প্রিন্সেস শামিতা তাহসিনকে লেখা চিঠি – ২৮

Japanese Prime Minister Shinzo Abe, Indian Prime Minister Narendra Modi – এরা এক বছর আগেও আমাকে দেখত – Bangladesh Politics এর “Rising Star” হিসেবে – তৃণমূল (Grassroots) থেকে উঠে আসা একজন!

Western World আর Latin America তে আমার Influence বাদ-ই দিলাম – Bangladesh -এও আমার Influence পুরোপুরি জানত না!

আমাকে দেখা হত – Grassroots থেকে উঠে আসা একজন Leader!

Mr. Abe আর Mr. Modi দুইজন-ই drawn হয়েছে “শুধু” আমার লেখা পড়ে। 

লেখা দিয়ে Heart-এ পৌঁছেছি। 

আর President Xi Jinping আমার কথা প্রথম জেনেছে Family-র একজনের কাছ থেকে!

[04.13.15]

Letter to Princess Shamita Tahsin – 26 [Blessings]

Blessings  #StoriesOfMyLife

God আমাকে এত blessed করেছেন!

1. অল্প বয়সী একটা Face দিয়েছেন। দেখলে সবাই ভাবে, ছোট্ট একটা ছেলে! দ্রুত পছন্দ করে ফেলে!

এক একজন এক এক কারণে আমার দিকে drawn হয় – কিন্তু সবাই-ই হয় – Family’র একজন বলে ভাবতে ইচ্ছা করে সবার!

Blessings!

পৃথিবীর প্রত্যেক মানুষ জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে আমাকে মেনে চলবে – ঐ পর্যায়ে পৌঁছার জন্য এখন সবার কাছে প্রিয় হওয়া দরকার।

2. অসাধারণ মেধা আর জ্ঞান দিয়েছেন:

2.1 মানুষের যেটুকু জানা সম্ভব – পুরোটাই আমি ধীরে ধীরে জানবো। সবাইকে জানাবো।

2.2 আমি “সব কিছু” একসাথে দেখতে পারি।

একটা মানুষ কোন step নিলে – পৃথিবীর উপর তার কি কি প্রভাব পড়বে – আমি calculate করতে পারি [ব্যাপারটা কিরকম দেখতে চাইলেঃ Quantitative methods in Urban Planning]।

পুরো পৃথিবীর একটা “Model” ধীরে ধীরে আমার মাথায় তৈরি হচ্ছে।

ধর, বাংলাদেশের রাজনীতি।

সবাই দেখে, আজকে “ক”, “খ” কাজটা করলো।

=>  আমি “পুরো বাংলাদেশ (Space)” “দীর্ঘমেয়াদে (Time)” একসাথে দেখি।

সবাই: কোন ঘটনায় আজকে উত্তেজিত, আবার পরের দিন অন্য কোন ঘটনায় হতাশ।

=>  আমি সবসময় steady – আমি জানি, কি ঘটবে।

Ultimately কি ঘটবে – আমি জানি!

আমি “ক” এর শুধু “খ” কাজটা দেখি না –

আমি সবকিছু একসাথে (Space) দেখি।

আমি দীর্ঘমেয়াদে (Time) দেখি।

সব ঘটনার Context-এ “ক”র কাজ, “গ”র কাজ, … সবকিছু মিলে কোন দিকে যাচ্ছে – দেখতে পাই।

ধর, কেউ “উপর” থেকে দেখছে – বাংলাদেশে কি হচ্ছে না হচ্ছে। সবকিছু-ই দেখছে। কি ঘটছে, কোনটা কেন ঘটছে, বিভিন্ন ঘটনা কিভাবে related – সব।

আমার Viewpoint অনেকটা ওরকম।

3. অসাধারণ ক্ষমতা (Power) অর্জনের পথ করে দিয়েছেনঃ

3.1 Spiritual Power: পৃথিবীর কোন “বালুকণা”ও – আমার permission ছাড়া নড়তে পারবে না – Spiritual ক্ষমতার দিক দিয়ে আমি ধীরে ধীরে ওদিকে যাচ্ছি। God আমার জন্য পথ তৈরি করে দিয়েছেন। Jesus বলেছিল “All power is given unto me in Heaven and Earth” (Matthew 28:18) – ওরকম [2]। পুরো পৃথিবীর উপর একাধিপত্য।

[ জ্ঞান অর্জনের যেমন উপায় আছে – Spiritual ক্ষমতা অর্জনেরও পথ আছে। Mystics, Occultists-দের কেউ কেউ কিছু ক্ষমতা অর্জন করেছেন। কিন্তু God সবসময় protection দিয়ে রেখেছেন – আমি আসার আগে সব ক্ষমতা কারও হাতে যাতে না যায়। সীমিত জ্ঞান দিয়ে এত ক্ষমতা হলে জগত ওলটপালট করে ফেলবে না হয় evil কাজে ব্যবহার করবে।

পুরো পৃথিবীর সমস্ত ক্ষমতা – কোন Leader’র হাতে গেলে কি হতে পারে – ভেবে দেখো!

Modern Society এসব থেকে দূরে থেকেছে। Occultism নিয়ে Newton’র কাজগুলো দুশো বছর লুকিয়ে ছিল [1]। ব্যাপারটা এভাবে দেখো: Divine Realm থেকে নির্ধারিত – মানুষের ভালোর জন্য এসব লুকোনো থাক।

ক্ষমতা কতটুকু – উদাহরণ দেই।

পৃথিবীর সবদেশের সব Military পৃথিবীর সমস্ত Nuclear Weapon এক করে-ও আমার কিছু করতে পারবে না।

বুঝতে পারছ? এতটা!

Italy, Russia, Latin America, Mexico আর America’র Mafia Boss, Drug Traffickers, Drug Lords – ক্ষমতা টের পাচ্ছে। ]

#StopDrugTrafficking  #StopOrganizedCrime

3.2 Real World Power: Catholic Church আছে-ই, বাংলাদেশও আছে। অনেক দেশে Politician দের চাইতেও আমার Popularity বেশি … এটা ধীরে ধীরে বাড়বে। কোন না কোন কারণে আমাকে সবাই পছন্দ করে ফেলে। আমি কোন Candidate কে Recommend করলে – তার জেতার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।

References

প্রিন্সেস শামিতা তাহসিনকে লেখা চিঠি – ২৫

একটা মজার ব্যাপার কি জানো – Firms, Universities, Nations, States (of US) – সবাই আমাকে চায়!

