Personal Notes On Studying & Learning [Unofficial]


  • Study science of Engineering.
  • It’s not just “so this is how it works” but it’s also “how different could it be” (especially in engineering)?
  • Apply what you have learned. Solve problems, work on projects, teach someone.
  • “The most effective learning requires a well-defined task with an appropriate difficulty level for the particular individual, informative feedback, and opportunities for repetition and corrections of errors.” – Peter Norvig. “The key is deliberative practice: not just doing it again and again, but challenging yourself with a task that is just beyond your current ability, trying it, analyzing your performance while and after doing it, and correcting any mistakes. Then repeat. And repeat again.” – Peter Norvig. [1]
  • Clock. Compete with yourself. Speed up the learning process.
  • Find out how the discoverer / inventor discovered / invented the theory / knowledge / concept / tool.
  • Teach whatever you learn to someone or at least learn as though you have to teach it to someone smart.
    • Professor Anant Agarwal [2] mentioned that, one truly starts learning only when he has to teach.


  • Zooming-in, zooming-out (let’s name it the “lens tool”)
  • Ask Questions. (Fill up gaps in knowledge. Questions lead to answers and new knowledge.)
  • Abstractions (from computational thinking)

Studying – Learning

  • Teach whatever you learn to someone or at least learn as though you have to teach it to someone smart.
  • Be open-minded. Be prepared to accept completely new knowledge, new reality and revise what you already know / what is generally known. Don’t constrain yourself with knowledge you have gathered and theories you have learned thus far. People with knowledge/experience in a domain are usually reluctant to accept new knowledge outside their own models / common sense. One practice is to keep learning new things in new subject areas – that way you are prepared for surprises.
  • Apply what you learn. (Solve problems, work on projects, teach someone.) “The most effective learning requires a well-defined task with an appropriate difficulty level for the particular individual, informative feedback, and opportunities for repetition and corrections of errors.” “The key is deliberative practice: not just doing it again and again, but challenging yourself with a task that is just beyond your current ability, trying it, analyzing your performance while and after doing it, and correcting any mistakes. Then repeat. And repeat again.” – Peter Norvig.
  • Clock. Compete with yourself. Speed up the learning process.
  • It’s not just “so this is how it works” but it’s also “how different could it be” (especially in engineering)?
  • Find out how the discoverer / inventor discovered / invented the theory / knowledge / concept / tool.

Learning Everything There Is To Know In A Subject Area

Learning Everything There Is To Know In A Subject Area

I learn by thinking.

I employ Logic and Mathematics.

I find patterns and draw generalizations.

I consult books and Web only when I have a question.

Suppose, I am learning about Robot Manipulators.

I try to figure out “all of the possible forms of Manipulators” that a Robot might have. I think like a Physicist (Remember, Science is all about generalizations found in Nature.) and figure out “all of the possible forms of Manipulators” that a Robot might have.

Or suppose, I am learning Microeconomics. 

I skim through a book and find out the main concepts.
Think what happens in the world in general.  
Microeconomics in a Nutshell


I learned this method

  • partly from Physics and 
  • partly from Artificial Intelligence. 

Physics tries to explain everything there is in this Universe in terms of a few fundamental laws.

প্রিন্সেস শামিতাকে লেখা চিঠি – ৮

শেখার সবচেয়ে সেরা উপায় 

অ্যাই! আজকে একটা ইন্ট্রেস্টিং ব্যাপার!

নতুন কিছু শেখার সবচেয়ে সেরা উপায়টা জানতে চাও?

ধর, প্রোগ্রামিং এ ভাল হতে চাইছ।

তুমি তো বেসিকস জানোই।

সবচেয়ে সেরা উপায়ে শিখতে চাইলে তুমি যা করবে তা হচ্ছে – অবশ্যই বই বা ওয়েবসাইট খুলে বসবে “না”!

হুম, ঠিকই পড়েছ – বই বা ওয়েবসাইট খুলে বসবে “না”!


তোমার ব্রেইনটা আছে কি জন্য?

ওটা হেলায় ফেলে রাখবে?

তুমি শিখবে “চিন্তা” করে!

ভাবো! – এটাই কোন কিছু শেখার সবচেয়ে সেরা উপায়।

Java Development Skills

Java Language & Standard Library

  • Language features
    • Class, Object; Garbage Collection; Inheritance, Polymorphism, Interface; Nested Type; Package; Assertion; Generics; Enum; Exception; Annotation; Reflections;
  • Data Manipulation API 
    • Math; Random number; BigDecimal; BigInteger; String, Character, Regular Expression; Primitive Wrapper; Array; Collections; XML Processing;
  • Development API 
    • Internationalization; Preferences; References; JMX; JNI. 
  • Systems and Network Programming API 
    • System; GUI, Swing, AWT; File; JDBC; Threading (Thread & Lock); Concurrency; Networking – Protocols; Servlet, JSP; Web Services; JMS. 

