Around The World [10.31.14]

South Asia & South East Asia

Control of

  • Illegal Drugs
  • Illegal Arms in the hands of Citizens and terrorists
  • Gold Smuggling
  • Human (especially women and children) Trafficking


(Cross border issues)

Since January 2014, the law enforcement agencies of Bangladesh including

have taken strict measures with great success.
  

Bogra Police showdown against
Illegal Drugs
 

 

RAB members (Arms)

 

Arms
Border Guard Bangladesh (Drugs)

Gold Smuggling

We would request the Law Enforcement Agencies of all the countries of South Asia and South East Asia to join our efforts. Together – we can share our experiences and expertise and be stronger.

Today In News 

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মিয়ানমারের মংডু শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ইয়াবা ও মানব পাচার বন্ধে দুই দেশ যৌথ অভিযান পরিচালনায় সম্মত হয়েছে।  
বৈঠকে ২৮ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাবিবুল করিম। সঙ্গে ছিলেন বিজিবি সদর দপ্তরের স্টাফ অফিসার কর্নেল সেলিম মাহমুদ চৌধুরী, বিজিবি কক্সবাজার সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল খোন্দকার ফরিদ হাসান, বান্দরবান সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল ওয়ালি উর রহমান প্রমুখ। ১৮ সদস্যের মিয়ানমার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সে দেশের বর্ডার গার্ড পুলিশের ১ নম্বর সেক্টরের পরিচালক ইউ থোন থোন। 
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাবিবুল করিম বলেন, ইয়াবার বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালনা করতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার পুলিশ। মানব পাচার প্রতিরোধেও তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।” 



Some of the Earlier Success Stories

Illegal Drugs

Gold Smuggling

Human (especially women and children) Trafficking

    “Bangladeshi police say that since the end of September, they have freed about 100 people a week.

    More than 130 people – nearly all of them Bangladeshi – were freed last month from a camp in Thailand”

    Russia – Ukraine Relations

    (Russian Energy Minister Alexander Novak, left, shakes hands with Ukraine’s Energy Minister Yuri Prodan, right, after sealing the deal. REUTERS)

    “Officials said they hoped the breakthrough would herald a broader thaw in relations between Moscow and Kiev. 

    Russian gas accounted for 39% of EU’s natural-gas imports last year, with around half of those supplies flowing through Ukraine. 

    The short-term gas deal underscores the close economic ties that bind Europe, Russia and Ukraine despite the conflict in Ukraine. It comes on the eve of a changeover in Brussels: a new European Commission team takes office this weekend under former Luxembourg Prime Minister Jean-Claude Juncker, who has had warm relations with Russian PresidentVladimir Putin in the past. 

    Ukraine is also due to receive $500 million from the World Bank by December, and officials confirmed that Kiev will be able to channel some of the aid it has already received from the IMF into gas payments if needed.”




    India

    “India’s government has banned first class air travel for bureaucrats, meetings in five-star hotels and purchases of cars in a series of tough austerity measures.
    The moves are aimed at achieving a fiscal deficit target of 4.1% of the gross domestic product for this year.” 

        নাগরিক ঐক্যের আলোচনা সভা – সমাবেশ – উদ্যোগ [31.10.14]

            1.

            • দক্ষিণ এশিয়া 
            • দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া 
            • মধ্য প্রাচ্য ও 
            • আফ্রিকার 

            বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ Engineering / Scientific Consultancy & Services দেবে।
            Advanced Technology – যেসব পৃথিবীর হাতে গোনা কয়েকটি দেশ তৈরি করতে সক্ষম – এমন সব প্রযুক্তি export করবে। 

            Link: 

             

            2.

            নাগরিক শক্তির যে কোন সদস্য দলের মেম্বার থেকে ধীরে ধীরে নিজ যোগ্যতায় শীর্ষপদে যেতে পারবেন এবং জনগণের মান্ডেট নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারবেন।  