And I have raised the bar so high – আমাকে আনার জন্য-ই সবাই অনেক innovation করে ফেলছে! #21stCenturyRenaissance

[03.20.15]

Princess,

পৃথিবীর মানুষরা হবে আমাদের “ছেলেমেয়ে”র মত।

পৃথিবীর মানুষদের limitations আছে – কেউ এটা বোঝে, কেউ ওটুকু।

I am striving towards being – Limitless.

প্রত্যেক ক্ষেত্রে যা জানা সম্ভব, সৃষ্টিজগতে যা করা সম্ভব, হওয়া সম্ভব – সর্বোচ্চ সীমাগুলোর দিকে।

পৃথিবীর সবার Guardian হওয়ার জন্য – এটা দরকার।

[03.18.15]

Facts Of Special Significance

United States

  • “Higgs Boson” (the so-called “God-particle”) Official Announcements – July 4, 2012 (Nobel Prize in Physics – 2013)
  • “Heaven is for Real” (Book) – July 4

Church Fathers were so inspired that they made arrangements and released a Movie last year (based on the Book):

Heaven Is for Real (2014) [IMDB]

  • Independence Day – July 04 (birthday) [July – 7th month. 04 – 40.]
  • Constitution Day – September 17 (My Sister’s birthday is on September 16!)

Mexico:

Mexico’s Independence Day is on September 16.

What makes Mexico special?

Mexico is the only country I have set my foots on in the Americas (apart from United States) in 2005 to take part in International Mathematical Olympiad (July 8 – 19).

Mexico is one of the countries where I am most involved in with #StopDrugTrafficking and #StopOrganizedCrime Activities.

Another no-less-important fact: Mexicans love me (including, but not limited to, President Enrique Pena Nieto) !

Mr. Enrique Pena Nieto, the 57th President of Mexico, was born on July 20, 1966 and held the position of the Governor of the State of Mexico from 16 September 200516 September 2011.

Youtube Playlist: Movies (2014)  [ Tahsin is inspiration behind 7 Movies released in 2014! ]

Bangladesh

  • US to Bangladesh Flight 2012 – 25 / 26 March (26 March : Independence Day of Bangladesh)
  • Saudi Arabia to Bangladesh Flight 1997 – 15 December (16 December : Victory Day of Bangladesh)

Jesus Christ

  • Jesus was crucified on a Friday (Noon).
  • US to Bangladesh Flight 2010 – 25 December
  • Catholic Church right by our house in Bangladesh (“R. C. Church Road … Mary ….”) (Fact: Bangladesh is a Muslim-majority country.)

Notes On Jesus Christ [TahsinVersion2.com]

Prophet Isaiah

“Therefore the Lord himself will give you a sign: The virgin will conceive and give birth to a son, and will call him Immanuel.” (Immanuel means “God with us”.) 

– Isaiah 7:14

“For to us a child is born,
    to us a son is given,
    and the government will be on his shoulders.
And he will be called
    Wonderful Counselor, Mighty God,
    Everlasting Father, Prince of Peace.” – Isaiah 9:6

  

“Of the greatness of his government and peace
    there will be no end.
He will reign on David’s throne
    and over his kingdom,
establishing and upholding it
    with justice and righteousness
    from that time on and forever.” –Isaiah 9:7

Prophet Isaiah lived over seven hundred years before Jesus.

Abraham and Jesus: two thousand years.

Jesus and present times: two thousand years.

Abraham and David: one thousand years. David and Jesus: one thousand years.

Prophet Muhammad

  • Prophet Muhammad performed “Hajj” (Islamic Pilgrimage) once and “Umrah” 4 times (in 4 years) in his lifetime.

1994 – 1997:

4 “Umrah”s in 4 years – once each year. [“04“]

Hajj – 1997.

  • Prophecy concerning the time of Jesus’s arrival (Second Coming): Amid Great War and conflict in Syria & Iraq.
  • “Bismillah al-Rahman al-Rahim” – total value of the letters: 786
  • My grandfather used to say that we are descendants of Prophet Muhammad.

So we asked the Divine Realm and the answer is: Yes, we are descendants of Prophet Muhammad (who, in turn, is a descendant of Abraham through Ishmael).

From Bible:

 Abram was eighty-six (86) years old when Hagar bore him Ishmael (means ‘God hears’).”

– Genesis 16 [Bible Gateway]

“I have made you (Abraham) a father of many nations. I will make nations of you, and kings will come from you. 

… He (Ishmael) will be the father of twelve rulers, and I will make him into a great nation.

….. “Will a son be born to a man a hundred (100) years old? Will Sarah bear a child at the age of ninety (90)?”

Then God said, “Yes, but your wife Sarah (means “Princess”) will bear you a son, and you will call him Isaac (means “Laughter”).

– Genesis 17 [Bible Gateway]

– [03.28.15] [From Bible …]

A Look Back At History

Chittagong [1], being a Port City, became settlement for many Arabs and other people from the Middle East in the Medieval Period.

There weren’t Modern Aircraft in those days, like the ones we have today. So one couldn’t fly to places!

Ships were the means for long distance travel. Port Cities were thriving centers of trade and commerce.

Many religious preachers followed traders.

And when one travels by ship, the Journey spans months.

So it’s no more like: going to a place in a day’s journey, getting things done and then returning the next day.

The Journey spanned months and many looked for permanent settlements.

Things were a lot different back then …

Twilight, Port City of Chittagong

Twilight, Port City of Chittagong

Facts

1. People are drawn – for one reason or the other.

Mystics and Monks belonging to different religions (Islam, Hinduism, Buddhism, .. ) have seen special signs and follow.

=> Leader of the whole World and everything in it.

2. Greatest Genius of All Time.

Far and far ahead of the best human experts in every domain of human endeavour.

Growing Towards => Knowledge of everything man can ever hope to know. “Absolute Truths”. “Final Truths”. Final works of Science and Technology of Humanity.

3. Growing Towards => Spiritual Power over every dust and particle on Earth. Power over everything.
Growing Towards => Unchallenged Authority over the whole World (until the World ends).

=> Freeing the World of Evil and Diseases, …….

4. Growing Towards => Purest Heart.

5. Words – Truth.

6. Divine signs in History.

Divine synchronization of Events.
Divine guidance.