Java Vital Techniques

  • Concurrency
  • Software Engineering: Maintainable, Replaceable Codebase, Modules
    • Design Patterns
    • Dependency Injection, Inversion Of Control
    • AOP 
      • AspectJ
    • Modular Java 
      • OSGi
    • Software Oriented Architecture (SOA)
  • Classfiles & Bytecodes
  • Performance Tuning

Java Libraries & Frameworks

  • Spring 
    • Dependency Injection framework 
    • Distributed Application Development
  • Android 
    • Mobile Application Development
  • Play 
    • Highly concurrent & distributed Rapid Web Application Development Framework

  • Google Guice
    • Dependency Injection framework.
  • ActiveMQ
    • Message broker. JMS Client. 

  • Hadoop 
    • Mapreduce framework for distributed data processing.
    • Hive
    • Pig
    • HBase
  • Mahout
  • Hama
  • Zookeeper
  • Lucene

Java Software Development Tools

  • Java Code Conventions
  • Software Development Processes
  • Automation: Productivity Increase
  • Testing
    • Unit Testing
    • Integration, Functional, Load, Performance Testing
  • Build 
    • Maven
  • Continuous Integration
    • Jenkins
  • Version Control
    • Git
  • Logging
    • SLF4J
  • Quality Metrics
  • Issue Management
    • Bugzilla
  • Technical Documentation Tools

Polyglot Programming on JVM
  • Scala
  • Clojure

শিক্ষায় উদ্যোগের পরিকল্পনা

ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে একজন শিক্ষকের পক্ষে অনেকগুলো এলাকায় অনেক অনেক ছাত্রছাত্রীর কাছে কাছে পৌঁছানো সম্ভব।

ধরা যাক, শিক্ষক আমি।

আমি লাইভ অথবা রেকর্ডেড লেকচার দেবো। স্কুলে স্কুলে প্রোজেক্টার – বড় স্ক্রিনে লেকচার সম্প্রচারিত হবে। আগ্রহী সব স্কুলে একই সময়ে লেকচার সম্প্রচারিত হবে।

লেকচার হবে সৃজনশীল এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ নির্ভর। এতে বই থেকে শেখা জ্ঞান দিয়ে জগতটাকে দেখতে শেখানো হবে। আবার চারপাশটা পর্যবেক্ষণ করে নিজে শেখা – “লার্নিং বাই ডুইং” বা হাতে কলমে শিক্ষা – কিভাবে করা যায় – তাও শেখানো হবে। এতে বইয়ের জগত এবং বাস্তব জীবনের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি হবে।

লেকচার শেষে প্রশ্ন-উত্তর পর্ব। প্রশ্ন-উত্তর পর্বটা হবে লাইভ। যে কোন স্কুলের যে কেউ প্রশ্ন করতে পারবে। আমি স্ক্রিনে উত্তর দেবো।

পুরো লেকচার ফ্ল্যাশ এ করে ছাত্রছাত্রীরা নিজের কাছে রাখতে পারবে।

প্রোজেক্টারের জন্য স্পন্সর জোগাড় করতে হবে। স্পন্সর তাদের অ্যাড দেখাবে প্রোজেক্টারে – “বিজ্ঞাপন বিরতি!”।

পরবর্তীতে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, আগ্রহী তরুণদের জন্য তাদের শিক্ষা, দক্ষতা, চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে একই ধরণের উদ্যোগ নেওয়া যায়।

সরকার এগিয়ে এলে কত কি করা যায়!

স্কুলগুলোতে আধুনিক লাইব্রেরি গড়ে তোলা যায়। লাইব্রেরিগুলো হতে পারে জ্ঞান চর্চা ও জ্ঞান আদানপ্রদানের কেন্দ্র। বই, উচ্চগতির ইন্টারনেটসহ কম্পিউটার এবং কিছু যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা যায়। স্কুল লাইব্রেরিগুলো সবসময় খোলা রাখা যায়। শিক্ষার্থীরা যতক্ষণ খুশি লাইব্রেরিতে সময় কাটাতে পারবে।

শিক্ষার্থীরা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেরা শিখতে পারবে। সার্চ করে, পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে এবং শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে জ্ঞান আহরণ করবে। লাইব্রেরিতে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে হাতে কলমে শিখবে।

আরেকটা ব্যাপার সবাইকে শেখানো যায় – “ভাবতে” শেখানো। ছাত্র – ছাত্রীরা সবাই অবসরে ধাধার সমস্যা, বিজ্ঞানের সমস্যা সমাধান করবে। মেধা-বুদ্ধি শানিত করবে। প্রত্যেকে হয়ে উঠবে চিন্তাশীল, মেধাবী, বুদ্ধিমান। 

বাংলাদেশ হবে মেধাবী মানুষদের দেশ!

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নিয়ে পরিকল্পনা

[প্রকাশের তারিখ: ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪]

২০১৫ বিশ্বকাপ ক্রিকেট কিন্তু এগিয়ে আসছে!

মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা করার এখনই সময়। 

২০১৫ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে খেলতেই হবে।

আর সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলে যে কোন কিছু ঘটতে পারে।
তরুণ মুশফিকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দলটির প্রায় সবাই বয়সে তরুণ। এদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা যায়।

সাকিব, মুশফিক, নাসিরকে নিয়ে আমাদের মিডল অর্ডারটা সলিড। 

এখন তামিম আর শামসুর, মমিনুল, আনামুল কে নিয়ে আমাদের টপ অর্ডারটাও অনেক ব্যলান্সড হয়ে উঠছে। 

খেলোয়াড়রা ব্যক্তিগত টার্গেট করতে পারেঃ 

ICC Ranking Top 50 ODI Batsman – ৭ জন বাংলাদেশী, 
Top 20 ODI Batsman – ৩ জন বাংলাদেশী , 
(বর্তমানে সাকিবের রাঙ্কিং ২২, তামিম ৩১, নাসির ৩৫, মুশফিক ৪৮) [1]

ICC Ranking Top 40 ODI Bowlers – ৫ জন বাংলাদেশী 
Top 10 ODI Bowlers – ২ জন বাংলাদেশী
(বর্তমানে আব্দুর রাজ্জাক ১২, সাকিব ২০, মাশরাফি ৩৮, রুবেল ৫২) [1]

Top 10 ODI all-rounders – ২ জন বাংলাদেশী
Top ODI all-rounder in the world – বাংলাদেশী
(বর্তমানে সাকিব ২) [1]তাহলে অনেক বালেন্সড টীম হবে। 

ব্যক্তিগত অনুপ্রেরণা হিসেবেও টার্গেট ভাল কাজ করে।

প্রতিটা ম্যাচকে সত্যিকারের “game” হিসেবে নিতে হবে। “উপভোগ” করতে হবে।

খেলা মানুষ খেলে কেন? উপভোগ করার জন্যই তো, নাকি?

“চাপ” শব্দটাই বাদ দিতে হবে।

“চাপ” কমাতে আমরা সাপোরটাররাও আরও সহনশীল হব। প্রিয় দল হেরে গেলে কার না খারাপ লাগে? কিন্তু প্রিয় খেলোয়াড় ভাল খেললে প্রশংসার পাশাপাশি কোন খেলোয়াড় একদিন ভুল করলে আমরা তার পাশে থাকবো। 

ফুটবলের জাদুকর ব্রাজিলের Pele প্রতি ম্যাচের আগে কি করতেন?

পেলে relaxed হয়ে ফুটবল নিয়ে অতীত সুখস্মৃতিগুলো থেকে ঘুরে আসতেন!

“he (Pele) would begin a sort of waking dream – pleasurable scenes of playing barefoot on Brazilian beaches, playbacks of triumphs of his astonishing career that he planned to emulate. The more important the game, the longer his dream.” [2]

এতে একদিকে ম্যাচের সময় টেনশান থাকতো না। অন্যদিকে confidence এবং নিজের ক্ষমতার উপর faith শক্তিশালী হত –

আমি পেরেছিলাম, আমি আজকেও পারবো।

পেলের তো ল্যাপটপ ছিল না! আমাদের ছেলেরা ম্যাচের আগে ল্যাপটপে নিজের সাফল্যের ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হতে পারে।

Skill Acquisition

ক্রিকেটের মত খেলায় এক একটা skill acquire করা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন এক একটা স্ট্রোক পারফেক্টলি খেলতে শেখা বা ইয়রকার পারফেক্ট করা।

Skill acquire করতে গুরুত্বপূর্ণ:

Feedback থেকে শেখা।

ধরা যাক, কেউ cover drive পারফেক্ট করতে চাইছে। নিজে বারবার চেষ্টা করে নিজের ভুল, নিজের সাফল্য থেকে শেখা হল Feedback থেকে শেখা। ফুটওয়ার্ক ঠিকমত হচ্ছে তো? বলটা ঠিক কোনদিকে পাঠাতে চায়? ফিল্ডাররা কোথায়? সেবার ভুল কেন হল? ঐবার এত দারুণভাবে খেললাম কিভাবে? যিনি cover drive ভাল খেলেন, তিনি কিভাবে খেলেন? (তাড়াতাড়ি তাকে ফোন!)

Concentration – সম্পূর্ণ মনোযোগ ব্যাটিং এ আবদ্ধ রাখা। পড়াশোনায় যেমন মনোযোগ লাগে, তেমনি ভাল প্লেয়ারদের সাথে অ্যামেচারদের পার্থক্য গড়ে দেয় Concentration। আমি Meditation রিকমেন্ড করবো।

অনেক অনেক Practice:

কোন একটা স্ট্রোক পারফেক্টলি খেলার দক্ষতা অর্জন করতে অনেক প্র্যাকটিস লাগে। জাতীয় দলের ব্যাটসম্যানরা কিশোর – তরুণ বোলারদের নিয়ে প্র্যাকটিস করতে পারে। নিজেদের ব্যাটিং প্র্যাকটিস হয়ে গেলো। আবার কিশোর – তরুণ বোলারদের বোলিং প্র্যাকটিস হয়ে গেলো। জাতীয় দলের ব্যাটসম্যানদের বল করতে পেরে ওদের অনুপ্রেরণাও বাড়বে।

Win -win! এমন পরিকল্পনা যাতে সবাই জিতল! খেলোয়াড়রাও, তরুণরাও।

জাতীয় দলের বোলাররা ও এটা করতে পারে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নিয়ে আরও লেখা


Vision Of “World Wide Education Platform” (WWEP)

The vision

People all over the world would go to a few education providers online for all their education and learning.
“In 50 years, he (Sebastian Thrun) says, there will be only 10 institutions in the world delivering higher education and Udacity has a shot at being one of them.” [1]

I believe it will happen a lot earlier than 2050.

