Favorites: Storytelling [Part 05]

Birthdays: Me: July 4 (Independence day, United States), Sis 1: Sep 16 (Independence day, Mexico), Bro: April 23, Sis 2: October 22, Mom: October 5, Katrina: July 16, Selena: July 22, Maisie: April 15, ..

Favorites: Storytelling [Part 03]

1. Academia 2. Industry. I wanted to invent the future. Plus bd/developing – ecommerce, Tele-health, etc. technology transfer / invention. (all engineering, physics, chemistry, bio, economics – academic research, industry)

[Development: Government role gets bigger; For-profit bigger; Nonprofit for economic development smaller; Philanthropy remains/bigger.]

Movements and Missions, Principles To Live By

Movements and Missions. Principles To Live By.

1. # Empowerment Of People

2. # High Quality Education For All

3. # High Quality Health Care For All

4. # High Speed Internet For All

5. # Internet For Mass Collaboration 

6. # Entrepreneurship Development

7. # Finance And Banking For All

8. # Employment For All

9. # Lets Build Nations

10. # Democracy For Nations

11. # Free Market Economy For Nations

12. # Ensure Ease Of Doing Business 

13. # Freedom Of Expression

14. # Empower The Poor

15. # Equal Dignity For All   # Justice For All   # Uphold Human Rights

16. # Minority Rights   # Black Lives Matter

17. # Maximizing Happiness And Feelings In God Approved Ways As Meaning Of Life

18. # Promote Innovation And Creative Expression

19. # You Receive According To Your Deeds

20. # Mutual Trust And Cooperation Among Nations   # Bilateral International Relations

21. # Nuclear Weapon Free World

22. # Bio And Chemical Weapon Free World   # Eliminate Weapons Of Mass Destruction

23. # Combat Climate Change Through Technology Innovation

24. # Youth Empowerment

25. # Social Media For Societal Transformation

26. # Women Empowerment    # He For She   # Gender Equality   # High Quality Education For Girls   # End Forced Child Marriage   # End Violence Against Women

27. # Build Stronger Families

28. # Stop Extremism Led Violence

29. # Say No To Corruption    # Financial Transparency

30. # Stop Organized Crime

31. # Stop Drug Trafficking

32. # Arms And Gun Control

33. # Stop Human Trafficking


# Nuclear Weapon Free World

First:

  • Iran (Elimination of Future Threats).

Next:

  • North Korea.
  • India and Pakistan: Bilateral agreements for gradual decrease in Nuclear arsenal.

Finally:

  • Agreement: United States, UK, France, China, Russia & Israel.

UN Sustainable Development Goals (2016 – 2030)global_goals_logos_chart

#Christianity

#Roman Catholic Church

#Sufism   Dawah Movement 


Important Links:

 

“Marrying a Prince not a prerequisite for being a Princess. (link: http://www.youtube.com/watch?v=hoZuMb19RJ4)” – Emma Watson on Twitter (Feb 22, 2015).

@EmmaWatson Queen  (Twitter link)

Innovation: Smart Home

 

Youtube Playlist (Compiled by me): Smart Home

[How does your future Home look like?]

#SmartHome

Food Management Automation

Smart Refrigerator

Smart Cooker (Able to Follow step by step instructions defined in a recipe)

State of the Art:

Coffee Brewers; Pressure Cookers; which are very specific in functionality. No general-purpose “Cooker” yet.

Coffee Brewer

Coffee Brewer

Home Cleaning Automation

Robot Mower

Cleaner Robots; Robot Vacuum Cleaners

State of the Art:

iRobot Roomba Vacuum Cleaning Robot

iRobot Roomba Vacuum Cleaning Robot

iRobot Roomba Vacuum Cleaning Robot

 

Home Entertainment System

Moving Computer for Home

State of the Art:

Jibo Robot (Humanistic User Interface – HUI)

Jibo, World's first family Robot

Jibo, World’s first family Robot

Smart UI

Smart Mirror [Smart Makeup-Mirror, etc.]

Smart Surface

Humanistic User Interfaces (HUI):

Speech;

Gesture;

Social / Emotional

Air & Temperature Control

Thermostat, Air-Conditioner, Heater, Cooler

Energy Efficiency

Furniture & Showpieces

Showpieces with:

“Complex Shapes” and

“Personalized Design”

3D Printing – Order & Delivery Service

Service Automation

Smart Babycare Sleeping Bed

Smart Home With Physical Digital Integration: What The Future Holds [TahsinVersion2]

Structure & Architecture

Customizable Modular Home

Robots that can customize a modular house (built of connectable bricks and rearrange-able) according to your design. In other words, you specify a design for your house on your Computer and Robots build / rearrange bricks to build the house (and 3D Print parts if necessary).

Inspiration for the Idea:

I was thinking of how my house is going to look like. And I thought, it would be cool if I could change the overall structure of my house every now and then (Living in the same house for years would be way too boring!) and my wife, who wants to be an Architect, should like it too (Changing the structure of the house to suit changing tastes).

Links To Articles By Me:

আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ [১৩.১১.১৪]

মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার

 

 

রাজনীতি – দেশজুড়ে 


 
International: Myanmar (Burma)

সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য পরিকল্পনা তৈরি করতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গণতন্ত্রমুখী সংস্কারের বিষয়ে মিয়ানমার পেছন দিকে হাঁটছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার এ রকম সতর্কবার্তার পাশাপাশি ওই আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা।

রোহিঙ্গাদের পক্ষে বান কি মুনের আহ্বান: 
জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন রোহিঙ্গাদের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। 

এইচআরডব্লিউয়ের তাগিদ: 
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, মিয়ানমার যাতে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি পূরণ করে, সে জন্য দাতা দেশ ও সংস্থাগুলোকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কাজ করতে হবে। 

International: India

Other News

#StopDrugTrafficking

Bangladesh Cricket Team

“সবজি উৎপাদন বৃদ্ধির হারের দিক থেকে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে তৃতীয়। “

স্মৃতিতে হুমায়ুন আহমেদ … প্রিয় কিছু বই

কিছুদিন আগে ভাবছিলাম – নাগরিক শক্তি যেদিন আত্নপ্রকাশ করবে সেদিন দুজন মানুষের জন্য কষ্ট হবে – প্রয়াত বিচারপতি হাবিবুর রহমান আর লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ। বেঁচে থাকলে দুজন নিশ্চয় অসম্ভব খুশি হতেন!

