তথ্যপ্রযুক্তি খাতে পাঁচ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন

1.

দেশে সফটওয়্যার ডেভেলাপমেন্ট এখনও মূলত ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট, মোবাইল অ্যাপস ডেভেলাপমেন্ট এবং ছোট আকারের ERP (Enterprise Resource Planning) সফটওয়্যারের মাঝে সীমিত।
আমাদের ভালো কাজের মাঝে Pageflakes আছে।


একটা ব্যাপার আমাদের দেশের ডেভেলাপারদের জানতে হবে আর তা হল এখন Open Source Tools, Cloud Computing ব্যবহার করে উন্নত মানের সফটওয়্যার সহজেই ডেভেলাপ করা যায়।
আর উন্নত মানের সফটওয়্যার ডেভেলাপ করে মিলিয়ন ডলারের Market ধরা সম্ভব।


ভারতের কোম্পানিগুলো কিন্তু Hadoop, MongoDB, অন্যান্য NoSQL Database ইত্যাদি Open Source Tools ব্যবহার করে এবং Amazon Web Service এর মত Cloud Computing Infrastructure ব্যবহার করে Big Data স্পেইসে কাজ করছে।


Hadoop, HBase, MongoDB, অন্যান্য NoSQL Database ইত্যাদি Open Source Tools ব্যবহার করে এবং Amazon Web Service, Microsoft Cloud এর মত Cloud Computing Infrastructure ব্যবহার করে আমাদের ছেলেরাও Big Data অ্যাপ্লিকেশান দাঁড় করাতে পারে।


আমাদের ছেলেদের মাঝে Open Source Library / Framework ব্যবহার করে Software Development এর culture ছড়িয়ে দিতে হবে।
শুধু CakePHP, jQuery দিয়ে Web Development না, সাথে Cassandra, Hadoop, Pig ব্যবহার করে Distributed Application ডেভেলাপ করাও জানতে হবে।
   

Open Source Tools, Cloud Computing ব্যবহার করে সফটওয়্যার ডেভেলাপমেন্ট স্কিলস কিভাবে গড়ে তোলা যায়?
দেশে বিভিন্ন Open Source Framework / Library, Cloud Computing Infrastructure এসবের users’ group গড়ে তুলতে হবে।

সবাই মিলে ডিসকাস করে, প্রজেক্টে কাজ করে শিখবে।কিছুদিন আগে অনুষ্ঠিত Pycon Dhaka এর  মত অন্যান্য Software Development Tools এর উপর নিয়মিত কনফারেন্স আয়োজন করতে হবে।





University তে 1st year এ Basic Programming, 2nd-3rd year এ Programming Contest, 4th year এ বিভিন্ন Open Source Tools ব্যবহার করে সফটওয়্যার ডেভেলাপমেন্ট – এর উপর জোর দেওয়া যায়।  
Coursera, Udacity, MITx, EdX থেকে সবাই সেরা University গুলোর Course বাসায় বসে নিতে পারে।
ইন্টারনেট সংযোগ খরচ কমিয়ে আনতে হবে।


আমাদের দেশে মূলত Outsourcing কাজগুলো হয় – বাইরের customer দের product আমরা ডেভেলাপ করে দেই।
আমাদের নিজস্ব প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্ট এর দিকে যাওয়ার সময় এসেছে।


নিজেদের startup company গড়ে জন্য তোলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
প্রথমে দরকার ডেভেলাপারদের মাঝে skills গুলো ডেভেলাপ করা।
Software Development শেখার পাশাপাশি International Market এ কি কি ধরণের Software product তৈরি হচ্ছে – সবসময় নজরে রাখতে হবে।
readwrite.com,
techcrunch.com বা
আমাদের tech.priyo.com
থেকে নিয়মিত ঘুরে আসা কি খুব কঠিন?