Main Themes of “World Wide Education Platform”

  • One Mobile Computer with broadband access per child
  • Content
  • Authoritative Courses
  • Interactive Content
  • Programming, Computing
  • E-book Subscription
  • Wiki, QA.
  • Learning by doing: Projects, Open Platforms, Open source software, DIY
  • Teaching Meta-Learning Skills
  • HTML5 based. (Type of device won’t become a roadblock.)
  • Personalized Education
  • Content Discovery: Search, Recommendation, Hyperlinks
  • Big Data
  • Gamified Experience
  • Community driven
  • Wikinomics
  • DIY Communities
  • Lifelong Education
  • Works collaboratively with existing Educational Institutions (Schools, Colleges, Universities)


Minimum goal of education should be to teach people required skills so that they can learn whatever they need, acquire whichever skill they want to excel at, on their own.

There lies enormous potential in each and everyone of us. A great education system would unlock that potential.

Current Platforms
Khan Academy



Organization Of The Study And Application Of Algorithms

Computational Abstractions

  • Control Abstractions
    • Loop 
    • Recursion
  • Data Abstractions 
    • Data Abstraction Components
      • Structure of Data
      • Operations on Data
    • Linear Data Abstractions 
      • Array
      • Stack 
      • Queue
      • Linked List 
    • Tabular Data Abstractions 
      • Hashing
    • Recursive Data Abstractions
      • Binary Search Tree 
      • Red Black Tree
      • Heap
    • Graph Abstraction
      • Model: Objects with binary relation defined on pairs

Computational Complexity

  • Time Complexity
  • Space Complexity  

    Algorithmic Paradigms

    • Dynamic Programming
      • Recursively define solution to problem in terms of solution to limited number of subproblems.
        • What could be the penultimate subproblems? (Work backwards.)
        • Subproblems having same structure as the original problem, only being smaller in size. 
        • Prove – defining solutions in terms of solutions to subproblems is optimal.
      • Compute and store the results of subproblems in memory so that you don’t have to recompute them. Then use the stored results to compute solution to the problem. 
    • Divide & Conquer
      • Divide the problem into subproblems (dividing up inputs into parts) and solve the subproblems recursively. 
      • Combine the results of solutions of subproblems.
    • Greedy
    • Backtracking
      • If you can define the space of all possible solutions, you can search the space for solutions systematically through backtracking. 
      • In backtracking, you generate one element at a time towards the solution and backtrack whenever you meet a dead-end.  

    Application Domains

    Design algorithms using 

    • Domain Knowledge
    • Computational Abstractions & Algorithmic Paradigms 

    Number Theory

    • Domain Knowledge: Prime, GCD etc.
    • Computational Abstractions & Algorithmic Paradigms: Loop, Recursion etc.


    • Domain Knowledge: Binomial Co-efficient, etc.
    • Computational Abstractions & Algorithmic Paradigms: Loop, Table, Dynamic Programming etc.

    String Processing

    Linear Programming

    Matrix Algorithms

    Computational Geometry

    • Domain Knowledge: Properties of geometric objects
    • Computational Abstractions & Algorithmic Paradigms: Stack, etc.

    Polynomials & Fast Fourier Transform

    My Mental Toolbox

    From My Mental Toolbox

    Self Management

    • Passion & Confidence, Faith. “The happiness advantage”.
      • Go through your accomplishments. Visualize.
      • Always have context (Goal, Dream, Curiosity, Context) in mind.
    • Meta-cognition (“Know thyself”). Reflective Thinking.
    • Emotional Intelligence
    • Concentration. Meditation. Mindfulness (Reflective Thinking). Classical Music.
    • Killer instinct directed towards problem solving, creative purposes and accomplishments. See Steve Ballmer on stage. People who can’t use anger / aggression towards creative purposes / problem solving, “transfer the anger to his wife, children, subordinates, store clerks, waiters and other people who cannot defend them against him. This is the mechanism that lies behind scapegoating, racial prejudice, exploiting others!”
    • Willpower (Mindfulness).
    • Big Picture Thinking.
    • Collaboration
    • Creative Visualization (Always have goals in your mind. Start from goal – visualize backwards.) + Faith
    • Gamify the process of achieving goals. (Let internal feedback motivate you. Use feedback to your advantage.)
    • Awareness of the ultimate reality.

