আজকের উপলব্ধিতে নাগরিক ঐক্য [০২.০১.১৫]

“দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার লক্ষ্যে অগ্রগতি

#SayNoToCorruption

৯ সদস্যের অন্তর্বর্তী কমিটিতে তারেক রহমানের সাবেক মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা বিতর্কিত আইনজীবী ব্যারিস্টার আবু সালেহ মোহাম্মদ সায়েমও রয়েছেন। যার বিরুদ্ধে মক্কেলের আবেদনে জাল ও ভূয়া কাগজপত্র সন্নিবেশ ও বিজনেস ভিসা করিয়ে দেওয়ার নামে একাধিক মক্কেলের কাছ থেকে বিরাট অংকের অর্থ আদায়সহ বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। যেসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি ২১ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের বর্ডার এজেন্সির হাতে আটকও হয়েছিলেন।

#TowardsCrimeFreeBangladesh

“অবৈধ অস্ত্র মুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার লক্ষ্যে অগ্রগতি

“অবৈধ মাদক মুক্ত বাংলাদেশ” গড়ার লক্ষ্যে অগ্রগতি

বাল্য বিবাহ ও নারী নির্যাতন বন্ধ, যৌতুক প্রথা নির্মূল সহ নারী অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় অগ্রগতি

#WomenEmpowerment

জুয়ার আসর, অশ্লীলতা বন্ধে অগ্রগতি

আন্তর্জাতিক – International Relations – Foreign Policy – Diplomacy

Related

হিন্দু – বৌদ্ধ – খ্রিস্টান – আদিবাসীসহ জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল বাংলাদেশীর অধিকার সংরক্ষণ

#MinorityRights

Hindubg_banglanews24_319017501

” ‘বাংলাদেশের সংখ্যালঘু: একটি সাধারণ পাঠ’ শিরোনামে ওই সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন মাইনরিটি রাইটস ফোরাম, বাংলাদেশের কার্যকরী সভাপতি মুকুল  রঞ্জন সিকদার

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনের সম্পাদক ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট উৎপল বিশ্বাস

সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মানস কুমার মিত্রের সভাপতিত্বে সেমিনারে বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য আরমা দত্ত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক  অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল, নাগরিক উদ্যেগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ ড. অসীম সরকার, ঢাবি পালি ও বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের  অধ্যাপক ড. বিমান চন্দ্র বড়ুয়া এবং বাংলাদেশ মতুয়া মহাসংঘের সভাপতি  সুব্রত ঠাকুর বক্তব্য দেন।” ‍

তরুণ প্রজন্ম

#YouthEmpowerment

b529af52a9555631b6109f99d0d4caf5-6 (1)

“রাজনীতি এখন একমুখী হয়ে গেছে। রাজনীতি নিজেও সংঘাতে সংঘাতে একসময় ক্লান্ত হয়ে যাবে। শক্তিহীন হয়ে যাবে। আর ধীরে ধীরে দেখবে সাধারণ জনগণের মধ্য থেকেই শুভবুদ্ধিসম্পন্ন নায়কেরা-নায়িকারা উঠে আসবে। আমি মনে করি, আমরা একটা জাতি যখন একই ভাষায় কথা বলি, একই সংস্কৃতির মানুষ, তখন একসময় না একসময় এই সমস্যার সমাধান হবেই। নিজেকে আগাতে হবে। অন্যের দিকে তাকিয়ে থাকার লোকের সারিতে নিজেকে রাখলে হবে না।

শুধু একটা কথা মাথায় রেখো, তোমাকে উঠে দাঁড়াতে হলে তুমি একাই যথেষ্ট। তোমরা উঠে দাঁড়াও। দেখো বাংলাদেশ একদিন বদলাবেই।”

– অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

social_Media_460798595

“সোস্যাল মিডিয়া আড্ডায় ফেসবুক ব্যবহারকারী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ফেসবুকের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন এলাকার সমস্যা, সম্ভাবনা, ইতিহাস, ঐতিহ্য তুলে ধরার পরামর্শ দেন।”

“উপস্থিত ছিলেন, গণফোরামের যশোর জেলা শাখার সভাপতি  প্রবীণ রাজনীতিবীদ কাজী আব্দুস শহীদ লাল, ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় পলিট ব্যুরোর সদস্য ইকবাল কবীর জাহিদ, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান মজনু, যশোর ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক শেখ রবিউল আলম, সাংস্কৃতিক সংগঠন শেকড় যশোরের সভাপতি রওশন আরা রাশু প্রমুখ।”

Kurigram_bg_980032603 (1)

Law Enforcement Agencies

আজকের উপলব্ধিতে নাগরিক ঐক্য [০১.০১.১৫]

মতামত – কলাম

1fc1e-picture-3798-1404539390

“শিশু জিহাদের বেলাতেও আমরা সেই একই ধরনের তরুণদের দেখেছি।

দুঃসময়ে তরুণদের এগিয়ে আসার সেই অসাধারণ ভূমিকা দেখে আবার মানুষের উপর বিশ্বাস ফিরে পেয়েছে। আমরা অসংখ্যবার এই বিষয়টি দেখেছি, ঠিক যখন দরকার হয়েছে তরুণেরা এগিয়ে এসেছে।

আমাদের এই তরুণ সমাজকে আমার সেল্যুট। যখন রানা প্লাজা ধসে পড়েছিল তখন আরেকবার আমরা এই তরুণ প্রজন্মের অসাধারণ ভূমিকা দেখেছিলাম।

যে দেশে আমাদের এই তরুণেরা আছে সেই দেশের মানুষের কি আলাদা করে নতুন কোনো স্বপ্ন দেখাতে হয়? এই তরুণেরাই কি আমাদের স্বপ্ন নয়?”

