আজকের উপলব্ধিতে নাগরিক ঐক্য [৩০.১০.১৫]

নাগরিক ঐক্য

Jahangir

মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর

রাজনৈতিক সংস্কার #Political Reform

“বিলীন হওয়ার পথে বিএনপি”

অবকাঠামো Infrastructure

শিক্ষা Education

“জ্ঞানের আলোয় উন্নত বাংলাদেশ”

“প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, ভারতের গণিতবিদরা দুনিয়া জুড়ে বিখ্যাত। বাংলাদেশের ছেলেরা সেই ভারতকে গণিত অলিম্পিয়াডে পেছনে ফেলতে পেরেছে। বাংলাদেশকে আরও অনেক দূর যেতে হবে।”

“প্রফেসর ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিয়মিত বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে মানুষ তার চিন্তাভাবনা ও মস্তিষ্ককে অনেক ধাপ ওপরে নিয়ে যেতে পারে। তোমাদের প্রতি একটাই পরামর্শ, চর্চার মাধ্যমে মস্তিষ্ককে বাড়াও। অল্পতে সন্তুষ্ট থেকো না।”

Bangladesh Soccer

মাদকমুক্ত বাংলাদেশ #StopDrugTrafficking

আজকের উপলব্ধিতে নাগরিক ঐক্য [২২.০৯.১৫]

নাগরিক ঐক্য #Nagorik

রাজনৈতিক সংস্কার #PoliticalReform

শিক্ষা Education

“পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস এখন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সব তথ্য-প্রমাণসহ বহুবার প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি উত্থাপন করা হলেও সরকার ব্যবস্থা নেয়নি। ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠন ‘ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট’

ঢাকায় সমাবেশের পাশাপাশি চট্টগ্রামে মেডিকেলে ভর্তি-ইচ্ছুক প্রায় পাঁচশ শিক্ষার্থী নগরের চকবাজারের গুলজার মোড় এবং চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ করে।”

MedAdmission

মাদকমুক্ত বাংলাদেশ  #StopDrugTrafficking  #Nagorik

International Relations

আজকের উপলব্ধিতে নাগরিক ঐক্য [১০.০৯.১৫]

নাগরিক ঐক্য #Nagorik

“আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা জায়গায় সিসি টিভি বসিয়েছিলাম। তার ফুটেজ বের করে আমরা হঠাৎ সেখানে পুরো ঘটনার একটা ভিডিও পেয়ে গেলাম। সেখানে অন্য অনেক কিছুর সঙ্গে দেখা গেল ছাত্রলীগ কর্মীরা একজন অধ্যাপকের দুই হাত ধরে রেখেছে এবং স্বয়ং ভাইস চ্যান্সেলর সেই অধ্যাপকের কলার ধরে ধাক্কাধাক্কি করছেন। শুধু তাই নয়; সেই অধ্যাপককে ছাত্রলীগের ছেলেরা আক্ষরিক অর্থে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে এবং আরেকজন শিক্ষক সময়মতো তার মাথাটা ধরে না ফেললে কী হতো আমরা এখনও জানি না!

… প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে প্রতিবাদ করার সময় আমি একদিন শহীদ মিনারে বসে ছিলাম। সেদিনও এভাবে বৃষ্টি হয়েছিল।”

শিক্ষা Education

শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলন থামিয়ে দিতে কোন কর্তৃপক্ষের গোঁজামিলের ঘোষণা মেনে নেওয়া হবে না। সরকার ভ্যাট আরোপ করলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের থেকে আদায় করে সরকারকে দেবে। কোন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেদের তহবিলের অর্থ দিয়ে সরকারের ভ্যাট পরিশোধ করবে না।

প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি, প্রাইভেট মেডিক্যাল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি’র ওপর ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে

২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটে টিউশন ফি’র ওপর আরোপিত ভ্যাট প্রত্যাহারে অর্থ মন্ত্রনালয় থেকে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা চাই।

“বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির চেয়ারম্যান শেখ কবির হোসেন বলেন, এনবিআর যেভাবেই ব্যাখ্যা দিক, এই ভ্যাট শিক্ষার্থীদের দিতে হবে।

রামপুরায় ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, নর্দ্দায় বসুন্ধরার ফটকে নর্থ সাউথ ও ইনডিপেনডেন্ট, মহাখালীতে ব্র্যাক, কাকলীতে এআইইউবি, ধানমন্ডির ২৭ নম্বরে ড্যাফোডিল, সাতমসজিদ সড়কে স্টেট, স্ট্যামফোর্ড, আগারগাঁওয়ে গ্রিন, উত্তরায় এশিয়ানসহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ও শ্যামলীতে আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেন।”

NoVATOnEducation4

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত দুষ্কৃতকারিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। যথাসময়ে আইনের আওতায় আনা হবে।

কিছু দুষ্কৃতকারি একটি পাবলিক ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইট হাক করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করছে এবং ভিন্ন ভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভেদ তৈরি করছে। এই দুষ্কৃতকারিদের সাথে আন্দোলনরত প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের কোন সম্পর্ক নেই।   

 

NO VAT ON EDUCATION

“প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়, ইউএসটিসি, বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্ট ডেল্টা বিশ্ববিদ্যালয়, পোর্ট সিটি বিশ্ববিদ্যালয়, সার্দান বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক হাজার শিক্ষার্থী জিইসি মোড় এলাকায় ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সমাবেশ করে।”

NoVATOnEducationCtg

চট্টগ্রামে ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সমাবেশ

“সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালগুলোর শিক্ষার্থীরা বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সীমিত হওয়ায় অনেক মধ্যবিত্ত এমনকি নিম্মবিত্ত পরিবারের সন্তানরাও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। এ অবস্থায় আবার কর ধার্য করা হলে অনেকের লেখাপড়া মাঝপথে থেমে যেতে পারে।”

সারাদেশ

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) – “দেশসেবায় নিয়োজিত”

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ -

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ – “দেশসেবায় নিয়োজিত”

Athletics

Bangladesh Cricket

মাদকমুক্ত বাংলাদেশ  #StopDrugTrafficking  #Nagorik

International Relations

আজকের উপলব্ধিতে নাগরিক ঐক্য [28.08.15]

নাগরিক ঐক্য #Nagorik 

রাজনৈতিক সংস্কার #PoliticalReform

Education

“উদ্বোধন করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তামিম আহমেদ চৌধুরী।”

7bff279d0022c409ace4b55fad0f1b75-3

Information & Communications Technology

Bangladesh Soccer

মাদকমুক্ত বাংলাদেশ  #StopDrugTrafficking  #Nagorik

International Relations

Movements and Missions

30 Movements and Missions

1. # Empowerment Of People

2. # High Quality Education For All

3. # High Quality Health Care For All

4. # High Speed Internet For All

5. # Internet For Mass Collaboration 

6. # Entrepreneurship Development

7. # Finance And Banking For All

8. # Employment For All

9. # Mutual Trust And Cooperation Among Nations   # Bilateral International Relations

10. # Nuclear Weapon Free World

11. # Bio And Chemical Weapon Free World   # Eliminate Weapons Of Mass Destruction

12. # Lets Combat Climate Change

13. # Lets Build Nations

14. # Democracy For Nations

15. # Free Market Economy For Nations

16. # Ensure Ease Of Doing Business 

17. # Freedom Of Expression

18. # Empower The Poor

19. # Youth Empowerment

20. # Social Media For Societal Transformation

21. # Women Empowerment    # He For She   # Gender Equality

22. # Build Stronger Families

23. # Minority Rights

24. # Equal Dignity For All   # Justice For All   # Uphold Human Rights

25. # Stop Extremism Led Violence

26. # Say No To Corruption    # Financial Transparency

27. # Stop Organized Crime

28. # Stop Drug Trafficking

29. # Arms And Gun Control

30. # Stop Human Trafficking

# Nuclear Weapon Free World

First:

  • Iran (Elimination of Future Threats).

Next:

  • North Korea.
  • India and Pakistan: Bilateral agreements for gradual decrease in Nuclear arsenal.

Finally:

  • Agreement: United States, UK, France, China, Russia & Israel.

#RomanCatholicChurch

#Sufism :  Dawah Movement  Tablighi Jamaat

Important Links:

Britain In Realization [12.09.14]

Education

Articles

 

 

 

International Relations – Foreign Policy

British Royal Family

 

Outline of Reform and Development plan in Education Sector (শিক্ষা খাতে সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা)

শিক্ষা খাতে সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার রূপরেখা

 
বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা (Universities & Higher Education)
  • বাংলাদেশে বিশ্বমানের কয়েকটা বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে। 
    • দেশে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়ে, বিনিয়োগ নিশ্চিত করে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে PhD ডিগ্রি প্রাপ্তদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।
    • BUET এবং DU কে এখনই বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। পরিবর্তনের হাওয়া লাগলে সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে তা ছড়িয়ে পড়বে। একে একে CUET, MIST, NSU, CU, SUST, RU, KUET, RUET, KU এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো Ranking এ উপরের দিকে উঠে আসবে। ঠিক যেভাবে ICPC কিংবা TopCoder Ranking এ আমরা শীর্ষস্থানগুলো দখল করছি। 
    • বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সত্যিকারের গবেষণা শুরু হবে – বরাদ্দ বাড়বে, গবেষণা সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনা হবে। ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা শুধুমাত্র পদোন্নতি পাওয়ার জন্য নয়, বরং ইন্ডাস্ট্রির কোন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে, নতুন তত্ত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গবেষণা করবেন, পেপার পাব্লিশ করবেন।
    • বিশ্ববিদ্যালয় – ইন্ডাস্ট্রি এর মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তোলা হবে। 
      • ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনা হবে।
      • প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্ট এবং রিসার্চে বিশ্ববিদ্যালয় – ইন্ডাস্ট্রি একসাথে কাজ করবে। 
      • কোন শিক্ষার্থীর প্রজেক্ট হয়ে উঠবে আরেকটি ইন্ডাস্ট্রির প্রোডাক্ট। 
      • ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্ট এবং রিসার্চে ইন্ডাস্ট্রির কাছে ফান্ডিং এর আবেদন করবেন। 
    • প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং এদের শাখাগুলোর অনুমতি প্রদানে স্বচ্ছতা আনা হবে – ন্যূনতম মান নিশ্চিত করা হবে।
  • বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন রাঙ্কিং প্রথা প্রবর্তিত হবে। 
    • রাঙ্কিং প্রথায় বিভিন্ন objective measures ব্যবহার করা হবে – যেগুলো নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই। জার্নালে এবং কনফারেন্সে পেপার পাব্লিকেশানের উপর এত পয়েন্টস, পেপারের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টরের উপর এত, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সাফল্যের উপর এত, পাশ করার ৩ মাসের মধ্যে চাকরি প্রাপ্তির হারের উপর এত, শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও গবেষণা প্রোফাইলের উপর এত, ছাত্র – শিক্ষক অনুপাতের উপর এত পয়েন্টস – এরকম কিছু measures। 
    • প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের মাঝে এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে মেধাবী ছাত্র ভর্তির জন্য এক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করবে – ফলশ্রুতিতে সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বাড়বে। 
    • বিষয়ভিত্তিক রাঙ্কিং প্রথা চালু করা হবে। 
    • কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ত গর্বের সাথে বলবে, জান, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ দেশ সেরা! যাকে বলা হবে সে উত্তর দেবে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ দেশ সেরা আর এশিয়ার সেরা ১০টার একটা!  
  • বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী দেশের কিশোর গণিতবিদদের কাছে যে ৩টি স্বপ্নের কথা বলেছিলেন তাদের মধ্যে ছিল ২০২২ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী গনিতবিদের ফিল্ডস মেডল জয় এবং ২০৩০ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর নোবেল পুরষ্কার জয়। নাগরিক শক্তি ২০৩০ সালের মধ্যে ফিল্ডস মেডেল এবং নোবেল পুরস্কার জয়ের লক্ষ্যে গবেষণা সংস্কৃতিতে নতুন জাগরণ এবং বিশ্বমানের গবেষণা ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করবে।
  • উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম যাতে অপরাজনীতির কারণে বাঁধাগ্রস্থ না হয়, দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ (যেমন নিয়োগে অনিয়ম) না হয়, সে ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 
    • সেশন জটের কারণগুলো চিহ্নিত করে দূর করা হবে। আন্ডারগ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীরা ৪ বছরে বাচেলারস ডিগ্রী শেষ করবে। 
    • আমরা শিক্ষাঙ্গনে সুস্থ রাজনীতির চর্চা, উদ্ভাবনী উদ্যোগ দেখতে চাই – ছাত্রছাত্রীরা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দল বেঁধে কাজ করবে।
  • দেশের যেসব জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় নেই, সেসব জেলায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে।যেগুলো আছে ওগুলোর আসন সংখ্যা বাড়ানো হবে। 
    • সুযোগ দিলে অনেকেই সর্বোচ্চ চেষ্টার মাধ্যমে “কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে ভাল চাকরি” করতে চাইবে। কিছু কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি শুধুমাত্র এইচএসসি বা সমমানের শিক্ষার্থীদের মাঝে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার এটাই একমাত্র উপায় – অনেকে একটু বড় হওয়ার পর বুঝতে পারে!


 
 

শিক্ষা ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন (Fundamental changes in Education system)

  • শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটা মানুষের মাঝে লুকিয়ে আছে বিশাল সুপ্ত ক্ষমতা। শিক্ষার মাধ্যমে প্রত্যেকে তার সুপ্ত ক্ষমতাকে জাগিয়ে তুলে এক একটা বিশাল শক্তি হয়ে উঠতে পারে। জ্ঞান আর মেধা দিয়ে জীবনে সবকিছু অর্জন করা যায়। যে কেউ প্রায় যে কোন বয়সে সঠিকভাবে চেষ্টা করলে যে কোন কিছু হয়ে উঠতে পারে – এই বিশ্বাসটা সবার মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে। মানুষগুলোকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আর কিছু লাগবে না। এক একটা মানুষ যেখানে বিশাল শক্তি হতে পারে সেখানে ১৬ কোটি মানুষকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আমাদের আর পিছে ফিরে তাকাতে হবে না। 
    • শিক্ষা শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না, আমরা চাইলে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে চারপাশ থেকে শিখতে পারি। 
    • ইতিহাসের যে কোন সময়ের তুলনায় নিজেকে উপরে তোলার সুযোগও সবচেয়ে বেশি আমাদের প্রজন্মের। আধুনিক প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন আমাদের হাতে দিয়েছে অনন্য সব আবিষ্কার – মানুষ এখন যে কোন প্রান্তে বসে যে কোন কিছু শিখতে পারে, যে কারও সাথে যোগাযোগ করতে পারে, কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, কাজ করতে পারে, পারে আয় রোজগার করতে।
  • বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।
  • শিক্ষাবিদদের নিয়ে শিক্ষা কমিশন গঠন করা হবে। কমিশনের পরামর্শের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী – অভিভাবকদের মতামত নিয়ে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষাবাবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে আমূল সংস্কার আনা হবে। 
  • সৃজনশীল এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ নির্ভর শিক্ষা বাবস্থা চালু। 
    • বই থেকে শেখা জ্ঞান দিয়ে জগতটাকে দেখতে শেখানো। 
    • “লার্নিং বাই ডুইং” (হাতে কলমে শিক্ষা) চালু করা হবে। এতে বইয়ের জগত এবং বাস্তব জীবনের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি হবে। 
  • শিক্ষার্থীরা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেরা শিখবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে শিখবে।
  • তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রকৌশলী থেকে শুরু করে কৃষক পর্যন্ত সবার জন্য “লাইফলং লার্নিং” (জীবন ব্যাপী শিক্ষা) এর সুযোগ।
 
 
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা (Primary & Secondary Education)
  • দেশের প্রত্যেকটা স্কুলে আধুনিক লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে। 
    • লাইব্রেরিগুলো হবে জ্ঞান চর্চা ও জ্ঞান আদানপ্রদানের কেন্দ্র। 
    • বই, উচ্চগতির ইন্টারনেটসহ কম্পিউটার এবং কিছু যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে। 
    • স্কুল লাইব্রেরিগুলো সবসময় খোলা থাকবে। শিক্ষার্থীরা যতক্ষণ খুশি লাইব্রেরিতে সময় কাটাতে পারবে। 
  • সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পাঠ্যসূচীতে পরিবর্তন। নৈতিকতার শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
  • পরীক্ষা পদ্ধতি, মূল্যায়ন পদ্ধতিতে সংস্কার আনা হবে।
  • শিক্ষার্থীরা মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। বিভিন্ন অলিম্পিয়াড, প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে মেধাবী জাতি গড়ে তোলা হবে। 
    • ছাত্র – ছাত্রী, কিশোরকিশোরী, তরুণ-বৃদ্ধ সবাই অবসরে ধাধার সমস্যার সমাধান করবে। মেধা-বুদ্ধি শানিত করবে। সূচনা হবে নতুন সংস্কৃতির। প্রত্যেকে হয়ে উঠবেন চিন্তাশীল, মেধাবী, বুদ্ধিমান।  
    • গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত গণিত অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান প্রকল্প এর সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়া হবে।


 
 

মাদ্রাসা শিক্ষা  

  • মাদ্রাসা শিক্ষাবাবস্থার সংস্কার – আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান অন্তর্ভুক্তিকরন – যাতে মাদ্রাসা শিক্ষাবাবস্থায় শিক্ষিতরা মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, বাবসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও বেশি সুযোগ পায়।
 
 
শিক্ষা নিয়ে আরও (More on Education)
 
 
তোমাদের জন্য লেখা
 
 
শিক্ষাবিদরা কি ভাবছেন


– ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক; সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।



তরুণ প্রজন্ম এখন নেতৃত্ব নিতে সক্ষম
শিক্ষার্থীরাই দেশের সম্পদ
– ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। 


“আজ থেকে ৫০ বছর আগে পৃথিবীর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে যদি র‌্যাংকিং করা হতো, নিশ্চয়ই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানজনক তালিকায় থাকত। কিন্তু এখন বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নেই। তাতে আমাদের চৈতন্যোদয় হয়েছে বলে মনে হয় না। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে যে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করতে হবে, সে কথা কিন্তু শিক্ষাবিদেরা সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিটি ওয়ার্ল্ড ক্লাস ইউনিভার্সিটি কনফারেন্সে মনে করিয়ে দিচ্ছেন।”

দুষ্টচক্রে আবদ্ধ শিক্ষাব্যবস্থা part-2
ভর্তি, মান ও দক্ষ জনশক্তি

– ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।

 
 
 
শিক্ষায় বাংলাদেশী উদ্যোগ 

Java Development Skills

Java Language & Standard Library

  • Language features
    • Class, Object; Garbage Collection; Inheritance, Polymorphism, Interface; Nested Type; Package; Assertion; Generics; Enum; Exception; Annotation; Reflections;
  • Data Manipulation API 
    • Math; Random number; BigDecimal; BigInteger; String, Character, Regular Expression; Primitive Wrapper; Array; Collections; XML Processing;
  • Development API 
    • Internationalization; Preferences; References; JMX; JNI. 
  • Systems and Network Programming API 
    • System; GUI, Swing, AWT; File; JDBC; Threading (Thread & Lock); Concurrency; Networking – Protocols; Servlet, JSP; Web Services; JMS. 


Java Vital Techniques

  • Concurrency
  • Software Engineering: Maintainable, Replaceable Codebase, Modules
    • Design Patterns
    • Dependency Injection, Inversion Of Control
    • AOP 
      • AspectJ
    • Modular Java 
      • OSGi
    • Software Oriented Architecture (SOA)
  • Classfiles & Bytecodes
  • Performance Tuning


Java Libraries & Frameworks

  • Spring 
    • Dependency Injection framework 
    • Distributed Application Development
  • Android 
    • Mobile Application Development
  • Play 
    • Highly concurrent & distributed Rapid Web Application Development Framework

  • Google Guice
    • Dependency Injection framework.
  • ActiveMQ
    • Message broker. JMS Client. 

  • Hadoop 
    • Mapreduce framework for distributed data processing.
    • Hive
    • Pig
    • HBase
  • Mahout
  • Hama
  • Zookeeper
  • Lucene


Java Software Development Tools

  • Java Code Conventions
  • Software Development Processes
  • Automation: Productivity Increase
  • Testing
    • Unit Testing
    • Integration, Functional, Load, Performance Testing
  • Build 
    • Maven
  • Continuous Integration
    • Jenkins
  • Version Control
    • Git
  • Logging
    • SLF4J
  • Quality Metrics
  • Issue Management
    • Bugzilla
  • Technical Documentation Tools

Polyglot Programming on JVM
  • Scala
  • Clojure

Entrepreneurial Plans in Education (শিক্ষায় উদ্যোগের পরিকল্পনা)

 

ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে একজন শিক্ষকের পক্ষে অনেকগুলো এলাকায় অনেক অনেক ছাত্রছাত্রীর কাছে কাছে পৌঁছানো সম্ভব।

ধরা যাক, শিক্ষক আমি।

আমি লাইভ অথবা রেকর্ডেড লেকচার দেবো। স্কুলে স্কুলে প্রোজেক্টার – বড় স্ক্রিনে লেকচার সম্প্রচারিত হবে। আগ্রহী সব স্কুলে একই সময়ে লেকচার সম্প্রচারিত হবে।

লেকচার হবে সৃজনশীল এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ নির্ভর। এতে বই থেকে শেখা জ্ঞান দিয়ে জগতটাকে দেখতে শেখানো হবে। আবার চারপাশটা পর্যবেক্ষণ করে নিজে শেখা – “লার্নিং বাই ডুইং” বা হাতে কলমে শিক্ষা – কিভাবে করা যায় – তাও শেখানো হবে। এতে বইয়ের জগত এবং বাস্তব জীবনের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি হবে।

লেকচার শেষে প্রশ্ন-উত্তর পর্ব। প্রশ্ন-উত্তর পর্বটা হবে লাইভ। যে কোন স্কুলের যে কেউ প্রশ্ন করতে পারবে। আমি স্ক্রিনে উত্তর দেবো।

পুরো লেকচার ফ্ল্যাশ এ করে ছাত্রছাত্রীরা নিজের কাছে রাখতে পারবে।

প্রোজেক্টারের জন্য স্পন্সর জোগাড় করতে হবে। স্পন্সর তাদের অ্যাড দেখাবে প্রোজেক্টারে – “বিজ্ঞাপন বিরতি!”।

পরবর্তীতে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, আগ্রহী তরুণদের জন্য তাদের শিক্ষা, দক্ষতা, চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে একই ধরণের উদ্যোগ নেওয়া যায়।

 

সরকার এগিয়ে এলে কত কি করা যায়!

স্কুলগুলোতে আধুনিক লাইব্রেরি গড়ে তোলা যায়। লাইব্রেরিগুলো হতে পারে জ্ঞান চর্চা ও জ্ঞান আদানপ্রদানের কেন্দ্র। বই, উচ্চগতির ইন্টারনেটসহ কম্পিউটার এবং কিছু যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা যায়। স্কুল লাইব্রেরিগুলো সবসময় খোলা রাখা যায়। শিক্ষার্থীরা যতক্ষণ খুশি লাইব্রেরিতে সময় কাটাতে পারবে।

শিক্ষার্থীরা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেরা শিখতে পারবে। সার্চ করে, পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে এবং শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে জ্ঞান আহরণ করবে। লাইব্রেরিতে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে হাতে কলমে শিখবে।

আরেকটা ব্যাপার সবাইকে শেখানো যায় – “ভাবতে” শেখানো। ছাত্র – ছাত্রীরা সবাই অবসরে ধাধার সমস্যা, বিজ্ঞানের সমস্যা সমাধান করবে। মেধা-বুদ্ধি শানিত করবে। প্রত্যেকে হয়ে উঠবে চিন্তাশীল, মেধাবী, বুদ্ধিমান।

বাংলাদেশ হবে মেধাবী মানুষদের দেশ!

Vision Of “World Wide Education Platform” (WWEP)

The vision


People all over the world would go to a few education providers online for all their education and learning.
“In 50 years, he (Sebastian Thrun) says, there will be only 10 institutions in the world delivering higher education and Udacity has a shot at being one of them.” [1]

I believe it will happen a lot earlier than 2050.

Main Themes of “World Wide Education Platform”

  • One Mobile Computer with broadband access per child
  • Content
  • Authoritative Courses
  • Interactive Content
  • Programming, Computing
  • E-book Subscription
  • Wiki, QA.
  • Learning by doing: Projects, Open Platforms, Open source software, DIY
  • Teaching Meta-Learning Skills
  • HTML5 based. (Type of device won’t become a roadblock.)
  • Personalized Education
  • Content Discovery: Search, Recommendation, Hyperlinks
  • Big Data
  • Gamified Experience
  • Community driven
  • Wikinomics
  • DIY Communities
  • Lifelong Education
  • Works collaboratively with existing Educational Institutions (Schools, Colleges, Universities)

 


Minimum goal of education should be to teach people required skills so that they can learn whatever they need, acquire whichever skill they want to excel at, on their own.

There lies enormous potential in each and everyone of us. A great education system would unlock that potential.

Current Platforms
Udacity
Coursera
EdX
Khan Academy
শিক্ষক

More

 
Reference

What Google Could Focus On Next

Research Problems

  • Cracking Artificial Intelligence with great internal teams & external collaboration – new products, increasingly better existing products – essentially changes the world.
  • It was search, rules, first order logic, probability and other representations. Now, it’s all about learning from massive datasets. Revolutions are coming! Ultimate search engine!
  • Intelligent Personal Agent
  • Solving big problems (or as Google calls them “moon shots“) with (problem focused collaborative research) great internal teams & external collaboration / massive collaboration / open innovation
  • Solve for X, Google X
  • Application of Big Data: understanding complex systems better: finding answers to age old questions: Sociology, Behavioral Science, Political Science, Economics & Business
  • Exploration of new computing architectures – continuation of Moore’s law: exponential increase in processing power – computational power for data processing, intelligence.
  • Parallel computing architectures (e.g., GPUs); Molecular computing; Optical Computing; Quantum computing; Cognitive computing / Neuromorphic computing.
  • Brain-computer Interfacing
  • Google in our brain!
  • Integrating data from all the sources => Knowledge Mining, New Applications

People focused Social Problems

  • Education & Learning platform
    • Google Play for Education, ChromeBook. Singularity University. Technology and Education are great equalizers.
  • Platforms that empower people – the enormous potential in each and everyone of us is materialized
  • Wikinomics platform 
    • Global collaboration
    • Android, Play, Chrome
  • Products that take on social problems and scale using profit to reach millions
  • Funding / Growing / Working with entrepreneurs to solve problems people face.
  • Solving local, social and global problems (clean water, cheap energy etc.) utilizing massive collaboration and exponential technologies
    • Google.org. Google Ideas. For-profit.

Healthcare & Biomedicine

  • Computational Biology / Bioinformatics, Systems Biology, Biology Engineering
  • Healthcare Informatics
  • Lifespan extension; Curing Diseases; Preventive Medicine; Personalized Medicine

Physical Digital Integration

  • Robotics, Automation
  • Car 2.0
  • Electric / hybrid Car? App Market Integration; Automation; Advanced Collision avoidance system
  • Ultimate goal: Self Driving Car, Intelligent Transportation System
  • Computational Materials Design
  • Internet of things; Smart cities; Smart Home; Sensor Web; Big data

 

Google bought 8 robotics companies in past 6 months.

Google started with Search; currently focusing more on platforms and services. Lately, excited about the prospects about Physical Digital Integration?

(Developers Users, Apps).
Next: Developers developing tools, components Users developing apps?

Platforms:

  • Android
  • Google Play (Streaming services?)
  • Chrome
  • Google App Engine
  • Google+
  • Google TV
  • (New) Google glass, Motorola, ChromeOS, ChromeBook

 

Services:

  • Maps
  • GMail
  • Youtube
  • Google Books

 

 

 

Followups

Fundamental Shift In Education: A Requirement Of Our Time

Fundamental shift in education is a requirement of our time.Searchable facts are available online. When you have the Internet at your fingertips aided by Google you can learn anything ever known to mankind.

Computational devices / apps {e.g., WolframAlpha} are available. We don’t need to do multiplications or divisions or even algebraic calculations anymore. Computer based Numerical Computing and Symbolic Algebra Systems (SageMathematicaMatlab) and Statistical Computing Systems (R) are available. All we need to learn is to turn real world problems into computer programs that can solve our problems.

 

Exponential growth of human knowledge means that much of what you know today would become obsolete ten years from now. So lifelong education is the norm.  

Breadth of knowledge will become increasingly important. You need to know what you need to know and once you know what you need to know, you can find it online.

Boundaries between different fields of study are opening up. We organized different fields of study (Physics, Chemistry, Biology etc.) more than hundred years ago. We organized everything related to life under Biology. The study of atoms and molecules and reactions was named Chemistry. Physics concerned itself with forces and matter of the universe and their interactions with the ultimate goal of reducing all forms of interaction into few fundamental laws (one law – “The Theory Of Everything” or so the Physicists say – if you are a bit ambitious!). But now in the light of new knowledge and better tools, new organization of fields of study is required.

As we gained knowledge about the chemical processes of life, we organized our knowledge under the name Biochemistry. Fields that used to be completely separate are merging in the light of new knowledge and better tools to tackle common problems. For example, Biology and Computer Science, once separated, have combined to form Computational Biology / Bioinformatics as a result of explosion both in genomic and more generally biological data and computational power. New fields of study like Bioengineering, Biophysics, Cognitive Neuroscience, Computational Materials Science have popped up. As we look forward into the future, we can see Computer Science and Physics combining to form Physical Digital Integration and creating a world that is much different and better than ours. 

The Education of future Engineers would be based on Science and Mathematics: learning a few concepts that can explain all the different tools, technologies, possibilities and limits.

With the proliferation of global collaboration platform The World Wide Web, we need to direct research in the right direction – one that centers on solving real problems collaboratively, not just publication of random research papers (for getting promoted!).

 
In short, a complete reorganization of Education as it is today. Are we ready?


Followups

সঠিক ইসলামী পথ প্রদর্শন

ইসলামী চেতনা যাতে আক্রমণাত্মক মৌলবাদের দিকে ভুল পথে না যায় বাংলাদেশ সেক্ষেত্রে সারা পৃথিবীর জন্য রোল মডেল হতে পারে।

আমরা ইসলাম যে শান্তির পথ নির্দেশ করে (ইসলাম শব্দটি এসেছে “সালাম” থেকে; সালাম অর্থ “শান্তি”) এবং সহিংসতা, আত্মহত্যাকে চরম পাপ বলে গণ্য করে সে পথ দেখিয়ে, আধুনিক জ্ঞানবিজ্ঞান এর প্রচার ও প্রসার ঘটিয়ে (“বিদ্বানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়ে বেশি পবিত্র” – হাদিস), একে অপরের মতামতকে সম্মান করতে শিখিয়ে জনগণকে সঠিক পথে রাখব।

আমাদের চিন্তা ভাবনা, মূল্যবোধ, ধ্যান – ধারণায় পার্থক্য থাকতে পারে – কিন্তু একসাথে বসে আলোচনা করলে আমাদের মাঝের দূরত্বটুকু দূর হয়ে যায়।

শিক্ষা দিয়ে, জ্ঞান দিয়ে পৃথিবীর সবকিছু অর্জন করা যায়

#StoriesOfMyLife

আমি জানি, শিক্ষা দিয়ে, জ্ঞান দিয়ে পৃথিবীর সবকিছু অর্জন করা যায়।

“শিক্ষা নিয়ে” এই শিক্ষাটা আমি পেয়েছি আব্বু আম্মুর কাছ থেকে।

আমার আব্বু, আম্মু, দাদু (দাদা), নানু (নানী) সবাই শিক্ষকতা করেছেন।

আব্বু আম্মু ছোটবেলা থেকে পড়াশোনাকে সবকিছুর উপর স্থান দিয়েছেন।

আব্বু গ্রাম থেকে জীবনে উঠে এসেছেন পড়াশোনা দিয়ে।

আম্মু ছিলেন সিরিয়াস ছাত্রী।

স্কুলে একবার ডাবল প্রমোশনও নিয়েছিলেন। নানু (নানী) ভাবতেন, husband – wife দুইজনই ডাক্তার হলে পরিবারের জন্য ভালো নাও হতে পারে (বিয়ে দিবেন ডাক্তার ছেলের সাথে!)। তাই আম্মুকে Science না দিয়ে, কলেজে Humanities concentration দিয়েছিলেন। নানা অনেকদিন পর জেনে কষ্ট পেয়েছিলেন (আম্মু মেডিক্যাল-এ পড়বে – এমনটাই চাইতেন নানা)।

ইউনিভার্সিটিতেও Sociology Department-এ সবসময় উপরের দিকে ছিলেন আম্মু।

আমার ছেলেবেলাটা কেটেছে ঢাকায়।

টালেন্টস প্রিকাডেট স্কুলে পড়তাম আমি। প্লে গ্রুপ, নার্সারি, কেজি – ৩ বছর।

প্রতিদিন ভোরে আম্মু রিকশা করে আমাকে স্কুলে পৌঁছে দিতেন আর নিজে বাসায় ফিরতেন পায়ে হেঁটে। একইভাবে ছুটি হলে হেঁটে যেতেন স্কুলে, আমাকে নিয়ে বাসায় ফিরতেন রিকশায়। প্রতিদিন সন্ধায় পড়তে বসাতেন – ঠিক যেভাবে এখন আমার ছোট্ট বোন রাইসাকে নিয়ে বসেন।

Final Term পরীক্ষার পর আমরা চিটাগং এ বেড়াতে যেতাম।

তেমনই একবারের ঘটনা।

আমি, আম্মু চিটাগং এ – নানুর বাসায়। নার্সারি Final Term পরীক্ষার পর সম্ভবত। আব্বু ঢাকা থেকে এসেছেন।

আসার আগে আমাকে ফোন করে জানতে চেয়েছিলেন – কি লাগবে।

নতুন বছরের নতুন বই নিয়ে আমার অনেক উৎসাহ। বলেছিলাম, নতুন ক্লাসের বইগুলো নিয়ে আসতে।

পরদিন দেখি আব্বু নতুন ক্লাসের বই তো এনেছেনই, সাথে নিয়ে এসেছেন একটা সাধারণ জ্ঞানের বই

এটাই আমার প্রথম সাধারণ জ্ঞানের বই। জগত সম্পর্কে জানা শুরু আমার সেই থেকে।

ছেলেবেলায় আমার প্রিয় ছিল সাধারণ জ্ঞান (General Knowledge) এর বইগুলো – “বাংলাদেশের ডায়েরি”, “পৃথিবীর ডায়েরি” – ওগুলো। তখন তো আর আজকের মত – ইন্টারনেট, Web-এর প্রচলন ছিল না!

আরেকবারের ঘটনা।

তখন সাউদি আরবে থাকি। ক্লাস টু বা থ্রি (1994/95)

পৃথিবীর একটা গ্লোব দেখে খুব পছন্দ হয়েছিল। লাজুক আমি গাড়িতে ফিরে আম্মুকে বললাম, এবার পরীক্ষায় ফার্স্ট, সেকেন্ড, থার্ড হলে একটা গ্লোব কিনব।

আম্মু আব্বুকে বললেন।

আব্বু বললেন, জ্ঞানের জন্য কোন মানা নেই। তোমার দাদু অভাবের মধ্যেও জ্ঞানের জন্য কার্পণ্য করেননি। (দাদি নিজের গহনা বিক্রি করে আব্বুর মেডিকেল পড়ার খরচ দিয়েছিলেন।)

আব্বু আমাকে গ্লোবটা  কিনে দিলেন।

সেদিন থেকে আমি বিস্ময় নিয়ে পৃথিবীর গ্লোবটা দেখতাম।

জ্ঞানের আরেকটা জগত খুলে গিয়েছিল আমার সামনে।

গ্লোবটাকে ঘিরে কত কত কল্পনায় ডুবে থাকতাম আমি!

Kazakhstan-র প্রেসিডেন্ট হব … বাংলাদেশের রাজা … Burma-র প্রেসিডেন্ট … আমি যে দেশের প্রেসিডেন্ট হব – সেই দেশ সবদিক দিয়ে পৃথিবীর সেরা হবে – সবার ধরা ছোঁয়ার বাইরে … !

আমার কল্পনার প্রিয় বিষয় ছিল এগুলো!

ক্লাস ওয়ানে (1993) পড়ার সময় দেখা ইতিহাস-ভিত্তিক সিরিয়াল “The Sword of Tipu Sultan” [1] ছিল আমার অনুপ্রেরণা।

স্কুলে ভাইয়া-আপুদের উপরের ক্লাসের ইতিহাস (History)-এর বইগুলো নিয়ে পড়ে ফেলতাম!

References

নাগরিক শক্তির শিক্ষাবিষয়ক পরিকল্পনা

  • শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটা মানুষের মাঝে লুকিয়ে আছে বিশাল সুপ্ত ক্ষমতা। শিক্ষার মাধ্যমে প্রত্যেকে তার সুপ্ত ক্ষমতাকে জাগিয়ে তুলে এক একটা বিশাল শক্তি হয়ে উঠতে পারে। জ্ঞান আর মেধা দিয়ে জীবনে সবকিছু অর্জন করা যায়। যে কেউ প্রায় যে কোন বয়সে সঠিকভাবে চেষ্টা করলে যে কোন কিছু হয়ে উঠতে পারে – এই বিশ্বাসটা সবার মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে। মানুষগুলোকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আর কিছু লাগবে না। এক একটা মানুষ যেখানে বিশাল শক্তি হতে পারে সেখানে ১৬ কোটি মানুষকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আমাদের আর পিছে ফিরে তাকাতে হবে না। 
    • শিক্ষা শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না, আমরা চাইলে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে চারপাশ থেকে শিখতে পারি। 
    • ইতিহাসের যে কোন সময়ের তুলনায় নিজেকে উপরে তোলার সুযোগও সবচেয়ে বেশি আমাদের প্রজন্মের। আধুনিক প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন আমাদের হাতে দিয়েছে অনন্য সব আবিষ্কার – মানুষ এখন যে কোন প্রান্তে বসে যে কোন কিছু শিখতে পারে, যে কারও সাথে যোগাযোগ করতে পারে, কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, কাজ করতে পারে, পারে আয় রোজগার করতে।
  • বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।
  • শিক্ষাবিদদের নিয়ে শিক্ষা কমিশন গঠন করা হবে। কমিশনের পরামর্শের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী – অভিভাবকদের মতামত নিয়ে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষাবাবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে আমূল সংস্কার আনা হবে। 
  • সৃজনশীল এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ নির্ভর শিক্ষা বাবস্থা চালু। 
    • বই থেকে শেখা জ্ঞান দিয়ে জগতটাকে দেখতে শেখানো। 
    • “লার্নিং বাই ডুইং” (হাতে কলমে শিক্ষা) চালু করা হবে। এতে বইয়ের জগত এবং বাস্তব জীবনের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি হবে। 
  • শিক্ষার্থীরা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেরা শিখবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে শিখবে। 
  • দেশের প্রত্যেকটা স্কুলে আধুনিক লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে। 
    • লাইব্রেরিগুলো হবে জ্ঞান চর্চা ও জ্ঞান আদানপ্রদানের কেন্দ্র। 
    • বই, উচ্চগতির ইন্টারনেটসহ কম্পিউটার এবং কিছু যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে। 
    • স্কুল লাইব্রেরিগুলো সবসময় খোলা থাকবে। শিক্ষার্থীরা যতক্ষণ খুশি লাইব্রেরিতে সময় কাটাতে পারবে। 
  • সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পাঠ্যসূচীতে পরিবর্তন। নৈতিকতার শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
  • পরীক্ষা পদ্ধতি, মূল্যায়ন পদ্ধতিতে সংস্কার আনা হবে।
  • শিক্ষার্থীরা মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। বিভিন্ন অলিম্পিয়াড, প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে মেধাবী জাতি গড়ে তোলা হবে। 
    • ছাত্র – ছাত্রী, কিশোরকিশোরী, তরুণ-বৃদ্ধ সবাই অবসরে ধাধার সমস্যার সমাধান করবে। মেধা-বুদ্ধি শানিত করবে। সূচনা হবে নতুন সংস্কৃতির। প্রত্যেকে হয়ে উঠবেন চিন্তাশীল, মেধাবী, বুদ্ধিমান।  
    • গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত গণিত অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান প্রকল্প এর সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
  • বাংলাদেশে বিশ্বমানের কয়েকটা বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে। 
    • দেশে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়ে, বিনিয়োগ নিশ্চিত করে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে PhD ডিগ্রি প্রাপ্তদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে
    • BUET এবং DU কে এখনই বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। পরিবর্তনের হাওয়া লাগলে সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে তা ছড়িয়ে পড়বে। একে একে MIST, SUST, CUET, RU, KUET, RUET, CU, KU এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো Ranking এ উপরের দিকে উঠে আসবে। ঠিক যেভাবে ICPC কিংবা TopCoder Ranking এ আমরা শীর্ষস্থানগুলো দখল করছি। 
    • বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সত্যিকারের গবেষণা শুরু হবে – বরাদ্দ বাড়বে, গবেষণা সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনা হবে। 
    • বিশ্ববিদ্যালয় – ইন্ডাস্ট্রি এর মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তোলা হবে। 
      • ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনা হবে। 
      • প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্ট এবং রিসার্চে বিশ্ববিদ্যালয় – ইন্ডাস্ট্রি একসাথে কাজ করবে। 
      • কোন শিক্ষার্থীর প্রজেক্ট হয়ে উঠবে আরেকটি ইন্ডাস্ট্রির প্রোডাক্ট। 
      • ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্ট এবং রিসার্চে ইন্ডাস্ট্রির কাছে ফান্ডিং এর আবেদন করবেন। 
    • প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং এদের শাখাগুলোর অনুমতি প্রদানে স্বচ্ছতা আনা হবে – ন্যূনতম মান নিশ্চিত করা হবে।
  • দেশের যেসব জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় নেই, সেসব জেলায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে।যেগুলো আছে ওগুলোর আসন সংখ্যা বাড়ানো হবে। 
    • সুযোগ দিলে অনেকেই সর্বোচ্চ চেষ্টার মাধ্যমে “কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে ভাল চাকরি” করতে চাইবে। কিছু কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি শুধুমাত্র এইচএসসি বা সমমানের শিক্ষার্থীদের মাঝে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার এটাই একমাত্র উপায় – অনেকে একটু বড় হওয়ার পর বুঝতে পারে!
  • বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন রাঙ্কিং প্রথা প্রবর্তিত হবে। 
    • রাঙ্কিং প্রথায় বিভিন্ন objective measures ব্যবহার করা হবে – যেগুলো নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই। জার্নালে এবং কনফারেন্সে পেপার পাব্লিকেশানের উপর এত পয়েন্টস, পেপারের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টরের উপর এত, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সাফল্যের উপর এত, পাশ করার ৩ মাসের মধ্যে চাকরি প্রাপ্তির হারের উপর এত, শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও গবেষণা প্রোফাইলের উপর এত, ছাত্র – শিক্ষক অনুপাতের উপর এত পয়েন্টস – এরকম কিছু measures। 
    • প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের মাঝে এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে মেধাবী ছাত্র ভর্তির জন্য এক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করবে – ফলশ্রুতিতে সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বাড়বে। 
    • বিষয়ভিত্তিক রাঙ্কিং প্রথা চালু করা হবে। 
    • কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ত গর্বের সাথে বলবে, জান, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ দেশ সেরা! যাকে বলা হবে সে উত্তর দেবে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ দেশ সেরা আর এশিয়ার সেরা ১০টার একটা!  
  • বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী দেশের কিশোর গণিতবিদদের কাছে যে ৩টি স্বপ্নের কথা বলেছিলেন তাদের মধ্যে ছিল ২০২২ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী গনিতবিদের ফিল্ডস মেডল জয় এবং ২০৩০ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর নোবেল পুরষ্কার জয়। নাগরিক শক্তি ২০৩০ সালের মধ্যে ফিল্ডস মেডেল এবং নোবেল পুরস্কার জয়ের লক্ষ্যে গবেষণা সংস্কৃতিতে নতুন জাগরণ এবং বিশ্বমানের গবেষণা ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করবে।
  • উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম যাতে অপরাজনীতির কারণে বাঁধাগ্রস্থ না হয়, দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ (যেমন নিয়োগে অনিয়ম) না হয়, সে ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 
    • সেশন জটের কারণগুলো চিহ্নিত করে দূর করা হবে। আন্ডারগ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীরা ৪ বছরে বাচেলারস ডিগ্রী শেষ করবে। 
    • আমরা শিক্ষাঙ্গনে সুস্থ রাজনীতির চর্চা, উদ্ভাবনী উদ্যোগ দেখতে চাই – ছাত্রছাত্রীরা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দল বেঁধে কাজ করবে। 
  • মাদ্রাসা শিক্ষাবাবস্থার সংস্কার (সবার মতামতের ভিত্তিতে) – আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান অন্তর্ভুক্তিকরন – যাতে মাদ্রাসা শিক্ষাবাবস্থায় শিক্ষিতরা মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, বাবসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও বেশি সুযোগ পায়।
  • তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রকৌশলী থেকে শুরু করে কৃষক পর্যন্ত সবার জন্য “লাইফলং লার্নিং” (জীবন ব্যাপী শিক্ষা) এর সুযোগ।
শিক্ষা নিয়ে আরও


তোমাদের জন্য লেখা


শিক্ষাবিদরা কি ভাবছেন

– ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক; সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।


তরুণ প্রজন্ম এখন নেতৃত্ব নিতে সক্ষম
– ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
 
 

– ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।




শিক্ষায় বাংলাদেশী উদ্যোগ 

Integrated Admission Test for Universities (বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা)

 

ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর পদত্যাগে আমরা যারা ড. ইকবাল এর শুভানুধ্যায়ী, যাদের কারও কারও জীবন পালটে গেছে ড. ইকবাল এর কারণে – আমরা কষ্ট পেয়েছি। আমার জীবনে যেসব ভাল ঘটনা ঘটেছে, তাদের একটি হল গণিত অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ। আমি চিন্তা করতে শিখেছি গণিত অলিম্পিয়াডের বইগুলো পড়ে। এখনও সময় পেলে সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করি।

যাই হোক, সমস্যা শুরু সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে।

আমাদের দেশের দরিদ্র ছাত্রদের পক্ষে সারাদেশ ঘুরে ভিন্ন ভিন্ন ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ সম্ভব না। সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা হলে সবাই বাড়ির কাছের কেন্দ্রে গিয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা আলাদা ভর্তি পরীক্ষা নিলে একই দিন বা কাছাকাছি দিন দুটি ভর্তি পরীক্ষা পড়লে অবস্থাসম্পন্ন ছাত্রদেরও একটি বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিতে হয়।