7. Wherever set eyes upon – bountiful favor follows.

United States, Bangladesh [Still to come: Gas Boom], Microsoft, Roman Catholic Church, International Relations, …

Related Articles

References

From Wikipedia: “A Sufi shrine in Chittagong, dating back to 850 AD, is dedicated to the Bayazid.[6] While there is no recorded evidence of his visit to the region, Chittagong was a major port on the southern silk route connecting India, China and the Middle East, and the first Muslims to travel to China may have used the Chittagong-Burma-Sichuan trade route. Chittagong was a center of Sufism and Muslim merchants in the subcontinent since the 9th century, and it is plausible that either Bayazid or his followers visited the port city around the middle of the 9th century.”

  • [6] Mahdi [Wikipedia Entry]

“who will rule … and will rid the world of evil.”

Knowledge Is Virtue: In case of Development Economics & elsewhere

Knowledge is Virtue

“Our task is to become God-like through knowledge. We know so little.”
– Many lives many Masters

 

One day, not so long ago, I was watching a Talk Show.

The participants who took part were trying to present their own explanations / arguments behind different political events and their own predictions on what’s going to happen next.

And I thought: when people try to explain things – they provide explanations that are “shallow” in scope.

Sometimes they see the “event” from only one perspective. Most of the time, they “borrow” their explanations from others – what they heard others saying, or what they read.

 

But when I provide an explanation behind an event – Political, Economic or otherwise – it’s very close to what is “absolute truth”.

Each of my sentence and every word that I use – is based on sound analysis, taking every aspect into account and leaving nothing behind.

 

What are the special mechanisms of my mind that lie behind this capacity?

 

1.

I can grasp “the whole” in my mind.

Example: A Nation “as a whole” – including all its people, Organizations, Knowledge.

People can usually consider only “one part at a time”.

Being able to grasp “the whole” enables me accomplish some special feats; like writing the Constitution for any country [1] and engineering the Democratic Institutions for that country.

2.

My breadth of Knowledge is not bounded by a particular “field of Expertise”. I am an “Expert” in almost any human endeavor. If an area is outside my “expertise” today, I can learn by myself and surpass Experts in that field within a very short time.

 

These two features enable me become something close to “All Aware”, beholder of “All Knowledge”.

I am growing and gaining capacity to direct the “whole world” and everything in it – with my mind (and to make all parts “work together as a whole”).

[Area of Expertise: #Cognitive Science]

 

Breadth of Knowledge that enable me put forward explanations behind events:

I understand: How human minds operate,

How to create and run an Organization of any form and whatever complexity,

How to design the required Organizations to make a Nation work (e.g., Democratic Organizations) or Society or an International Agenda work (International Agendas including establishment of Peace and Security or International Finance),

How to take Science forward and engineer new Technologies to achieve breakthroughs:

conquering Disabilities like Autism and Diseases like AIDS and Cancer,

creating an advanced Artificial Intelligence Platform).

 

Area of Expertise: 

#Development Economics 

 

When Experts plan for turning a Developing Nation (say, Bangladesh or Nigeria or Indonesia) into a Developed Nation, their plans are limited by field of Expertise.

Economists   #Development Economics

Some Economists only make sure the Financial Systems work properly: that savings and investments are high; inflation is low and so forth.

Other Economists put more emphasis on Infrastructure development.

But Economists can not make detailed plans on how to develop a specific Industrial Sector.

Scientists and Engineers  

#Development Economics

When Scientists and Engineers propose Development plans, they emphasize developing the Industrial Sectors – they propose Technology Transfer from Developed countries. And they emphasize on individual development – turning more Scientists and Engineers – through a better Education system.

But Scientists and Engineers miss out on the importance of sound Economic Policy – policies like promotion of “Free Market Capitalism”. They also miss out on emphasizing the importance of Institutions and Organizations:

It’s not Individual Brilliance that make a Nation rich, it’s the Business Organizations and Business Environment that do.

Leaders  #Development Economics

When Leaders plan and implement Development Plans, they usually study successful Models of development (East Asian Tigers like South Korea or Singapore or Malaysia) and contemplate how they can “adapt” those “Models” to suit their own countries.

Most of the leaders are not “Economists” themselves, so they can’t explain the reasons that led to successes in those countries

(though Leaders enjoy the privilege of making new entries to our Dictionaries bearing their names!)

Instances:

“Abenomics” (a new entry to the Dictionary derived from Japanese Prime Minister Shinzo “Abe”) 

and

“Obamacare” (another entry to our layperson’s Dictionary due to President Barack “Obama”).

 

 

Lets get back to what I was discussing.

I can plan to the minutest details (taking “every” little thing of the country into consideration):

How to turn Bangladesh (and African Nations and Latin American Nations) into Developed Nations,

Possible time frame of milestones and achievements,

Estimation of quantitative impact of implementing different Economic Policies,

And most importantly, my plan would take into account every detail: Industry and Finance and Technology Transfer and Policy and People and how to make everything work together to achieve rapid development.

 

Economists and other planners – see only “a part” at a time; “the whole”, for them, is too complex to grasp (and for anyone else on Earth, excluding me). Just as I can simplify “complexity”, I can grasp “the whole”.

Another distinguishing facet:

I derive all of Knowledge from “First principles” and “Experience / Experiments” [2].

I am not limited by what I read in books. Books provide me with “Contexts” for my own original thinking. Books do not limit me; rather books provide me with “Topics” and “Contexts” for thinking and I build knowledge myself in my mind.

 

 

Articles By Me:

প্রিন্সেস শামিতা তাহসিনকে লেখা চিঠি – ২৪

#StoriesOfMyLife

Princess, Catholic Church র Father রা লক্ষ্য রেখেছে আমি যাতে বড় লক্ষ্য নিয়ে কাজ করি। কারণ, “ও যা চায় করতে পারবে, যা হতে চায় হতে পারবে – শুধু লক্ষ্যটা বড় রাখতে হবে।”

2012.

Father’রা ভাবল, আমাদের Christ তাহলে CS র লোক!

[Think this way: Someone comes to you and says, Jesus Christ is a CS Major!

Church Fathers look at me from that perspective.]

ওরা জেনে নিল CS র সবচেয়ে Advanced, Significant কাজ কোন sub-field-এ হচ্ছে।

সবাই suggest করলো – Big Data.

Father রা চাইল, আমি Big Data নিয়ে কাজ করি।

আমি তখন বাংলাদেশে। ওরা suggest করলো Big Data দেখতে – CS আর Applied Mathematics দুটোর উপর emphasize করলে সবচেয়ে ভালো হবে।

আমি CS এর যেহেতু – ওরা দেখতে চাইল, আমি Google, Facebook, Apple আর Amazon র মধ্যে কোনটাকে Prefer করি। ওটার-ই Dominate করার কথা।

দেখা গেল Google.