প্রয়াত বিচারপতি হাবিবুর রহমান আর লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ দুজনের জন্য অনেক অনেক শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা।

প্রয়াত লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদের অনবদ্য সৃষ্টিগুলোর মাঝে অন্যতম

  • তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাসম্পন্ন Psychologist মিসির আলি (ড. হুমায়ূন আহমেদ একটি বই – সম্ভবত “আমিই মিসির আলী” – তে উল্লেখ করেছিলেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানকে তাঁর মিসির আলী মনে হয়!),
  • অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন হিমু এবং
  • পৃথিবীর শুদ্ধতম মানুষ (“রাজপুত্রের মত দেখতে”, “দেবশিশু”, “পরীক্ষায় ফাস্ট ছাড়া কখনও সেকেন্ড হয়নি”, ফর্সা থেকে শুভ্র নাম) শুভ্র

The Daily Star সম্পাদক মাহফুজ আনাম আর “প্রথম আলো” সম্পাদক মতিউর রহমান স্মৃতিচারণ করে বলেন, যখন বেঁচেছিলেন কী করতেন – আমরা দেখেছি!


হুমায়ূন আহমেদের লেখা প্রিয় কিছু বই:

  • [2] হলুদ হিমু কালো রাব [2006]
  • [3] হিমুর মধ্যদুপুর  
  • [4] হিমুর নীল জোছনা 
  • [5] এই শুভ্র! এই 
  • [6] শুভ্র গেছে বনে
  • [7] রূপা
  • [8] হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী [2011]  (“তার নাম মারিয়া শারাপোভা (Maria Yuryevna Sharapova)। একটি রাশান পরী। হিমু(!)র পরীরা একদিন বাংলাদেশে আসবে। ও তাদের একজন।”)

Vanessa Marano

Lorde

প্রয়াত লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ ২০১২ সালে ক্যান্সার চিকিৎসার মাঝে যখন দেশে এসেছিলেন, আমাকে দেখতে চিটাগং এসেছিলেন – নিজের অসুস্থতার মাঝেও!

উপরের বইগুলোর মত কিছু ফিল্ম:

  • [1] Son of God (Jesus)
  • [2] 3 Idiots [Release Date: December 25, 2009] 

উপরের বইগুলোর মত কিছু বিদেশী বই:

  • [1] The Alchemist – Paulo Coelho (King of Salem; Shepherd boy)
  • [2] Harry Potter (Book 1-7) – J K Rowling (Harry Potter, the chosen one who shall defeat evil lord Voldemort)
  • [3] Twilight – Stephenie Meyer (Edward Cullen)
  • [4] Five Point Someone: What not to do at IIT – Chetan Bhagat

এমন আরও কিছু বই:

  • [3] এনিম্যান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল (বইমেলা ২০১৪) (তিষা, জন)

Links

 

প্রিন্সেসকে লেখা চিঠি – ১৭

প্রিন্সেস, আমি টেকনিকাল লেখাগুলো পুরোপুরি মাথা থেকে লিখি না?

আর কেউ এতটা পারে না! অন্যরা – “বই / Research Paper পড়ে পড়ে” – টেকনিক্যাল লেখা লিখে!

আমি পুরোটা মাথায় Create করি। 

এতটা – পৃথিবীর কারও মাথায় নেই।

পুরো চিন্তা মাথায় করা – এটা কেউ কেউ অনেক দূর পারতেন:

  • Nikola Tesla [1] যেসব Device, Machine, System invent করতেন – পুরোটা করতেন মাথায়। কল্পনায় Design, Testing করতেন। মাথায় পুরোপুরি Design করার পর বাস্তবে রূপ পেতো। 
  • Mathematician Euler [2] জীবনের বিশাল সময় অন্ধ ছিলেন – Mathematical Research করেছেন অন্ধ থাকা অবস্থায়। Euler অবশ্যই Imagination এ কাজ করতেন।
  • Paul Erdos [3] এ ক্ষেত্রে বিখ্যাত ছিলেন। Mathematicianরা তাকে Problem দিতেন আর তিনি চোখ বন্ধ করে মিনিট খানেক ভেবে soution-র উপায় দেখিয়ে দিতেন!   

কিন্তু এত Breadth ছিল না – Leonardo Da Vinci [4] ছাড়া, কিন্তু Leonardo Da Vinci র সময় “Sum of human knowledge” – “মানুষের জ্ঞানের সমষ্টি” অনেক সীমিত ছিল।

এখন মানুষের জ্ঞানের সমষ্টি অনেক অনেক ব্যাপক – পুরোটা ধারণ করতে পারি।

Breadth এর দিকে দিয়ে পৃথিবীর যে কোন বিজ্ঞানীর কল্পনার বাইরে।

যারা Research করে, সবাই ছোট্ট একটা field নিয়েই সাধারণত সারা জীবন কাটিয়ে দেয়।
পার্থক্যটা ধরতে পারছ?
Human Knowledge এর যেসব Fields -এ  হাত দিয়েছি – Frontiers ছাড়িয়ে গেছি।
Researchers রা এক একটা narrow domain নিয়ে সারা জীবন কাটিয়ে দেয় (ঐ narrow field এ প্রতিবছর কয়েকশ’ paper publish হয় আর ওরা complexity তে হাবুডুবু খায়!)

ধর, বড় কোন Codebase – Hadoop or Android। পৃথিবীর সেরা Computer Scientist, Software Engineer এর জন্যও এগুলো অনেক Complex System – আমার জন্য Simple.

