Social Media & Big Data Strategy for Bangladeshi Political Party

 

“বাংলাদেশে ১ কোটি ১০ লাখের বেশি মানুষ বর্তমানে Facebook ব্যবহার করেন (December 1, 2014)।

ইন্টারনেট ব্যবহার করেন সাড়ে ৪ কোটির বেশি মানুষ (December 3, 2014)। মোট ভোটার ৯ কোটি ২০ লক্ষের কিছু বেশি। অর্থাৎ, মোট ভোটারের প্রায় ৫০ ভাগের কাছে ইন্টারনেট ব্যবহার করে পৌঁছানো যায়।

পাশাপাশি, প্রবাসী প্রায় ১ কোটির বেশি বাংলাদেশীর কাছে ইন্টারনেট ব্যবহার করে পৌঁছানো যায়।

দেশে এবং প্রবাসে অবস্থানরত ৬ কোটির বেশি বাংলাদেশীর কাছে আমার লেখা পৌঁছেছে।

Areas of Expertise:

# Political Campaign  

# Big Data    # Machine Learning  

# Statistical Language Processing

Social Media and Communication Technology Strategy

TahsinVersion2.com

  • বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের কল্যাণে সাড়ে ৪ কোটির বেশি মানুষ ওয়েব ব্যবহার করে [2] এবং এই সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। (তুলনার সুবিধার্থে: মোট ভোটার প্রায় ৯ কোটি ২০ লক্ষ।) অর্থাৎ, বাংলাদেশের মোট ভোটারের প্রায় ৫০% এর কাছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৌঁছানো যায়।
  • পাশাপাশি, প্রবাসী প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশীর কাছে পৌঁছান যায়।   
  • যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না, তাদের জন্য – লেখা প্রিন্ট করে শেয়ার দেওয়া অব্যাহত রাখতে হবে। এক্ষেত্রে Demography Target করতে হবে। অর্থাৎ তরুণদের হাতে পৌঁছুবে তরুণদের নিয়ে লেখা, নারীদের হাতে নারীদের নিয়ে লেখা, আদিবাসীদের হাতে তাদের নিয়ে লেখা।    
  • ৬ কোটির বেশি বাংলাদেশির হাতে আমার লেখা পৌঁছেছে।
  • লিখতে পড়তে জানেন – বাংলাদেশের এমন প্রতিটি মানুষের কাছে যাতে আমার লেখা পৌঁছে – সেই দায়িত্ব নিতে হবে।

Facebook

  • বাংলাদেশের ১ কোটি ১০ লাখের বেশি মানুষ বর্তমানে Facebook ব্যবহার করে [1]। 
  • Facebook Page
  • Facebook Groups: তরুণ তরুণীরা সবচেয়ে বেশি উৎসাহ নিয়ে কাজ করবে। তরুণ তরুণীদের মাঝ থেকেই ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে উঠবে। টীম গড়ে তুলতে হবে। সবাই একসাথে বসে মিটিং এর পাশাপাশি যাতে ভার্চুয়ালি একসাথে কাজ করতে পারে, সাজেশান দিতে পারে, যোগাযোগ দিতে পারে সে লক্ষ্যে বাবস্থা – “ফেইসবুক গ্রুপ”।
    • তরুণরা নানা দাবি দাওয়া, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন নতুন গ্রুপ, পেইজ তৈরি করবেন। মূল লক্ষ্য কিন্তু একটা পর্যায়ে – বাস্তব জীবনের কোন সমস্যা সমাধানে নিজেদের যুক্ত করা।  
  • Image with Quotes (বেশি User পড়ে); নাগরিক শক্তি, প্রতীক- বই trademarked। লেখাগুলো ভাগ করে ইমেইজ হিসেবে শেয়ার দেওয়া হবে (দলের নাম, প্রতীক থাকবে ইমেইজে) – সবাই পড়বে, লাইক – শেয়ার দিবে এবং এভাবে ছড়িয়ে পড়বে। বড় একটা লেখায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা থাকলে অনেক সময় কিছু না কিছু অমনোযোগের কারণে মিস হয়ে যায়। কারও মনে একটা অংশ দাগ কাটে, অন্য কারও মনে আরেকটা অংশ। দুচার লাইনের ছোট ছোট লেখা পুরোটা সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়ে। 
  • মানুষের আবেগকে নাড়া দেওার জন্য ছবি গুরুত্বপূর্ণ। Relevant ছবি এবং দু-চার লাইনের লেখা দিয়ে Image file – create করে ফেইসবুকে শেয়ার দিতে হবে। 
  • ডিজিটাল মিডিয়া / সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তারুণ্য। স্বপ্নের বংলাদেশের ভিডিও (দলের নাম, প্রতীক) -> লিংকঃ ফেইসবুক, ইউটিউব পেইজ, ওয়েব সাইট। দলটা আমাদের সবার। সবার মতামতের ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে দল এবং দেশ। স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে তারুণ্যের শক্তিতে। তরুণদের জন্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেওয়া হবে যাতে তারা বিভিন্ন কল্যাণমুখী, উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিতে পারে।
  • পরবর্তীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ Occasion এ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একই সময়ে সবাই একই Profile Pic এবং Status দিবেন।
  • তরুণরা সোশ্যাল মিডিয়ায় সকল অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন। মানুষের চাওয়া পাওয়া তুলে ধরবেন।  