 

শিশু জিহাদকে উদ্ধারকারী "নাগরিক ছাত্র ঐক্য"এর যুবকদের সম্মাননা প্রদান

শিশু জিহাদকে উদ্ধারকারী “নাগরিক ছাত্র ঐক্য”এর সদস্যদের সম্মাননা প্রদান

নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম আহ্বায়ক ড. শাহদীন মালিক ও ড. আসিফ নজরুল এবং নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না

নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম আহ্বায়ক ড. শাহদীন মালিক ও ড. আসিফ নজরুল এবং নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না

আজকের উপলব্ধিতে নাগরিক ঐক্য [৩০.১২.১৪]

মতামত – কলাম

 

জেনারেল মাহবুবুর রহমান

জেনারেল মাহবুবুর রহমান

“বাংলাদেশে উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে পারেনি রাজনীতি। অগ্রগতির সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনীতি।

জাতীয় জীবনের প্রতিটি অঙ্গনে দুর্বৃত্তায়ন চলছে। যে যত বড় মাপের দুর্বৃত্ত, সে তত বড় ক্ষমতাবান।

দুর্বৃত্তরা আজ বাংলাদেশের নদী, নদীতে পড়া চর, নদীর বালুতট, তার তলদেশ, পাহাড়, বন, শ্মশানঘাট, কবরস্থান—সর্বস্ব খেয়ে চলেছে। এরাই আদিবাসীদের সর্বস্ব লুণ্ঠন করে ভিটেছাড়া করে। বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানদের উপাসনালয়ে দেব-দেবীর প্রতিমা, যিশু-মেরির মূর্তি তারা ভেঙে চূর্ণ করে। আমি রামু, কক্সবাজার, নীলায় তাদের বীভৎস ত্রাস দেখেছি। বৌদ্ধমন্দির তছনছ করতে দেখেছি।

বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ছিলেন পরম শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি। ১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন। এক রাজনৈতিক ও অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নান্দনিক নির্বাচন তিনি উপহার দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, রাষ্ট্র আজ বাজিকরদের হাতে চলে গেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আহূত … তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে তাঁর সাত বিলিয়ন ডলার (৫৬ হাজার কোটি টাকা) গচ্ছিত আছে

দেশ থেকে অর্থ পাচার হয়ে গেছে লাখ লাখ কোটি কোটি। … শেয়ারবাজারে, ডেসটিনি, হল-মার্ক, বিসমিল্লাহ গ্রুপে, বেসিক ব্যাংকে দুর্নীতির একেকটি মহা উপাখ্যান রচিত হয়েছে। ব্যাংকের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা গোটা জাতীয় আর্থিক ব্যবস্থাকে ভেঙে দিয়েছে।

২০০৫ সালে একটি পার্লামেন্টারি ডেলিগেশনে কানাডা সফরে সুযোগ হয়েছিল কানাডার পার্লামেন্ট অধিবেশন দেখার। সংসদে সরকারের অর্থ কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কনজারভেটিভ পার্টির দলনেতা স্টিফেন হারপার অত্যন্ত জোরালো দীর্ঘ বক্তব্য আমি শুনেছিলাম। রাজধানী অটোয়ায় তখনই গুঞ্জন উঠেছিল সরকার টিকবে না। আমার ঢাকা প্রত্যাবর্তনের আগেই মার্টিন সরকারের পতন ঘটে। পরবর্তী নির্বাচনে স্টিফেন হারপার সরকার গঠন করেন ও প্রধানমন্ত্রী হন। এখনো তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী।

২০১৫ সাল সমাগত। নতুন বছরকে স্বাগত জানাই। এ দুর্ভাগা দেশ থেকে সব অপমানের গ্লানি অপসৃত হোক। সব মানুষ দল-মত-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে একত্রে মিলিত হোক। সব আত্মা, সব প্রাণ এক হোক।
দুর্ভাগা দেশ থেকে অপসারিত হোক দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তের দুই জগদ্দল পাথর।”

 

689ae-discussion_bg_569181702

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম. সাখাওয়াত হোসেন (নাগরিক ঐক্যের আলোচনা – সভা)

“প্রধান দুটি বিষয়ঃ

এক. দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা,

দুই. দলের অর্থায়ন

দেশের বৃহত্তর দল দুটির মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চার একান্ত অভাব রয়েছে। আওয়ামী লীগের মধ্যে গঠনতন্ত্র রক্ষার জন্য সামান্য আলোচনা হলেও বিএনপিতে এ বিষয়ে তাদের গঠনতন্ত্র তেমন সুবিন্যাসিত নয়।

