নাগরিক ঐক্যের আলোচনা সভা – সমাবেশ – উদ্যোগ [11.22.14]

1.
বাংলাদেশ ভারতের চাইতে আকারে অনেক ছোট হলেও বাংলাদেশের ভূমি এবং সমুদ্রে গ্যাসের মজুদ (উত্তোলন হচ্ছে এবং এখনও উত্তোলন শুরু হয়নি যোগ করে) ভারতের চাইতে বেশি।
 
2.
নাগরিক শক্তিআত্নপ্রকাশের দিনটি হবে বাংলাদেশের রাজনীতির ৪৩ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিনগুলোর একটি।
– একটি দলের দেড় শতাধিক (১৫০+) এমপি পদত্যাগ করে সেদিন নাগরিক শক্তিতে যোগদান করবেন। যোগদান করা দেড় শতাধিক এমপির নামের একটি তালিকা প্রকাশ করা হবে।
দেশের বড় দুটি দলের একটির অন্তিম পরিণতি সেদিনই নির্ধারিত হবে।
– সাথে যোগ দেবেন অপর একটি দল থেকে পদত্যাগ করা অর্ধশতাধিক (৫০+) এমপি
– নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ১৮টি রাজনৈতিক দল একীভূত হয়ে নাগরিক শক্তিহিসেবে আত্নপ্রকাশ করবে। ১৮টি রাজনৈতিক দলের প্রত্যেকটির দলপ্রধান – আত্নপ্রকাশ অনুষ্ঠানে ১৮টি রাজনৈতিক দলকে বিলুপ্ত ঘোষণা করবেন।
– তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ১০ জনের বেশি সাবেক উপদেষ্টা উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নাগরিক শক্তির অংশ হবেন।
 
 
Links
দেশের রাজনীতিকে আরো অধুনিকীকরণে মাঠে নামছেন শতাধিক সাবেক এমপি ও অর্ধশতাধিক উপজেলা চেয়ারম্যান। এরা সবাই বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আদর্শের অনুসারী। – See more at: http://www.priyo.com/2014/09/19/107516.html#sthash.dgF30jXk.dpuf

“দেশের রাজনীতিকে আরো অধুনিকীকরণে মাঠে নামছেন শতাধিক সাবেক এমপি ও অর্ধশতাধিক উপজেলা চেয়ারম্যান। এরা সবাই বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আদর্শের অনুসারী।
বিএনপি’র সাবেক যুগ্মমহাসচিব ও সাবেক সংসদ সদস্য আশ্রাফ হোসেন বলেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শ বিচ্যুৎ, জাময়াতপন্থি ও দুনীর্তিবাজ নেতারা এ তালিকায় নেই।”  

(১) জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে গভীর সখ্যতার কারণে বিএনপিকে চিহ্নিত করা হয়েছে এমন ইসলামী উগ্রপন্থী শক্তির সহযোদ্ধা হিসেবে, যাদের মূল লক্ষ্য হলো ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা করা। যুক্তরাষ্ট্র বা ভারতের কাছে তা গ্রহণযোগ্য নয়। 

(২) তারেক রহমানের নাম ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে থাকা লোকজনের দুর্নীতি। বিএনপি যদি এ দুইয়ের গ্লানি কাটিয়ে ভারসাম্যময় মধ্যপন্থী গণতন্ত্রের ধারক-বাহক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে না পারে, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসতে পারবে না এবং কোনোরকমে আসতে সক্ষম হলেও বেশিদিন তা ধরে রাখতে পারবে না।’”

 

“বিএনপি নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান
এখনও যারা বিএনপি ত্যাগ করেননি দেশ ও জাতির স্বার্থের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী, চক্রান্তকারীদের দল ও সঙ্গ ত্যাগ করুন। চক্রান্তকারীদের সাথে থেকে নিজেদের জীবনকে সংশয়ে ফেলে দেবেন না।
এই মুহূর্ত থেকে থেকে দলকে চাঁদা দেওয়া বন্ধ করুন। আপনাদের চাঁদার অর্থে আরেকটি ষড়যন্ত্রের পটভূমি রচিত হতে দেবেন না।”
নাগরিক শক্তি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের ৮০% এর বেশি ভোট নিয়ে এবং বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে প্রথমবারের মত এককভাবে ৩০০ আসনের সবকটিতে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসবে।
অপরদিকে, ৩০০ আসনের সবকটিতে বিএনপি প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে (৮ ভাগের ১ ভাগ বা ১২.৫% এর চেয়ে কম ভোট পাওয়ায়)।
জাতীয়ভাবে বিএনপি সারা দেশে ৩% এর চেয়ে কম ভোট পাবে।


