Reform & Development of Power Sector in Bangladesh

Reform & Development of Power Sector in Bangladesh

বিদ্যুৎ খাতের সংস্কার এবং উন্নয়ন 

Area of Expertise: #EnergyAndPower

বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে

  • দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি (যেমন – রামপাল [2] [3] )

বা

  • দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতিকর প্রভাব বিবেচনা না করে তড়িঘড়ি করে বড় চুক্তিতে যাওয়া (যেমন – নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন)

– না করে

এখনই কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে:

  • আমাদের existing power plants গুলোর efficiency বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ শুরু করতে হবে।
  • “বিদ্যুৎ চুরি”-র বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে [1]।   
  • “সিস্টেম লস” – কমানোর লক্ষ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে [1]। 
  • বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে [1]
  • নির্মাণাধীন প্ল্যান্টগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। 
  • গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর যন্ত্রপাতির সংস্কার করে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা ৫০% এর বেশি বাড়ানো সম্ভব। এজন্য এক হিসেব মতে খরচ হবে আনুমানিক ৫০০০ কোটি টাকা – যা World Bank এবং এডিবি (ADB) দিতে প্রস্তুত।

টেকনিক্যাল কাজগুলোতে বিদেশী Expertise এর উপর নির্ভরতা আমাদের কমাতে হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষম বাংলাদেশী “Large Scale Engineering” Corporation আমি গড়ে তুলবো।
 

কিছুদিন পর 

  • দেশে রিকশা এবং সাইকেলের চাকার ঘূর্ণনে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। 
  • বন্যার পানি রূপান্তরিত হবে বিদ্যুতে। 

Renewable Energy Sector এ বাংলাদেশ হবে বিশ্বের মডেল।

  • Nuclear Power Plant গড়ে তোলায় সক্ষম – বাংলাদেশী “Large Scale Engineering” কর্পোরেশান আমি গড়ে তুলবো।

সরকারি প্রকল্প এবং দুর্নীতি  #SayNoToCorruption

আমাদের দেশে মন্ত্রী – সাংসদ – ক্ষমতাসীনরা এক একটি বড় প্রজেক্টকেবিশাল আকারের দুর্নীতি করার এক একটি সুযোগ বলে বিবেচনা করেন। দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বিবেচনা না করে অনেক সময় তড়িঘরি করে অনেক প্রকল্প হাতে নেন – শুধুমাত্র – দুর্নীতি করার লক্ষ্যে। পদ্মা সেতু দুর্নীতি – এর অন্যতম উদাহরণ।

বিদ্যুৎ খাতে বড় আকারের দুর্নীতি হয়েছে – কুইক রেন্টাল প্রকল্পে

শিল্প ব্যবসায়ীরা শিল্প পরিচালনার জন্য বিদ্যুতের জন্য মুখিয়ে থাকেন। এই চাহিদাকে – দুর্নীতিপরায়ণ রাজনীতিবিদরা দুর্নীতি করার সুযোগ বলে বিবেচনা করেন। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে –  বিদ্যুৎ খাতে এমনটা যেন আর না ঘটে।

আবার – বিদেশী শক্তির সমর্থন লাভের লক্ষ্যে – দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে – বিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে কিনা – সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখা বাঞ্ছনীয়।

শিল্প ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তা (Entrepreneur) দের পরিমিত বিদ্যুৎ (এবং গ্যাস) দিতে পারলে – দেশে বড় ধরণের শিল্প বিপ্লব (Industrial Revolution) ঘটবে।

References

“এক শিল্পপতি ১০ বছরে সাত কোটি টাকা বিল বকেয়া রেখে হ্রাস করার কৌশল খুঁজছেন। আবার কোনো কোনো শিল্পগ্রাহক বিরাট অঙ্কের বকেয়া রেখে আত্মরক্ষার্থে মামলা দিয়ে চোরাপথে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। পুরান ঢাকায় দস্যুতা স্টাইলে রাতে ‘হুকিং’-প্রক্রিয়ায় কিছু কিছু কারখানায় বিদ্যুৎ চুরি ঘটছে।

সাম্প্রতিক কালে এক্সপ্রেস ফিডার, অত্যাধুনিক ডিজিটাল মিটার, প্রি-পেইড মিটার ইত্যাদি প্রবর্তনের ফলে বিদ্যুৎ সেক্টরে দুর্নীতির ঘটনা অনেকাংশে হ্রাস পেলেও গ্রাহক পর্যায়ে চুরি/রাজস্ব ফাঁকির মানসিকতা পুরোপুরি দূর হয়নি। ডিপিডিসির সিস্টেম লস ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ছিল ২০ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।”

Notes On Engineering & Management Consultancy / Services [Updated – 2] [Unofficial]

I can build whatever there is on Earth –
From MRI Machines and Particle Accelerators
To Governments and Democratic & Financial Institutions.

Engineering & Management Consultancy to 

  • Governments 
  • Companies
  • Billionaires / “Ultra-Rich”s
Governments
  • Maybe you are in the Government of a country in the Middle East and you dream of setting up a new – “Disney World” “kind of” Mega-Amusement Park for kids.
  • Or maybe you want to solve your City’s problems and modernize the way your City is run through Smart City Technologies.
  • Or it might be the case that the economy of your country would change dramatically if you could setup a Highly Advanced & Efficient Sea Port. 
  • Maybe it’s an Airport with all the modern facilities that would bring such revolutionary change.
     
  • Do you feel the need for Consultancy for Reform in any of the Institutions in your country that are pillars of good Democracy?


Companies
 
  • Advanced Manufacturing Facilities
    • A new “High Speed Rail” Manufacturing Facility?


Billionaires / “Ultra-Rich”s
  • Maybe you have always dreamt of setting up your own Car Manufacturing Company.
  • Or it’s an Aircraft Manufacturing Company.
 
 
 
 



 

High Speed Rail (Someday will have “Made in Bangladesh” 
marked on it”)
 
High Speed Rail
Satellite (Someday will have “Made in Bangladesh” 
marked on it)
Satellite

 

 

 

Aircraft (Soon to be : “Made in Bangladesh”)
Aircraft Manufacturing



Countries / Regions / Cities

(US & Bangladesh – full responsibility)
 

Services:

EU Area & Eastern Europe

  • Britain (After US and Bangladesh, if there is a third – it’s Britain.) 
  • Germany 
  • France 
  • Italy
  • Spain
  • Switzerland
  • ……  

 

Scandinavia
  • Sweden 
  • Denmark
  • Norway
  • Finland
  • Iceland


Eastern Europe

  • Russia
  • Poland 
  • Ukraine
  • Hungary
  • Moldova
  • Georgia
  •  




South Asia, South East Asia

  • India
  • Indonesia
  • Thailand 
  • Malaysia
  • Myanmar
  • Nepal
  • Bhutan
  •  
 

Asia Pacific & Oceania

  • Taiwan
  • Hong Kong
  • Japan
  • South Korea 
  • China, Tibet 
  • North Korea
  • Australia
  • New Zealand



 

Middle East & North Africa

 