বাংলাদেশের কোনো দলেই ভাঙন ব্যতিরেকে গত ৩০ বছরে দলের শীর্ষ পর্যায়ে তো নয়ই, এমনকি তৃণমূল পর্যায়েও কোথাও নেতার পরিবর্তন হয়েছে বলে জানা যায়নি।

দলের অভ্যন্তরের গণতন্ত্র নিয়ে পণ্ডিত ব্যক্তিদের যেসব গবেষণা রয়েছে, তাতে দুটি প্রধান উপাদানের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এর একটি বহুমাত্রিক, অন্যটি বিকেন্দ্রীকরণ।

বহুমাত্রিকের ব্যাখ্যায় যা প্রতীয়মান, তা হলো দলের ভেতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বলয়টি কতখানি বিস্তৃত, যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সর্বজনবিদিত হতে হয় এবং নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কিছুটা কেন্দ্রিক হতে হয়। বিকেন্দ্রীকরণের বিষয়টি নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে পার্টি, পার্টি-সমর্থক ও বিভিন্ন জনজীবনের মানুষের চিন্তাধারার সংমিশ্রণ হয়ে থাকে।

আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রে জাতীয় সম্মেলন বা কাউন্সিলের জন্য তিন বছর সময় নির্ধারিত থাকলেও বিএনপির সাংগঠনিক গঠনতন্ত্রে এমন বাধ্যবাধকতা নেই। ২০০৯ সালের আগে বহু বছর দুই দলের জাতীয় কাউন্সিলে সমাবেশই হয়নি।

পার্টির অভ্যন্তরে গণতন্ত্র নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব কার বা কোন প্রতিষ্ঠানের? … হতে পারে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা দ্বারা নিশ্চিতকরণ।

পার্টির অভ্যন্তরের গণতন্ত্রের অন্যতম উপাদান পার্টির তথা জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য প্রার্থী মনোনয়নের পদ্ধতি। এ পদ্ধতি হতে হবে প্রতিনিধিত্বমূলক এবং প্রতিযোগিতামূলক, যেখানে তৃণমূল পর্যায়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা প্রতিফলিত হবে। প্রায় সব দেশেই প্রাথমিক নির্বাচনের মাধ্যমে নমিনেশনের জন্য প্রার্থী বাছাই করা হয়।”

 

আর্টিকেলস

 

“নাগরিক শক্তির যে কোন সদস্য দলের মেম্বার থেকে ধীরে ধীরে নিজ যোগ্যতায় শীর্ষপদে যেতে পারবেন এবং জনগণের মান্ডেট নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারবেন।  

ছেলেবেলায় যিনি জীবিকার তাগিদে পড়াশোনার পাশাপাশি চা বিক্রি করতেন – সেই নরেন্দ্র মোদী এবছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন।
ভবিষ্যতের কোন এক সময় বাংলাদেশেও অনুরূপ কাহিনী রচিত হবে।
দলের প্রতিটি পর্যায়ে গণতন্ত্রের চর্চা থাকবে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।
নির্দিষ্ট সময় অন্তর দলের প্রতিটি পদের জন্য দলের অভ্যন্তরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং নির্বাচনে জয়ী হয়ে নেতারা ধীরে ধীরে দলে উপরের দিকে উঠে আসবেন।
পারিবারিকভাবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব দখল করে রাখার সংস্কৃতির অবসান ঘটবে।
নির্বাচনের ব্যয়ভার দলীয়ভাবে বহন করা হবে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক সাংসদ তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ, মাহী বি. চৌধুরী, ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থদের মত আদর্শবান তরুণ নেতারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
আমরা আদর্শবান দক্ষ যোগ্য তরুণ নেতাদের দেখতে চাই।
সম্ভবনাময় তরুণ নেতাদের প্রজেক্টারে প্রেসেন্টেশানের সুযোগ দেওয়া হবে। ইন্টারভিউ নেওয়া হবে। সময় নিয়ে লিডারশীপ স্কিলস ডেভেলাপ করা হবে। নাগরিক সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিরা এবং প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদরা তত্ত্বাবধানে থাকবেন।

তবে নির্বাচনের আগে তৃণমূল থেকে নাম প্রস্তাব হতে হবে। জনপ্রিয়তা গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করে দেখা হবে।”

By tahsinversion2 Posted in Nagorik

Reform & Development of Power Sector in Bangladesh

Reform & Development of Power Sector in Bangladesh

বিদ্যুৎ খাতের সংস্কার এবং উন্নয়ন 

Area of Expertise: #EnergyAndPower

বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে

  • দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি (যেমন – রামপাল [2] [3] )

বা

  • দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতিকর প্রভাব বিবেচনা না করে তড়িঘড়ি করে বড় চুক্তিতে যাওয়া (যেমন – নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন)

– না করে

এখনই কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে:

  • আমাদের existing power plants গুলোর efficiency বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ শুরু করতে হবে।
  • “বিদ্যুৎ চুরি”-র বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে [1]।   
  • “সিস্টেম লস” – কমানোর লক্ষ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে [1]। 
  • বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে [1]
  • নির্মাণাধীন প্ল্যান্টগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। 
  • গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর যন্ত্রপাতির সংস্কার করে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা ৫০% এর বেশি বাড়ানো সম্ভব। এজন্য এক হিসেব মতে খরচ হবে আনুমানিক ৫০০০ কোটি টাকা – যা World Bank এবং এডিবি (ADB) দিতে প্রস্তুত।

