Stimulating Research in Universities

 

Stimulating research in Universities:

  1. Introduction of High quality Journals, Conferences, Workshops.
  2. Promotion of Faculty members based on research quality (no. of citations, etc.) and output (number of publications).
  3. Government role: Increased spending on R&D in annual budget.
  4. Government role: Government research grant based on merit of fund seeker and of proposal.
  5. Academia – Industry collaboration: Publication a way of attracting fund from Private sector. Stimulating private sector to collaborate with Academia on research projects.
    • Academia – Industry collaboration promotes high quality research as faculty members strive for solving real problems rather than concentrate solely on increasing number of publications.
  6. Collaboration among Government research laboratories, Academia & Industry.

Higher Education Reform & Development Plans II

 

Higher education reform:

  1. Course, Course content modernization.
  2. Gradual replacement of descriptive questions in exams with problem-based questions (gradual so that questions never go beyond students’ abilities), especially for engineering, science majors. Medicine: gradual increase of clinical case questions in exams.
  3. Problem solving culture among students (CSE, Mechanical Engineering, Physics, Mathematics) -> Better prepared for Industry.
  4. Emphasis on practical, lab work, Projects (engineering, science majors).

Outline of Development Plan for Bangladesh I: Economy, Education (বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা ১: অর্থনীতি, শিক্ষা)

 

Economic Development 

  1. Outline of Economic Development Plan for Bangladesh (বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা)
  2. Economic Ideology for Political Party in Bangladesh (বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের জন্য অর্থনৈতিক মতাদর্শ)
  3. Reform in Financial Sector: Outline of Development Plans (ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমে সংস্কার: উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা)
  4. Entrepreneurship Development (উদ্যোক্তা উন্নয়ন)
  5. Economic Progress through Eradication of Corruption and Establishment of Rule of Law (দুর্নীতি দূরীকরণ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতি)

Reform in Education Sector

  1. Outline of Reform and Development plan in Education Sector (শিক্ষা খাতে সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা)
  2. Education Development Plans (শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনা)
  3. Higher Education Reform & Development Plans I (উচ্চশিক্ষা সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা ১)
  4. Entrepreneurial Plans in Education (শিক্ষায় উদ্যোগের পরিকল্পনা)
  5. Introduction of Ranking System for Improvement of Universities (বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান উন্নয়নে র‌্যাংকিং সিস্টেম প্রবর্তন)
  6. “Developed Bangladesh in light of Knowledge”: Enabling Excellence in Education through merit-based Competitions (“জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”: মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধন)
  7. The ‘Culture’ of Mathematical Olympiad in Bangladesh (বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াডের সংস্কৃতি)
  8. Let hateful crime of question paper leak be stopped (বন্ধ হোক দেশে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘৃণ্য অপরাধ)
  9. Integrated Admission Test for Universities (বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা)
  10. ‘No VAT on Education’ Movement
  11. Dreams of a Research Institute (Research Institute নিয়ে স্বপ্ন)
  12. Knowledge Based Economy
  13. Higher Education Reform & Development Plans II
  14. Stimulating Research in Universities
  15. Gaining excellence in Education by establishing Center for Learning and Knowledge (জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জ্ঞানের বিকাশ)

Lessons in Economics with Applications

  1. Economics 101: Price Control in Market through monitoring of Supply (ইকোনমিক্স ১০১: বাজারে সরবরাহ মনিটারিং এর মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ)
  2. Economics 101: Inflation (ইকোনমিক্স ১০১: মূল্যস্ফীতি)
  3. Economics 101: Budget and Taxation

The ‘Culture’ of Mathematical Olympiad in Bangladesh (বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াডের সংস্কৃতি)

“মধুর সমস্যায় পড়েছেন বৃষ্টি শিকদার ও সৌরভ দাশ – Harvard University, Cambridge University, Massachusetts Institute of Technology (MIT), California Institute of Technology (Caltech), Stanford University, Duke University সহ বিশ্বের নামীদামি ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সবাইকে। কিন্তু বেছে নিতে পারবেন মাত্র একটি। কোনটি বেছে নেবেন এই দুই মেধাবী? [12]”


এটা কিভাবে ঘটেছে?

 
ঘটেছে বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াড সংস্কৃতি সূচনার মাধ্যমে। 
 
সেই গল্পই বলছি আজকে।
 
শুনতে থাকুন! 
 

বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াডের সংস্কৃতির সূচনার পর বেশকিছু পরিবর্তন আমরা লক্ষ্য করছি।

আমরা লক্ষ্য করছি, অনেকগুলো ছেলেমেয়ে প্রতিদিনের একটা অংশ গভীর আগ্রহ নিয়ে গাণিতিক সমস্যা সমাধানে  ব্যয় করে।
Exercise vs Problem Solving

স্কুল কলেজে আমরা যে গণিত করি – ওটা হল Exercise করা।
Physical Exercise করার সময় আমরা যেমন একই নিয়মে অনুশীলন করে যাই (হোক অনুশীলনটা শারীরিক) – স্কুলে কলেজে আমরা গণিত করার সময় অনেকটা ওরকমই করি – কিছু নির্দিষ্ট ধাপ মেনে একই নিয়মে অনুশীলন করে যাই। 
ধর, তুমি দুটো সংখ্যাকে গুণের নিয়ম (Rules) শিখে নিলে – প্রথমে সবচেয়ে ডানের অঙ্ক দুটোকে গুণ, তারপর হাতে রাখলাম, তারপর …।
এরপর তুমি যখন বই-এ দেওয়া Exercises থেকে দুটো সংখ্যাকে নিয়ম মেনে গুণ কর – তখন Exercise (অনুশীলন) কর (ঐ যে বলছিলাম – একই নিয়মে অনুশীলন)।
যারা Computer Science পড়েছ তারা জানো – এভাবে নির্দিষ্ট কিছু ধাপ (Step by step) মেনে সমস্যা সমাধানকে Computer Science এর পরিভাষায় বলে Algorithm.
অলিম্পিয়াডের সমস্যাগুলোর (Mathematical Problems) মজার ব্যাপারটা কি জানো?
গণিত অলিম্পিয়াডের সমস্যাগুলো সমাধানে – এই যে কোন ধাপের পর কোন ধাপ মেনে সমস্যা সমাধান হবে – ওটা নিজেকে ভেবে বের করতে হয়। অন্যকথায়, গণিত সৃষ্টি করতে হয়। 
Computer Science এর পরিভাষায় বলা যায় Algorithm টা নিজেকে দাঁড় করাতে হয়। 
ব্যাপারটা এভাবে ভেবে দেখো –
ধর, দুটো সংখ্যাকে কিভাবে গুণ বা একটা সংখ্যা দিয়ে অপর একটা সংখ্যাকে কিভাবে ভাগ করতে হবে – সেই নিয়ম তোমাকে কেউ শিখিয়ে দেয় নি। নিজেকে ভেবে বের করতে হবে – কিভাবে দুটো সংখ্যাকে গুণ করা যায় বা একটা সংখ্যা দিয়ে অপর একটা সংখ্যাকে ভাগ করা যায়।
গণিত অলিম্পিয়াডে এমন সব সমস্যা সমাধান করতে হয় – যে সমস্যা সমাধানের উপায় বা নিয়ম তোমাকে কেউ শিখিয়ে দেয় নি – তোমাকে ভেবে বের করতে হবে! অর্থাৎ গণিত সৃষ্টি করতে হবে!   

আমরা বলি, স্কুল কলেজে তোমরা Exercise কর, আর গণিত অলিম্পিয়াডে আমরা “Problem Solving” করি!
কাজেই যারা এখনও Problem Solving কর না, আশা করছি তোমরা দ্রুত আমাদের দলে যোগ দেবে!

যারা Problem Solving করে তাদের অনেক ভাবতে হয়। ভাবতে গিয়ে তাদের “নিউরনে অনুরনন” হয়! তারা অনেক ভালভাবে চিন্তা করতে, বিশ্লেষণ করতে শেখে। 
গণিত অলিম্পিয়াড সূচনার পর একটা প্রজন্ম গড়ে উঠছে যাদের গড় IQ আগের প্রজন্মগুলোর তুলনায় বেশি। নতুন প্রজন্মের এই ছেলেমেয়েরা অনেক ভালভাবে চিন্তা করতে পারে। আমাদের দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দৈনিক এ নিজের ছবি দেখা, বিশ্ব প্রতিযোগিতায় নিজ দেশকে represent করা – অনেক বড় inspiration। 

এই মেধাবী ছেলেমেয়েগুলো যখন দেশ ও সমাজের দায়িত্ব নেবে, তখন আমরা নতুন একটা দেশ গড়ে তুলবো।
সেই লক্ষ্যে প্রস্তুতির জন্য আমাদের কিশোর তরুণ গণিতবিদদের কিছু কাজ করতে হবে:
গাণিতিক সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে চিন্তা করার, বিশ্লেষণ করার যে ক্ষমতা বিকশিত হয়েছে, সেই ক্ষমতাকে আশেপাশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রয়োগ করা শুরু করতে হবে। 
বই পড়ে যা-ই শিখছ – তাকে বাস্তব জীবনে কিভাবে প্রয়োগ করা যায় – ভাবতে হবে। 
আমার লেখা পড়লে দেখবে – জ্ঞান (Knowledge) কে আমি চারপাশের জগতে, জীবনের প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে প্রয়োগ করি। জীবনে চলি – জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে – Mathematics, Engineering, Economics, এমনকি Politics! Knowledge based Life – বলতে পারো! 
আর দেরি না – জ্ঞান ভিত্তিক জীবন (Knowledge based Life) শুরু হোক আজ থেকে!
 