  • Dubai / UAE – Physical Digital, … 
  • Saudi Arabia 
  • Iran
  • Syria, Iraq, Palestine, Libya – Rebuilding
  • Tunisia
  • Egypt
  •  



Latin America & Caribbean

  • Mexico
  • Cuba
  • Brazil
  • Colombia
  • Peru
  •  




Rebuilding (War-torn areas / Isolated areas) 

  • Ukraine – Rebuilding
  • Palestine – Rebuilding 
  • Syria – Rebuilding 
  • Iraq – Rebuilding 
  • North Korea – Rebuilding 
  • Libya – Rebuilding
  •  


Africa

  • Diseases & Healthcare; 
  • Poverty; 
  • Electricity; 
  •  
 
 
Companies / Business 

Links From TahsinVersion2

 
  • US 
    • Defense Technology
      • Lockheed Martin
      • BAE Systems
      • Boeing
      • Palantir
      • Boston Dynamics
    • General Electric
    • Intel
    • Apple
    • Amazon
    • Twitter 
    • HP
    • Cisco
    • Exxon Mobil
    • Pimco
    • Bank of America
    • Bloomberg
    • CBRE
    • Barnes N Noble


  • Outside US 
    • SAP (Germany)
    • BMW (Germany)
    • Samsung [South Korea]
    • Sony [Japan]
    • UCB Pharma (Belgium) 
    • Alibaba
    •  
 
Billionaires / Ultra-rich
  •  
 
 
Philanthropy
  • Gates Foundation

Notes On Research & Engineering (R&E) [11.06.14]

Research & Engineering (R&E)
I am more of a scientist – a Theory / Model Builder. And that makes me the best Engineer.
 
Physics
  • Applied Physics; Electrical Engineering; Mechanical & Aerospace Engineering
 

Chemistry

  • Chemical Engineering; Materials Science & Engineeing; NanoEngineering
 
BioSciences
  • BioEngineering & Translational Medicine; Computational & Systems Biology
 
Earth & Environmental Sciences & Engineering; GeoEngineering; Climate Science
 
Computer Science & Engineering
 
Mathematics
  • Applied Mathematics; Computational Sciences and Engineering
 
Brain Sciences
  • Neuroscience; Psychology; NeuroEngineering
 
Economics; Social & Political Sciences; Complex Systems; Management Science & Engineering; Industrial & Systems Engineering; Operations Research; Government Services;
 
Engineering & Applied Sciences



Scientific Approach To Engineering

 
I am more of a scientist – a Theory / Model Builder. And that makes me the best Engineer.
Whenever I try to learn something, I learn everything that can be learned about the subject (of course by thinking, because everything that can ever be learned about a subject” is not yet documented anywhere in an organized way)– even knowledge that is yet to be discovered.
So, when I am learning Robotics, I organize – everything that can ever be learned about Robotics – from the perspective of Physics and Computer Science (by thinking).
Physics defines the rules that the world follows – you can’t go beyond those rules. So to understand the ultimate Physical possibilities of Robotics – you have to think from the perspective of Physics.
I build the ultimate “Model”s of the world.
 
Researchers work on building better“Model”s of parts of the world, try to “improve upon”current devices. So a researcher working on – say, Optogenetics, asks specific and limited questions –what other protein respond to light? What other wavelength of light can we use to control neurons?
While, I ask general questions (the ultimate possibilities)– what are the ways we can “control” neurons? Shining light from outside and building sensors (out of protein) that respond on neurons is one way. How far can we go with Optogenetics? Creating a Magnetic Field is another way to control parts of the brain.
This is my approach – I try to learn everything that can ever be learned – because Science sets the ultimate possibilities. That’s how being the Best Scientist makes me the Best Engineer.




Related Links



References

Physical Digital Computing


  1. Emerging Area: Physical Digital Integration
  2. Physical Digital Integration: Cloud Manufacturing & Car 2.0
  3. Smart Home With Physical Digital Integration: What The Future Holds
  4. Could Manufacturing Be The Key To American Lead In Global Economy?
  5. The Science of Reading: Paper versus Screens
  6. On The Future Of Manufacturing: From Scientific American
  7. The Story Behind Physical Digital Computing 
  8. Personal Notes On Book 2.0  
  9. Personal Notes On Robotics
  10. Personal Notes On Manufacturing [Unofficial] 
  11. Personal Notes On 3D Printing, Additive Manufacturing [Unofficial] 
  12. Personal Notes On Digital Sports – 1 [Unofficial] 
  13. Designing Information Interface For The Next 5 Billion 
  14. “Things That Think” From Prof. Neil Gershenfeld
  15. Physical Digital Interaction / Experience / Product Designer
  16. Personal Notes On Exponential Technologies [Unofficial]
  17. Personal Notes On Physical Digital Computing – 1 [Unofficial]   

Manhattan Scaleproject on BioSciences, Translational Medicine and BioEngineering

 
I’ll soon start (as soon as I move to Califormia and get funding) a Manhattan Scale project on BioSciences, Translational Medicine and BioEngineering – that will define the frontiers of Healthcare and relatedfields – like Environment, Energy (Fuel; Photosynthesis inspired Solar Cells?) & Sustainability, Agriculture.

 

  • Cancer, Ebola, Perkinson’s, AIDS, Alzheimer’s,
  • Disabilities and losses (Eyesight loss; Limb Amputee, etc. <- Stem Cell & Regenerative Medicine. We can replace with Mechanical / Physical parts as long as we our Stem Cell / Regenerative Medicine Tech is not advanced enough – but remember – Biology – is the ultimate technology.
My Guiding Principle would beRestore the Normal (as opposed to the artificial – Mechanical devices or Pills or Drugs) – possibly through
  • Stem Cell / Regenerative Medicine or
  • Gene Therapy.
As long as we can’t make headway in Stem Cell / Gene Therapy – we can do away with Drugs and Devices – but the ultimate future is Biology.
 
My Plan is to build
  • Medical / Scientific / Engineering Equipments (that would be required in my own research) and
  • Sell and use the profit to fund my research / further work.
So only limited funding would be required in the first phase – and from that point on self – funding / reinvesting.
 
Equipments would require continuous innovations and improvements. For example,
  • Gene Sequencers (Bringing down the cost of Gene sequencing of a single Genome to several hundred dollars or maybe $100.)
  • Robots that automate much of Experimental work. [Consider: Combinatorial Chemistry – parallel reactions]
 
Another line of products (lots of innovations)
  • Medical / Surgical Equipments (from smaller Ultra-Sounds to “Da Vinci”-like Surgical Robots)
  • Healthcare IT Infrastructure and Services (to Hospitals, Clinics) – [Examples:
  • Sensors that measure Body parameters and store data in Database / Cloud <- Big Data 2.0 on Data;
  • Watson-like AI on Medical Literature (e.g., Pubmed) to augment Medical Researchers and Physicians]
 


Hiring
 

A few BioEngineering / BioMedical Engineering / Molecular Biology / Cell Biology / BioChemistry / BioPhysics / BioInformatics / Computational Biology PhDs – each concentrating on a particular part – under my supervision. For example:

  • One researcher concentrating on Transport system of Cells – 2013 Nobel Physiology or Medicine Prize Work (Collaborating with other researchers focused on other Cellular organelles or Extra-cellular Matrix)
  • Another researcher concentrating on Spatial Representations and Motor Planning in the Brain – 2014 Nobel Physiology or Medicine Prize Work
  • Couple working on how to repair / replace Damaged Organs with Tissue / Organs grown from Stem Cells – carrying on the 2012 Nobel Physiology or Medicine Prize Work
– I’ll teach and help them grow.
 
