আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ [03.12.14]

1. রাজনীতি – দেশজুড়ে

“স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিম বলেছেন, আমি কোনো ডাক্তার নই। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে আমি এ দায়িত্ব উপভোগ করি। অনেকে আমাকে ডাক্তার বলে থাকেন। তবে আমি মুন্না ভাই এমবিবিএসের মতো। 


বুধবার রাতে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে নিউরোলজি সেমিনার-২০১৪ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।”
 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিম বলেছেন, আমি কোনো ডাক্তার নই। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে আমি এ দায়িত্ব উপভোগ করি। অনেকে আমাকে ডাক্তার বলে থাকেন। তবে আমি মুন্না ভাই এমবিবিএসের মতো।  

বুধবার রাতে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে নিউরোলজি সেমিনার-২০১৪ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। – See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/346176.html#sthash.Qr4895Kn.dpuf

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. নাসিম বলেছেন, আমি কোনো ডাক্তার নই। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে আমি এ দায়িত্ব উপভোগ করি। অনেকে আমাকে ডাক্তার বলে থাকেন। তবে আমি মুন্না ভাই এমবিবিএসের মতো।  

বুধবার রাতে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে নিউরোলজি সেমিনার-২০১৪ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। – See more at: http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/346176.html#sthash.Qr4895Kn.dpuf

তরুণ ইঞ্জিনিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তিবিদদের জন্য কৃষি চ্যালেঞ্জ (Agricultural Challenge)

কৃষি প্রযুক্তি
আমাদের তরুণ ইঞ্জিনিয়ারদের কৃষি যন্ত্রপাতি উদ্ভাবনের দিকে নজর দিতে হবে।

কৃষির কাজগুলো (যেমন

  • বীজ বোনা, 
  • মাটি চাষের উপযোগী করা, 
  • ফসল কাটা 

ইত্যাদি যন্ত্র উদ্ভাবন করে সহজ করে দিতে পারলে একজন কৃষক অনেক বড় জমি চাষ করতে পারবেন।

আমাদের দেশের প্রায় ৪০% মানুষ কৃষিতে নিয়জিত [1]। 
কৃষি যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করে – কৃষির বিভিন্ন কাজকে Automate বা Semi-automate করে কৃষিতে নিয়জিতদের বড় অংশকে Manufacturing, Mining, Service Industry তে আনা সম্ভব। 
পাশাপাশি,  
  • উন্নত বীজ সরবরাহ 
  • কৃষি ঋণ প্রদান সহজীকরন
  • গ্রামে গ্রামে কৃষকদের কাছে আধুনিক কৃষি শিক্ষা এবং তথ্য সুবিধা যেমন – 
    • আবহাওয়ার পূর্বাভাস, 
    • বীজের সরবরাহ কোথায় পাওয়া যাবে, 
    • কোথায় বিক্রি করে সর্বোচ্চ লাভ হবে 

পৌঁছে দেওয়া।

 

Biotechnology
Biotechnology তে উদ্ভাবনশীল কাজ করাও আমাদের জন্য সহজ – আমাদের এক্সপার্টস এবং এক্সপারটাইস – দুটোই রয়েছে।

  • আমাদের ড. মাকসুদ আলম [2] দেশী বিজ্ঞানী – ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে পাটের জীবন রহস্য উন্মোচন (DNA sequence) [3] করেছেন। এটুকুতে আমাদের বসে থাকলে চলবে না। সেই জ্ঞান ব্যবহার করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সহনশীল এবং পোকামাকড়ের আক্রমণ প্রতিরোধী উচ্চ ফলনশীল পাট এবং অন্যান্য ফসল উদ্ভাবনের দিকে যেতে হবে। Functional Genomics নিয়ে দেশেই গবেষণা হবে। 
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের Genetic Engineering and Biotechnology Department গুলোতে কিন্তু দেশের সেরা শিক্ষার্থীরাই ভর্তি হন। Biotechnology র জন্য প্রয়োজনীয় Bioinformatics [4] এর কাজ আমাদের Computer Science and Engineering graduate রা-ই করবেন। প্রত্যেককে নিজেকে আরও ভালভাবে গড়ে তুলে বড় challenge নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে হবে!