Venture Capital Firm, Start-up incubator, Hackathon ইত্যাদি introduce করতে হবে।
Entrepreneurial culture গড়ে তুলতে হবে।


বর্তমান সময়টাই Entrepreneurial culture বিকাশের সময়।
সত্যি বলতে, ১০-১৫ বছর আগেও যে অ্যাপ্লিকেশান Government বা বড় কোম্পানি – বিশাল লোকবল ছাড়া develop করা সম্ভব ছিল না, বর্তমানে কিন্তু ছোট একটা startup ওরকম অ্যাপ্লিকেশান develop করতে পারে।
Open Source Tools আর Cloud Computing এর মাধ্যমে startup দাঁড় করানো এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে, খরচ অনেকাংশে কমে গেছে।
যেমন – একটা Cluster (অনেকগুলো connected computer) এ run করবে – এমন computation intensive কোন processing এর code লেখা অনেক কঠিন। কিন্তু Hadoop ব্যবহার করে খুব সহজেই কাজটা আমরা করতে পারি।
আবার অনেকগুলো কম্পিউটারের Cluster নিজেদের কিনে run করাতে হবে না, সামান্য খরচে Amazon Web Service এ সেই কোড Mapreduce Job হিসেবে run করানো যাবে।


Mark Zuckerberg যদি বন্ধুদের নিয়ে বর্তমানে ১০০ বিলিয়ন ডলার valuation এর Facebook প্রতিষ্ঠা করতে পারে – আমাদের ছেলেদের একটা startup কেন পারবে না?


পাঁচ বিলিয়ন ডলার আইটি ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলতে আমাদের

  • BPO (Business Process Outsourcing),  
  • ITO (Information Technology Outsourcing) 

এর উপর জোর দিতে হবে।

এক্ষেত্রে Expertise, skills গড়ে তুলতে হবে। সাথে প্রয়োজন হবে বাংলাদেশকে Outsourcing destination হিসেবে International Marketing.



Egypt কিন্তু BPO (Business Process Outsourcing), ITO (Information Technology Outsourcing) তে এই কাজটাই করেছে [1]

  • Skills development,
  • Institution গড়ে তোলা আর
  • International Marketing.


আমাদের BBA গ্রাজুয়েটদের নিয়ে দেশে Business Process Outsourcing (BPO) industry গড়ে তোলার যায়।


তথ্যপ্রযুক্তিতে স্বল্প মেয়াদী পরিকল্পনা ফ্রিলান্সিং কে ঘিরে করা উচিত।

  • ফ্রিলান্সিং এর বিভিন্ন স্কিলস, 
  • ইংরেজিতে দক্ষতা শেখানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান 
    • (ব্যক্তিগত উদ্যোগেও হতে পারে) গড়ে তোলা,  
  • কম্পিউটার-ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ঋণসুবিধা দেওয়া জরুরী।
  • সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ : ফ্রিলান্সিং করে ঘরে বসে যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করা যায় – এ ব্যাপারে সারা দেশে সচেতনতা সৃষ্টি

লক্ষ টাকা ব্যয় করে মধ্যপ্রাচ্যে গিয়ে একজন বাংলাদেশী যে পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারে, ঘরে বসে ফ্রিলান্সিং করে একজন শিক্ষিত তরুণ তার চেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারে।  

“ঘরে বসে বড়লোক” – এমন দৃষ্টান্ত আরও আরও দেখতে চাই!

সবাই মিলে একসাথে কাজ করলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে পাঁচ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন – খুব দ্রুতই সম্ভব।




2.

নাগরিক শক্তি আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবাইকে সাথে নিয়ে দেশের এক একটি সমস্যা সমাধান করবে। 