ফিরে আসি গণিত অলিম্পিয়াডে।
Dreams & Aspirations
Mathematical Olympiad for Primary School students!
আমরা লক্ষ্য করেছি, গণিত অলিম্পিয়াডের অনুষ্ঠানগুলোতে অনেক ভাল ভাল কথা হয়। আলোকিত মানুষ হওয়ার, দেশকে ভালবাসার অনুপ্রেরণা পায় ছেলেমেয়েরা। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা দেশের গুণী মানুষদের কাছ থেকে দেখার সুযোগ পায়, প্রশ্ন করতে পারে, কথা বলতে পারে এবং এমনকি চাইলে অটোগ্রাফও নিতে পারে!


দুটা চমৎকার ব্যাপারের একটা হল

  • “গণিত শেখো, স্বপ্ন দেখো” থিম – অনেকগুলো ছেলেমেয়ে নিজের জীবন নিয়ে দেশ নিয়ে বড় বড় স্বপ্ন দেখছে এবং তার চেয়েও বড় কথা স্বপ্নগুলোকে বিশ্বাস করছে [14]। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী দেশের শিশুকিশোর গণিতবিদদের কাছে যে ৩টি স্বপ্নের কথা বলেছিলেন তাদের মাঝে ছিল ২০২২ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী গনিতবিদের ফিল্ডস মেডল জয় এবং ২০৩০ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর নোবেল পুরষ্কার জয়। আমাদের ক্ষুদে গণিতবিদরাও এই স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে নিজেদের তৈরি করছে। 
  • আরেকটা হল একেবারে ক্লাস থ্রি – ফোরের ছেলেমেয়েরা ড. জাফর ইকবালের ভাষায় “পেন্সিল কামড়ে” অঙ্ক করতে আসে!

 

Admission in World class Universities

আমরা লক্ষ্য করেছি, বাংলা মাধ্যমের বেশ কিছু ছেলেমেয়ে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেল এ পড়ার সুযোগ পেয়েছে। মুন পড়ছে Harvard University তে [1], নাজিয়া MIT তে [2] (তা নাহলে “MIghTy” শব্দটা এভাবে লেখা আমরা কোত্থেকে শিখতাম!), ইশফাক Stanford University তে [3], তানভির Caltech এ [4] (আমাদের শ্রদ্ধেয় প্রফেসর ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এই বিশ্ববিদ্যালয়ে Post-Doctoral Researcher হিসেবে কর্মরত ছিলেন) [5], সামিন Cambridge University তে [6]।

আগে অ্যামেরিকা, ইউরোপ, এশিয়া বা অস্ট্রেলিয়ার গ্রাজুয়েট স্কুলগুলোতে আমরা এমএস বা পিএইচডি করতে যেতাম। ইংরেজি মাধ্যমের অবস্থাসম্পন্ন ছেলেমেয়েরা পড়তে পারত আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলে। কিন্তু “বাংলা মাধ্যম” থেকে “স্কলারশিপ নিয়ে” “আন্ডার গ্রাজুয়েট” লেভেলে “বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে” পড়তে যাওয়াটা নতুন!

“বাংলা মাধ্যম” থেকে “স্কলারশিপ নিয়ে” “আন্ডার গ্রাজুয়েট” লেভেলে “বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে” পড়ার পথ দেখানোর কৃতিত্বের একক দাবিদার বাংলাদেশ গণিত দলের কোচ ড. মাহবুব মজুমদার  [7]; যিনি MIT থেকে Electrical Engineering এ আন্ডারগ্রাড, Stanford University থেকে Civil Engineering এ মাস্টার্স এবং Cambridge University থেকে Theoretical Physics এ PhD করে Imperial College এ [8] Post Doctoral করছিলেন। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের সাথে সম্পৃক্ত হন এবং স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশে থেকে যান। 

১৯০৫ এ আইনস্টাইনের “Miracle Year” [10] স্মরণে ২০০৫ সালের বাংলাদেশ জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াডে আইনস্টাইন এবং পদার্থবিজ্ঞানের উপর একটা প্রশ্ন উত্তর পর্ব ছিল। সেখানে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলাম। তাই গণিত ক্যাম্পে ড. মাহবুব মজুমদার আগ্রহের সাথে পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করতেন। মেক্সিকোয় যাওয়ার আগে প্রেস কনফারেন্সে তিনি স্ট্রিং থিউরির [11] একটা পেপার নিয়ে হাজির!   

