আগত পৃথিবী (World To Come)

 

আগত পৃথিবী (১)

  1. “ঈশ্বর অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারেন। তিনি অলৌকিক ঘটনা সম্পন্ন করবেন।”
  2. “চার্চ এবং স্বাস্থ্যসেবা নিরাময় আনতে একত্রে কাজ করতে পারে।”
  3. “খ্রিস্টানদের (ঈসার অনুসারিদের) মৃত্যুর পর দেহের পুনরুত্থানের (Resurrection) যুক্তিতে বিশ্বাসী হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। বিশ্বাসীরা দেহ ও আত্মায় আবার উঠবে। অবশ্যই মৃত্যু এবং সমাধির চাবিগুলো প্রভুর হাতে।”
  4. “খ্রিস্টানরা এই জেনে সান্ত্বনা পেতে পারেন যে ঈশ্বর আমাদের জন্য আলাদা ভবিষ্যত প্রস্তুত করেছেন।”
  5. “ঈশ্বর আমাদের সৃষ্টি করেছেন কারণ তিনি চান যে আমরা সুখী হই।”
  6. “আমাদের সবচেয়ে সুন্দর দিনগুলি আসতে এখনও বাকি আছে। আমরা শরতের চেয়ে বেশি বসন্তের মানুষ।”
  7. “শেষ পর্যন্ত, মানবতার মঙ্গলার্থে ঈশ্বর সবকিছুকে রূপান্তর করতে চলেছেন।”
  8. “ঈসা/যিশু/জিসাস অস্তিত্বের সবচেয়ে সুন্দর জায়গায় আমাদের নিয়ে যেতে চান … খ্রিস্টানদের (ঈসার অনুসারিদের) জীবনের শেষভাগে যে আশা রয়েছে, যা আমাদের ঈশ্বরের সাথে থাকার প্রতিশ্রুতিতে পাওয়া যায় এবং তাঁর সাথে স্বর্গে আমাদের অনন্ত জীবন উপহার দিতে পারে।”
  9. “খ্রিস্টানদের (ঈসার অনুসারিদের) ঈশ্বর ও সিজার (রাজা) কে বিরোধিতা না করে বরং মানবিক ও সামাজিক বাস্তবতায় নিজেকে মূর্তভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার জন্য বলা হয়, সাথে ঈশ্বরের কাছ থেকে আগত আলো দ্বারা পার্থিব বাস্তবতা আলোকিত করে।”
  10. “ঈশ্বর চান যে মানবসম্প্রদায় আনন্দ নিয়ে বাস করুক এবং ঈশ্বরের সাথে আরও উন্নত বিশ্বের স্বপ্ন দেখুক। খ্রিস্টানদের (ঈসার অনুসারিদের) অবশ্যই ঈশ্বর বিশ্বের জন্য যা চান তার ভিত্তিতে একটি ‘স্বাস্থ্যকর কল্পস্বর্গ (আদর্শ সামাজিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা সমন্বিত স্থান; Utopia)’ গড়ে তুলতে হবে।”
  11. “আমরা যদি ঈসার সাথে থাকি তবে আমরা মুক্ত। এর অর্থ হল ঈসার ঘরে প্রবেশ করা, সেই আবহে প্রবেশ করা, ঈসার ঘরে সেই পরিবেশে বাস করা। সেখানে বসবাস, মননচর্চা করা, মুক্ত হওয়া।”
  12. “ঈশ্বরের কোমলতা বড় এবং ছোট’র মধ্যে পাওয়া যায়। তিনি আমাদের তার গভীরে বহন করেন।”

আগত পৃথিবী (২)

