Economic Philosophy Of Nagorik Shakti

Economic Philosophy Of Nagorik Shakti  

  1. “Free Market Economy”
  2. The need for Government Intervention
  3. Empowerment of People  #EmpowermentOfPeople

#FreeMarketEconomyForNations

1. “Free Market Economy”

নাগরিক শক্তি “Free Market Economy” – Proponent (মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রবক্তা)
নাগরিক শক্তি বিশ্বাস করে, Market এ বিভিন্ন Firms এবং Individuals (Example: Labor Market) এর Competition এর মাধ্যমেই সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নতি ও প্রগতি ত্বরান্বিত হয়।

 

“Free Market Economy” Proponent হিসেবে নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে সব সরকারি ব্যাংক, বাংলাদেশ বিমান সহ বিভিন্ন সরকারি লাভজনক প্রতিষ্ঠানকে পর্যায়ক্রমে বেসরকারিকরণ (Privatization) করবে। 

  • Privatization প্রক্রিয়ায় লক্ষ্য রাখতে হবে – যাতে Monopoly তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে। Bangladesh Biman কে প্রাইভেটাইজেশান করা যায় – কারণ বাংলাদেশে অন্যান্য প্রাইভেট এয়ারলাইন রয়েছে – যাদের সাথে Market এর জন্য প্রতিযোগিতা করবে। কিন্তু Bangladesh Railways কে Privatize করলে Monopoly তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে – রেলের টিকেটের ভাড়া ইচ্ছেমত নির্ধারণ করতে পারবে।   

 

2. The need for Government Intervention

অর্থনীতির এমন কিছু ক্ষেত্র রয়েছে – যেসব Market (বাজার) সমাধান করতে উৎসাহিত হয় না।

যেমন Market (অর্থাৎ বিভিন্ন Firms) দারিদ্র্য দূরীকরণ, Inequality (অসাম্য) দূরীকরণ এবং সামাজিক নানা সমস্যা (যেমন – দেশের শিশু মৃত্যু হার কমানো) সমাধানে সবসময় কার্যকর পদক্ষেপ রাখে না।

Firms গুলোর মূল লক্ষ্য থাকে Profit Maximization. এ কারণে, Profit নেই এমন খাতগুলোতে Market বিনিয়োগ করে না।

নাগরিক শক্তির অর্থনৈতিক দর্শন: Market যেসব সমস্যা সমাধানে উৎসাহী নয় – Government (সরকার) সেই সব ক্ষেত্র চিহ্নিত (identify) করে – পরিচালনার উদ্যোগ নেবে।

Market এর বাইরের যেসব ক্ষেত্র Government পরিচালনা করবে সেসব ক্ষেত্রে নাগরিক শক্তি Win-win বা Positive-sum game ব্যবস্থা (System) চালু করবে। অর্থাৎ এমন Mechanism Design (See: Game Theory) করবে যেখানে সবগুলো পক্ষ সর্বোচ্চ লাভবান হবে।
 

3. Empowerment of People  #EmpowermentOfPeople

নাগরিক শক্তি বিশ্বাস করে, প্রত্যেকটা মানুষের মাঝে রয়েছে Enormous potentialপ্রত্যেকটি মানুষ এক একটি বিশাল সম্ভাবনা।
এভাবে ১৬ কোটি মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তিকে জাগিয়ে তুলতে পারলে বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুত উন্নতির শিখরে আরোহণ করা সম্ভব।
অন্তর্নিহিত শক্তিকে জাগিয়ে তোলার অংশ হিসেবে – নাগরিক শক্তি জনগণের Empowerment (ক্ষমতায়ন) নিশ্চিত করবে।
সরকার পরিচালনায়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নাগরিক শক্তির লক্ষ্য হবে ১৬ কোটি মানুষের সেই বিপুল শক্তিকে জাগিয়ে তোলা এবং এর মাধ্যমে দেশের উন্নতি নিশ্চিত করা।
  • জনগণের অন্তর্নিহিত শক্তিকে জাগিয়ে তোলা (Empowerment of people) র অংশ হিসেবে নাগরিক শক্তি শিক্ষাখাত (Education Sector) কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে। [See: নাগরিক শক্তির শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা (TahsinVersion2)] স্বাস্থ্যসুবিধা (Healthcare Facilities) নিশ্চিত করবে এবং ব্যবসা-শিল্প-বিনিয়োগ-উদ্যোক্তা বান্ধব (Entrepreneurship Development) পরিবেশ গড়ে তুলবে। জনসাধারণের বিকাশের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলবে। 