Twitter

  • Targeted at: principally International Audience
  • Hashtag: #Nagorik

Youtube

  • Youtube Channel: স্বপ্নের বাংলাদেশের ভিডিও, দেশ নিয়ে ভিডিও, দলীয় কর্মকাণ্ডের ভিডিও
  • পুরো ভিডিও; ছোট ক্লিপ্স (বেশি মানুষ দেখবে)

Video Media

  • স্বপ্নের বাংলাদেশের ভিডিও, দেশ নিয়ে ভিডিও, দলীয় কর্মকাণ্ডের ভিডিও। 
  • সেল ফোনের মাধ্যমে সারা দেশের মানুষের কাছে ছরিয়ে পড়বে।
  • পুরো ভিডিও; ছোট ক্লিপ্স (বেশি মানুষ দেখবে)
  • তরুণরা ভিডিও তৈরি করে আপলোড করবে। 
  • দেশে এবং প্রবাসীদের মাঝে ২০১৪ ক্রিকেট বিশ্বকাপ উপলক্ষে ফ্ল্যাশ মব তৈরি নিয়ে আলোড়ন থেকে ধারণা করা যায় এটা সাড়া ফেলবে।
  • তরুণদের কাছে “স্বপ্নের বাংলাদেশ” এর ভিডিও চিত্র / শর্ট ডকুমেন্টারি আহবান করা যায়। আমরা জানতে চাই, দেশ নিয়ে তরুণদের ভাবনা। জানতে চাই, তরুণরা স্বপ্নের বাংলাদেশে কি কি দেখতে চান। তরুণরা টীম গঠন করে তাদের সৃজনশীলতা দিয়ে স্বপ্নের বাংলাদেশ কেমন হবে তার একটা চিত্র ফুটিয়ে তুলে প্রস্তাব দেবেন। সবচেয়ে ভাল প্রস্তাবগুলোকে টীমের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে স্পন্সরের মাধ্যমে ফান্ড দেওয়া হবে। ফান্ড দিয়ে বাছাইকৃত টিমগুলো ভিডিও চিত্র / শর্ট ডকুমেন্টারি তৈরি করবেন। সেরাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। সেরা ক্লিপ্স / ডকুমেন্টারিগুলো আমরা নাগরিক শক্তির ওয়েবসাইটে রাখব। ফেইসবুক, ইউটিউব, ফোন এর মাধ্যমে ছড়িয়ে দেব। আমাদের দলের নির্বাচনী ইশতেহারে কোন কোন প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা যায় তা পর্যালোচনা করা হবে। সবচেয়ে বড় কথা – আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে নতুন প্রজন্মের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে। [2] 

Google+

  • Google+ Page
  • Google+ Community

E-Mail

  • সবাই যাতে মতামত জানাতে পারে সেজন্য বেশ কয়েকটি ই-মেইল অ্যাড্রেস। 

Mobile

  • Quick polling; survey 
  • যে কোন বিষয়ে দ্রুত জনগণের মতামত নিতে ব্যবহার। 
  • SMS
    • SMS Server.
  • People should be provided with opportunities to express their opinions.  
  • বেশ কয়েকটা নাম্বার। তথ্য দেওয়ার জন্য, মতামত নেওয়ার জন্য।  

 

নাগরিক শক্তির Website

  • মেম্বারশিপ ফর্ম – SMS verification; চাইলে ফেইসবুক আকাউন্ট লিঙ্ক জুড়ে দিতে পারেন। কোন কোন ক্ষেত্রে দক্ষতা-আগ্রহ, দেশের জন্য কোন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে চান, দলের সদস্য হিসেবে কিভাবে ভূমিকা রাখতে চান, দলের কোন অঙ্গ সংগঠনের সাথে যুক্ত হতে চান। কাগজের ফর্ম পূরণ করেও মেম্বার হিসেবে যোগ দেওয়া যাবে।
  • মতামত ফর্ম – দলের জন্য, দেশের কল্যাণে যে কোন মতামত।  
  • Blog (Anyone can submit; Moderation) সাইট ব্লগে প্রত্যেকের চিন্তা ভাবনা, প্রত্যাশা প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়া হবে।
  • Forum on different topics. বিভিন্ন বিষয়ে আলাদা আলাদা থ্রেডে আলোচনা। আপাতত ফোরাম হবে অনলাইনে মতামত জানানোর মূল মাধ্যম। পরবর্তীতে তরুণদের মতামত নিয়ে বিভিন্ন ফিচার সমৃদ্ধ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা হবে।  
  • Video (Youtube API), Image Gallery
  • News, Links
  • Mobile Optimized (m.nagorikshakti.org) গ্রামে সবাই ফোন ব্যবহার করে এক্সেস করবে।
  • Facebook / Google+ / Twitter login for commenting, forums etc. সবাই পড়তে পারবে, কিন্তু সাইটে কমেন্ট করতে / মতামত দিতে ফেইসবুক লগইন। (তা নাহলে স্প্যাম, উদ্দেশ্য প্রণোদিত কমেন্ট – অ্যাডমিন মডারেশান এর পর পাবলিশ) 
  • Development: Drupal, WordPress, phpBB – (quick setup, bug-free code) 
  • স্বপ্নের বাংলাদেশের ভিডিও
  • সিকিউরিটি
 