মোবাইলপ্রযুক্তি ব্যবহার করে – কৃষকদের ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিশ্চিত করা: তরুণ তথ্যপ্রযুক্তিবিদরা চালেঞ্জটা নিতে তৈরি তো?

মোবাইল তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মধ্যস্বত্ব ভোগী (Middle-man) দের পাশ কাটিয়ে কৃষকদের সরাসরি ক্রেতাদের কাছে ফসল – ফলন বিক্রি করতে দেওয়ার সুবিধা দেওয়া যায়। এতে কৃষকদের ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিশ্চিত হবে।

মোবাইল ব্যাংকিং কিন্তু দেশে অনেকটাই বিকশিত (প্রায় ২ কোটি গ্রাহক)।

Credit Card নেই তো কি – আমাদের M-Commerce (এম- কমার্স) তো আছে!

আমাদের তরুণ ইঞ্জিনিয়ার, তথ্য প্রযুক্তিবিদরা চালেঞ্জটা নিতে তৈরি তো? 

References

  1. Economy of Bangladesh 
  2. Professor Dr. Maqsudul Alam 
  3. Bangladeshi scientists decode genome of jute variety 
  4. Bioinformatics

Links (লিঙ্কস)

Agricultural Technology

নাগরিক শক্তির নির্বাচনী ইশতেহারের (Election Manifesto) রূপরেখা

নাগরিক শক্তির নির্বাচনী ইশতেহারের রূপরেখা:

  • শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটা মানুষ তার সুপ্ত ক্ষমতাকে জাগিয়ে তুলে এক একটা বিশাল শক্তি হয়ে উঠতে পারে শিক্ষার মাধ্যমে। জ্ঞান আর মেধা দিয়ে জীবনে সবকিছু অর্জন করা যায়। যে কেউ প্রায় যে কোন বয়সে সঠিকভাবে চেষ্টা করলে নিজের স্বপ্ন-লক্ষ্য অর্জন করতে পারে – এই বিশ্বাসটা সবার মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে। মানুষগুলোকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আর কিছু লাগবে না। (শিক্ষা শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না, আমরা চাইলে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে চারপাশ থেকে শিখতে পারি।) ইতিহাসের যে কোন সময়ের তুলনায় নিজেকে উপরে তোলার সুযোগও সবচেয়ে বেশি আমাদের প্রজন্মের। আধুনিক প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন আমাদের হাতে দিয়েছে অনন্য সব আবিষ্কার – মানুষ এখন যে কোন প্রান্তে বসে যে কোন কিছু শিখতে পারে, যে কারও সাথে যোগাযোগ করতে পারে, কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, কাজ করতে পারে, পারে আয় রোজগার করতে।
  • দেশের ৫০ ভাগ মানুষের বয়স ২৩ বা তার কম। এই বিশাল তরুণ প্রজন্মকে, যারা কর্মক্ষেত্রের জন্য নিজেদের তৈরি করছে, তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে গড়ে তোলা হবে (এবং সাথে বাবসা বান্ধব, বিনিয়োগ বান্ধব, উদ্যোক্তা বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা লক্ষ লক্ষ তরুনের জন্য) যাতে তারা নিজেদেরকে এবং দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। (একটা সামগ্রিক পরিকল্পনা – কত হাজার তরুনের শিক্ষা, দক্ষতা কোথায়, তাদের কর্মসংস্থান / উদ্যোগ কিরকম হতে পারে।)
  • বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূচকে (মাথাপিছু আয়, জিডিপি প্রবৃদ্ধি, দুর্নীতি হ্রাস ইত্যাদি) উন্নতিকে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নেওয়া হবে। কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার উল্লেখ থাকবে ইশতেহারে। বিভিন্ন সূচকে উন্নতিকে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নিয়ে কর্ম পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হবে –
    • জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারকে যত দ্রুত সম্ভব ৮% এ উন্নীত করা হবে এবং লক্ষ্য অর্জিত হলে ১০% কে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নেওয়া হবে।
    • মাথাপিছু আয়ের দিক দিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্য থাকবে।
    • দুর্নীতি দমন সূচকে ব্যাপক উন্নতি আনা হবে।
    • অপরাধ শক্তভাবে দমন করে বিভিন্ন অপরাধ দমন সূচকে উন্নতি ঘটানো হবে।
    • বিভিন্ন সামাজিক সূচকে (যেমন শিক্ষা, শিশু মৃত্যু হার, আয়ুষ্কাল ইত্যাদি) লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা হবে।
    • নিজেদের মানদণ্ডে নিজেদের সাফল্য, অপরের বার্থতার প্রচার নয়, বরং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডই সাফল্য – বার্থতার মূল্যায়ন করবে।
  • ব্যবসা বান্ধব, বিনিয়োগ বান্ধব, উদ্যোক্তা বান্ধব, শিল্প বান্ধব নীতিমালা প্রনয়ন এবং বাস্তবায়ন।
    • অর্থনীতিবিদদের নেতৃত্বে “ন্যাশনাল ইকোনমিক অ্যান্ড প্ল্যানিং কাউন্সিল” গঠন। অর্থনীতিবিদদের নেতৃত্বে এই কাউন্সিলে যোগ দেবেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, শিল্প বাবসায়ি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি বাবসায়ি, প্রকৌশলী, নগর পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি, পরিসংখ্যানবিদ, কৃষক এবং শ্রমিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
    • উন্নত অবকাঠামো তৈরি + জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ + রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা > অধিকতর বিনিয়োগ > জিডিপি প্রবৃদ্ধি।
    • দেশের জনগণকে ভয় দেখিয়ে, “জ্বালাও – পোড়াও” চালিয়ে, জানমালের ক্ষতি করে অর্থনীতির জন্য চরমভাবে ক্ষতিকর হরতাল পালনে কেউ যাতে বাধ্য করতে না পারে – সে লক্ষ্যে কঠোর বাবস্থা।
    • উদ্যোক্তাদের নতুন বাবসা শুরু করার প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য বাবস্থা গ্রহণ – সমস্যাগুলো সমাধান করা। উদ্যোক্তাদের জন্য ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, ইঙ্কিউবেটার ফার্ম প্রতিষ্ঠায় সহায়তা
    • আইসিটি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই খাতের বিকাশে সামগ্রিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন। দক্ষ আইসিটি পেশাজীবী, উদ্যোক্তা গড়ে তোলা, সারা দেশে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ছড়িয়ে দেওয়া, আইসিটি ভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে দূরদর্শী পরিকল্পনা হাতে নেওয়া।
    • বিভিন্ন সম্ভাবনাময় শিল্প (শিপ বিল্ডিং, পর্যটন শিল্প প্রভৃতি) কে চিহ্নিতকরণ, অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ, ক্ষেত্র সংশ্লিষ্ট সমস্যা সমাধান এবং বাস্তবায়ন।
    • বাংলাদেশকে বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির অফশোরিং এর কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন – অবকাঠামো, জ্বালানি, দক্ষ কর্মী, কূটনৈতিক উদ্যোগ, বিশ্বব্যাপী মার্কেটিং।
    • ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের বাবসায়িদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া
    • শেয়ারবাজার নিয়ে কেউ যাতে কারসাজি করতে না পারে সেই লক্ষ্যে বাবস্থা গ্রহণ। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারিদের আস্থা ফিরিয়ে আনা। কোম্পানির মূল্যমান নির্ধারণে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করা।
    • ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর বাবস্থা। ব্যাংক পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনা। দেশের ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমকে ঢেলে সাজানো।
    • বিভিন্ন সমস্যা (যেমন ঢাকার যানজট সমস্যা) নিরসনে সৃজনশীল কার্যকরী উদ্যোগ নেওয়া।
    • শিল্পের বিকাশে (যেমন – শুল্ক মুক্ত প্রবেশাধিকার ইত্যাদি) কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা, কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া।
    • দেশের প্রকৌশলীরা বিভিন্ন শিল্পে উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে আত্মনিয়োগ করবেন। তাদের উন্নত প্রশিক্ষনের বাবস্থা করা।
  • দীর্ঘ মেয়াদি এবং স্বল্প মেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়ে বাজেট এ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ দেওয়া এবং বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ – বিভিন্ন মন্ত্রনালয়, স্থানীয় সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কর আদায়ে স্বচ্ছতা আনা। শুল্ক নির্ধারণে বেক্তি স্বার্থ নয়, বরং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া। যেমন সিগারেট আমদানির উপর শুল্ক বাড়ানো, কম্পিউটার এবং অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের আমদানির উপর শুল্ক কমানো ইত্যাদি। কাস্টমসের দুর্নীতি বন্ধ করা।
  • বিভিন্ন মন্ত্রনালয় এবং স্থানিয় সরকারে বরাদ্দকৃত অর্থ পরিকল্পনা মাফিক ব্যয় নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া, প্রশিক্ষণ দেওয়া। অনিয়ম তদারক করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সচিবালয়ের আধুনিকায়ন, কার্যকারিতা বাড়ানো।
  • শিক্ষাবিদদের পরামর্শের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী – অভিভাবকদের মতামত নিয়ে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষাবাবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে আমূল সংস্কার আনা হবে।
    • শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেরা শিখবে।
    • পরীক্ষা পদ্ধতি, মূল্যায়ন পদ্ধতিতে সংস্কার আনা হবে। সৃজনশীল এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ নির্ভর শিক্ষাবাবস্থা গড়ে তোলা হবে।
    • শিক্ষার্থীরা মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। বিভিন্ন অলিম্পিয়াড, প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে মেধাবী জাতি গড়ে তোলা হবে।
    • বাংলাদেশে বিশ্বমানের কয়েকটা বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় – ইন্ডাস্ট্রি এর মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তোলা হবে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি প্রদানে স্বচ্ছতা আনা হবে – ন্যূনতম মান নিশ্চিত করা হবে।
    • উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম যাতে অপরাজনীতির কারণে বাঁধাগ্রস্থ না হয় সে ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমরা শিক্ষাঙ্গনে সুস্থ রাজনীতির চর্চা, উদ্ভাবনী উদ্যোগ দেখতে চাই – ছাত্রছাত্রীরা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দল বেঁধে কাজ করবে।
    • মাদ্রাসা শিক্ষাবাবস্থার সংস্কার (সবার মতামতের ভিত্তিতে) – আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান অন্তর্ভুক্তিকরন – যাতে তারা মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, বাবসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও বেশি সুযোগ পায়।
  • দলীয় পরিচয়ের উরধে উঠে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ বিচারের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের সাজা দেওয়া হবে এবং জাতিকে গ্লানিমুক্ত করা হবে। এরপর সমগ্র জাতি ঐক্যবদ্ধ হবে।
  • সবরকম অপরাধ শক্ত হাতে দমন করা হবে। অপরাধ হারে ব্যাপক হ্রাস আনা হবে। অপরাধী যত বড় হোক, আর অপরাধ যত ছোট হোক না কেন – অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
    • আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সরকারি প্রভাবমুক্ত করা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং আধুনিক বিজ্ঞান (ফরেনসিক, ডিএনএ টেস্ট ইত্যাদি) সমৃদ্ধ করা, বেতন ভাতাবৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘুষ – দুর্নীতি বন্ধ, উন্নত প্রশিক্ষন, পুরস্কার প্রবর্তন।
    • তদন্ত নিরেপেক্ষ এবং প্রভাবমুক্ত থেকে শেষ করা।
    • শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন এবং দলীয় রাজনীতির প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগ।
    • বিচারে দীর্ঘ সূত্রিতা দূর করা হবে।
    • মাদকের বিস্তার রোধে কঠোর বাবস্থা। দেশে মাদকের প্রবেশ প্রবেশপথেই থামিয়ে দেওয়া হবে
    • সাইবার ক্রাইম রোধে কঠোর বাবস্থা নেওয়া হবে। দেশে এখন অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ সরিয়ে ফেলা, ওয়েবসাইট সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট hack করা, কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, গুজব রটিয়ে সহিংসতা ছড়ানো এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে আঘাত করার কাজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ব্যবহার থেকে শুরু করে অনেক রকম সাইবার ক্রাইম ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিতে উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সিকিউরিটি, ডিজিটাল ফরেন্সিকে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশী বিশেষজ্ঞদের কন্সালটান্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। কিন্তু জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বন্ধ করা হবে।
