বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য প্রতিষ্ঠায় নাগরিক শক্তি

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

প্রস্তাবনা

আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া ২[ জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;

৩[ আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিলজাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে ;]

আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;

আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;

এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম। [1]



নাগরিক শক্তির প্রস্তাবনা 

দলের নাম: নাগরিক শক্তি

প্রতীক: বই

মূলমন্ত্র: “জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”

নাগরিক শক্তির মূলনীতি

1. সবকিছুর উপর জাতীয় স্বার্থ

  • “জাতীয়তাবাদ”


2. মুক্তিযুদ্ধের চেতনা

  • “যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল … সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে ;


3. জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে সবার একতা, সবার স্বার্থ সংরক্ষণ; সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নে সবাই ঐক্যবদ্ধ

  • “ধর্মনিরপেক্ষতা”
  • “আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;” 


4. গণতন্ত্রমনা – দলের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে জনগণের মতামত, আশা আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে

  • “গণতন্ত্র” 


5. সকল অন্যায়, অপকর্ম, অত্যাচার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান

  • “আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা”  




নাগরিক শক্তির ফরেইন পলিসিঃ সবকিছুর উপর জাতীয় স্বার্থ

  • “আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য;”


নাগরিক শক্তি সবকিছুর উপর জাতীয় স্বার্থকে স্থান দেবে।

ব্যক্তির চেয়ে দল বড় এবং দলের চেয়ে দেশ বড় – এই সত্য প্রতিষ্ঠিত করবে।

সমগ্র দেশের ঐক্য থাকলে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে আমরা আমাদের দাবি দাওয়া আদায় করে নিতে পারি। আমরা দেখেছি, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বিএনপির অবস্থানকে আওয়ামী লীগ বিরোধিতা করে, আওয়ামী লীগের অবস্থানকে বিএনপি বিরোধিতা করে। প্রবাসীদের নানা দলীয় সংগঠনে দ্বিধাবিভক্তি প্রবাসে আমাদের অবস্থানকে দুর্বল করে দিচ্ছে।এভাবে আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের দুর্বল অবস্থানের কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। নাগরিক শক্তি জনমত গঠন করে আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলোতে সমগ্র দেশের ঐক্য গড়ে তুলবে। বাস্তবিক পক্ষে, দেশের স্বার্থের বিষয়গুলোতে জনগণের দ্বিমত থাকতে পারে না।

গ্লোবালাইজেশনের এই যুগে এক দেশের অর্থনীতি, সমৃদ্ধি অন্য দেশগুলোর উপর নির্ভরশীল। প্রযুক্তির যত বিকাশ ঘটছে একটি দেশের সাথে অন্য একটি দেশের সম্পর্ক তত গভীর হচ্ছে। ইন্টারনেটের কারণে আজ আমাদের দেশের তরুণরা বন্ধু হিসেবে পাচ্ছে, জ্ঞান বিনিময় করতে পারছে ইউরোপ বা আমেরিকার কোন তরুণের সাথে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী হওয়ার একটাই উপায় – বিদেশে বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো।

কাজেই “ভারত প্রীতি”, “চীন প্রীতি”, “পশ্চিমা বিদ্বেষী” সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গীর শব্দগুলো নতুন পৃথিবীর আমরা সবাই পিছে ফেলে এসেছি।

৭১ এ ভারত আমাদের পাশে ছিল বলে তাদের সাথে আমাদের হৃদ্যতার সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে। আমাদের লক্ষ্য থাকবে ভারতের সাথে বাণিজ্যের সম্প্রসারণ। একইভাবে চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইউরোপ, অ্যামেরিকা, অস্ট্রেলিয়ায় দেশীয় পণ্যের প্রসারে আমরা কাজ করবো। মধ্যপ্রাচ্যে কর্মশক্তি রপ্তানি বাড়িয়ে ফরেইন রেমিটান্স বৃদ্ধি আমাদের লক্ষ্য।

কিন্তু তাই বলে কোন দেশের সমর্থন-আনুকূল্য পেতে নিজ দেশের স্বার্থ, দেশের সম্পদ জলাঞ্জলি দেওয়ার ধৃষ্টটা কেউ দেখালে আমরা জনগণকে নিয়ে তীব্রভাবে তার প্রতিরোধ করবো। দেশের সম্পদ রক্ষায় অটুট ঐক্য গড়ে তুলবো।