বিএনপি’র হিসেব ছিল, আলেম ওলামা সমাজ এবং মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের অধিকাংশ ভোট বিএনপি’র পক্ষে পড়বে।
কিন্তু আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আলেম ওলামা সমাজ এবং মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের প্রতিটি ভোট (৩৫ লক্ষাধিক ভোট) নাগরিক শক্তির প্রার্থীর পক্ষে পড়বে।
(বিএনপি প্রচার করে, তারা ইসলামী চেতনাসম্পন্ন। তবে চরম দুর্নীতি – অন্যায় – সন্ত্রাস এ নিমজ্জিত থেকে কিভাবে ইসলামী চেতনা ধারণ করা যায় – তা আমাদের জানা নেই!)
বিএনপি জোটে আছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, যেটি ৭১ এর আগে জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের [1] একটি শাখা ছিল।

বর্তমানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন কমিশনে বৈধ নিবন্ধন নেই।

তার চেয়েও বড় কথা, কয়েকজন মানবতাবিরধী যুদ্ধাপরাধী এবং কয়েকজন চরমপন্থি (Extremist) সন্ত্রাসী ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বলে এখন কিছু নেই।  

বিএনপি দাবি করে তাদের জোটটি “২০ দলীয়”।
কিন্তু বিশ্লেষণ করলে আমরা দেখি, এই দলগুলোর মাঝে আছে “সাম্যবাদী দল (একাংশ)” – যেটি কয়েকজন প্রতারক ব্যক্তির সমষ্টি (সাম্যবাদী দলের সাথে তাদের কোনকালে কোন সম্পর্ক ছিল না) এবং নির্বাচন কমিশনে তাদের বৈধ নিবন্ধন নেই।



বিএনপি শীর্ষ নেতৃত্বের মেধাহীনতা এবং নির্বুদ্ধিতা স্পষ্ট হয় – যখন আমরা দেখি – এই প্রতারক ব্যক্তিদের প্রকৃত পরিচয় নিরূপণ না করেই বিএনপি তাদের “দল” হিসেবে জোটে বরণ করে নেয় এবং নিজেদের “২০ দলীয় জোট” হিসেবে ঘোষণা করে।
[এভাবে কয়েকজন ব্যক্তি একত্রিত হয়ে দুই জোটের কাছে যাওয়া শুরু করলে দুই জোটের সদস্য সংখ্যা শীঘ্রই ৩০ বা ৪০ ছাড়াতে পারে এবং দেখা যাবে নির্বাচন কমিশনেও এতগুলো নিবন্ধিত দল নেই!]

বিএনপি জোটের বাকি ১৭টি দলের কয়টি এখনও বিএনপি’র সাথে আছে আর কয়টি নতুন একটি দলে একীভূত হওয়ার অপেক্ষায় আছে – তার হিসেব বিএনপি শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে নেই!
এই ১৮ “দল”এর মাঝেও নির্বাচন কমিশনে বৈধ নিবন্ধনবিহীন দল রয়েছে।    

সবচেয়ে বড় কথা – সারা দেশের মানুষ জনকল্যাণমূলক নতুন রাজনীতির স্বপ্নে বিভোর।
দেশের মানুষের কাছে বিএনপির দুর্নীতি – সন্ত্রাসের রাজনীতির যে আর অ্যাপিল নেই, সারা দেশে বিএনপি যে সাংগঠনিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছে – কিছুদিন পর পর সংবাদ সম্মেলন ডাকার মাঝে নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখা ঢাকায় অবস্থানরত বিএনপি’র গুটিকয়েক নেতা – তা আঁচও করতে পারেননি।

আগামী কয়েক মাসে বিএনপি’র অত্যন্ত দুর্বল ও ক্ষীণ হয়ে ওঠা পরিষ্কার হয়ে উঠবে এবং দলটির জন্য অস্তিত্ব রক্ষা করাই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

(১৪/৮/১৪

বিএনপি গত ঈদুল ফিতরের আগে ঘোষণা দিয়েছিল, ঈদের পর “তুমুল” আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
ঈদ কেটে গেছে – কিন্তু সেরকম “তুমুল” কিছু আমাদের চোখে পড়েনি!