    • জনগণ অপরাধ এবং অপরাধীকে সামাজিকভাবে বয়কট / প্রতিহত করবে, ঘৃণার চোখে দেখবে।
  • জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
    • ২০০১ নির্বাচন উত্তর সংখ্যালঘু নির্যাতন, রামু, পটিয়া, অন্যান্য হামলা এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনকালীন হামলাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশে চিরদিনের জন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত করা হবে।
    • কোন নির্দিষ্ট জাতি, ধর্ম, বর্ণের মানুষের উপর গুজব রটিয়ে বা অন্য কোন উপায়ে কোন রকম অন্যায় করা হলে, দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে আঘাত এলে, তদন্ত করে দায়ি বাক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
    • দেশের জনগণ একতাবদ্ধ থেকে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
  • দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, নির্বাচন কমিশন, আইন বিভাগকে (বিচারপতি এবং আইনজ্ঞদের পরামর্শ অনুসারে) সরকারি প্রভাবমুক্ত করে স্বাধীন, শক্তিশালী করে গড়ে তোলা হবে।
  • দেশের রাজনীতিতে গুনগত পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে সবার মতামত, পরামর্শ নিয়ে শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ এবং বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য রেখে, কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় সরকারের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টনের বিধান রেখে সংবিধানে সংশোধন আনা হবে।
  • আমাদের গৌরব বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এবং বাংলাদেশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ মিশনে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া একমাত্র নাগরিক শক্তির পক্ষেই সম্ভব।
    • বাংলাদেশ সেনা, বিমান ও নৌ বাহিনীর সদস্যরা দেশের এবং বিদেশের বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজমেন্ট এবং এক্সিকিউটিভ পদে কর্মরত আছেন। বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানও ম্যানেজমেন্ট এবং এক্সিকিউটিভ পদগুলোর জন্য বাংলাদেশ সেনা, বিমান ও নৌ বাহিনীর সদস্যদের অগ্রাধিকার দেয় – সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য। বাংলাদেশ সেনা, বিমান ও নৌ বাহিনীর সদস্যদের জন্য একবিংশ শতাব্দীর ম্যানেজমেন্ট (Management) প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। 
  • শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণ
  • প্রবাসে কর্মসংস্থান 
    • শ্রমিক রপ্তানি বাড়াতে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে।
    • আন্তর্জাতিক চাহিদা বিবেচনায় নি্রয়ে দক্ষ শ্রমিক, দক্ষ কর্মী গড়ে তোলা হবে।
    • প্রবাসে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলো থেকে প্রবাসীদের সমস্যা আন্তরিকতার সাথে সমাধান করা হবে।
  • উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে জনগণকে সম্পৃক্ত করা। জনগণের জন্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেওয়া যাতে তারা বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে পারে।
  • গ্রামের উন্নয়ন 
    • শিক্ষায় সাফল্য, স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান, তথ্য প্রযুক্তির বিকাশ, কৃষিতে উদ্ভাবন ইত্যাদি ক্ষেত্রে গ্রামে গ্রামে প্রতিযোগিতা শুরু করা যায়। বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে সেরা গ্রাম, সেরা উদ্যোক্তা ইত্যাদি নির্বাচন করা যায়। (প্রত্যেক গ্রামের মানুষ নিজের গ্রাম, নিজের ইউনিয়ন, নিজের থানা নিয়ে গর্ব করে।) এতে গ্রামের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
    • বিভিন্ন সামাজিক সূচকে উন্নতির লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে কর্ম পরিকল্পনা হাতে নেওয়া।
  • কৃষি ও কৃষক সমাজের উন্নয়ন
  • স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন
    • স্বাস্থ্য যত ভাল, রোগ-বালাই যত কম, জনগণের সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতাও তত বেশি।
    • গ্রামে গ্রামে স্বাস্থ্যকর্মী।
    • স্বাস্থ্যখাতে প্রযুক্তির ব্যবহার
  • নারী অধিকার সংরক্ষণ এবং নারীদের ক্ষমতায়ন  
    • নারী নির্যাতন, যৌতুক, বাল্য বিবাহ এর মত সামাজিক সমস্যাগুলোকে শক্তভাবে দমন করা
    • নারী অধিকার সংরক্ষণে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি।
    • গ্রামের নারীরা যাতে আইনি সহায়তা পায় – সেই লক্ষ্যে বাবস্থা।
  • দারিদ্র বিমোচন
    • সরকারি পরিকল্পনা
    • এনজিওগুলো যাতে দেশের দারিদ্র বিমোচনে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে কাজ করতে পারে – সেই পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাবস্থা নেওয়া। এনজিওগুলোর কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনা।
    • দারিদ্র্য দূরীকরণে এবং মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সামাজিক এন্টারপ্রাইস প্রতিষ্ঠা।
  • জনগণের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করা হবে। শিল্পের বিকাশ এবং উদ্যোক্তা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখে এবং ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে করে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা, নতুন উৎস থেকে তুলনামূলকভাবে স্বল্প ব্যয়ে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।
  • ন্যায়ভিত্তিক সমাজবাবস্থা প্রতিষ্ঠা – সৎ এবং ন্যায়ের পথে থেকে চেষ্টা করলে জীবনে যে কোন কিছু অর্জন করা যায় এবং অন্যায় করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে – এই বোধ জাগ্রত করা হবে।

Follow-ups / Influence at Work

Links (লিঙ্কস)

 

 
 
High Speed Rail (Someday will have “Made in Bangladesh” 
marked on it”)
 
High Speed Rail
Satellite (Someday will have “Made in Bangladesh” 
marked on it)
Satellite

 

 

  

Aircraft (Soon to be : “Made in Bangladesh”)
Aircraft Manufacturing

নাগরিক ঐক্যের আলোচনা সভা – সমাবেশ – উদ্যোগ [03.12.14]

আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে 

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান 

কক্সবাজার-৪ আসনের সাংসদ আব্দুর রহমান বদি (দুর্নীতি দমন কমিশন ইতিমধ্যে মামলা করেছে) 

ফেনী-২ আসনের সাংসদ নিজাম হাজারী (অস্ত্র মামলায় সংসদ সদস্য পদ বাতিল হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে) সহ


আওয়ামী লীগের চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসীদের গডফাদার এবং ৭১র মানবতাবিরোধী অপরাধীদের দল থেকে বহিষ্কারের আবেদন জানাই। তা নাহলে একদিন এসব অপরাধীর কারণেই আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হবে।

যাদের আগে পরে একদিন গ্রেপ্তার করা হবে এবং বিচারের মুখোমুখি করা হবে – তাদের আগে থেকেই দল থেকে বহিষ্কার করা আওয়ামী লীগের জন্য ভালো। 

Business & Economy (বাণিজ্য এবং অর্থনীতি)

কৃষিতে অগ্রগতি 

আমাদের তরুণ ইঞ্জিনিয়ারদের কৃষি যন্ত্রপাতি উদ্ভাবনের দিকে নজর দিতে হবে। কৃষির কাজগুলো (যেমন – বীজ বোনা, মাটি চাষের উপযোগী করা, ফসল কাটা ইত্যাদি) যন্ত্র দিয়ে সহজ করে দিতে পারলে একজন কৃষক অনেক বড় জমি চাষ করতে পারবেন।

আমাদের দেশের প্রায় ৪০% মানুষ কৃষিতে নিয়জিত। কৃষি যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করে – কৃষির বিভিন্ন কাজকে Automate বা Semi-automate করে কৃষিতে নিয়জিতদের বড় অংশকে Manufacturing, Mining, Service Industry তে আনা সম্ভব। 
পাশাপাশি,  
  • উন্নত বীজ সরবরাহ 
  • কৃষি ঋণ প্রদান সহজীকরন
  • গ্রামে গ্রামে কৃষকদের কাছে আধুনিক কৃষি শিক্ষা, তথ্য সুবিধা (আবহাওয়া, বীজের সরবরাহ কোথায় পাওয়া যাবে, কোথায় বিক্রি করে সর্বোচ্চ লাভ হবে) পৌঁছে দেওয়া।

 

Biotechnology তে উদ্ভাবনশীল কাজ করাও আমাদের জন্য সহজ – আমাদের এক্সপার্টস এবং এক্সপারটাইস রয়েছে।

মোবাইলপ্রযুক্তি ব্যবহার করে – কৃষকদের ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিশ্চিত করা: তরুণ তথ্যপ্রযুক্তিবিদরা চালেঞ্জটা নিতে তৈরি তো?

মোবাইল তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মধ্যস্বত্ব ভোগী (Middle-man) দের পাশ কাটিয়ে কৃষকদের সরাসরি ক্রেতাদের কাছে ফসল – ফলন বিক্রি করতে দেওয়ার সুবিধা দেওয়া যায়। এতে কৃষকদের ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিশ্চিত হবে।

মোবাইল ব্যাংকিং কিন্তু দেশে অনেকটাই বিকশিত (প্রায় ২ কোটি গ্রাহক)।
Credit Card নেই তো কি – আমাদের M-Commerce (এম- কমার্স) তো আছে!

আমাদের তরুণ ইঞ্জিনিয়ার, তথ্য প্রযুক্তিবিদরা চালেঞ্জটা নিতে তৈরি তো? 

Links (লিঙ্কস)

Business & Economy (বাণিজ্য এবং অর্থনীতি) News

“ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনরত ইইউভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী চেম্বারগুলোর ব্যবসায়িক নেতাদের নিয়ে ‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বিজনেস কাউন্সিল’ গঠন করা হবে। 
সার্বিকভাবে দেশের রপ্তানির পরিমাণ এখন তিন হাজার কোটি ডলারের বেশি। এর অর্ধেকের বেশি রপ্তানি হয় ইউরোপের দেশগুলোতে। ভবিষ্যতে সেসব দেশে রপ্তানি আরও বাড়বে। এ জন্য ইইউ সব ধরনের সহযোগিতা দেবে। ইইউ বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি ওষুধ এবং জাহাজ আমদানির আগ্রহ দেখিয়েছে।” 
“বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, প্রবাসী-আয়প্রবাহে গত অর্থবছরের ঋণাত্মক ধারা এখন ইতিবাচক ধারায় এসেছে। অক্টোবর মাসে ঈদ ও পূজার কারণে প্রায় এক সপ্তাহ সরকারি বন্ধ থাকার পরও যে পরিমাণ প্রবাসী-আয় দেশে এসেছে, তা ইতিবাচক।”


“কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও বিভিন্ন এনজিও পেঁয়াজ আবাদে সহায়তা দিতে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উন্নতমানের বীজ ও স্বল্প সুদে কৃষিঋণ বিতরণ, প্রশিক্ষণ প্রদান, কারিগরি সহায়তা ইত্যাদি।”

তৈরি পোশাকশিল্পে কর্মরত নারী ও পুরুষ শ্রমিকদের মধ্যে বৈষম্য দূর করে নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করবে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ)। 

বিজিএমইএর (BGMEA) সভাপতি এবং নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘১০ বছর আগে নারী পোশাকশ্রমিকদের যে কর্মপরিবেশ ছিল আজ আর তা নেই। পোশাকশিল্পের মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়ন সম্ভব হচ্ছে।’”


“বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) এক সেমিনারে অর্থনীতিবিদেরা এ অভিমত তুলে ধরেন।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিআইডিএসের সম্মেলনকক্ষে বিআইডিএস ও জাপান এক্সটারনাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেইটিআরও) যৌথভাবে ‘পূর্বমূখী নীতি: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে।

কিমুরা বলেন, আঞ্চলিক বাণিজ্য বাড়াতে হলে বাংলাদেশে বড় সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর ও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। এসব খাতে বাংলাদেশকে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে হবে। অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই।

বৈশ্বিক উৎপাদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়ে সিপিডির চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান বলেন, এখন একটি দেশ এককভাবে কোনো পণ্য উৎপাদন করে না। দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে একটি পণ্য তৈরি হচ্ছে। এ ধরনের মূল্য সংযোজন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকার মাধ্যমে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটি দেশে নতুন একটি মোবাইল ফোনসেট তৈরি করা হবে। তবে বিশ্বের অন্য কোনো একটি দেশ ওই ফোনসেটের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করছে। আবার কোনো কোনো দেশ বিভিন্ন ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ তৈরি করছে। শেষে এসে চূড়ান্তভাবে ওই ফোনসেটটি তৈরি হচ্ছে অন্য আরেক দেশে। এই প্রক্রিয়াটিকে গ্লোবাল ভ্যালু চেইন বা বৈশ্বিক উৎপাদন প্রক্রিয়া হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।”

তরুণ প্রজন্ম



আন্তবিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস কমিউনিকেশন ও অ্যাড তৈরির চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা ‘অক্সি প্রেজেন্টস ক্রিয়েটিভ ২০১৪’ সম্প্রতি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতাটি যৌথভাবে আয়োজন করে জাপানি বহুজাতিক কোম্পানি রোহ্তো মেন্থোলেটাম (বিডি)-এর পণ্য অক্সি ও বিইউপি কমিউনিকেশন ক্লাব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিশেষ অতিথি ছিলেন রোহ্তোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেন আরাই এবং বিইউপির উপাচার্য মেজর জেনারেল শেখ মামুন খালেদ। রাজধানী ঢাকার ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা ৩৭টি দল এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।”


আলোচনা সভা – সমাবেশ – উদ্যোগ

 
 

“মতবিনিময়কালে পিএসসি (প্রাথমিক সমাপনী) পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জেনারেল এরশাদ বলেন, ‘প্রাইমারি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়, তাহলে আমরা ছোট ছোট বাচ্চাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছি? দেশ কোথায় যাচ্ছে? এটা দেশাবাসীর কাছে “বার্নিং”প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগ-যুবলীগ নিজেদের মধ্যে মারামারি খুনোখুনি করছে। এসব প্রতিরোধে সরকারের কোনো পদক্ষেপ লক্ষ করা যাচ্ছে না। দেশের জনগণ পরিবর্তন চায়, আওয়ামী লীগ আর বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না।”

 

নাগরিক সমাজ (Civil Society)

বাংলা শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির অগ্রযাত্রা



অন্যান্য রাজনৈতিক দল, রাজনীতিবিদ




 

Large Scale Engineering







একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার


Law Enforcement
  • Human Trafficking Control 
  • Drug Trafficking Control 
  • Illegal Possession of Arms 
  • Gold Smuggling

“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” (Illegal Drugs) গড়ার পথে অগ্রগতি

বাংলাদেশ মাদকমুক্ত হওয়ার পথে।
বাংলাদেশের নাগরিকদের দেশ নিয়ে গর্ব করার মত অর্জনের ভান্ডারে আরেকটা অর্জন কিছুদিন পর যোগ হবে।
বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর প্রথম অবৈধ মাদকমুক্ত দেশ।

মানব পাচার (Human Trafficking) রোধে অগ্রগতি

ভেজাল খাদ্য, নকল ওষুধ এবং ফরমালিন মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলায় অগ্রগতি




“অবৈধ অস্ত্রমুক্ত বাংলাদেশ” (Illicit Arms) গড়ার পথে অগ্রগতি

ভিওআইপি (VOIP) সরঞ্জাম উদ্ধারে অগ্রগতি 


 

অবৈধ বিলবোর্ড উচ্ছেদ

Anti-Corruption Initiatives 

Palestine As An Independent Nation [12.03.14]

Link From TahsinVersion2



Recognition by France

“France’s Socialist-led parliament has passed a symbolic vote to recognize Palestinian statehood, despite staunch objections from Israel. MPs in Britain and Spain have already passed similar motions. 

The proposal was passed with 339 votes in favor and 151 against. 

Foreign Minister Laurent Fabius has supported the vote, setting a two-year deadline for the creation of an independent Palestine. He said that if no resolution had been found by then, France would officially recognize Palestine anyway.”

Recognition by Britain 

Recognition by Spain

“Spanish lawmakers on Tuesday urged their government to recognise Palestine as a state.

The text that was adopted said: “The parliament urges the government to recognise Palestine as a state … This recognition should be the consequence of a process negotiated between the parties that guarantees peace and security for both, the respect of the rights of the citizens and regional stability.”

Foreign minister José Manuel García-Margallo said the government was now committed to working in favour of a dialogue between the two parties that brought “peace, stability and progress to a region that has been suffering for a long time”.

He also called on the European Union to have a coordinated approach on the issue.”

Recognition by Ireland

Ireland’s upper house of parliament Wednesday passed a motion calling on the Dublin government to recognise the state of Palestine”