Success at IMO
আরেকটা ব্যাপার লক্ষ্য করার মত। আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে আমাদের সাফল্যের মাত্রা দ্রুত বাড়ছে [15] [16]। আমাদের কিশোর – তরুণ গণিতবিদরা ২০০৬ সালে প্রথমবারের মত অনারেবাল মেনশান, ২০০৯ সালে প্রথমবারের মত ব্রোঞ্জ মেডেল, ২০১২ সালে প্রথমবারের মত সিলভার মেডেল জয় করে এনেছে। আমরা আশা করছি, এই ধারা অব্যাহত রেখে বাংলাদেশ গণিত দল ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড থেকে গোল্ড মেডেল নিয়ে ফিরবে! গোল্ড মেডেল জয়ী সেই গণিতবিদ হতে পারো তুমিই!

Participation in APMO

আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের পাশাপাশি আমাদের ক্ষুদে গণিতবিদরা এশিয়ান-প্যাসিফিক ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াডে (এপিএমও) অংশগ্রহণ করছে এবং পদক জয় করে আনছে [16]।

Books on Mathematics, Math Olympiad for University students and the start of a new ‘Culture’

আমি শিরোনামে “সংস্কৃতি” শব্দটির উল্লেখ করেছি। এর সবচেয়ে বড় কারণ অবশ্যই বাংলাদেশের ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের গণিত তথা মেধার চর্চা। কিন্তু এই মেধা চর্চার ঢেউ এসে লেগেছে আমাদের সংস্কৃতির নানা অঙ্গনে, নানা অংশে। গণিত চর্চার জন্য প্রকাশিত হচ্ছে বই [13]। একুশের বই মেলায় গণিতের বইয়ের স্টলে ভিড় জমাচ্ছে ছেলেমেয়েরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে নিয়মিত গণিত অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হচ্ছে [17]।

Science Olympiads

গণিত অলিম্পিয়াড সূচনা এবং সাফল্যের পর বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে অলিম্পিয়াড শুরু হয়েছে।

  • পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (Physics Olympiad)
  • রসায়ন অলিম্পিয়াড (Chemistry Olympiad)
  • জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড (Biology Olympiad)
  • প্রাণরসায়ন অলিম্পিয়াড (Biochemistry Olympiad)
  • ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াড (Informatics Olympiad) 
    • কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। আমাদের স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েরা এখন আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় মেডেল জয় করে আনছে! ভাবা যায়!  


Volunteers
গণিত অলিম্পিয়াডের এই সংস্কৃতি সম্ভব হয়েছে কিছু তরুণ – তরুণীর স্বেচ্ছা কর্মোদ্যোগে। আমরা তাদের “মুভারস” (MOVERS – Math Olympiad Volunteers) বলে জানি। একটা শুভ উদ্যোগে দেশের তরুণ তরুণীদের উৎসাহী অংশগ্রহণ আমাদের প্রাণশক্তিতে ভরপুর তরুণ প্রজন্মকে সংজ্ঞায়িত করে।


নাগরিক শক্তি গণিত অলিম্পিয়াডের এই সংস্কৃতিকে দেশে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেবে।



– ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক; সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।

তরুণ প্রজন্ম এখন নেতৃত্ব নিতে সক্ষম
– ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

ভর্তি, মান ও দক্ষ জনশক্তি
– ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।



তোমাদের জন্য লেখা





আরও কিছু লেখা




বাংলাদেশে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড




রেফরেন্স

  1. Harvard University
  2. MIT
  3. Stanford University
  4. California Institute Of Technology
  5. Dr. Muhammed Zafar Iqbal
  6. Cambridge University
  7. Dr. Mahbub Majumdar
  8. Imperial College
  9. A painful funny story
  10. Einstein’s Miracle Year
  11. String Theory
  12. এমআইটির পথে…
  13. গণিতের জাদু বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
  14. গণিত শেখো স্বপ্ন দেখো: জাতীয় গণিত উৎসব বিশেষ সংখ্যা: ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা
  15. আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড: এবার তিনটি ব্রোঞ্জ পেল বাংলাদেশ
  16. এপিএমওতে বাংলাদেশের দুটি ব্রোঞ্জ পদক
  17. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড

Latest From Science, Engineering, Medicine & Innovation [12.24.14]

Education : Platforms & Services

Reinvention of University Education 

Factors:

  1. Funding Crisis (Student Debt, Rising tuition fees, etc.)
  2. Tech Revolution (MOOCs, Big Data, Education delivered through Computers – Cheaper alternative)
  3. LifeLong Learning Demands in an age of Rapid Technological Progress

Economist Report : Reinvention Of University Education

20140628_FBP001_1

“Three disruptive waves are threatening to upend established ways of teaching and learning:

  • a funding crisis
  • a technological revolution …  An explosion in online learning, much of it free
  • whereas universities used to educate only a tiny elite, they are now responsible for training and retraining workers throughout their careers” 
    • [Note: Rapid Technological Progress calls for Lifelong Learning].