  1. “মহান ভবিষ্যতে, ঈশ্বর সবকিছুকে নতুন করে গড়ে তুলবেন। চিরন্তন আলোর রাজ্যে তিনি সমস্ত কিছুর উপরে রাজত্ব করবেন। গভীর শান্তি বিরাজ করবে। জাতিসমূহ তাঁর আলোকে চলবে। পৃথিবীর প্রতিটি জাতি তাকে আদর এবং উপাসনা করবে।”
  2. “ঈসা/খ্রিস্ট সবচেয়ে নাটকীয় অলৌকিক ঘটনা সম্পাদন করবেন।”
  3. “ঈসা একজন মহান রাজনৈতিক নেতা। তিনি ক্যারিশম্যাটিক নেতা, অন্যকে তাঁর উদাহরণ অনুসরণ করতে অনুপ্রাণিত করেন। তিনি একজন দুর্দান্ত সামরিক নেতা হবেন। তিনি একজন মহান বিচারক, যিনি ন্যায়বিচারের সিদ্ধান্ত নেন।”
  4. “তাঁর শাসন হবে এক নজিরবিহীন শান্তি ও সমৃদ্ধির এবং তিনি পুরো বিশ্ব জুড়ে রাজা হবেন।”
  5. “প্রকৃতির আইনগুলি পরিবর্তিত হবে, যাতে শিকারী জন্তুরা আর শিকারের সন্ধান করবে না এবং কৃষিকাজ অতিপ্রাকৃতিক প্রাচুর্য বয়ে আনবে।”
  6. “ঈসা হলেন ‘সর্বোচ্চ বিশ্ব শিক্ষক’। তিনি যেমন তরুণ, তেমনি তিনি শিক্ষকদের মধ্যে শিক্ষক। বিশ্বের মানুষ তাঁর পরিচালনায় জীবন যাপন করবে।”
    • “কারণ আমার চিন্তাভাবনা তোমার চিন্তা নয়, তোমার পথ আমার পথ নয়,” প্রভু ঘোষণা করেন। “স্বর্গ যেমন পৃথিবীর চেয়ে উঁচু হয় তেমনি আমার পথগুলিও তোমার পথের চেয়ে উচ্চতর এবং আমার চিন্তাভাবনাগুলি তোমার চিন্তার চেয়ে উন্নততর।” (আইযাইয়াহ ৫৫: ৮-৯)
  7. “ধর্মতত্ত্বের সত্যসমূহ মানবজাতির কাছে সমানভাবে সুস্পষ্ট হবে এবং এ নিয়ে বিতর্ক করার কোনও অবকাশ থাকবে না।”
    • “পৃথিবী প্রভুর জ্ঞান দ্বারা পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে জল যেমন সমুদ্রকে পরিপূর্ণ করে রাখে।” (আইযাইয়াহ ১১: ৯)
  8. “মৃত্যু চিরতরে গ্রাস হয়ে যাবে।”
    • “সেখানে আর কখনও কেবল কয়েক দিন বাঁচা বাচ্চা থাকবে না, বা বৃদ্ধ বয়স্ক মানুষ যিনি তার সম্পূর্ণ আয়ুষ্কাল সম্পন্ন করেননি তিনিও বাস করবেন না; যিনি একশোতে মারা যান তাকে শিশু মনে করা হবে।” (আইযাইয়াহ ৬৫:২০)”
  9. “তিনি একজন তরুণ রাজা, পরামর্শদাতা হবেন। অল্প বয়স থেকেই সরকার তার কাঁধে থাকবে। বিভিন্ন জাতির নেতারা তাঁর কাছে পথ নির্দেশনার জন্য তাকাবেন।”
  10. “ঈসা পৃথিবীতে ন্যায়পরায়ণতা প্রতিষ্ঠা করবেন।”
  11. “ঈশ্বরের রাজ্যে লোকেরা আরও সুন্দর ও পবিত্র হবে। আমাদের স্বর্গীয় দেহটি পরিধানের উদ্দেশ্যে ঈশ্বর আমাদের প্রস্তুত করেছেন।”
    • “আমরা আমাদের বর্তমান দেহগুলোতে ক্লান্ত হয়ে উঠি এবং আমরা আমাদের স্বর্গীয় দেহকে নতুন পোশাকের মতো পরতে চাই।” (২ কারিন্থীয়ান্স ৫: ২)
    • “তখন অন্ধদের চোখ খোলা হবে এবং বধিরদের কান খোলা হবে। তখন খোঁড়া হরিণের মতো ঝাঁপিয়ে পড়বে, আর বোবা গাইবে।” (আইযাইয়াহ ৩৫: ৫-৬)
  12. “প্রভু প্রাচুর্যের যুগ উন্মোচন করবেন।”
  13. “যখন আমরা বিশ্বাস করি যে ঈসা মৃতদের মধ্য থেকে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন, তখন আমরা আশা এবং আনন্দের সাথে ঘোষণা করি যে আমরাও তা করব।”
  14. “আপনার নির্দিষ্ট মিশন অনুসারে, অগণিত উপায়ে স্বর্গের কিছু পৃথিবীতে নিয়ে আসুন।”