সবকিছুর উপর জাতীয় স্বার্থকে স্থান দেওয়ার মাধ্যমেই গড়ে উঠবে স্বপ্নের বাংলাদেশ।





নাগরিক শক্তির অর্থনৈতিক দর্শন (Economic Philosophy)

নাগরিক শক্তির অর্থনৈতিক দর্শনের মূলে রয়েছে দুটি বিষয়

  • প্রত্যেকটি মানুষের মাঝে বিপুল শক্তি লুকিয়ে আছে। এই শক্তি জাগ্রত হয় এমন ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
  • Win-win, Non-zero sum games. এমন ব্যবস্থা যেখানে সব পক্ষই জিতবে। 

নাগরিক শক্তি প্রত্যেকটি মানুষের মাঝে যে বিপুল শক্তি লুকিয়ে আছে তাকে জাগ্রত করতে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসুবিধা নিশ্চিত করা এবং ব্যবসা-শিল্প-বিনিয়োগ-উদ্যোক্তা বান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলবে। সামাজিক ব্যবসার বিকাশের মাধ্যমে সমাজের সমস্যাগুলো দূর করে গণ মানুষের উপরে ওঠার ক্ষেত্র তৈরি করবে। জনসাধারণের বিকাশের জন্য বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলবে।

এক একটা মানুষ যেখানে বিশাল শক্তি হতে পারে সেখানে ১৬ কোটি মানুষকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আমাদের আর পিছে ফিরে তাকাতে হবে না। কাজেই দেশের ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করা নাগরিক শক্তির লক্ষ্য। আমরা ১টি মানুষের শক্তিকেও বৃথা যেতে দিতে চাই না (শুধু শীর্ষ অপরাধীদের বাদ দিয়ে)।

একদিকে শিল্পের বিকাশ এবং অন্যদিকে জনকল্যাণমুখী অর্থনীতি চালু করে নাগরিক শক্তি বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে একটি অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে গড়ে তুলবে।

সমাজতান্ত্রিকরা মনে করেন, পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটলে পুঁজিবাদীরা শ্রমিক শ্রেণী থেকে লুট করে ধনী হন। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, এমন পদ্ধতি চালু করা সম্ভব যেখানে সব পক্ষ সর্বোচ্চ লাভবান হবে, সব পক্ষই জিতবে। পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটলে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। শিল্পের মালিকরা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে ব্যবস্থা নিলে, কারখানার পরিবেশ উন্নত করলে অধিকতর উৎপাদনশীলতা থেকে মালিকরা লাভবান হন। শ্রমিকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটলে তারা শিল্প পণ্য আরও বেশি কেনেন। এভাবে শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত হয়।

আমাদের দেশের সমস্যা হল, দুষ্ট রাজনীতির কারণে আইন শৃঙ্খলার উরধে উঠে দুর্নীতি সন্ত্রাসে নিমজ্জিত একদল লুটেরা শ্রেণীর উদ্ভব ঘটেছে। নাগরিক শক্তি জনগণকে নিয়ে এই অপরাধী শ্রেণীর হাত থেকে জনগণকে রক্ষা করবে।




অন্যায়-অপরাধ-দুর্নীতি-সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা


অন্যায়-অপরাধ-দুর্নীতি-সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নাগরিক শক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট আমরা সবাই আমাদের অবস্থান থেকে কাজ শুরু করেছি।

২০১৪ সাল থেকে শুরু করে নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিসংখ্যান ব্যবহার করে দেখা হবে – আগের ১০ বছরের তুলনায় অন্যায়-অপরাধ-দুর্নীতি-সন্ত্রাস কমিয়ে আনতে আমরা কতটুকু সফল।

জনগণ লক্ষ লক্ষ প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর নিয়ে নিজেদের অধিকার আদায়ে আমাদের সাথে যোগ দেবেন।

ক্ষমতায় গিয়ে কার্যক্রম জোরদার করা হবে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, বিচার বিভাগ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনকে স্বাধীন এবং শক্তিশালী করে ঢেলে সাজানো হবে। সবরকম অপরাধ শক্ত হাতে দমন করা হবে।

২০০১ নির্বাচন উত্তর সংখ্যালঘু নির্যাতন, রামু, পটিয়া, অন্যান্য হামলা এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনকালীন সাম্প্রদায়িক হামলাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশে চিরদিনের জন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হবে।

নিজেদের মানদন্ডে নিজেদের সাফল্য, অপরের ব্যর্থতার প্রচার নয়, বরং জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড আমাদের সাফল্য ব্যর্থতার মূল্যায়ন করবে।

আমাদের লক্ষ্য থাকবে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দ্রুততম সময়ে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ অগ্রগতি।

আমাদের স্বপ্ন – অন্যায় -অপরাধ-দুর্নীতি-সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ।

আমাদের স্বপ্ন – বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, যেখানে আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান হবে। অপরাধী যত বড় আর অপরাধ যত ছোট হোক না কেন – অপরাধ করলে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

সর্বোপরি, আমাদের স্বপ্ন – ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, যেখানে মানুষ সৎ পথে থেকে চেষ্টা করলে জীবনে যা চায় তা অর্জন করতে পারবে, কিন্তু অন্যায় করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে।


  • “আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে;” 



রেফরেন্স
  1. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
  2. নাগরিক শক্তিঃ সংগঠন (Organization Of Nagorik Shakti)
  3. ফরেইন পলিসিঃ সবকিছুর উপর জাতীয় স্বার্থ
  4. নাগরিক শক্তির অর্থনৈতিক দর্শন (Economic Philosophy)
  5. অন্যায়-অপরাধ-দুর্নীতি-সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা
  6. জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় নাগরিক শক্তির ভূমিকা
  7. সন্ত্রাসমুক্ত সাম্প্রদায়িকতামুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে জনগণের ঐক্য
  8. স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নাগরিক শক্তির অগ্রযাত্রা
  9. “যৌতুক প্রথামুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে অগ্রযাত্রা
  10. নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় নারীদের ঐক্য
  11. সংখ্যালঘু পরিবারে জন্ম নেওয়ার অভিশাপ
  12. বাঙালি সংস্কৃতি – মিশ্র সংস্কৃতির সৌন্দর্য
  13. গণজাগরণ বনাম হেফাজত নয়, গণজাগরণ এবং হেফাজত
  14. তরুণ প্রজন্মের আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি
  15. বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশী হত্যা-নির্যাতনের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই
  16. “মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে অগ্রযাত্রা
  17. “মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে অগ্রযাত্রা – ২
  18. Nagorik Shakti And The Story Of Bangladesh

বর্তমান সরকারের সাংবিধানিক অবৈধতা

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্বাধীন বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ – প্রমাণ করতে হবে। এগুলো ব্যবহার করে বিরোধী দলকে দমন করে নির্বাচন করা হয়েছে। মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৬, ৩৭ ও ৩৮ ধারায় উল্লেখিত চলাফেরার স্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতা ও সংগঠনের স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হয়েছে। [1]

নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতমূলক আচরণ।

নির্বাচনে জাল ভোট।

নির্বাচনকালীন সরকার অবৈধ। মন্ত্রীরা পদত্যাগ করেছিলেন – প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র দিয়ে, কিন্তু শপথ নেননি।

নবম সংসদ ভাঙা হয়নি, নির্বাচনকালীন সরকার, দশম সংসদ।

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে – অনেক প্রার্থী করেছেন – সরকারি সুবিধা ব্যবহার করে প্রচারণা।

“৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আফিল উদ্দিন ও মনিরুল ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার আগে ১ জানুয়ারি জনৈক শাহিন উল কবীর এই দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ আনেন। তাতে বলা হয়েছে, দুই প্রার্থী দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন, প্রতিটি কেন্দ্রে ১০০ জন কর্মী কেন্দ্র দখল করবে। দুপুর ১২টার মধ্যে নৌকা প্রতীকের জয় নিশ্চিত করবে।

কমিশন এই অভিযোগের ভিত্তিতে একটি নির্বাচনী তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পায়। যার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন নবনির্বাচিত এই দুই সাংসদের নাম গেজেটে প্রকাশ করেনি। উল্টো ৭ জানুয়ারি তাঁদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়।”

দুই সাংসদের অভিযোগের শুনানি করেনি ইসি

রেফারেন্স