 
 

Big Data & Analytics Strategy 

Database, Data Analytics & Mining 

  • জনগণের আশা আকাঙ্খা সমস্যা প্রত্যাশা লিপিবদ্ধ করতে হবে। আমরা এ লক্ষ্যে নিজস্ব ডেটাবেইস গড়ে তুলব। ডেটাবেইসে 
  • বাংলাদেশ বিষয়ক সব তথ্য
  • জনগণের আশা-আকাঙ্খা সমস্যা মতামত
  • বিভিন্ন সার্ভেই রেসাল্ট
  • আমাদের বিভিন্ন নেটওয়ার্ক
  • সোশ্যাল মিডিয়া ডেটা
  • প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় দলীয় অবস্থান, প্রার্থীর অবস্থান, নির্বাচনী ফান্ডের হিসাব ইত্যাদি থাকবে।
  • ডেটা এর উপর ডেটা অ্যানালাইসিস (Data Analysis), স্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যানালাইসিস (Statistical Analysis) হবে, সার্চ (Search) করার বাবস্থা থাকবে। [3]

Social Media Users দের Posts এর উপর Sentiment Analysis করে দেখা হবে – “Collectively” জনগণের মনের গতিপ্রকৃতি, নাগরিক শক্তির প্রতি সমর্থন।

Sentiment Analysis

How & Why would an Election Campaigning Team do “Sentiment Analysis” over Social Media Data

Sentiment Analysis এ Users রা তাদের Post এ যেসব শব্দ (Words) ব্যবহার করছেন – এর ভিত্তিতে Sentiment অর্থাৎ Collectively মনের গতিপ্রকৃতি Analyze করা হয়।

যেমন –

1.  #Nagorik Hashtag ব্যবহৃত হয়েছে – এমন সব Tweet এ Positive Sentiment – যেমন excitement, optimism রয়েছে কিনা জানতে #Nagorik Hashtag এর সব Tweet এর মাঝে কয়টিতে Exclamation Mark ( “!” ) ব্যবহৃত হয়েছে তার frequency বের করা যায়। আর এ থেকে জানা যায়, “নাগরিক শক্তির সমর্থকরা কতটা আশাবাদী বা optimistic “

আবার,

2.  নাগরিক শক্তি যারা সমর্থন করেন – তাদের মাঝে “নারী অধিকার” নিয়ে সরবতা কেমন – জানতে এই formula ব্যবহার করা যায় :

” #Nagorik  AND ( #WomenEmpowerment OR “Women নিয়ে অন্য আরেকটি Hashtag”) – দুটিই কয়টি Tweet এ ব্যবহৃত হয়েছে”

Divided by

” #Nagorik Hashtag কয়টি Tweet এ ব্যবহৃত হয়েছে”

– এখানে বোঝার সুবিধার্থে simplified দুটি Model ব্যবহার করা হয়েছে।

এভাবে Social Media Data র উপর Big Data Analytics দিয়ে জনগণের “Collective Sentiment” – জানা যায়।

Areas of Expertise

# Big Data   # Data Analytics  

# Machine Learning

# Statistical Language Processing

Network Mapping

  • আমাদের নেটওয়ার্কে কারা আছেন
  • যারা নেটওয়ার্কের বাইরে আছেন তাদের কিভাবে নেটওয়ার্কের মাঝে থাকাদের দিয়ে জয় করা যায়। (নাগরিক শক্তির প্রচার জনগণের মাধ্যমে হবে – যারা আমাদের উপর আস্থা রেখেছেন, তারাই বাকিদের ঐক্যবদ্ধ হতে অনুপ্রাণিত করবেন।)
  • দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া।

 

 
 

রেফরেন্স (References)

নাগরিক শক্তির পক্ষে গনজোয়ার

নাগরিক শক্তির শক্তিঃ

  1. মুক্তিযোদ্ধা সমাজ
  2. নাগরিক সমাজ
  3. ব্যবসায়ি সমাজ
  4. তরুণ প্রজন্ম
  5. গ্রামীণ নারী
  6. মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট, আলেমসমাজ
  7. ক্ষুদ্র ও মাঝারী ব্যবসায়ী
  8. পাহাড়ি জনগোষ্ঠী
  9. কৃষক সমাজ
  10. রাজনৈতিক দল, নেতাকর্মীরা
  11. ঘোষণা দেওয়ার পর আমাদের “স্টার-প্যাকড” নেতৃত্ব