SUST এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একসাথে ভর্তি পরীক্ষা নেবে – এই উদ্যোগটার পেছনে সবচেয়ে জোরালো ভূমিকা রেখেছেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। সিলেটবাসি হয়ত এটাকে তাদের দাবি দাওয়ার সাথে সঙ্গতি পূর্ণ মনে করছে না। তারা SUST এর আলাদা ভর্তি পরীক্ষা এবং সেখানেও সিলেটবাসির কোটা আশা করে। ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর নিজস্ব মূল্যবোধের কারণে SUST এ অবস্থানকালীন সময়ে এক পক্ষ সবসময় তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এই দাবিটি নিয়ে এতদিন যারা তারা পাশে ছিলেন তারাও বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় এবং তার অনেকদিনের স্বপ্ন সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় পদত্যাগ করেছেন। ড. জাফর ইকবাল হয়ত ভাবছেন দেশের কল্যাণে কিছু করতে চাইলে পাশে থাকার মত কেউ নাই। কিন্তু ড. জাফর ইকবাল কে যারা পছন্দ করেন তারা সবসময়ই উনার পাশে ছিলেন, আছেন, থাকবেন।

২৬/১১/১৩

ড. জাফর ইকবাল এবং ড. ইয়াসমিন এর পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের খবর আমাদের স্বস্তি এনে দিয়েছে।

SUST কে আজকের অবস্থানে আনার পেছনে ড. ইকবালের অবদান সবচেয়ে বেশি। SUST কে গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে দেশবাসী স্বীকৃতি দেবে এমনটাই আমরা আশা করি। অনেক ছাত্র ছাত্রী SUST এ পড়তে যেতে চায় শুধুমাত্র ড. ইকবাল ওখানে আছেন বলে।

এর আগে ড. জাফর ইকবাল অন্যান্যদের নিয়ে মোবাইল ফোন এর মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশানের সুবিধা চালু করেছিলেন – এই উদ্যোগে দেশের আরও বেশি ছাত্রছাত্রী SUST এর ভর্তি পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশান করেছিল। SUST এ এমন ছাত্রছাত্রী নিশ্চয় খুঁজে পাওয়া যাবে যিনি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশান বাবস্থা না থাকলে যাতায়াত, থাকাখাওয়ার খরচের কথা ভেবে ভর্তি ফর্ম কিনতেই যেতেন না – তার জীবন নিশ্চয় পাল্টে গেছে যারা এই উদ্যোগটা বাস্তবায়ন করেছিলেন তাদের কারণে।

মন্দের ভাল – বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির দাবি এবার সবার নজরে এসেছে। আমাদের প্রত্যাশা – দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রশাসন এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের দেশের দরিদ্র, মেধাবী ছাত্রদের কথা, যাতায়াতে অহেতুক অর্থ অপচয়ের কথা বিবেচনায় নেবেন

২৭/১১/১৩

Research Problems I Want To Work On

  1. How do you create Advanced Artificial Intelligence that is better than human experts and understands and can reason about everything on the Web and in the real world?
  2. How do you Codify Biology (DNA, Proteins, Metabolic and Signalling Pathways, Cells, Tissues, Organs, Body) so that you can predict and control? (Codification of Biology, Engineering Biology, Systems Biology, Computational Biology, Curing Diseases & Disabilities, Increasing Lifespans.) 
  3. How do you invent better tools, technologies (Imaging, Optogenetics) and Models for Understanding and Engineering the BrainHow do you Cure Neurological and Psychiatric Disorders?
  4. How do you Understand Complex Systems consisting of lots of interacting agents? (Application of Big Data; Inventing better Models, Mathematics, Algorithms to understand complex systems better; finding answers to age old questions in Sociology, Behavioral Science, Political Science, Economics & Business)
  5. How do you Design Materials and Nanostructures with required properties using Computers?
  6. How do you make Software Developers say 100 times more productive?
  7. How do you design an Effective Education and Learning and Research Platform?
  8. How do you create Platforms that empower people – so that the enormous potential in each and everyone of us is materialized?
  9. How do you take Human – Computer (networked) collaboration, intelligence to the next level?
  10. How do you integrate the Information World and the Physical World? (A world where the Physical world is completely aware of everything utilizing information from the Information World; the world of information is embedded in the Physical World.)
  11. How do you design Next Generation Manufacturing Technologies? (Fab-lab, 3D Printing, Automation)
  12. Exploration of new computing architectures – continuation of Moore’s law: exponential increase in processing power; computational power for data processing, intelligence; (Parallel computing architectures (e.g., GPUs); Molecular computing; Quantum computing; Cognitive computing / Neuromorphic computing)
  13. How do you solve Local, Social and Global problems (clean water, cheap energy etc.) utilizing massive collaboration and exponential technologies?
  14. How do you predict and prevent Natural Disasters?
  15. Joining the pieces of puzzle together to get a complete picture of the Ultimate Reality

ধর্মীয় শিক্ষাঃ ধর্ম এবং শিক্ষা

বাংলাদেশে ধর্মীয় শিক্ষায় সুশিক্ষিত বলতে আমরা অনেকে শুধুমাত্র মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিতদের বুঝি। বাক্তিগতভাবে আমি শিক্ষা এবং ধর্ম দুটোকেই অনেক ব্যাপক অর্থে ব্যবহার করি। বিল গেটস এবং মার্ক যাকারবারগ ব্যাচেলরস ডিগ্রি শেষ করার আগেই মাইক্রোসফট এবং ফেইসবুক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, আইনস্টাইন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় নিজেকে সেভাবে মেলে ধরেননি, ১০৯৩টি পেটেন্টের অধিকারী টমাস আলভা এডিসন স্কুলেই বেশিদিন যাননি – শিক্ষাকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ রাখাটা যে একেবারেই অনুচিত – তার জন্য এগুলোর চেয়ে ভাল উদাহরণ আর কি হতে পারে? রবীন্দ্রনাথ আমাদের শিখিয়েছেন প্রকৃতি থেকে শিখতে“সুশিক্ষিত মাত্রই স্বশিক্ষিত” – প্রমথ চৌধুরীর এই উক্তিটি একটা গভীর সত্যকে ধারন করে – সুশিক্ষিত বেক্তিরা নিজেদের বিচার বিশ্লেষণ দিয়ে নিজেদের মত করে নতুন জ্ঞান আহরন করেন আর আমরা একটু ভালমত পড়লে জানবো – অসহযোগ আন্দোলনের নেতা মহাত্মা গান্ধী যিনি গীতা এবং বিভিন্ন ধর্মের গ্রন্থ পড়ে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন, তিনি প্রচলিত একটি নির্দিষ্ট ধর্মে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননিঈশ্বর এবং মহাবিশ্ব সম্পর্কে তার নিজস্ব কিছু বিশ্বাস ছিল এবং তিনি নিজেকে শুধু এইসব বিশ্বাসে সীমাবদ্ধ রাখেননি – নিজের জীবন গড়ে তুলেছিলেন নিজস্ব বিশ্বাস অনুসারে – তাকে কি আমরা ধর্মীয় শিক্ষায় সুশিক্ষিত আলোকিত মানুষ বলব না? (“I do not want my house to be walled in on all sides and my windows to be stuffed. I want the cultures of all lands to be blown about my houses as freely as possible. But I refuse to be blown off my feet by any.” – Mahatma Gandhi)