            ভারতে এক সময়কার চা বিক্রেতা মাত্র কিছুদিন আগে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। 
            বাংলাদেশেও ভবিষ্যতের কোন এক সময় অনুরূপ কাহিনী রচিত হবে।
            দলের প্রতিটি পর্যায়ে গণতন্ত্রের চর্চা থাকবে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।  
            নির্দিষ্ট সময় অন্তর দলের প্রতিটি পদের জন্য দলের অভ্যন্তরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং নির্বাচনে জয়ী হয়ে নেতারা ধীরে ধীরে দলে উপরের দিকে উঠে আসবেন।
            পারিবারিকভাবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব দখল করে রাখার সংস্কৃতির অবসান ঘটবে।   
            আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক সাংসদ তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ, মাহী বি. চৌধুরী, ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থদের মত আদর্শবান তরুণ নেতারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। 
            আমরা আদর্শবান দক্ষ যোগ্য তরুণ নেতাদের দেখতে চাই। 
            সম্ভবনাময় তরুণ নেতাদের প্রজেক্টারে প্রেসেন্টেশানের সুযোগ দেওয়া হবে। ইন্টারভিউ নেওয়া হবে। সময় নিয়ে লিডারশীপ স্কিলস গ্রো করা হবে। নাগরিক সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিরা এবং প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদরা তত্ত্বাবধানে থাকবেন। 

            তবে নির্বাচনের আগে তৃণমূল থেকে নাম প্রস্তাব হতে হবে। জনপ্রিয়তা গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করে দেখা হবে।

            3.

            আমরা বাংলাদেশ থেকে অন্যায় অপরাধ দূর করতে কাজ করছি। দেশের মানুষের নিরাপত্তা অনেকখানি বেড়েছে। দুর্নীতি দূর করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।

            বাংলাদেশ থেকে সমস্ত অন্যায় – অপরাধ দূর করা হবে। 
            সারা পৃথিবীতে প্রথম মাদকমুক্ত দেশ হবে বাংলাদেশ। (অ্যাই, কি যে ভালো লাগছে না! পৃথিবীর একটা দেশ পুরোপুরিভাবে মাদকমুক্ত! ঐ দেশটাতে কোন মাদক নেই! কোন দেশ জানো? তোমার আমার বাংলাদেশ!)  
            কিছুদিনের মাঝে খাদ্যে ভেজাল বা ফরমালিন অতীতের একটা ব্যাপারে পরিণত হবে। (“জানো, দেশের ফলমূলে একসময় ফরমালিন দেওয়া হত!”)
            কয়েক বছর আগে পৃথিবীর শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ বাংলাদেশ হবে সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতিমুক্ত।
            কিছুদিন পর বাংলাদেশের কোন নাগরিকের কাছে অবৈধ অস্ত্র বলে কিছু থাকবে না। এই লক্ষ্যেও কাজ দৃঢ় পদক্ষেপে এগুচ্ছে।   
            উপরের লক্ষ্যগুলো অর্জনের পর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমাদের মেধাবী মানুষদের প্রয়োজন হবে। 
            দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে এবং নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে বিদেশে কর্মরত দক্ষ বিজ্ঞানী ইঞ্জিনিয়ার চিকিৎসক এক্সপার্টদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। 
            আমরা তাদের ফান্ডিং, ইনভেস্টমেন্ট নিশ্চিত করবো। আর তারা দেশে নতুন নতুন Industry প্রতিষ্ঠা করবেন। বিশ্বমানের University গড়ে তুলবেন।   
            গড়ে উঠবে স্বপ্নের আধুনিক উন্নত বাংলাদেশ।

            4.

            বাংলাদেশের মানুষ গভীর উৎসাহে দেশ গঠনে সমাজ সংস্কারে অংশ নিচ্ছে। 

            কেউ নিজেকে যুক্ত করছেন মাদক বিরোধী আন্দোলনে, 
            কেউ ফরমালিন বিরোধী, কেউ নারী অধিকার রক্ষায়, নারীরা একত্রিত হচ্ছেন বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে,
            কেউ নিজেকে যুক্ত করছেন গণজাগরণ মঞ্চের সাথে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্নযাত্রায়। 
            আর সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে গড়ে উঠছে দুর্নীতিমুক্ত মাদকমুক্ত সন্ত্রাসমুক্ত 
            সব রকম অন্যায় অবিচার অনিয়ম মুক্ত সমৃদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উন্নত স্বপ্নের বাংলাদেশ। 
            নাগরিক শক্তির প্রত্যেক সমর্থককে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের সদস্যপদ গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। 
            আত্নপ্রকাশ ঘোষণার “কয়েকদিন” এর মাঝে নাগরিক শক্তির Registered (নিবন্ধিত) সদস্য সংখ্যা ১ কোটি (10  Million) ছাড়াবে। 
            নাগরিক শক্তি এবং বাংলাদেশ নিয়ে আমার লেখাগুলো বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ পড়েছেন। 
            নাগরিক শক্তির Registered (নিবন্ধিত) সদস্য সংখ্যার বিভিন্ন মাইলস্টোন জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।  
            ১ লক্ষ Registered official সদস্য …! 
            ১০ লক্ষ Registered official সদস্য … !!
            ৫০ লক্ষ Registered (নিবন্ধিত) সদস্য …!!!!
            ১ কোটি Registered (নিবন্ধিত) সদস্য … !!!!!!!
            ২ কোটি Registered (নিবন্ধিত) সদস্য … !!!!!!!!!
            – এভাবে!