 
Another Plan:
I will review and modernizethe FDA (Drug, Medical Device) appoval process.
Going through a process that takes 10 years and costs Billion Dollars – after inventing a drug [and device] – to bring it to market – kills off many promising drugs.
[This is how having access to everything – will enable me to bring about Revolutionary Changes. No company could think of modernizing FDA approval process – however bad they wanted it.]
 
[That is why I say, I am the person who will know everything there is to be known – the ultimare limits of human knowledge.]
 
Other “Manhattan Scale” Projects / Innovations:
 
Education Platform
  • Huge! Reinvention of Education. Changes the way Education is delivered, the way how people learn in each and every country of the World. [Microsoft?]

Artificial Intelligence Platform

    • Watson-like Natural Language Understanding + A Lot More 

 

  • Less computational resource requirement; Highly developed Knowledge Processing / Reasoning 

 

 

  • Apps and Services on Top of the Platform

 

Cloud Manufacturing Platform + Physical Digital Computing Division

    • This is where the Medical / Surgical / Scientific Equipments would be manufactured. 

 

  • + Manufacturing Equipments and Services for Companies 

 

 

  • Materials / Nano / Applied Physics / Engineering Research

 

 

Knowledge Based Robotics

    • Imagine: Robot Engineers repairing your Car.

 

  • Robots in Industry. Home. Healthcare. Service Robots.

Computer Architecture; Processor; Hardware; Novel Material



 
Other Revolutionary Products / Set of Products:
  • E-Book 2.0 / E-Magazine 2.0 / E-Newspaper 2.0 & Digital Publishing
 

Notes On Microsoft & Tech Community
 
I have become an inspiration for America’s top Software Companies, Executives and Engineers.
 
I have introduced – Lots of fresh ideas, new outlooks, new perspectives from which to look at.
 
When you get used to believing that, you are the best in the world – you stop pushing yourself.Companies that once thought – they were the best in the world and hence no need for innovations – were challenged after my arrival.

[No where is this trend more evident than Google.To get a feeling – glimpse at acquisitions made by Google since last November (2013) (Companies that focus on Physical Digital Computing products)] (including 8 Robotics companies and Nest and Skybox Imaging)


Links
 

Microsoft, Facebook, Amazon, HP, Intel and SAP (simplify complexity) – are 5 other companies – where I am hoping – “being challenged” to be followed by innovations.
 



Executives and Engineers at top companies – who believed that, they were the best in the world – were challenged.

 
Both – Companies and People – are inspired to do better work.
It would be fantastic – if this realization translates into lots of new innovations.
 

Microsoft
In the past few years Microsoft has lost the “Brand Appeal” it once enjoyed.
When people use Google (products and services), they feel proud (geeky, Trendy – whatever you say) of it.
When people use iPhone or iPad, they feel they are being smart by using Apple products. (“Apple products are amazing – beautiful and intuitive!”)
 
Brand appeal depends more on “word of mouth” than on the products themselves.
 
One of the areas I can work on is to bring back that “Brand Appeal” to Microsoft products (that Microsoft once enjoyed).
“Microsoft is cool!” or maybe “Microsoft is back!”
“Surface is just awesome!”
 
Links:
 
Satya Nadella, being young (and upto date) – is focused on bringing ideas that are currently appreciated and successful in the Industry (even if the ideas are not as widespread and strictly followed at Microsoft):
  • Cloud first, Mobile first 
  • Competing by quickly bringing products to Market and following up with quick iterations. 

Comment : Following up with quick updates gets more significant in a Mobile first, Cloud first world – where you can push updates whenever you want.

  • Data-driven Marketing and Data-driven Software Engineering process improvement 
  • Focused on Platforms and Services

 

 
[When I first read about Satya, (it was when he became the CEO) …. I read …. Neuroscience … Books … loves learning new things .. utilizing brain to get smarter .. Cricket … family … married the woman he met in high school … I was like, Wow! this guy shares similarities with me!]
 
 
Steve Ballmer
Hanged onto – Windows and Office (even by sacrificing some of the areas where Microsoft could have dominated – Smartphone, Touchscreens)
Started and established:
  • Business Division; Cloud; Skype; Server; SQL Server; 
  • X-Box  and Gaming
  • .NET & Visual Studio
 
 

Article: What The Next CTO of United States Could Focus On
 

Education

  • Work with State Gov, Local Gov 

Redesigning the Healthcare System 

Business and Industry 

  • Small Business : Hassle free environment (Regulatory Info -> Web) 
  • Tax Reform

Policy Advising 

    • Domains where Science,Technology and Public Policy Intersect and we need Policies tailored to 21st Century. 
    • Examples: 
      • Security & Privacy 
      • Drones 
      • FDA Drug Approval Process ($1 Billion & 10 years for each drug)

 

Work with Regulatory Agencies, e.g., FAA, FCC, FDA.
 

Related Links

  1. Influence in United States 
  2. International Relations: Bilateral Relations (I Have Contributed / Will Contribute To) 
  3. Personal Notes On Politics (1) 
  4. Personal Notes On US Policy Reform / Formulation 
  5. Reflections On America [7.31.14] 
  6. America: The Leading Nation In The World  

“Americawas, America is and Americawill continue to be leading the nation in the world.”

Government Services etc. as Platforms and Private Sector developing Services on top of Gov. Services


Open Government

  • Transparency; 
  • Citizen participation through Web & Communication Tech. etc.


  • Taking Successful ideas from Information & Communication Technology Industry and applying them to Government. Examples: 
  • Open Innovation: Prizes




Washington Tech Community, Industry, Scientists, Economists, Academia, Ideas



The next CTO of United States could also act as a bridge between the President and the Congress.
 

Government Sectors that work with Science, Technology, Medical Innovation:

 
Funding Projects, Research Grants;
Determination of Focus, Agendas, Initiatives (e.g., Obama Brain Initiative, National Nanotechnology Initiative – NNI);
Challenges (e.g., DARPA Grand Challenge) etc. :
  • NASA, 
  • NSF, 
  • NIH, 
  • NAE, 
  • CDC, 
  • DoD, DARPA, NSA,
 
Article : Smart Government / Government 2.0
 
 

 
  • Cloud Manufacturing; Digital Manufacturing 
  • Artificial Intelligence & Robotics 
  • Computer : Architecture, Materials 
  • Car 
  • Data Sciences & Big Data 2.0
  • Materials Science; Chemistry; Chemical Engineering 
  • Physical Digital Products



 
Management Science & Engineeing
Services on top of
  • Microsoft Enterprise & Microsoft Cloud 
  • [Tahsin] Venture’s 
    • Enterprise Physical Digital Products 
    • Cloud Manufacturing; Digital Manufacturing
 

 

Cloud Manufacturing. Digital Manufacturing. Materials. 