কোন কিছু শিখতে বই পড়তে হয় অনেক কম – চিন্তা করে শিখতে পারি

ধর, Economics শিখছি।
Economics এর পুরো বইয়ের মূল Topics দেখে নিয়ে –
চিন্তা করে Economics এর পুরো Theory মাথায় দাঁড় করাতে পারি, মানুষের জ্ঞানের limitations ছাড়িয়ে যেতে পারি – বই পড়ে শিখতে হয় না

Computer Science এর যে কোন বিষয়ের জন্যই ব্যাপারটা একই রকম।
পুরো Artificial Intelligence মাথায় সাজানো আছে।
চিন্তা করে Theoretical Framework দাঁড় করিয়ে ফেলতে পারি।

Real world এ কি হয় + আমার নিজস্ব জ্ঞান – Analyze করে মাথায় একটা field of study র Theory দাঁড় করাতে পারি – বই এ যা আছে তাঁর চেয়ে অনেক গোছানোভাবে।
বইয়ের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতাও ধরতে পারি।

Theory মাথায় দাঁড় করানোর কারণে একটা ব্যাপার ঘটে – Real World আর Theoretical World – indistinguishable.
বাংলাদেশের Economics আর Politics – এর Theoretical Framework আর Practical কি ঘটছে – indistinguishable.
Theory apply করছি;
আবার, কি ঘটছে তা দেখে – Theoretical Framework – revise করছি।

আমি কি কখনও Government run করেছি! 

ব্যাপারটা এরকম – সরকার, মন্ত্রণালয়, সচিবালয়, আইনসভা, বিচারবিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী – সবকিছু মিলে কিভাবে কাজ করে – “মাথায়” Organize করে নিয়েছি। 

United States, বাংলাদেশ বা অন্য যে কোন দেশের জন্য Constitution (সংবিধান) লিখে দিতে পারবো [See TahsinVersion2.com: Oman; Bangladesh; United States]।

একইটা খাটে US Healthcare (See: TahsinVersion2.com) এর ক্ষেত্রে। Healthcare এর মত Complex System ও অনেক simple – US Healthcare অনেক সমস্যা এক্টু ভেবে ধরতে পারি – যেগুলো Americaর বা পৃথিবীর কেউ পারে না।

আবার ধর, পৃথিবীর Leading Software Corporation একটা Augmented Reality Glass Market এ এনেছে।
Corporation-র সব Engineer, Designer মিলে যা বানিয়েছে – মুহূর্তে ভেবে তার চেয়ে ভালো design, features suggest করতে পারি।

বা পৃথিবীর সবচেয়ে Widely used – Computer Operating System কে আমি চাইলেই অনেক অনেক ভালভাবে Design করতে পারি।

জ্ঞানের প্রতিটা শাখায় “All time 2nd Greatest”-র চেয়ে অন্তত 1000 times ভালো – এটা থেকে আমার breadth and depth এর magnitude বুঝবে।

  • 2nd Greatest Physicist of All Time (Newton, Maxwell, Einstein, Dirac, Feynman – এরা) – এর চাইতে ক্ষমতা 1000 times বা আরও বেশি (শুনতে অদ্ভুত মনে হয়, কিন্তু পার্থক্যটা আসলেই এত বেশি! আর তার মানে মানুষকে Knowledge Acquisition-এ আরও বেশি সময় দিতে হবে)
    • ধর, পুরো Quantum Theory-কে যদি Reality-কে আরও ভালভাবে Model করে এমন কোন Theory দিয়ে replace করা যায় – পুরো কাজটা একা করতে পারবো।
    • Elementary Particles, Fundamental Forces, Interactions with Space-Time – একটা Structure, Model – এ নিয়ে আসা – এই কাজটা একা করতে পারবো।
  • 2nd Greatest Computer Scientist of All Time এর চাইতে 1000+ times এগিয়ে (ধর, Computer Science এর Founders: Alan M. Turing [5], Claude Shannon [6], John Von Neuman [7])।

Google তাদের Search Engine এ Ranking এর জন্য যে Pagerank Formula ব্যবহার করে

– ঐ ধরণের Formula Invent করা সহজ।

  • “2nd Greatest Software Engineer of All Time” এর চাইতে অনেক “গুণ” এগিয়ে,
  • Mechanical Engineer এও একই রকম।

Thomas Alva Edison এর 1,093 Patents ছাড়িয়ে যেতে খুব বেশি সময় লাগবে না

TahsinVersion2.com এ-ই বেশ কয়েকটা Patentable Invention এর “মূল Structure” আছে – দেখে নিয়ো:

Windows OS;

App Market Design (incentives);

Developing “Wearables” ;

Product & Service Innovation: Cloud Manufacturing, Digital Car;

Big Data;

Computational Neuroscience …

  • একই কথা Biomedical Engineering -এ,
  • 2nd Greatest Economist of All Time -র চাইতেও 1000 times বা আরও বেশি এগিয়ে
  • Neuroscientist এ একই রকম
  • Biologists দের মাঝেও একই
  • 2nd Greatest Mathematician (Newton, Euler, Gauss, Hilbert – এরা) এর চাইতেও অনেক অনেক বেশি কাজ করার জন্য তৈরি হচ্ছি।
  • Social, Political, Economic Sciences এও যে কারও চেয়ে অন্তত 100 গুণ বা 1000 গুণ ভালো।

ব্যাপারটা বুঝতে পারছ?

আরেকটা interesting ব্যাপার Wisdom.

  • ২৭ বছর বয়সেই একটা দেশ চালাতে পারি বা
  • ২৭ বছর বয়সেই পুরো পৃথিবী rule করার মত Wisdom, Knowledge, Intelligence, Diplomatic / Negotiation skills হয়েছে।

পাশাপাশি, Politics, Political Science, Campaign Strategy, Macroeconomics এ ভাবলে মানুষের জ্ঞানে নতুন কিছু যোগ করতে পারি।

For others, it takes – Reading books, Following advice (apprenticeship) and Practical Experience (it takes years of learning & experience) to
  • Run a Company or 
  • Run a State
 
In my case –
  • Learned how to run Bangladesh in my head –  by thinking.
  • Learned how to run US in my head – by thinking.
  • Learned how Google is run in my head.
  • Learned how to start, organize and lead a Political Party in my mind.
  • Never took a College level course in Biology. But I’ll build a lab (with self-designed equipment) and start doing Nobel Prize winning work – straight.