2013. Why is Google Building A Robot Army?

এবার Father’রা ভাবল, Christ কে Christ এর মতই হতে হবে! শুধু CS নিয়ে থাকলে তো চলবে না। ওর Medicine, Life Sciences এর দিকেও যাওয়া উচিত।

Google কে suggest করলো, Life Science Research, Anti-aging এ invest করতে।

Google তখন Anti-aging Research এ invest করে। Established হয় Calico [1]

US Department of Defense এর লোকজন ভাবল, Tahsin কে দিয়ে United States’র জন্য Military Robot বানাতে হবে।

Defense Research নিয়ে Plan জানিয়েছিলাম – Military’র কেউ injured হওয়ার চাইতে Military তে Robotics এর আরও বেশি use হওয়া উচিত – Fighter Aircraft-র বদলে Drone ব্যবহার করার মত।

Google কে suggest করা হল – Boston Dynamics (DARPA funded) [2] সহ আরও কিছু Robotics Firms কিনতে।

2013 এ তা-ই হল। Google ৮টা Robotics Firm কিনল [3]

এগুলো হল ঘটনার পেছনের ঘটনা। ( Why is Google Building A Robot Army? [Popular Science] )

References

“The Search giant is launching a venture to extend the human life span”

Sept. 30, 2013

Sept. 30, 2013

Articles By Me

বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াডের সংস্কৃতি

“মধুর সমস্যায় পড়েছেন বৃষ্টি শিকদার ও সৌরভ দাশ – Harvard University, Cambridge University, Massachusetts Institute of Technology (MIT), California Institute of Technology (Caltech), Stanford University, Duke University সহ বিশ্বের নামীদামি ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সবাইকে। কিন্তু বেছে নিতে পারবেন মাত্র একটি। কোনটি বেছে নেবেন এই দুই মেধাবী? [12]”


এটা কিভাবে ঘটেছে?

 
ঘটেছে বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াড সংস্কৃতি সূচনার মাধ্যমে। 
 
সেই গল্পই বলছি আজকে।
 
শুনতে থাকুন! 
 

বাংলাদেশে গণিত অলিম্পিয়াডের সংস্কৃতির সূচনার পর বেশকিছু পরিবর্তন আমরা লক্ষ্য করছি।

আমরা লক্ষ্য করছি, অনেকগুলো ছেলেমেয়ে প্রতিদিনের একটা বড় অংশ গভীর আগ্রহ নিয়ে গাণিতিক সমস্যা সমাধানে  ব্যয় করে।

স্কুল কলেজে আমরা যে গণিত করি – ওটা হল Exercise করা।
Physical Exercise করার সময় আমরা যেমন একই নিয়মে অনুশীলন করে যাই (হোক অনুশীলনটা শারীরিক) – স্কুলে কলেজে আমরা গণিত করার সময় অনেকটা ওরকমই করি – কিছু নির্দিষ্ট ধাপ মেনে একই নিয়মে অনুশীলন করে যাই। 
ধর, তুমি দুটো সংখ্যাকে গুণের নিয়ম (Rules) শিখে নিলে – প্রথমে সবচেয়ে ডানের অঙ্ক দুটোকে গুণ, তারপর হাতে রাখলাম, তারপর …।
এরপর তুমি যখন বই-এ দেওয়া Exercises থেকে দুটো সংখ্যাকে নিয়ম মেনে গুণ কর – তখন Exercise (অনুশীলন) কর (ঐ যে বলছিলাম – একই নিয়মে অনুশীলন)।
যারা Computer Science পড়েছ তারা জানো – এভাবে নির্দিষ্ট কিছু ধাপ (Step by step) মেনে সমস্যা সমাধানকে Computer Science এর পরিভাষায় বলে Algorithm.
অলিম্পিয়াডের সমস্যাগুলোর (Mathematical Problems) মজার ব্যাপারটা কি জানো?
গণিত অলিম্পিয়াডের সমস্যাগুলো সমাধানে – এই যে কোন ধাপের পর কোন ধাপ মেনে সমস্যা সমাধান হবে – ওটা নিজেকে ভেবে বের করতে হয়। অন্যকথায়, গণিত সৃষ্টি করতে হয়। 
Computer Science এর পরিভাষায় বলা যায় Algorithm টা নিজেকে দাঁড় করাতে হয়। 
ব্যাপারটা এভাবে ভেবে দেখো –
ধর, দুটো সংখ্যাকে কিভাবে গুণ বা একটা সংখ্যা দিয়ে অপর একটা সংখ্যাকে কিভাবে ভাগ করতে হবে – সেই নিয়ম তোমাকে কেউ শিখিয়ে দেয় নি। নিজেকে ভেবে বের করতে হবে – কিভাবে দুটো সংখ্যাকে গুণ করা যায় বা একটা সংখ্যা দিয়ে অপর একটা সংখ্যাকে ভাগ করা যায়।
গণিত অলিম্পিয়াডে এমন সব সমস্যা সমাধান করতে হয় – যে সমস্যা সমাধানের উপায় বা নিয়ম তোমাকে কেউ শিখিয়ে দেয় নি – তোমাকে ভেবে বের করতে হবে! অর্থাৎ গণিত সৃষ্টি করতে হবে!   

আমরা বলি, স্কুল কলেজে তোমরা Exercise কর, আর গণিত অলিম্পিয়াডে আমরা “Problem Solving” করি!
কাজেই যারা এখনও Problem Solving কর না, আশা করছি তোমরা দ্রুত আমাদের দলে যোগ দেবে!

যারা Problem Solving করে তাদের অনেক ভাবতে হয়। ভাবতে গিয়ে তাদের “নিউরনে অনুরনন” হয়! তারা অনেক ভালভাবে চিন্তা করতে, বিশ্লেষণ করতে শেখে। 
গণিত অলিম্পিয়াড সূচনার পর একটা প্রজন্ম গড়ে উঠছে যাদের গড় IQ আগের প্রজন্মগুলোর তুলনায় বেশি। নতুন প্রজন্মের এই ছেলেমেয়েরা অনেক ভালভাবে চিন্তা করতে পারে। আমাদের দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দৈনিক এ নিজের ছবি দেখা, বিশ্ব প্রতিযোগিতায় নিজ দেশকে represent করা – অনেক বড় inspiration। 

এই মেধাবী ছেলেমেয়েগুলো যখন দেশ ও সমাজের দায়িত্ব নেবে, তখন আমরা নতুন একটা দেশ গড়ে তুলবো।
সেই লক্ষ্যে প্রস্তুতির জন্য আমাদের কিশোর তরুণ গণিতবিদদের কিছু কাজ করতে হবে:
গাণিতিক সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে চিন্তা করার, বিশ্লেষণ করার যে ক্ষমতা বিকশিত হয়েছে, সেই ক্ষমতাকে আশেপাশের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রয়োগ করা শুরু করতে হবে। 
বই পড়ে যা-ই শিখছ – তাকে বাস্তব জীবনে কিভাবে প্রয়োগ করা যায় – ভাবতে হবে। 
আমার লেখা পড়লে দেখবে – জ্ঞান (Knowledge) কে আমি চারপাশের জগতে, জীবনের প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে প্রয়োগ করি। জীবনে চলি – জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে – Mathematics, Engineering, Economics, এমনকি Politics! Knowledge based Life – বলতে পারো! 
আর দেরি না – জ্ঞান ভিত্তিক জীবন (Knowledge based Life) শুরু হোক আজ থেকে!