ব্যর্থ বিএনপি এবার ঘোষণা দিয়েছে, ঈদুল আযহার পর গড়ে তোলা হবে সেই কাঙ্ক্ষিত “তুমুল” আন্দোলন!

কিন্তু বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা দেখে আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, ঈদুল আযহার কথা যে বলছেন – এটা কি ২০১৪ সালের ঈদুল আযহা নাকি ২০১৭ সালের?

বিএনপি নেতৃবৃন্দ আজকাল প্রকাশ্যেই স্বীকার করছেন, “জনগণ বিএনপির উপর বিরক্ত”। প্রকৃতপক্ষে, এটা নেতদের নিজেদের বিরক্তির বহিঃপ্রকাশ। কারণ, বিরক্ত হতেও জনসমর্থন লাগে – আর সেটা বর্তমানে বিএনপির আছে কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করার অবকাশ আছে।

৫ জানুয়ারিতে তামাশার একটি নির্বাচনে করে আওয়ামী লীগ অন্যায়ভাবে ক্ষমতা দখল করে রেখেছে আর তারপর এতগুলো মাস কেটে গেছে। বিএনপি আন্দোলন গড়ে তোলা দূরে থাক – বড় ধরণের সমাবেশই করতে পারেনি।

প্রকৃতপক্ষে সারা দেশের জনগণ এখন জনকল্যাণমূলক নতুন রাজনীতির স্বপ্নে বিভোর।

বিএনপির দুর্নীতি – সন্ত্রাসের রাজনীতির অ্যাপীল – জনগণ, এমনকি বিএনপি নেতাদের মাঝেও আর নেই।

বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডও ঢাকায় বিএনপি কার্যালয়ে বসে কিছুদিন পরপর সংবাদ সম্মেলন করার মাঝেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। কিছুদিন পর পর সংবাদ সম্মেলন ডেকে আর যায় হোক – সরকার পতন হয় না!

তাও একদিক দিয়ে ভালো।

গত নির্বাচনের আগে বিএনপি নেতাদের অজ্ঞাত (!) স্থান থেকে ভিডিও বার্তা পাঠাতে দেখা যেত। সেই অজ্ঞাত স্থান কি একটি গুহা নাকি বন – তা জানার সুযোগ আজও আমাদের হয়নি!

(16.09.14)

আমরা কিছুদিন আগে দেখেছি, কয়েকজন ব্যক্তি একত্রিত হয়ে বিএনপি জোটের কাছে গেলেই – সেই অজুহাতে – বিএনপি তাদের জোটের দলসংখ্যা বাড়িয়ে ফেলে! এভাবে ১৮ দলীয় জোটকে আমরা হঠাৎ আবিষ্কার করি ১৯ দলীয় জোট হিসেবে এবং অতঃপর ১৯ দলীয় জোটকে আমরা কিছুদিন পর আবিষ্কার করি ২০ দলীয় জোট হিসেবে!


[আমরা চিন্তিত ছিলাম! কারণ নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দল আছে ৪০টি। অতি উৎসাহী ব্যক্তিদের তৎপরতায় বিএনপি জোটের দলসংখ্যা ৪০ ছাড়িয়ে গেলে বিএনপির কিছু না এসে যাক – আমরাই লজ্জায় পড়ে যাই!]

এভাবে কারণে – অকারণে – নানা অজুহাতে জোটের সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ফেলার প্রক্রিয়াটি বিএনপির কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হলেও প্রক্রিয়ার সমস্যাটি এখন ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে!

দিন কয়েক আগে খবরে এসেছে – ২০ দলীয় জোট ভেঙে হচ্ছে ১১ দলীয় জোট!

ফলে বিএনপি নেতৃত্বাধীন অংশটি “৯ দলীয় জোট”এ – অর্থাৎ “সংখ্যালঘু” জোটে রুপান্তরিত হচ্ছে!
[তবে মন্দের ভালো – নিবন্ধিত দলের সংখ্যা নিয়ে আমাদের দুশ্চিন্তার আর কোন কারণ নেই!]