            5.

            যে যেখানে জীবনের যে পর্যায়ে থাকুন না কেন – প্রত্যেকটা মানুষের মাঝে লুকিয়ে আছে অনন্য ক্ষমতা।
            প্রত্যেকের মাঝে সুপ্ত ক্ষমতা বিকাশের উপায় আমি দেখিয়ে দেবো।
            ছেলেবেলার স্বপ্নগুলো বাস্তবতার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে হারিয়ে গেছে?
            আমি খুঁজে দেবো!

            ২০১৩ সালের জানুয়ারির দিকে নিজেকে প্রশ্ন করেছিলাম, আমি যদি রাজনীতিতে আসি তাহলে সবচেয়ে বড় কি Contribute করতে পারবো যা অন্য কেউ করতে পারবে না?
            উত্তরটা ছিল, প্রত্যেকটা মানুষের যে বিশাল শক্তি সুপ্ত হয়ে আছে – তা বিকাশের পথ করে দিতে পারবো। আর ১৬ কোটি মানুষ মানে বিশাল ব্যাপার – ১৬ কোটি অনন্য শক্তি! সেই শক্তির সামনে কোন কিছুই বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না! কাজেই ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। একটা শক্তিকেও হারাতে দেওয়া যাবে না। 



            “জঙ্গিবাদী-মৌলবাদী রাজনীতিকে পরাস্ত করতে পারে দেশের সেই তরুণেরা; যাঁরা এখনো নষ্ট ও ভ্রষ্ট রাজনীতির শিকার হননি। যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে যে তরুণেরা শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ করতে পারেন, সেই তরুণেরা আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশের অভিযাত্রাও নিশ্চিত করতে পারবেন বলে বিশ্বাস করি। 
            কেবল যুদ্ধাপরাধের বিচার নয়, কেবল মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িকতাবাদী রাজনীতির বিরোধিতা নয়, সত্যিকারভাবে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য এই আন্দোলন জারি রাখতে হবে। যেমন, সলিমুল্লাহ খানের ভাষায়, ‘শাহবাগের তরুণ জাতি যদি আবালবৃদ্ধ জাতির বিবেক হইয়া উঠিতে পারে, তো তাকে শতকরা শতভাগ গণতন্ত্রের আওয়াজ তুলিতে হইবে। আর গণতন্ত্রের শব্দের মধ্যেই লুকাইয়া আছে মানুষে মানুষে সমানাধিকার, মানুষের মর্যাদার আর সামাজিক সাম্য ও সংহতির দাবি।’ (ইতিহাসের দায়, গণজাগরণ মঞ্চ, ২০১৪)
            গণজাগরণ মঞ্চের সঙ্গে আমাদের ভাষা আন্দোলনের কিছুটা মিল লক্ষ করি। ভাষা আন্দোলনেও ব্যক্তি-নেতৃত্ব ছিল না, দলীয় নির্দেশনা ছিল না বরং দলীয় নিষেধাজ্ঞার বাইরে গিয়েই সাধারণ ছাত্র-তরুণেরা এই আন্দোলন সংঘটিত করেছিলেন৷ বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন পরিণতি পেয়েছিল, ভাষা আন্দোলনকেই যদি স্বাধীনতার সূতিকাগার বলা হয়, তাহলে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চে আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছে বলা যাবে না।
            তারা এই সমাজ, রাষ্ট্র ও রাজনীতিকে অন্তত একটি ধাক্কা তো দিতে পেরেছে। বাংলাদেশ হয়তো পরবর্তী ধাক্কার অপেক্ষায় আছে।”



            আলোচনা সভা – সমাবেশ – উদ্যোগ



            “শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের চলমান বাস্তবতায় তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তেব্যে নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন  বলেন, বাংলাদেশের কোনো দলে গণতন্ত্র নেই, চলছে শুধু দলের প্রধানদের ব্যক্তিপূজা। সবাই সুবিধাভোগী। সামান্য সুবিধার লোভে বর্তমান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সুর পাল্টে ফেলছে। দেশের এই রাজনৈতিক অবস্থা থেকে বের হবার রাস্তা এখন তারুণ্যের উদ্যমের উপর নির্ভর করছে.P { margin-bottom: 0.08in;