আমাদের অত্যন্ত শক্তিশালী তিনটি নেটওয়ার্ক আছে – তিনটি নেটওয়ার্কের প্রতিটির আওতায় মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ আছেন।

আরও দুটি ডেমগ্রাফিক আছে – প্রত্যেকটি কয়েক মিলিয়ন মানুষের।

গ্রামীণ নারী – ৫০ লক্ষ +

মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট, আলেমসমাজ – ৩০ লক্ষ +

গার্মেন্টস কর্মী – ৪০ লক্ষ

শেয়ারবাজারে ক্ষতিগ্রস্থ বিনিয়োগকারী – ৩০ লক্ষ +

তরুণ ভোটার – (১৮ – ৩৫ বছর) – মোট ভোটারের ৪৫%, অর্থাৎ ৯ কোটি + ভোটারের মধ্যে প্রায় ৪ কোটি+।
এদের overwhelming majority নাগরিক শক্তির সাথে থাকবে।

ফেইসবুক ব্যবহারকারি – আনুমানিক ৫০ লক্ষ – এই সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এদের overwhelming majority নাগরিক শক্তির সাথে থাকবে।

নারী ভোটার – ৪ কোটি ৫০ লক্ষ +।

মেডিক্যাল কলেজগুলোতে আনুমানিক ৬০ ভাগ ছাত্রী। গ্রামীণ ব্যাংক – ৮৪ লক্ষ গ্রাহক, ৯৭% নারী। গার্মেন্টস – ৪০ লক্ষ কর্মীর মধ্যে প্রায় ৮৫% নারী কর্মী।

আমাদের এলাকা ভিত্তিক ভোটার হিসাবে যেতে হবে।

নাগরিক শক্তির পরবর্তী লক্ষ্য

কৃষক সমাজ
আমাদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এদের সংগঠিত করা হবে।
(প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)

ভিন্ন ধর্মাবলম্বী, জাতিগোষ্ঠী (প্রায় ৮০ লক্ষ ভোটার)
বিএনপি-জামায়াত জোট সুযোগ পেলে ঝাপিয়ে পড়বে। আওয়ামী লীগের পক্ষে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব না। একমাত্র নাগরিক শক্তির পক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। নাগরিক শক্তি ক্ষমতায় গিয়ে ২০০১ নির্বাচন উত্তর সংখ্যালঘু নির্যাতন, রামু, পটিয়া, অন্যান্য হামলা এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনকালীন হামলাগুলোর সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশে চিরদিনের জন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত করবে। এখন জনগণকে সংগঠিত করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী, জাতিগোষ্ঠীর মন জয় করতে হবে।
(প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)

প্রবাসে কর্মরতদের পরিবার।
প্রবাসে প্রায় ১ কোটি কর্মী কর্মরত আছেন। তাদের পাঠানো ফরেইন রেমিটেন্সের অর্থ আমাদের অর্থনীতিতে একটা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তারা একটা নতুন ডেমগ্রাফি গড়ে তুলছে। তাদের কারও কারও পরিবারের একটা অংশ গ্রামে থাকলেও ছেলেমেয়েরা শহরে পড়াশোনা, কাজ করছে। এই ডেমগ্রাফির আশা আকাঙ্ক্ষা স্বপ্ন বোঝার চেষ্টা করতে হবে। প্রবাসে কর্মরতদের বিভিন্ন সমস্যা যেমন উন্নত কাজের পরিবেশ, থাকার পরিবেশ এবং সর্বোপরি স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে ক্ষমতায় গিয়ে বাংলাদেশ এম্বেসিগুলোর ভূমিকা বাড়ানো হবে এবং এখন সবাইকে সাথে নিয়ে সরকারকে যথাযথ উদ্যোগ নিতে চাপ দেওয়া হবে। এক একটি দেশে কর্মরতদের পরিবারদের নিয়ে এক একটি সংগঠন গড়ে তোলা যায়। এভাবে শুরু করতে পারলে যারা সংগঠনে আছেন তারাই নিজেদের শক্তিশালী করতে, অধিকার দাবি দাওয়া আদায় করতে অন্যদের অন্তর্ভুক্ত করবেন।
(প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।)

এরা সবাই যখন পরিবার, পরিচিতদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়বে!

সাথে যোগ দেবেন প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদরা।

আমাদের “স্টার-প্যাকড” নেতৃত্বের পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো!

