাস থেকেই পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে আমি রাজনীতিতে আসতে চাই।”

    – জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, ছোট ও বড়পর্দার সামপ্রতিক সময়ের আলোচিত মুখ।

    • “সারা দেশের মানুষ দুই দলের কাছে জিম্মি হয়ে আছি। আমার কাছে বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে এটাই প্রধান বাধা হিসেবে মনে হয়।”

    – ইব্রাহীম

    • “আমরা এখনও যদি চিহ্নিত করতে পারি কারা আমাদেরকে পিছনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে তাহলে আমরা আরও সচেতন হতে পারবো “

    – নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাবিল আহমেদ

    • “প্রত্যেক দলের মধ্যে যদি দেশপ্রেম জাগ্রত হয় তাহলেই এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব।”

    – মাদ্রাসা ছাত্র শামিম আহমেদ

    • “দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার পালাবদল যে দুটি দলের মধ্যে হচ্ছে তাদের বাদ দিয়ে গণতান্ত্রিক উপায়ে নতুনদের হাতে দেশ পরিচালনা করার সুযোগ করে দিতে হবে।”

    – শম্পা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী




    • “আমার মনে হয় আমাদের পৃথিবীতে যে change আসে – আমাদেরই সেই change আনতে হয়। Be the change you want to see.”


    • “যে কোন Change এর জন্য Revolutionary Character লাগে। Charismatic কোন Leader থাকলে তার পিছনে এমনিতেই তরুণরা যাবে। কারণ আমরা ৫০% এর উপরে। আমাদের দেশে তো আমাদেরই Power বেশি। আমরা যদি এমন কোন তরুণ পাই – সে হতে পারে নতুন কোন বঙ্গবন্ধু , নতুন একজন জিয়া – এরকম একজন মানুষ হতে হবে। যে Actually আমাদের Move করাতে পারে।”

    • “বাংলাদেশের যে দুইটি রাজনৈতিক দল আছে, তাতে তরুণদের অংশগ্রহণ দেখতে পাই না। নতুন একটি রাজনৈতিক দল দেখতে চাই।”


    • “আমি রাজনীতি করতে চাই। আমার মনে হয়, আমরা যদি না আসি – আমার মনে হয় না এটা বদলাবে। এখন যেসব existing দল আছে আমার মনে হয় না তারা আমাদের চাওয়া পাওয়ার কোন খেয়াল রাখে। আমি চাই যোগ্য কোন দল আসুক। নতুন কেউ আসুক। নতুন ধারার রাজনীতি।”

    • “আমি রাজনীতি আসতে চাই, কারণ আমি যদি কাঁদা পরিস্কার করতে চাই, তাহলে অবশ্যই কাঁদায় নামতে হবে এবং গাঁয়ে কাঁদা লাগাতে হবে।”

    • “আমরা যারা সচেতন, আমরা যারা পরিবর্তন চাই, আমরা কেন এগুই না? আমরা সবাই – সুশীল সমাজ, তরুণ সমাজ সবাই মিলে কেন একটা প্ল্যাটফর্মে আসতে পারছি না?”

    • “যতদিন পর্যন্ত না আমরা নতুন একটা দল না করবো, নতুন Political culture তৈরি করবো – ততদিন পর্যন্ত আমার মনে হয় না প্রচলিত দলগুলো আমাদের সাথে compete করার জন্য change আনবে।”


    জরিপ


    • ৮৯% তরুণ দেশের প্রচলিত রাজনীতিতে সন্তুস্ট নন।


    • ৯৮% তরুণ মনে করেন মেধাবী তরুণদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের জন্য প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোতে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন।

    • ৯১% তরুণ মনে করেন – প্রচলিত রাজনীতি গনতন্ত্রামনা রাজনীতি বিকাশের উপযুক্ত নয়।



     
    • “আমি নিজেও একসময় রাজনীতিতে বিশ্বাস করতাম না। রাজনীতিকে গালাগালি করতাম, ঘেন্না করতাম। কিন্তু খুব recently আমিও নিজস্ব উপলব্ধি থেকে মানুষের জন্য কিছু করার জন্য Politics এর সাথে কিছুটা হলেও involved হয়েছি।”


    • “তরুণদের কারনেই আজকে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা সফল।”

