আজকের উপলব্ধিতে নাগরিক ঐক্য [০৯.০৯.১৫]

 

শিক্ষা Education

যেকোন গোলমেলে পরিস্থিতিতে উপস্থিত নারীদের নিরাপদ দূরত্বে যেতে অনুরোধ করতে হবে এবং না সরা পর্যন্ত কর্মকান্ড স্থগিত রাখতে হবে। এই ন্যূনতম ভদ্রতাটুকু প্রত্যেক বাংলাদেশীর মাঝে থাকতে হবে।

 

চলতি বছরের বাজেটে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের উপর আরোপিত সাড়ে সাত শতাংশ বাড়তি ভ্যাট প্রত্যাহার করা হোক

Economics 101: Budget and Taxation

একটা দেশে সরকার ট্যাক্স, ভ্যাট (VAT – ভালু-অ্যাডেড ট্যাক্স) কেন আরোপ করে?

জনগণের উপর ট্যাক্স আরোপ করা হয় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এবং দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য।

বর্তমান সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি ভ্যাট আরোপের যৌক্তিকতা আছে কি?

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আমরা লক্ষ্য করি।

দেশে দুর্নীতি কিন্তু অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে।

হরতাল – অবরোধের সংস্কৃতি বিলোপের পথে।

কমার্শিয়াল অ্যাক্টিভিটিস পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো, যেমন – ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ট্রান্সপোরটেশান, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ফাইনান্স বা অর্থসংস্থান, তথ্যপ্রযুক্তিগত সেবা, ফাইনান্সিয়াল টেকনোলজি, লজিস্টিকস বা পণ্য পরিবহণ – প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে খুব সম্প্রতি ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে।

ফলে Ease of Doing Business এর দিক দিয়ে বাংলাদেশ খুব দ্রুত অনেকখানি এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশ কিন্তু অনেকটা হঠাৎ করেই প্রতিবেশী দেশগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে / ছাড়ানোর পথে।

Ease of Doing Business এর ফলশ্রুতিতে দেশে ইকোনমিক এবং কমার্শিয়াল অ্যাক্টিভিটিস উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। কমার্শিয়াল অ্যাক্টিভিটিসের উপর রয়েছে সরকারের নির্ধারিত ট্যাক্স। ফলে দেশের উন্নয়নের সমান্তরালে সরকারের ট্যাক্স আদায়ের পরিমাণও বাড়ছে।

গত এক বছরে পাবলিক ইউটিলিটিস-র (বিদ্যুৎ, গ্যাস, ওয়াটার সাপ্লাই) বিল পরিশোধে দুর্নীতি কমেছে। একইভাবে কাস্টমসে শুল্ক আদায়ে দুর্নীতি আমরা অনেকখানি কমিয়ে এনেছি। এই ক্ষেত্রগুলো থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে সরকারের অর্থ আদায়। 

ইন্ডিকেটরস বলছে, চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ট্যাক্স আদায় হবে। পরিবর্তিত অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে উচ্চশিক্ষার উপর বাড়তি ভ্যাট আরোপ অপ্রয়োজনীয় বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

আমরা মনে করি, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের উপর আরোপিত ভ্যাট মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর উপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে।  

চলতি বছরের বাজেটে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের উপর আরোপিত সাড়ে সাত শতাংশ বাড়তি ভ্যাট অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হোক।

 

নাগরিক ঐক্য #Nagorik

রাজনৈতিক সংস্কার #PoliticalReform

ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী

ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী

“ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী সাম্প্রতিক সময়ে দলে ‘আদর্শগত সংস্কার’ (Ideological Reform) এর উপর গুরুত্বারোপ করছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ হারিয়ে দলটি বর্তমানে ‘আদর্শগত সংকট’ (Ideological Crisis) এ রয়েছে।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, সঠিক আদর্শ ধারণ করে দেশের জন্য কাজ না করলে বিরোধী দলের নেতৃত্বেই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে।”

বাণিজ্য ও অর্থনীতি Business & Economy

Transportation 

Textile & Garment

নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা #WomenEmpowerment #HeForShe

মাদকমুক্ত বাংলাদেশ  #StopDrugTrafficking  #Nagorik

National Security

International: Syrian Civil War

Economics 101: Inflation (ইকোনমিক্স ১০১: মূল্যস্ফীতি)

দেশে উৎপাদিত মোট পণ্য ও সেবার পরিমাণ স্থির থেকে যদি অর্থ সরবরাহ বেড়ে যায় – তবে মূল্যস্ফীতি ঘটে।


একটা Economy কল্পনা করি – তুমি আর আমি – আমাদের দুজনকে নিয়ে।

আমার কাছে দুটি ফুটবল আছে আর তোমার কাছে আছে চারটি টেনিস বল।
আমার কাছে আছে ১০০ টাকা। আবার তোমার কাছেও আছে ১০০ টাকা।

এখন তুমি টেনিস বলগুলোর প্রতিটির জন্য ২৫ টাকা করে দাবি করতে পারবে। আবার আমি ফুটবল প্রতিটির জন্য ৫০ টাকা দাম দাবি করতে পারব।
আমি ৬০ টাকা দাবি করতে পারি, কিন্তু তখন আমি শুধু ১টা ফুটবল বিক্রি করতে পারব (তোমার কাছে আছেই তো ১০০ টাকা)।