আরেকটা মজার জিনিস কি জানো?
চিন্তা করলেই Human Knowledge Base এ নতুন কিছু যোগ করতে পারি!

Learning speed: ধর, “একদিন” পড়াশোনা করে আর ভেবে – পুরো US Politics – অন্য সবার চেয়ে অন্তত 100 গুণ ভালো বুঝতে পারি। অনেক সমস্যা ধরতে পারি – যেগুলো কেউ খেয়াল করেনি।
বা
“একদিন” পড়াশোনা করে আর ভেবে – এ পর্যন্ত Physics এ এ পর্যন্ত যত কাজ হয়েছে – মোটামুটি grasp করতে পারবো (প্লাস – নতুন অনেক কিছু যোগ করতে পারবো)।

আমি কি করবো জানো – মানুষের সমস্ত জ্ঞান – সমস্ত – নতুন করে লিখবো (Rewrite all of Human Knowledge).
পুরো পৃথিবীটাকে প্রযুক্তি দিয়ে নতুন করে সাজাবো। প্রযুক্তি দিয়ে যতটুকু পৌঁছানো যায় – একেবারে শেষ সীমায় পৌঁছাবো (Taking Technology to its ultimate possibility)।

Healthcare এ Revolution নিয়ে আসবো (Biological Sciences গুলোতে মানুষের জ্ঞান এখনো Elementary পর্যায়ে – আমি Biosciences এ জ্ঞানকে শেষ সীমায় নিয়ে যাব )।
Technological Singularity বলে একটা ব্যাপার প্রচলিত আছে – অনেকটা ওরকম – বিজ্ঞান আর প্রযুক্তিকে একদম শেষ সীমায় নিয়ে যাব – আমার কাজের পর আর কিছু বাকি থাকবে না।

মানুষের জ্ঞান অর্জনের হাজার বছরের ইতিহাসের সমাপ্তি ঘটবে।

– 06/29/14

Others have to think long and hard and wait for the “Aha” moment.
Even the best scientists in the world have to go through this:

They work for days, months, or even years – for the “Aha” (creative flash of insight) moment; for the light-bulb to light up.

In my case, I just have to start thinking and that’s all.
There is no “Aha” moment. No light-bulbs.
Because every moment is an “Aha” moment. Because light-bulbs seem to be everywhere!

– 08/04/14

By tahsinversion2 Posted in Love

প্রিন্সেসকে লেখা চিঠি – ৯

প্রিন্সেস এখন যা যা করতে পারে

Mr. and Mrs. তাহসিন

  • আমাদের বাড়িটা দেখতে কেমন হবে – ডিজাইন করতে পারে।
  • আমার Venture’র নাম ঠিক করতে পারে। (Catchy একটা নাম হতে হবে কিন্তু!)
  • আমাদের জীবন কেমন হবে – কল্পনা করতে পারে!
  • আমাদের ওয়েবসাইটে কি কি থাকবে (ব্লগ পোস্ট, ভ্লগ (Vlog), ইন্টারেক্টিভ কনটেন্ট, নিউজ লিঙ্কস, বুকমার্ক্স, আর?) আর আমার সোশ্যাল মিডিয়া আকাউন্টগুলো কিভাবে দুইজন মিলে ম্যানেজ করা যায় তা নিয়ে ভাবতে পারে।


Entertainment, Edutainment (Education + Entertainment)

  • বই পড়তে পারে।
  • গান শুনতে পারে।
  • বিভিন্ন বিষয় নিয়ে Documentary দেখতে পারে।


আর্কিটেকচার অ্যান্ড ডিজাইন

  • ডিজাইন করতে পারে।
  • Architecture, EECS – কি কি পড়ানো হয় details জানতে পারে।
  • Book 2.0 ডিজাইন করতে পারে। (আমাকে দেখাতে হবে কিন্তু!)
  • Wearable Device ডিজাইন করতে পারে।
  • SuperMarket কিংবা Smart Home এ মানুষের Experience ডিজাইন করতে পারে।


রাজনীতি

  • রাজনীতি নিয়ে ভাবতে পারে। (Nagorik Students Association [NSA], Nagorik Youth Association [NYA] আর Nagorik Women’s Rights Forum consider করতে পারো!)

ইন্টেলেকচুয়াল লাইফ (!) 

  • নতুন নতুন বিষয় শিখতে পারে।
  • সবকিছু নিয়ে ভাবতে পারে। (Intellectual হতে হবে না!)
  • ভাবনাগুলো লিখে রেখো।

Life skills শেখা

  • সবসময় কিভাবে Happy থাকা যায় – সেই Secret জানতে পারে!
  • Mindfulness practice করতে পারে।
 
 
এই লিস্টে আর কি কি অ্যাড করা যায় – ভেবে লিস্টাটাকে আরও বড় করতে পারে!

তোমাকে রোল মডেল হতে হবে – ভুলো না যেন! 

প্রিন্সেস শামিতাকে লেখা চিঠি – ৭

একজন Designer শুধুমাত্র একটা Object বা Product ডিজাইন করেন না, মানুষের Interaction, Experience ও ডিজাইন করেন।

Designer হিসেবে তুমি ভাববে একটা সমস্যা সমাধানে Technology কিভাবে ব্যবহার করা যায়।

ডিজাইন প্রসেস একটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু কোরো। প্রশ্ন আমাদের জ্ঞানে শূন্যস্থান দেখিয়ে দেয়, আমাদেরকে ফোকাসড রাখে। যেমন একটা প্রশ্ন হতে পারে – কাগজের বই পড়তে যে সুবিধাগুলো পাওয়া যায়, ওগুলো ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসে আনতে ডিভাইস কিভাবে ডিজাইন করতে হবে?