Artificial Intelligence & Robotics.

 
Car
  • Hybrid.  Extremely Fuel Efficient.
  • Semi-Autonomous. 
  • “Connected” 
  • 3D Printed – Personalization.
 
Computer
  • New Material. 
  • New Architecture. Parallel Architecture. 
  • Faster Storage Access.  New Material. 
  • Energy Efficient.

ORGs

একবিংশ শতাব্দীতে প্রাযুক্তিক বিপ্লব

ভবিষ্যতের বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি নিয়ে আমার সবসময়ই আগ্রহ। অনেক বছর আগে (২০০৬ এর দিকে) “Future Science”, “Future Technology”, “Future Artificial Intelligence Technology” Google করতে গিয়ে চোখে পড়ে  Ray Kurzweil [1] এর লেখা। তার লেখা আমাকে প্রচন্ডরকম অনুপ্রাণিত করেছিল। লেখাগুলো থেকে প্রথম জানি Exponential Technologies সম্পর্কে। 


আমি ব্যবহার করতাম ধীরগতির ইন্টারনেট। কিন্তু গভীর আগ্রহ নিয়ে এক একটা পেইজ লোড হওয়ার জন্য অপেক্ষা করাতেও ছিল আনন্দ!

২০০৮ সালে চট্টগ্রাম কলেজের ‘০৫ ব্যাচের রিইউনিয়ান উপলক্ষে প্রকাশিত ম্যাগাজিনে ভবিষ্যত প্রযুক্তি নিয়ে আমার নিচের লেখাটা প্রকাশিত হয়। ২০০৮ এর কোন এক সময় লেখা। তখনকার চাইতে জ্ঞানের পরিধি অনেক বেড়েছে। আশপাশের সবকিছু নিয়ে ভিউ ও অনেকখানি পাল্টেছে। তারপরও লেখাটা খুব প্রিয়! সামান্য পরিমার্জিত।



কেমন হবে যদি আশেপাশের বুদ্ধিমান যন্ত্রপাতিগুলোর সাথে যখন তখন আড্ডা জুড়ে দেওয়া যায়? কিংবা তোমার অঙ্গ প্রত্যঙ্গের বেশিরভাগই হয় কৃত্রিম আর দেহের ভেতর ব্যস্তভাবে ঘুরে বেড়ায় খালি চোখে দেখা যায় না এমন সব ন্যানো রোবট? ভার্চুয়াল রিয়ালিটির জগতে কৃত্রিম সব অনুভূতি নিয়ে বেঁচে থাকতেই বা কেমন লাগবে?

কি? শুনতে অবাস্তব মনে হচ্ছে?

আসলে বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির কল্যাণে বাস্তবতা আর অবাস্তবতার সীমারেখাটি দিন দিন ম্লান থেকে ম্লানতর হচ্ছে। আমাদের চোখের সামনেই ঘটে চলেছে এক অভুতপূর্ব বিপ্লব। বায়োপ্রযুক্তি আমাদের দিচ্ছে প্রাণকে ব্যবহার, নিয়ন্ত্রন এবং উন্নত করার হাতিয়ার। তথ্যের সহজলভ্যতা বিশ্বকে বিভিন্ন মাত্রায় প্রভাবিত করছে। আর ন্যানোপ্রযুক্তি অভিনব সব পণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি পণ্যের কার্যক্ষমতাও বাড়িয়ে তুলছে।

এসব দেখে কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং লেখক ভারনার ভিঞ্জ প্রাযুক্তিক সিঙ্গুলারিটি(Technological Singularity) ধারণাটা প্রবর্তন করেছিলেন। [2] তার ভবিষ্যৎবাণীটা মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তির অগ্রগতিকে ভিত্তি করেই। ধারণাটা এরকম – একবিংশ শতাব্দীর কোন এক সময় কম্পিউটারের বুদ্ধিমত্তা মানব বুদ্ধিমত্তাকে ছাড়িয়ে যাবে আর তারপর উন্নয়ন এত বেশি ত্বরান্বিত হবে (কম্পিউটার যেহেতু মানুষের চেয়েও বুদ্ধিমান কাজেই কম্পিউটারই সব আবিষ্কার করা শুরু করবে), যে এর সম্পর্কে ভবিষৎবাণী করা যাবে না।

বাস্তববাদীঃ কিন্তু আসলেই কি ভবিষ্যৎ নিয়ে ভবিষৎবাণী করা যায়?


এই প্রশ্নের উত্তরে তাপগতিবিদ্যা থেকে একটা উদাহরণ দেওয়া যায়।

তাপগতিবিদ্যায় একটা ক্ষুদ্র গ্যাস অণু কোথায় যাবে, কত গতিতে যাবে, তা ভবিষৎবাণী করা প্রায় অসম্ভব – আরেকটা অণু এসে যে কোন সময় ধাক্কা দিতে পারে। কিন্তু লক্ষ কোটি অণুর সমন্বয়ে গঠিত গ্যাসের আচরণ, কিছু ধর্ম অনেকটাই ভবিষৎবাণীর যোগ্য। তা নাহলে গ্যাসের জন্য PV = nRT সূত্রটা আমরা পেতাম না। এখানে গ্যাসের তাপমাত্রা, চাপ আর আয়তন নিয়ে আমরা ভবিষ্যৎবাণী করতে পারি, কিন্তু কখনই একটা গ্যাস অণু নিয়ে আগাম কিছু নিখুঁতভাবে বলা সম্ভব না।

একইভাবে, প্রযুক্তির কোন একটা ক্ষেত্র বা উপক্ষেত্র কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা বলা কঠিন হলেও কোন কোন প্রযুক্তিবিদ মনে করেন, সবগুলো ক্ষেত্র উপক্ষেত্রের সম্মিলিত ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায় মানব সমাজে প্রযুক্তির বিকাশ হয়ত ভবিষ্যৎবাণী যোগ্য।

ইনফরমেশান থিউরির প্রবক্তা ক্লড শানোন, পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং থেকে শুরু করে প্রায় সব খ্যাতিমান বিজ্ঞানী, প্রকৌশলীই প্রাযুক্তিক বিপ্লবের নানা সম্ভাবনার কথা যুক্তি দিয়ে তুলে ধরেছেন। এদেরই একজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ রেই কুরযওয়েইল। ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে এবং ঠিক কখন কোন প্রযুক্তি বাজারে আসবে তা নিয়ে তিনি বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন। [3] তার যুক্তির ভিত্তি ইন্টেলের প্রতিষ্ঠাতা মুরের সূত্র। মুরের সূত্রানুসারে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটে ট্রান্সিস্টার সংখ্যা প্রতি প্রায় দুবছরে দ্বিগুণ হচ্ছে। [4] অন্যভাবে বলা যায়, কম্পিউটারের বুদ্ধিমত্তার বৃদ্ধিহার এক্সপনেনশিয়াল (দ্রুত থেকে দ্রুততর হচ্ছে), সরলরৈখিক না।