    • “একটা চেতনা আসা দরকার আমরাও কিছু করতে পারি। আমরা যতই ব্লগিং করি, ফেইসবুকিং করি, At the end of the day আমাদের একটা প্ল্যাটফর্মে আসতে হবে। আমাদের রাজনীতিতে যেতে হবে শেষ পর্যন্ত একটা innovative কিছু করার জন্য। আমরা যতদিন না রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেব, আমরা যে পরিবর্তনটা চাই বাংলাদেশের জন্য সেই পরিবর্তনটা আনা সম্ভব না।”

    • “তরুণরা এখন innovative কিছু চায়। innovative কিছু চিন্তা ধারা তারা প্রকাশ করতে চায় এবং তারা চাই যে একটা different কিছু হোক দেশের মধ্যে। দেশটা যাতে সুন্দরভাবে এগিয়ে যায়। কিন্তু তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না কারণ পুরনোরা ভাবে তাতে আগের মত দেশ চলবে না।”

    • “তরুণ প্ল্যাটফর্মের অংশ হিসেবে তরুণরা নাগরিক সমাজে অংশগ্রহণ করতে পারে।”


    সূত্র – মাক্সিমাস তরুণকণ্ঠ | ২য় পর্ব






    • “নাগরিক ছাত্র ঐক্য” রূপ নেবে “নাগরিক স্টুডেন্টস এসোসিয়েশান (NSA)” এ।
    ছাত্রদল ইতিমধ্যে বিলুপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। 

    বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ও ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাবে।





    লিঙ্কস

    নাগরিক শক্তিকে ঘিরে আবেগ, স্বপ্ন, উত্তেজনা

    আমি আগের একটা লেখায় উল্লেখ করেছিলাম, বাংলাদেশের মানুষ গভীর “আবেগ” নিয়ে নাগরিক শক্তির জন্য অপেক্ষা করছে।

    শুধু “আবেগ” বললে পুরো চিত্রটা আসে না। সাথে বলা উচিত বাংলাদেশের মানুষ “প্রবল উত্তেজনা” নিয়ে অপেক্ষা করছে।

    লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ, প্রফেসর ড. আসিফ নজরুলদের রাতে ঘুম হয় না উত্তেজনায়!

    লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ এখন আদিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায়, খাদ্যে ভেজাল ও ফরমালিনের বিরুদ্ধে আন্দোলনসহ বেশ কিছু উদ্যোগের সাথে কাজ করছেন। নাগরিক শক্তির সাথে সবগুলো জনকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত হতে চান তিনি।




     
    এই যদি হয় প্রবীণদের অবস্থা – তাহলে তরুণদের অবস্থা, তরুণদের প্রবল উত্তেজনা সহজেই অনুমেয়!

    মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত যুবকদের মন পড়ে আছে দেশে! কতদিন পর দেশে এসে আমাদের সাথে যোগ দিতে পারবেন উত্তেজনায় তার প্রহর গুনছেন! 




     
    নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা ভাবছেন, অবশেষে দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ এসেছে।

    বছর খানেক আগে কথা হচ্ছিল নাগরিক সমাজের এক প্রতিনিধির সাথে।

    একজন বললেন, তরুণরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছে!

    নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি বললেন, শুধু তরুণরা না, তরুন-প্রবীণ সবাই-ই নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে! 

    বাংলাদেশের কোটি মানুষের ভালবাসা, কোটি মানুষের আবেগ, কোটি মানুষের স্বপ্নের নাগরিক শক্তি। 

    “Developed Bangladesh in light of Knowledge”: Enabling Excellence in Education through merit-based Competitions (“জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”: মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধন)

     

    স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিটি পর্যায়ে 

    • গণিত অলিম্পিয়াড 
    • বিভিন্ন বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড 
    • প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা
    • রবোটিক্সসহ ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিযোগিতা
    • উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি 

    দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
    নতুন নতুন প্রতিযোগিতার সূচনা করা হবে।

    শিক্ষার্থীরা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। বিভিন্ন অলিম্পিয়াড, প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে মেধাবী জাতি গড়ে তোলা হবে। 

    ছাত্র – ছাত্রী, কিশোরকিশোরী, তরুণ-বৃদ্ধ সবাই অবসরে ধাধার সমস্যার সমাধান করবে। মেধা-বুদ্ধি শানিত করবে। সূচনা হবে নতুন সংস্কৃতির। প্রত্যেকে হয়ে উঠবেন চিন্তাশীল, মেধাবী, বুদ্ধিমান।

    গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত গণিত অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান প্রকল্প এর সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

    দেশের ইন্ডাস্ট্রিগুলো জটিল নানা সমস্যা, ব্যবসায়ের নতুন আইডিয়া / ব্যবসা পরিকল্পনাকে  – শিক্ষার্থীদের জন্য মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় রূপান্তরিত করবেন।