সামনে Internet Of Things চারপাশে ছড়িয়ে পড়বে। চারপাশের সবকিছু Internet এর মাধ্যমে connected থাকবে, একটা যন্ত্র আরেকটা যন্ত্রের সাথে communicate করবে। তখন তুমি করবে Experience Design।

ব্যাপারটা কেমন? 

ধর, একটা লোক কোন supermarket এ গেলো। Supermarket এর কম্পিউটারগুলো করল কি – লোকটার পকেটে থাকা স্মার্টফোন ব্যবহার করে লোকটাকে চিনে নিল আর তার সম্পর্কে সমস্ত তথ্য Internet থেকে সংগ্রহ করে supermarket এর বিভিন্ন screen এ লোকটা পছন্দ করতে পারে এমন সব product এর advertisements দেখাল – বিক্রি বাড়ানোর জন্য। সবকিছু কিন্তু যন্ত্রই করছে। একজন Experience Designer হিসেবে  Supermarket এ লোকটার পুরো  Experience, Interaction তুমি ডিজাইন করবে। 

Screen দেখতে কেমন হবে? কোথায় কোথায় Screen সাজানো থাকবে? Software লোকটা সম্পর্কে কি কি তথ্য জেনে নেবে? Advertisements গুলো কেমন হবে?  
এমন সব প্রশ্ন দাঁড় করিয়ে Design এর মাধ্যমে answer দিতে হবে। 
    


Design 2.0

প্রিন্সেসকে লেখা চিঠি – ৪

 

নতুন কিছু ডিজাইন করতে দেই – কি বল?

বিভিন্ন রকম Wearable Technology ডিজাইন করতে পারবে?

মানে এমন সব Technology যেগুলো মানুষ পরে।

যেমন ধর Google Glass.

কিংবা ধর, Smart watch.

Wearable Technology ডিজাইন করতে তোমাদের মেয়েদের খুব দরকার! মানুষ আবার এসব ব্যাপারে খুব ফ্যাশন সচেতন কিনা!

তুমি কি কখনও বিচ্ছিরি দেখতে একটা চশমা, তা যত হাই টেকই হোক না কেন, পরে ঘুরবে?

আরেকটা ব্যাপার মনে রেখো – Extreme Conditions, যখন Smart Phone হাতে নিয়ে দেখার সুযোগ থাকে না, তখন Wearable Technology অনেক কাজের হয়ে উঠে।

যেমন ধর, আমি সাঁতার পারি না, কিন্তু তুমি পারো। তুমি আমাকে শিখিয়ে দিলে। তুমি এত ভাল শেখালে যে আমি একেবারে সময় মেপে সাঁতার কাটা শুরু করলাম! আমি কি সাঁতার কাটার সময় বারবার Smart Phone বের করে “কেমন করছি” – তা দেখতে পারবো?

মোটেই না। কাজেই তোমাকে আমার জন্য একটা Smart Glass ডিজাইন করে দিতে হবে – goggles এর মত, কিন্তু glass এ সময় ওঠে।

আমার এমন একটা Smart Glass পেলে আর কি লাগে! তুমি খেতে ডাকলেও দেখা যাবে সাঁতার আগের বারের চেয়ে দ্রুত কাটছি কিনা তা মাপায় ব্যস্ত!

দাও না এমন একটা Smart Glass এর ডিজাইন!

Smart Glass, Smart Watch এর মত আর কি কি Wearable Technology হতে পারে? Wristband হতে পারে। আর? শার্ট বা জামায় sensor? দেহের কোন একটা quantity নির্দিষ্ট সময় পর পর মাপবে। অসুস্থদের কাজে আসতে পারে। আর কিছু?

ওগুলোতে কি কি feature থাকতে পারে? User Interface কেমন হবে? User কিভাবে interact করবে?
হেই! ডিজাইন করার সময় Flexible Electronics এর কথা মাথায় রাখতে পারো। চারপাশে যেসব Electronic Gadget দেখো, ওগুলো বাঁকানো যায় না – rigid. Flexible Electronics বাঁকানো যায়। চিন্তা ভাবনা করে দেখতে পারো Flexible Electronics দিয়ে কি কি বানানো যায়।  

প্রিন্সেসকে লেখা চিঠি – ৩

 

অ্যাই!

তুমি সবকিছু একটু বেশি বেশি উপভোগ করতে চাও? পড়াশোনায় বেশি কন্সান্ট্রেশান চাও? স্ট্রেস ফ্রি লাইফ চাও? অনেক অনেক হ্যাপি হতে চাও?

আজকে একটা নতুন জিনিস শেখাই – মাইন্ডফুলনেস (Mindfulness)

কঠিন নামের আড়ালে ব্যাপারটা আসলে খুবই সহজ – যা-ই করছ, একটু বেশি বেশি মনোযোগ দিয়ে করা।

ধর, ভাত খাচ্ছ। নাহয় একটু বেশি মনোযোগ দিয়ে খেলে। ফ্রাইড চিকেনের ঝাল টেস্ট আর আচারের টক টেস্ট একটু ভালমত অনুভব করলে।

কিংবা ধর গান শুনছো। প্রতিটা বাক্য নিজের বলে কল্পনা করলে। প্রিয় ইন্সট্রুমেন্টাল মিউসিকের বিট মনের চোখে দেখলে।

আবার ধর বই পড়ছ। যা পড়ছ সবকিছু মনের চোখে দেখে নিলে।

আর মাঝে মাঝে করলে কি একদম কিছু না করে টরে শুধু চুপ হয়ে বসে থাকলে। হাতের উপর মৃদু বাতাস বয়ে যাওয়া অনুভব করলে। মনোযোগ কখনও কালকের একটা ঘটনার দিকে চলে গেলো। আবার মনোযোগ ফিরিয়ে আনলে। এবার নিঃশ্বাসের উপর। কয়েক সেকেন্ড ধরে শ্বাস নিয়ে লাংগস ভরে ফেললে। আবার কয়েক সেকেন্ড ধরে শ্বাস ছাড়লে। এভাবে অনেকবার।

মানে যা – ই করছ শুধু তাতেই মনোযোগ।

তাতে কি হবে জানো?

