Rejection Of The New Grameen Bank Rules

সরকার নতুন আইনের মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের সম্পদের অধিকারে ভাগ বসিয়েছে। যেখানে আগে গ্রামীণ ব্যাংকের ৯৭% শেয়ারের মালিক ছিল গ্রামীণ নারীরা, এখন সেখানে নারীদের শেয়ার ৭৫% এর চেয়েও কমে এসেছে। দরিদ্র নারীদের প্রত্যেকে সম্পদ হারিয়েছেন। তাদের আরও দরিদ্র করে দেওয়া হয়েছে। সরকার ২৫% শেয়ার কেড়ে নিয়েছে।

আমরা গ্রামীণ ব্যাংক আইনকে প্রত্যাখ্যান করি।  

We reject the new Grameen Bank rules.

The government has taken control of a Bank in which 97 percent of shares were owned by rural women and members (before the rules are being enacted). Now, the government owns 25 percent shares.  

We condemn these disgraceful rules.

“A group of noted citizens yesterday protested the newly scripted rules of picking directors for Grameen Bank, saying the regulations have taken away power from its majority shareholders, the rural women.

They called for unity to protect the interest of the bank’s 85 lakh members who own 75 percent shares of the Noble Peace Prize-winning lender, while the rest 25 percent is owned by the government.

Their protest was in response to the Grameen Bank (Election of Directors) Rules 2014 published by the government on April 6.

“The government is plotting to get hold of the Tk 14,000 crore the Grameen Bank members have deposited with the bank,” said Rafiqul Islam, a language movement veteran.

“We have to do everything within our means so the government can’t do it,” he said at a programme.

Islam alleged that the problem related to Grameen Bank is the personal problem of Prime Minister Sheikh Hasina.

Tuhin Malik, a noted lawyer, said the new rules are an attempt to rob the micro-lender in a digitised way.

The rules will disempower the 85 lakh members of Grameen Bank in order to entertain the arrogance of one woman, he said without mentioning the name of the woman.

Sadek Khan, a columnist, said the government is not honouring normal business practices in the world.

“Everywhere in the world, the shareholders pick their board members. But in case of Grameen Bank, the majority shareholders are not being able to do so.”

“As a result, the fundamental rights of the shareholders are being violated,” he said.

M Munir-uz-Zaman, a former secretary, said: “The rules have been formulated to install hand-picked directors in the board of Grameen Bank.”

The new rules have empowered the central bank to organise elections to elect nine members in the 12-member board.”



More on Grameen Bank

সরকার নতুন আইনের মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের সম্পদের অধিকারে ভাগ বসিয়েছে। যেখানে আগে গ্রামীণ ব্যাংকের ৯৭% শেয়ারের মালিক ছিল গ্রামীণ নারীরা, এখন সেখানে নারীদের শেয়ার ৭৫% এর চেয়েও কমে এসেছে। দরিদ্র নারীদের প্রত্যেকে সম্পদ হারিয়েছেন। তাদের আরও দরিদ্র করে দেওয়া হয়েছে। সরকার ২৫% শেয়ার কেড়ে নিয়েছে।
যে দেশে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে অবাবস্থাপনা এবং হাজার হাজার কোটি টাকার লোপাট-দুর্নীতি চলে, সে দেশে গ্রামের অসহায় মানুষদের ব্যাংকটিকে রাষ্ট্রায়ত্ত করার প্রক্রিয়া আমাদের শঙ্কিত করে। 

“একজন সম্মানিত মানুষ সারাজীবন তিল তিল করে একটি প্রতিষ্ঠানকে দাঁড় করিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটির উপর কাজের কারণে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটিকে এমনভাবে গড়ে তুলেছেন যে বাবস্থায় গ্রামের দরিদ্র মহিলারা প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় (প্রতিষ্ঠানের ৯৭ শতাংশ মালিকানা গরিব মহিলাদের হাতে) এসেছে। সেই প্রতিষ্ঠান – গ্রামীণ ব্যাংক থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া শুধুমাত্র অন্যায় নয়, এটি দেশে দারিদ্র্য দূরীকরণে, নারীর ক্ষমতায়নে বিশাল ভূমিকা রাখা, দেশের প্রায় ৮৪ লক্ষ মানুষ যে প্রতিষ্ঠানের সাথে নিজেকে যুক্ত করে লাভবান হয়েছেন এবং হচ্ছেন, অন্যান্য দেশেও যে প্রতিষ্ঠানটির আদলে প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে, সেই প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে সঠিকভাবে চলবে কিনা তা নিয়েও সংশয় তৈরি করে দিয়েছে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে অন্যায় করা, না বুঝে অপপ্রচার চালানো এবং দেশের ক্ষতি করা – এমন রাজনীতি দেশে চলতে পারে না।

প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে গ্রামীণ ব্যাংকে হাত দেওয়াকে আমরা চরম অন্যায় বলে মনে করি। যে দেশে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে অবাবস্থাপনা এবং হাজার হাজার কোটি টাকার লোপাট-দুর্নীতি চলে, সে দেশে গ্রামের অসহায় মানুষদের ব্যাংকটিকে রাষ্ট্রায়ত্ত করার প্রচেষ্টা আমাদের শঙ্কিত করে।”

Social Progress through establishment of Women’s Rights (নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সামাজিক অগ্রগতি [০৬.০৩.১৪])


শিশুমৃত্যু হার, নারী শিক্ষা, শিশু পুষ্টি ইত্যাদি বিভিন্ন সামাজিক সূচকে ভারত-পাকিস্থানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশের উজ্জ্বল অবস্থানের পেছনে রয়েছে বাংলাদেশের নারীদের কর্মক্ষম করে তোলার বিভিন্ন উদ্যোগ এবং নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা।

গার্মেন্টস শিল্পে নারীদের নিয়োগ (৪০ লক্ষ গার্মেন্টস কর্মীদের মাঝে ৮৫% নারী), ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচিতে নারীদের অংশগ্রহণ (গ্রামীণের ৮৪ লক্ষাধিক গ্রাহকের মাঝে ৯৭%+ নারী।), দেশের মেডিক্যাল কলেজগুলোতে ছাত্রী সংখ্যা ছাত্র সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাওয়া – এমন সব দৃষ্টান্ত আমরা দেখছি।

তরুণরা নারীদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেতন।

 

বাংলাদেশ কিভাবে সামাজিক সূচকে এতটা অগ্রগতি দেখাল?

Economist অনুসারে-

“Four main factors explain this surprising success.

 
First, family planning has empowered women.

Second, Bangladesh managed to restrain the fall in rural household incomes that usually increases extreme poverty in developing countries.

Remittances and family planning have not attacked extreme poverty directly. That is where the government comes in.

Third, despite the political circus, the country’s elite has maintained a consensus in favour of social programmes.

And even that spending might well have been wasted but for one further influence: the extraordinary role played by non-governmental organisations (NGOs) in the country.

BRAC (which originally stood for Bangladesh Rehabilitation Assistance Committee, but now is the only name the organisation needs) invented the idea of microcredit.

The real magic of Bangladesh, though, was not microfinance but BRAC—and NGOs more generally.

BRAC does practically everything.

inoculate every Bangladeshi against tuberculosis.

BRAC’s primary schools

But Bangladesh’s record is, on balance, a good one. It shows that the benefits of making women central to development are huge.”

 
আরও