    দেশে hackathon ধরণের আধুনিক প্রতিযোগিতা শুরু হবে। আমি এ ব্যাপারে সর্বাত্নক সহায়তা করবো।

    আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।






    “মধুর সমস্যায় পড়েছেন বৃষ্টি শিকদার ও সৌরভ দাশ।

    বৃষ্টি শিকদার ও সৌরভ দাশ হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি, কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি), ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (ক্যালটেক), স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ডিউক ইউনিভার্সিটিসহ বিশ্বের নামীদামি ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সবাইকে। কিন্তু বেছে নিতে পারবেন মাত্র একটি। কোনটি বেছে নেবেন এই দুই মেধাবী? [12]”

    এটা কিভাবে সম্ভব হয়েছে?

     
    সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াড সংস্কৃতি সূচনার মাধ্যমে। 
     
    সেই গল্পই বলছি আজকে।
     
    শুনতে থাকুন!”
     
     







     






    (30.09.14)

    “প্রোগ্রামার ও অ্যাপ নির্মাতাদের নিয়ে নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘জাতীয় মোবাইল হ্যাকাথন’মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে সড়ক, নৌদুর্ঘটনা, মাতৃস্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান খুঁজতে এই হ্যাকাথন অনুষ্ঠিত হবে।
    আয়োজকেরা জানিয়েছেন, জাতীয় মোবাইল হ্যাকাথনে এক হাজারেরও বেশি প্রোগ্রামার, ফ্রিল্যান্সার, শিক্ষার্থী ও অ্যাপ নির্মাতা অংশ নেবেন বলেই তাঁরা আশা করছেন। এরই মধ্যে এই হ্যাকাথনে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন-প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিবন্ধন করা যাবে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত। 
    হ্যাকাথনে অংশগ্রহণকারীরা ৩৬ ঘণ্টাব্যাপী প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সলিউশনের প্রোটোটাইপ (নমুনা সমাধান) তৈরি করবেন। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে কাজ করবেন। এ প্রতিযোগিতায় ৩০ জন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ প্রতিযোগিতার মূল্যায়নের দায়িত্বে থাকবেন। বিজয়ী ১০ জন পাবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার। এ ছাড়া তাঁদের প্রকল্পগুলো পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সহযোগিতা করবে।”


    লিংক



     

    “ভারতের পুনেতে অনুষ্ঠেয় “রোবোকন ২০১৪” নামে রোবট প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) তিন ছাত্র।
    অংশগ্রহণকারী ছাত্ররা হচ্ছেন চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র সাবির হুসাইন ও মানস চক্রবর্তী এবং তড়িত্ কৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রাজিব হাসান। দলের ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে রয়েছেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক সজল চন্দ্র বণিক।


    – চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দলটির জন্য শুভকামনা রইল।
    চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করা হবে। 


     

    “এবার এসিএম আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার বিশ্ব চ্যাপিয়নশিপে সারা পৃথিবীর ৪০টি আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ১২২টি দল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে যোগদানের যোগ্যতা অর্জন করেছে।
    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ১২টি সমস্যার মধ্যে তিনটির সমাধান করে ১৯তম স্থান দখল করে।

    দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতিযোগিতায় যাতায়াতের ব্যয়ভার ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস ডার্টমাউথের প্রভোস্ট এবং এক্সিকিউটিভ ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আতাউল করিমের উদ্যোগে নর্থ আমেরিকান বাংলাদেশি ইসলামিক কমিউনিটি বহন করে আসছিল।

    প্রযুক্তিজ্ঞানের দক্ষতায় আমাদের তরুণদের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে হলে প্রতিযোগিতার কোনো বিকল্প নেই।
    আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের বিজয়ীদের সময় দিয়ে উৎসাহিত করে থাকেন। 

    তথ্যপ্রযুক্তির এই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে আমাদের ছাত্র–ছাত্রীরা যাতে তাদের দক্ষতার প্রমাণ রাখতে পারে, সে জন্য তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ, আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কর্মযজ্ঞে এরা সৈনিক নয়, জেনারেলের ভূমিকা পালন করবে।” 

    Ranking System for Bangladeshi Universities

    1. বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান উন্নয়নে র‌্যাংকিং সিস্টেম প্রবর্তন
    2. বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং করবে ইউজিসি (prothom-alo.com)
    3. শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিং : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ 