From TIME Summit On Higher Education 2013

Policy-Makers On Reinvention of University Education

Scientific American & Nature Special Report [2013]: Learning In The Digital Age

Forbes 2014 Philanthropy Summit On Education

Smart Car

smart.carx299

This electric car, retrofitted to drive itself, is being tested in Singapore.

           

“Singapore plans to let anyone test driverless cars in one of its busy neighborhoods in 2015. 

The city-state will open one of its neighborhoods to driverless cars in 2015, with the idea that such vehicles could operate as a kind of jitney service, picking up passengers and taking them to trains or other modes of public transportation.

the government wants to explore whether autonomous vehicles could reduce congestion and remake the city into one built around walking, bicycling, and public transit.”

Dealing With Climate Change:

Case Study: Costa Rica, Brazil & Indonesia

23FOREST-slide-O45T-jumbo

“Developed Bangladesh in light of Knowledge”: Enabling Excellence in Education through merit-based Competitions (“জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”: মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধন)

 

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিটি পর্যায়ে 

  • গণিত অলিম্পিয়াড 
  • বিভিন্ন বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড 
  • প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা
  • রবোটিক্সসহ ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিযোগিতা
  • উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতার সংস্কৃতি 

দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
নতুন নতুন প্রতিযোগিতার সূচনা করা হবে।

শিক্ষার্থীরা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। বিভিন্ন অলিম্পিয়াড, প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে মেধাবী জাতি গড়ে তোলা হবে। 

ছাত্র – ছাত্রী, কিশোরকিশোরী, তরুণ-বৃদ্ধ সবাই অবসরে ধাধার সমস্যার সমাধান করবে। মেধা-বুদ্ধি শানিত করবে। সূচনা হবে নতুন সংস্কৃতির। প্রত্যেকে হয়ে উঠবেন চিন্তাশীল, মেধাবী, বুদ্ধিমান।

গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত গণিত অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান প্রকল্প এর সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

দেশের ইন্ডাস্ট্রিগুলো জটিল নানা সমস্যা, ব্যবসায়ের নতুন আইডিয়া / ব্যবসা পরিকল্পনাকে  – শিক্ষার্থীদের জন্য মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় রূপান্তরিত করবেন।

দেশে hackathon ধরণের আধুনিক প্রতিযোগিতা শুরু হবে। আমি এ ব্যাপারে সর্বাত্নক সহায়তা করবো।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।






“মধুর সমস্যায় পড়েছেন বৃষ্টি শিকদার ও সৌরভ দাশ।

বৃষ্টি শিকদার ও সৌরভ দাশ হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি, কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি), ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (ক্যালটেক), স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ডিউক ইউনিভার্সিটিসহ বিশ্বের নামীদামি ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সবাইকে। কিন্তু বেছে নিতে পারবেন মাত্র একটি। কোনটি বেছে নেবেন এই দুই মেধাবী? [12]”

এটা কিভাবে সম্ভব হয়েছে?

 
সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াড সংস্কৃতি সূচনার মাধ্যমে। 
 
সেই গল্পই বলছি আজকে।
 
শুনতে থাকুন!”
 
 







 






(30.09.14)

“প্রোগ্রামার ও অ্যাপ নির্মাতাদের নিয়ে নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘জাতীয় মোবাইল হ্যাকাথন’মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে সড়ক, নৌদুর্ঘটনা, মাতৃস্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান খুঁজতে এই হ্যাকাথন অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, জাতীয় মোবাইল হ্যাকাথনে এক হাজারেরও বেশি প্রোগ্রামার, ফ্রিল্যান্সার, শিক্ষার্থী ও অ্যাপ নির্মাতা অংশ নেবেন বলেই তাঁরা আশা করছেন। এরই মধ্যে এই হ্যাকাথনে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন-প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিবন্ধন করা যাবে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত। 
হ্যাকাথনে অংশগ্রহণকারীরা ৩৬ ঘণ্টাব্যাপী প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সলিউশনের প্রোটোটাইপ (নমুনা সমাধান) তৈরি করবেন। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে কাজ করবেন। এ প্রতিযোগিতায় ৩০ জন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ প্রতিযোগিতার মূল্যায়নের দায়িত্বে থাকবেন। বিজয়ী ১০ জন পাবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার। এ ছাড়া তাঁদের প্রকল্পগুলো পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সহযোগিতা করবে।”


লিংক



 

“ভারতের পুনেতে অনুষ্ঠেয় “রোবোকন ২০১৪” নামে রোবট প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) তিন ছাত্র।
অংশগ্রহণকারী ছাত্ররা হচ্ছেন চুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র সাবির হুসাইন ও মানস চক্রবর্তী এবং তড়িত্ কৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র রাজিব হাসান। দলের ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে রয়েছেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক সজল চন্দ্র বণিক।


– চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দলটির জন্য শুভকামনা রইল।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করা হবে। 


