"মাদকমুক্ত বাংলাদেশ" গড়ার পথে অগ্রযাত্রা – ৪

দেশবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশকে মাদকমুক্ত করবো।“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” হোক আমাদের শ্লোগান।

 
 


 

‘মাদকমুক্ত নবীনগর চাই’ স্লোগান সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় দীর্ঘ ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন

 
 
 

 

“‘মাদকমুক্ত নবীনগর চাই’ স্লোগান সামনে রেখে গতকাল শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় দীর্ঘ ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন হয়েছে৷

 
কর্মসূচির সমন্বয়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘তিন-চার মাস ধরে নবীনগরে চাঁদাবাজি, বিভিন্ন বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাসীদের গুলিতে খুনসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে অবনতি হয়েছে, তার পেছনে মাদক একটি বড় ভূমিকা রাখছে। সে জন্য নবীনগরকে মাদকমুক্ত রাখতে ও মাদককে সমস্বরে “না” বলতে প্রশাসনসহ সব মহলের সহযোগিতায় মাদকবিরোধী আমাদের এ ব্যতিক্রমী আয়োজন।’
 
স্থানীয় সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মনন’ ও ‘নবীনগর যুব ফোরাম’ যৌথভাবে এর আয়োজন করে। 

 
নবীনগর-কুমিল্লা সড়কের মালাই বাঙ্গরা বাজার থেকে উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের নবীপুর বাজার পর্যন্ত প্রায় ১৯ কিলোমিটার সড়কে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মাদকবিরোধী মানববন্ধনে ওই সড়ক সংলগ্ন অর্ধশতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ-মাদ্রাসার কয়েক হাজার শিক্ষার্থীসহ পথচারী ও নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন।
এ সময় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সরকার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছেনা বেগমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে অতিথিরা প্রায় দুই ঘণ্টা একটি খোলা ট্রাকে চড়ে দীর্ঘ ১৯ কিলোমিটার সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এ সময় ওই সড়কের দুই পাশে শিক্ষার্থীরা ‘মাদককে না বলুন’ ও ‘মাদকমুক্ত নবীনগর চাই’ স্লোগান দেয়।
বাঙ্গরা বাজারে মানববন্ধনে অংশ নেওয়া চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী চামেলি বলে, ‘মাদককে “না” বলতে এবং নবীনগরকে মাদকমুক্ত রাখতে স্কুলের স্যারদের কথায় এই প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও মানববন্ধনে অংশ নিতে এসেছি। আমরা মাদকমুক্ত সমাজ দেখতে চাই।’” [2]
 
 
“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে গত কয়েকদিনে অগ্রগতি
 
 
 

জনগণের প্রতি আহ্বান

 
স্থানীয়ভাবে জনগণ বিভিন্ন ইস্যু (যেমন মাদকবিরোধী, যৌতুক বিরোধী, দুর্নীতি বিরোধী) তে “নাগরিক আন্দোলন” গড়ে তুলবেন। “নাগরিক কর্মসূচী” দেবেন। এলাকায় এলাকায় “নাগরিক কমিটি” গড়ে তুলবেন। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের “নাগরিক আন্দোলনে” সম্পৃক্ত করবেন।

জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির প্রচেষ্টায় গড়ে উঠবে স্বপ্নের বাংলাদেশ।

 
 
 
রেফরেন্স
  1. গুম অপহরণ খুন বন্ধে জনগণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি
  2. ‘মাদকমুক্ত নবীনগর চাই’
  3. “মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে অগ্রযাত্রা
  4. “মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে অগ্রযাত্রা – ২
  5. “মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে অগ্রযাত্রা – ৩: “মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়তে ইয়াবা গডফাদারদের বিরুদ্ধে দৃঢ়তর অবস্থান
  6. “যৌতুক প্রথামুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে অগ্রযাত্রা
  7. জনতার ঐক্যের শক্তির মাধ্যমে অন্যায় এবং অন্যায়কারীকে রুখে দাঁড়ানো – ৩
  8. জনতার ঐক্যের শক্তির মাধ্যমে অন্যায় এবং অন্যায়কারীকে রুখে দাঁড়ানো – ২
  9. মন্ত্রী সাংসদদের নিজ সংকীর্ণ স্বার্থে সাংবাদিক, প্রকৌশলী এবং অন্যান্য ব্যক্তিদের গায়ে হাত তোলার অভ্যাস রুখে দেওয়া
  10. মাদক রুখতে ১৯ কিলোমিটার জুড়ে মানববন্ধন