     

     
     
     
     
     
    “জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”

    বাংলাদেশ সরকারের সংবিধান সংশোধন

    নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের মতামত নিয়ে সংবিধান সংশোধন করবে। 

    • (পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল করে) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল, 
    • ৭০ এর খ অনুচ্ছেদ বাতিল করে সাংসদদের নিজস্ব বিবেক-বিবেচনার ভিত্তিতে মতামত – ভোট দেওয়ার সুযোগ প্রদান 
    • বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা সংক্রান্ত ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করা হবে।


    সংবিধান বিশেষজ্ঞ, বিরোধী দলের সদস্য এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিশন গঠন করা হবে এবং প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন আনা হবে। 

    • সরকারের নির্বাহী বিভাগ (Executive Division), আইন বিভাগ (Legislative Division) ও বিচার বিভাগ (Judiciary Division) এর মাঝে ক্ষমতার ভারসাম্য ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এবং 
    • কেন্দ্রীয় সরকার ও স্থানীয় সরকারগুলোর মাঝে ক্ষমতা বন্টন করে


    সংবিধানে সংশোধনী আনা হবে।

    সংশোধনীর জন্য সারা দেশে একটি “হ্যাঁ” – “না” ভোট আয়োজন করা হবে। ভোটে সংশোধনীগুলো একটি লিস্ট আকারে থাকবে এবং জনগণ প্রতিটি সংশোধনীকে “হ্যাঁ” কিংবা “না” ভোট দিতে পারবেন। 



    (20.08.14)


    বর্তমান সংসদ বিচারক অপসারণে অভিসংশন প্রথা ফিরিয়ে আনতে যাচ্ছে।

    একটি বেসরকারি চ্যানেলের টক শো তে দেখলাম –
    একজন দর্শক প্রশ্ন করছেন –
    যেহেতু সাংসদরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সেহেতু বিচারকদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকলেই কি পদ্ধতিটি বেশি গণতান্ত্রিক না?” 

    এই প্রশ্নের উত্তর দিতে আমরা গণতন্ত্রের মূল ব্যাপারটির দিকে লক্ষ্য করি।
    গণতন্ত্রের বিকল্প হল রাজতন্ত্র বা একনায়কতন্ত্র বা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা (China তে Communist Party একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করেছে)।
    রাজতন্ত্র বা একনায়কতন্ত্র বা একদলীয় শাসন ব্যবস্থার মূল সমস্যা হল – “জবাবদিহিতার অভাব”। ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তি বা দল – যা খুশি করতে পারবে – কৃতকাজের জন্য কারও কাছে জবাবদিহি করতে হবে না।
    এতে জনগণের চাওয়া পাওয়া, এমনকি অধিকার লঙ্ঘিত হয়।

    গণতন্ত্রের মূলভিত্তি হল – “জবাবদিহিতা”
    শাসকশ্রেণী কৃতকাজের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে – যা চায় করতে পারবে না।

    “জবাবদিহিতা” প্রতিষ্ঠার একটি ভিত্তি – সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ। শাসকশ্রেণী জনগণের চাহিদা পূরণ করতে ব্যর্থ হলে – জনগণ ভোটের মাধ্যমে “জবাবদিহিতা” নিশ্চিত করবে।

    কিন্তু সরকার পরিচালনা করার সময়ও “জবাবদিহিতা” চর্চার প্রয়োজন রয়েছে।
    আর “সরকার পরিচালনা করার সময়” জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার  একটি উপায় স্বাধীন নিরপেক্ষ শক্তিশালী বিচারবিভাগ।   

    সরকারের
    “নির্বাহী বিভাগ” (প্রধান মন্ত্রীসহ মন্ত্রী পরিষদ, সচিবালয়, স্থানীয় সরকারগুলোর নির্বাহী বিভাগ)
    আর
    “আইন বিভাগ” (আমাদের জাতীয় সংসদ)
    আইনের বিরুদ্ধে, সংবিধানের মূলভিত্তির বিরুদ্ধে কিছু করলে
    “বিচার বিভাগ”“জবাবদিহিতা” নিশ্চিত করবে।
    যেমন সরকারের আইনবিভাগ সংবিধানের মূলনীতির বিরুদ্ধে যায় – এমন কোন আইন পাশ করলে – বিচার বিভাগ তার নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করবে।   
      