            বৈঠকে সংগঠনটির সভাপতি জাহিদ ইকবালের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য এস এম আকরাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সুকোমল বড়ুয়া, সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি এবং সংগঠনটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিনসহ আরো অনেকেই।”


            P { margin-bottom: 0.08in; }


            “সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলেই সাম্প্রদায়িক হামলা প্রতিরোধ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।

            অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেন, “আমরা দেশ স্বাধীন করলেও আমাদের সত্যিকারের মুক্তি আসেনি। একদিকে সন্ত্রাস-সাম্প্রদায়িকতা, আরেকদিকে আদর্শহীন সুবিধাবাদী রাজনীতি।”
            অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঐক্য পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিউবার্ট গোমেজ।” 



            “মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্য সাজাপ্রাপ্ত জামায়াতের নায়েবে আমির দেল‍াওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায়ের আপিলের রিভিউ পিটিশন, যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমার বিধান রহিতকরণ এবং যুদ্ধাপরাধী সংগঠন হিসেবে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ দাবিতে ‘জাগরণ যাত্রা’ শুরু করেছে গণজাগরণ মঞ্চ।”

            “দেশব্যাপী জাগরণ যাত্রার অংশ হিসেবে রাজশাহীর জনসভায় যাওয়ার পথে মানিকগঞ্জে এই পথসভার আয়োজন করে মানিকগঞ্জ গণজাগরণ মঞ্চ। এ সময় লাকী আক্তার, মানিকগঞ্জ গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, মঞ্চের কর্মী মুক্তিযোদ্ধা লোকমান হোসেন, কামাল হোসেন ও বিমল রায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।”




            যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা ও  জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের ঝিনাইদহগামী জাগরণ যাত্রা মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে পথসভা করেছে। 
            পথসভায় নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম আহ্বায়ক গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার বলেন, আরব আমিরাতে প্রধানমন্ত্রী জামায়াত সম্পর্কে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা গ্রহণযোগ্য নয়। 
            জনবিচ্ছিন্নদের রাজনীতির দিন শেষ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনীতি করতে গেলে দেশের সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে হবে।”



            “যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা এবং জামায়ামের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের ‘জাগরণ যাত্রা’ দল ঝিনাইদহ শহরে পৌঁছেছে। 
            শুক্রবার বিকেল ৪টার পরে নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম আহ্বায়ক গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারের নেতৃত্বে গাড়িবহর ঝিনাইদহ পৌঁছায়। 
            গাড়িবহরে উদীচী, ছাত্রফ্রন্ট, গণশিল্পী সংগঠনসহ ৬টি সংগঠনের কর্মীরা রয়েছেন। 
            ঝিনাইদহে পৌঁছার পর শহরের ওয়াজের আলী স্কুল থেকে ইমরান এএইচ সরকারসহ গণজাগরণ মঞ্চের অন্যান্য কর্মীরাসহ ‘জাগরণ যাত্রা’র দল একটি র‌্যালি বের করে। র‌্যালিটি শহর প্রদক্ষিণ করার সময় রাস্তার দু’ধারে সাধারণ জনগণ হাত নেড়ে তাদের স্বাগত জানান। 

            জাগরণ যাত্রা দলে রয়েছেন- ইমরান এইচ সরকার, প্রীতি লতা, লাকী আক্তার, শিবলী সাদিক, মুক্তা বাড়ৈই, মারুফ রাসেল, মুন্সি মাহমুদুল্লা বাধান, ঝিনাদাহ গণজাগরণ মঞ্চের সমন্বয়ক দীলিপ ঘোষ, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আসাদ, ছাত্রফ্রন্টে ওয়াসিম সাজ্জাদ চয়ন, গণশিল্পির সংগঠনের আবদুস সালাম, ছাত্র ইউনিয়নের অমিত শাহরিয়ার, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মমিনুর রহমান মিটুল, সাংস্কৃতিক ইউনিয়নের পলাশ আহমেদ প্রমুখ।”


            সভাপতিত্ব করেন, ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন। 
            বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক কর্মী নিশান সাবেরের উপস্থাপনায় এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, গণজাগরণ মঞ্চের লাকি আক্তার, মঞ্চের কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক জনারধন দত্ত নান্টু, গণজাগরণ মঞ্চ ও প্রজন্ম মুজিবনগরের সংগঠক অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম, প্রজন্ম মুজিবনগরের সংগঠক অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম শাহিন, আব্দুল মান্নান ছোট, সাজ্জাদুল আনাম প্রমুখ।”


            [সংবাদপত্র এবং অনলাইন মিডিয়ায় প্রকাশিত সমস্ত বক্তব্য সত্য নয়।]



            International Relations – Foreign Policy – Diplomacy


            “The US has pledged to work with Bangladesh in cross-border trade and energy cooperation and support regional economic integration and connectivity initiatives.
            Recognising Bangladesh’s role as a regional leader and seat of the Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation, the United States also agreed to support in the development of the Indo-Pacific Economic Corridor.
            The US is also interested to extend full cooperation for increased economic participation of women.
            Bangladesh and the United States reaffirmed their shared commitment to ensuring safe working conditions and protecting workers’ rights.”

            বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মিয়ানমারের মংডু শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ইয়াবা ও মানব পাচার বন্ধে দুই দেশ যৌথ অভিযান পরিচালনায় সম্মত হয়েছে।  বৈঠকে ২৮ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাবিবুল করিম। সঙ্গে ছিলেন বিজিবি সদর দপ্তরের স্টাফ অফিসার কর্নেল সেলিম মাহমুদ চৌধুরী, বিজিবি কক্সবাজার সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল খোন্দকার ফরিদ হাসান, বান্দরবান সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল ওয়ালি উর রহমান প্রমুখ। ১৮ সদস্যের মিয়ানমার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সে দেশের বর্ডার গার্ড পুলিশের ১ নম্বর সেক্টরের পরিচালক ইউ থোন থোন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাবিবুল করিম বলেন, ইয়াবার বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালনা করতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার পুলিশ। মানব পাচার প্রতিরোধেও তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।”


            অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও রাজনীতিবিদরা  

              আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ [31.10.14]

              1. রাজনীতি – দেশজুড়ে 


              “নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) প্রধান সমন্বয়কসহ পাঁচ জঙ্গিকে আটক করেছে র‌্যাব। র‌্যাব বলেছে, আটক জঙ্গিদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।”


              2. Other News

              বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মিয়ানমারের মংডু শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ইয়াবা ও মানব পাচার বন্ধে দুই দেশ যৌথ অভিযান পরিচালনায় সম্মত হয়েছে।

              বৈঠকে ২৮ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাবিবুল করিম। সঙ্গে ছিলেন বিজিবি সদর দপ্তরের স্টাফ অফিসার কর্নেল সেলিম মাহমুদ চৌধুরী, বিজিবি কক্সবাজার সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল খোন্দকার ফরিদ হাসান, বান্দরবান সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল ওয়ালি উর রহমান প্রমুখ। ১৮ সদস্যের মিয়ানমার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সে দেশের বর্ডার গার্ড পুলিশের ১ নম্বর সেক্টরের পরিচালক ইউ থোন থোন।ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাবিবুল করিম বলেন, ইয়াবার বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালনা করতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার পুলিশ। মানব পাচার প্রতিরোধেও তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।”

                নাগরিক ঐক্যের আলোচনা সভা – সমাবেশ – উদ্যোগ [30.10.14]

                আমরা দেশের সব রাজনৈতিক দলকে – হরতাল ডাকা এবং সহিংসতা ঘটিয়ে জনগণকে হরতাল পালনে বাধ্য করা – এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

                প্লিস, হরতাল ডেকে দেশের অর্থনীতির ক্ষতি করবেন না।
                ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষদের বিরাগভাজন হবেন না।
                এখন হরতাল ডেকে দেশের অর্থনীতির ক্ষতি করলে জনগণ দেশের অর্থনীতি আপনাদের হাতে তুলে দিতে অনিরাপদ বোধ করবে।
                আজ থেকে দেশের সকল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং শিক্ষা কার্যক্রম – হরতাল এবং অন্যান্য রাজনৈতিক কর্মসূচীর প্রভাবমুক্ত রাখুন।
                নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সবার।



                Related Links



                সভা – সমাবেশ – উদ্যোগ

                উপস্থিত ছিলেন- যশোর গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কাজী আবদুস শহীদ লাল, যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন-অর-রশিদ, জাসদের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি রবিউল আলম, যশোর সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি একরাম-উদ-দ্দৌলা, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম মহাসচিব ফারাজী আহম্মদ সাঈদ বুলবুল, যশোর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাস, জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তন্দ্র ভট্টাচার্য, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দীপংকর দাস রতন, সিনিয়র সাংবাদিক রকুনউদ্দৌল্লাহ, মনিরুল ইসলাম ও রাহুল রায় প্রমুখ।”

                Diplomacy






                  অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও রাজনীতিবিদরা  

                    Around The World [10.30.14]

                    South Asia

                    “The generals certainly have motives to weaken or even destroy Mr Sharif, who has a big parliamentary majority.He also wants to transform hostile relations with India, a policy the army opposes.”