এক্সপনেনশিয়াল বৃদ্ধিহার ব্যাপারটা বোঝা দরকার।

ধরা যাক, একটা পুকুরে ফুল আছে ২টি।

প্রথমে ধরি, ফুলের সংখ্যা সরলরৈখিক হারে বাড়ছে – প্রতিদিন ২টি করে বাড়ছে। তাহলে ২য় দিনে ফুল হবে ৪টি, ৩য় দিনে ৬টি, এভাবে ১০ দিন পর ২০টি।

এবার ধরি, ফুলের সংখ্যা এক্সপনেনশিয়াল হারে বাড়ছে – প্রতিদিন দ্বিগুণ হচ্ছে। তাহলে ২য় দিনে ফুল হবে ৪টি, ৩য় দিনে ৮টি, ৪র্থ দিনে ১৬টি, এভাবে ১০ দিন পর ১০২৪টি।

কোথায় ২০ আর কোথায় ১০২৪।

এক্সপনেনশিয়াল হার চলতে থাকলে ২০ দিন পর ফুলের সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়াবে।

এক্সপনেনশিয়াল হারে কোন কিছু বাড়তে থাকলে পরিবর্তনটা কত দ্রুত হয় – বুঝতে পারছ? কম্পিউটারের ক্ষমতা বাড়ছে এক্সপনেনশিয়াল হারে। 
এখন কল্পনা কর, কম্পিউটারের ক্ষমতা যদি প্রতি দেড় থেকে দুই বছরে দ্বিগুণ হতে থাকে, তাহলে কত দ্রুত তা বাড়ছে। একারনেই মাত্র কয়েক বছর আগে ডেস্কটপ কম্পিউটারের যে ক্ষমতা ছিল, এখন হাতের তালুতে থাকা স্মার্ট ফোনের তার চেয়ে বেশি ক্ষমতা।

কম্পিউটারের ক্ষমতা বৃদ্ধির ফলশ্রুতিতে যা ঘটেছে তা হল যেসব প্রযুক্তি কম্পিউটারনির্ভর ওগুলোও দ্বিগুণ হারে বাড়ছে। অল্প সময়ে আধুনিক ইন্টারনেটের বিস্ফোরণ এর উদাহরণ। ৯০ দশকের মাঝামাঝি ওয়েব (Web) এর সূচনা – এর আগে সাধারণ জনগণের মাঝে ইন্টারনেটের প্রচলন ছিল না। আর এখন ইন্টারনেট ছাড়া জীবন আমরা কল্পনা করতে পারি? 

প্রযুক্তির অন্যান্য ক্ষেত্রেও আমরা এক্সপনেনশিয়াল উন্নতির প্রভাব দেখছি। যেমন এইচ.আই.ভি কে সিকয়েন্স করতে আমাদের যেখানে সময় লেগেছিল ১৫ বছর, সেখানে SARS কে সিকয়েন্স করতে সময় লেগেছে মাত্র ৩১ দিন।

পদার্থবিজ্ঞানীঃ কিন্তু এক্সপনেনশিয়াল উন্নতি তো অনির্দিষ্ট কাল ধরে চলতে পারে না। একটা পর্যায়ে মৌলিক বিজ্ঞানের সাথে সংঘর্ষ ঘটতে পারে। যেমন ট্রানজিস্টারের আকার কোয়ান্টাম মেকানিক্স অনুসারে একটা সীমা পর্যন্ত ছোট হতে পারে। এরপর?


মৌলিক বিজ্ঞানের সাথে সংঘর্ষে না গিয়ে এক্সপনেনশিয়াল উন্নতি কিভাবে চলবে তাও বলেছেন Kurzweil। তার মতে সীমায় পৌঁছানোর আগেই প্যারাডাইম পরিবর্তন হবে। অর্থাৎ, একই ধারায় উন্নতি না ঘটে সম্পূর্ণ নতুন একটা ধারার সূচনা হবে। যেমনটা হয়েছিল ভ্যাকুয়াম টিউব থেকে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটে উত্তরণের সময়। এবার হয়ত ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট থেকে ত্রিমাত্রিক আণবিক কম্পিউটিং এ উত্তরণ ঘটবে।

তাহলে কথা না বাড়িয়ে দেখে আসা যাক ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি আমাদের জন্য কি কি নিয়ে অপেক্ষা করছে। প্রথমেই তাকানো যাক নিজের দিকে।

মানবদেহ ভার্সন ২.০

ছেলে মেয়ে দেখতে কখনই পুরোপুরি বাবা মায়ের মত হয় না। ভাই বোনরাও দেখতে একরকম হয় না। বাবামায়ের জীন রিকম্বিনেশান, মিউটেশানের মাধ্যমে পাল্টে সন্তানের কাছে যায়। আর প্রজন্ম থেকে প্রজন্মাতরে একটু একটু পাল্টে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিবর্তনে (Biological Evolution) হাজার লক্ষ বছরের ফসল আমাদের এই দেহ।

বিবর্তনে আমাদের যোগ্যতর করে তোলার জন্য যে অসংখ্য অভিযোজন ঘটেছে তার একটা হল দেহে ক্যালরি জমা রাখার ব্যাপারটা – যাতে খাদ্যের প্রাচুর্যের পর ঘাটতি এলে ব্যবহার করা যায়। আমাদের পূর্ব পুরুষদের সবসময় খাওয়া জুটত না। কাজেই একবার খাওয়ার সন্ধান পেলে অনেকটুকু খেয়ে দেহে জমিয়ে রাখা দরকার ছিল। কিন্তু আজ এই জীববৈজ্ঞানিক কৌশল প্রায় সম্পূর্ণ ভাবে আমাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এটাই মূলত দায়ি স্থুলতা, করনারি আরটারি রোগ এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য।

এটা শুধু একটা উদাহরণ। বিবর্তনের আরও অনেক প্রক্রিয়া আজ নতুন পৃথিবীতে আমাদের চাহিদার বিরুদ্ধে যাচ্ছে। তাই অনেক বিজ্ঞানী ভাবছেন দেহটিকে আধুনিক পৃথিবীর উপযোগী করে নতুনভাবে ডিজাইন করার সময় এসেছে। আমরা ইতিমধ্যে দেহের প্রাকৃতিক চক্রটিকে প্রভাবিত করছি ওষুধ দিয়ে, ডিভাইস দিয়ে প্রতিস্থাপন করছি অনেক অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে। জীব বিজ্ঞান, প্রাণ প্রকৌশল এবং ন্যানো প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা দেহের জন্য এমন সব সিস্টেম ডিজাইন করতে চাই যেগুলো হবে আরও দীর্ঘস্থায়ী, মজবুত, রোগ প্রতিরোধী এবং আনন্দদায়ক।