 

“এবার এসিএম আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার বিশ্ব চ্যাপিয়নশিপে সারা পৃথিবীর ৪০টি আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ১২২টি দল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে যোগদানের যোগ্যতা অর্জন করেছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ১২টি সমস্যার মধ্যে তিনটির সমাধান করে ১৯তম স্থান দখল করে।

দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতিযোগিতায় যাতায়াতের ব্যয়ভার ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস ডার্টমাউথের প্রভোস্ট এবং এক্সিকিউটিভ ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আতাউল করিমের উদ্যোগে নর্থ আমেরিকান বাংলাদেশি ইসলামিক কমিউনিটি বহন করে আসছিল।

প্রযুক্তিজ্ঞানের দক্ষতায় আমাদের তরুণদের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে হলে প্রতিযোগিতার কোনো বিকল্প নেই।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের বিজয়ীদের সময় দিয়ে উৎসাহিত করে থাকেন। 

তথ্যপ্রযুক্তির এই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে আমাদের ছাত্র–ছাত্রীরা যাতে তাদের দক্ষতার প্রমাণ রাখতে পারে, সে জন্য তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ, আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কর্মযজ্ঞে এরা সৈনিক নয়, জেনারেলের ভূমিকা পালন করবে।” 

Ranking System for Bangladeshi Universities

  1. বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান উন্নয়নে র‌্যাংকিং সিস্টেম প্রবর্তন
  2. বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং করবে ইউজিসি (prothom-alo.com)
  3. শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিং : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ 

 

 
 
 
 
 
“জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”

Gaining excellence in Education by establishing Center for Learning and Knowledge (জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জ্ঞানের বিকাশ)

 

Johannes Gutenberg

জ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা একটি Center এ এসে collaboratively জ্ঞান চর্চা, জ্ঞানের আদান প্রদান করলে এবং জ্ঞান চর্চাকে উৎসাহ দিলে – কি ঘটে – তার দৃষ্টান্ত আমরা ইতিহাসে বারবার দেখেছি।

2000 বছর আগের গ্রীক সভ্যতার Plato, Aristotle [8], Socrates, Pythagoras, Euclid [9] রা জ্ঞান চর্চা করে মানুষের জ্ঞানকে অনেক দূর এগিয়ে দিয়েছিলেন। Alexandria র কথা আমরা সবাই জানি।

1000, 1100, 1200 খ্রিস্টাব্দে Abbasid Caliphate [2] – Baghdad এ House of Wisdom [3] প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই সময়ে জ্ঞানের প্রসার হয়েছিল এই House of Wisdom এ – “Algebra” আর “Algorithm” – শব্দ দুটো এসেছে House of Wisdom এর Scholar-Mathematician “Al-Khwarizmi” (Algorithm) এবং তার লেখা বইএর নাম (Al-jibr – Algebra) থেকে [1]।

তখনকার দিনে জ্ঞান বিকাশের এসব ক্ষেত্রে যা হয়েছিল – তা হল

    • অনেক বইএর একটা লাইব্রেরি তৈরি করা হত – Library of Alexandria [4], House of Wisdom [3] (আমাদের মনে রাখতে হবে – তখনও Gutenberg [5] ছাপাখানা invent করেননি – কাজেই সব বই হাতে লেখা)
    • দেশের Rulers রা উৎসাহ দিতেন, পৃষ্ঠপোষকতা করতেন (Scholar রা বড় স্থাপত্য, ব্রীজ ডিজাইন করে দিতেন)
    • সমাজে Scholar দের value বেশি ছিল – Scholarship এ সবাই উৎসাহ পেতো
    • বিভিন্ন Background এর লোক এসে একত্রিত হয়ে জ্ঞান চর্চা, জ্ঞানের আদান প্রদান, আলোচনা করতো – Creativity র জন্য, নতুন জ্ঞান সৃষ্টির জন্য এটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

Ancient Greece এ trade এর জন্য Mediterranean এর Port গুলোতে আসতেন বিভিন্ন Background, বিভিন্ন সভ্যতার মানুষরা। তারা আলোচনা করতেন, বিভিন্ন সভ্যতার জ্ঞান আদান প্রদান করতেন (আমাদের মনে রাখতে হবে তখন Communication Technology বলতে কিছু ছিল না – কাজেই এক সভ্যতার অর্জিত জ্ঞান সহজে আরেক সভ্যতায় transfer হত না – Trade and Commerce এর কারণে এক সভ্যতার মানুষ আরেক সভ্যতার মানুষের কাছে যেতেন – পণ্য কেনা বেচা করতে। জ্ঞান আদান প্রদান হত – তখনই)।

আবার Chinese Civilization অনেক বছর পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজেদের নিয়ে ছিলেন। ফলে Renaissance (Da Vinci, Michelangelo) [6] এবং তার পরবর্তীতে Galileo, Newton, Industrial Revolution এর সময় Europe এ জ্ঞানের যে বিস্ফোরণ ঘটেছিল – তা Chinese দের কাছে এসে পৌঁছায়নি।

এক সভ্যতার জ্ঞান আরেক সভ্যতায় transmit হওয়ার আরেকটা উপায় ছিল Conquest. Alexander The Great [7] যেসব রাজ্য জয় করতেন – সেসব রাজ্যের জ্ঞানও হরণ করে নিতেন!