                    Tibet

                    The line to Shigatse stretches 250km southwest of Lhasa and will reduce the five-hour road journey to two hours by rail. As well as allowing easier access for tourists to Tibet’s second city, it will make an area rich in natural resources more accessible. (The Chinese name for Tibet, Xizang, translates as “Western treasurehouse”.) In the autumn the construction is due to start on another extension, running 400km from Lhasa to Nyingtri, a county with large hydropower potential. 

                    Through religious control, the erosion of Tibetan language, intense surveillance and “patriotic education” policies the government has sought to suppress traditional beliefs and customs. More than 130 Tibetans have set fire to themselves in protest since 2009. It has become almost impossible for ordinary Tibetans to travel abroad from Tibet, and border security has been tightened. Before 2008 the number of Tibetans escaping into Nepal each year was as high as 3,000. Last year only 300 made it out. 

                     Last year the region’s GDP grew by nearly 13%. Chinese companies and workers wield advantages: Tibetans often lack the linguistic skill and the connections to get ahead. As a result, much revenue flows back east.”

                    Palestine

                    “Sweden becomes first EU member in western Europe to make move, saying ‘we hope this will show the way for others’ 

                    Sweden’s new prime minister, Stefan Löfven, announced in his inaugural address to parliament in early October that his country would become the first EU member in western Europe to recognise a Palestinian state.”

                    America In Realization [10.30.14]

                    Technology

                    “It’s a Bluetooth fitness band packed full of sensors: optical heart rate sensing, 3-axis accelerometers with a gyroscope to track movement, GPS to track your runs even if you leave your phone at home, skin temperature, galvanic skin response presumably to measure sweating, ambient light and UV light, and a microphone so it can be used with Cortana on Windows Phone.

                    Feed more data into the cloud service, and it’ll tell you more things. You’ll be able to plumb it into Office, and it’ll be able to tell you if having more meetings harms the quality of your sleep, or whether eating breakfast made you run any faster.

                    Microsoft Health is also designed to be a platform. If you use a Jawbone UP band, it’ll work with Microsoft Health. If you track your runs with RunKeeper or MapMyFitness, they’ll be able to share data with Microsoft Health.

                    Microsoft also wants the Microsoft Band to be a platform of sorts. Microsoft is offering to license 10 sensor module that powers the Band to third parties so that they too can build devices that track all this data.”

                    Medicine
                    Business
                    Religion & Spirituality

                    আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ [30.10.14]

                    1. রাজনীতি – দেশজুড়ে 



                     
                    2. Other News

                      “Earlier this month, the Pew Research Center released the second of two major reports detailing findings from a global public opinion survey on economic issues conducted last spring in 44 countries. Read together, the two reports reveal something you might not have guessed: Bangladesh is among the countries most supportive of the free market, and certainly the most free-market, trade-oriented country surveyed in South Asia.

                      The Bangladeshi economy has benefited greatly over the last two decades from an export-oriented push at the entry level of the manufacturing space—garments. Bangladesh is now the world’s number two garment exporter, just after China.”

                        America In Realization [10.29.14]

                        “Overall 49% of Americans think churches should speak out about political matters; 48% disagree. That has changed markedly since 2010, when 52% wanted preachers to keep their noses out of politics and only 43% didn’t.

                        Most Americans still think churches should stop short of endorsing candidates for office (63% oppose, 32% favour), but the gap has narrowed since 2010 (when it was 70-24%).”

                        Tribute

                        Politics

                        বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম, নাগরিক সমাজ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশে যুক্তরাষ্ট্র সরকার; বাংলাদেশের পাশে জাতিসংঘ (United Nations) এবং বিশ্বব্যাংক (World Bank)

                        যুক্তরাষ্ট্র সরকার সবসময় বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম, নাগরিক সমাজ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশে থাকবে।

                        বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম এবং নাগরিক সমাজের পাশে যুক্তরাষ্ট্র সরকার  

                        যুক্তরাষ্ট্র সরকার সবসময় বাংলাদেশের তরুণ এবং নাগরিক সমাজের পাশে থাকবে।
                        এর অংশ হিসেবে গ্রান্ট ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। বাংলাদেশের তরুণরা এবং নাগরিক সমাজের সদস্যরা দ্রুত উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রস্তাব করে গ্রান্ট জিতে নেবেন এবং স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন।