    উন্নত গণতন্ত্রের দেশ যেমন – যুক্তরাষ্ট্রে আমরা দেখি –

    • Executive Division – নির্বাহী বিভাগ (যার নেতৃত্বে US President),
    • Legislative Division – আইন বিভাগ (Senate এবং House of Representatives নিয়ে Congress) এবং 
    • Judiciary Division – বিচার বিভাগ (যার সবচেয়ে উপরে US Supreme Court)


    – সরকারের এই তিনটি Division একটি অপরটির “জবাবদিহিতা” নিশ্চিত করে। 
    কোন একটি Division যা ইচ্ছে তাই – করতে পারবে না – অপর একটি Division এর হাতে Constitution এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে – যাতে না করতে পারে।
    United States র Constitution টি-ই এমনভাবে রচিত – যা “জবাবদিহিতা” নিশ্চিত করে।
    US Government একটি Federated Government (অনেকগুলো States নিয়ে – যারা প্রত্যেকে অনেকখানি স্বাধীনভাবে নিজ নিজ State Government পরিচালনা করে) এ স্থানীয় সরকার প্রতিটিতেও অনুরূপ Executive, Legislative, Judiciary Division রয়েছে।

    কাজেই –
    “যেহেতু সাংসদরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সেহেতু বিচারকদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকলেই কি পদ্ধতিটি বেশি গণতান্ত্রিক না?”

    এই প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে – না।

    বরং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য “জবাবদিহিতা” অত্যাবশ্যক এবং “জবাবদিহিতা” প্রতিষ্ঠার জন্য বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অত্যাবশ্যক।
    বিচারকদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকলে সংসদ বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ করবে এবং এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হবে। সংসদ সংবিধানের মূলনীতি বিরোধী আইন প্রণয়ন করলেও বিচারবিভাগ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হবে।  


    আমরা মনে করি – বিচারকদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে দেওয়ার প্রক্রিয়া –
    তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল,
    একটি প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে রাখা,
    সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন
    – এসবের ধারাবাহিকতায় দেশে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক একদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার পথে আরেকটি ধাপ

    বর্তমান সরকার এভাবে একের পর এক অগণতান্ত্রিক আইন প্রণয়ন করলে – শেষ পর্যন্ত জনগণ অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজপথে নামতে বাধ্য হবে এবং সরকার জনগণকে বাঁধা দিতে পারবে না কারণ তা হবে জনগণের মুক্তভাবে মত প্রকাশ এবং সমাবেশ করার সংবিধান স্বীকৃত অধিকার লঙ্ঘন।


    নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে জনগণ, বিরোধী দলগুলো এবং নাগরিক সমাজের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশে আদর্শ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনবে।  

    নাগরিক ঐক্যের আলোচনা সভা – সমাবেশ – উদ্যোগ (29.09.14)

    • নাগরিক শক্তি যেদিন আত্নপ্রকাশ করবে সেদিন নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ১৫টি রাজনৈতিক দল নাগরিক শক্তিতে একীভূত হবে। প্রত্যেকটি দলের প্রধান সেদিন ১৫ টি দল বিলুপ্ত ঘোষণা করবেন।


    সাথে যোগ দেবেন একটি দলের দেড় শতাধিক এমপি এবং অপর একটি দলের ত্রিশোরধ এমপি।



    লিঙ্কস

    দেশের রাজনীতিকে আরো অধুনিকীকরণে মাঠে নামছেন শতাধিক সাবেক এমপি ও অর্ধশতাধিক উপজেলা চেয়ারম্যান। এরা সবাই বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আদর্শের অনুসারী। – See more at: http://www.priyo.com/2014/09/19/107516.html#sthash.dgF30jXk.dpuf

    P { margin-bottom: 0.08in; ““দেশের রাজনীতিকে আরো অধুনিকীকরণে মাঠে নামছেন শতাধিক সাবেক এমপি ও অর্ধশতাধিক উপজেলা চেয়ারম্যান। এরা সবাই বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আদর্শের অনুসারী।
    বিএনপি’র সাবেক যুগ্মমহাসচিব ও সাবেক সংসদ সদস্য আশ্রাফ হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শ বিচ্যুৎ, জাময়াতপন্থি ও দুনীর্তিবাজ নেতারা এ তালিকায় নেই।” 





    • সংবিধান সংশোধন


    নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের মতামত নিয়ে সংবিধান সংশোধন করবে।

    • (পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল করে) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল, 
    • ৭০ এর খ অনুচ্ছেদ বাতিল করে সাংসদদের নিজস্ব বিবেক-বিবেচনার ভিত্তিতে মতামত – ভোট দেওয়ার সুযোগ প্রদান 
    • বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা সংক্রান্ত ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করা হবে।