    Thinking Tools 

    • Study the problem, not the tool.
      • Learn in context. Always have past, future, goals, contexts, questions in mind.
    • Zooming-in, zooming-out (let’s name it the “lens tool”)
      • Find out how changes made to “part” bring about change in the “whole”.
    • Abstractions (from computational thinking)
    • Generalization.
    • Sequential Processes
    • Game Theory (Considering the opponents, co-operators)
      • Studying the psychology of everyone involved.
      • Big Picture Thinking.
    • Not constraining myself to a particular field of study; rather, analyzing and learning from everything. My breadth of knowledge helped me go in depth.
    • Problem Solving Strategies, Tools, Techniques
    • Creativity Tools
    • Understanding systems and processes “completely” in terms of what I already know (what Physicists try to do)
    • Ask Questions. (Fill up gaps in knowledge. Questions lead to answers and new knowledge.)
    • Mathematics (reduces complexity by creation of abstractions, symbolization, structures, mechanization of procedures)
    • Data Analytics & Statistics
    • Algorithm, Computation & Automation

    প্রিন্সেস শামিতাকে লেখা খোলা চিঠি – ১


    ডিজাইন নিয়ে ভাবতে পারো, ভাবনাটা আঁকতেও পারো।

    Fresh eyes দিয়ে সবকিছু দেখো। ধর, একটা টেবল দেখছ। সবাই যে চোখে টেবল টাকে দেখে সেভাবে দেখলে তুমি নিজে টেবল ডিজাইন করবে কিভাবে? বরং একটা বাচ্চা যে চোখ দিয়ে টেবল টাকে দেখে, বা ধর তুমি মঙ্গল গ্রহে গেছ – সেখানকার একটা অদ্ভুত টেবল যে দৃষ্টি দিয়ে দেখবে সেই দৃষ্টিতে দেখো।

    ওয়াও! কেমন অদ্ভুত একটা জিনিস! চারটা পায়ের উপর দাঁড়িয়ে। ওভাল সাইজের। সবাই মিলে এটার উপর খায়? ওভাল না হয়ে রেকটেঙ্গুলার হলে কেমন হত? আরেকটু ছোট হলে? রঙটা কেমন যেন! আরেকটু বাদামি হলে… হুম, দারুন হত।

    একটা exercise দেই। একটা E-Book 2.0 ডিজাইন করতে পারবে? স্পেসিফিকেইশান বলে দেই। ফাঙ্কশানালিটি হবে E-Book Reader, Tablet এর মত, কিন্তু বই পড়তে যে সুবিধাগুলো পাওয়া যায় – যেমন ধর কয়েকটা পাতা একসাথে খোলা রাখা, দ্রুত এক পাতা থেকে আরেক পাতায় যাওয়ার সুবিধা, ওজনে হালকা, তারপর ধর কোন পাতায় চাইলে কিছু নোট করে, মার্ক করে রাখা যাবে – ওগুলো থাকতে হবে। চিন্তা করার সময় কোন constraint রেখো না – নতুন কি আনা যায় ভাবো। যেমন ধর, iPhone multi-touch screen introduce করেছে। User Interface এ নতুন আর কি থাকতে পারে ভাবো।
    ট্রাই করে দেখো। ডিজাইনের কিন্তু কোন শেষ নাই। একটা ডিজাইন দাঁড় করাও, তারপর ওটাকে আরও ভাল কর, আবার কিছু যোগ কিছু বাদ – এভাবে।

    তোমরা ডিজাইনাররা Multi-touch screen ডিজাইন করে বাচ্চাদের কি শিখিয়েছ দেখো! বাচ্চারা ম্যাগাজিনকেও touch screen ভাবছে!

    ওয়েব পেইজ ডিজাইনও ট্রাই করতে পারো। ফটোশপ দিয়ে ডিজাইন কর – ভাল লাগে কিনা দেখো। দেখতে ভাল লাগে – এমন সাইটগুলো কেন দেখতে ভাল লাগছে বোঝার চেষ্টা কর।

    সবকিছু নিয়ে ভাব। সবকিছু ভালভাবে বোঝার চেষ্টা কর। কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে, ব্যাংক কিভাবে কাজ করে, একটা বাড়ি কোন কোন অংশের জন্য সুন্দর লাগছে – কোন কোন অংশ পাল্টে ফেলে আরও সুন্দর করা যায়।

    কোন জটিল ব্যাপার বোঝার সবচেয়ে ভাল উপায়

    • জটিল ব্যাপারটাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে ফেলা।
    • তারপর ছোট ছোট ব্যাপারগুলো আলাদাভাবে বোঝা।
    • এরপর ছোট ছোট অংশগুলো নিয়ে কিভাবে পুরো ব্যাপারটা কাজ করছে তা বোঝা।
    • সবসময় visualize করে বোঝার চেষ্টা কর। তুমি তো জানো আমি কিভাবে visualize করি। 

    ধাঁধার সমস্যা বা অঙ্কের সমস্যা নিয়েও ভাবতে পারো।

    প্রথম দিন সব বুঝে ফেলবে এমন না। কিন্তু ভাবতে থাকো – কয়েকদিন পর দেখবে আগের চেয়ে অনেক ভাল ভাবছ।