একদিকে শিল্পের বিকাশ এবং অন্যদিকে জনকল্যাণমুখী অর্থনীতি চালু করে নাগরিক শক্তি বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে একটি অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে গড়ে তুলবে।

The Fallacies Of Socialism & Communism

সমাজতান্ত্রিকরা মনে করেন, পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটলে পুঁজিবাদীরা শ্রমিক শ্রেণী থেকে লুট করে ধনী হন।
কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, এমন পদ্ধতি চালু করা সম্ভব যেখানে সব পক্ষ সর্বোচ্চ লাভবান হবে, সব পক্ষই জিতবে (Win-win; Positive Sum Game)
পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটলে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। শিল্পের মালিকরা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে ব্যবস্থা নিলে, কারখানার পরিবেশ উন্নত করলে অধিকতর উৎপাদনশীলতা থেকে মালিকরা লাভবান হন।
অন্যদিকে, শ্রমিকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটলে তারা শিল্প পণ্য আরও বেশি কেনেন। এভাবে শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত হয়।

Karl Marx (কার্ল মার্ক্স ১৮১৮ – ১৮৮৩) ছিলেন 19th Century র। Karl Marx যখন সমাজতন্ত্র প্রবর্তন করেছিলেন – তখনও প্রযুক্তি এবং মেশিন সমৃদ্ধ শিল্পের বিকাশ ঘটেনি। বিকাশ ঘটেনি আধুনিক Management র। কার্ল মার্ক্সের সময় শ্রমিকদের পক্ষে Production (উৎপাদন) সম্পূর্ণভাবে পরিচালনা করা সম্ভব ছিল। Marx প্রভাবিত হয়েছিলেন – মূলত শ্রমিকদের জীবন এবং অসহায়ত্ব পর্যবেক্ষণ করে। তার লক্ষ্য ছিল শ্রমিকদের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করা।

কিন্তু 20th Century তে Thomas Alva Edison, Nikola Tesla র Electric Power, Ford র Mass Production Factory (গাড়ি উৎপাদনের জন্য) বিকাশের মাধ্যমে শিল্প কারখানায় Technology, Automation, Machinery এবং Management এর ব্যবহার প্রতিষ্ঠিত হয়। 

আমরা যে BBA, MBA পড়ি – Management এর Need (প্রয়োজনীয়তা) সৃষ্টি এবং বিকাশ কিন্তু 20th Century র phenomenon –  Mass Production Industry – establishment এর মাধ্যমে – যখন বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের সমস্ত Production পরিচালনার জন্য Manager র দরকার পড়ে।

ফলে 20th Century তে “শুধুমাত্র শ্রমিক”দের পক্ষে Production (উৎপাদন) আর সম্ভব নয় – যা সম্ভব ছিল Marx এর সময়ে।

পুরো Production পরিচালনা করতে শ্রমিকদের Engineering এবং Management শিখতে হবে – যা Marx এর সময় প্রয়োজন ছিল না! 

Economics এ Production এর Input এর মাঝে Capital এবং Technology ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে – 19th Century তে প্রাধান্য ছিল Land এবং Labor এর।

পরীক্ষায় সাফল্যে যেমন প্রতিযোগিতা ভূমিকা রাখে (“First হতে হবে” বা “Math Olympiad Team এ জায়গা করে নিতে হবে!”) – অর্থনীতির বিকাশেও Firms গুলোর মাঝে Competition (প্রতিযোগিতা) ভূমিকা রাখে (“ERP Software Sector এ আমাদের Dominate করতে হবে!”)। Socialist Economy গুলোতে Competition নেই বলে ভালো কাজের, নিজেকে আরও উপরে নিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণাও নেই।

সরকারের দায়িত্ব হল – Competition এর মাধ্যমে যাতে “সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন” (Economy as a whole) ত্বরান্বিত হয় – সেই লক্ষ্যে Platform গড়ে দেওয়া।