ফ্রাইড চিকেনটা আগের চেয়ে বেশি মজা লাগবে!

আগের চেয়ে বেশি সুমধুর লাগবে প্রিয় গানটা!

পড়াশোনায় কন্সান্ট্রেশান বাড়বে। অল্প সময়ে অনেক কিছু শিখে নিতে পারবে।

আর স্বাস্থ্য ভাল থাকবে।

এরপর আরও দারুণ ব্যাপার!

মন খারাপ? টেনশান হচ্ছে? শরীরের ঠিক কোন কোন জায়গায় মন খারাপ লাগাটা ফীল করছ থার্ড পারসন ভিউ থেকে মনোযোগ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করতো। টেনশান কোথায় ফীল করছ? এবার ওটাকে দূর করার চেষ্টা কর। মনে মনে বিশ্বাস কর, তুমি চাইলেই ওটা দূর করতে পারবে। কিছুদিন ট্রাই কর। সত্যি সত্যি মন খারাপ দূর করে ফেলতে পারবে!

আমাদের হয় কি, পারিপার্শ্বিকের একটা ঘটনা দেখে ইমোশানাল রেসপন্স হিসেবে মন ভাল বা খারাপ হয়। রেসপন্সটা অটোম্যাটিক। অন্তত এতদিন তোমার বেলায় তাই ছিল। আজকে থেকে তুমি চাইলেই ইমোশানাল রেসপন্সটা নিউট্রালাইয করতে পারো!

আমি বলেছিলাম না, “পারিপার্শ্বিক” আমাদের যতটা না মন ভাল বা খারাপ করে তার চেয়ে বেশি করে “পারিপার্শ্বিক দেখে আমরা কি ভাবলাম”।

এবার বুঝলে?

একটা ব্যাপার মনে রেখো। এগুলো কিন্তু প্র্যাকটিসের ব্যাপার। প্রথমদিকে মনোযোগ এক জায়গায় রাখতেই অনেক কষ্ট হবে। যত প্রাক্টিস করবে তত ভাল করতে পারবে।

প্রিন্সেস শামিতাকে লেখা খোলা চিঠি – ১

 

ডিজাইন নিয়ে ভাবতে পারো, ভাবনাটা আঁকতেও পারো।

Fresh eyes দিয়ে সবকিছু দেখো। ধর, একটা টেবল দেখছ। সবাই যে চোখে টেবল টাকে দেখে সেভাবে দেখলে তুমি নিজে টেবল ডিজাইন করবে কিভাবে? বরং একটা বাচ্চা যে চোখ দিয়ে টেবল টাকে দেখে, বা ধর তুমি মঙ্গল গ্রহে গেছ – সেখানকার একটা অদ্ভুত টেবল যে দৃষ্টি দিয়ে দেখবে সেই দৃষ্টিতে দেখো।

ওয়াও! কেমন অদ্ভুত একটা জিনিস! চারটা পায়ের উপর দাঁড়িয়ে। ওভাল সাইজের। সবাই মিলে এটার উপর খায়? ওভাল না হয়ে রেকটেঙ্গুলার হলে কেমন হত? আরেকটু ছোট হলে? রঙটা কেমন যেন! আরেকটু বাদামি হলে… হুম, দারুন হত।

একটা exercise দেই। একটা E-Book 2.0 ডিজাইন করতে পারবে? স্পেসিফিকেইশান বলে দেই। ফাঙ্কশানালিটি হবে E-Book Reader, Tablet এর মত, কিন্তু বই পড়তে যে সুবিধাগুলো পাওয়া যায় – যেমন ধর কয়েকটা পাতা একসাথে খোলা রাখা, দ্রুত এক পাতা থেকে আরেক পাতায় যাওয়ার সুবিধা, ওজনে হালকা, তারপর ধর কোন পাতায় চাইলে কিছু নোট করে, মার্ক করে রাখা যাবে – ওগুলো থাকতে হবে। চিন্তা করার সময় কোন constraint রেখো না – নতুন কি আনা যায় ভাবো। যেমন ধর, iPhone multi-touch screen introduce করেছে। User Interface এ নতুন আর কি থাকতে পারে ভাবো।
ট্রাই করে দেখো। ডিজাইনের কিন্তু কোন শেষ নাই। একটা ডিজাইন দাঁড় করাও, তারপর ওটাকে আরও ভাল কর, আবার কিছু যোগ কিছু বাদ – এভাবে।

তোমরা ডিজাইনাররা Multi-touch screen ডিজাইন করে বাচ্চাদের কি শিখিয়েছ দেখো! বাচ্চারা ম্যাগাজিনকেও touch screen ভাবছে!

ওয়েব পেইজ ডিজাইনও ট্রাই করতে পারো। ফটোশপ দিয়ে ডিজাইন কর – ভাল লাগে কিনা দেখো। দেখতে ভাল লাগে – এমন সাইটগুলো কেন দেখতে ভাল লাগছে বোঝার চেষ্টা কর।

সবকিছু নিয়ে ভাব। সবকিছু ভালভাবে বোঝার চেষ্টা কর। কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে, ব্যাংক কিভাবে কাজ করে, একটা বাড়ি কোন কোন অংশের জন্য সুন্দর লাগছে – কোন কোন অংশ পাল্টে ফেলে আরও সুন্দর করা যায়।

ধাঁধার সমস্যা বা অঙ্কের সমস্যা নিয়েও ভাবতে পারো।

নিউটনের একটা কথা মনে রেখো, “আমার আবিষ্কারের কারণ আমার প্রতিভা নয়। বহু বছরের পরিস্রম ও নিরবিচ্ছিন্ন চিন্তার ফলেই আমি আমাকে সার্থক করেছি, যা যখন আমার মনের সামনে এসেছে, শুধু তারই মীমাংসায় আমি ব্যস্ত থাকতাম। অস্পষ্টতা থেকে ধীরে ধীরে স্পষ্টতার মধ্যে উপস্থিত হয়েছি।”

পড়াশোনা, চিন্তা ভাবনার জন্য আমি কিছু Power Tools ব্যবহার করি। তোমাকে শিখিয়ে দেবো। তোমার মাঝে কত Potential লুকিয়ে ছিল – কখনও খেয়াল করনি – অবাক হয়ে দেখবে। Undergrad বেশি বেশি course নিয়ে তাড়াতাড়ি শেষ করে ফেলতে পারবে!