আমরা লক্ষ্য করেছি, গণিত অলিম্পিয়াডের অনুষ্ঠানগুলোতে অনেক ভাল ভাল কথা হয়। আলোকিত মানুষ হওয়ার, দেশকে ভালবাসার অনুপ্রেরণা পায় ছেলেমেয়েরা। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা দেশের গুণী মানুষদের কাছ থেকে দেখার সুযোগ পায়, প্রশ্ন করতে পারে, কথা বলতে পারে এবং এমনকি চাইলে অটোগ্রাফও নিতে পারে!


দুটা চমৎকার ব্যাপারের একটা হল

  • “গণিত শেখো, স্বপ্ন দেখো” থিম – অনেকগুলো ছেলেমেয়ে নিজের জীবন নিয়ে দেশ নিয়ে বড় বড় স্বপ্ন দেখছে এবং তার চেয়েও বড় কথা স্বপ্নগুলোকে বিশ্বাস করছে [14]। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী দেশের শিশুকিশোর গণিতবিদদের কাছে যে ৩টি স্বপ্নের কথা বলেছিলেন তাদের মাঝে ছিল ২০২২ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী গনিতবিদের ফিল্ডস মেডল জয় এবং ২০৩০ সালের মধ্যে একজন বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর নোবেল পুরষ্কার জয়। আমাদের ক্ষুদে গণিতবিদরাও এই স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে নিজেদের তৈরি করছে। 
  • আরেকটা হল একেবারে ক্লাস থ্রি – ফোরের ছেলেমেয়েরা ড. জাফর ইকবালের ভাষায় “পেন্সিল কামড়ে” অঙ্ক করতে আসে!



আমরা লক্ষ্য করেছি, বাংলা মাধ্যমের বেশ কিছু ছেলেমেয়ে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেল এ পড়ার সুযোগ পেয়েছে। মুন পড়ছে Harvard University তে [1], নাজিয়া MIT তে [2] (তা নাহলে “MIghTy” শব্দটা এভাবে লেখা আমরা কোত্থেকে শিখতাম!), ইশফাক Stanford University তে [3], তানভির Caltech এ [4] (আমাদের শ্রদ্ধেয় প্রফেসর ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এই বিশ্ববিদ্যালয়ে Post-Doctoral Researcher হিসেবে কর্মরত ছিলেন) [5], সামিন Cambridge University তে [6]।

আগে অ্যামেরিকা, ইউরোপ, এশিয়া বা অস্ট্রেলিয়ার গ্রাজুয়েট স্কুলগুলোতে আমরা এমএস বা পিএইচডি করতে যেতাম। ইংরেজি মাধ্যমের অবস্থাসম্পন্ন ছেলেমেয়েরা পড়তে পারত আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলে। কিন্তু “বাংলা মাধ্যম” থেকে “স্কলারশিপ নিয়ে” “আন্ডার গ্রাজুয়েট” লেভেলে “বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে” পড়তে যাওয়াটা নতুন!

“বাংলা মাধ্যম” থেকে “স্কলারশিপ নিয়ে” “আন্ডার গ্রাজুয়েট” লেভেলে “বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে” পড়ার পথ দেখানোর কৃতিত্বের একক দাবিদার বাংলাদেশ গণিত দলের কোচ ড. মাহবুব মজুমদার  [7]; যিনি MIT থেকে Electrical Engineering এ আন্ডারগ্রাড, Stanford University থেকে Civil Engineering এ মাস্টার্স এবং Cambridge University থেকে Theoretical Physics এ PhD করে Imperial College এ [8] Post Doctoral করছিলেন। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের সাথে সম্পৃক্ত হন এবং স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশে থেকে যান। বিদেশী ও ইঞ্জিনিয়ারিং আন্ডারগ্রাড ডিগ্রি থাকা এবং আরও কিছু হাস্যকর কারণ দেখিয়ে তাকে Dhaka University র Physics Department এ যোগ দিতে দেওয়া হয়নি [9]। তিনি স্বপ্ন দেখেন বাংলাদেশে একটা বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার। তার মত ভাল মানুষ সচরাচর দেখা যায় না। আমরা তার পাশে থাকবো।

১৯০৫ এ আইনস্টাইনের “Miracle Year” [10] স্মরণে ২০০৫ সালের বাংলাদেশ জাতীয় গণিত অলিম্পিয়াডে আইনস্টাইন এবং পদার্থবিজ্ঞানের উপর একটা প্রশ্ন উত্তর পর্ব ছিল। সেখানে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলাম। তাই গণিত ক্যাম্পে ড. মাহবুব মজুমদার আগ্রহের সাথে পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা করতেন। মেক্সিকোয় যাওয়ার আগে প্রেস কনফারেন্সে তিনি স্ট্রিং থিউরির [11] একটা পেপার নিয়ে হাজির!   

আরেকটা ব্যাপার লক্ষ্য করার মত। আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে আমাদের সাফল্যের মাত্রা দ্রুত বাড়ছে [15] [16]। আমাদের কিশোর – তরুণ গণিতবিদরা ২০০৬ সালে প্রথমবারের মত অনারেবাল মেনশান, ২০০৯ সালে প্রথমবারের মত ব্রোঞ্জ মেডেল, ২০১২ সালে প্রথমবারের মত সিলভার মেডেল জয় করে এনেছে। আমরা আশা করছি, এই ধারা অব্যাহত রেখে বাংলাদেশ গণিত দল ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড থেকে গোল্ড মেডেল নিয়ে ফিরবে! গোল্ড মেডেল জয়ী সেই গণিতবিদ হতে পারো তুমিই!

আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডের পাশাপাশি আমাদের ক্ষুদে গণিতবিদরা এশিয়ান-প্যাসিফিক ম্যাথমেটিক্যাল অলিম্পিয়াডে (এপিএমও) অংশগ্রহণ করছে এবং পদক জয় করে আনছে [16]।

আমি শিরোনামে “সংস্কৃতি” শব্দটির উল্লেখ করেছি। এর সবচেয়ে বড় কারণ অবশ্যই বাংলাদেশের ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের গণিত তথা মেধার চর্চা। কিন্তু এই মেধা চর্চার ঢেউ এসে লেগেছে আমাদের সংস্কৃতির নানা অঙ্গনে, নানা অংশে। গণিত চর্চার জন্য প্রকাশিত হচ্ছে বই [13]। একুশের বই মেলায় গণিতের বইয়ের স্টলে ভিড় জমাচ্ছে ছেলেমেয়েরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে নিয়মিত গণিত অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হচ্ছে [17]।

গণিত অলিম্পিয়াড সূচনা এবং সাফল্যের পর বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে অলিম্পিয়াড শুরু হয়েছে।

  • পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড 
  • রসায়ন অলিম্পিয়াড
  • জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড 
  • প্রাণরসায়ন অলিম্পিয়াড
  • ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াড 
    • কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা। আমাদের স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েরা এখন আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় মেডেল জয় করে আনছে! ভাবা যায়!  



গণিত অলিম্পিয়াডের এই সংস্কৃতি সম্ভব হয়েছে কিছু তরুণ – তরুণীর স্বেচ্ছা কর্মোদ্যোগে। আমরা তাদের “মুভারস” (MOVERS – Math Olympiad Volunteers) বলে জানি। একটা শুভ উদ্যোগে দেশের তরুণ তরুণীদের উৎসাহী অংশগ্রহণ আমাদের প্রাণশক্তিতে ভরপুর তরুণ প্রজন্মকে সংজ্ঞায়িত করে।


নাগরিক শক্তি গণিত অলিম্পিয়াডের এই সংস্কৃতিকে দেশে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেবে।



– ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা; উপাচার্য, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক; সভাপতি, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি।

তরুণ প্রজন্ম এখন নেতৃত্ব নিতে সক্ষম
– ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বিভাগীয় প্রধান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

ভর্তি, মান ও দক্ষ জনশক্তি
– ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ: অধ্যাপক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ফেলো, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস।



তোমাদের জন্য লেখা





আরও কিছু লেখা




বাংলাদেশে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড




রেফরেন্স

  1. Harvard University
  2. MIT
  3. Stanford University
  4. California Institute Of Technology
  5. Dr. Muhammed Zafar Iqbal
  6. Cambridge University
  7. Dr. Mahbub Majumdar
  8. Imperial College
  9. A painful funny story
  10. Einstein’s Miracle Year
  11. String Theory
  12. এমআইটির পথে…
  13. গণিতের জাদু বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
  14. গণিত শেখো স্বপ্ন দেখো: জাতীয় গণিত উৎসব বিশেষ সংখ্যা: ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা
  15. আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড: এবার তিনটি ব্রোঞ্জ পেল বাংলাদেশ
  16. এপিএমওতে বাংলাদেশের দুটি ব্রোঞ্জ পদক
  17. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড

আজকের উপলব্ধিতে বাংলাদেশ [১৩.১১.১৪]

P

মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার



রাজনীতি – দেশজুড়ে 


 
International: Myanmar (Burma)

সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য পরিকল্পনা তৈরি করতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গণতন্ত্রমুখী সংস্কারের বিষয়ে মিয়ানমার পেছন দিকে হাঁটছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার এ রকম সতর্কবার্তার পাশাপাশি ওই আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা।

রোহিঙ্গাদের পক্ষে বান কি মুনের আহ্বান: 
জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন রোহিঙ্গাদের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। 

এইচআরডব্লিউয়ের তাগিদ: 
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, মিয়ানমার যাতে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি পূরণ করে, সে জন্য দাতা দেশ ও সংস্থাগুলোকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কাজ করতে হবে। 

International: India

Other News

#StopDrugTrafficking

Bangladesh Cricket Team

“সবজি উৎপাদন বৃদ্ধির হারের দিক থেকে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে তৃতীয়। “

স্মৃতিতে হুমায়ুন আহমেদ … প্রিয় কিছু বই

কিছুদিন আগে ভাবছিলাম – নাগরিক শক্তি যেদিন আত্নপ্রকাশ করবে সেদিন দুজন মানুষের জন্য কষ্ট হবে – প্রয়াত বিচারপতি হাবিবুর রহমান আর লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ। বেঁচে থাকলে দুজন নিশ্চয় অসম্ভব খুশি হতেন!

প্রয়াত বিচারপতি হাবিবুর রহমান আর লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ দুজনের জন্য অনেক অনেক শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা।

প্রয়াত লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদের অনবদ্য সৃষ্টিগুলোর মাঝে অন্যতম

  • তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাসম্পন্ন Psychologist মিসির আলি (ড. হুমায়ূন আহমেদ একটি বই – সম্ভবত “আমিই মিসির আলী” – তে উল্লেখ করেছিলেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানকে তাঁর মিসির আলী মনে হয়!),
  • অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন হিমু এবং
  • পৃথিবীর শুদ্ধতম মানুষ (“রাজপুত্রের মত দেখতে”, “দেবশিশু”, “পরীক্ষায় ফাস্ট ছাড়া কখনও সেকেন্ড হয়নি”, ফর্সা থেকে শুভ্র নাম) শুভ্র

The Daily Star সম্পাদক মাহফুজ আনাম আর “প্রথম আলো” সম্পাদক মতিউর রহমান স্মৃতিচারণ করে বলেন, যখন বেঁচেছিলেন কী করতেন – আমরা দেখেছি!


হুমায়ূন আহমেদের লেখা প্রিয় কিছু বই:

  • [2] হলুদ হিমু কালো রাব [2006]
  • [3] হিমুর মধ্যদুপুর  
  • [4] হিমুর নীল জোছনা 
  • [5] এই শুভ্র! এই 
  • [6] শুভ্র গেছে বনে
  • [7] রূপা  (“সাবিলা। একজন রূপা।” – হুমায়ূন আহমেদীয় কায়দায় লিখলাম!)
  • [8] হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী [2011]  (“তার নাম মারিয়া শারাপোভা (Maria Yuryevna Sharapova)। একটি রাশান পরী। হিমু(!)র পরীরা একদিন বাংলাদেশে আসবে। ও তাদের একজন।”)

Vanessa Marano

Lorde

প্রয়াত লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ ২০১২ সালে ক্যান্সার চিকিৎসার মাঝে যখন দেশে এসেছিলেন, আমাকে দেখতে চিটাগং এসেছিলেন – নিজের অসুস্থতার মাঝেও!