"মাদকমুক্ত বাংলাদেশ" গড়ার পথে অগ্রযাত্রা – ২

“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে এই কয়েকদিনে আমরা আরও অনেকটা এগিয়েছি।


“টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা সিন্ডিকেটে অভিযানের পর গোটা এলাকার দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। এর ধাক্কা এসে লেগেছে স্থানীয় বাজারেও। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দরপতন শুরু হয়েছে। ইয়াবার ‘তরতাজা টাকায়’ সীমান্ত শহরটির হাটবাজার, দোকানপাটে প্রধান ক্রেতা ছিল তারাই। বাজারের মাছ-মাংস থেকে শুরু করে সব কিছুর দাম ছিল আকাশছোঁয়া। এই আকাশছোঁয়া দামের পণ্যের ক্রেতারা অভিযানের ভয়ে লাপাত্তা। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ৩০০ টাকার দেশি মুরগি গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নেমে এসেছে ২০০ টাকায়। হাজার টাকার ইলিশ মাছের দামও নেমে এসেছে অর্ধেকে। এতে সীমান্তের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
সূত্র – ইয়াবা সাম্রাজ্যে পণ্যমূল্যে ধস নিখোঁজ দুজনের হদিস নেই

রাতারাতি পাল্টে গেছে টেকনাফ সীমান্তের দৃশ্যপট। বৈধ-অবৈধ জমজমাট ব্যবসার চেনা দৃশ্যে আকস্মিক যেন ধস নেমেছে। রাতভর নাফ নদীর তীরের চোরাই নৌঘাটগুলোতে বিজিবি সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইয়াবা লেনদেনের নিত্যদিনের সেই দৃশ্যপট চোখে পড়েনি। দামি মোটরসাইকেল নিয়ে ‘ইয়াবা তরুণ’দের ভোর থেকে রাত পর্যন্ত সীমান্ত জনপদজুড়ে ছোটাছুটির দেখাও মিলছে না। যেসব চিহ্নিত ব্যক্তি দিন-রাত ব্যস্ত সময় কাটাতেন মাদক পাচারে সেই ব্যক্তিদেরও দেখা যাচ্ছে না। গত দুদিন ধরে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান পাচারও বন্ধ রয়েছে বলে বিজিবি-১৭ ও বিজিবি-৪২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়কদ্বয় নিশ্চিত করেছেন।”
সূত্র – কারবারিরা হাওয়া, টেকনাফ থমথমে

মাদক মুক্তির আরও খবর



“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ”


“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে আমরা অগ্রযাত্রা শুরু করেছি। এখন সমান্তরালভাবে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হবে – মাদকসেবীদের পুনর্বাসন – যারা ভুল পথে গিয়েছিলেন, তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা।

স্বপ্নের বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা (২৬.০৪.২০১৪)

বাংলাদেশ দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে।


প্রতিদিন নতুন নতুন ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রযাত্রার খবর প্রকাশিত হচ্ছে। 

আজকের (২৬.০৪.২০১৪) পত্রিকায় আমাদের অগ্রযাত্রার খবর



অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথে অগ্রযাত্রা 


তথ্য প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে উন্নত বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা 
বাংলাদেশ তথ্য প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করবে। 


নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা
বাল্যবিবাহ রোধ, “যৌতুক প্রথামুক্ত বাংলাদেশ”, নারী নির্যাতন রোধ, ইভটিজিং রোধ 




অন্যায়-অপরাধ-দুর্নীতি-সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ অভিমুখে অগ্রযাত্রা

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ (১৯.০৪.২০১৪)

বাংলাদেশ দৃপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে।


প্রতিদিন নতুন নতুন ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রযাত্রার খবর প্রকাশিত হচ্ছে। 

আজকের (১৯.০৪.২০১৪) পত্রিকায় আমাদের অগ্রযাত্রার খবর


“মাদকমুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার পথে অগ্রযাত্রা 


নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা
বাল্যবিবাহ রোধ, “যৌতুক প্রথামুক্ত বাংলাদেশ”, নারী নির্যাতন রোধ