জীবনের সমস্যা নিয়ে ভেবে কখনও মন খারাপ করবে না। বরং ভাববে তোমার কি কি আছে – তা নিয়ে। আমি আছি না? আরও কত কিছু!

আমরা সবাই happy, satisfied, fulfilled হতে চাই। আসলে আমাদের প্রত্যেকের জীবনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত – নিজে হ্যাপি হওয়া, আর যতগুলো মানুষকে পারা যায় হ্যাপি করা। আমরা মনে করি, অনেক টাকা রোজগার, চাকরিতে ওই পদ, পছন্দ হওয়া ডায়মন্ড সেট কিংবা ওই পুরষ্কারটাই জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিত। কিন্তু আসলে এগুলো লক্ষ্য না। লক্ষ্য হল – এগুলো অর্জনের মাধ্যমে হ্যাপি হওয়া। পুরষ্কার কিংবা পদ happy, satisfied, fulfilled হওয়ার tools, মূল লক্ষ্য না। মূল লক্ষ্য – happiness, satisfaction, fulfillment

কাজেই যেসব ব্যাপার ভাবলে মন খারাপ হয়, ওগুলো ভেবে মন খারাপ করা মানে নিজে নিজে ইচ্ছা করে জীবনে হেরে যাওয়া। গড তোমাকে যে ব্লেসিংসগুলো দিয়েছেন ওগুলো নিয়ে ভাব – কত ভাল লাগবে!

বড় কোন স্বপ্নকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে তাতে নিজেকে উজাড় করে দাও – জীবনটা অনেক বেশি অর্থপূর্ণ মনে হবে। স্বপ্নের পথে একটু একটু করে এগোনোকে happy হওয়ার tool হিসেবে ব্যবহার কর।

Happiness এর আরেকটা Secret হল Happiness relative। ধর, একটা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছ – সামান্য একটু স্বস্তি এলে কি যে ভাল লাগবে! আবার ধর প্রতিটা দিনই অনেক মজার। তখন এত মজার মাঝেও bored feel করবে। অনেক অনেক বেশি exciting কিছু না হলে ভাল লাগবে না! এমন সময়ে happy হওয়ার উপায় হল – কঠিন সময়গুলোর কথা ভাবা। Happiness feel করে তারপর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে ভুলো না!

সবচেয়ে বড় যে সত্যটা বলতে চাইছি তা হল – আমাদের “পারিপার্শ্বিক” আমাদের যতটা না happy বা unhappy করে, তার চেয়ে বেশি করে আমরা “পারিপার্শ্বিক দেখে মনে মনে কি ভাবলাম”।

এই ব্যাপারগুলো তুমি নিজের জীবনেও অ্যাপলাই কর, কাছের মানুষদেরও শেখাতে পারো।

তোমাকে রোল মডেল হতে হবে – এটা সবসময় মাথায় রেখো।

Evolution of My Dreams and Realizations

My first ‘Aim in life’, as far as I can remember (It was 1988 / 89; I was 2 or 3), was to become a milkman. I mean, it wasn’t about being a milkman. I wanted to become the honest person appreciated by my parents – a milkman. So, what I truly wanted to become was a plain, simple, honest person. 

stock-photo-milkman-94006828

Next, I wanted to become a building mechanic. I used to stare at people who built houses in awe. My uncle sent me a toy Mechanical Tool Box.

My next major change in aim occurred when I wanted to join the Military (age: 4-5). Each night, I used to stay awake until the National Anthem with the National Flag was played on BTV and give salute. I watched a Television program depicting Military life. One of my uncles quipped: “The secret: Tahsin wants to become the President!”.

salute-quotes-6
My mom told me of an incident that took place when I was a baby of few months old. One day, General Ershad was delivering a speech (who was then the President). My mom was studying for her exams. I was lying right beside my maternal Grandfather. My Grandfather suddenly started praying loudly: “God, grant my wish and guide my grandson to become the President and lead the Nation.” My Grandmother called my mom, “Come! Quick! Look how your dad is praying for your son!”     

During my First grade, a serial had an enormous influence on me: “The sword of Tipu Sultan”. Tipu Sultan and Hyder Ali were my childhood heroes. The serial drew me to History. I was deeply influenced by another historical novel during 3rd / 4th Grade – “Khun Ranga Path”. Besides History, books on General Knowledge were among my favorites from an early age. My father bought me my first “General Knowledge” book (Encyclopedia) around 5. Then I discovered “General Knowledge” books (Encyclopedia) in my aunt’s house. Later, I started buying Encyclopedia myself. I used to stare at the Globe of the world and fantasize (
Grade 3 / 4). I fantasized first becoming a King of Ancient Bengal, then King of Myanmar (Burma) and later lifetime President of Kazakhstan. 

I remember playing computer games at one of our relative’s house during Fifth grade. Almost everyone around me wanted to become a Computer Engineer at that time. So I thought I should try to become one myself – a Computer Engineer. 

During my middle school years, I was a voracious reader of novels. Reading novels was the most fun activity I could think of. I could understand different writing techniques employed by novelists. Becoming a novelist, writing great novels was my dream during 7th to 10th grade (1999 – 2002). For living, I would become a Physician or Engineer or Architect. That was my plan.

During 9th / 10th grade, I made up my mind to study Medicine (there was huge encouragement from my parents) and become a Physician besides writing novels.