এখন ধরা যাক, আমাদের মোট বলের সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকল, কিন্তু আমাদের আত্নীয়ের পাঠানো ফরেইন রেমিটেন্সের মাধ্যমে আমার কাছে ১৬০ টাকা, তোমার কাছে ১৬০ টাকা হল।

এখন আমি যেহেতু জানি, তোমার কাছে ১৬০ টাকা আছে, তাই আমার কাছে থাকা ফুটবল দুটির প্রত্যেকটির জন্য তোমার কাছে ৮০ টাকা দাবি করতে পারবো।
এভাবে ফুটবলের দাম বেড়ে গেল।

পণ্য ও সেবার পরিমাণ (আমাদের Economy তে বলের সংখ্যা) অপরিবর্তিত থেকে অর্থ সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায়
আমাদের Economy তে মূল্যস্ফীতি (Inflation) ঘটেছে।  

আবার ধরা যাক, তোমার কাছে ১৬০ টাকা আছে দেখে আমি আরও ২টা ফুটবল উৎপাদন করলাম। 
এখন মোট ফুটবলের সংখ্যা ৪টি।

এখন আমি প্রতি ফুটবলের জন্য ৪০ টাকা দাম ধরলে ৪টা ফুটবলই বিক্রি করতে পারবো।
এখানে অর্থ সরবরাহ এবং পণ্য ও সেবা উৎপাদন দুটোই বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতি ঘটেনি।   


আমাদের দেশে গত এক দশকে লক্ষ্য করছি – ফরেইন রেমিটেন্স যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে জমি-ফ্ল্যাটের দাম

জমি-ফ্ল্যাটের এই দাম বৃদ্ধির সাথে অবশ্যই ফরেইন রেমিটেন্স বৃদ্ধির সম্পর্ক রয়েছে।
আমাদের দেশে জমির পরিমাণ কিন্তু বাড়ছে না।

এভাবে সবকিছুর দাম হু হু করে বেড়ে গেলে – তা অবশ্যই ভাল কিছু না।

ফরেইন রেমিটেন্স বা অন্য যে কোনভাবে দেশে অর্থ সরবরাহ বেড়ে যাওয়া যদি দেশে পণ্য ও সেবা উৎপাদন বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে তবে তা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ভাল হবে এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

Economics 101: Price Control in Market through monitoring of Supply (ইকোনমিক্স ১০১: বাজারে সরবরাহ মনিটারিং এর মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ)

আমরা জানি, যে জিনিসটি যত বেশি দুর্লভ – তার মূল্য তত বেশি। আমরা হীরা (Diamond) বা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের কথা ভাবতে পারি (নিলামে অনেক অর্থে বিক্রি হয়)। 

বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় কোন পণ্য বা খাদ্যদ্রব্যের সরবরাহ কমে গেলে, ক্রেতারা বেশি দাম দিয়ে হলেও কিনতে বাধ্য (আপনি তো না খেয়ে থাকতে পারবেন না! দোকানি যে দাম চায় – দিতেই হবে)।

ধরা যাক, বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেলো। তখন আমি আপনি সবাই বেশি দাম দিয়ে হলেও বাজার থেকে পেঁয়াজ কিনতে বাধ্য।
কিন্তু বাজারে সরবরাহ যদি যথেষ্ট থাকে, তখন দোকানি ভাবে, আমি যদি বেশি দাম দাবি করি তাহলে তো আমার দোকান থেকে কেউ কিনবে না। সরবরাহ অনেক। অন্য দোকান – যেখানে দাম কম – সেখান থেকে কিনবে। কাজেই বাজারে সরবরাহ যথেষ্ট থাকলে দোকানি ন্যায্য দাম দাবি করতে বাধ্য।

অর্থনীতি (Economics)র এই সত্যটিকে কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে পণ্যের সরবরাহ  কমিয়ে দেন (বিদেশ থেকে আমদানি করা বা দেশের কৃষকদের থেকে কেনা পণ্য)। ফলে দাম বেড়ে যায়।

যেসব অসাধু ব্যবসায়ী একটি পণ্য (যেমন – ইলিশ মাছ) বাইরের উৎস থেকে বাজারে সরবরাহ করেন – সবাই একজোট হয়ে বাজারে পণ্যটির (ধরি, ইলিশ মাছ) সরবরাহ কমিয়ে দিতে পারেন। একেই বলে সিন্ডিকেট।   

আমাদের দেশে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন এই অসাধু ব্যবসায়ীরা।


Related Links

“ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা পেঁয়াজের মূল্য প্রতি মেট্রিক টন পাঁচশ পাঁচ ডলার থেকে কমিয়ে তিনশ পাঁচ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে ভারত সরকার। শুক্রবার সকালে পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য কমানোর এ ঘোষণা দেয় ভারতের মূল্য নির্ধারণী সংস্থা ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কো অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (ন্যাফেড)।” 
ভারত সরকারের এই ঘোষণা প্রশংসার দাবিদার!