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি সামাজিক যোগাযোগ সাইট ডেভেলাপ করা হবে। 
দেশের নাগরিকরা দেশের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরবেন। যারা সমস্যাটি সম্পর্কে অবহিত তারা সমস্যাটি আরও বিস্তারিত করে তুলে ধরবেন।
আবার কেউ চিহ্নিত করবেন – এক ক্ষেত্র যেখানে অনেক উন্নতির সুযোগ রয়েছে।  
অন্যরা সমস্যাটির বিভিন্ন সমাধান suggest করবেন। 
তারপর সবাই মিলে সমস্যা সমাধানে একটা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। সাথে টাইমলাইন থাকবে – এই সময়ের মাঝে এতটুকু করা হবে। 
সবাই যে যার অবস্থান থেকে সমস্যাটি সমাধানে ভূমিকা রাখবেন। 
আর এভাবে এক একটি সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে, এক একটি ক্ষেত্রে উন্নতির মাধ্যমে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। 
[
আজকে সারা দেশে ফরমালিন আর ভেজাল খাদ্য আর ওষুধ বিরোধী যে অভিযান চলছে – তার শুরুটা কিভাবে?
  • ফেইসবুকে ফরমালিন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টিতে “Stop poisoning us” নামে একটি গ্রুপ করা হয়।  
  • গ্রুপটি ঢাকায় মানববন্ধন করে।
  • আমরা ব্যাপারটি সম্পর্কে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এবং দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেটদের সৃষ্টি আকর্ষণ করি। 
  • চ্যানেল আইতে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন এবং একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়ে কৃষি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ “তৃতীয় মাত্রা”য় একটি বিশেষ পর্ব করেন। 
  • দেশের কয়েকটি এলাকায় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং ম্যাজিস্ট্রেটরা ভেজাল খাদ্য এবং ফরমালিন বিরোধী অভিযান পরিচালনা শুরু করেন। 
  • ডিএমপি (ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশ) কমিশনার বেনজীর আহমেদ ঢাকাকে ফরমালিন মুক্ত করতে ঢাকায় বিশেষ অভিযান শুরু করেন।   
  • ঢাকার ভেতরে এবং বাইরে – দেশের বিভিন্ন স্থানে ফরমালিন এবং ভেজাল খাদ্য বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। 
  • দেশের বিভিন্ন স্থানে সচেতন জনগণ ফরমালিন এবং খাদ্যে ভেজালের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টিতে মানববন্ধন করে।    
  • এই অভিযান এখনো চলছে। 
  • ফলমূলে ফরমালিনের পাশাপাশি ভেজাল খাদ্য, ফরমালিনযুক্ত মাছ এবং সবচেয়ে ভয়ানক – ভেজাল ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।     


 
কিছুদিন আগে সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর নীলফামারির একটি বাজারকে “ফরমালিনমুক্ত” হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। বাংলাদেশের আরও অনেক বাজার আজকে “ফরমালিন্মুক্ত”।  
ফরমালিন কিন্তু মোটেই ছোট কোন ব্যাপার না – দেশের মানুষের গড় আয়ু অনেকখানি কমিয়ে দিতে, ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে এর ভূমিকা রয়েছে।  
বাংলাদেশ কিছুদিন পর ফরমালিন মুক্ত হবে। তখন মানুষ পিছে ফিরে তাকালে – উপরের গল্পটি বলবে।
]
কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পনা করা হলে – দেশের সমস্যা সমাধানে এবং উন্নয়নে – এই ধরণের কর্মপরিকল্পনা আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব।    
সবাই মিলে কাজ করলে কি না হয়?



3. 


দেশে আমরা আর Pirated Software ব্যবহার করবো না – ওগুলো illegal.
আমরা ব্যবহার করবো Open Source Software এবং Web Apps – যেগুলো বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
আমরা Pirated Microsoft Office ব্যবহার করবো না, তার পরিবর্তে ব্যবহার করবো Google Apps (Google Docs ইত্যাদি) বা Open Office.
আমরা Pirated Windows Operating System ব্যবহার থেকেও সরে আসবো। আজকেই বন্ধুদের নিয়ে Linux Operating System install করে ফেলুন। কয়জনই বা Linux ব্যবহার করে! হয়ে উঠুন সবার চেয়ে আলাদা!
এখন তো প্রায় কাজই Web এ , Cloud এ করে নেওয়া যায় – Operating System – Windows কি Linux – তাতে খুব বেশি কিছু আসে যায় না – Browser Chrome হলেই হল!





4.


কম্পিউটিং এর নতুন যুগ: Physical Digital Computing
সিলিকন ভ্যালীতে এখন একটা কথা প্রচলিত হচ্ছে আর তা হল “Hardware is the new Software.” [2]