Firms গুলো শুধু নিজেদের “Profit Maximize” করে, কিন্তু Government কে “Economy as a whole” ঠিকপথে এগুচ্ছে কিনা দেখতে হয়।

যেমন – Entrepreneurship Development (One way to Empower people) এর জন্য

Electricity and Gas Supply,

Infrastructure Development,

Ease of Starting Business এর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ (যেমন – Administrative Complexity কমিয়ে আনা),

Banking Sector, Venture Capital এবং অন্যান্য Financial System এর মাধ্যমে Finance নিশ্চিত করা।

Centrally Planned Economy (Russia, China, North Korea) গুলোতে আমরা দেখছি – Communist Party গুলো নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে Free Speech র অধিকার থেকে জনগণকে বঞ্চিত করে। Social Media র উপর Censorship আরোপ করে এবং শুধুমাত্র “State-owned” Media গুলোকে approve করে। Media ব্যবহার করে Government র Propaganda চালানোর কাজে।

পাশাপাশি, পুরো ক্ষমতা সরকারের কাছে থাকায় – এসব দেশে Corruption ও বেশি। এসব দেশে Mixed Economy প্রচলিত – যেখানে Controlled development of Market ঘটেছে এবং Government, Ruling Communist Party ও Government এর অনুগতদের বিভিন্ন সুযোগ (Corruption) দেওয়া হয়।

Karl Marx কি এই লক্ষ্যে Socialism প্রবর্তন করেছিলেন – নাকি শ্রমিকদের বঞ্চনা এবং বঞ্চনামুক্তি – তার Economic Philosophy র ভিত্তি ছিল?

আমাদের দেশের সমস্যা হল, দুষ্ট রাজনীতির কারণে আইন শৃঙ্খলার উরধে উঠে দুর্নীতি সন্ত্রাসে নিমজ্জিত একদল লুটেরা শ্রেণীর উদ্ভব ঘটেছে।

নাগরিক শক্তি জনগণকে নিয়ে এই অপরাধী শ্রেণীর হাত থেকে জনগণকে রক্ষা করবে এবং জনগণের ক্ষমতা অধিষ্ঠিত করবে।

 

Related Articles:

“I am willing to assist China & President Xi Jinping to deal with the Challenges – China faces today:

  • Dealing with a Middle Class (in the Urban region) that is ever more demanding.
  • Rural Region: Transition from Socialist (Collective Ownership) to Market-Driven Economy.
  • Challenges of Economic Reforms: Gradual opening of Markets (that President Xi Jinping & The Communist Party has in agenda).
  • Challenges of opening up Media. Promotion of Freedom, Liberty & Free Speech.



References

  1. Articles On Economics, Economic Issues (TahsinVersion2)
  2. The Idea Of Promoting Non-zero Sum Games: How Winning With Others Helps You Win Bigger (TahsinVersion2)
  3. শিল্পের মালিকরা যখন কর্মীদের নিয়ে জয়ী হন (TahsinVersion2)
  4. নাগরিক শক্তির অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা (TahsinVersion2) 
  5. দুর্নীতি দূরীকরণ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নতি (TahsinVersion2) 
  6. ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমে সংস্কার (TahsinVersion2)
  7. চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দিতে পারে (TahsinVersion2)
  8. তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন (TahsinVersion2)
  9. নাগরিক শক্তির শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা (TahsinVersion2)
  10. শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনা (TahsinVersion2)
  11. নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সামাজিক অগ্রগতিঃ প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ [TahsinVersion2]
  12. বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়ন (TahsinVersion2)
  13. “Large Scale Engineering” In Bangladesh (TahsinVersion2)
[কল্পনা করুন, প্রতিদিন ১ থেকে দেড় ঘণ্টায় ঢাকা – চিটাগং ট্রেন জার্নি করতে পারলে – কি কি করতেন!
ঢাকার যানজট নিয়ে চিন্তিত? বিরক্ত? ঠিক করে দেবো!]
 