সবার উপরে আমাদের ভিশন এবং জনগণের পাশে থেকে জনগণের জন্য উন্নয়নের রাজনীতি করার অভিপ্রায়। আর মেধা – নেটওয়ার্ক এবং উন্নত ইলেকশান ক্যাম্পেইন স্ট্রাটেজি







Election Campaign Strategy for Bangladeshi Political Party (বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের ইলেকশান ক্যাম্পেইন স্ট্রাটেজি)

 

Election Campaign Strategy for Bangladeshi Political Party

নাগরিক শক্তি নির্বাচনী ক্যাম্পেইন পরিকল্পনায় গতানুগতিকতা থেকে বেরিয়ে এসে সৃজনশীলতা দেখাবে।

নাগরিক শক্তির ইলেকশান মটো – “আমরা করবো জয়”।

স্পিরিটেড নেইশান (Spirited Nation) গড়ে তোলা হবে।
স্বপ্নের বাংলাদেশ। সবাই একসাথে কাজ করতে পছন্দ করে – জনগণের ঐক্য। আর আওয়ামী বাংলাদেশ – জাতীয়তাবাদী বাংলাদেশের নামে দেশ বিভক্তি নয়, এবার নাগরিক শক্তির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ।

প্রতি নির্বাচনী এলাকায় কোন সামাজিক উদ্যোগ যাতে এলাকার জনগণ লাভবান হয়।

প্রতি নির্বাচনী এলাকায় জনগণের মাঝে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা। [1] যেসব ভোট প্রতিদ্বন্দ্বীরা পেতে পারে নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে সেসব জয় করা – জনগণের মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌঁছানো।

জনগণের সমস্যাগুলো বোঝার চেষ্টা করা। দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়কে অবহিত করা। জনসভার একটা অংশ থাকবে জনগণের মতামত নেওয়ার জন্য।

সার্ভেই। পোলিং। সেলফোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

যেসব নির্বাচনী এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে সেসব এলাকায় ফোকাস করা।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং তার শক্তি – দুর্বলতা অ্যানালাইসিস করা।

নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হলে কালো টাকার প্রভাব থাকবে না। কালো টাকা ব্যবহার করলে প্রার্থিতা বাতিল হবে। জনগণকে সাথে নিয়ে মাস্তান বাহিনীকে প্রতিরোধ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে। এভাবে পেশি শক্তির প্রভাবও চলে যাবে। প্রতিটি জনগণ স্বাধীনভাবে ভোটের অধিকার ফিরে পাবে।

সবরকম মিডিয়া ব্যবহার করে জনগণের কাছে পৌঁছানো।

পুরো দেশকে কয়েকটি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করে প্রতি এলাকার জন্য “নির্বাচন পরিচালনা কমিটি” গঠন।

জরিপ করে জনগণের মন, জনগণের আশাআকাঙ্ক্ষা বোঝার উদ্যোগ নেওয়া হবে – কারা “ক” দলকে ভোট দেবেন? কি কি কারণে? কারা “খ” দলকে ভোট দেবেন? কি কি কারণে? (এসব ভোট কিভাবে নিজেদের পক্ষে আনা যায়?) অতীতে কোনবার কোন দল বা প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন? কেন? ভিন্ন দলকে ভোট দিলে সমর্থন পালটানোর কারণ কি? এলাকার উন্নয়নে কি কি দেখতে চান? কি কি সমস্যার সমাধান চান? (প্রার্থী হিসেবে কাল টাকার মালিক থাকলে তিনি কিভাবে নির্বাচনকে প্রভাবান্বিত করতে পারেন? কতটা?)

এরপর কেন্দ্রীয় ভাবে ডেটা – স্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যানালাইসিস। ভোটারদের বিভিন্ন সেগমেন্টে ভাগ করে ফেলা – এই এই বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ভোটাররা এই দল / প্রার্থীকে পছন্দ করছেন।

জনগণের গঠনমূলক সমালোচনাকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে গ্রহণ করে প্রার্থীরা নিজেদের ভুলভ্রান্তি দূর করে কর্মকাণ্ড আরও উন্নততর করার কাজে ব্যবহার করবেন।

প্রতিটি নির্বাচনী সভায় জনগণকে তাদের আশা আকাঙ্ক্ষা প্রত্যাশার কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। আধুনিক প্রযুক্তি যেমন ভিডিও চিত্রের (বিভিন্ন এলাকার জন্য উপযোগী করে প্রয়োজনে স্থানীয় ভাষায়) মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নে জনগণ উজ্জীবিত হবে।

আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ভিডিও কনফারেন্সিং, ইন্টারনেট ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে।

সবাইকে নিয়ে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকার প্রতিষ্ঠিত বেক্তিরা এগিয়ে আসবেন, বাবসায়িরা সামাজিক এন্টারপ্রাইস প্রতিষ্ঠা করবেন। এলাকার জনগণ একতাবদ্ধ হয়ে নিজেরা নিজেদের সমস্যা সমাধান করবেন।

এভাবে রাজনীতিতে মেধার প্রয়োগ দেখিয়ে নাগরিক শক্তি দেশে নতুন রাজনীতির শুভ সূচনা করবে।

 

