আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ [১৬.০১.১৫]

রাজনীতি – দেশজুড়ে

#SayNoToCorruption

 

তারেকের অর্থ যোগানদাতারা চিহ্নিত

তারেককে ফেরত পাঠাতে যুক্তরাজ্যে চিঠি

 

 

অনেকে পেছনে আছেন, আমি সামনে এসেছি। অপেক্ষা করেন, চমক দেখতে পাবেন।  কৌশলগত কারণেই এখন সব বলা যাচ্ছে না।”

 

 

6cc7007aa9bc0bbe48ccc364819d7115-round

“একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরামর্শ দেন অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ
অধ্যাপিকা দিলারা চৌধুরী বলেন, ‘সেনাবাহিনী দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা রক্ষা করতে প্রস্তুত। … সবার অংশগ্রহণমূলক একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন ভীষণ জরুরি।

সাংবাদিক সাদেক খান বলেন, ‘বাংলাদেশের এখনকার সমস্যা রাষ্ট্র গঠন নিয়ে। এটি এখন গণতন্ত্রও না, প্রজাতন্ত্রও না। অনির্বাচিত একতন্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। ’

সাংবাদিক শওকত মাহমুদ বলেন, “বর্তমান সরকার যখন-তখন মানুষকে গুম, খুন ও গুলি করে মারছে। ’
গোলটেবিল আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন। সঞ্চালনা করেন সিএনএসের চেয়ারম্যান ফাতেমা আনোয়ার।”

 

 

সারাদেশের খবর

 

International Relations – Foreign Policy – Diplomacy

41f6aba0ed75c664d8edcde01478f1b8-28

আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ (১৫.৫.২০১৪)

দেশের উন্নয়নে সঠিকতর পরিসংখ্যান প্রচলন

অপরাধের সঠিকতর পরিসংখ্যান


বাংলাদেশে অপরাধের নির্ভুল পরিসংখ্যান নেই। নির্ভুল পরিসংখ্যান সম্ভব নয়। সঠিক সংখ্যার কাছাকাছি – বাস্তবসম্মত।

পরিসংখ্যানে যা আসে প্রকৃত অবস্থা তার চেয়ে অনেক অনেক অনেক বেশি খারাপ। 

  • কতটা ক্রাইম আর লিপিবদ্ধ করা হয়? 
  • দেশে গত ৩ মাস ধরে মাদক – ইয়াবা রাখার দায়ে আটকের খবর আমরা পড়ছি। এতদিন কি এসব হয়নি? বরং আরও বেশি হত। আমরা ইয়াবার শীর্ষ অপরাধী সাংসদ বদি এবং তার ভাইদের উপর নজরদারি করা, প্রচন্ড চাপে রাখার পরও এসব ঘটেছে (ধরে নেই গত ২ মাসে যা ধরা পড়েছে সেগুলো সাংসদ বদি বাদে অন্য ইয়াবা গডফাদারদের)। 
    • কিন্তু পরিসংখ্যানে কতটা লিপিবদ্ধ হত?  
  • গ্রামগঞ্জের অপরাধ অনেক কম লিপিবদ্ধ হয়। 
  • টর্চার সেলগুলোর কথা ভুক্তভোগীরা ছাড়া খুব বেশি মানুষ জানে না। ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বি সাহেবের মাধ্যমে আমরা নারায়ণগঞ্জের টর্চার সেল, অপরাধ ইত্যাদি সম্পর্কে জেনেছি [1]। 
  • সরকারি দলের নেতারা পত্রিকা, টিভি চ্যানেলগুলোর শেয়ারের মালিক – তারা অর্থ দিয়ে অনেক অপরাধ ঢেকে ফেলেন।
  • দুর্নীতিপরায়ণ প্রশাসন কর্মকর্তা এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অর্থ দিয়ে, সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনেক অপরাধ ঢেকে ফেলা হয়। 
  • অপহরণ করে দুর্গম এলাকায় কোন বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। বাড়িগুলো কোথায় – জনগণের ধারণা নেই। টর্চার সেলগুলোর জন্যও একই কথা প্রযোজ্য – নেতারা নিশ্চয় সবাইকে দেখিয়ে অত্যাচার – নির্যাতন চালান না। ওসব ও দুর্গম এলাকায়। 
অপরাধের সঠিকতর পরিসংখ্যান প্রচলন করতে হবে।




বেকারত্বের হারের সঠিকতর পরিসংখ্যান

আমাদের বেকারত্বের হার ও সরকার নিজেদের স্বার্থে কম করে দেখান। এখানেও প্রকৃত হার অনেক বেশি। 




অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ মনে হয় – আদমশুমারি নিয়েও যখন বিতর্ক ওঠে। 



সঠিক পরিসংখ্যান ছাড়া দেশের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করণ বা অগ্রগতি পরিমাপ – কোনটাই সম্ভব নয়। নাগরিক শক্তি সঠিক পরিসংখ্যান প্রচলনকে অগ্রাধিকার দেবে। 



রেফরেন্স

এ বি সিদ্দিক অপহরণের রহস্যভেদ


আবু বকর সিদ্দিক অপহরণের কেইসটা ভালভাবে অ্যানালাইসিস করা উচিত।

“অপহরণের পর আমাকে যে স্থানটিতে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে পৌঁছাতে আনুমানিক সাড়ে তিন ঘণ্টা লাগে। এলাকাটি কিছুটা উঁচু-নিচু মনে হয়েছিল। 

ওই বাড়িতে যেতে মনে হয়েছে, দুবার ফেরি পার হয়েছে। গাড়িটি উঁচু-নিচু পথ পেরিয়ে গেছে, তাই মনে হয়েছে এটি গাজীপুর বা কালীগঞ্জের কোনো স্থান হবে। তবে কখনো হাইওয়ে, আবার কখনো ছোট সড়ক ধরে গাড়িটি এগোচ্ছিল বলে মনে হয়েছে। 

আমাকে তুলে নেওয়ার পর গোপন আস্তানায় পৌঁছার আগে অপহরণকারীরা দুই দফা গাড়ি বদল করেছে। আমার হাত-পা-চোখ বেঁধে মাইক্রোবাসের সিটে ফেলে রাখে ওরা। ফলে বুঝতে পারছিলাম না কোথায় যাচ্ছি। মনে হলো, একটি ফেরি পার হওয়ার পর গাড়িটি বদল করা হলো, তখন চারজন অপহরণকারী নেমে যায়।’ গাড়িটি কোথাও টোল দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়েছিল, এমনটা তাঁর মনে হয়নি। তখন তিনি খুব ‘নার্ভাস’ ছিলেন, তাই সবকিছু মনে করতে পারছেন না বলে জানান।  

ওই বাড়িতে আবু বকর যখন পৌঁছান, তার কিছুক্ষণ পর পাশের মসজিদ থেকে মাগরিবের আজান শোনা যাচ্ছিল। 

আবু বকরের জবানিতে আরও জানা গেল, রাতে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাঁকে গাড়িতে তুলে ঘণ্টা দেড়েক পর একটি জায়গায় নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেখানে গাড়ি থামিয়ে চোখ থেকে কাপড় খুলে দেওয়ার সময় তাঁকে বলা হয়, ‘পেছনের দিকে তাকাবি না। সোজা হেঁটে সামনে যাবি।’ 

‘পরে জানতে পারি, এটি মিরপুর ১ নম্বর আনসার ক্যাম্পের সামনের রাস্তা। [1] 

  • যে পরিমাণ সময়ের কথা তিনি বলছেন – 
    • নারায়ণগঞ্জের ভুঁইগড় থেকে থেকে আনুমানিক সাড়ে ৩ ঘন্টার মত
    • ঘন্টা দেড়েক পর – মিরপুর ১ নম্বর আনসার ক্যাম্প  
  • পরিবহণের সম্ভাব্য ধরণ 
  • পাশে কোথাও মসজিদ 
  • আরও কিছু প্রশ্ন করা যায় – ফেরি পার হওয়ার আগে কতক্ষণ? পার হওয়ার পর কতক্ষণ? 

জায়গাটা কোথায় হতে পারে?

ছেড়ে দেওয়ার আগ মুহূর্তটি সম্পর্কে আবু বকর সিদ্দিক জানান, রাতে দলনেতা এসে বাড়িটির ওই দুই তদারককারীর সঙ্গে কথা বলছিল। তাদের কথায় মনে হচ্ছিল, মূল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এদের মধ্যে একজন এসে বলল, ‘পুরো এলাকা পুলিশ ও র‌্যাব তল্লাশি চালাচ্ছে। খুঁজতে খুঁজতে এখানেও চলে আসতে পারে।’


পুলিশ র‌্যাব কোথায় কোথায় তল্লাশি চালিয়েছিল? তথ্য ব্যবহার করে জায়গাটা আইডেন্টিফাই করা সম্ভব না?

গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সম্পর্কযুক্ত তথ্য খুঁজে বের করে ব্যবহার করা

  • ‘পুরো এলাকা পুলিশ ও র‌্যাব তল্লাশি চালাচ্ছে। খুঁজতে খুঁজতে এখানেও চলে আসতে পারে।’
  • পুলিশ র‌্যাব কোথায় কোথায় তল্লাশি চালিয়েছিল? 
  • ৩৫  ঘন্টা – খুব বেশি না। পুলিশ – র‌্যাবের বিভিন্ন দল কোন সময়ে কোথায় খুঁজছিল – এ থেকে সম্ভাব্য স্থান সম্পর্কে ধারণা করা যায়? 

বাড়িটা আইডেন্টিফাই করতে পারলে অপহরণকারীদের আইডেন্টিফাই করার ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে যাব।  
রেফরেন্স

স্বপ্নের বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা (২৬.০৪.২০১৪)

বাংলাদেশ দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে।


প্রতিদিন নতুন নতুন ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রযাত্রার খবর প্রকাশিত হচ্ছে। 

আজকের (২৬.০৪.২০১৪) পত্রিকায় আমাদের অগ্রযাত্রার খবর



অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথে অগ্রযাত্রা 


তথ্য প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে উন্নত বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা 
বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করবে। 


নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা
বাল্যবিবাহ রোধ, “যৌতুক প্রথামুক্ত বাংলাদেশ”, নারী নির্যাতন রোধ, ইভটিজিং রোধ 




অন্যায়-অপরাধ-দুর্নীতি-সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ (১৯.০৪.২০১৪)

বাংলাদেশ দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে।


প্রতিদিন নতুন নতুন ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রযাত্রার খবর প্রকাশিত হচ্ছে। 

আজকের (১৯.০৪.২০১৪) পত্রিকায় আমাদের অগ্রযাত্রার খবর


“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে অগ্রযাত্রা 


নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা
বাল্যবিবাহ রোধ, “যৌতুক প্রথামুক্ত বাংলাদেশ”, নারী নির্যাতন রোধ 

Let hateful crime of question paper leak be stopped (বন্ধ হোক দেশে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘৃণ্য অপরাধ)

 

প্রশ্নপত্র ফাঁস করে অযোগ্য ব্যক্তিদের সুযোগ করে দেওয়ার মাধ্যমে দেশের যোগ্য, মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।

মেধাবী, যোগ্যদের মূল্যায়ন না হলে আমাদের দেশ মেধাশুন্য হয়ে যাবে।

ইতিপূর্বে মেডিক্যাল কলেজ ভর্তি পরীক্ষার মত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। একজন ছাত্র বা ছাত্রী স্কুল কলেজে ১২ বছর পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নেয় মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির জন্য। তাদের এবং তাদের পরিবারের সারা জীবনের স্বপ্নকে দুর্নীতির মাধ্যমে রুদ্ধ করার অধিকার কারও নেই।

প্রশ্নপত্র ফাসেঁর দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

লালমনিরহাটে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাসেঁর অভিযোগে ঘৃণ্য অপরাধীদের আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের অভিনন্দন।

 

সারা দেশে শুরু হোক গোয়েন্দা নজরদারি। বন্ধ হোক দেশে এই ঘৃণ্য অপরাধ।

“লালমনিরহাটে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাসেঁর অভিযোগে আটককৃতরা হচ্ছেন- প্রাথমিক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেনের এপিএস আবু বকর সিদ্দিক শ্যামলের ভগ্নিপতি সাফি, পাটগ্রাম উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি দেবাশিষ, বড়খাতা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আহসান হাবিব লাভলু ও পরীক্ষার্থী শারমিন আফরোজ। আটককৃতদের কাছ থেকে ২৩টি মোবাইল সেট ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

এসব ঘৃণ্য অপরাধীদের আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলা শহরে দোয়েল নামে একটি আবাসিক হোটেলের কয়েকটি রুমে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।” [1]

প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আরও খবর

 

 

“মেয়েটি বলল, আমরা এতো কষ্ট করে পড়াশোনা করি আর কিছু মানুষ বাজার থেকে প্রশ্ন কিনে এনে পরীক্ষা দেয়, পরীক্ষায় ভালো করে, ভালো জায়গায় সুযোগ পায়। তাহলে এটাই কী নিয়ম- এই দেশটা দুর্বৃত্তদের? আমরা কিছু না?

মেয়েটি বলল, ‘আমার কাছে যে প্রশ্ন আছে আমি আপনাকে এখনই পাঠিয়ে দিই। দু’দিন পর পরীক্ষা হয়ে গেলে আপনি মিলিয়ে নেবেন।’ আমি বললাম, ‘ঠিক আছে।’ মেয়েটি সাথে সাথে আমাকে হাতে লেখা কিছু প্রশ্ন পাঠিয়ে দিল।”

 

 

“এই দেশের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে আমাদের দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, আমরা সেটা নিয়ে কতো স্বপ্ন দেখি। আমাদের ছেলেমেয়েরা এই স্বপ্নকে ধারণ করে, লেখাপড়া করে, তারপর দেখা যায়- এই দেশের সরকার একটা পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা দিতে পারে না!” 


সূত্র – কেউ কি আমাকে বলবেন? – প্রফেসর মুহম্মদ জাফর ইকবাল

রেফরেন্স

The Story Of Bangladesh And The Emergence Of Nagorik Shakti

Government & Politics In Bangladesh

 
Bangladesh has a Parliamentary form of Democracy. 
 
The ruling party has complete control over the Executive and Legislative branch of the Government.
The Prime Minister is the leader of the ruling Political Party, leader of the Legislative branch and leader of the Executive branch in Bangladesh.  

Every now and then, the party in power pokes the Judiciary branch and controls the Law Enforcement Agencies.
You are a law enforcement officer and you don’t obey the orders of a leader from the party in power? Fine, your job is suspended. 


Poking law enforcement and poking judiciary is bad. But poking Law Enforcement + Judiciary is worse. You can arrest anyone (poking Law Enforcement) your heart desires at any time and throw him to jail (poking Judiciary).

And that’s not the whole story!

The Anti Corruption Commission and Election Commission are not outside the scope of Government influence.

After all this maneuvers and controls, what Bangladeshis are left with – is essentially an autocratic form of government. 
 
If you ask a Bangladeshi if there can be any room for practice of Democracy left, he or she would answer that the Neutral Caretaker Government [1] ruling the country for 3 months and holding free and fair General Elections every five years, was the only bit of Democracy left.
But now, even that tiny bit of opportunity for practice of democracy has been abolished 


When you take your eyes off the Government and try to see a broader picture, you see 2 Political Parties that are trying to divide the Nation into two groups with extreme hatred towards each other.

Last year, the International Crimes Tribunal held the Trial for Crime against Humanity. And we witnessed extreme form of divide in the nation.

 
To understand the Case for Trial for crime against humanity, we have to go back in history to 1971 when the Nation was born. 
 
 

Looking Back At The Birth Of The Nation

 
Bangladesh won its independence from Pakistan in 1971 through a bloody liberation war. [1]

More than 3 million people were killed in just 9 months in 1971 during our Liberation War.  
 

Now, 3 million people is some number.

The only way to understand its significance (killing of 3 million people) is by imagining and feeling it.

Take your time and try to imagine how you would feel if a member of your family has been killed.
Now imagine 3 hundred people being killed.

Now, 3 thousand.
And now, try to feel 3 million (3,000,000) people being killed.

Many of our prominent Intellectuals were murdered on 14th December just before the war ended. Pakistani Army wanted to leave behind a crippled country. Leaders from Jamaat-e-Islami who were alive at that time helped the Pakistani Army’s cause, acting as their local agents.

A war takes place between the Armed Forces of parties involved. But killing, torturing unarmed civilians during war is crime, or more appropriately War Crime. [4]

People of Bangladesh have always demanded trial for people who committed “Crime Against Humanity” in 1971. [5]

Many of the leaders of Bangladesh Jamaat-e-Islami [2], who were alive at that time, committed crime against humanity. Before 1971, Jamaat-e-Islami was part of a Pakistani political party with identical name – Jamaat-e-Islami Pakistan [3].

 
We see that, both BNP and Awami League have assimilated many who committed crime against humanity in 1971. Some of them have even been elected as Members of Parliament and Ministers.
 
It’s an irony that people who worked against the nation and have even committed crimes, have reached such high positions in the government.
So last year, when the trials for crime against humanity were held we saw extreme form of divide and violence in Bangladesh. Even leaders of political party unfortunately declared that the country has been divided into two factions. 
 
Lets get back to where we started – Politics

When Crime And Corruption Are Intermingled With Politics


If one politician from one of the two parties commit crime in Bangladesh, his party either supports or ignores or forms a lame excuse. 

 

We don’t see politicians reaching out and helping the oppressed.

Supporters of the ruling party hates the leadership of the opposition party, or more precisely hatred is being spread, and supporters of the opposition party hates the leadership of the party in power.


 

Extreme form of corruption exists in the country mainly due to the corrupt politicians.

One recent instance is the 2011 Stock Market scam.

 
According to later calculations, more than a billion dollar worth of corruption took place. A large number of people, who invested in the stock market, lost almost everything they had.
The scam was pre-planned.
People were shown dreams of quick way to getting rich. They rushed in to invest in the stock market. Many sold their lands, others borrowed money – just to invest. 
 
And then, they lost everything they had.
This is not the first time Share Market scam has taken place in Bangladesh. In 1996, we saw similar incidents in the Share Market [4]. According to sources, same persons were involved in both the scams. 


Some of the politicians (Members of Parliament) in Bangladesh own “torture cells” where they torture people to death – which is both horrific and unbelieveable to someone living outside Bangladesh.

Criminal minds flourish in these anarchic situations – where they get the feeling that they will not be held accountable for their deeds – if only they join one of the two main parties of the country. They can commit any crime (murder, torture, rape, corruption) they desire and still manage to become MPs and Ministers.

In rural areas the situation is worse. With comparatively higher levels of illiteracy, distance from the world of media, it’s easier to hide your crimes.

Beautiful Bangladesh Prepares For Change

But if you leave out politics from the equation, “Beautiful Bangladesh” is a country of enormous potential. It’s consistently high rates of GDP growth (6 – 6.7% in the past decade) [1] for the last two decades has earned it a place in Goldman Sachs’ Next Eleven [2] – a list of 11 emerging countries.


Besides, high rates of GDP growth, Bangladesh has made huge strides in different social indicators and in the area of providing healthcare to the poor




According to Nobel Prize-winning economist Amartya Sen, India should learn from neighbouring Bangladesh about how to tap the energy of women in its efforts to spur development. In most of the social indicators, Bangladesh has gone ahead of India, according to Sen [3].

“Bangladesh is one of the few countries on track to achieve its Millennium Development Goals related to child and maternal mortality.” [5]

“Bangladesh, the eighth most populous country in the world with about 153 million people, has recently been applauded as an exceptional health performer. Improvements in the survival of infants and children under 5 years of age, life expectancy, immunisation coverage, and tuberculosis control in Bangladesh are part of a remarkable success story for health in the South Asian country.” [7]

 
Not surprisingly, people of Bangladesh have been yearning for change in politics.   



Banga Bir Kader Siddiqui (90s), Prof. Dr. A Q M Badruddoza Chowdhury, Dr. Kamal Hossain (2000s), Colonel (retd.) Dr Oli Ahmad Bir Bikram – who ever tried to from a third political force were soon silenced by the government.
 

As I mentioned in “Politics In Bangladesh”, a neutral Caretaker Government used to hold the National Elections. This practice is hugely popular among Bangladeshis due to history of government intervention in the Election Commission.

During 2006-08, the neutral Caretaker Government ruled the country for 2 years with some revolutionary successes. National Voter ID Card and National Database was introduced in the country during that period. Strong Anti-Corruption Commission and Election Commission were established. Many of the Corrupt Politicians were arrested. Positive changes were established in the Judiciary Division.

People welcomed these changes.

Awami League won the 2008 Elections convincingly. During the first year, Awami League actually grew in popularity. People expected that the changes that were introduced during the 2006-2008 Caretaker Government period would last.

But within a year, the hope and dreams were torn apart. The politics of Bangladesh gradually went back to where it was and to be truth – even worse.

Concerned corrupt and criminal politicians of the ruling party de-established the Caretaker Government. With two-third majority in the parliament and de-establishment of Caretaker Government, the leaders of the ruling party started to behave as though they would rule for ever, that they will never have to answer to anyone for their misdeeds.

This is the background for the emergence of Nagorik Shakti.

Nagorik Shakti : Citizens’ Force

In Bangla, “Nagorik Samaj” refers to the civil society.

Nagorik Shakti has been the vision of members of our civil society for quite a few years. The vision has been to introduce a different form of politics in our country that is more in tune with the ideals and what it is ought to be – “of the people, by the people, for the people”.

Now, people have joined our cause.

 

For the past 6 months, we have been organizing both in the physical world as well as in the digital world.

Young generation of Bangladesh have joined our cause and are showing enthusiastic interest. We used to find Political views of young Bangladeshis in their Facebook profiles not as “democracy” or “liberalism” but as “I hate politics” or some of its variants. Their archetype for a politician was someone corrupt and criminal. They associated politics with the political clashes among student wings of different political parties.

 

We have seen radical transformations in the past several months. Millions of young Bangladeshis have changed their opinion on Politics in just a few months.

Youth of Bangladesh today are enthusiastic about joining politics to bring about change. We feel delighted whenever we see the face of a politically conscious young Bangladeshi thrilled at the prospects. We have been successful in making them dream and think and become more politically aware Citizens.

Divide among people that we experienced in 2013 has turned into unity for change in 2014. 

We are showing everyone that they can feel the “togetherness”, “unity”, “a sense of tightly bound community” that people long for through Nagorik Shakti.

Political parties outside the two main parties have shown enthusiastic interest. Many have already joined us.

When I first thought about forming a new Political Party a year back, the question I had asked myself was – how do I reach the rural population?


We can reach people residing in Urban areas through Social Media, TV Media, Newspapers and other media. But reaching people living in Rural areas seemed comparatively difficult. Besides, leaders from both the two big parties “buy” votes in our elections. Rural people are poor and many votes could be “bought” by money. Illiteracy is also more prevalent in Rural areas which makes it all the more difficult to make these people understand – everything we want them to understand.

So what do you do? How do you plan for winning votes in Rural areas?

The solution came to me immediately!

We have the privilege of counting upon

8.4 million+ subscribers of Grameen Bank and

3.5 million+ Madrasha students and members of Madrasha governing bodies.

Add to that – farmers from Rural regions.

Bangladesh is an agro-based country. We have enthusiastic personalities in our civil society with reach and capacity to organize the farmers all over the country.
[Areas Of Expertise: #Election Campaigning  #Political Strategy ]

The most important element that assured me of Nagorik Shakti’s success was the fact that:
From the outset – I felt deep desire for Nagorik Shakti’s success – among hundreds of thousands of people involved. They were prepared to give everything to the endeavor – absolutely everything.
When so many people work towards something with so much heart, there is no alternative but success!   

We have finalized Organizational Structure of the party and the initial nominations.

Next on our list: Party Registration and Public Announcements.

Our Successes So Far 

[written on April 18, 2014]

Once you setup exemplary protests, show people that they can have their own rights if only they are united, they let go of the fear they previously had and gain the courage to protest for their own rights.

We are giving people the voice, showing people ways so that they can gain their own rights.

 

We are showing that oppressors are few in number, and in reality, the oppressed are the more powerful. All it requires is to get united. Once people are united, there is no force that can stop them from gaining the rights they deserve and stopping oppression.

We are watching excitedly the actions people are taking with their newly found power in different parts of the country. For now, it’s scattered, but once public announcement for Nagorik Shakti has been made, our efforts will be more organized.   


Our dream is a Bangladesh free from all forms of corruption and crime. It’s a huge goal and we are making huge strides.

Some of our successes include

  • Control measures against illegal drugs.
  • Closing torture cells of politicians (including 5 Members of Parliament).
  • Reduction of Corruption.
  • Stand against Hartal (devastating to our economy)
  • Political Awareness among the youth of Bangladesh
  • Most importantly, showing people way to gain what they rightfully deserve and stop oppression.


Bangladesh is poised to leave behind India, Pakistan, Sri Lanka and other neighbouring countries in all the economic, social and other indicators and emerge as a economic powerhouse in near future. 


We are ready to stretch our helping hands towards the government – for the greater good of the people and the country. 


Nagorik Shakti means Citizens’ Force, and that’s what we believe we truly are – a force for the citizens, a force by the citizens, a force of the citizens of Bangladesh. 

References

Politics In Bangladesh
 
Looking Back At The Birth Of Bangladesh

war crime is a serious violation of the laws and customs of war (also known as international humanitarian law) giving rise to individual criminal responsibility. Examples of war crimes include “murder, the ill-treatment or deportation of civilian residents of anoccupied territory to slave labor camps,” “the murder or ill-treatment of prisoners of war,” “the killing of hostages,” “the wanton destruction of citiestowns and villages, and any devastation not justified by military necessity.”[1] [4]



Crimes against humanity, as defined by the Rome Statute of the International Criminal Court Explanatory Memorandum, “are particularly odious offenses in that they constitute a serious attack on human dignity or grave humiliation or a degradation of human beings.”[1] They are not isolated or sporadic events, but are part either of a government policy (although the perpetrators need not identify themselves with this policy) or of a wide practice of atrocities tolerated or condoned by a government or a de facto authority. Murderexterminationtorturerape;politicalracial, or religious persecution; and other inhumane acts reach the threshold of crimes against humanity only if they are part of a widespread or systematic practice. Isolated inhumane acts of this nature may constitute grave infringements of human rights, or—depending on the circumstances—war crimes, but are not classified as crimes against humanity.[2] [5]

 
 

When Crime And Corruption Are Intermingled With Politics

“The stock market capitalization of the Dhaka Stock Exchange in Bangladesh crossed $10 billion in November 2007 and the $30 billion mark in 2009, and USD 50 billion in August 2010.” And then Market capitalization reached one third of its earlier value (from USD 50 billion to approximately USD 17 billion).

“A probe committee was formed to investigate the stock market crash on 24 January 2011,[2] with former Bangladesh Bank Governor Ibrahim Khaled heading the four-man high-powered committee.[2]

The committee provided their findings after three months, on 7 April. It identified an array of chicanery performed by some 60 influential individuals that resulted in the recent market crash.[32] The committee interviewed all members of both the DSE and CSE, and consulted journalists and analysts before presenting their report.[2] The committee found various irregularities, including the existence of omnibus accounts, that allowed some market players to make exorbitant profits at the expense of the retail investors.[32] Among the 60 identified primarily included chairman of Beximco and the mastermind of the 1996 market crash Salman F Rahman, former DSE president Rakibur Rahman, SEC chairman Ziaul Khandaker, SEC member Mansur Alam and BNP politician Mosaddek Ali Falu.[32] The report mentioned that pro-government business tycoons, including Salman and Rakibur, exerted influence within the SEC by influencing the appointment of its members.[32] The report ended with recommendations to reform the SEC drastically[17] and asked the government to publish the names of the influential players and to remain cognizant in countering their influences.” [1]

“Beximco topped the turnover leaders with 1,05,61,200 shares worth Tk 310.81 crore being traded, which was 8.56 percent of total turnover.” [2]


  1. 2011 Bangladesh share market scam
  2. Bulls on a leash
  3. Fresh innocents to the slaughter
  4. Revenge of the innocents
  5. দুর্নীতি দূরীকরণ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নতি


 
 
  Beautiful Bangladesh




Beautiful Bangladesh Prepares For Change


 

“India should learn from neighbouring Bangladesh about how to tap the energy of women in its efforts to spur development, according to Nobel Prize-winning economist Amartya Sen.

“In most of the social indicators, Bangladesh has gone ahead of India,” said Sen. “The lesson here is about focusing on women and gender: led not just by state policy but also by the NGOs which are so important in Bangladesh: they have consistently focused on women’s agency in particular.

Women can play a key role in efforts to change the focus of policy, Sen believes, pointing to the model of Bangladesh, which has surpassed India on most social indicators in part because of an official focus on women.

“As a result, a much higher proportion of workers, like schoolteachers, family planning workers, health carers, immunisation workers, and even factory workers are women in Bangladesh than in India. This latent energy of women is something that hasn’t yet been tapped so much in India, ” he says.

“But some of Bangladesh’s achievements have come from independent thinking, and its pride in being both Muslim and Bengali in its culture. This has been very favourable to mobilising the power of women.”

“The two countries that India can learn most from right now are Bangladesh and China,” Sen says.” [3]

  1. Economy Of Bangladesh
  2. Next Eleven
  3. India should learn from neighbouring Bangladesh: Amartya Sen
  4. Bangladesh has been surprisingly good at improving the lives of its poor – Economist
  5. U.S. Foreign Policy in South Asia: A Vision for Prosperity and Security
  6. Bangladesh ahead of India in gender equality: Amartya Sen
  7. Bangladesh: Innovation for Universal Health Coverage – The Lancet
  8. What’s happening in Bangladesh? By Amartya Sen
  9. নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সামাজিক অগ্রগতিঃ প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ


Nagorik Shakti
  1. নাগরিক শক্তির প্রতীক্ষায় দেশের নাগরিক সমাজ, রাজনীতিবিদরা ও জনগণ
  2. নাগরিক শক্তিঃ সংগঠন (Organization Of Nagorik Shakti)
  3. নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে গনজোয়ার
  4. Application Of Data Analytics, Mining, Machine Learning & Network Science To Election Campaign Strategy
  5. নাগরিক শক্তির সোশ্যাল মিডিয়া স্ট্রাটেজি
  6. নাগরিক শক্তির ইলেকশান ক্যাম্পেইন স্ট্রাটেজি
  7. নাগরিক শক্তির শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা
 
Our Successes So Far
  1. স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নাগরিক শক্তির অগ্রযাত্রা
  2. “মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে অগ্রযাত্রা
  3. বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশী হত্যা-নির্যাতনের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই
  4. জনতার ঐক্যের শক্তির মাধ্যমে অন্যায় এবং অন্যায়কারীকে রুখে দাঁড়ানো – ১
  5. জনতার ঐক্যের শক্তির মাধ্যমে অন্যায় এবং অন্যায়কারীকে রুখে দাঁড়ানো – ২

জঙ্গিবাদ দমনে চাই জাতীয় ঐক্য

“ময়মনসিংহের ত্রিশালে আজ রোববার সকালে প্রকাশ্যে প্রিজনভ্যানে গুলি চালিয়ে ও বোমা মেরে জঙ্গি মামলার তিন আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ সময় গুলিতে এক পুলিশ সদস্য নিহত হন। এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) আহত হন প্রিজনভ্যানে থাকা পুলিশের তিনজন সদস্য। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কে ত্রিশালের সাইনবোর্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, ছিনিয়ে নেওয়া তিন আসামিই নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সঙ্গে যুক্ত।”

সূত্র – জেএমবির তিন দুর্ধর্ষ জঙ্গি প্রকাশ্যে ছিনতাই

আয়মান আল-জাওয়াহিরির বক্তব্য কি জঙ্গিদের উত্তেজিত করেছে?

ইসলাম শান্তির ধর্ম। হজরত মুহম্মদ (সঃ) মক্কা বিজয়ের পর শান্তি ও সংযমের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, আজকের দিনের মুসলিমদের কাছ থেকেও আমরা একই আচরণ প্রত্যাশা করি। শান্তির ধর্ম ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে সন্ত্রাস এবং অন্যান্য ঘৃণ্য কার্যকলাপ সংগঠিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।

“জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করতে হলে এর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিক পদক্ষেপ নিতে হবে এবং তাতে দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে একত্র করা জরুরি।

সরকার জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে, এটি অবশ্যই ভালো দিক। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক যে, এর সঙ্গে রাজনৈতিক মতৈক্য প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেই; বরং দোষারোপের রাজনীতি চলছে। সম্প্রতি পুলিশের গাড়ি থেকে জঙ্গি ছিনতাইয়ের যে ঘটনা ঘটল, তা নিয়েও অভিযোগের তির ছুড়ছে একে অপরের বিরুদ্ধে। এর অর্থ, জঙ্গিবাদের বিষয়টি কেউ-ই গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে না। এ থেকে দলীয় ফায়দা লোটার চেষ্টা চালাচ্ছে উভয় পক্ষ।

আমাদের সমাজটি মারাত্মকভাবে বিভাজিত। রাজনৈতিকভাবে যেমন, তেমনি মতাদর্শিকভাবেও। যেসব গোষ্ঠী বা সংগঠন ধর্ম নিয়ে কাজ করে, তাদের মধ্যে একধরনের বিচ্ছিন্নতাবোধ কাজ করে। এর কারণ যা-ই হোক, রাষ্ট্র বা সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সেই বিচ্ছিন্নতা বাড়তে না দেওয়া এবং তাদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনা। কেননা, সামাজিক সংঘবদ্ধতাই রাষ্ট্রের নিরাপত্তার পূর্বশর্ত। এর অর্থ এই নয় যে যারা সন্ত্রাস করছে বা জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ, সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে না।

বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ হলেও ধর্মান্ধ নন। তবে ধর্মপ্রাণ মানুষ আহত হন এমন কিছু করলে জঙ্গিবাদীরা সেই সুযোগ নিতে পারে। অন্যদিকে শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিভাজনটি অনেক বেশি প্রকট। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই এই বৈষম্য দূর করতে হবে, শিক্ষার বিস্তার ঘটাতে হবে।

আয়তনে বাংলাদেশ ছোট হলেও এর রয়েছে বিশাল জনগোষ্ঠী। এত বড় সমাজে কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে জঙ্গি মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এর জন্য রাজনৈতিক, শিক্ষাগত, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

সর্বোপরি জঙ্গিবাদ নির্মূলে চাই রাজনৈতিক ঐকমত্য। বিরোধী দলের সঙ্গে যতই মতবিরোধ থাকুক না কেন, এ ব্যাপারে সরকারের উচিত হবে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসা।”

সূত্র – জঙ্গি দমনে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন

এরপর

এরা কি ছাত্র সংগঠন নাকি সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য

“রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ রোববার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর অস্ত্র হাতে চড়াও হয়েছেন ছাত্রলীগের কর্মীরা। এ সময় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা পিস্তল উঁচিয়ে শিক্ষার্থীদের গুলি করে ও ইটপাটকেল ছোড়ে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। পরে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে রাবার বুলেট, ছড়রা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে পুলিশ। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি ফয়সাল আহমেদ, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাকিম বিল্লাহ ও সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত সালামকে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি ছুঁড়তে দেখা যায় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।”

সূত্র – রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্ত্র উঁচিয়ে ছাত্রলীগ, পুলিশের গুলি

“রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গত রোববারের হামলার সময় যে ছয়জনকে অস্ত্র হাতে দেখা গেছে, তাঁদের পাঁচজনই ছাত্রলীগের নেতা। বাকি একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে গতকাল পর্যন্ত অস্ত্রধারী কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
যে পাঁচজনের পরিচয় জানা গেছে তাঁরা হলেন ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নাসিম আহাম্মেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান ও ফয়সাল আহাম্মেদ, পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মুস্তাকিম বিল্লাহ এবং বিগত কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সুদীপ্ত সালাম।
গত রাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম প্রথম আলোকে জানান, নাসিম আহাম্মেদ ও শামসুজ্জামানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
নাসিম আহাম্মেদ ছাত্রলীগ কর্মী আবদুল্লাহ আল হাসান হত্যা মামলার আসামি। তাঁকে ২০১২ সালের ২ অক্টোবরও ক্যাম্পাসে অস্ত্র হাতে দেখা গেছে। পরদিন পত্রিকায় সে ছবি ছাপা হয়েছে।
সুদীপ্ত সালামও এর আগে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা না করে পুলিশ অসামাজিক কাজের অভিযোগে মামলা করেছিল। ওই মামলায় তিনি জামিনে আছেন।
দুই বছরেও প্রথম বর্ষ থেকে দ্বিতীয় বর্ষে উঠতে না পারায় গত বছর ৫ ফেব্রুয়ারি নেতা-কর্মীদের নিয়ে গিয়ে নাসিম আহাম্মেদ তাঁর বিভাগের পাঁচটি কক্ষের কাচের দরজা এবং সাতটি জানালার কাচ ভাঙচুর করেন। ভেঙে ফেলা হয় কক্ষগুলোর সামনে থাকা প্রায় ১২টি ফুলের টব। সাংবাদিকেরা ছবি তুলতে গেলে নাসিম আহাম্মেদ অস্ত্র বের করে তাঁদের হুমকি দেন এবং ধারণ করা ছবি মুছে ফেলতে বাধ্য করেন।
পুলিশ পেটানোর অভিযোগও আছে সুদীপ্তের বিরুদ্ধে। ২০১১ সালের ৩০ ডিসেম্বর শাহ মখদুম হলে এক পুলিশ সদস্যকে মারধর করেন তিনি। তবে এ ঘটনায় তখন কোনো মামলা হয়নি।”

সূত্র – অস্ত্রধারীরা ধরা পড়েনি

“রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের করা চার মামলার কোনোটিতেই ছাত্রলীগের অস্ত্রধারী কোনো নেতাকে আসামি করা হয়নি। আসামি করা হয়েছে আন্দোলনকারী প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতা ও শিক্ষার্থীদের।

মতিহার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শামসুন নূর বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যা অভিযোগ দিয়েছে, আমরা সে অনুযায়ীই মামলা করেছি।’ “

সূত্র – অস্ত্রধারীদের আসামি করা হয়নি

“এক বৈধ অস্ত্র বিক্রেতা ও বৈধ অস্ত্র ব্যবহারকারীর মারফত জানতে পারলাম, যে পিস্তল দিয়ে রাবির ছাত্রলীগ নেতা ইমন গুলি করছিলেন, তার ব্র্যান্ডের নাম বেরেটা টমক্যাট। দাম তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুখ্যাত ক্যাডার এবং পরে সাংসদ হওয়া অভি নাকি চা-সিগারেট খেতেন না হাত কাঁপবে বলে। ছাত্রশিবিরের বন্দুকবাজদেরও তুখোড় নামডাক আছে। ছাত্রলীগের ক্যাডাররা অভিকে না পেলে শিবিরের ক্যাডারদের কাছ থেকে অস্ত্র চালনা শিখতে পারে।

তিন লাখ সাড়ে তিন লাখ টাকার অস্ত্র যে চালায়, তাকে চালাতে দলের কত টাকা লাগে? সেই টাকা কোথা থেকে জোগাড় হয়?

আর যাঁদের তাক করে সে গুলি করেছে, তাঁরা ‘সামান্য’ কয় টাকার বেতন বাড়ানো নিয়ে আন্দোলন করা ‘সস্তা’ ছাত্রছাত্রী।

পত্রিকা আর টিভিতে ইমনদের পিস্তলের বাহাদুরির পাশাপাশি এ রকম কিছু প্রজার ছিদ্রময় পিঠের ছবি এসেছে। অবশ্য গুলি-বন্দুক কিনতে সরকারকে কত টাকা ব্যয় করতে হয়, তা আমরা জানি না। সেই টাকায় কতজনের পড়ালেখার খরচ রাষ্ট্র দিতে পারত, তা-ও জানা নেই। পুলিশের অস্ত্র, জলকামান, টিয়ার গ্যাস ইত্যাদি কিনতে তো টাকার অভাব হয় না; অভাব হয় কেবল বিশ্ববিদ্যালয় চালাতে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, রাজশাহীর ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। গত বছর জগন্নাথ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নির্যাতন করেছিল, তাদের কারোরই কি শাস্তি হয়েছে? জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জুবায়েরকে যারা কুপিয়ে হত্যা করেছিল, তাদের কি আটক করে আদালতে তোলা হয়েছে? এসব আশ্বাস মনকে ক্লান্ত করে। বিশ্বজিতের হত্যাদৃশ্য সমগ্র দেশবাসীর হূদয়ে যে হাহাকার আর ধিক্কারের জন্ম দিয়েছিল, তার ধাক্কায় খুনিদের বিচার হয়েছে। কিন্তু যে ছাত্রলীগকে মাস্তানি, খুনোখুনি, মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকতে দেখা যায়, যে সংগঠনের হাতে রয়েছে ইমনের পিস্তলের চেয়েও ভয়ংকর অস্ত্র, সেই ছাত্রলীগ নিয়ে আমরা কী করব? ছাত্রশিবিরের সন্ত্রাসকে আমরা ঘৃণা করেছি, ছাত্রলীগের বেলায় কি সেই ঘৃণার মনকে ঘুমিয়ে রাখব?

ইতিমধ্যে ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র ফেডারেশন ও বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর নেতা-কর্মীসহ ৫০ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়েছে। সেই পাঁচ তরুণ শিক্ষকেরই বা কী হবে, যাঁরা ছাত্রলীগের ক্যাডারদের সামনে বুক চিতিয়ে বলেছিলেন, ‘ওদের মারতে হলে আমাদের বুকের ওপর দিয়ে যেতে হবে।’ সেই পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের উসকানি দেওয়ার অভিযোগের তদন্ত হবে।”

সূত্র – ছাত্রলীগের দামি পিস্তল ও কিছু সস্তা জীবন

“রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের অস্ত্রধারীরাই সংগঠনের কমিটিতে বড় পদ পেয়েছেন। গত কমিটিতে এ রকম অন্তত চারজন স্থান পেয়েছেন, যাঁরা অতীতে প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপরে চড়াও হয়েছিলেন।

ছাত্রলীগের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম তৌহিদ আল হোসেন ওরফে তুহিন। ২০১২ সালের ২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষের সময় তৌহিদকে পুলিশের সামনে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি ছুড়তে দেখা গেছে। পরদিন সে ছবি পত্রপত্রিকায় ছাপা হয়েছিল। গত বছরের ২২ আগস্ট দুর্বৃত্তরা তাঁর হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়। এর জন্য ছাত্রলীগ শিবিরকে দায়ী করে।

২০১২ সালের ২ অক্টোবরের ওই ঘটনায় তৌহিদের পাশাপাশি পিস্তল রেব করে গুলি ছুড়তে দেখা যায় ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার তৎকালীন সহসভাপতি আখেরুজ্জামান ওরফে তাকিমকে। ছাত্রত্ব না থাকলেও ২০১২ সালের জুন মাসে গঠিত ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তিনি সহসভাপতির পদ পেয়েছিলেন। এই বছরের ১৫ জুলাই রাতে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কর্মী আবদুল্লাহ আল হাসান ওরফে সোহেল রানা গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন এবং পরে মারা যান। অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার সূত্রপাত ঘটিয়েছিলেন আখেরুজ্জামান ও তখনকার সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদ আল হোসেন। ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর দুর্বৃত্তরা আখেরুজ্জামানের বাঁ পায়ের ও একটি হাতের রগ কেটে দেয়। এরপর তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হন।”

সূত্র – অস্ত্রবাজেরা উঁচু পদে

“সন্ত্রাস চালিয়ে, শিক্ষার্থীদের জোর করে বের করে দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণার পর এখন সেখানে প্রশাসন, সরকার দলীয় সন্ত্রাসী আর পুলিশ রাজত্ব করছে। এদের মুখে যতই মাস্তানী হাসি থাকুক এরা পরাজিত। বিজয়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, যারা ক্ষতবিক্ষত হয়েও পাবলিক বা সর্বজনের বিশ্ববিদ্যালয় রক্ষার নৈতিক লড়াই অব্যাহত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় মানে হল এটি সমাজের, সর্বজনের, সকল মানুষের আগ্রহী ও মেধাবী সন্তানদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের দায়িত্বগ্রহণকারী প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা। অর্থবিত্ত বা ক্ষমতা নয়, মেধাই যাতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পথে একমাত্র নির্ধারক হয় তা নিশ্চিত করে সমাজে উচ্চশিক্ষার পথ প্রশস্ত ও নিশ্চিত করাই এই ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হবার কথা। সরকারের অর্থ বলে কিছু নেই, সবই জনগণের অর্থ। সরকার এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক নয়, মালিক সমাজ, সমাজের সর্বজন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এমনকিছু করতে পারে না যা সর্বজনের শিক্ষার ক্ষেত্রটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে কিংবা তার সুযোগ সংকুচিত হয়। সরকার বা মন্ত্রণালয়কে খুশি করা বা তাদের মনমতো চলা নয়, মুনাফার লক্ষ্য নিয়ে নয়, বিশ্ববিদ্যালয় চলতে হবে ‘সর্বজনের মালিকানা, কর্তৃত্ব এবং শিক্ষার অধিকার’ নিশ্চিত করবার নীতি কেন্দ্রে রেখে।”

– আনু মুহাম্মদ

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসব অস্ত্রধারি সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্তদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার সময় এসেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সরকারি ছাত্র সংগঠনের অস্ত্রধারীদের প্রতিরোধ করে সরকারকে এদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করতে হবে।

আরও

“সিলেটের মদনমোহন কলেজে ভর্তি বাণিজ্য করে প্রায় ৭০ লাখ টাকা লুটকারী সেই ‘বদমাশ’ ছাত্রনেতাদের গ্রেফতার করতে নির্দেশ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

শুক্রবার বিকেলে তিনি কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে পুলিশকে এ নির্দেশ দেন।
এসময় অর্থমন্ত্রী ছাত্রলীগের স্থগিত রাখা কলেজ কমিটির সভাপতি অরুণ দেবনাথের নেতৃত্বে ভাঙচুর করা কলেজ অধ্যক্ষের কার্যালয়সহ বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন।”

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে অপরাজনীতির এটি একটি রিয়েল পিকচার।” 

সূত্র – ‘বদমাশ’ ছাত্রনেতাদের গ্রেফতারের নির্দেশ অর্থমন্ত্রীর 

সন্ত্রাসমুক্ত সাম্প্রদায়িকতামুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে জনগণের ঐক্য

জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশী কোন দল না। একই নামে পাকিস্থানের একটি রাজনৈতিক দলের বাংলাদেশের শাখা ছিল এটি ৭১ পর্যন্ত। ৭১ এ তারা সক্রিয় ভাবে পাকিস্থানি সেনা বাহিনীকে সমর্থন করেছিল এবং গণহত্যায় অংশ নিয়েছিল। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ এবং নির্যাতন চালিয়েছিল। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মাধ্যমে নতুন দেশকে পঙ্গু করে দেওয়ার পরিকল্পনায় ও তারা ছিল।

স্বাধীনতা যুদ্ধের বেশ কয়েক বছর পর তারা বাংলাদেশে সক্রিয় ভাবে রাজনীতি শুরু করে।

জামায়াতে ইসলামীর সাথে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবির।

আমরা মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হওয়ার পর জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসী এবং রাষ্ট্র বিরোধী কার্যকলাপ (পুলিশের উপর হামলা, জাতীয় পতাকা অবমাননা) লক্ষ্য করেছি।

এর আগে ২০০১ সালে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপর হামলায় আমরা ৭১ এর প্রতিচ্ছবি দেখেছিলাম। একই ছবি এবারের নির্বাচনের সময় ও দেখা গেলো।

“রগ কাটা” শিবির হিসেবে তাদের কার্যকলাপ এবার মিডিয়ায় উঠে এসেছে।

২০০১ এর পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানে জামায়াত শিবিরের প্রশ্রয় আমরা লক্ষ্য করেছি।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে নাগরিক শক্তি বদ্ধপরিকর।

জামায়াত- শিবিরের যেসব সদস্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত নাগরিক শক্তি অন্য সব সন্ত্রাসীদের মতই তাদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাবে। এরা এখনও মনে প্রাণে ৭১ এর পূর্বের পাকিস্তানি চেতনাকে ধারণ করে।

কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে, স্বাধীনতার সময়ে যাদের জন্মই হয়নি তাদেরও এরা ইসলামী চেতনা, লোক দেখানো আদর্শের কথা বলে দল ভারি করার চেষ্টা করেছে।

আমাদের লক্ষ্য হবে তরুণ প্রজন্মকে বিপথে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা। যাদের ভুল বুঝিয়ে ভুল পথে নেওয়া হয়েছে, তাদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা।

মহানবী হজরত মুহম্মদ (স) আমাদের শিখিয়েছেন “দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ”।
আর যারা বিনা অপরাধে মানুষ খুন করতে পারে, তাদের মুখে ইসলামের কথা মানায় না।

এ লক্ষ্যে দেশের সব বয়সের সব শ্রেণী পেশার মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে।

ইসলামী চেতনার কথা বলে এবং সন্ত্রাসীদের ভাড়া করে তারা আক্রমণাত্মক কার্যকলাপ চালিয়ে শক্তি দেখাতে পারে। কিন্তু বেশ কয়েক মাস আগের জরিপে আমরা দেখেছিলাম, জামায়াত ইসলামীর সমর্থন শতকরা ৩ ভাগের কম। এ কয়েক মাসে নিবন্ধন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা এবং নাক্কারজনক কার্যকলাপের মাধ্যমে তাদের সমর্থন আরও বেশ খানিকটা কমেছে।

আমরা প্রচেষ্টা চালালে শুধুমাত্র ৭১ এর মানবতাবিরধী অপরাধী এবং কতিপয় চরমপন্থী (Extremist) সন্ত্রাসী ছাড়া জামায়াত-শিবির বলে কিছু থাকবে না।

নাগরিক শক্তি দেশের জনগণকে সেই লক্ষ্যে নেতৃত্ব দেবে।


রেফরেন্স 
[2] Bangladesh Jamaat-e-Islami
[3] Global Terrorism & Insurgency Attacks Rapidly Increase in Five Years, According to IHS Jane’s Terrorism and Insurgency Centre

আরও 
[1] জামাত নিষিদ্ধের দাবি ও বাস্তবতা
[2] জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীসহ ১৪ জনকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দেওয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামি।
[3] বিশ্বের বেসরকারি সশস্ত্র সংগঠনের তালিকায় শিবির

“২০১৩ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সবচেয়ে সক্রিয় অরাষ্ট্রীয় সশস্ত্র সংগঠনগুলোর তালিকায় তৃতীয় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ইসলামী ছাত্র শিবির।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএইচএস জেইন টেরোরিজম অ্যান্ড ইনসার্জেন্সি সেন্টার তাদের জরিপের ভিত্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

তাদের জরিপ অনুযায়ী, এধরনের অরাষ্ট্রীয় সশস্ত্র সংগঠনের মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে থাইল্যান্ডের বারিসান রেভোলুসি নাসিওনাল এবং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তালিবান। এরপরেই রয়েছে বাংলাদেশের ইসলামী ছাত্রশিবির।

আইএইচএস’র ওয়েবসাইটে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। বিভিন্ন দেশের উন্মুক্ত সূত্র থেকে প্রাপ্ত উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতিবছর আইএইচএস জেইন টেরোরিজম অ্যান্ড ইনসার্জেন্সি সেন্টার সূচক অনুযায়ী এ তালিকা প্রস্তুত করা হয় প্রতিষ্ঠানটির ভোক্তাদের জন্য।

১৯৯৭ সাল থেকে আইএইচএস জেইন এ ধরনের উপাত্ত সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে আসছে বলে জানানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে।

স্বাধীনতার আগে জামায়াতে ইসলামী এই ছাত্রসংগঠনটির নাম ছিলো ইসলামী ছাত্রসংঘ। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ‘ইসলামী ছাত্রশিবির’ নাম নিয়ে পুনরায় আত্নপ্রকাশ ঘটে সংগঠনটির।

২০১২ সালের শেষদিকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতাদের বিচার প্রক্রিয়া শুরুর পরপরই পুলিশের ওপর ঝটিকা মিছিল থেকে হামলা চালানো শুরু করে ইসলামী ছাত্র শিবির।
এরপর বিভিন্ন সময়ে নাশকতা ও চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা ও আহত করার জন্য সংগঠনটিকে দায়ী করে আসছে সরকার ও পুলিশ।”
 – ‘তৃতীয় বৃহত্তম সশস্ত্র সংগঠন ছাত্রশিবির’

Economic Progress through Eradication of Corruption and Establishment of Rule of Law (দুর্নীতি দূরীকরণ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতি)

Economic Progress through Eradication of Corruption and Establishment of Rule of Law

রাজনীতিতে নানা হতাশার মাঝে বাংলাদেশের যে কটা বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আমরা গর্ব করতে পারি তার একটা হল গত দশ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে দেশের উচ্চ জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার (৬-৭%)। অপরদিকে, একটি ক্ষেত্র রয়েছে যেটিতে আন্তর্জাতিক বিশ্বে আমাদের অবস্থান লজ্জাজনক – দেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা
  • দুর্নীতি কমিয়ে দিতে পারলে আরও অনেক কিছুর সাথে যে ব্যাপারটি ঘটবে তা হল, আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বেশ খানিকটা বেড়ে যাবে।
  • আইনের শাসন প্রতিস্থিত হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার আরও বাড়বে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জমি দখল বন্ধ হলে সাধারণ জনগণের সম্পত্তি জনগণের কাছেই থেকে যাবে।
  • প্রবৃদ্ধির হারে আরও যোগ হবে যদি ভয় দেখিয়ে জনগণকে হরতাল পালনে বাধ্য করার সংস্কৃতি বন্ধ করা যায়।

দেশে দুর্নীতি করে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে (হলমার্ক কেলেঙ্কারি ইত্যাদি)।

জনগণের টাকা “কালো টাকা”য় রূপান্তরিত হচ্ছে এবং এই কালো টাকা চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে। এই সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনতে পারলে জিডিপি বেশ খানিকটা বাড়বে।

 

একটা রুই-কাতলা আকারের দুর্নীতি ছিল পদ্মা সেতু দুর্নীতি। পদ্মা সেতু দুর্নীতি দেশের ৩ কোটি জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে দিয়েছে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি, শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণকে থামিয়ে দিয়েছে।

কুইক রেন্টাল দুর্নীতি আরেকটি বড় আকারের দুর্নীতি।

দুর্নীতি হ্রাস পেলে অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলো যোগ্য ব্যক্তিদের হাতে নাস্ত হবে এবং যোগ্য ব্যক্তিরা অধিকতর দক্ষতার সাথে কর্ম সম্পাদন করবেন (অযোগ্য বেক্তিদের দুর্নীতি করে, ঘুষ দিয়ে পদ দখল বন্ধ হবে)।

কথায় আছে, গুণীর কদর না হলে সে দেশে গুণী জন্মায় না। ভাল কাজের, দক্ষতার, মেধার মূল্যায়ন হলে প্রত্যেকে আরও ভাল কাজ করবে, দেশের চেহারা পাল্টে যাবে। দুর্নীতি দূরীকরণ বাবসা সহজ করায় ভূমিকা রাখবে। বাবসায়িদের পদে পদে ঘুষ-চাদা দিতে হবে না। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে।

জনগণকে জোর করে হরতাল-অবরোধ পালনে বাধ্য করাকে রুখে দিতে পারলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে। হিসাব মতে – একদিনের হরতালে ক্ষতি হয় প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। বাস্তবে ক্ষতি আরও বেশি বলেই আমরা মনে করি। সেই সাথে আছে “জালাও-পোড়াও” – যানবাহন, কারখানা কোন কিছুই এর হাত থেকে রেহাই পায় না। দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি আরও অনেক বেশি – বিদেশি বিনিয়োগ কারিরা কি হরতাল দেখে পিছিয়ে পড়েন না?

ভারতের মাথাপিছু জিডিপি (পিপিপি) $3,991, পাকিস্তানের $3,144, আর বাংলাদেশের $2,083। [2013]
বাংলাদেশের জিডিপির মোট আকার – $324.628 বিলিয়ন। ধরা যাক, শীর্ষ দুর্নীতিবাজদের কালো টাকা দেশে ফিরিয়ে এনে বিনিয়োগ করা হল এবং তাতে ১ বছরে পণ্য এবং সেবার আকার বাড়ল $108 বিলিয়ন। তাহলে মাথাপিছু জিডিপি হবে $2,776।

এক হিসাব মতে, দেশের শীর্ষ ৯০ জন ধনী বেক্তির সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ $15 বিলিয়ন।

$15 বিলিয়ন কতটুকু তা বুঝতে আমরা বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের দিকে তাকাই। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ৩ ধনী কার্লোস স্লিম, বিল গেটস এবং ওয়ারেন বাফেটের প্রত্যেকের সম্পদের পরিমাণ $55 থেকে $75 বিলিয়ন ডলার। বিশ্বে বিলিয়নেয়ার (প্রায় সাত হাজার আটশ কোটি টাকার মালিক) আছেন ১৪২৬ জন [2]

দুর্নীতি রুখে দিতে পারলে এবং সেই সাথে বাবসা-বিনিয়োগ-উদ্যোক্তা-শিল্প বান্ধব পরিকল্পনা হাতে নিয়ে বাস্তবায়ন করতে পারলে মাথাপিছু আয়ের দিক দিয়ে বছরখানেকের মাঝে ভারত-পাকিস্তান দুই প্রতিবেশীকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব

“নেক্সট ইলেভেন” [4] এ থাকা ১১ টি দেশের একটি বাংলাদেশ – একদিন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে এমন স্বপ্ন আমরা দেখতেই পারি।

রেফরেন্সঃ

মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে সহিংসতা

প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের বিধান ইসলাম এ আছে। প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা না হলে সমাজে বিশৃঙ্খলা – নৈতিক অবক্ষয় দেখা দেয়। অপরাধীরা মনে করে অপরাধ করেও আইনের উরধে থাকা যাবে। মানবতাবিরধী অপরাধীদের বিচার না হলে দেশে আবার মানবতাবিরধী অপরাধ ঘটতে পারে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সব অপরাধীকেই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

ইসলাম শব্দটি এসেছে “সালাম” থেকে; সালাম অর্থ “শান্তি”। 

ইসলাম শান্তির ধর্ম। বিনা বিচারে সহিংসতা, বিনা অপরাধে কারও উপর আক্রমণ ইসলাম সমর্থন করে না। আর বিনা কারণে মানুষ হত্যা কত বড় পাপ। (৭১ এ যারা খুন, নারীদের সম্ভ্রমহানি করেছে বা করতে সহায়তা করেছে তাদের রক্ষার জন্য ২০১৩ তে আরও খুন? এরাই নিরপরাধ বেক্তিকে খুন করার লক্ষ্যে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল অন্যের ভিত্তিহীন উদ্দেশ্য প্রণোদিত গুজবে প্ররোচিত হয়ে – এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে। কোন রকম বিবেক বিবেচনার ধার না ধেরে মানুষ হত্যা – এটা কিরকম বর্বরতা।) ইসলাম রক্ষার নামে সহিংসতায় উৎসাহিত করা কাউকে জেনে বুঝে বিপথে পরিচালিত করার নামান্তর মাত্র। 

হজরত মুহম্মদ (স) আমাদের শিখিয়েছেন “দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ।” নিজের দেশের সম্পদ ধ্বংস করে কি আমরা ঈমান থেকে দূরে সরে যাচ্ছি না?

দেশবাসির প্রতি অনুরোধ, সবাই যে যার অবস্থানে থেকে দেশের যুব সমাজকে বিপথে নিয়ে যাওয়ার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন। শান্তির পথে, কল্যাণের পথে ফিরিয়ে আনবেন।

আমরা প্রত্যাশা করি, আমাদের যুব সমাজ ভাল-মন্দের পথ নির্ধারণে অন্যের কথায় অন্ধভাবে পরিচালিত না হয়ে নিজেদের বিচার-বুদ্ধি কাজে লাগাবেন।

আর যারা এই আহ্বানে কর্ণপাত না করে সহিংসতা, মানুষ হত্যা অব্যাহত রাখবেন, তাদের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

অন্ধকারাচ্ছন্ন রাজনীতির বদলে স্বপ্নের বাংলাদেশ

আমরা যারা আদর্শ রাজনৈতিক দলের স্বপ্ন দেখি আমরা জানি আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হলে বিপুল সম্ভনাময় এই দেশকে আমরা সবাই মিলে কোথায় নিয়ে যেতে পারব। জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী পেশা নির্বিশেষে জনগণের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আমরা প্রাণশক্তিতে ভরপুর বিশাল তরুন প্রজন্মকে নিয়ে বাবসা বান্ধব, শিল্প বান্ধব, উদ্যোক্তা বান্ধব এবং সর্বপরি অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালী একটি দেশ গড়ে তুলবো।

আমরা আরও জানি আমরা এগিয়ে না এলে কি ঘটবে।.
গডফাদারদের হাতে সাধারণ মানুষের খুন টর্চার অব্যাহত থাকবে।
গুজব রটিয়ে মানুষ হত্যা, ঘরবাড়ি পোড়ান অব্যাহত থাকবে।
হরতালে “জ্বালাও পোড়াও” এর মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার ক্ষতি, দেশের অর্থনীতি ধ্বংস চলতে থাকবে।
বিনিয়োগ কারিদের থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে ঠকানো অব্যাহত থাকবে।
প্রতিটি কাজে ঘুষ, দুর্নীতির প্রয়োজন হবে।
আমাদের দেশের সরকারি দলের হাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় রাজনীতিবিদরা আইনের উরধে উঠে যান। নিজেদের আইনের উরধে ভাবায় এদের মধ্য থেকে দেশে কিছু দানবের জন্ম হয়েছে। এসব দানবরা চাঁদাবাজি, খেলাপি ঋণের অর্থ দিয়ে কি করে? টর্চার সেলে গুন্ডা, মাস্তানদের বেতন দিয়ে মানুষকে কষ্ট দিতে দিতে খুন করা হয়। নারীদের উপর চালানো হয় নির্যাতন। ভূমিদস্যুর ভূমিকায় হয় জমি দখল। মানুষকে ছলে বলে কৌশলে খারাপ কাজ করতে বাধ্য করে গোপন ক্যামে ধারণ করা হয়। বেডরুম, বাথরুমের কার্যকলাপ পর্যন্ত গোপনে ধারণ করা হয়। খেলাপি ঋণের, চাঁদাবাজির টাকা দিয়ে এরা ভোট কেনেন। ভোট না দিলে নির্যাতন, খুন করার জন্য টর্চার সেল তৈরি থাকে। মাস্তান, গুণ্ডারা এসব দানবের পাশে থেকে আইনের উরধে থাকার নিশ্চয়তা পায়। কিন্তু একটু এদিক ওদিক হলে তাদের ভাগ্যেও জোটে টর্চার এর মাধ্যমে খুন।
এসব দানবের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করার দায় আমরা এড়াতে পারি না।
আমাদের বাবসায়িদের রাজনীতিবিদদের চাঁদা দিয়ে বাবসা করতে হয়। তার বিনিময়ে এই চাঁদাবাজ রাজনীতিবিদরা বাবসা বান্ধব, শিল্প বান্ধব, উদ্যোক্তা বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কতটুকু করেন? দেশের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া এবং বাস্তবায়ন আশা করাতো অলীক স্বপ্ন কল্পনার ব্যাপার।
আমরা যারা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছি, আমরা স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবকিছু করতে পারি। আমাদের আশে পাশের মানুষকে সেই স্বপ্নে উদ্বুদ্ধ করা দরকার।

Crime in Psycho-Social Context

Crime is doing something that harms others or doing something that hurts others or that might hurt others if they ever become aware. If someone harms another, then the harmed is also hurt, so “hurt” is more general but “hurt” is not a measurable quantity. (Related – the principle of karma) 


Why do people commit crime? 

Personal gain and revenge.

Suppose A feels that B has not obeyed the orders of A in a particular instance and that has hurt A. If A punishes B, then that action might include both: personal gain (subordinates get scared and follow A) and revenge. Psychopaths are an exceptional breed. They take pleasure in hurting others. Same thing happens to those who are obsessed with all their life events in which they have been mistreated. People also transfer anger / revenge from one person to another, from one situation to another. We find angry people showing anger (being unable to show anger to superiors or equals) to subordinates, family members who can’t defend themselves from the wrath of the angry person. Revenge can lead to other revenges. (A hurting B or A feeling that B has hurt him, then B taking revenge, then A taking revenge in return.)

Unhappiness, mistreat makes us revengeful. The world is not perfect. Almost everyone is mistreated (or more correctly, almost everyone “feels” that he / she is mistreated) someway someday – no one gets what he / she deserves everyday. But you can still be happy – external conditions don’t make you unhappy, it’s how you interpret your external conditions, what you expectations are, that make you feel happy / unhappy. If you don’t brood how you were mistreated, but instead think of how much fortunate you are in comparison to others and count on God’s blessings you can be happy. Unhappy, revengeful people get more easily inclined towards crime. We need more happy, fulfilled people and less unhappy people. 

Children from broken families don’t get the guidance, love they need in the initial stage. If they are mistreated, or if they feel that they are mistreated, they become revengeful. We need more of loving stronger families, more of stable marriages. Children need the guidance, love and economic support, which gets bolstered by joined efforts of both the parents. 

Like all other affairs of life, committing crime can also become a habit. (Thinking patterns are habit too.) Concentrating on a particular aspect of life e.g., how much everyone around makes a person suffer can also become his / her habit. Punishing / torturing others for anything someone doesn’t like can also become a habit. (For behavior modification, finding out the “habits” that are the root cause of crime of a criminal could be one of the first steps.) So, if a child doesn’t get guidance from the family, feels that he / she is mistreated, becomes revengeful, commits crime and if not taken into account, makes it a habit. – An example of how things might go awfully wrong gradually if unchecked.

The law enforcement agencies should include psychologists / psychiatrists / sociologists to look for abnormal, obsessive behavior among people in all walks of life. Technological solutions e.g., data mining, sentiment analysis, emotion detection etc. might help us in this regard. Lots of research and investigation into psychology, psychiatry, sociology would shed more light. Abnormalities can be brought back to normal (by applying principles and practices from Psychology, Psychiatry, Religious Principles / Eastern philosophies) before things get worse. 

People want to feel good about themselves and they want others (especially people they care about) to feel good about themselves. It is so much more satisfying when you feel that you have earned something yourself. And if you love others deeply, help others earnestly, try to make others happier, you receive love, respect, help in return. This is the greatest reward a man / woman can have. (Look around you. People who are loved by others are usually very nice people, at least better than others that make them stand out.) Whenever you feel an irresistible urge to do something that might hurt others / do harm to others someway someday, remind yourself again and again that someday all your sins would be public, and imagine – feel the shame, hatred (in others’ minds), imagine – feel how people you care about would react / feel. It will help you resist the urge / temptation. (Have you ever had this experience? Feeling of shame, guilt etc.? Always keep it in mind. Has anyone praised you for doing something good (that made you feel really happy)? Keep it in mind too. Make the experiences and the associated feelings guide you. But don’t brood too much in the past. Just help it guide you. You can’t change your past, but you can “always” make the future beautiful.) Imagine-feel how life could have been if you didn’t have some of the things, some of the blessings you have. Now, feel happy and express gratitude. Sincerely believe that whatever you want in life can be achieved without hurting others / doing harm to others. You can even go one step further and begin to shape your desires so that the outcome is desirable to others. Then you can pull off together with others’ help, with greater force than if you were alone! Imagine a life full of mutual love and respect with people you care about! Find love! (It’s not just our romantic partners that we want to feel good about ourselves. We want our parents {Parents start off the process. During our childhood, when they say “Never do it”, we refrain from it and when they encourage us, we make it a habit.}, children, respected people, nice people, relatives and others to feel good about ourselves.) Your loved ones will inspire you!

In a society where people from all walks of life are treated equal and can pursue the life of their dreams, where law and order is strictly maintained, where everyone is held accountable for their deeds, people won’t hurt / harm others for personal gain and people would rely on law enforcement authority for judgment instead of taking revenge. Moreover, in a society where anyone can become anyone he / she wants to be, people are happier, more satisfied and more fulfilled and happier people are more empathetic, compassionate – people who care not only about themselves but also others.