    নিউটনের একটা কথা মনে রেখো, “আমার আবিষ্কারের কারণ আমার প্রতিভা নয়। বহু বছরের পরিস্রম ও নিরবিচ্ছিন্ন চিন্তার ফলেই আমি আমাকে সার্থক করেছি, যা যখন আমার মনের সামনে এসেছে, শুধু তারই মীমাংসায় আমি ব্যস্ত থাকতাম। অস্পষ্টতা থেকে ধীরে ধীরে স্পষ্টতার মধ্যে উপস্থিত হয়েছি।”

    পড়াশোনা, চিন্তা ভাবনার জন্য আমি কিছু Power Tools ব্যবহার করি। তোমাকে শিখিয়ে দেবো। তোমার মাঝে কত Potential লুকিয়ে ছিল – কখনও খেয়াল করনি – অবাক হয়ে দেখবে। Undergrad বেশি বেশি course নিয়ে তাড়াতাড়ি শেষ করে ফেলতে পারবে!

    জীবনের সমস্যা নিয়ে ভেবে কখনও মন খারাপ করবে না। বরং ভাববে তোমার কি কি আছে – তা নিয়ে। আমি আছি না? আরও কত কিছু!

    আমরা সবাই happy, satisfied, fulfilled হতে চাই। আসলে আমাদের প্রত্যেকের জীবনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত – নিজে হ্যাপি হওয়া, আর যতগুলো মানুষকে পারা যায় হ্যাপি করা। আমরা মনে করি, অনেক টাকা রোজগার, চাকরিতে ওই পদ, পছন্দ হওয়া ডায়মন্ড সেট কিংবা ওই পুরষ্কারটাই জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিত। কিন্তু আসলে এগুলো লক্ষ্য না। লক্ষ্য হল – এগুলো অর্জনের মাধ্যমে হ্যাপি হওয়া। পুরষ্কার কিংবা পদ happy, satisfied, fulfilled হওয়ার tools, মূল লক্ষ্য না। মূল লক্ষ্য – happiness, satisfaction, fulfillment

    কাজেই যেসব ব্যাপার ভাবলে মন খারাপ হয়, ওগুলো ভেবে মন খারাপ করা মানে নিজে নিজে ইচ্ছা করে জীবনে হেরে যাওয়া। গড তোমাকে যে ব্লেসিংসগুলো দিয়েছেন ওগুলো নিয়ে ভাব – কত ভাল লাগবে!

    বড় কোন স্বপ্নকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে তাতে নিজেকে উজাড় করে দাও – জীবনটা অনেক বেশি অর্থপূর্ণ মনে হবে। স্বপ্নের পথে একটু একটু করে এগোনোকে happy হওয়ার tool হিসেবে ব্যবহার কর।

    Happiness এর আরেকটা Secret হল Happiness relative। ধর, একটা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছ – সামান্য একটু স্বস্তি এলে কি যে ভাল লাগবে! আবার ধর প্রতিটা দিনই অনেক মজার। তখন এত মজার মাঝেও bored feel করবে। অনেক অনেক বেশি exciting কিছু না হলে ভাল লাগবে না! এমন সময়ে happy হওয়ার উপায় হল – কঠিন সময়গুলোর কথা ভাবা। Happiness feel করে তারপর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে ভুলো না!

    সবচেয়ে বড় যে সত্যটা বলতে চাইছি তা হল – আমাদের “পারিপার্শ্বিক” আমাদের যতটা না happy বা unhappy করে, তার চেয়ে বেশি করে আমরা “পারিপার্শ্বিক দেখে মনে মনে কি ভাবলাম”।