বড় দলগুলো অর্থ দিয়ে মনোনয়ন বিক্রি করে। মনোনয়ন প্রত্যাশীরা অর্থ দিয়ে মনোনয়ন বাণিজ্যের নিলাম হাট থেকে মনোনয়ন কেনেন। কালো টাকা, পেশি শক্তির প্রভাব হয়ে ওঠে যোগ্যতা নির্ধারণের মাপকাঠি।

নাগরিক শক্তি মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা, যোগ্যতা, মেধা, সততা, অভিজ্ঞতা, এলাকার উন্নয়ন কাকে দিয়ে হবে – এসব বিষয় বিবেচনায় নেবে। তৃনমূল থেকে প্রার্থীদের নাম প্রস্তাবের আহ্বান জানানো হবে এবং কেন্দ্রিয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। একাধিক প্রার্থী প্রায় সমান যোগ্যতা সম্পন্ন হলে সার্ভেই করে দেখা হবে জনগণ কাকে চান।

ফান্ড রেইজিং এর মাধ্যমে যে অর্থ রেইজড হবে তা শুধু মাত্র প্রার্থীদের ইলেকশান ক্যাম্পেইনে বায় করা হবে। প্রতিটি পয়সা খরচের হিসাবও রাখা হবে। স্বচ্ছতা কেন্দ্রিয়ভাবে মনিটারিং করা হবে এবং কারও বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল থেকে বহিষ্কারসহ কঠোর বাবস্থা নেওয়া হবে।


আরও (More)

রেফরেন্স (References)

নাগরিক শক্তির নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন

বড় দলগুলো অর্থ দিয়ে মনোনয়ন বিক্রি করে। মনোনয়ন প্রত্যাশীরা অর্থ দিয়ে মনোনয়ন বাণিজ্যের নিলাম হাট থেকে মনোনয়ন কেনেন। কালো টাকা, পেশি শক্তির প্রভাব হয়ে ওঠে যোগ্যতা নির্ধারণের মাপকাঠি। এবারও বিতর্কিত প্রার্থীদের ছড়াছড়ি। ১৯৪ (৩৫ শতাংশ) প্রার্থীর বিরুদ্ধে অতীতে মামলা ছিল

নাগরিক শক্তি মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা, যোগ্যতা, মেধা, সততা, অভিজ্ঞতা, এলাকার উন্নয়ন কাকে দিয়ে হবে – এসব বিষয় বিবেচনায় নেবে। তৃনমূল থেকে প্রার্থীদের নাম প্রস্তাবের আহ্বান জানানো হবে এবং কেন্দ্রিয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। একাধিক প্রার্থী প্রায় সমান যোগ্যতা সম্পন্ন হলে সার্ভেই করে দেখা হবে জনগণ কাকে চান।

ফান্ড রেইজিং এর মাধ্যমে যে অর্থ রেইজড হবে তা শুধু মাত্র প্রার্থীদের ইলেকশান ক্যাম্পেইনে বায় করা হবে। প্রতিটি পয়সা খরচের হিসাবও রাখা হবে। স্বচ্ছতা কেন্দ্রিয়ভাবে মনিটারিং করা হবে এবং কারও বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল থেকে বহিষ্কারসহ কঠোর বাবস্থা নেওয়া হবে।

Electoral Plan for an Ideal Political Party – 2 (আদর্শ রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী পরিকল্পনা – ২)

 

জনগনের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে হবে। বিভিন্ন ডেমোগ্রাফিকের জনগণের সমস্যা, আশা আকাঙ্ক্ষা বুঝতে হবে। তাদের সমস্যার সমাধান কিভাবে করা যায়? উদ্যোগ? প্লাটফর্ম? জনগণের নিরাপত্তা? আমরা সমস্যা সমাধানে কতটুকু আন্তরিক বুঝিয়ে দিতে হবে।

সুপরিকল্পিত সুশাসন এর মাধ্যমে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে এই স্বপ্নে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। স্বপ্নের বাংলাদেশের বাস্তবমুখী গল্প, ভিডিও চিত্র (দলের ট্রেডমার্কসহ) জনগণের কাছে ছড়িয়ে পড়বে।

সবার মাঝে নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হবে।
তরুণদের কাছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দিয়ে পৌঁছান সবচেয়ে সহজ।
নেতারা আসবেন strength দেখে। নেতাদের মাঝে যোগাযোগের বাবস্থা করতে হবে। এতে সবার মাঝে বন্ধন গড়ে উঠবে। নেতাদের মাঝে নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারলে সেই নেটওয়ার্ক এর আকার বাড়তে থাকবে।
বিভিন্ন নেটওয়ার্ক – তরুণদের নেটওয়ার্ক, বাবসায়িদের নেটওয়ার্ক, বুদ্ধিজীবীদের নেটওয়ার্ক, সাংবাদিকদের নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে। ভিন্ন ভিন্ন পেশা, ভিন্ন ভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের মাঝেও নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে। নেটওয়ার্ক দ্রুত বড় হবে।
আমাদের হিশেব নিকেশ রাখতে হবে আমাদের নেটওয়ার্ক এ কারা কারা আছেন। এই নেটওয়ার্কগুলোকে কিভাবে বাড়ানো যায়। নেটওয়ার্কগুলো নিজেরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যমে দ্রুত বড় হতে থাকবে। যারা নেটওয়ার্ক এ আছেন, তারা নেটওয়ার্ক এর বাইরের অন্যদের নেটওয়ার্ক এ আনবেন।
নেটওয়ার্কগুলো গড়ে উঠবে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে।
নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারলে মানুষ সম্মিলিতভাবে নিজেদের সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন উদ্যোগ নেবে। বুদ্ধিজীবীদের নেটওয়ার্ক এক্ষেত্রে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করবে।