উপরের বইগুলোর মত কিছু ফিল্ম:

  • [1] Son of God (Jesus)
  • [2] 3 Idiots [Release Date: December 25, 2009] 

উপরের বইগুলোর মত কিছু বিদেশী বই:

  • [1] The Alchemist – Paulo Coelho (King of Salem; Shepherd boy)
  • [2] Harry Potter (Book 1-7) – J K Rowling (Harry Potter, the chosen one who shall destroy evil lord Voldemort)
  • [3] Twilight – Stephenie Meyer (Edward Cullen)
  • [4] Five Point Someone: What not to do at IIT – Chetan Bhagat

এমন আরও কিছু বই:

  • [3] এনিম্যান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল (বইমেলা ২০১৪) (তিষা, জন)

Links

Notes On Gates Foundation

1.
The idea for Gates Foundation first came while Bill Gates was visiting South Africa and he found out that there wasn’t adequate “electricity” supply in South Africa to run the Windows programs that Microsoft built.
So the Information Technology innovations that Microsoft developed couldn’t solve a lot of common problems that people face.
There had to be a way.
Thus came “Gates Foundation”.
 
 
As is consistent with Bill Gates’ background, when it got started – Gates Foundation was about finding Scientific / Technologicalsolutions to problems.
 
But Gates has always been fascinated about Economics. If I am not mistaken – at some point in his life Gates wished he could do research on Economics consecutively for 10 years.
[His other dreams included:
  • becoming a Chess GrandMaster;
  • doing research in BioChemistry – if Microsoft neverhappened (a huge fan of Richard Dawkins and his Selfish Genes! Maybe Gates wished he could find a few of the Selfless Genes he inherited in his DNA or in others’ DNA!);
  • make IBM and Microsoft work together]
Creative Capitalismborn out of that interest in Economics.
 
But Government (& Policy)and Social Change are new additions [1] [2] – or should I only mention Government.
Melinda Gates is more familiar with the concept of Social Changes.
As Melinda said in one of her interviews – Bill is more concerned with Technologyand Data (Bill is proud of the Graphs that depict the continuous decline in Diseases and rise in indexes that show people’s well being!)
while she is more into how to make people bring about changes in their lives, how to make people use the technologies 
with the ultimate goal of bringing about intended changes.
 
 
2.
P { margin-bottom: 0.08in; }

You feel so relievedwhen you truly believe that life doesn’t end when you die – your consciousness lives on.
Read books / watch documentaries on “Near Death Experiences” (NDE),
books on “alternate states of consciousness” :
  • Lucid dreaming
  • Out of body experiences
  • Hallucinations – Steve Jobs had lots of those I guess!
  • Sleep is an alternate state of consciousness.
You’ll soon come to the conclusion that,
life after death (near death experiences) is just an “Alternate state of consciousness”– an extreme form of “alternate state of consciousness” – never the less.
 
 
I see “the spiritual” as an “extension of science”.
I have built “logical edifice” for the spiritual world – just as scientists have built the “logical edifice” of science.
 
 
3.
How do you convince people to Philanthropy or doing things for other?
Ensure they try to “imagine” and “feel” the lives of people, the hardships they go through – for whom you want them to contribute.
When you just “read” – “100 people died of Ebola” – you do not feel anything– you don’t feel the urge to work for them.
But when you “read” the story of how a particular poor girldied of Ebola – how unfortunate she was – you feel it – you have “empathy” – you feel that you have to do something for those people.
When you “see”it for yourself – it works even better.
 
Everyone has “empathy” inside him / her.
A great novel or movie can make the toughest guy cry – It’s the “feeling” factorin action – the “empathy” – you just have to make sure – 
he is watching the movie with full attention, imagining himself as the Protagonist and “feeling” everything that is going on.
Now, if imaginary characters in a movie can make you cry, then a real story of a poor girl – well, needless to say.
This has another lesson for us.
When you look at people around you, usually you focus on the differences – differences in toughness, differences in opinions, differences in values, differences in what drives and motivates them. 
But inside, everyone is the samesame feelings, same emotions, same “governing rules” that shape their behavior and character (the subject matter of Psychology and Neuroscience). 
Most importantly, if you try – you can change any person – just reprogram his / her emotions and habits and change the perspective from which he / she views the world.
Summary: 
Next time you try to convince people to philanthropy – do not show “Data”, rather show pictures of how a particular person is suffering.
Exception: 
A scientist / Engineer like Bill Gates would always think how his work could have an impact – and to convince someone like him – Data and Technological possibilities would be more fruitful – but even the best Engineer would be motivated if he “feels” what his work means.
 
This is related to what I was thinking when I read about Larry Page a few days back.
It seems that Page’s working hour is full of scheduled meetings. 
He was used to working on intellectually challenging problems – and I am sure he loved it. 
Does he know how to find happiness in his current work? Or does it sometimes seem as stressful work?
I know this – because I know that most scientists do not know how to “enjoy” Management work. “Even stupid people can do this!” – they think. “There is nothing gratifying.”
So how does someone like Larry Page enjoy his role as a “Manager”?
It’s easy. 
Every now and then Page has to take some time off and “feel”the immense impact of his work – “feel”how his work – his “scheduled meetings” – is changing the lives of millions of people. And maybe he has to go back to his teen age days – his dreams at that time – and “feel” whether he has managed to surpass his dreams he had as a teen-ager and if that is the case “feel” really really happy!
And I am sure – Larry Page’s life would be different! 
Remember, you are in full control of your own happiness and satisfaction in life. 
[10/26/14]

 

References
“TEN years ago the Bill & Melinda Gates Foundation had identified 14 “grand challenges” in the field—from “preparing vaccines that do not require refrigeration” to “developing a genetic strategy to deplete or incapacitate a disease-transmitting insect population”—and had invited suggestions from the world’s scientists for specific projects of a sort that might not otherwise get funded, which might meet these goals.

Mr and Mrs Gates used this week’s meeting to announce a new set of challenges, this time spreading the net wider than the strictly science-based suggestions the programme has encouraged until now.”