    এই ব্যাপারগুলো তুমি নিজের জীবনেও অ্যাপলাই কর, কাছের মানুষদেরও শেখাতে পারো।

    তোমাকে রোল মডেল হতে হবে – এটা সবসময় মাথায় রেখো।

    নাগরিক শক্তির শিক্ষাবিষয়ক পরিকল্পনা

    • শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটা মানুষের মাঝে লুকিয়ে আছে বিশাল সুপ্ত ক্ষমতা। শিক্ষার মাধ্যমে প্রত্যেকে তার সুপ্ত ক্ষমতাকে জাগিয়ে তুলে এক একটা বিশাল শক্তি হয়ে উঠতে পারে। জ্ঞান আর মেধা দিয়ে জীবনে সবকিছু অর্জন করা যায়। যে কেউ প্রায় যে কোন বয়সে সঠিকভাবে চেষ্টা করলে যে কোন কিছু হয়ে উঠতে পারে – এই বিশ্বাসটা সবার মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে। মানুষগুলোকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আর কিছু লাগবে না। এক একটা মানুষ যেখানে বিশাল শক্তি হতে পারে সেখানে ১৬ কোটি মানুষকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আমাদের আর পিছে ফিরে তাকাতে হবে না। 
      • শিক্ষা শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না, আমরা চাইলে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে চারপাশ থেকে শিখতে পারি। 
      • ইতিহাসের যে কোন সময়ের তুলনায় নিজেকে উপরে তোলার সুযোগও সবচেয়ে বেশি আমাদের প্রজন্মের। আধুনিক প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন আমাদের হাতে দিয়েছে অনন্য সব আবিষ্কার – মানুষ এখন যে কোন প্রান্তে বসে যে কোন কিছু শিখতে পারে, যে কারও সাথে যোগাযোগ করতে পারে, কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, কাজ করতে পারে, পারে আয় রোজগার করতে।
    • বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।
    • শিক্ষাবিদদের নিয়ে শিক্ষা কমিশন গঠন করা হবে। কমিশনের পরামর্শের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী – অভিভাবকদের মতামত নিয়ে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষাবাবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে আমূল সংস্কার আনা হবে। 
    • সৃজনশীল এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ নির্ভর শিক্ষা বাবস্থা চালু। 
      • বই থেকে শেখা জ্ঞান দিয়ে জগতটাকে দেখতে শেখানো। 
      • “লার্নিং বাই ডুইং” (হাতে কলমে শিক্ষা) চালু করা হবে। এতে বইয়ের জগত এবং বাস্তব জীবনের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি হবে। 
    • শিক্ষার্থীরা আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেরা শিখবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে শিখবে। 
    • দেশের প্রত্যেকটা স্কুলে আধুনিক লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে। 
      • লাইব্রেরিগুলো হবে জ্ঞান চর্চা ও জ্ঞান আদানপ্রদানের কেন্দ্র। 
      • বই, উচ্চগতির ইন্টারনেটসহ কম্পিউটার এবং কিছু যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে। 
      • স্কুল লাইব্রেরিগুলো সবসময় খোলা থাকবে। শিক্ষার্থীরা যতক্ষণ খুশি লাইব্রেরিতে সময় কাটাতে পারবে। 
    • সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পাঠ্যসূচীতে পরিবর্তন। নৈতিকতার শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
    • পরীক্ষা পদ্ধতি, মূল্যায়ন পদ্ধতিতে সংস্কার আনা হবে।
    • শিক্ষার্থীরা মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। বিভিন্ন অলিম্পিয়াড, প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে মেধাবী জাতি গড়ে তোলা হবে। 
      • ছাত্র – ছাত্রী, কিশোরকিশোরী, তরুণ-বৃদ্ধ সবাই অবসরে ধাধার সমস্যার সমাধান করবে। মেধা-বুদ্ধি শানিত করবে। সূচনা হবে নতুন সংস্কৃতির। প্রত্যেকে হয়ে উঠবেন চিন্তাশীল, মেধাবী, বুদ্ধিমান।  
      • গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত গণিত অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান প্রকল্প এর সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
    • বাংলাদেশে বিশ্বমানের কয়েকটা বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে। 
      • দেশে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়ে, বিনিয়োগ নিশ্চিত করে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে PhD ডিগ্রি প্রাপ্তদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে
      • BUET এবং DU কে এখনই বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। পরিবর্তনের হাওয়া লাগলে সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে তা ছড়িয়ে পড়বে। একে একে MIST, SUST, CUET, RU, KUET, RUET, CU, KU এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো Ranking এ উপরের দিকে উঠে আসবে। ঠিক যেভাবে ICPC কিংবা TopCoder Ranking এ আমরা শীর্ষস্থানগুলো দখল করছি। 
      • বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সত্যিকারের গবেষণা শুরু হবে – বরাদ্দ বাড়বে, গবেষণা সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনা হবে। 
      • বিশ্ববিদ্যালয় – ইন্ডাস্ট্রি এর মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তোলা হবে। 
        • ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনা হবে। 
        • প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্ট এবং রিসার্চে বিশ্ববিদ্যালয় – ইন্ডাস্ট্রি একসাথে কাজ করবে। 
        • কোন শিক্ষার্থীর প্রজেক্ট হয়ে উঠবে আরেকটি ইন্ডাস্ট্রির প্রোডাক্ট। 
        • ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা প্রোডাক্ট ডেভেলাপমেন্ট এবং রিসার্চে ইন্ডাস্ট্রির কাছে ফান্ডিং এর আবেদন করবেন। 
      • প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং এদের শাখাগুলোর অনুমতি প্রদানে স্বচ্ছতা আনা হবে – ন্যূনতম মান নিশ্চিত করা হবে।
    • দেশের যেসব জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় নেই, সেসব জেলায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে।যেগুলো আছে ওগুলোর আসন সংখ্যা বাড়ানো হবে। 
      • সুযোগ দিলে অনেকেই সর্বোচ্চ চেষ্টার মাধ্যমে “কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে ভাল চাকরি” করতে চাইবে। কিছু কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি শুধুমাত্র এইচএসসি বা সমমানের শিক্ষার্থীদের মাঝে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার এটাই একমাত্র উপায় – অনেকে একটু বড় হওয়ার পর বুঝতে পারে!
    • বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন রাঙ্কিং প্রথা প্রবর্তিত হবে। 
      • রাঙ্কিং প্রথায় বিভিন্ন objective measures ব্যবহার করা হবে – যেগুলো নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই। জার্নালে এবং কনফারেন্সে পেপার পাব্লিকেশানের উপর এত পয়েন্টস, পেপারের ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টরের উপর এত, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সাফল্যের উপর এত, পাশ করার ৩ মাসের মধ্যে চাকরি প্রাপ্তির হারের উপর এত, শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও গবেষণা প্রোফাইলের উপর এত, ছাত্র – শিক্ষক অনুপাতের উপর এত পয়েন্টস – এরকম কিছু measures। 
      • প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের মাঝে এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে মেধাবী ছাত্র ভর্তির জন্য এক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করবে – ফলশ্রুতিতে সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বাড়বে। 
      • বিষয়ভিত্তিক রাঙ্কিং প্রথা চালু করা হবে। 
      • কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ত গর্বের সাথে বলবে, জান, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ দেশ সেরা! যাকে বলা হবে সে উত্তর দেবে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ দেশ সেরা আর এশিয়ার সেরা ১০টার একটা!  
    • বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী দেশের কিশোর গণিতবিদদের কাছে যে ৩টি স্বপ্নের কথা বলেছিলেন তাদের মধ্যে ছিল ২০২২ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী গনিতবিদের ফিল্ডস মেডল জয় এবং ২০৩০ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর নোবেল পুরষ্কার জয়। নাগরিক শক্তি ২০৩০ সালের মধ্যে ফিল্ডস মেডেল এবং নোবেল পুরস্কার জয়ের লক্ষ্যে গবেষণা সংস্কৃতিতে নতুন জাগরণ এবং বিশ্বমানের গবেষণা ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করবে।
    • উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম যাতে অপরাজনীতির কারণে বাঁধাগ্রস্থ না হয়, দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ (যেমন নিয়োগে অনিয়ম) না হয়, সে ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 
      • সেশন জটের কারণগুলো চিহ্নিত করে দূর করা হবে। আন্ডারগ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীরা ৪ বছরে বাচেলারস ডিগ্রী শেষ করবে। 
      • আমরা শিক্ষাঙ্গনে সুস্থ রাজনীতির চর্চা, উদ্ভাবনী উদ্যোগ দেখতে চাই – ছাত্রছাত্রীরা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দল বেঁধে কাজ করবে। 
    • মাদ্রাসা শিক্ষাবাবস্থার সংস্কার (সবার মতামতের ভিত্তিতে) – আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান অন্তর্ভুক্তিকরন – যাতে মাদ্রাসা শিক্ষাবাবস্থায় শিক্ষিতরা মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, বাবসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও বেশি সুযোগ পায়।
    • তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রকৌশলী থেকে শুরু করে কৃষক পর্যন্ত সবার জন্য “লাইফলং লার্নিং” (জীবন ব্যাপী শিক্ষা) এর সুযোগ।
    শিক্ষা নিয়ে আরও

