"যৌতুক প্রথামুক্ত বাংলাদেশ" গড়ার পথে অগ্রযাত্রা

একবিংশ শতাব্দীতে এসেও যৌতুকসহ বিভিন্ন কারণে দেশে নারী নির্যাতনের হার এখনও আশঙ্কাজনক পর্যায়ে। দেশে এখনও অহরহ বাল্যবিবাহ ঘটে।নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গ্রামে গ্রামে নারীদের মাঝে ঐক্য গড়ে উঠবে – এই লক্ষ্যে কাজ করার সময় এসেছে।

নাগরিক শক্তি নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। আমরা প্রত্যাশা করি, নারীরাই দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসবেন।

আমরা কি পারি না, যেসব বৃদ্ধ বাবা অর্থাভাবে মেয়ের বিয়ে দিতে পারছেন না – তাদের চোখের অশ্রু মুছে পাশে গিয়ে দাঁড়াতে?
 
যুবকরা কেন পিছিয়ে থাকবে? গ্রামের যেসব যুবক আড্ডা দিয়ে সময় কাটাত, তারা কি চাইলেই পারে না এক হয়ে নতুন নতুন উদ্যোগ নিয়ে সবার চোখে “হিরো” হয়ে উঠতে? পারে না যৌতুক, বাল্যবিবাহ এবং এসব থেকে উদ্ভূত বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা, যেমন নারী নির্যাতন, এর বিরুদ্ধে সবাই মিলে অবস্থান নিতে? 

“যৌতুক প্রথামুক্ত বাংলাদেশ” – এই লক্ষ্য নিয়ে এখনই কাজ শুরু হোক। নারীরা ঐক্যবদ্ধ হলে এক একটি ইস্যুতে তারা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। নাগরিক শক্তি এক্ষেত্রে সবরকম সহায়তা করবে।
 
 
আজকের পত্রিকায় 
 
“ময়মনসিংহে দুস্থ, অস্বচ্ছল ও গরিব পরিবারের ১০ জোড়া বর-কনের যৌতুকবিহীন বিয়ে সম্পন্ন করেছে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ইসলাহুল মুসলিমিন পরিষদ বাংলাদেশ।যৌতুকবিহীন এ বিয়ে পড়ান ওই সংগঠনের সভাপতি ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের খতিব আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ।

এদের মধ্যে লিলি নামের এক মেয়ের যৌতুকের অভাবে বিয়ে হচ্ছিল না। যৌতুকের কারণে দুই দফায় দু’টি ভালো সম্বন্ধ ছুটে যায়। এ কারণে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলেন লিলি’র বাবা-মা, এমনকি লিলিও। যৌতুক ছাড়া বিয়ে হওয়ায় খুশি হয়েছেন লিলি ও তার বাবা-মা।

যৌতুকবিহীন বিয়ে উপলক্ষ্যে সালতা গ্রামে ছিল অন্য রকম আমেজ। পাঞ্জাবি আর টুপি পড়ে বর আর লাল বেনারশি পড়ে কনেদের বিয়ের আসরে আনা হয়।

বিয়ের উপহার হিসেবে নতুন দম্পত্তিরা পেয়েছেন একটি করে ভ্যান ও সংসার সাজানোর যাবতীয় উপকরণ।

বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ইসলাহুল মুসলিমিন পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসুদ বলেন, ‘আমাদের দেশে যৌতুক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি হিসেবে দেখা দিয়েছে। শুধুমাত্র যৌতুকের কারণেই অনেক অস্বচ্ছল পরিবারের মেয়েদের বিয়ে হয় না।”

বাংলাদেশের নারীরা

Unity of Women to establish Women’s Rights (নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় নারীদের ঐক্য)

একবিংশ শতাব্দীতে এসেও যৌতুকসহ বিভিন্ন কারণে দেশে নারী নির্যাতনের হার এখনও আশঙ্কাজনক পর্যায়ে। দেশে এখনও অহরহ বাল্যবিবাহ ঘটে।

নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গ্রামে গ্রামে নারীদের মাঝে ঐক্য গড়ে উঠবে – এই লক্ষ্যে কাজ করার সময় এসেছে।
নাগরিক শক্তি নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। আমরা প্রত্যাশা করি, নারীরাই দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসবেন। 
 

“যৌতুক প্রথামুক্ত বাংলাদেশ” – এই লক্ষ্য নিয়ে এখনই কাজ শুরু হোক। নারীরা ঐক্যবদ্ধ হলে এক একটি ইস্যুতে তারা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারেন। নাগরিক শক্তি এক্ষেত্রে সবরকম সহায়তা করবে।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশের সকল নারীকে অভিনন্দন। সবার স্বপ্ন সফল হোক।

নারীদের কথা

 

আরও লেখা

Social Progress through establishment of Women’s Rights (নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সামাজিক অগ্রগতি [০৬.০৩.১৪])


শিশুমৃত্যু হার, নারী শিক্ষা, শিশু পুষ্টি ইত্যাদি বিভিন্ন সামাজিক সূচকে ভারত-পাকিস্থানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশের উজ্জ্বল অবস্থানের পেছনে রয়েছে বাংলাদেশের নারীদের কর্মক্ষম করে তোলার বিভিন্ন উদ্যোগ এবং নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা।

গার্মেন্টস শিল্পে নারীদের নিয়োগ (৪০ লক্ষ গার্মেন্টস কর্মীদের মাঝে ৮৫% নারী), ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচিতে নারীদের অংশগ্রহণ (গ্রামীণের ৮৪ লক্ষাধিক গ্রাহকের মাঝে ৯৭%+ নারী।), দেশের মেডিক্যাল কলেজগুলোতে ছাত্রী সংখ্যা ছাত্র সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাওয়া – এমন সব দৃষ্টান্ত আমরা দেখছি।

তরুণরা নারীদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেতন।

 

বাংলাদেশ কিভাবে সামাজিক সূচকে এতটা অগ্রগতি দেখাল?

Economist অনুসারে-

“Four main factors explain this surprising success.

 
First, family planning has empowered women.

Second, Bangladesh managed to restrain the fall in rural household incomes that usually increases extreme poverty in developing countries.

Remittances and family planning have not attacked extreme poverty directly. That is where the government comes in.

Third, despite the political circus, the country’s elite has maintained a consensus in favour of social programmes.

And even that spending might well have been wasted but for one further influence: the extraordinary role played by non-governmental organisations (NGOs) in the country.

BRAC (which originally stood for Bangladesh Rehabilitation Assistance Committee, but now is the only name the organisation needs) invented the idea of microcredit.

The real magic of Bangladesh, though, was not microfinance but BRAC—and NGOs more generally.

BRAC does practically everything.

inoculate every Bangladeshi against tuberculosis.

BRAC’s primary schools

But Bangladesh’s record is, on balance, a good one. It shows that the benefits of making women central to development are huge.”

 
আরও