Electoral Plan for an Ideal Political Party – 1 (আদর্শ রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী পরিকল্পনা – ১)

 

  1. এবার ৩টি পক্ষের (দল / জোট) মধ্যে ভোট ভাগাভাগি হবে। একটি আসনে ৩৫ – ৪০% ভোট পেয়েই প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারেন। পুরো দেশে ৩৩% ভোট নিয়েই এক পক্ষ ১৫১+ আসন পেতে পারে। প্রতি আসনে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বী থাকায় শক্তিশালী স্বতন্ত্র প্রার্থী কম থাকবেন। গতবার দুই প্রধান জোট মিলে ৮২.২% ভোট ভাগাভাগি করেছিল।
  2. বাংলাদেশের মানুষ পরিকল্পনাবিহীন অপরাজনীতি দেখে অভ্যস্ত। জনগণ জানে না সুপরিকল্পিত সুশাসন দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে। আদর্শ রাজনৈতিক দলটি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেবে। আমাদের রাজনীতি সচেতন জনগণও শুধুমাত্র চায়ের কাপে নেতানেত্রীদের আলোচনা – সমালোচনার মাঝে রাজনীতিকে সীমাবদ্ধ রাখবেন না, বরং তারাই হবেন রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ – তাদের কেন্দ্র করেই দেশের রাজনীতি পরিচালিত হবে – আদর্শ দল তা নিশ্চিত করবে।
  3. আদর্শ রাজনৈতিক দলের নেতারা ইতিহাসের মহানায়কদের মত জানেন, ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির, ভিন্ন আদর্শ, মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষকে নতুন যুক্তিযুক্ত দৃষ্টিভঙ্গি দেখাতে পারলে তারা তা গ্রহণ করবেন। দলের নেতারা নিজেরাও নিজেদের সবজান্তা ভাবার ধৃষ্টতা না দেখিয়ে, নিজেদের পথই একমাত্র সঠিক পথ না ভেবে, ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, ভিন্ন মূল্যবোধ গভীরভাবে বোঝার এবং গ্রহণ করার মানসিকতা দেখাবেন। সমগ্র দেশের চেতনাকে ধারণ করতে তারা বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির মানুষদের দূরত্ব দূর করে একতাবদ্ধ করবেন।
  4. দলটি দেশের জনসংখ্যাকে বিভিন্ন ডেমোগ্রাফিকে বিভক্ত করে ভিন্ন ভিন্ন ডেমোগ্রাফিকের কাছে আলাদা আলাদা ভাবে পৌঁছাবে। পরিকল্পনা হাতে নেবে।
    1. তরুণদের কাছে পৌঁছাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করবে। তরুণদের জন্য প্লাটফর্ম তৈরি করে দেবে যাতে ওরা বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে পারে।
    2. গ্রামের গরিব দুঃখী অসহায় মানুষগুলোর পাশে গিয়ে তাদের সমস্যা বোঝার চেষ্টা করবে। গ্রামের বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সবাই মিলে সমাধানের উদ্যোগ নেবে।
    3. শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে তাদের পাশে দাঁড়াবে।
    4. বাবসায়িদের বাবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির উপায় নিরুপন করে উদ্যোগ নেবে।
    5. সৎ বিনিয়োগকারিদের অভিযোগগুলো বোঝার চেষ্টা করবে।
    6. দেশের সম্পদ রক্ষায়, দেশের বৃহত্তর কল্যাণে যারা কাজ করছে তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াবে।
    7. বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা অন্যায় করছে, দুর্নীতি করছে, সেই অন্যায়, দুর্নীতিগুলোর বিরুদ্ধে সবাইকে নিয়ে অবস্থান নেবে।
  5. ভোটঃ (rough estimate করার জন্য ৯ লক্ষ ভোট = ১% ধরা যায়)
    1. গ্রামীণ নারী (এবং তাদের পরিবার) – ৬%+
    2. জাতীয় পার্টি, বিকল্প ধারা, গণফোরাম, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, জাসদ(রব) এবং অন্যান্য দল – ৭-১০%
    3. মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট, আলেমসমাজ (এবং তাদের পরিবার) – ২-৩%+
    4. বিভিন্ন সংসদীয় এলাকার নেতা
    5. বুদ্ধিজীবী সমাজ, সুশীল সমাজ
    6. তরুণ প্রজন্ম (১৮-৩৫ বছর – দেশের মোট ভোটারের ৪৫%)
    7. মুসলিম বাতীত অন্যান্য জাতি, ধর্মের জনগোষ্ঠী (দেশের মোট ভোটারের ১০%)
  6. জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবার নিরাপত্তার জন্য ঐক্য। গ্রামে গ্রামে একতার উদ্যোগ। গুজব রটিয়ে সহিংসতা সৃষ্টি যাতে কেউ করতে না পারে সে লক্ষ্যে সচেতনতা সৃষ্টি।
  7. বাংলাদেশ সঠিকভাবে পরিচালিত হলে স্বপ্নের বাংলাদেশ কেমন হবে তার এবং সেই স্বপ্নের বাংলাদেশে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের জীবনের একটা চিত্র জনগণের সামনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তুলে ধরে জনগণকে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্নে উজ্জীবিত করা হবে।
  8. ডিজিটাল মিডিয়া / সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, তারুণ্য। স্বপ্নের বংলাদেশের ভিডিও (দলের নাম, প্রতীক) -> লিংকঃ ফেইসবুক, ইউটিউব পেইজ, ওয়েব সাইট (সবাই পড়তে পারবে, কিন্তু সাইটে কমেন্ট করতে / মতামত দিতে ফেইসবুক লগইন। সাইট ব্লগে নিজেদের চিন্তা ভাবনা, প্রত্যাশা প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।)। দলটা আমাদের সবার। সবার মতামতের ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে দল এবং দেশ। স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে তারুণ্যের শক্তিতে। তরুণদের জন্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেওয়া হবে যাতে তারা বিভিন্ন কল্যাণমুখী, উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিতে পারে। লেখাগুলো ভাগ করে ইমেইজ হিসেবে শেয়ার দেওয়া হবে (দলের ট্রেডমার্ক থাকবে ইমেইজে) – সবাই পড়বে, লাইক – শেয়ার দিবে এবং এভাবে ছড়িয়ে পড়বে। গ্রামে সবাই ফোন ব্যবহার করে এক্সেস করবে। কাজেই মোবাইল অপ্টিমাইজড ডিজাইন।
  9. তরুণদের এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যাতে তারা ভবিষ্যতে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে এবং দেশ গঠনে নেতৃত্ব দিতে পারে।