                        বাংলাদেশে তরুণ নেতৃত্বের ক্ষমতায়ন ও সুশীল সমাজের উন্নয়নে বাজেট নির্ধারণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র। 
                        বাংলাদেশে দুটি পৃথক প্রকল্পে ৬ লাখ মার্কিন ডলার দেওয়ার কথা জানিয়েছে দেশটি। 

                        বাংলাদেশের সিভিল সোসাইটিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রজেক্টে বাজেট ধরা হয়েছে ৩ লাখ ডলার। 

                        এছাড়া তরুণ নেতৃত্ব’র ক্ষমতায়নে বাজেট ধরা হয়েছে আরো ৩ লাখ ডলার।
                        এ কর্মসূচির জন্য তরুণদের বয়স সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ থেকে ৩০ বছর।” 

                        বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশে যুক্তরাষ্ট্র সরকার 

                        যুক্তরাষ্ট্র সরকার সবসময় বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশে থাকবে।

                        “আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উন্নত প্রশিক্ষণ ও বিচার বিভাগের উন্নয়নে অতিরিক্ত সাড়ে ১৭ লাখ ডলার অনুদান দেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ অর্থ দিয়ে অপরাধ রোধে পুলিশ বাহিনীকে উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

                        রোববার দুপুরে নগরীর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) ইউএন কনফারেন্সরুমে এ সংক্রান্ত অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইআরডি সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন ও মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।” 






                        মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডান মজীনা বাংলাদেশে শুধুমাত্র একজন রাষ্ট্রদূতই নন, তিনি বাংলাদেশের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যকে নিজের মাঝে ধারণ করেছেন। বাংলাদেশের মাঝে, এদেশের মানুষের মাঝে অনন্য সম্ভাবনা তিনি দেখেন।
                        লুঙ্গি পরে রিকাশায় বসে আন্তরিক ডান মজীনা – ছবিটি বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে সবসময় থাকবে। 



                        Dan Mozena, US Ambassador to Bangladesh


                         

                        “মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন সে দেশে সদ্য নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ জিয়াউদ্দিন।
                        প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং নিজেদের অভিন্ন লক্ষ্যে পৌঁছাতে উভয় দেশ একযোগে কাজ করে যাবে।  সকাল নয়টায় চিফ অব প্রটোকলের প্রতিনিধিরা রাষ্ট্রদূত ও তার পরিবারের সদস্যদের তার বাসভবন থেকে নিরাপত্তা দিয়ে হোয়াইট হাউসে নিয়ে যান।  

                        পরিচয়পত্র প্রদানের পর চিফ অব প্রটোকলের প্রতিনিধি এবং দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সম্মানে রাষ্ট্রদূত জিয়াউদ্দিন বাংলাদেশ হাউসে সংবর্ধনার আয়োজন করেন। এ উপলক্ষে দূতাবাসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর পক্ষ থেকে সন্ধ্যায় রাষ্ট্রদূতের সম্মানে নৈশভোজেরও আয়োজন করা হয়।”

                        •  





                        বাংলাদেশের পাশে বিশ্বব্যাংক (World Bank)

                        বিশ্বব্যাংক (World Bank) বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী (Development Partner) হিসেবে কাজ করবে। 
                         

                         






                         
                        বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ ঢাকামুখি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চাপ কমাতে এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষে দেশের পাঁচটি শহরে (সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা) সাড়ে ৭ হাজার পরিবারের বাসস্থান নির্মাণের একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে.
                        কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন, সিরাজগঞ্জ পৌরসভা ও দিনাজপুর পৌরসভার প্রতিটিতে ৫টি করে মোট ২৫টি বসতিতে কমিউনিটি-নির্ভর এসব বাসস্থান নির্মাণ করা হবে।

                        এই ২৫টি কমিউনিটি বসতির প্রত্যেকটিতে ৩০০টি করে মোট ৭,৫০০টি পরিবারের বাসস্থান নির্মাণের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

                        প্রকল্প এলাকায় রাস্তা, ড্রেন নির্মাণ, বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সরবরাহ
                        বর্তমানে বাংলাদেশের শহরাঞ্চলের ৪ কোটি দরিদ্র মানুষের প্রায় ৬২ শতাংশই বস্তিতে ও বিধি-বহির্ভূতভাবে বসবাস করে থাকে।


                        বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন – দেশের Formal Economy র বাইরে থাকা বস্তিবাসীদের Formal Economy এর সাথে যুক্ত করতে Revolutionary ভূমিকা রাখবে। 