 

Reference

  1. Muḥammad ibn Mūsā al-Khwārizmī (Wikipedia Entry)
  2. Abbasid Caliphate
  3. House of Wisdom
  4. Library of Alexandria
  5. Johannes Gutenberg
  6. The Renaissance
  7. Alexander the Great
  8. Aristotle
  9. Euclid

Dreams of a Research Institute (Research Institute নিয়ে স্বপ্ন)

দেশে একটা Research Institute গড়ে তোলা হবে।

  • বিজ্ঞান এবং গণিতের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান হবে।
  • Published হবে High Impact সব Paper.
  • Industry তে applicable Technology উদ্ভাবিত হবে।
  • DNA sequencing, Microarray Analysis [1], Functional Genomics [2] নিয়ে কাজ হবে।
  • PhD, Post Doctorate করতে দেশ সেরা মেধাবীরা আসবেন।
  • পৃথিবীর সেরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে PhD ডিগ্রী প্রাপ্ত এবং সেরা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বাংলাদেশীদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
  • বাইরে পড়াশোনা শেষ করে যোগ দেবেন আমাদের গণিত এবং অন্যান্য অলিম্পিয়াডের সোনার ছেলেমেয়েরা।
এমন একটা Research Institute.
(এটা আমার ছোটবেলার স্বপ্ন!)
ড. মাহবুব মজুমদার, প্রফেসর ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, প্রফেসর ড. মাকসুদ আলম, ড. আবেদ চৌধুরী [3] – সহ অনেকেরই পরিকল্পনা (এবং স্বপ্ন!) রয়েছে।
সামনের দিনগুলোতে প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে।
 
References

Introduction of Ranking System for Improvement of Universities (বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান উন্নয়নে র‌্যাংকিং সিস্টেম প্রবর্তন)

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান উন্নয়নে এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে প্রতিযোগিতার লক্ষ্যে – র‌্যাংকিং প্রথা প্রবর্তন একটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
র‌্যাংকিং এ ব্যবহার করতে হবে – objective measures – যেগুলো নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই (এমন সব measures – যে-ই হিসেব করুক না কেন, ফলাফল একই আসবে, as opposed to “subjective measures” – যেখানে এক এক ব্যক্তির হিসেবে ফলাফল এক এক রকম হবে)। 

এমন কয়েকটি objective measures (Some of the [objective] measures that can be used for ranking Universities): 

  • ছাত্রছাত্রীদের পাশ করার নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে (যেমন – ২ মাসের মাঝে) চাকরি প্রাপ্তির হার (Job getting rate within a predefined time after graduation) (একটি objective measure, যে-ই হিসেব করুক না কেন – “চাকরি প্রাপ্তির হার” একই হবে) 
  • শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা (Educational qualification of Faculty members)
  • ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সাফল্য (Success of students in National and International competitions)
  • প্রত্যেক ক্লাসে ছাত্র-শিক্ষক গড় অনুপাত (Ratio of teacher-students in each class)
  • নিজস্ব ক্যাম্পাসের অবস্থা (Status of University campus)
  • জার্নালে এবং কনফারেন্সে শিক্ষকদের গবেষণাপত্র প্রকাশের সংখ্যা (Number of research papers published in journals and conferences by faculty members)
  • প্রকাশিত গবেষণাপত্রের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর (Impact factor of published research papers)

প্রতিটি measure এর relative importance নির্ধারণ করে পয়েন্ট (Point) allocate করতে হবে। যেমন – নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে চাকরি প্রাপ্তির হার – এর জন্য ১০ পয়েন্ট (10 points), প্রত্যেক ক্লাসে ছাত্র – শিক্ষক গড় অনুপাতের উপর ৮ পয়েন্ট (8 points) – ইত্যাদি। 


এ ধরণের objective measures ব্যবহৃত হলে রাঙ্কিং এর স্বচ্ছতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়, ছাত্র শিক্ষক অভিভাবক সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা থাকবে। আবার সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও রাঙ্কিং এ নিজেদের অবস্থান উন্নয়নে আন্তরিকতা দেখাবে।  

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের মাঝে এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে মেধাবী ছাত্র ভর্তির জন্য এক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করবে – ফলশ্রুতিতে সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বাড়বে। 

 

কিছুদিন আগে ইউজিসি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য রাঙ্কিং প্রথা প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