 
 

শিল্পের মালিকরা যখন কর্মীদের নিয়ে জয়ী হন

“Western Marine workers were trained to use the protective gear. Notices in English and Bangla, and pictorial signs for illiterate workers, were put up throughout the shipyard. At first, some workers didn’t want to wear hard hats, boots and goggles in Chittagong’s hot climate. But those who didn’t follow rules received verbal warnings, got further training and were even fined or fired. Western Marine also gave bonuses to workers who used proper safety gear. Strict enforcement at the shipyard had almost immediate results. Over the next 15 months, Western Marine dramatically reduced its injury rate by 99 percent, to 10 a month by June 2012, from 1,000.

Western Marine had not intended to seek international certification but ended up doing so since it was using those guidelines anyway. By August 2012, the shipyard was awarded the world’s most reputable occupational health and safety management standard, OHSAS 18001. It also received ISO 14001, the internationally recognized standard for environment management. It was the only shipyard and one of few companies in Bangladesh to have both certificates. Western Marine says the certifications have led to new ship orders from New Zealand, Tanzania and Kenya.

During the 40-month partnership between Western Marine and GIZ, the shipbuilder paid 250,000 euros of the cost of equipment and implementing safety programs while the German aid agency contributed 265,000 euros. It was a significant amount of money for Western Marine, but the company found that treatment costs for workers at its clinic dropped from 15,000 euros a year in 2010 to only 341 euros in 2012. Workers were far more productive in general. There was also a strong business case for the OHSAS and ISO certifications, since they are increasingly required for eligibility to bid on international shipping contracts.” [1]


নাগরিক শক্তির অর্থনৈতিক দর্শন

নাগরিক শক্তির অর্থনৈতিক দর্শনের মূলে রয়েছে দুটি বিষয়

  • প্রত্যেকটি মানুষের মাঝে বিপুল শক্তি লুকিয়ে আছে। এই শক্তি জাগ্রত হয় এমন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। 
  • Win-win, Non-zero sum games. এমন ব্যবস্থা যেখানে সব পক্ষই জিতবে। 


সমাজতান্ত্রিকরা মনে করেন, পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটলে পুঁজিবাদীরা শ্রমিক শ্রেণী থেকে লুট করে ধনী হন। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, এমন পদ্ধতি চালু করা সম্ভব যেখানে সব পক্ষ সর্বোচ্চ লাভবান হবে, সব পক্ষই জিতবে। পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটলে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। শিল্পের মালিকরা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে ব্যবস্থা নিলে, কারখানার পরিবেশ উন্নত করলে অধিকতর উৎপাদনশীলতা থেকে মালিকরা লাভবান হন। শ্রমিকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটলে তারা শিল্প পণ্য আরও বেশি কেনেন। এভাবে শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত হয়। [2]

Western Marine এর ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি, কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করার পর কর্মীদের উৎপাদনশীলতা বেড়েছে। স্বাস্থ্য খরচ কমে এসেছে। আগে যেখানে প্রায় ৩৫০০ কর্মীর মাঝে ১০০০ জন প্রতিমাসে আহত হয়ে উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দিতেন সেখানে এসেছে বিশাল পরিবর্তন। নিরাপত্তা – স্বাস্থ্য বিষয়ক বিদেশী সারটিফিকেশান পাওয়ার পর নতুন নতুন দেশ থেকে অর্ডার আসছে।

এটা Win-win, Positive-sum game এর একটা উদাহরণ – এমন ব্যবস্থা যেখানে সব পক্ষই জিতবে। 


“Bangladesh is the second largest maker of “ready-made garments” after China. The industry helped annual economic growth reach 6 percent in recent years; garments represent more than 80 percent of the country’s exports. Bangladesh’s garment factories employ about 3.8 million people, most of whom are women.

These steady factory jobs have raised incomes and help lift millions out of abject poverty. Development and public health experts acknowledge that this employment helped Bangladesh dramatically improve child and maternal health. Indeed, it is one of only eight countries to have reduced deaths of children below age five by at least two-thirds since 1990 in accordance with the United Nations’ Millennium Development Goals.
Improving garment factories is imperative for Bangladesh.

Change can happen in Bangladesh. It has before. The country, for instance, has a surprisingly effective cyclone warning system that relies on village volunteers. This simple, grass-roots system has been credited with saving tens of thousands of lives during violent storms. [3]

Safety standards can be upheld if they’re taken seriously enough, as they have been in Bangladesh’s oil and gas industry.” [1]



References
My Articles on Positive-Sum Games