এক্ষেত্রে অন্যতম অগ্রগণ্য ভূমিকা রাখতে হবে ন্যানোবোট বা রক্ত কোষ আকারের রোবটকে। শরীরের রোগ সারাবার জন্য ন্যানো বোট ক্ষুদ্র রোবট সার্জনের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে। ন্যানোবোটগুলো আমাদের সংবেদী অঙ্গগুলোর সাথে সরাসরি যোগাযোগ সৃষ্টি করে ভার্চুয়াল রিয়ালিটির কৃত্রিম সব অনুভূতির স্বাদ দেবে – এই স্বপ্ন কোন কোন বিজ্ঞানীর অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। এখানেই শেষ না। ন্যানো মেডিসিন গবেষক রবার্ট ফ্রিটাস আমাদের লোহিত রক্ত কণিকাকে নতুনভাবে ডিজাইন করতে চান। তিনি এমনভাবে ডিজাইন করতে চান যাতে দেহে হৃদপিন্ডের প্রয়োজন কমে যায়। হৃদপিন্ড মূলত দেহে রক্ত পাম্প করার একটা জীব যন্ত্র। এমন লোহিত রক্ত কণিকা যদি ডিজাইন করা যায় যা নিজেই সারা দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে তাহলে হৃদপিন্ডের প্রয়োজন কমে আসে।

স্টেম সেল নিয়ে গবেষণা ক্ষেত্রটিকে এগিয়ে দিচ্ছে। স্টেম সেল হচ্ছে এমন কোষ যা বিভিন্ন অঙ্গ, টিস্যুর মাতৃকোষ হিসেবে কাজ করে। [5] কিডনির স্টেম সেল থেকে ধীরে ধীরে কিডনি গড়ে ওঠে। হৃদপিন্ডের স্টেম সেল পরিণত হয় সম্পূর্ণ হৃদপিন্ডে। আমরা স্টেম সেলকে পোষ মানানো শিখতে পারলে যে কোন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ তৈরি করে নিতে পারবো। মোট কথা, একবিংশ শতাব্দীতে দেহের প্রায় সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে কৃত্রিম অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা যাবে।

স্নায়ু বিজ্ঞানীঃ কিন্তু মস্তিষ্ককে প্রতিস্থাপিত করা তো সম্ভব না। মস্তিষ্ককে প্রতিস্থাপিত করলে একজন মানুষ অনুভন করতে পারবে না যে সে আগের মানুষটাই আছে। তাহলে? মানব সম্প্রদায়ের বুদ্ধিমত্তা কি সব সময় একই থাকবে?

মস্তিস্ক এবং বুদ্ধিমত্তার ব্যাপারটি এখন আলোচিত হবে।


বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ও ভবিষ্যৎ

বিজ্ঞানের অবিশ্বাস্য সাফল্যে আধুনিক বিজ্ঞানী আর প্রকৌশলীরা মনে করেন, আধুনিক বিজ্ঞান মহাবিশ্বের সবকিছু ব্যাখ্যা করতে পারে। কিন্তু আমরা যারা স্বাধীনভাবে সব ধরণের জ্ঞান আহরণ করি, আমরা জানি মহাজগতে এমন অনেক কিছু আছে, যেগুলো এখনও আধুনিক বিজ্ঞানের ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আধুনিক বিজ্ঞান বিশেষ করে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান দিয়ে অনেক কিছু ব্যাখ্যা করা যায় না। বিজ্ঞানীরা সেসব বিবেচনা করলে বলবেন, বিজ্ঞানকে নতুন করে লিখতে হবে! আমার ব্যক্তিগত মতামত: আমরা ধীরে ধীরে আল্টিমেইট রিয়্যালিটি (“Ultimate Reality”) র সন্ধান পাবো। আধুনিক বিজ্ঞান সেই আল্টিমেইট রিয়্যালিটির একটা অংশ।

আধুনিক বিজ্ঞান অনুসারে মহাবিশ্বে মানুষ একটা অকিঞ্চিৎকর ব্যাপার। বিশাল একটা মহাবিশ্ব – লক্ষ কোটি গ্যালাক্সি নিয়ে গঠিত। তাদেরই একটা মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির সূর্য নামক নক্ষত্রের একটা গ্রহ পৃথিবীতে, যদিও সম্ভাবনা খুবই কম ছিল, কিন্তু বিবর্তনের মাধ্যমে মানুষের মত একটা প্রাণী সৃষ্টি হয়ে গেছে!

কিন্তু আমরা জেনেছি, পদার্থ এবং শক্তির বাইরে Consciousness বলে একটা ব্যাপার আছে, এবং সেই Consciousness এর এমন অনেক ক্ষমতা আছে, যেগুলো পদার্থ (Matter) আর শক্তি (Energy) দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। Consciousness কে বিবেচনায় নিলে আমরা বুঝতে পারি: আমরা, মানুষরা মোটেই অকিঞ্চিৎকর নই, বরং আমাদের কেন্দ্র করেই মহাবিশ্বের অস্তিত্ব।


আধুনিক বিজ্ঞান মহাবিশ্বের বিবর্তনকে ব্যাখ্যা করে এভাবেঃ

পদার্থবিজ্ঞানের অজানা সূত্রানুসারে যে মহাবিশ্বের সূচনা, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়নের সম্মিলিত ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায় তার বিকাশ। এরপর ডিএনএ কিংবা আরএনএ র মাধ্যমে প্রাণের উদ্ভব। তারও অনেক কাল পরে প্রাণের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের জন্য মস্তিষ্কের উদ্ভব। মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটলে সেটি তৈরি করে প্রযুক্তি আর এখন আমরা দাঁড়িয়ে আছি এক সন্ধিক্ষণে। আমাদের অপেক্ষা প্রাণ ও প্রযুক্তির একীভূত হওয়া এবং উচ্চতর গঠনের জীবন ও বুদ্ধিমত্তা সৃষ্টির জন্য। এই লক্ষ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সৃষ্টি হওয়া প্রয়োজন যেটি মানুষের চেয়ে দ্রুতগতিতে প্রযুক্তিকে সেই পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবে।

সমালোচকঃ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তো সেই কবে থেকেই আশার বাণী শুনিয়ে যাচ্ছে। সত্যিকারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি আমরা আদৌ পাবো?


আরও অনেকের মতই রেই কুরযওয়েইল এ ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি তুলে ধরেছেন তার রোড ম্যাপ। এই রোডম্যাপ অনুসারে আমরা ন্যানো প্রযুক্তির মাধ্যমে আগামী দশকেই হার্ডওয়্যারের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের সমতুল্যতা অর্জন করবো। হয়ত সেটা হবে ত্রিমাত্রিক আনবিক কম্পিউটিং এর মাধ্যমে। আর সফটওয়্যারের ক্ষেত্রেও মস্তিষ্কের সমতুল্যতা অর্জন কঠিন হবে না।

সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারঃ সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে অগ্রগতি কিন্তু সরলরৈখিক- অর্থাৎ ধীরগতির। দশ বছর আগে যে গুগল কে আমরা ব্যবহার করতাম আজও অনেকটা তাই ব্যবহার করি। যদিও স্বীকার করতেই হবে আজকের গুগলকে অনেক অনেক বেশি তথ্য বিবেচনায় নিতে হয়।