“… this time the foundation is not going it alone. All sorts of partners, from America’s foreign-aid agency to the governments of Brazil, Canada, India and South Africa, are being recruited. …. public health depends on educating people and persuading them to change their behaviour, as well as on having the right medicines, as the example of HIV and AIDS eloquently shows. That sort of approach requires social change as well as appropriate technology.”



It’s great to see

  • Government & Policy and
  • Social Change

getting into the equation besides Scientific, Medical and Technological solutions and Economics.

  1.  
    On Philanthropy 2.0

     

আমি রাজনীতিতে কিভাবে – প্রশ্নটা নিশ্চয় অনেকের মনে! – ১

প্রফেসর ড. ইউনূস আর Microsoft Founder Bill Gates – দুজনই পৃথিবীর মানুষের জীবনের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করেন (Grameen [1] এবং Gates Foundation [2] র মাধ্যমে)। মানুষের জীবনের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করায় সফলতার বিচারে পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাতদের দুজন।
এই দুজনের স্বপ্নের অংশ হতে পারাটা অনেক বড় ব্যাপার!
প্রফেসর ড. ইউনূস আর Microsoft Founder Bill Gates – আমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন, প্ল্যান করেন আমিও মানুষের জন্য কাজ করবো। অন্যরকম একটা ব্যাপার!
 
আমি রাজনীতিতে কিভাবে  প্রশ্নটা নিশ্চয় অনেকের মনে!
প্রফেসর ড. ইউনূস আমাকে ছোটবেলা থেকে চিনতেন (আমাদের relative হন)।
খবর রাখতেন। 2005-এ International Mathematical Olympiad participate করেছিলাম খুশি হয়েছিলেন।
আমি রাজনীতিতে আসবো এমন একটা প্ল্যান প্রফেসর ড. ইউনূসের সবসময় ছিল।
 
২০১১’র শেষ দিকে America’Catholic Church’র ফাদার’রা আমাকে “Discover” করে। 
 
আমার সম্পর্কে জানতে America থেকে প্রফেসর ড. ইউনূসের সাথে যোগাযোগ করা হয়।
ব্যাপারটা অদ্ভুত না!
আমাকে চিনতেনও প্রফেসর ড. ইউনূস, ওরা যোগাযোগ করলোও উনার সাথে!
 
এরপর প্রফেসর ড. ইউনূস ২০১২’র প্রথম দিকেই বাংলাদেশে রাজনীতিবিদদের কাছে, নাগরিক সমাজের কাছে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেন।
সৃষ্টিকর্তার কি অদ্ভুত প্ল্যান!
Social Media র মাধ্যমে ঠিক একই সময়ে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছেও আমি পরিচিত হয়ে উঠি। It wasn’t pre-planned – sort of happenstance!
রাজনীতিতে আমার এভাবেই শুরু।
 
 
মজার ব্যাপার হল আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দুইজনই আমাকে ঘিরে প্ল্যান করেছিলেন ২০১২ তেই!
অবশ্য যথাক্রমে আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির মাঝে!
সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২০১৩ সালের শেষদিকে বলেছিলেন, “আমি এমন একজনকে তৈরি করে যেতে পারিনি যে আমার পর জাতীয় পার্টির দায়িত্ব নেবে!
নাগরিক শক্তির মাধ্যমে ইনশাল্লাহ সবার স্বপ্নের প্ল্যানের বাস্তব রূপ দেখা যাবে।
 
মানুষ সারা জীবনের স্বপ্ন, ১০ বছর, ২০ বছর, ৩০ কিংবা ৪০ বছরের সাধনার মাধ্যমে নিজের দল গড়ে তোলেন।
আমাদের দেশের বেশ কয়েকটা রাজনৈতিক দলের প্রধান নিজেদের ১০, ২০, ৩০ বছরের সাধনায়, নিজেদের হাতে গড়া দলের উরধে উঠে – “নাগরিক শক্তি”র অংশ হতে সাগ্রহে রাজি হয়েছেন।
পুরো ব্যাপারটা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না চুপচাপ অনুভব করতে হয়।

[ছোটবেলার একটা ঘটনা বলি। জাতীয় পার্টি সম্পর্কিত।

আমি যখন একদম ছোট্ট – ছোট্ট মানে একেবারে পিচ্চি – কয়েকমাস বয়স (!) আমার প্রয়াত নানা একদিন আমাকে নিয়ে টিভিতে জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ভাষণ দেখছিলেন। জেনারেল এরশাদ তখন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট।
তিনি হঠাৎ মুনাজাত ধরে বললেন, আল্লাহ্‌, আমার নাতনিকে এরশাদের মত বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট করে দাও!
আম্মুর পরীক্ষা পড়ছিলেন।
আমার নানী ডেকে নিয়ে এলেন দেখো, তোমার বাবা তাহসিনের জন্য কিভাবে দোয়া করছে!]
 
[আরেকটা মজার ব্যাপার বলি। এবার আওয়ামী লীগ!
২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব যখন জানলো, আমি নিজের দল করবো  প্রথমে ব্যাপারটাকে সহজভাবে নেয়নি।
সহজভাবে না নেওয়ার সুবাদে (!) আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব আমার যে International পরিচিতি আছে (Diplomatic) – প্রথম জেনেছিল এবং ফলশ্রুতিতে প্রক্রিয়া (!)টি দীর্ঘমেয়াদী হয়নি!
অন্য দশজনের মত ইউনিভার্সিটিতে যায়, সবার সাথে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট কিনে এমন কারও বাইরে পরিচিতি থাকতে পারে ভাবা যায় না! আমাদের দেশে তো না!]
 
 
সৃষ্টিকর্তা এমন ব্যবস্থা করেছেন  আমাকে সবাই মনে রেখে দেন!
গণিত অলিম্পিয়াডের সময় ২০০৫ সালে প্রথম আলোআর অন্যান্য পত্রিকায় আমার ছবি, আমাকে নিয়ে লেখা ছাপিয়েছিল – আমাকে মনে রেখে দিয়েছিলেন প্রয়াত লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ।
মৃত্যুর আগে ২০১২ তে দেশে এসেছিলেন। আমাকে দেখতে চিটাগং চলে এসেছিলেন।
লেখক ড. হুমায়ূন আহমেদ বেঁচে থাকলে আজকে সবকিছু দেখে অনেক খুশি হতেন!
কে বলতে পারে – হয়তবা যোগ দিতেন রাজনীতিতে!
[শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চের সমাবেশে প্রফেসর ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল]

 

References

  1. Grameen Foundation 
  2. Gates Foundation