    সংবিধান বিশেষজ্ঞ, বিরোধী দলের সদস্য এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিশন গঠন করা হবে এবং প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন আনা হবে।

    • সরকারের নির্বাহী বিভাগ (Executive Division), আইন বিভাগ (Legislative Division) ও বিচার বিভাগ (Judiciary Division) এর মাঝে ক্ষমতার ভারসাম্য ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এবং 
    • কেন্দ্রীয় সরকার ও স্থানীয় সরকারগুলোর মাঝে ক্ষমতা বন্টন করে


    সংবিধানে সংশোধনী আনা হবে।

    সংশোধনীর জন্য সারা দেশে একটি “হ্যাঁ” – “না” ভোট আয়োজন করা হবে। ভোটে সংশোধনীগুলো একটি লিস্ট আকারে থাকবে এবং জনগণ প্রতিটি সংশোধনীকে “হ্যাঁ” কিংবা “না” ভোট দিতে পারবেন।




    • নাগরিক শক্তিকে ঘিরে আবেগ, স্বপ্ন, উত্তেজনা


    আমি আগের একটা লেখায় উল্লেখ করেছিলাম, বাংলাদেশের মানুষ গভীর “আবেগ” নিয়ে নাগরিক শক্তির জন্য অপেক্ষা করছে।

    শুধু “আবেগ” বললে পুরো চিত্রটা আসে না। সাথে বলা উচিত বাংলাদেশের মানুষ “প্রবল উত্তেজনা” নিয়ে অপেক্ষা করছে।

    লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ, প্রফেসর ড. আসিফ নজরুলদের রাতে ঘুম হয় না উত্তেজনায়!

    লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ এখন আদিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায়, খাদ্যে ভেজাল ও ফরমালিনের বিরুদ্ধে আন্দোলনসহ বেশ কিছু উদ্যোগের সাথে কাজ করছেন। নাগরিক শক্তির সাথে সবগুলো জনকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত হতে চান তিনি।


     
    এই যদি হয় প্রবীণদের অবস্থা – তাহলে তরুণদের অবস্থা, তরুণদের প্রবল উত্তেজনা সহজেই অনুমেয়!

    মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত যুবকদের মন পড়ে আছে দেশে! কতদিন পর দেশে এসে আমাদের সাথে যোগ দিতে পারবেন উত্তেজনায় তার প্রহর গুনছেন! 



     
    নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা ভাবছেন, অবশেষে দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ এসেছে।

    বছর খানেক আগে কথা হচ্ছিল নাগরিক সমাজের এক প্রতিনিধির সাথে।

    একজন বললেন, তরুণরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছে!

    নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি বললেন, শুধু তরুণরা না, তরুন-প্রবীণ সবাই-ই নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে!

    বাংলাদেশের কোটি মানুষের ভালবাসা, কোটি মানুষের আবেগ, কোটি মানুষের স্বপ্নের নাগরিক শক্তি।



    • নাগরিক ছাত্র ঐক্য -> নাগরিক স্টুডেন্টস এসোসিয়েশান (NSA)


    আমি দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ এবং মাদ্রাসায় “নাগরিক ছাত্র ঐক্য”র আহ্বায়ক কমিটি গঠনের আহ্বান জানাই।

    নাগরিক শক্তির আনুষ্ঠানিক আত্নপ্রকাশ ঘোষণার পর “নাগরিক ছাত্র ঐক্য” – “নাগরিক স্টুডেন্টস এসোসিয়েশান (NSA)” এ রূপ নেবে।

    যাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ নেই – তাদের জন্য লেখা প্রিন্ট করে দেওয়া অব্যাহত রাখতে হবে।



    “ড. কামাল হোসেন বলেছেন, জাতির স্বার্থে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নামতে হবে।
    সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ভাষাসৈনিক অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদের স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি। স্মরণসভায় আরো বক্তব্য দেন সাবেক আইন প্রতিমন্ত্রী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম, গবেষক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, কবি আসাদ চৌধুরী, সাংবাদিক কামাল লোহানী প্রমুখ।”
    P { margin-bottom: 0.08in; }