আশেপাশের সব যন্ত্রপাতিতে মাইক্রোপ্রসেসর, ওয়াইফাই সংযোগ এবং সেন্সর যুক্ত হয়ে সূচীত হতে যাচ্ছে কম্পিউটিং এর ইতিহাসে নতুন একটা যুগ – Physical Digital Computing.
কম্পিউটার এখন শুধু স্ক্রিনযুক্ত ডিভাইসের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সব ধরণের যন্ত্রপাতির অংশ হয়ে এতদিনকার একঘেয়ে  যন্ত্রগুলোকে বুদ্ধিমান এবং Responsive করে তুলবে।
Open Source Software যেমন সফটওয়্যার তৈরিকে সহজ করে দিয়েছে – একইভাবে Open Hardware Platforms (যেমন – Arduino, Raspberry Pi, Open 3D Printing Platforms),
মাইক্রোপ্রসেসর, ওয়াইফাই সংযোগ এবং সেন্সর প্রযুক্তির ক্রমহ্রাসমান খরচ Physical Digital Computing এর আগমনকে অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছে।
আমাদের ছেলেরা Software Development এর পাশপাশি আশেপাশের সব যন্ত্রপাতিতে Computing Technology embed করে যন্ত্রপাতিগুলোকে আরও বুদ্ধিমান, Adaptable, Internet-enabled করে তুলবেন।
কম্পিউটিং এর নতুন যুগ Physical Digital Computing এ নেতৃত্বস্থানীয়ে থাকবে বাংলাদেশ।    






5.

Gaming Industry


“বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৭৪ কোটি ৭০ লাখ গেমার রয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র মোবাইল ডিভাইসে গেম খেলেন ১২০ কোটি মানুষ।” 

২০১৩ সালে বিশ্বব্যাপী Game Market ছিল $70.4 Billion বা ৭ হাজার কোটি ডলারের বেশি – যা সামনের দিনগুলোতে আরও বাড়বে [3]। 

“প্রতিদিন যে পরিমাণ অ্যাপস ডাউনলোড হয় তার ৭০ শতাংশের বেশি গেম। 

শুধু স্থানীয় মার্কেটকে লক্ষ্য না করে আন্তর্জাতিক বাজার নিয়ে কাজ করার কথাও বলেন বক্তারা।”

গেম তৈরি ও ব্যবসার সঙ্গে অর্থ লেনদের বিষয়টিও যুক্ত থাকে। এ ক্ষেত্রে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে প্রয়োজন।

দেশে গেইমিং ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলতে ডেভেলাপারদের দক্ষতা গড়ে তোলা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ Game Designer [4] গড়ে তোলা। উপন্যাস রচয়িতার মত একজন Game Designer গেইমে কি থাকবে না থাকবে, Game World কিরকম হবে, কোনটার পর কোনটা ঘটবে, Player কিভাবে interact করবে, feedback (points, badges etc.) কিরকম হবে – এসব Design করেন।

সাথে Marketing এ দক্ষ ব্যক্তিদেরও প্রয়োজন হবে।

আমরা “ডিজিটাল বাংলাদেশ” এর স্বপ্নদ্রষ্টা বর্তমান সরকারের কাছে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে” এর ব্যাপারে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নেওার আহবান জানাই।
[এতদিনেও হয়নি!!]


 

6.
ICT Usecases For Government


তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা হল যে কোন তথ্যকে Digitize করলে (ডেটাবেইসে স্টোর করে রাখলে) পরবর্তীতে তথ্য খুঁজে পাওয়া সুবিধা হয়। 
  কাগজে লেখা থাকলে খুঁজে বের করা সময়াসাপেক্ষ ব্যাপার – কম্পিউটারে কয়েকটি key টিপেই তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়।

·         আবার সারা দেশের তথ্য Digitize করলে যে কোন স্থানীয় অফিস থেকে Web ব্যবহার করে দেশের সমস্ত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
  কাগজে লেখা তথ্য দেশের বিভিন্ন অফিসে ছড়িয়ে থাকে।

 


“ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে ভূমি জরিপের প্রাচীন ও জটিল পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল জরিপ প্রবর্তনের জন্য সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।    
আগে একটি পর্চা তুলতে এক হাজার থেকে পনেরশ” টাকা লাগত। সেখানে এখন মাত্র ২৭ টাকায় পর্চা ও নকশা উত্তোলন করা যাচ্ছে।”

·        
·      
   কিছুদিন আগে রাব দেশের সকল অপরাধীদের Database তৈরি করেছে। এবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো ভূমি মন্ত্রনালয়। সরকারের অন্যান্য বিভাগও তথ্য Digitize করার এই ধারা অনুসরণ করবে।     






References

  1. The Global Information Technology Report 2008-2009 
  2. Joi Ito’s Trends to Watch in 2013 
  3. Global Games Market Report Infographics 
  4. Game design

 

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s