আগত পৃথিবী (৩)

  1. “‘তখন জন একটি নতুন আকাশমণ্ডলী এবং একটি নতুন পৃথিবী দেখল’, এই শক্তিশালী দর্শন যা ‘বুক অফ রেভেলেশান’এ বর্ণিত আছে, সেখানে আরও বর্ণনা আছে পূর্বের আকাশ ও পূর্বের পৃথিবীর প্রস্থান এবং একটি নতুন আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর উদ্বোধন। ‘বুক অফ রেভেলেশান’ বইয়ের লেখক জন তখন এই উত্তেজক কথা লিখেছেন: “যিনি সিংহাসনে বসেছিলেন (ঈসা) তিনি বললেন,‘দেখ, আমি সমস্ত কিছু নতুন করে তৈরি করছি।’” একমাত্র ঈশ্বর যা সত্যিই নতুন তা তৈরি করতে পারেন। কেবলমাত্র আকাশমণ্ডলী এবং পৃথিবীর স্রষ্টা শুন্য থেকে অস্তিত্বের মধ্যে নতুন কিছু আনতে পারেন। ঈশ্বর নতুন যা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা সত্যিই আমাদের সীমিত মানব কল্পনা ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু ঈশ্বরের কাছ থেকে আসা নতুনত্ব কোন দার্শনিক বা ধর্মতাত্ত্বিক বিমূর্ততা নয়। এটি অনুভবনীয় এবং আমাদের দৈনন্দিন অস্তিত্বের মতো বাস্তব। … তার ভালবাসা সব কিছু নতুন করে তুলবে।”
  2. “… শহরে কোনও মন্দির/উপাসনালয়সমুহের কেন্দ্র দেখেনি কারণ এর মন্দির সর্বশক্তিমান ঈশ্বর এবং মেষশাবক (ঈসা অর্থে)।” (বুক অফ রেভেলেশান ২১:২২)
  3. “অন্ধরা তাদের দৃষ্টি ফিরে পায়, খোঁড়া হাঁটা, কুষ্ঠরোগীদের শুচি করা হয়, বধির লোকেরা শোনে, মৃতেরা জীবিত হয় এবং দরিদ্রদের কাছে সুসমাচার প্রচারিত হয়।”
  4. “ঈসা আধ্যাত্মিকভাবে আগ্রহী আপনার হৃদয়ের প্রতি যেখানে তিনি আপনাকে তাঁর অদম্য শান্তি এবং চিরকালীন জীবন দিতে পারেন। এটিই পৃথিবীকে বদলে দেবে।”

প্রভুর রাজ্যের সূচনা

  1. “এই বিশ্বাসের সাথে বাঁচা যে প্রভু সত্যিই পাপ ও মৃত্যুকে ধ্বংস করবেন এবং আমরা তাঁর সাথে খুব আনন্দের সাথে বাঁচতে সক্ষম হব। ঈশ্বর যে চূড়ান্ত রাজ্য প্রস্তুত করছেন তা সত্য এবং এর জন্য একজনের পুরো জীবন উৎসর্গ করা যেতে পারে।”