                        ঢাকায় চাকরির সন্ধানে আসা বস্তিবাসীরা যেসব জমিতে থাকেন, বা দোকান করেন – সেসব অবৈধ। তাদের বিদ্যুৎ বা পানি সরবরাহ করা হয় – অবৈধ পথে। বস্তিবাসীদের বিদ্যুৎ বা পানি পেতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খরচ করতে হয়। 
                        কাজেই বস্তিবাসীদের একটি Formal Economy র আওতায় আনা যুগান্তরকারী পদক্ষেপ।




                         

                        বাংলাদেশের পাশে জাতিসংঘ (United Nations)

                        “পৃথিবীর যুদ্ধবিধ্বস্ত বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যদের সক্ষমতা, পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করছেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল, ডিপার্টমেন্ট অব পিস কিপিং অপারেশন্স (ডিপিকেও)-এর প্রধান হার্ভে লাডসুস। বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকারের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন। 

                        আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ পুলিশ মোতায়েনকারী দেশ।
                        তিনি জাতিসংঘ ম্যান্ডেটের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য ফরাসি ভাষায় দক্ষতা অর্জন, ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম, ড্রাগ ট্রাফিকিং এবং অর্গানাইজড ক্রাইম ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব আরোপের জন্য বাংলাদেশ পুলিশ প্রধানের প্রতি অনুরোধ জানান।”

                        বাংলাদেশ পুলিশকে আধুনিক বিশ্বের অপরাধগুলো দমনে উন্নত প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষিত করা হবে। 


                        নাগরিক ঐক্যের আলোচনা সভা – সমাবেশ – উদ্যোগ [29.10.14]

                          তারেক রহমানের কারণেই বিএনপি অস্তিত্বশুন্য হবে।

                          বিএনপি সরকারের আমলে হাওয়া ভবনকে তিনি দুর্নীতির কেন্দ্রস্থল হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন এবং কোন সিনিয়ার নেতাকে দলে তার একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করলে একনায়কত্বের জোড়ে তাকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন।

                          সবচেয়ে ভয়ানক – বিদেশের মাটিতে বসে বিদেশী একটি সংস্থার সাথে হাত মিলিয়ে দেশে তার নির্দিষ্ট টার্গেটের উপর তারেক রহমানের ষড়যন্ত্রের খবর আমাদের কাছে এসেছে।

                          • বিডিআর বিদ্রোহ 
                          • দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা এবং 
                          • ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার 

                          – মূল পরিকল্পনাকারী নেপথ্য নায়কদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
                           
                           

                          Related Links

                          “পিলখানা হত্যাকাণ্ডে যারা সরাসরি অংশ নিয়েছেন আদালতে তাদের বিচার হয়েছে। কিন্তু যতদিন মূল পরিকল্পনাকারীদের বিচার হবে না, ততদিন ভবিষ্যতে আবারও ষড়যন্ত্রের এবং এই ধরণের হত্যাকাণ্ড সংঘঠনের আশঙ্কা থেকে যাবে। আমরা পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারিদের – তারা যত বড় ক্ষমতাশালীই হোক না কেন, দেশী বিদেশী যত বড় শক্তিই পিছনে থাকুক না কেন – বিচারের কাঠগড়ায় দেখতে চাই।”

                          ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা

                          ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা


                          “১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের কথা শুনে নীরব ছিলেন তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদ জিয়া। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক সাদিক হাসান রুমী তাঁকে অস্ত্র আটকের কথা জানিয়েছিলেন। রায় ঘোষণার সময় চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এসএম মজিবুর রহমান তাঁর পর্যবেক্ষণ আজ বৃহস্পতিবার এসব কথা বলেন।
                          আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিচারক রায়ের পর্যবেক্ষণে আরও বলেন, সাক্ষীদের জবানবন্দির ভিত্তিতে এ মামলায় হাওয়া ভবনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুর রহিমকে টাকা দিতে উইং কমান্ডার (অব.) সাহাব উদ্দিনের মাধ্যমে টাকা দেন এআরওয়াই গ্রুপ। এ গ্রুপের আবদুর রাজ্জাক ইউসুফের সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই (ISI) য়ের যোগাযোগ ছিল বলেও পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে।

                          বিচারক আরও বলেন, ডিজিএফআইয়ের তত্কালীন মহাপরিচালক সাদিক হাসান রুমী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় জানিয়েছিলেন, তিনি তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে এ ঘটনা জানিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এ কথায় তখন নীরব ছিলেন। এ ঘটনাও মামলায় এসেছে।”



                            
                          সভা – সমাবেশ – উদ্যোগ