টেকনিক্যাল কাজগুলোতে বিদেশী Expertise এর উপর নির্ভরতা আমাদের কমাতে হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষম বাংলাদেশী “Large Scale Engineering” Corporation আমি গড়ে তুলবো।
 

কিছুদিন পর 

  • দেশে রিকশা এবং সাইকেলের চাকার ঘূর্ণনে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। 
  • বন্যার পানি রূপান্তরিত হবে বিদ্যুতে। 

Renewable Energy Sector এ বাংলাদেশ হবে বিশ্বের মডেল।

  • Nuclear Power Plant গড়ে তোলায় সক্ষম – বাংলাদেশী “Large Scale Engineering” কর্পোরেশান আমি গড়ে তুলবো।

সরকারি প্রকল্প এবং দুর্নীতি  #SayNoToCorruption

আমাদের দেশে মন্ত্রী – সাংসদ – ক্ষমতাসীনরা এক একটি বড় প্রজেক্টকেবিশাল আকারের দুর্নীতি করার এক একটি সুযোগ বলে বিবেচনা করেন। দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বিবেচনা না করে অনেক সময় তড়িঘরি করে অনেক প্রকল্প হাতে নেন – শুধুমাত্র – দুর্নীতি করার লক্ষ্যে। পদ্মা সেতু দুর্নীতি – এর অন্যতম উদাহরণ।

বিদ্যুৎ খাতে বড় আকারের দুর্নীতি হয়েছে – কুইক রেন্টাল প্রকল্পে

শিল্প ব্যবসায়ীরা শিল্প পরিচালনার জন্য বিদ্যুতের জন্য মুখিয়ে থাকেন। এই চাহিদাকে – দুর্নীতিপরায়ণ রাজনীতিবিদরা দুর্নীতি করার সুযোগ বলে বিবেচনা করেন। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে –  বিদ্যুৎ খাতে এমনটা যেন আর না ঘটে।

আবার – বিদেশী শক্তির সমর্থন লাভের লক্ষ্যে – দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে – বিদ্যুৎ প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে কিনা – সেদিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখা বাঞ্ছনীয়।

শিল্প ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তা (Entrepreneur) দের পরিমিত বিদ্যুৎ (এবং গ্যাস) দিতে পারলে – দেশে বড় ধরণের শিল্প বিপ্লব (Industrial Revolution) ঘটবে।

References

“এক শিল্পপতি ১০ বছরে সাত কোটি টাকা বিল বকেয়া রেখে হ্রাস করার কৌশল খুঁজছেন। আবার কোনো কোনো শিল্পগ্রাহক বিরাট অঙ্কের বকেয়া রেখে আত্মরক্ষার্থে মামলা দিয়ে চোরাপথে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। পুরান ঢাকায় দস্যুতা স্টাইলে রাতে ‘হুকিং’-প্রক্রিয়ায় কিছু কিছু কারখানায় বিদ্যুৎ চুরি ঘটছে।

সাম্প্রতিক কালে এক্সপ্রেস ফিডার, অত্যাধুনিক ডিজিটাল মিটার, প্রি-পেইড মিটার ইত্যাদি প্রবর্তনের ফলে বিদ্যুৎ সেক্টরে দুর্নীতির ঘটনা অনেকাংশে হ্রাস পেলেও গ্রাহক পর্যায়ে চুরি/রাজস্ব ফাঁকির মানসিকতা পুরোপুরি দূর হয়নি। ডিপিডিসির সিস্টেম লস ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ছিল ২০ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।”

আজকের উপলব্ধিতে নাগরিক ঐক্য [২৫.১২.১৪]

আলোচনা সভা – সমাবেশ – উদ্যোগ 

575ca-yunus_bg_862910894

“নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘সামাজিক ব্যবসা হচ্ছে পরহিতকর ব্যবসা, সমাজহিতকর ব্যবসা, যেখানে আমরা সমাজের অংশ হিসেবে সমাজের মঙ্গলের জন্য নিঃস্বার্থতার ভিত্তিতে কাজ করি।

আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সামাজিক ব্যবসা নিয়ে মতবিনিময় সভায় ড. ইউনূস এসব কথা বলেন। মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন চিটাগাং সোশ্যাল বিজনেস সেন্টারের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহাম্মদ সিকান্দার খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমির হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, মতবিনিময় সভা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক এম এ মালেক প্রমুখ।

ড. ইউনূস তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, সামাজিক ব্যবসায় দুটি জিনিস জরুরি। সৃজনশীলতা এবং ব্যবসায়িক ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান।

গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, তাদের বেশির ভাগ ছেলেমেয়ে রাতের বেলায় চোখে দেখে না। … এর প্রতিকারের জন্য তাদের ভিটামিন “এ” খাওয়াতে হবে। সবজি খেলে সে ঘাটতি পূরণ হবে। … গ্রামীণের লোকজন বিভিন্ন এলাকায় যাওয়ার সময় সঙ্গে করে বীজ নিয়ে যান। ফলে এটা পরিবহনের বাড়তি ঝক্কি পোহাতে হয়নি। … ছেলেমেয়েদের অন্ধত্বের সমস্যারও সমাধান হলো।

সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে চারটি চক্ষু হাসপাতাল

সামাজিক ব্যবসার নীতি অনুসরণ করে ঢাকায় গড়ে তোলা হয়েছে একটি নার্সিং কলেজ এবং র‌্যাংগস ও জাপানি একটি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় গড়ে তোলার প্রস্তুতি চলছে অটোমেকানিক ট্রেনিং স্কুল। গ্রামীণ ব্যাংকের শিক্ষা ঋণ নিয়ে নার্সিং কলেজে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। চাকরি পেয়ে তারা বেতনের এক-চতুর্থাংশ প্রদান করে ঋণ পরিশোধ করে দিচ্ছে।

ইতিমধ্যে পাঁচ শতাধিক নবীন উদ্যোক্তা সামাজিক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। ব্যবসায়িক চাহিদা অনুযায়ী তিন লাখ, পাঁচ লাখ, দশ লাখ টাকা করে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ের পর শুধু মূল টাকাটা ফিরিয়ে দিলেই চলবে। এদের ব্যবসায়িক বিভিন্ন বিষয়ে নজরদারি হিসেবে প্রতিদিনের জমা-খরচের পাঁচটি তথ্য মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংককে জানানোর বিধান রয়েছে।

বর্তমানে ভারত, কলম্বিয়া, হাইতি, ব্রাজিল, তিউনিসিয়া, উগান্ডা প্রভৃতি দেশে সামাজিক ব্যবসা চালু রয়েছে … আমার সহযোগিতা চাইলে বিশ্বখ্যাত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই উৎপাদনকারী কানাডার মিখখেইন কোম্পানির সহযোগিতায় কলম্বিয়ায় সামাজিক ব্যবসার নীতি অনুসরণ করে কফি-শ্রমিকদের আলু উৎপাদনে নিয়োজিত করা হয়। এর ফলে দ্রুত পাল্টে যায় এসব মানুষের জীবনচিত্র।”

 

 

বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার ও স্বর্ণ চোরাচালান রোধ

fe2bececc6ddbd6b154c0550e904b03d-40

রাজধানীর পল্টন এলাকার একটি বাসায় শুল্ক গোয়েন্দা ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আজ অভিযান চালিয়ে সোনার বার ও বিদেশি মুদ্রাসহ বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার করে।

Economics

2dba8-2582de52319c506a7beef173f47dfd5e-p-10-1

Nobel Laureate Dr. Joseph E. Stiglitz

Related

 

আজকের উপলব্ধিতে নাগরিক ঐক্য [২২.১২.১৪]

নাগরিক ঐক্যের সাথে আমরা যারা আছি – আমাদের রাজনীতির পাশাপাশি নিজেদের পড়াশোনা – কাজও ধরে রাখতে হবে।
 

আমাদের ডাঃ ইমরান এইচ. সরকার যখন প্রচারণা চালাতে দেশের আনাচে কানাচে যাবেন – তখন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষদের চিকিৎসা সেবাও দেবেন।
 

আমাদের জোনায়েদ সাকি – সমাবেশ থেকে ফিরে – রাজনৈতিক, গণতান্ত্রিক এবং অর্থনৈতিক তত্ত্ব প্রয়োগ করে – জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন নিয়ে নতুন নতুন কাজ প্রকাশ করবেন।
By tahsinversion2 Posted in Nagorik

নাগরিক শক্তির নির্বাচনী ইশতেহারের (Election Manifesto) রূপরেখা

নাগরিক শক্তির নির্বাচনী ইশতেহারের রূপরেখা:

  • শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটা মানুষ তার সুপ্ত ক্ষমতাকে জাগিয়ে তুলে এক একটা বিশাল শক্তি হয়ে উঠতে পারে শিক্ষার মাধ্যমে। জ্ঞান আর মেধা দিয়ে জীবনে সবকিছু অর্জন করা যায়। যে কেউ প্রায় যে কোন বয়সে সঠিকভাবে চেষ্টা করলে নিজের স্বপ্ন-লক্ষ্য অর্জন করতে পারে – এই বিশ্বাসটা সবার মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে। মানুষগুলোকে জাগিয়ে তুলতে পারলে আর কিছু লাগবে না। (শিক্ষা শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না, আমরা চাইলে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে চারপাশ থেকে শিখতে পারি।) ইতিহাসের যে কোন সময়ের তুলনায় নিজেকে উপরে তোলার সুযোগও সবচেয়ে বেশি আমাদের প্রজন্মের। আধুনিক প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন আমাদের হাতে দিয়েছে অনন্য সব আবিষ্কার – মানুষ এখন যে কোন প্রান্তে বসে যে কোন কিছু শিখতে পারে, যে কারও সাথে যোগাযোগ করতে পারে, কোটি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, কাজ করতে পারে, পারে আয় রোজগার করতে।
  • দেশের ৫০ ভাগ মানুষের বয়স ২৩ বা তার কম। এই বিশাল তরুণ প্রজন্মকে, যারা কর্মক্ষেত্রের জন্য নিজেদের তৈরি করছে, তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে গড়ে তোলা হবে (এবং সাথে বাবসা বান্ধব, বিনিয়োগ বান্ধব, উদ্যোক্তা বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা লক্ষ লক্ষ তরুনের জন্য) যাতে তারা নিজেদেরকে এবং দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। (একটা সামগ্রিক পরিকল্পনা – কত হাজার তরুনের শিক্ষা, দক্ষতা কোথায়, তাদের কর্মসংস্থান / উদ্যোগ কিরকম হতে পারে।)
  • বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূচকে (মাথাপিছু আয়, জিডিপি প্রবৃদ্ধি, দুর্নীতি হ্রাস ইত্যাদি) উন্নতিকে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নেওয়া হবে। কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার উল্লেখ থাকবে ইশতেহারে। বিভিন্ন সূচকে উন্নতিকে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নিয়ে কর্ম পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হবে –
    • জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারকে যত দ্রুত সম্ভব ৮% এ উন্নীত করা হবে এবং লক্ষ্য অর্জিত হলে ১০% কে লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে নেওয়া হবে।
    • মাথাপিছু আয়ের দিক দিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লক্ষ্য থাকবে।
    • দুর্নীতি দমন সূচকে ব্যাপক উন্নতি আনা হবে।
    • অপরাধ শক্তভাবে দমন করে বিভিন্ন অপরাধ দমন সূচকে উন্নতি ঘটানো হবে।
    • বিভিন্ন সামাজিক সূচকে (যেমন শিক্ষা, শিশু মৃত্যু হার, আয়ুষ্কাল ইত্যাদি) লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা হবে।
    • নিজেদের মানদণ্ডে নিজেদের সাফল্য, অপরের বার্থতার প্রচার নয়, বরং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডই সাফল্য – বার্থতার মূল্যায়ন করবে।
  • ব্যবসা বান্ধব, বিনিয়োগ বান্ধব, উদ্যোক্তা বান্ধব, শিল্প বান্ধব নীতিমালা প্রনয়ন এবং বাস্তবায়ন।
    • অর্থনীতিবিদদের নেতৃত্বে “ন্যাশনাল ইকোনমিক অ্যান্ড প্ল্যানিং কাউন্সিল” গঠন। অর্থনীতিবিদদের নেতৃত্বে এই কাউন্সিলে যোগ দেবেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, শিল্প বাবসায়ি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি বাবসায়ি, প্রকৌশলী, নগর পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি, পরিসংখ্যানবিদ, কৃষক এবং শ্রমিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
    • উন্নত অবকাঠামো তৈরি + জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ + রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা > অধিকতর বিনিয়োগ > জিডিপি প্রবৃদ্ধি।
    • দেশের জনগণকে ভয় দেখিয়ে, “জ্বালাও – পোড়াও” চালিয়ে, জানমালের ক্ষতি করে অর্থনীতির জন্য চরমভাবে ক্ষতিকর হরতাল পালনে কেউ যাতে বাধ্য করতে না পারে – সে লক্ষ্যে কঠোর বাবস্থা।
    • উদ্যোক্তাদের নতুন বাবসা শুরু করার প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য বাবস্থা গ্রহণ – সমস্যাগুলো সমাধান করা। উদ্যোক্তাদের জন্য ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, ইঙ্কিউবেটার ফার্ম প্রতিষ্ঠায় সহায়তা
    • আইসিটি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই খাতের বিকাশে সামগ্রিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন। দক্ষ আইসিটি পেশাজীবী, উদ্যোক্তা গড়ে তোলা, সারা দেশে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ছড়িয়ে দেওয়া, আইসিটি ভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে দূরদর্শী পরিকল্পনা হাতে নেওয়া।
    • বিভিন্ন সম্ভাবনাময় শিল্প (শিপ বিল্ডিং, পর্যটন শিল্প প্রভৃতি) কে চিহ্নিতকরণ, অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ, ক্ষেত্র সংশ্লিষ্ট সমস্যা সমাধান এবং বাস্তবায়ন।
    • বাংলাদেশকে বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির অফশোরিং এর কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন – অবকাঠামো, জ্বালানি, দক্ষ কর্মী, কূটনৈতিক উদ্যোগ, বিশ্বব্যাপী মার্কেটিং।
    • ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পের বাবসায়িদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া
    • শেয়ারবাজার নিয়ে কেউ যাতে কারসাজি করতে না পারে সেই লক্ষ্যে বাবস্থা গ্রহণ। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারিদের আস্থা ফিরিয়ে আনা। কোম্পানির মূল্যমান নির্ধারণে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করা।
    • ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর বাবস্থা। ব্যাংক পরিচালনায় স্বচ্ছতা আনা। দেশের ফাইনান্সিয়াল সিস্টেমকে ঢেলে সাজানো।