কুরযওয়েইলের ধারণা সফটওয়্যারেও ধীর নয় বরং দ্রুত গতির উন্নতি আসবে। তার যুক্তি আমরা মস্তিষ্ককে মডেলিং করা শুরু করেছি। মস্তিষ্ককে মডেলিং করা এবং এর গাণিতিক ও কম্পিউটেইশানাল মডেল তৈরির কাজ এক্সপনেনশিয়াল গতিতে এগুচ্ছে। যেমন ধরা যাক, লয়েড ওয়াটস শ্রবণ বিশ্লেষণের সাথে জড়িত মস্তিষ্কের ১৫টি অঞ্চলের মডেল তৈরি করেছেন এবং তাদের প্রয়োগ করেছেন কম্পিউটারে। অপরদিকে ম্যাশিন লারনিং এর বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে কার্নেগী মেলনের টম মিশেল মস্তিষ্কের কার্যপদ্ধতি বোঝার চেষ্টা করছেন। [6] মস্তিষ্কের সম্পূর্ণ মডেল তৈরির কাজ শেষ হলে আমরা সেটিকে কম্পিউটারে প্রয়োগ করবো এবং তৈরি হবে মানুষের সম পর্যায়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। কুরযওয়েইলের মতে ২০২৯ সালের মধ্যে ঘটতে চলেছে সেই অবিস্মরণীয় ঘটনাটি।

এখানে একটা ব্যাপার বোঝা দরকার। সেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গান উপভোগ করতে পারবে না, কিন্তু গানের সুর বাঁধতে পারবে। কোন সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবে না, কিন্তু সবকিছু ঠিকমত আইডেন্টিফাই করতে পারবে।

সমাজ বিজ্ঞানীঃ পৃথিবীতে ৭০০ কোটি মানুষের বাস। আর একটা মানুষের সম পর্যায়ের বুদ্ধিমত্তা যুক্ত হওয়ার গুরুত্ব কোথায়? সমাজে এটা কি প্রভাব ফেলবে?


আসলে গুরুত্ব এখনেই যে, ম্যাশিন অনেক দ্রুততার সাথে চিন্তা আর হিসাব নিকাশ করতে পারে, নিখুঁত ভাবে মনে রাখতে পারে, পারে প্রচন্ড গতিতে জ্ঞান আদান প্রদান করতে। আরও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল, কুরযওয়েইলের মতে অজৈব বুদ্ধিমত্তা (Non-biological Intelligence) প্রতি বছর দ্বিগুণ হারে শক্তিশালী হবে। এরপর মানব মস্তিস্ক এবং কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হবে আর তখন মানুষ পুরোপুরি ভাবে হয়ে উঠবে সাইবর্গ।

মানব বুদ্ধিমত্তা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সেই বিপুল শক্তি তখন মহাবিশ্ব জয়ে বেরিয়ে পড়বে। শুধু মহাবিশ্ব জয় নয়, বরং মহাবিশ্বের বস্তুকনাগুলোকে বুদ্ধিমত্তা ও কম্পিউটেশানের কাজে ব্যবহার করবে এবং আমরা ধাবিত হব বিবর্তনের শেষ পর্যায়ে।

এরপর? এরপর কি হবে তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব দেওয়া যাক পাঠক তোমাকেই! এই মহাবিশ্বে তো তোমারও অংশিদারিত্ব আছে, নাকি?


                                        Ray Kurzweil

রেফরেন্সঃ

  1. Kurzweil Accelerating Intelligence
  2. Vernor Vinge
  3. The Singularity Is Near: When Humans Transcend Biology
  4. Moore’s Law
  5. Stem Cell
  6. Tom Mitchell


লেখাটা ২০০৮ এর। ২০১৪ তে প্রযুক্তি কোথায় দাঁড়িয়ে?

  • “আশেপাশের বুদ্ধিমান যন্ত্রপাতিগুলোর সাথে যখন তখন আড্ডা জুড়ে দেওয়া” 
    • – iPhone Siri. প্রথম বাজারে আসে অক্টোবর ২০১১ তে।


  • “কিংবা তোমার অঙ্গ প্রত্যঙ্গের বেশিরভাগই হয় কৃত্রিম” 
    • – Hugh Herr এর 2014 TED Talk টি দেখুন! 


  • “দেহের ভেতর ব্যস্তভাবে ঘুরে বেড়ায় খালি চোখে দেখা যায় না এমন সব ন্যানো রোবট?”
    • পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারদের একজন MIT Prof. Robert Langer (1030+ granted or pending patents.[1][14] 1,200+ published scientific papers) এমন সব Polymer, Nano-materials develop করেন যেগুলো দেহের যে স্থানে প্রয়োজন ঠিক সেই স্থানে ওষুধ পৌঁছে দেয়।
  • https://youtube.googleapis.com/v/uta5Vo86XL4&source=uds

 

    • “ভার্চুয়াল রিয়ালিটির জগতে কৃত্রিম সব অনুভূতি নিয়ে বেঁচে থাকতেই বা কেমন লাগবে?”
      • Oculus Rift Virtual Reality Headset. Facebook March 2014 এ $2 Billion দিয়ে কিনে নিয়েছে। 2014 এর শেষদিকে অথবা 2015 এর প্রথমদিকে Market এ আসবে। 
    • Google glass (Augmented Reality) – সবার সামনে আসে ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তে। তুমি আর আমি – আমরা দুইজন দুইটা Google Glass ব্যবহার করলে – আমি যা দেখছি শুনছি, তুমিও ঠিক তাই দেখতে, শুনতে পাবে!

Physical Digital Integration: Manufacturing Cloud & Car 2.0

Elastic Manufacturing or Manufacturing Cloud

A manufacturing facility, full of programmable Robots and Manipulators and 3D Printers, that can manufacture anything you design and the facility is scalable – it grows, produces more with need.

Startups and individuals would be able to order products on mass scale. There would be no need to set up an ultra-expensive manufacturing facility of their own. The barrier to entry would get lower. Open source would be a better model for the design of products. Anyone would be able to customize the designs and order. More innovations would follow. This would also mean more orders for the manufacturing facility.  

In short, it has the potential to start an era of proliferation of manufacturing startups in America!

It would introduce something entirely new to the world – “Elastic Manufacturing” or “Manufacturing Cloud”.

Components:

  • Fab lab
  • 3D Printing / Additive manufacturing Facility
  • New Materials
  • Biomaterials
  • Atomic Scale Manufacturing
  • Sensors, Networking & Big Data
  • Computer Aided Modeling, Simulation & Manufacturing
 


Car 2.0

  • App Market Integration (Secured. Detached from the controller Electronics)
  • Automation; Advanced Collision avoidance system
  • Ultimate goal:
  • Electric / Hybrid Car
  • Car wheels can generate power that can be fed into electric car and used as fuel. It would increase fuel efficiency.

The Story Of Computer Networking: Progression From Internet To Web and Cloud

Internet

In the 60s and 70s, Scientists and Engineers at DARPA [1] and elsewhere were experimenting with ways of communication between computers and communication between computer networks. The paradigm was different from peer-to-peer communication, the one we see when we use our smart-phones or not-so-smart-phones! Mainframes were already in use with terminals sharing computational resources. Applications demanded Computer Networking to be similar, of Client-Server nature – clients sharing computational resources (storage, important files stored in storage, supercomputing power) of servers, which are always online.