    ১৭ সেপ্টেম্বর ছিল ঐতিহাসিক শিক্ষা দিবস।
    নবগঠিত নাগরিক ছাত্র ঐক্য এই দিনকে স্মরণ করে শিক্ষাঙ্গনে পরিস্থিতি ও ছাত্র রাজনীতি শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করেছিল।
    সেখানকার আলোচনায় বোঝা গেল কেন ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস হিসেবে তার গুরুত্ব হারাচ্ছে।”
    নবগঠিত নাগরিক ছাত্র ঐক্য এই দিনকে স্মরণ করে শিক্ষাঙ্গনে পরিস্থিতি ও ছাত্র রাজনীতি শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করেছিল। – See more at: http://www.priyo.com/blog/2014/09/29/109925.html#sthash.IfBZXSvC.dpuf

     
    লিঙ্কস

      “অনুষ্ঠানে গণফোরাম সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, বিকল্পধারার সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক বি চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান, সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, আইনজীবী ড. শাহদিন মালিক, ডাকসুর সাবেক ভিপি ও আওয়ামীলীগ নেতা সুলতান মোঃ মনসুর, বিকল্প ধারা সাধারণ সম্পাদক মেজর (অব:) আব্দুল মান্নান, নাগরিক ঐক্য আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান ও জেএসডি সভাপতি আ স ম রব বক্তব্য দেন।” 

       

          

        ফরমালিন শুধু শাক-সবজি, ফলমূল, মাছ-মাংসে নয়, সমাজের সর্বস্তরেই বিশেষ করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আরও মারাত্মকভাবে প্রতিভাত হচ্ছে। পাঠকের প্রশ্ন থাকতে পারে এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কী। রাজনীতিসংশ্লিষ্ট অঙ্গনের বাইরে যে সীমিতসংখ্যক বিবেকাশ্রিত অংশ রয়েছে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে জাগ্রত হতে হবে, সরব হতে হবে, প্রতিবাদী হতে হবে।
        আল্লাহর কাছে সেটিই আমার প্রার্থনা এবং এই ঘোর সামাজিক অমানিশার মধ্যেও প্রদীপ্ত সূর্যকিরণের প্রত্যাশা ও স্বপ্ন নিয়ে আমি বেঁচে আছি।
        – See more at: http://www.priyo.com/blog/2014/09/29/109997.html#sthash.Evpnsxa5.dpuf

        P { margin-bottom: 0.08in; }
        “৫ জানুয়ারির নির্বাচন ব্যক্তিকেন্দ্রিকতার অর্থাৎ শেখ হাসিনার একক, অপ্রতিরোধ্য নেতৃত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যার অনিবার্য পরিণতি হিসেবে, বিচারব্যবস্থা, প্রশাসন এবং সংসদের ভেতর ও বাইরে গণতন্ত্রের চর্চা ও অনুশীলন তো অনেক দূরের কথা, গণতন্ত্রের অস্তিত্ব সংকটে বাংলাদেশের ভাগ্যাহত বিপুলসংখ্যক মানুষকে নিষ্ঠুর ও নির্মমভাবে অধিকার বঞ্চিত, আশঙ্কিত ও আতঙ্কিত করেছে।

        ২৯ ডিসেম্বরের পর প্রমাণিত হলো বিএনপি একটি গণবিচ্ছিন্ন নেতাসর্বস্ব দল। আন্দোলন ও গণবিস্ফোরণ তৈরি করার মতো সাংগঠনিক শক্তি তো দূরে থাক, মননশীলতা ও কৌশল সম্পর্কেও তারা সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ এবং আওয়ামী লীগের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে প্রতিহত করার বিন্দুমাত্র সাংগঠনিক শক্তি বিএনপি-জামায়াত জোটের নেই।

        ফরমালিন শুধু শাক-সবজি, ফলমূল, মাছ-মাংসে নয়, সমাজের সর্বস্তরেই বিশেষ করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আরও মারাত্মকভাবে প্রতিভাত হচ্ছে। পাঠকের প্রশ্ন থাকতে পারে এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কী। রাজনীতিসংশ্লিষ্ট অঙ্গনের বাইরে যে সীমিতসংখ্যক বিবেকাশ্রিত অংশ রয়েছে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে জাগ্রত হতে হবে, সরব হতে হবে, প্রতিবাদী হতে হবে।

        আল্লাহর কাছে সেটিই আমার প্রার্থনা এবং এই ঘোর সামাজিক অমানিশার মধ্যেও প্রদীপ্ত সূর্যকিরণের প্রত্যাশা ও স্বপ্ন নিয়ে আমি বেঁচে আছি।” 

        ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ব্যক্তিকেন্দ্রিকতার অর্থাৎ শেখ হাসিনার একক, অপ্রতিরোধ্য নেতৃত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। যার অনিবার্য পরিণতি হিসেবে, বিচারব্যবস্থা, প্রশাসন এবং সংসদের ভেতর ও বাইরে গণতন্ত্রের চর্চা ও অনুশীলন তো অনেক দূরের কথা, গণতন্ত্রের অস্তিত্ব সংকটে বাংলাদেশের ভাগ্যাহত বিপুলসংখ্যক মানুষকে নিষ্ঠুর ও নির্মমভাবে অধিকার বঞ্চিত, আশঙ্কিত ও আতঙ্কিত করেছে। – See more at: http://www.priyo.com/blog/2014/09/29/109997.html#sthash.Evpnsxa5.dpuf

          আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ (29.09.14)

          1. রাজনীতি – দেশজুড়ে


          “বিএনপিকে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত ছেড়ে জাতীয়তাবাদী শক্তি হিসেবে জাতীয় পার্টির সঙ্গে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ।
          এরশাদ বলেন, ‘দেশে সন্ত্রাস-দুর্নীতি বেড়েছে, মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নেই। ঘুষ-দুর্নীতি চাই না, দলীয়করণ চাই না।’





          2. দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা




           

          3. মানবপাচার রোধে ব্যবস্থাP { margin-bottom: 0.08in; }, মানবপাচারে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা


            
          4. Others

          নিরাপদে ও দ্রুততার সঙ্গে অর্থ লেনদেন করা যায় বলে মোবাইল ব্যাংকিং ইতোমধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মাত্র তিন বছর আগে চালু হওয়া ‌এই মোবাইল ব্যাংকিং সেবার বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা প্রায় দুই কোটি। – See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/328328.html#sthash.hdwiWztI.dpuf

          P { margin-bottom: 0.08in;“নিরাপদে ও দ্রুততার সঙ্গে অর্থ লেনদেন করা যায় বলে মোবাইল ব্যাংকিং ইতোমধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মাত্র তিন বছর আগে চালু হওয়া ‌এই মোবাইল ব্যাংকিং সেবার বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা প্রায় দুই কোটি।

          দেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠী এখনও ব্যাংকিং সেবার বাইরে। অথচ মোবাইল ফোন রয়েছে দেশের ১১ কোটি মানুষের হাতে।

          তাই তো মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তাদের যদি আর্থিক সেবার আওতায় আনা যায় তবে দেশের অর্থনীতি, বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতি পাবে এক বিশাল গতি।

          রাজধানীর আগারগাঁও, তালতলা এলাকার বিকাশ ওয়ালেট ব্যবহারকারী নাসিম হাসান আলম মিঠু।

          তিনি বাংলানিউজকে বলেন, আমি দেশের বেশ কিছু গার্মেন্টসে সহায়ক পণ্য দেই। যেমন, বোতাম, প্যান্টের চেইন, নরমাল সুতা ইত্যাদি। পাইকারি দরে যে পণ্যগুলো কিনি সেগুলো বিকাশের মাধ্যমে। আর আমি পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার সময়ও বিকাশের মাধ্যমে টাকা নেই। চাকরির পাশাপাশি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হিসেবে আমি বিকাশের ওপরই নির্ভরশীল।”

          “ব্রিটেনের আগামী সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাঁচজন সাংসদ প্রার্থীদের নিয়ে লন্ডনে এক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাইড অব এশিয়া নামের ব্রিটিশ বাংলাদেশি মসলাসামগ্রীর আমদানি-রপ্তানিকারক ও মুসলিম কাউন্সিল অব ব্রিটেন যৌথভাবে এর আয়োজন করে।
           

          উল্লেখ্য, ব্রিটেনের ২০১৫ সালের সাধারণ নির্বাচনে কনজারভেটিভ ও লেবার দল থেকে পাঁচজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক সাংসদ (এমপি) পদে নির্বাচন করবেন। তাঁরা হলেন বার্কিং আসনে কনজারভেটিভ পার্টি থেকে মিনা রহমান, হ্যাম্পস্ট্যাড অ্যান্ড কিলবার্ন থেকে লেবার দলের টিউলিপ সিদ্দিকী, ইলিং সেন্ট্রাল এক্টন থেকে লেবারদলীয় ড. রূপা হক, ওয়েলিন হ্যাটফিল্ড থেকে ব্যারিস্টার আনোয়ার বাবুল এবং বর্তমান এমপি ও সদ্য পদত্যাগ করা ছায়ামন্ত্রী রুশনারা আলী। তিনি বেথনাল গ্রিন বো আসনে লেবার দল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।”