    • বিভিন্ন সমস্যা (যেমন ঢাকার যানজট সমস্যা) নিরসনে সৃজনশীল কার্যকরী উদ্যোগ নেওয়া।
    • শিল্পের বিকাশে (যেমন – শুল্ক মুক্ত প্রবেশাধিকার ইত্যাদি) কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা, কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া।
    • দেশের প্রকৌশলীরা বিভিন্ন শিল্পে উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে আত্মনিয়োগ করবেন। তাদের উন্নত প্রশিক্ষনের বাবস্থা করা।
  • দীর্ঘ মেয়াদি এবং স্বল্প মেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়ে বাজেট এ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ দেওয়া এবং বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ – বিভিন্ন মন্ত্রনালয়, স্থানীয় সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কর আদায়ে স্বচ্ছতা আনা। শুল্ক নির্ধারণে বেক্তি স্বার্থ নয়, বরং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া। যেমন সিগারেট আমদানির উপর শুল্ক বাড়ানো, কম্পিউটার এবং অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের আমদানির উপর শুল্ক কমানো ইত্যাদি। কাস্টমসের দুর্নীতি বন্ধ করা।
  • বিভিন্ন মন্ত্রনালয় এবং স্থানিয় সরকারে বরাদ্দকৃত অর্থ পরিকল্পনা মাফিক ব্যয় নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া, প্রশিক্ষণ দেওয়া। অনিয়ম তদারক করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সচিবালয়ের আধুনিকায়ন, কার্যকারিতা বাড়ানো।
  • শিক্ষাবিদদের পরামর্শের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী – অভিভাবকদের মতামত নিয়ে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষাবাবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে আমূল সংস্কার আনা হবে।
    • শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেরা শিখবে।
    • পরীক্ষা পদ্ধতি, মূল্যায়ন পদ্ধতিতে সংস্কার আনা হবে। সৃজনশীল এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগ নির্ভর শিক্ষাবাবস্থা গড়ে তোলা হবে।
    • শিক্ষার্থীরা মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। বিভিন্ন অলিম্পিয়াড, প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে মেধাবী জাতি গড়ে তোলা হবে।
    • বাংলাদেশে বিশ্বমানের কয়েকটা বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় – ইন্ডাস্ট্রি এর মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তোলা হবে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি প্রদানে স্বচ্ছতা আনা হবে – ন্যূনতম মান নিশ্চিত করা হবে।
    • উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম যাতে অপরাজনীতির কারণে বাঁধাগ্রস্থ না হয় সে ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমরা শিক্ষাঙ্গনে সুস্থ রাজনীতির চর্চা, উদ্ভাবনী উদ্যোগ দেখতে চাই – ছাত্রছাত্রীরা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে, মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দল বেঁধে কাজ করবে।
    • মাদ্রাসা শিক্ষাবাবস্থার সংস্কার (সবার মতামতের ভিত্তিতে) – আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান অন্তর্ভুক্তিকরন – যাতে তারা মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, বাবসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও বেশি সুযোগ পায়।
  • দলীয় পরিচয়ের উরধে উঠে সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ বিচারের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের সাজা দেওয়া হবে এবং জাতিকে গ্লানিমুক্ত করা হবে। এরপর সমগ্র জাতি ঐক্যবদ্ধ হবে।
  • সবরকম অপরাধ শক্ত হাতে দমন করা হবে। অপরাধ হারে ব্যাপক হ্রাস আনা হবে। অপরাধী যত বড় হোক, আর অপরাধ যত ছোট হোক না কেন – অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
    • আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সরকারি প্রভাবমুক্ত করা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং আধুনিক বিজ্ঞান (ফরেনসিক, ডিএনএ টেস্ট ইত্যাদি) সমৃদ্ধ করা, বেতন ভাতাবৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘুষ – দুর্নীতি বন্ধ, উন্নত প্রশিক্ষন, পুরস্কার প্রবর্তন।
    • তদন্ত নিরেপেক্ষ এবং প্রভাবমুক্ত থেকে শেষ করা।
    • শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন এবং দলীয় রাজনীতির প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগ।
    • বিচারে দীর্ঘ সূত্রিতা দূর করা হবে।
    • মাদকের বিস্তার রোধে কঠোর বাবস্থা। দেশে মাদকের প্রবেশ প্রবেশপথেই থামিয়ে দেওয়া হবে
    • সাইবার ক্রাইম রোধে কঠোর বাবস্থা নেওয়া হবে। দেশে এখন অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ সরিয়ে ফেলা, ওয়েবসাইট সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট hack করা, কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, গুজব রটিয়ে সহিংসতা ছড়ানো এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে আঘাত করার কাজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ব্যবহার থেকে শুরু করে অনেক রকম সাইবার ক্রাইম ঘটছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিতে উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সিকিউরিটি, ডিজিটাল ফরেন্সিকে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশী বিশেষজ্ঞদের কন্সালটান্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে। কিন্তু জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বন্ধ করা হবে।
    • জনগণ অপরাধ এবং অপরাধীকে সামাজিকভাবে বয়কট / প্রতিহত করবে, ঘৃণার চোখে দেখবে।
  • জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