    তোমাদের জন্য লেখা

    শিক্ষাবিদরা কি ভাবছেন

    – ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক; সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।

    তরুণ প্রজন্ম এখন নেতৃত্ব নিতে সক্ষম
    – ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

    – ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।

    শিক্ষায় বাংলাদেশী উদ্যোগ 

    Research Problems I Want To Work On

    1. How do you create Advanced Artificial Intelligence that is better than human experts and understands and can reason about everything on the Web and in the real world?
    2. How do you Codify Biology at different levels of abstraction (DNA, Proteins, Metabolic and Signalling Pathways, Cells, Tissues, Organs, Body) so that you can predict and control? (Codification of Biology, Engineering Biology, Systems Biology, Computational Biology, Curing Diseases & Disabilities, Increasing Lifespans.) 
    3. How do you invent better tools, technologies (Imaging, Optogenetics) and Models for Understanding and Engineering the BrainHow do you Cure Neurological and Psychiatric Disorders?
    4. How do you Understand Complex Systems consisting of lots of interacting agents? (Application of Big Data; Inventing better Models, Mathematics, Algorithms to understand complex systems better; finding answers to age old questions in Sociology, Behavioral Science, Political Science, Economics & Business)
    5. How do you Design Materials and Nanostructures with required properties using Computers?
    6. How do you make Software Developers say 100 times more productive?
    7. How do you design an Effective Education and Learning and Research Platform?
    8. How do you create Platforms that empower people – so that the enormous potential in each and everyone of us is materialized?
    9. How do you take Human – Computer (networked) collaboration, intelligence to the next level?
    10. How do you integrate the Information World and the Physical World? (A world where the Physical world is completely aware of everything utilizing information from the Information World; the world of information is embedded in the Physical World.)
    11. How do you design Next Generation Manufacturing Technologies? (Fab-lab, 3D Printing, Automation)
    12. Exploration of new computing architectures – continuation of Moore’s law: exponential increase in processing power; computational power for data processing, intelligence; (Parallel computing architectures (e.g., GPUs); Molecular computing; Quantum computing; Cognitive computing / Neuromorphic computing)
    13. How do you solve Local, Social and Global problems (clean water, cheap energy etc.) utilizing massive collaboration and exponential technologies?
    14. How do you predict and prevent Natural Disasters?
    15. Joining the pieces of puzzle together to get a complete picture of the Ultimate Reality