ইউজিসির এই যুগোপযোগী সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই।


আমরা মনে করি, মানসম্পন্ন র‌্যাঙ্কিং প্রথা প্রবর্তিত হলে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মেধাবী ছাত্র ভর্তির লক্ষ্যে নিজেদের মান উন্নয়নে সচেষ্ট হবে।


নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে দেশের সরকারি, বেসরকারি সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য র‌্যাঙ্কিং প্রথা প্রবর্তন করবে। পাশাপাশি, বিষয়ভিত্তিক রাঙ্কিং প্রথা প্রচলন করবে। অর্থাৎ, ইউনিভার্সিটিগুলোর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টগুলোর জন্য আলাদা রাঙ্কিং, আবার ফিজিক্স ডিপার্টমেন্টগুলোর জন্য আলাদা রাঙ্কিং।   

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর গর্বিত ছাত্র বলবে, জানো, আমাদের ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট দেশের সবগুলো ইউনিভার্সিটির মাঝে রাঙ্কিং এ সেরা!
যাকে বলা হবে সে দেরি না করে উত্তর দেবে, আমাদের ইউনিভার্সিটির আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্ট রাঙ্কিং এ সারা দেশে শীর্ষে আর পুরো এশিয়ায় তৃতীয়! 



ফলোআপ – অগ্রগতি (Followup)

“বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিং করা হবে। অনেকের অভিযোগ, বৈশ্বিকভাবে আমাদের র‌্যাংকিং নেই। তাই, প্রথমে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিং করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।”

Let hateful crime of question paper leak be stopped (বন্ধ হোক দেশে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘৃণ্য অপরাধ)

 

প্রশ্নপত্র ফাঁস করে অযোগ্য ব্যক্তিদের সুযোগ করে দেওয়ার মাধ্যমে দেশের যোগ্য, মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।

মেধাবী, যোগ্যদের মূল্যায়ন না হলে আমাদের দেশ মেধাশুন্য হয়ে যাবে।

ইতিপূর্বে মেডিক্যাল কলেজ ভর্তি পরীক্ষার মত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। একজন ছাত্র বা ছাত্রী স্কুল কলেজে ১২ বছর পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নেয় মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির জন্য। তাদের এবং তাদের পরিবারের সারা জীবনের স্বপ্নকে দুর্নীতির মাধ্যমে রুদ্ধ করার অধিকার কারও নেই।

প্রশ্নপত্র ফাসেঁর দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

লালমনিরহাটে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাসেঁর অভিযোগে ঘৃণ্য অপরাধীদের আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের অভিনন্দন।

 

সারা দেশে শুরু হোক গোয়েন্দা নজরদারি। বন্ধ হোক দেশে এই ঘৃণ্য অপরাধ।

“লালমনিরহাটে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাসেঁর অভিযোগে আটককৃতরা হচ্ছেন- প্রাথমিক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেনের এপিএস আবু বকর সিদ্দিক শ্যামলের ভগ্নিপতি সাফি, পাটগ্রাম উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি দেবাশিষ, বড়খাতা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আহসান হাবিব লাভলু ও পরীক্ষার্থী শারমিন আফরোজ। আটককৃতদের কাছ থেকে ২৩টি মোবাইল সেট ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

এসব ঘৃণ্য অপরাধীদের আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলা শহরে দোয়েল নামে একটি আবাসিক হোটেলের কয়েকটি রুমে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।” [1]

প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আরও খবর

 

 

“মেয়েটি বলল, আমরা এতো কষ্ট করে পড়াশোনা করি আর কিছু মানুষ বাজার থেকে প্রশ্ন কিনে এনে পরীক্ষা দেয়, পরীক্ষায় ভালো করে, ভালো জায়গায় সুযোগ পায়। তাহলে এটাই কী নিয়ম- এই দেশটা দুর্বৃত্তদের? আমরা কিছু না?

মেয়েটি বলল, ‘আমার কাছে যে প্রশ্ন আছে আমি আপনাকে এখনই পাঠিয়ে দিই। দু’দিন পর পরীক্ষা হয়ে গেলে আপনি মিলিয়ে নেবেন।’ আমি বললাম, ‘ঠিক আছে।’ মেয়েটি সাথে সাথে আমাকে হাতে লেখা কিছু প্রশ্ন পাঠিয়ে দিল।”

 

 

“এই দেশের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে আমাদের দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে, আমরা সেটা নিয়ে কতো স্বপ্ন দেখি। আমাদের ছেলেমেয়েরা এই স্বপ্নকে ধারণ করে, লেখাপড়া করে, তারপর দেখা যায়- এই দেশের সরকার একটা পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা দিতে পারে না!” 


সূত্র – কেউ কি আমাকে বলবেন? – প্রফেসর মুহম্মদ জাফর ইকবাল

রেফরেন্স