    • ২০০১ নির্বাচন উত্তর সংখ্যালঘু নির্যাতন, রামু, পটিয়া, অন্যান্য হামলা এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনকালীন হামলাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশে চিরদিনের জন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত করা হবে।
    • কোন নির্দিষ্ট জাতি, ধর্ম, বর্ণের মানুষের উপর গুজব রটিয়ে বা অন্য কোন উপায়ে কোন রকম অন্যায় করা হলে, দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে আঘাত এলে, তদন্ত করে দায়ি বাক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
    • দেশের জনগণ একতাবদ্ধ থেকে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
  • দুর্নীতি দমন কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, নির্বাচন কমিশন, আইন বিভাগকে (বিচারপতি এবং আইনজ্ঞদের পরামর্শ অনুসারে) সরকারি প্রভাবমুক্ত করে স্বাধীন, শক্তিশালী করে গড়ে তোলা হবে।
  • দেশের রাজনীতিতে গুনগত পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে সবার মতামত, পরামর্শ নিয়ে শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ এবং বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য রেখে, কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় সরকারের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টনের বিধান রেখে সংবিধানে সংশোধন আনা হবে।
  • আমাদের গৌরব বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এবং বাংলাদেশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ মিশনে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া একমাত্র নাগরিক শক্তির পক্ষেই সম্ভব।
    • বাংলাদেশ সেনা, বিমান ও নৌ বাহিনীর সদস্যরা দেশের এবং বিদেশের বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজমেন্ট এবং এক্সিকিউটিভ পদে কর্মরত আছেন। বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানও ম্যানেজমেন্ট এবং এক্সিকিউটিভ পদগুলোর জন্য বাংলাদেশ সেনা, বিমান ও নৌ বাহিনীর সদস্যদের অগ্রাধিকার দেয় – সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য। বাংলাদেশ সেনা, বিমান ও নৌ বাহিনীর সদস্যদের জন্য একবিংশ শতাব্দীর ম্যানেজমেন্ট (Management) প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। 
  • শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণ
  • প্রবাসে কর্মসংস্থান 
    • শ্রমিক রপ্তানি বাড়াতে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে।
    • আন্তর্জাতিক চাহিদা বিবেচনায় নি্রয়ে দক্ষ শ্রমিক, দক্ষ কর্মী গড়ে তোলা হবে।
    • প্রবাসে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলো থেকে প্রবাসীদের সমস্যা আন্তরিকতার সাথে সমাধান করা হবে।
  • উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে জনগণকে সম্পৃক্ত করা। জনগণের জন্য প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেওয়া যাতে তারা বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে পারে।
  • গ্রামের উন্নয়ন 
    • শিক্ষায় সাফল্য, স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান, তথ্য প্রযুক্তির বিকাশ, কৃষিতে উদ্ভাবন ইত্যাদি ক্ষেত্রে গ্রামে গ্রামে প্রতিযোগিতা শুরু করা যায়। বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে সেরা গ্রাম, সেরা উদ্যোক্তা ইত্যাদি নির্বাচন করা যায়। (প্রত্যেক গ্রামের মানুষ নিজের গ্রাম, নিজের ইউনিয়ন, নিজের থানা নিয়ে গর্ব করে।) এতে গ্রামের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
    • বিভিন্ন সামাজিক সূচকে উন্নতির লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে কর্ম পরিকল্পনা হাতে নেওয়া।
  • কৃষি ও কৃষক সমাজের উন্নয়ন
  • স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন
    • স্বাস্থ্য যত ভাল, রোগ-বালাই যত কম, জনগণের সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতাও তত বেশি।
    • গ্রামে গ্রামে স্বাস্থ্যকর্মী।
    • স্বাস্থ্যখাতে প্রযুক্তির ব্যবহার
  • নারী অধিকার সংরক্ষণ এবং নারীদের ক্ষমতায়ন  
    • নারী নির্যাতন, যৌতুক, বাল্য বিবাহ এর মত সামাজিক সমস্যাগুলোকে শক্তভাবে দমন করা
    • নারী অধিকার সংরক্ষণে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি।
    • গ্রামের নারীরা যাতে আইনি সহায়তা পায় – সেই লক্ষ্যে বাবস্থা।
  • দারিদ্র বিমোচন
    • সরকারি পরিকল্পনা
    • এনজিওগুলো যাতে দেশের দারিদ্র বিমোচনে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে কাজ করতে পারে – সেই পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাবস্থা নেওয়া। এনজিওগুলোর কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা আনা।
    • দারিদ্র্য দূরীকরণে এবং মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সামাজিক এন্টারপ্রাইস প্রতিষ্ঠা।
  • জনগণের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করা হবে। শিল্পের বিকাশ এবং উদ্যোক্তা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখে এবং ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে করে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা, নতুন উৎস থেকে তুলনামূলকভাবে স্বল্প ব্যয়ে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।
  • ন্যায়ভিত্তিক সমাজবাবস্থা প্রতিষ্ঠা – সৎ এবং ন্যায়ের পথে থেকে চেষ্টা করলে জীবনে যে কোন কিছু অর্জন করা যায় এবং অন্যায় করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে – এই বোধ জাগ্রত করা হবে।

Follow-ups / Influence at Work

Links (লিঙ্কস)

 

 
 
High Speed Rail (Someday will have “Made in Bangladesh” 
marked on it”)
 
High Speed Rail
Satellite (Someday will have “Made in Bangladesh” 
marked on it)
Satellite

 

 

  

Aircraft (Soon to be : “Made in Bangladesh”)
Aircraft Manufacturing