It’s not possible for a person who only understands Spanish to communicate with another who only understands English. Similarly, we need common standards of communication between computers, so that the computers involved understand each other. The standards for communications are called protocols

In the 80s, the TCP/IP protocol came into widespread use and with it the proliferation of Internet (the word comes from “inter-network” – network of computer networks). TCP/IP defined how computers connected via a network would communicate using the client-server paradigm. 

Web

People started inventing all sorts of application protocols on top of TCP/IP for different purposes (file sharing, email, etc).

In late 80s and early 90s, Sir Tim Berners Lee, who was at that time working at CERN [2], invented a new protocol on top of TCP/IP, to share research documents among scientists working at CERN. This protocol, called HTTP, short for HyperText Transfer Protocol, became the basis for World Wide Web. It defined the concepts of Webpages (documents scientists at CERN were sharing), and URLs (a human-friendly way of referencing the documents) and Hyperlinks (the “links” that we click on to get us to a new webpage) to access the documents. Before Google and other search engines came along, URLs and Hyperlinks were the only ways you could navigate the Web. 


Cloud Computing

In the first decade of the new millenium, Amazon wanted to introduce something new. It found out that at any given time the servers at Amazon were using only about 10% of their full computational power. So why not provide the unused computational power as service to those who need it? 

Before, Webservers served only webpages. Now webservers could serve computational power (storage, processing and network bandwidth). Users could build Web applications and use Amazon’s unused computational power to host those applications and serve them to users. Better yet, just like utility services are provided – the more you use, the more you pay and “no use, no bill”. Before, you could only buy fixed amount of server storage and network bandwidth capacity and pay a fixed bill. Now, if need arose, you could stretch or squeeze computational power – from this came the name “elastic computing” or “utility computing”

An important thing follows. Before, you could not only buy fixed amount of server storage, but you could only buy “fixed amount of server storage” located in a “fixed computer or fixed set of computers”. Now, the notion of a fixed set of computers (in a huge data center consisting of thousands of computers) was gone. You have no idea where your code is running and where Amazon’s or some other company’s code is running. The servers determine which computer to use based on which ones are unused. Thus, hardware is abstracted away from software – a form of virtualization

Cloud Computing in action

The virtualized servers were called Cloud and a new computing paradigm was born – Cloud Computing.

So, what’s the big deal?

Well, before the advent of cloud computing, computational resources you could use at a time had an upper limit. Now, if need arose, you could stretch or squeeze that limit to suit your needs. 

Suppose, you own a soccer news website that has spikes right before and during important soccer games – that is, users use your website frequently just before and during soccer games. Now, if you host your website on a cloud computing platform, the platform would stretch and squeeze computational resources it uses according to the need and determine your bills accordingly. 

On the other hand, if you host on a non-cloud computing platform, during the times of high usage, users might not be able to access your site – if the upper limit is crossed. If you want to make sure that your users can always use your site (in a non-cloud computing platform), then you had to determine the highest amount of computational resources your website uses during the times of spike and pay for the usage of highest amount of computational resources for a whole month or a whole year! (though highest amount is only used say only once or twice a week.)

Or suppose, you need to get some heavy calculation oriented stuff – image processing, scientific calculation or something like that – done in a short time. You could use a cloud computing platform for a limited time and pay your bills accordingly. 

So, Cloud Computing gives you an opportunity to use computational power according to your needs at cheaper rates like never before. 

You might be wondering about the influence of Cloud Computing among general consumers. When you heard the phrase “moving to Cloud” – it seemed like a complete revolution and my explanation of Cloud Computing seems nothing like that. 

Well, the cloud also refers to the Web and “moving to cloud” refers to moving all your computational needs to the cloud or Web. 

Need word processing? Use Google Docs. Need storage space? No need to rely on your hard-drive, use Google Drive. Want to manage your company or customers? Use Google Apps or Salesforce or Basecamp. If you move everything to the cloud, you are no longer tied to a single device or a set of devices, but can access your data and work from anywhere. 

The fact is just as server side Cloud Computing paradigm at Amazon, Google and other companies was unfolding, Network speed and processing power were increasing and with that the culture of “moving to cloud”. So both happened at the same time – 

  • a particular way of utilizing servers just like other utilities and
  • moving all your computational needs to the Web.

Both the technical concept (servers as utility) and popular parlance concept (“moving to cloud”) were termed as “Cloud Computing”. A more important fact is that each helped the other grow.

It’s up to you to understand the right meaning from the context.   

Cloud Computing Platforms

Reference

Emerging Area: Physical Digital Integration

Tagline 

  • “Organizing the world’s information and creating interfaces with Physical Objects so that Objects can use information with the goal of making life better for humans.”
  • “Make the physical world come alive!”

Academic Disciplines

  • Computer Science 
  • Engineering & Applied Physics 

Driving forces

  • Cheap computing power and storage. 
  • Ubiquitous Network.
  • Cheap sensors.
  • Flexible Electronics. 
  • Advanced Artificial Intelligence. Machine Learning. Big Data. 
  • DIY tools. Open source software. Open hardware platforms.

What is it like

  • All devices would contain microprocessors with network connection. 
  • Adaptable. flexible systems.
  • Putting intelligence into everything.
  • Automation.
  • Objects aware of their Physical World utilizing information from the Digital World.
  • Objects communicating with each other through Network for getting things done. 

Application Areas

  • Manufacturing 
    • 3D Printing
      • Tissue Printing
    • Fab Lab
    • Automation
  • Drones
  • MEMS & NEMS
  • Automobile Software. Self Driving Car
  • Internet Of Things
    • Smart Homes (e.g., Nest devices)
    • Smart Cities. Smart efficient infrastructures. 
    • Sensor Networks
  • Robotics. Automation.
  • Smart Phones & Apps
  • Wearable Computing (e.g., Google Glass, Smart Watches)
  • Open platforms: Raspberry PiArduino
  • Bio-sensors
    • Diagnostic systems 
  • Experience Design

Some other early movers with focus on Physical Digital Integration

Challenges
  • New Communication Protocols.
  • Knowledge Representations that Objects can process and understand.
  • Security.
  • More intuitive interfaces.

Notable People

Institutes

Books

At its limit


পেছনে ফিরে দেখা 

Fab-Lab, Neil Gershenfeld, Center for bits and atoms আর 3D Printer সম্পর্কে অনেক বছর আগে প্রথম জেনেছিলাম “বিজ্ঞান সাময়িকী”র দুটি আলাদা সংখ্যায় প্রফেসর ডঃ মুহম্মদ ইব্রাহিমের দুটি প্রচ্ছদ প্রতিবেদন পড়ে। তারপর Google করে বাকিটা জেনেছি। 

    ভবিষ্যতের বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি নিয়ে আমার সবসময়ই আগ্রহ। অনেক বছর আগে (২০০৬ এর দিকে) “Future Science”, “Future Technology”, “Future Artificial Intelligence” এসব নিয়ে Google করতে করতে চোখে পড়ে এসব বিষয় নিয়ে Ray Kurzweil এর লেখা। তখন প্রথম জানি Exponential Technologies সম্পর্কে। কম্পিউটার প্রযুক্তির Exponential অগ্রগতিই Physical Digital Integration এর মূল ভিত্তি।