(25.09.14)

 
  • বিএনপির ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

     

    ‘দলের ঐক্য বা অভ্যন্তরীণ সংহতি এখন বড় ধরণের প্রশ্নের মুখে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার খড়গ। সব মিলিয়ে নেতা-কর্মীরা ছন্নছাড়া হয়ে পড়েছেন।
     
    ছাত্রদল এখন নির্জীব।
     
    আর যুবদল কার্যকারিতা হারিয়ে এখন দলের অন্য সংগঠনে বিলীন হওয়ার পর্যায়ে ঠেকেছে।  
     
    আবার মূল দলের ঢাকা মহানগর কমিটি নিয়ে নতুন করে অস্বস্তিতে পড়েছেন বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব। 
     
    গত আমলে ‘হাওয়া ভবনের’ কথা মনে করে দলের প্রবীণ ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের কেউ কেউ অস্বস্তিতে আছেন, আবার অনেকে দুর্ভাবনায় পড়েছেন।

     

  • [22.09.14]

     

    • লজ্জিত মিছিলকারীরাও! (banglanews24.com)
      “শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ‘শাবিপ্রবি ছাত্রদল’। আট অক্ষরের দু’টি শব্দ। মিছিলেও ওরা আটজন। ছাত্রদল শাবি শাখার উদ্যোগে এই মিছিলটি ক্যাম্পসের বাইরে বের হওয়ার পর মিছিলকারীরাও যেন লজ্জায় পড়ে যান!
      বৃহৎ এই রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠন ক্রমশ, সংখ্যালঘু হচ্ছে এমন মন্তব্য করেছেন উপস্থিত অনেকে।”
    • “নাগরিক স্টুডেন্টস এসোসিয়েশান (NSA)” আত্নপ্রকাশের সাথে সাথে “ছাত্রদল” বিলীন হবে।

“চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যলয়ে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে ছাত্রদল।”


“ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে একজন মক্কেলকে সহায়তার অভিযোগে এম এ সায়েমকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ইস্ট লন্ডনে তাঁর আইনি সহায়তা প্রতিষ্ঠান উজমা ল সেন্টার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তারেক রহমান সম্প্রতি এম এ সায়েমসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবীকে তাঁর মানবাধিকারবিষয়ক উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেন। উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ১০ দিন পার না হতেই সায়েমের গ্রেপ্তারের খবর যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন ও বাঙালি কমিউনিটিতে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে।”
  • তারেক রহমানের কারণেই বিএনপি অস্তিত্বশুন্য হবে।

    বিএনপি সরকারের আমলে হাওয়া ভবনকে তিনি দুর্নীতির কেন্দ্রস্থল হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন এবং কোন সিনিয়ার নেতাকে দলে তার একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করলে একনায়কত্বের জোড়ে তাকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন।

    সবচেয়ে ভয়ানক – বিদেশের মাটিতে বসে বিদেশী একটি সংস্থার সাথে হাত মিলিয়ে দেশে তার নির্দিষ্ট টার্গেটের উপর তারেক রহমানের ষড়যন্ত্রের খবর আমাদের কাছে এসেছে।

    • বিডিআর বিদ্রোহ
    • দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা এবং 
    • ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার 

– মূল পরিকল্পনাকারী নেপথ্য নায়কদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

 
 

     Related Links

“পিলখানা হত্যাকাণ্ডে যারা সরাসরি অংশ নিয়েছেন আদালতে তাদের বিচার হয়েছে। কিন্তু যতদিন মূল পরিকল্পনাকারীদের বিচার হবে না, ততদিন ভবিষ্যতে আবারও ষড়যন্ত্রের এবং এই ধরণের হত্যাকাণ্ড সংঘঠনের আশঙ্কা থেকে যাবে। আমরা পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারিদের – তারা যত বড় ক্ষমতাশালীই হোক না কেন, দেশী বিদেশী যত বড় শক্তিই পিছনে থাকুক না কেন – বিচারের কাঠগড়ায় দেখতে চাই।”


 


১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা
১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা
 