When I read a book on Psychology (my mom’s book on Educational Psychology from her M.Ed. course), I understood that an intense interest in the workings of the human mind was the chief reason I wanted to become a novelist. Moreover, Literature could only depict subjective human experience, but the objective theories of Psychology applied to all humans.

I thought that I could become a Physician and specialize in Psychiatry or Neurology.

Studying Psychology helped me understand the essence of Science: To understand experimentally provable General Rules that govern everything we see around us.

Studying Psychology books gave me the confidence that: I can come up with original ideas, and that I should question what is written in books.

Trying to understand the theories of Psychology in terms of my own experiences and what I see around me, made me aware of the connection between Real World and the world of Books and Theories.

As I later diversified and ventured into different branches of Science, these realizations and understandings proved invaluable.

One day, as I was preparing for my high school (11th grade) Entrance Exam (later it was decided that Entrance would be based on results of matriculation exam), a Chapter on different forms of Energy from my Physics book grabbed my attention. I thought: maybe I could work on both Psychology / Neurology and Physics. I went through my 9-10th grade Physics book. I bought and read other books (Undergraduate level Physics Textbooks, Stephen Hawkin’s A Brief History of Time and others).

I thought and wrote down my understandings and realizations. I tried to come up with new Theories myself.

Physics taught me to understand “everything” in terms of fundamental constituents and few fundamental laws that govern things we see around us.

Physics made me realize the necessity of learning Higher Mathematics.

Mathematical Olympiad was gaining popularity in Bangladesh at that time (it was 2003). I bought Books and started solving problems.

One of the books published at that time was “নিউরনে অনুরণন” (“Resonance in neurons”). The idea for the name: it’s better to create resonance in your brains’ neurons by solving Mathematical problems rather than leaving the neurons idle!

I found out: the more I worked on problems, the better I could think! My Neurons really were resonating!

My interest in Psychology helped me appreciate brain function improvement and Mathematical Problem Solving. I discovered ways of improving brain function myself.

It was an amazing realization – I could become anyone I wanted if I worked in the right way.

Other Sciences started grabbing my attention.

Psychology drew me to Neuroscience – the Biology of what happens in the mind. Physics led me to Cosmology (the study of the evolution of the Universe) and some of the books described evolution of our planet and Biological evolution. Evolutionary Biology was among my favorites.

At that point, I saw my future as a Scientist: trying to understand the truth and decode the Laws of Nature.

I became interested in Computer Science and Engineering as I read an article portraying the field of Artificial Intelligence. The article was written by Dr. Ali Asgar included in one of his popular science books (Grade 11). I bought Undergrad Texts on Artificial Intelligence and started reading.

Psychology and Neuroscience always grabbed my attention. So when I found out that there is a subfield in CS that tries to emulate intelligence on computers, I got hooked instantly. 

Later, I participated in International Mathematical Olympiad, and met people who were serious participants in programming contests and I felt that I really liked contests and competitions. Besides, computation seem to be everywhere – required in almost every branch. I could do Physics and Biology on Computers. I read an inspirational book (“Medhabi Manusher Golpo” – Prof. Dr Kaykobad) which depicted lives of eminent Computer Scientists and students of Computer Science. The choice was either Physics or Computer Science and Engineering, but my parents wouldn’t let me study Physics. Choosing Computer Science and Engineering also made sense when I considered practical aspects. I thought: I could still pursue my multi-disciplinary interests besides studying CSE at college. 

The Majors I considered at that time included: Computer Science and Engineering, Physics, Mathematics, Neuroscience, Nanotechnology / Nanoengineering & Bioengineering / Biomedical Engineering.

[If you find my life and my understandings interesting you might like Looking back and connecting the dots.]

Lets move a few years forward … During March / April 2013, I thought, I should analyze and understand and learn from and codify everything I see around me – just as I did with the sciences and engineering. I started with the political situation in Bangladesh. I wanted to figure out what would happen if I start my own Political Party. Next, I applied my analysis to other domains: Mechanical Engineering, Economics, Computer Science.

15349608_1812528449024359_1986192403384969711_n
I come across new understandings and realizations almost on a daily basis. I look forward to share my newer understandings at sometime in not too distant future: “Living to tell the tale”, truly!
16939627_1856497677960769_8334827596973863688_n

Looking back and connecting the dots

Sometimes, it seems amazing when you look back at time and try to connect the dots. I returned to America last November with a newly found interest in Biology and Business

If I find a subject area or topic interesting, I usually try to learn as much as I can from books and the Web. Then while reading, whenever I come across another topic of interest, I start following the same procedure (learn from books and the Web) for the new topic of interest – serendipity in action!


I have always been fascinated by the prospects of improving health and brain power. Previously, my idea was to invent new technologies (e.g., stem cells, genetic engineering, engineered organs etc.) for better health and more brain power. Books and ideas (e.g., Human body version 2.0) of Ray Kurzweil always inspired me. 

My interest in Biology led me to books which helped me discover that both health and brain power can be improved dramatically by natural means. Reading those books, I became aware of the benefits that a sound health can bring into your life. I incorporated a lot of health practices to my life (a lot actually – aerobic exercises and strength training, mindfulness and deep breathing, lots of blueberries and strawberries and nuts and yogurt and a whole lot of other changes in my diet, plus supplements!).

My interest in Business led me to an advice “Isolation is dangerous”. So I made myself a lot more social than I was.

Then, being social and conversing with others, I found out that I could actually think a lot better than I thought I did and I was amazed.

I was amazed at how much I had managed to learn by myself. I have never had the opportunity of learning from very good teachers or very smart peers. I had no one to guide me. I learned to guide myself.

So when I went to Bangladesh in March 2012, my inspired self returned to unsocial life and I began spending time on nerdy stuffs!

Now, I am eagerly waiting to find out where my previous experiences take me next.



Life is never this simple. I have left out a lot of details. But this is surely an outline.


(Written sometime in May-June 2012; enhancements later)
Alia Bhatt’s take on Life enhancement: