আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ [২৭.০৩.১৫]

রাজনীতি #Politics

রাজনৈতিক সংস্কার #PoliticalReform

সারাদেশ

নাগরিক শক্তিঃ ঐতিহাসিক পটভূমি

নাগরিক শক্তির ঐতিহাসিক পটভূমির গল্প বলছি আজকে।


১.

নাগরিক শক্তি কিন্তু আমাদের দেশের নাগরিক সমাজের অনেক বছরের ভিশনের বাস্তবায়ন।

“নাগরিক শক্তি”র ঘোষণা প্রথম কবে আসতে পারতো – বলতে পারেন? Any Guess?

২০১৩?
হল না।

নাগরিক শক্তির ঘোষণা প্রথম আসতে পারতো ২০০৭ এ [1] [2]
আসেনি।
আত্নপ্রকাশ তখন ঘটলে নেতৃত্ব অন্যরকম হত।

আমি নেতৃত্বে যোগ দিতাম আরেকটু “বড়” হয়ে!


২.

নাগরিক শক্তির ঘোষণা এরপর আসতে পারতো – ২০১২ সালের জানুয়ারি / ফেব্রুয়ারির দিকে  [3]
সেবারও আসেনি।
ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, “আজকে (২০১২) যাদের বয়স ২৫ বছর – তারাই ১০ বছর পর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে।”

Related Articles

৩.

এরপর ব্যরিস্টার রফিক-উল হককে আহ্বায়ক এবং মাহমুদুর রহমান মান্নাকে সদস্য সচিব করে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় এবং রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে নাগরিক সংগঠন সিডিএইচআর (সিটিজেনস ফর ডেমোক্র্যাসি এ্যান্ড হিউম্যান রাইটস) আত্মপ্রকাশ করে [4]#Politics

তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হওয়ার লক্ষ্য [5] নিয়ে গঠিত হয় নাগরিক ঐক্য [6]। 



নাগরিক শক্তি নাগরিক সমাজের সেই ভিশনের পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক রূপ। 



৪.

“নাগরিক শক্তি” নামটা নাগরিক সমাজ থেকে প্রস্তাবিত।

আর

প্রতীক : বই 
মূলমন্ত্র : জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ

– এই দুটো আমার!

৫.

পটভূমি এটুকুই।
২০১৩ এর অক্টোবর থেকে নাগরিক শক্তির বিকাশ।


References

নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘দেশের রাজনীতির বর্তমান ধারা খুব দ্রুত বদলে যাবে। আমি বলে দিচ্ছি, আপনারা লিখে রাখেন। তরুণেরা নিজেদের ভেতরকার শক্তি নিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ালে দেশটা এমনিতেই বদলে যাবে।’

প্রফেসর ড. ইউনূস বলেন, ‘দেশের রাজনৈতিক হানাহানি নিয়ে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ দানা বাঁধছে। দেশের মানুষ কী চাচ্ছে, রাজনীতিবিদেরা তা ধারণা করতে পারছেন না। এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্য শুধু দাবি জানালেই হবে না। তরুণদের নতুনভাবে রাজনীতি করতে হবে। বিকল্প রাজনৈতিক ধারা গড়ে তুলতে হবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক ধারার বিপরীতে তরুণদের নিজেদেরকে রাজনৈতিক প্রতিযোগী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।”