“১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের কথা শুনে নীরব ছিলেন তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদ জিয়া। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক সাদিক হাসান রুমী তাঁকে অস্ত্র আটকের কথা জানিয়েছিলেন। রায় ঘোষণার সময় চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এসএম মজিবুর রহমান তাঁর পর্যবেক্ষণ আজ বৃহস্পতিবার এসব কথা বলেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিচারক রায়ের পর্যবেক্ষণে আরও বলেন, সাক্ষীদের জবানবন্দির ভিত্তিতে এ মামলায় হাওয়া ভবনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুর রহিমকে টাকা দিতে উইং কমান্ডার (অব.) সাহাব উদ্দিনের মাধ্যমে টাকা দেন এআরওয়াই গ্রুপ। এ গ্রুপের আবদুর রাজ্জাক ইউসুফের সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই (ISI) য়ের যোগাযোগ ছিল বলেও পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে।
বিচারক আরও বলেন, ডিজিএফআইয়ের তত্কালীন মহাপরিচালক সাদিক হাসান রুমী সাক্ষ্য দেওয়ার সময় জানিয়েছিলেন, তিনি তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে এ ঘটনা জানিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এ কথায় তখন নীরব ছিলেন। এ ঘটনাও মামলায় এসেছে।”




 
3.
সবকিছু গুছিয়ে আমি যেদিন শেষ ডাক দেবো দেড় কোটি মানুষ ঢাকার রাস্তায় নামবে।


Links

 

 
 

4.

নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দল যাদের নিয়ে নাগরিক ঐক্য ঘোষিত হবে এবং নাগরিক শক্তি আত্নপ্রকাশের দিন নাগরিক শক্তিতে একীভূত হবেঃ
  1. জাতীয় পার্টি (জেনারেল এরশাদ)
  2. বিকল্প ধারা বাংলাদেশ
  3. গণফোরাম
  4. লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (LDP – এলডিপি)
  5. কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ
  6. জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল – জাসদ (রব)
  7. বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (পার্থ)
  8. ওয়ারকার্স পার্টি
  9. জাসদ (ইনু)
  10. জাতীয় পার্টি – জেপি (মঞ্জু)
  11. বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশান
  12. প্রোগ্রেসিভ ডেমোক্রেটিক পার্টি (. কোরেশী)
  13. কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)
  14. বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)
  15. সাম্যবাদী দল
  16. বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
  17. জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)
  18. বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বাংলাদেশ ন্যাপ
জোটের নেতৃত্বে এবং সমন্বয়কারীর ভূমিকায় থাকবে নাগরিক ঐক্য
সাথে থাকবে গণজাগরণ মঞ্চ এবং গনসংহতি আন্দোলন। 

Large Scale Engineering Projects 

 
 



Business & Economy 
 


Law Enforcement

 
 

 
International Relations – Foreign Policy – Diplomacy 


“আত্মজীবনী প্লেয়িং ইট মাই ওয়েতেওটেন্ডুলকারের লেখায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের কথা।ভারত ২৮৯ রান তোলার পরও ম্যাচটা হেরে গিয়েছিল। সেই দুঃখের কথাও লিখেছেন টেন্ডুলকার, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা ম্যাচটা হেরে যাই। বাংলাদেশ দারুণভাবে ২৮৯ রান তাড়া করে। তামিম ইকবাল, জহুরুল ইসলাম, নাসির হোসেন ফিফটি করেছিল, সাকিব আর মুশফিক সেটাকে আরও কাছে নিয়ে যায়।’ সে দিন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দলকে দুষছিল। কিন্তু টেন্ডুলকার তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন, ‘কখনো কখনো প্রতিপক্ষকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। আর সে দিন বাংলাদেশ আসলেই দুর্দান্ত খেলেছিল।’”


 
তরুণ প্রজন্ম

“গাজীপুরে অবস্থিত ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) উপাচার্য মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেছেন, গণিত হলো বিজ্ঞানের রানি। গতকাল শুক্রবার ক্যাম্পাসে ঢাকা উত্তর অঞ্চলের ষষ্ঠ জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াডের ২০১৪ উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের প্রধান সিরাজুল হক মোল্লাহ। বক্তব্য দেন অলিম্পিয়াড কমিটির আহ্বায়ক মনিবুর রহমান, সহ-আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, সদস্য খোদা দাদ খান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক লায়েক সাজ্জাদ এন্দেলাহ প্রমুখ। বাংলাদেশ গণিত সমিতি ও এ এফ এম মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের সহায়তায় ওই অলিম্পিয়াডে ডুয়েট ছাড়াও জাহাঙ্গীরনগর, নর্থ সাউথ, ইস্ট ওয়েস্ট, ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়সহ ১৬টি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পর্যায়ের ১৪০ শিক্ষার্থী অংশ নেন।”

 



আলোচনা সভা – সমাবেশ – উদ্যোগ




অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও রাজনীতিবিদরা 

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s