আদর্শ রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন পরিকল্পনা

আদর্শ রাজনৈতিক দলটি নির্বাচনী ক্যাম্পেইন পরিকল্পনায় গতানুগতিকতা থেকে বেরিয়ে এসে সৃজনশীলতা দেখাবে।

জরিপ করে জনগণের মন, জনগণের আশাআকাঙ্ক্ষা বোঝার উদ্যোগ নেওয়া হবে – কারা “ক” দলকে ভোট দেবেন? কি কি কারণে? কারা “খ” দলকে ভোট দেবেন? কি কি কারণে? (এসব ভোট কিভাবে নিজেদের পক্ষে আনা যায়?) অতীতে কোনবার কোন দল বা প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন? কেন? ভিন্ন দলকে ভোট দিলে সমর্থন পালটানোর কারণ কি? এলাকার উন্নয়নে কি কি দেখতে চান? কি কি সমস্যার সমাধান চান? (প্রার্থী হিসেবে কাল টাকার মালিক থাকলে তিনি কিভাবে নির্বাচনকে প্রভাবান্বিত করতে পারেন? কতটা?)

জনগণের গঠনমূলক সমালোচনাকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে গ্রহণ করে প্রার্থীরা নিজেদের ভুলভ্রান্তি দূর করে কর্মকাণ্ড আরও উন্নততর করার কাজে ব্যবহার করবেন।

প্রতিটি নির্বাচনী সভায় জনগণকে তাদের আশা আকাঙ্ক্ষা প্রত্যাশার কথা বলার সুযোগ দেওয়া হবে। আধুনিক প্রযুক্তি যেমন ভিডিও চিত্রের (বিভিন্ন এলাকার জন্য উপযোগী করে প্রয়োজনে স্থানীয় ভাষায়) মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নে জনগণ উজ্জীবিত হবে।

আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ভিডিও কনফারেন্সিং, ইন্টারনেট ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে।

সবাইকে নিয়ে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকার প্রতিষ্ঠিত বেক্তিরা এগিয়ে আসবেন, বাবসায়িরা সামাজিক এন্টারপ্রাইস প্রতিষ্ঠা করবেন। এলাকার জনগণ একতাবদ্ধ হয়ে নিজেরা নিজেদের সমস্যা সমাধান করবেন।

এভাবে রাজনীতিতে মেধার প্রয়োগ দেখিয়ে দলটি দেশে নতুন রাজনীতির শুভ সূচনা করবে।