Reform & Development of Power Sector in Bangladesh

Reform & Development of Power Sector in Bangladesh

বিদ্যুৎ খাতের সংস্কার এবং উন্নয়ন 

Area of Expertise: #EnergyAndPower

বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে

  • দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি (যেমন – রামপাল [2] [3] )

বা

  • দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতিকর প্রভাব বিবেচনা না করে তড়িঘড়ি করে বড় চুক্তিতে যাওয়া (যেমন – নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন)

– না করে

এখনই কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে:

  • আমাদের existing power plants গুলোর efficiency বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ শুরু করতে হবে।
  • “বিদ্যুৎ চুরি”-র বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে [1]।   
  • “সিস্টেম লস” – কমানোর লক্ষ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে [1]। 
  • বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে [1]
  • নির্মাণাধীন প্ল্যান্টগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। 
  • গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর যন্ত্রপাতির সংস্কার করে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা ৫০% এর বেশি বাড়ানো সম্ভব। এজন্য এক হিসেব মতে খরচ হবে আনুমানিক ৫০০০ কোটি টাকা – যা World Bank এবং এডিবি (ADB) দিতে প্রস্তুত।

টেকনিক্যাল কাজগুলোতে বিদেশী Expertise এর উপর নির্ভরতা আমাদের কমাতে হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষম বাংলাদেশী “Large Scale Engineering” Corporation আমি গড়ে তুলবো।
 

কিছুদিন পর 

  • দেশে রিকশা এবং সাইকেলের চাকার ঘূর্ণনে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। 
  • বন্যার পানি রূপান্তরিত হবে বিদ্যুতে। 

Renewable Energy Sector এ বাংলাদেশ হবে বিশ্বের মডেল।

  • Nuclear Power Plant গড়ে তোলায় সক্ষম – বাংলাদেশী “Large Scale Engineering” কর্পোরেশান আমি গড়ে তুলবো।

সরকারি প্রকল্প এবং দুর্নীতি  #SayNoToCorruption

আমাদের দেশে মন্ত্রী – সাংসদ – ক্ষমতাসীনরা এক একটি বড় প্রজেক্টকেবিশাল আকারের দুর্নীতি করার এক একটি সুযোগ বলে বিবেচনা করেন। দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বিবেচনা না করে অনেক সময় তড়িঘরি করে অনেক প্রকল্প হাতে নেন – শুধুমাত্র – দুর্নীতি করার লক্ষ্যে। পদ্মা সেতু দুর্নীতি – এর অন্যতম উদাহরণ।

বিদ্যুৎ খাতে বড় আকারের দুর্নীতি হয়েছে – কুইক রেন্টাল প্রকল্পে

শিল্প ব্যবসায়ীরা শিল্প পরিচালনার জন্য বিদ্যুতের জন্য মুখিয়ে থাকেন। এই চাহিদাকে – দুর্নীতিপরায়ণ রাজনীতিবিদরা দুর্নীতি করার সুযোগ বলে বিবেচনা করেন। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে –  বিদ্যুৎ খাতে এমনটা যেন আর না ঘটে।

আবার – বিদেশী শক্তির সমর্থন লাভের লক্ষ্যে – দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে – বিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে কিনা – সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখা বাঞ্ছনীয়।

শিল্প ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তা (Entrepreneur) দের পরিমিত বিদ্যুৎ (এবং গ্যাস) দিতে পারলে – দেশে বড় ধরণের শিল্প বিপ্লব (Industrial Revolution) ঘটবে।

References

“এক শিল্পপতি ১০ বছরে সাত কোটি টাকা বিল বকেয়া রেখে হ্রাস করার কৌশল খুঁজছেন। আবার কোনো কোনো শিল্পগ্রাহক বিরাট অঙ্কের বকেয়া রেখে আত্মরক্ষার্থে মামলা দিয়ে চোরাপথে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। পুরান ঢাকায় দস্যুতা স্টাইলে রাতে ‘হুকিং’-প্রক্রিয়ায় কিছু কিছু কারখানায় বিদ্যুৎ চুরি ঘটছে।

সাম্প্রতিক কালে এক্সপ্রেস ফিডার, অত্যাধুনিক ডিজিটাল মিটার, প্রি-পেইড মিটার ইত্যাদি প্রবর্তনের ফলে বিদ্যুৎ সেক্টরে দুর্নীতির ঘটনা অনেকাংশে হ্রাস পেলেও গ্রাহক পর্যায়ে চুরি/রাজস্ব ফাঁকির মানসিকতা পুরোপুরি দূর হয়নি। ডিপিডিসির সিস্টেম লস ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ছিল ২০ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।”